ঈদে বড়পর্দায় ফিরছেন শাকিব-অপু, তবে আলাদা সিনেমায়

ঈদে বড়পর্দায় ফিরছেন শাকিব-অপু, তবে আলাদা সিনেমায় বিনোদন প্রতিবেদক | ঢাকা, ঢাকাই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে আলোচিত জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ঈদের বড়পর্দায় ফিরছেন এই দুই তারকা। তবে এবার একসঙ্গে নয়, আলাদা আলাদা সিনেমায় দেখা যাবে তাদের। চলতি বছরের ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রোজার ঈদে শাকিব খান হাজির হচ্ছেন ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ সিনেমা নিয়ে। ছবিটি নির্মাণ করছেন আবু হায়াত মাহমুদ। গত বছরের জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সময় জানানো হয়েছিল, সিনেমাটি ২০২৬ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাবে। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে ছবিটির শুটিং চলছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে শাকিব খানের। এই সিনেমায় শাকিব খানকে দেখা যাবে নব্বইয়ের দশকের এক গ্যাংস্টার চরিত্রে। তার বিপরীতে অভিনয় করছেন তাসনিয়া ফারিণ, যার নাম গত ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন অভিনেতা এজাজুল ইসলাম। নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ জানান, ভারতের ভিসা জটিলতার কারণে আপাতত দেশের মধ্যেই শুটিং শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাজ থামিয়ে না রাখতে দেশেই শুটিং শুরু করেছি। আশা করছি দ্রুত ভিসা সমস্যার সমাধান হবে। অনুমতি পেলেই নির্ধারিত লোকেশনে দুই দেশের শিল্পীদের নিয়ে শুটিং করা হবে।’ শিগগিরই সিনেমাটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের অংশের শুটিং শেষ হলে পুরো ইউনিট শ্রীলঙ্কায় যাবে, যেখানে ছবির বড় একটি অংশের শুটিং হবে। অন্যদিকে, শাকিব খানের সাবেক সহশিল্পী ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও ফিরছেন বড়পর্দায় নতুন রূপে। নির্মাতা কামরুল হাসান ফুয়াদের পরিচালনায় থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘দুর্বার’-এ অভিনয় করছেন তিনি। নতুন বছর উপলক্ষে ইতোমধ্যেই প্রকাশ পেয়েছে ছবিটির প্রথম পোস্টার, যেখানে রক্তমাখা মুখ ও রহস্যময় লুকে দেখা গেছে অপু বিশ্বাসকে। এটি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একেবারেই ভিন্ন ধরনের চরিত্র বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ‘দুর্বার’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সজল। নির্মাতা কামরুল হাসান ফুয়াদ বলেন, ‘দর্শকরা এই ছবিতে অপু বিশ্বাসকে একেবারেই নতুন রূপে দেখতে পাবেন। এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং চরিত্র।’ জানা গেছে, ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রায় ৪০ শতাংশ শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৩ সালের পর বড়পর্দায় নিয়মিত দেখা না গেলেও ২০২৬ সালের ঈদে ‘দুর্বার’ দিয়ে অপু বিশ্বাসের জোরালো প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। নতুন সহশিল্পী সজলকে নিয়ে সন্তুষ্ট অপু বিশ্বাসও তার অভিনয় ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। সব মিলিয়ে আসন্ন ঈদে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দুজনেরই নতুন সিনেমা ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে।

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক বলিউডের ‘গ্রিক গড’ হিসেবেই তাকে চেনে গোটা দুনিয়া। সেই হৃতিক রোশনের ভেতরে যে লুকিয়ে আছে এক চতুর্থাংশ বাঙালি সত্তা তা ফের সামনে আনলেন অভিনেতা নিজেই। নতুন বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে নিজের শিকড়ের গল্প শেয়ার করে আবেগে ভাসালেন ভক্তদের। গ্রিক দেবতার মতো চেহারা, সুঠাম শরীর আর অনন্য অভিনয় দক্ষতা, এই সব গুণেই গত আড়াই দশক ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়ক হৃতিক রোশন। তবে এবার আলোচনায় তার সিনেমা নয়, বরং শিকড়ের টান। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার করা কয়েকটি ছবির ক্যাপশনে হৃতিক লিখেছেন, ‘বোধহয় এভাবেই আমার ভেতরের ২৫ শতাংশ বাঙালি রক্ত বইছে।’ এই এক লাইনের স্বীকারোক্তিতেই যেন খুলে গেল তার পারিবারিক ইতিহাসের এক আবেগঘন অধ্যায়। হৃতিকের বাঙালি পরিচয়ের মূল সূত্র তার দাদি ইরা রোশন। বিয়ের আগে যার নাম ছিল ইরা মৈত্র। তিনি কলকাতার মেয়ে। মাত্র বিশ বছর বয়সে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে গান গাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কলকাতা ছাড়েন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে পরিচয় হয় কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রোশন লাল নাগরথের সঙ্গে। সেই পরিচয়ই পরে রূপ নেয় আজীবনের বন্ধনে। সংগীতের সেই উত্তরাধিকার আজও হৃতিকের চলন, ছন্দ আর শিল্পীসত্তায় যেন নীরবে প্রবাহিত। পরিবারে ইরা রোশন ছিলেন একেবারে বটগাছের মতো। হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশনের ডাকনাম ছিল ‘গুড্ডু’। সেই নাম থেকেই আদরের নাতির নাম রাখেন ‘ডুগগু’। মুম্বাইয়ের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও দাদি নাতিকে বড় করেছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির আবহে। হৃতিক তাকে ডাকতেন ‘ঠামি’। পিয়ানো বাজানো শেখা থেকে শুরু করে মাছের ঝোল দিয়ে ভাত মেখে খাওয়া হৃতিকের শৈশব জুড়ে ছিল বাংলার ঘ্রাণ। হৃতিকের জীবনে জানুয়ারি মাস সবসময়ই বিশেষ। এই মাসেই তার জন্মদিন, এই মাসেই মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ছবি ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’। আশ্চর্যের বিষয়, তার জীবনের প্রথম মঞ্চ পরিবেশনাও হয়েছিল কলকাতায়। ২০০৫ সালে দাদি ইরা রোশনের প্রয়াণ হলেও, তার স্মৃতি আজও হৃতিকের হৃদয়ে অমলিন। বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলেই নাকি তার রক্ত চনমন করে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই ক্যাপশন তাই শুধু একটি বাক্য নয়- এক নাতির পক্ষ থেকে তার ‘ঠামি’র প্রতি গভীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার প্রকাশ। ৫২ বছরে পা রেখেও হৃতিক বুঝিয়ে দিলেন, তিনি যত বড় তারকাই হোন না কেন, তার হৃদয়ের এক কোণে আজও জ্বলজ্বল করে সেই বাঙালি শিকড়।

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায়

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায় বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। ‘মাস্তানি’খ্যাত এ অভিনেত্রী ক্যারিয়ারে অনেক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ৪০ বছর পূর্ণ করে একচল্লিশে পা দিতে যাচ্ছেন। বিশেষ দিন উপলক্ষে চলুন আরো একবার জেনে নিই, দীপিকার জানা-অজানা পাঁচ অধ্যায়— এক. দীপিকা পাড়ুকোনের বাবা-মা ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বসবাস করতেন। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন দীপিকা। তার জন্মের কিছুদিন পরই দীপিকা পাড়ুকোনের পরিবার ভারতের বেঙ্গালুরুতে চলে আসে। দুই. দীপিকা পাড়ুকোন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। কেবল অসাধারণ অভিনেত্রীই নন, বরং একজন জাতীয় স্তরের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ও। তার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনে একজন ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিত। এর আগে এই আইকনিক অভিনেত্রী অলিম্পিক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধুর সঙ্গে খেলার একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন। তিন. দীপিকা পাড়ুকোনে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কারণ দীপিকাই একমাত্র ভারতীয় অভিনেত্রী যে টাইম ম্যাগাজিনের কভারে দু’বার স্থান পেয়েছেন। চার. বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী বলেছেন, “দীপিকাই নতুন ড্রিম গার্ল।” সঞ্জয় লীলা বানসালি দীপিকাকে বৈজয়ন্তীমালার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যে ছিলেন হেমা মালিনীর আদর্শ। পাঁচ. চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে দীপিকা উঠতি অভিনেতা নিহার পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর খুবই নাটকীয়ভাবে নিহারকে ছেড়ে দেন এই অভিনেত্রী। নিহারের সঙ্গে দীপিকার সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি সিনেমা তৈরির কথা ছিল। যদিও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।

পাম স্প্রিংস উৎসবে হাজির হতে পারলেন না লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

পাম স্প্রিংস উৎসবে হাজির হতে পারলেন না লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নেওয়ার ঘটনার পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যেমন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তেমনি এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলেও। সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে কিছু এলাকায় বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে তার আঁচ গিয়ে লাগে হলিউড তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর ওপর। আকাশসীমা সীমিত হয়ে পড়ায় ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট বার্থেলেমিতে আটকা পড়েন ডিক্যাপ্রিও। ফলে ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত পাম স্প্রিংস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের গালা অ্যাওয়ার্ডসে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি।উৎসবে তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’এর জন্য তাকে ডেজার্ট পাম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করার কথা ছিল। তবে ভ্রমণ জটিলতার কারণে সেই সম্মাননা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বিনোদনবিষয়ক গণমাধ্যম ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাতের পর আরোপিত এলাকাভিত্তিক বিমান উড্ডয়নের নিষেধাজ্ঞার কারণেই সেন্ট বার্থেলেমি ত্যাগ করতে পারেননি ডিক্যাপ্রিও। নতুন বছরের আগে সেখানে তাকে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে দেখা গেছে। সেই দলে ছিলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তার সঙ্গী লরেন স্যানচেজও। পাম স্প্রিংস চলচ্চিত্র উৎসবের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, “অপ্রত্যাশিত ভ্রমণ বাধা ও সীমিত আকাশসীমার কারণে লিওনার্দো আজ আমাদের সঙ্গে সশরীরে থাকতে পারছেন না। তবুও তার অসাধারণ কাজ এবং চলচ্চিত্র জগতে দীর্ঘদিনের অবদানকে সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্বিত।উল্লেখ্য, ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সিনেমাটিতে ডিক্যাপ্রিও একজন সাবেক বিপ্লবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। গল্প অনুযায়ী, নিজের কন্যাকে উদ্ধারের জন্য তাকে আবারও ফিরতে হয় সেই বিপজ্জনক ও সহিংস অতীত জীবনে। সিনেমাটি মুক্তির আগেই ডিক্যাপ্রিওর অভিনয় ঘিরে সমালোচকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা যে বিনোদন জগতেও অপ্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে, ডিক্যাপ্রিওর এই ঘটনা তারই সাম্প্রতিক উদাহরণ।

মার্ভেল ভক্তদের নতুন থিওরিতে তোলপাড়

মার্ভেল ভক্তদের নতুন থিওরিতে তোলপাড় মার্ভেল ভক্তদের উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ঘিরে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এরই মধ্যে তিনটি টিজার সামনে এসেছে যার মধ্যে দুটি ইতোমধ্যেই অফিসিয়ালি মুক্তি পেয়েছে। টিজারগুলোতে নতুন চরিত্র, অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহ আর ভয়ংকর হুমকির ইঙ্গিত মিললেও, সিনেমার শেষ পরিণতি নিয়ে মার্ভেল স্টুডিও এখনও পুরোপুরি মুখ খোলেনি। তবে এই অনিশ্চয়তার মাঝেই সামাজিক মাধ্যম রেডিটে ছড়িয়ে পড়েছে একেবারেই ভিন্নধর্মী ও চাঞ্চল্যকর এক থিওরি। ভক্তদের একাংশ দাবি করছেন, অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের প্রতিটি সিনেমার লোগোর মধ্যেই নাকি লুকিয়ে থাকে গল্পের ফলাফল! রেডিটের সেই থিওরি অনুযায়ী, অ্যাভেঞ্জার্স লোগোর ‘A’ অক্ষরের পাশে ও নিচে থাকা সার্কেল বা বৃত্তের নকশা নাকি ইঙ্গিত দেয় শেষ পর্যন্ত অ্যাভেঞ্জার্স জিতবে, নাকি পরাজয়ের স্বাদ পাবে। আগের সিনেমাগুলোর লোগো বিশ্লেষণ করে তারা দাবি করছেন, যেসব ছবিতে সার্কেলটি সম্পূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ ছিল, সেখানে অ্যাভেঞ্জার্সের জয় নিশ্চিত হয়েছে।আর যেখানে সার্কেলটি ভাঙা, অসম্পূর্ণ বা ছায়ায় ঢাকা ছিল, সেখানে গল্পের শেষটা হয়েছে আরও অন্ধকার ও ট্র্যাজিক।এই সূত্র ধরে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ এর প্রকাশিত লোগো বিশ্লেষণ করে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার হয়তো অ্যাভেঞ্জার্সদের জন্য অপেক্ষা করছে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন পরিণতি। যদিও অনেকে আবার এটিকে নিছক কাকতালীয় বলেই মনে করছেন।এদিকে মার্ভেল স্টুডিও এই থিওরি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য না করলেও, ভক্তদের আলোচনায় স্পষ্ট ডুমসডে শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং মার্ভেল ইউনিভার্সের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক বড় মোড় হতে চলেছে। সব মিলিয়ে, লোগোর ছোট্ট একটি সার্কেল ঘিরেই এখন তুমুল উত্তেজনা। সত্যিই কি মার্ভেল এত সূক্ষ্মভাবে আগাম ইঙ্গিত দেয়, নাকি সবটাই ভক্তদের কল্পনার ফসল তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে সিনেমা মুক্তি পর্যন্তই।  

কোরিয়ার বরেণ্য অভিনেতা আন সাং-কি মারা গেছেন

কোরিয়ার বরেণ্য অভিনেতা আন সাং-কি মারা গেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বরেণ্য অভিনেতা আন সাং-কি মারা গেছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে সিউলের সুনচুনহিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দক্ষিণ কোরিয়ার আধুনিক চলচ্চিত্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন আন সাং-কি। দ্য কোরিয়া টাইমস এ খবর প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদন জানানো হয়েছে, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর বাড়িতে খাবার খাওয়ার সময়ে আন সাং-কির গলায় খাবার আটকে গিয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। অচেতন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুনচুনহিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু কোনো চেষ্টায় তাকে ফেরানো যায়নি। মৃত্যুর সময়ে তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ২০১৯ সালে আন সাং-কির ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসার পর ২০২০ সালে জানানো হয়, ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পরবর্তীতে রোগটি আবার ফিরে আসে। তারপর থেকে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন এই অভিনেতা। স্বাস্থ্যগত এতটা চ্যালেঞ্জ থাকার পরও চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। অসুস্থতার পর ২০২৩ সালে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রকাশ্যে দেখা দেন এই অভিনেতা। ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন আন। শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। কিম কি-ইয়াং নির্মিত ‘দ্য টোয়ালাইট ট্রেন’ তার অভিনীত প্রথম সিনেমা। এটি ১৯৫৭ সালে মুক্তি পায়। একই পরিচালকের বিখ্যাত হরর ঘরানার ‘দ্য হাউজমেইড’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। এটি ১৯৬০ সালে মুক্তি পায়। ছয় দশকের বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১৪০টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘আ ফাইন, উইন্ডি ডে’ (১৯৮০) এর মতো সিনেমা উপহার দিয়ে সুপারস্টার হয়ে ওঠেন আন। এই সিনেমার জন্য সেরা নতুন অভিনেতা বিভাগে দেইজং ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন তিনি। এরপর ‘চিলসু অ্যান্ড মানসু’, ‘টু কপস’, ‘নোহোয়্যার টু হাইড’, ‘সিলমিডো’, ‘রেডিও স্টার’, ‘দ্য ডিভাইন ফিউরি’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এই তারকা।

আনারসের ঢাকা সফর মঞ্চে প্রশংসিত 

আনারসের ঢাকা সফর মঞ্চে প্রশংসিত  টাঙ্গাইলের মধুপুরের একটি বাগানের আনারসের ঢাকায় আগমনকে কেন্দ্র করে শিশুদের জন্য মঞ্চস্থ হচ্ছে ‘আনারসের ঢাকা সফর’ নাটক। নাটকটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আনারসগুলো শহরে এসে পৌঁছে, এবং সেই আনারস বিক্রি করে কৃষক ফুলগাজি নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসর হন। নাটকে ফুটে উঠেছে প্রাকৃতিক উপায়ে রসালো আনারস ফলানোর গল্প, যেখানে রাসায়নিক সার ব্যবহারের কোনো স্থান নেই। মধুপুরের বাগানে শেয়াল, কোকিল, কাক, ইঁদুর ও বেড়ালের দুষ্টুমির সঙ্গে আনারসের দীর্ঘদিনের শেকড় ছেড়ে মানুষের কল্যাণে আত্মত্যাগের গল্পও উঠে এসেছে। ঢাকায় কাওরান বাজারে আনারসগুলো পৌঁছালে শহরের ব্যস্ততা এবং দেশের-বিদেশের ফলের সঙ্গে ভিন্ন এক মেলবন্ধন তৈরি হয়। বিক্রির মাধ্যমে কৃষকের সংগ্রাম, আশা ও শ্রমও জীবন্তভাবে উঠে আসে। সব আনারস বিক্রি হয়ে গেলেও দুটো ফিরে আসে মধুপুরে-ফুলগাজির বাগানকে নতুন জীবন দান করে। নাটকটি রচনা করেছেন আনজীর লিটন, নির্দেশনা দিয়েছেন মনামী ইসলাম কনক, সহযোগী নির্দেশক মনিরুজ্জামান রিপন। এটি গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে বিকেল মঞ্চস্থ হয়েছে। নাটকটি দর্শকের কাছ থেকে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। ঢাকা লিটল অপেরা শিশুদের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও সৃজনশীল চর্চার জন্য একটি আদর্শ প্ল্যাটফর্ম। নাটক, কবিতা আবৃত্তি, পাঠাভিনয়, নৃত্য ও বাচিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের মঞ্চে উপস্থাপনের অভিজ্ঞতা দেওয়াই প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লক্ষ্য। ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা ঢাকা লিটল অপেরা ‘আনারসের ঢাকা সফর’ নাটকের মাধ্যমে গ্রামের জীবন ও শহরের সংযোগকে তুলে ধরছে। শিশুদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা কেন্দ্র করে গল্প বলার নতুন যাত্রা হিসেবে এটি বিবেচিত হচ্ছে।

তাহসানপত্নী রোজা নতুন রূপে নজর কাড়লেন

তাহসানপত্নী রোজা নতুন রূপে নজর কাড়লেন ঝলমলে সিকুইন দেওয়া বডিকন গাউনে গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিয়েছেন রোজা। দেখতে দেখতে দাম্পত্য জীবনের এক বছরে পা রাখলেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান ও তার সহধর্মিণী রোজা আহমেদ। প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে ভালোবাসা, আয়োজন আর শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে এই তারকা দম্পতির বিশেষ দিনটি। বিবাহবার্ষিকী ঘিরে রোজা আহমেদের ব্যতিক্রমী আয়োজন ও নজরকাড়া লুক ইতোমধ্যেই শোবিজ অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তাহসান-রোজা। সম্প্রতি রোজা আহমেদ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে অ্যানিভার্সারির কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন। মুহূর্তেই ছবিগুলো ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় নানা আলোচনা। বরাবরের মতোই রোজা তার ফ্যাশন সেন্স দিয়ে নজর কাড়লেও এবার যেন চমক আরও বেশি। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ঝলমলে সিকুইন দেওয়া বডিকন গাউনে গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিয়েছেন রোজা। তার এই স্টাইলিশ লুক ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এদিকে, অ্যানিভার্সারি উদযাপনের আয়োজনে ছিল দৃষ্টিনন্দন কেক। সাদা ক্রিমে মোড়ানো কেকটি সাজানো ছিল বিশাল লিলি ফুল ও মোমবাতিতে। কেকের পাশে রাখা ছিল একটি গোলাপের তোড়া। অনেক নেটিজেনের ধারণা, প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রীকে এমন বিশেষ সারপ্রাইজ দিয়েছেন তাহসান। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান ও রোজা আহমেদ। তাদের বিয়ের মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে এই তারকা দম্পতি।

জায়েদ খান সুখবর দিলেন

জায়েদ খান সুখবর দিলেন দীর্ঘদিন সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সেখানকার নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলা সংবাদমাধ্যম ‘ঠিকানা’য় ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’ নামের একটি শো করে আসছিলেন তিনি। এবার ‘হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট’ বা বিনোদন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এই চিত্রনায়ক। তার উপস্থাপনায় ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’র প্রথম সিজনটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মোট ১২টি পর্ব প্রচারিত হয়েছে এই সিজনে। যেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় তারকা। জায়েদ খানের সাবলীল উপস্থাপনা ও তারকাদের সঙ্গে আড্ডার ভিডিওগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঝড় তোলে। জায়েদ খান বলেন, ‘আমরা কত ভিউ পেয়েছি, সেটা চিন্তার বিষয় নয়, তবে এত ভালোবাসা পেয়েছি- এটাই অনেক। আপনারা আমাদের বিশ্বাস করেছেন, ভালোবেসেছেন- এটাই আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। নতুন দায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সফল উপস্থাপনার পর এবার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যুক্ত হলেন এই অভিনেতা। ‘হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট’ হিসেবে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জায়েদ খান বলেন, ‘ঠিকানা নিউজে আরও অনেক ধামাকা থাকছে। আর সে কারণেই ঠিকানা নিউজের হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে যুক্ত হয়েছি। বলা দরকার, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান জায়েদ খান। এরপর আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ার কারণে তিনি আর দেশে ফেরেননি। মাতৃভূমিতে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন এবং সেখানেই ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন।

হানিয়ার জন্য শুভ নয় ২০২৬ সাল

হানিয়ার জন্য শুভ নয় ২০২৬ সাল পাকিস্তানের সবচেয়ে আলোচিত তারকা জুটি হানিয়া আমির ও আসিম আজহারকে ঘিরে ফের উচ্ছ্বাসে মেতেছে ভক্তরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সর্বশেষ গুঞ্জন অনুযায়ী, দুজন নাকি গোপনে বাগদান সেরে ফেলেছেন এবং ২০২৬ সালেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। প্রিয় তারকা জুটির এই খবরে ভক্তদের আনন্দের শেষ নেই। তবে এই সুখবরের মাঝেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এক জ্যোতিষীর করা ‘সতর্ক’ ভবিষ্যদ্বাণী। কী বললেন জ্যোতিষী? সম্প্রতি অভিনেত্রী নাদিয়া খানের উপস্থাপনায় জনপ্রিয় সকালের অনুষ্ঠান ‘রাইজ অ্যান্ড শাইন’-এ উপস্থিত হন জ্যোতিষী সামিয়া খান। সেখানে তিনি হানিয়া আমিরের জন্মছক, রাশিফল ও জ্যোতিষ গণনা (জাইচা) বিশ্লেষণ করে একটি চমকপ্রদ মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, ২০২৬ সাল হানিয়ার বিয়ের জন্য শুভ নয়। এই সময়ে বিয়েতে জড়ালে সম্পর্কে ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে, যা ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি পেশাগত জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আপাতত দুজনেরই উচিত ক্যারিয়ারে মনোযোগী হওয়া। আরও জ্যোতিষীর মতামত : এদিকে আরেক জ্যোতিষী কিরণ চৌধুরী দাবি করেন, তিনি অতীতেই হানিয়া আমিরের বিচ্ছেদের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে সত্যি হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হানিয়া আবারও পুরোনো সম্পর্কে ফিরতে পারেন এবং চলতি বছরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে ভিন্ন মত দিয়েছেন জ্যোতিষী আলি মুহাম্মদ। তিনি বলেন, “হানিয়া আমিরের জীবনে প্রেম রয়েছে, কিন্তু নিকট ভবিষ্যতে বিয়ের সম্ভাবনা আমি দেখছি না।” অফিশিয়াল নিশ্চয়তা নেই : এত গুঞ্জন ও ভবিষ্যদ্বাণীর মাঝেও এখনো পর্যন্ত হানিয়া আমির বা আসিম আজহারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। তাঁদের টিমও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি।হানিয়া ও আসিমের সম্পর্কের শুরু ২০১৮ সালে। ২০২০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর আসিম আজহার অভিনেত্রী মেরুব আলির সঙ্গে বাগদান করেন, যা ২০২৫ সালের জুনে ভেঙে যায়। এই ঘটনার পরই আবারও হানিয়া–আসিমের পুনর্মিলনের খবর জোরালো হয় এবং সেখান থেকেই নতুন করে বাগদান ও বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে, সত্যিই কি বিয়ের ঘণ্টা বাজতে চলেছে নাকি আবারও তা থেকে যাবে গুঞ্জনের মধ্যেই এ প্রশ্নের উত্তর পেতে আপাতত অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ভক্তদেরই।