সিনেমার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছি ফারিন খান

সিনেমার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছি ফারিন খান রাসেল আজাদ বিদ্যুৎ: ফারিন খান। অভিনেত্রী ও মডেল। আরটিভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত একক নাটক ‘রং নাম্বার’। এ নাটক, বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তাঁর সঙ্গে আপনার নতুন একক নাটক ‘রং নাম্বার’ সম্পর্কে জানতে চাই। আপনার অন্যান্য নাটক থেকে এর গল্প ও চরিত্র কতটা আলাদা বলা যায়? আগে যে নাটকগুলোয় অভিনয় করেছি, তার সঙ্গে ‘রং নাম্বার’র কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। কারণ, নব্বই দশকের পটভূমিতে এর গল্প লেখা হয়েছে। যখন ল্যান্ডফোন ছিল যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। প্রায় সময় ভুল কল চলে আসত। রং নাম্বার বলে রেখে দেওয়া হতো ফোন। কেউ আবার ইচ্ছা করে ফোন করে চুপ করে থাকত। অপেক্ষা করত ফোনের ওপাশ থেকে কোনো নারীকণ্ঠ ভেসে আসে কিনা। এ ধরনের রং নাম্বারের সূত্র ধরে কারও কারও বন্ধুত্ব তৈরি হতো। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম এবং এরপর সেই প্রেম নিয়ে জন্ম নিত নানা ঘটনা। এমনই এক গল্প নিয়ে ‘রং নাম্বার’ নাটক। নব্বই দশকে যাদের বেড়ে ওঠা, তাদের অনেকের এ ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। অবশ্য এখনকার যুগে গল্পটা নতুন বলেই মনে হবে। তবে আমার কাজটা ছিল স্মৃতি হাতড়ে ফেরার মতো। স্মৃতি হাতড়ে ফেরা বলতে কী এ কথা বোঝাতে চাইছেন যে, ‘রং নাম্বার’ নাটকের গল্পের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার মিল আছে? আসলেই তাই, ‘রং নাম্বার’ গল্পটা পড়ে আমি পুরোনো দিনগুলোয় ফিরে গিয়েছিলাম। যখন আমাদের বাসায় ল্যান্ডফোন ছিল। যখন-তখন উটকো ফোন চলে আসত। যে কারও ফোন রিসিভ করা নিয়ে বাসায় কড়াকড়ি ছিল। পরিচিতদের অভিজ্ঞতাও ছিল প্রায় একই রকম। একেকটি ল্যান্ড ফোন কতরকম ঘটনার যে জন্ম দিয়েছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। তাই ‘রং নাম্বার’ নাটকের শুটিংয়ে বারবার পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে ভেসে উঠেছে। ওই সময়কে ধারণ করে একটি গল্প লেখা হয়েছে, সেখানে আমি অভিনয় করছি, এই ভাবনাও খানিকটা আনন্দ দিয়েছে। এক নাগাড়ে শুটিং করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ বিরতি। পর্দায়ও খুব একটা দেখা মিলছে না, কারণ কী? দেশের পরিস্থিতির কারণে এ সময়ে কাজ খুব বেশি হয়নি। তা ছাড়া নিজেও চাইনি, নাটকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করতে হতো। যে গল্প ও চরিত্রগুলো আমার কাছে নতুন ও ভিন্ন ধরনের মনে হয়েছে, অভিনয়ের জন্য সেই নাটকগুলো বেছে নিয়েছি। গত ছয় মাস সেভাবে কাজ করিনি বড় একটি প্রজেক্টের জন্য। আর কাজগুলোর জন্য এক নাগাড়ে শুটিং করতে দেখেছেন, সেগুলো বেশির ভাগই আটকে আছে। দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রযোজকরা নাটকগুলো প্রকাশ করছেন না। এজন্য পর্দায় একটু কম দেখা যাচ্ছে। বড় প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত বললেন। সেটি কাজ বলা যায়? বেশি কিছু বলা যাবে না; শুধু এটুকু বলি, সিনেমার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সিনেমার নাম কী, পরিচালক কে? সহশিল্পী কারা? এসব প্রশ্নের উত্তর আপাতত বলা নিষেধ আছে। তবু এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনার প্রথম সিনেমা ‘ধ্যাততেরিকি’ মুক্তি পেয়েছিল প্রায় ৯ বছর আগে। দ্বিতীয় সিনেমার জন্য এতটা সময় নেওয়ার কারণ? সিনেমা জগতে যখন পা রাখি তখন ছিলাম এসএসসি পরিক্ষার্থী। বয়স কম ছিল, ছিল পড়াশোনার চাপ। তা ছাড়া পরিবারের সদস্যরাও চায়নি সিনেমায় নিয়মিত কাজ করি। সেজন্য অভিনয়ে বিরতি নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। নইলে ‘অগ্নি’র সিকুয়েল’ থেকে শুরু করে ‘পোড়ামন-২’, ‘ককপিট’, ‘লিপস্টিক’, ‘দাগি’, ‘জংলি’সহ আরও বেশ কিছু সিনেমায় আমাকে দেখা যেত। প্রস্তাব পেয়েও এই সিনেমাগুলো ছাড়তে হয়েছিল আমাকে। তবে সিনেমায় কাজের ইচ্ছা একেবারে ফুরিয়ে যায়নি। তাই বিরতি ভেঙে যখন অভিনয়ে ফিরেছি, তখন ছোট পর্দায় কাজের মধ্য দিয়ে নিজেকে পরিণত করে তোলার চেষ্টা করেছি। যাতে করে সিনেমায় ফেরাটা ফেরার মতো হয়। একসময় মঞ্চেও কাজ করেছেন। এখন কেন সময় দিতে পারেন না? মঞ্চে কাজে সবসময় নিবেদিত থাকতে হয়। প্রতিটি কাজে চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকতে হয়। ক্যামেরার মতো এখানে কোনো দৃশ্যের কাট বলে থামিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। আর চাইলেও যখন-তখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিনয় তুলে ধরা যায় না। তাই যখন থেকে ছোট পর্দায় ব্যস্ততা বেড়েছে, মঞ্চের জন্য আর সময় বের করা হয়ে উঠেনি। তারপরও মঞ্চের আকর্ষণ আগের মতোই রয়ে গেছে। মডেল হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। অভিনয় আর মডেলিং একসঙ্গে চালিয়ে যেতে চান? অনেকে হয়তো জানেন না, মডেলিং থেকেই আমার অভিনয়ে আসা। তাই অভিনয়ের ব্যস্ততা বাড়লেও মডেলিং থেকে সরে যাইনি। কারণ, এই কাজের প্রতি আলাদা এক ধরনের ভালো লাগা আছে
আবারও পর্দায় ফিরছে জুটি রাজ-মীম

আবারও পর্দায় ফিরছে জুটি রাজ-মীম বড়পর্দায় ফিরছে ‘পরাণ’ খ্যাত রাজ-মীম জুটি। আলভী আহমেদ পরিচালিত ‘জীবন অপেরা’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তারা। রোমান্টিক ঘরানার এ সিনেমার শুটিং খুব শিগগির শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি জানতে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে শরিফুল রাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি জানান, এখনো সিনেমাটি নিয়ে চুক্তি হয়নি। তবে কথা-বর্তা চলছে। রাজ বলেন, বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। এরপর নতুন সিনেমার ঘোষণা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানাবে। আমি এই মুহূর্তে এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি। আমার একটু ঠান্ডা লাগছে তাই কথাও কম বলছি। বিদ্যা সিনহা মীমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ঠা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে ‘জীবন অপেরা’ সিনেমা সংশিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করছে তার অভিনয় করার বিষয়টি। কয়েকদিনের মধ্যে অফিসিয়াল ঘোষণা আসবে। এদিকে মীম ফেসবুকে তার সঙ্গে একজনের ছবি পোস্ট করে লিখেছে পরবর্তী প্রজেক্ট আসছে, অনুমান করুন, তিনি কে? মন্তব্যর ঘরে ভক্তরা লিখেছেন রাজের নাম। কেউ আবার লিখছেন এমন স্টাইল আর গেটাপ রাজ ছাড়া কেউ হতেই পারে না! বর্তমানে মীম আরিফিন শুভ সঙ্গে মালিক নামে সিনেমা কাজ করছেন। আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তির লক্ষ্যে এরই মধ্যে শুটিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সিনেমার মাধ্য তৃতীয়বারের মতো একসঙ্গে বড়পর্দায় অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মীম। এর আগে তারা দুজনে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘তারকাঁটা’ এবং গোলাম সোহরাব দোদুল পরিচালিত ‘সাপলুডু’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছিলেন।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া গোল্ডেন গ্লোব সঞ্চালনা করবেন

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া গোল্ডেন গ্লোব সঞ্চালনা করবেন বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার আসর গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডসের ৮৩তম আয়োজন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১১ জানুয়ারি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসে বসবে এবারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই আসরের সঞ্চালনায় থাকছেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা ও ‘দেশি গার্ল’ খ্যাত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) গোল্ডেন গ্লোব কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও উপস্থাপকদের তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার পাশাপাশি জায়গা পেয়েছেন বিশ্বের বেশ কয়েকজন হাইপ্রোফাইল তারকা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জর্জ ক্লুনি, জুলিয়া রবার্টস, পামেলা অ্যান্ডারসন, অরল্যান্ডো ব্লুম, মাইলি সাইরাস ও স্নুপ ডগ। মূল সঞ্চালক নিকি গ্লেজারের সঙ্গে তারা উপস্থাপক হিসেবে মঞ্চে যোগ দেবেন। উল্লেখ্য, এবারও গোল্ডেন গ্লোবের সঞ্চালনায় থাকছেন নিকি গ্লেজার। ডিক ক্লার্ক প্রোডাকশন্স প্রযোজিত এই অনুষ্ঠানটি ১১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সিবিএস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সম্প্রচারের সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকাল ৫টা (পিটি) ও রাত ৮টা (ইটি)। বাংলাদেশ সময় অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৭টায়। এবারের গোল্ডেন গ্লোব আসরে সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়েছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ৯টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ছবিটি। আটটি মনোনয়ন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। এছাড়া ‘সিনার্স’ ও ‘হ্যামনেট’ পেয়েছে ছয়টি করে মনোনয়ন। কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে প্রখ্যাত নির্মাতা এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বারাণসী’। ছবিটিতে প্রিয়াঙ্কার সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করছেন দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশ বাবু। এতে প্রিয়াঙ্কাকে দেখা যাবে ‘মান্দাকিনী’ চরিত্রে এবং মহেশ বাবু অভিনয় করবেন ‘রুদ্র’ চরিত্রে। নির্মাতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের সংক্রান্তিতে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।
দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সামিহা রহমানকে বিয়ে করলেন অভিনেতা পার্থ শেখ

দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সামিহা রহমানকে বিয়ে করলেন অভিনেতা পার্থ শেখ ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থ শেখ এবার বাস্তব জীবনেই নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সামিহা রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা। পার্থ ও সামিহার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবদম্পতির একটি ছবি শেয়ার করে তিনি শুভকামনা জানান। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘নতুন জীবন সুন্দর হোক পার্থ শেখ।’ শেয়ার করা ছবিতে বর–বধু সাজে পার্থ ও সামিহাকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে পোজ দিতে দেখা যায়। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধু। জানা গেছে, দুই পরিবারের সম্মতিতে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। কোনো জাঁকজমক নয়, বরং পারিবারিক পরিবেশেই নতুন জীবনের সূচনা করেছেন তারা। উল্লেখ্য, মডেলিংয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করলেও গত দুই বছরে অভিনয় জগতে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন পার্থ শেখ। বিশেষ করে ওয়েব সিরিজ ‘কারাগার’-এ তার অভিনয় দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। পাশাপাশি একক ও ধারাবাহিক নাটকেও নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। পার্থ শেখের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসছেন নবদম্পতি।
বিয়ের পর শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন পাকিস্তানের হানিয়া আমির
বিয়ের পর শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন পাকিস্তানের হানিয়া আমির সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সুপারহিট ছবি ছিল ‘প্রিয়তমা’। ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তির পর শাকিব খানের এই ছবি লগ্নির বহুগুন অর্থ আয় করে। অনেক সিনেমা হল এই ছবির কল্যাণে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। ব্ল্যাকাররাও টিকিট বিক্রি করে দারুণ আয় করে। আরশাদ আদনান প্রযোজিত, হিমেল আশরাফ পরিচালিত এক ‘প্রিয়তমা’ দিয়ে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলা সিনেমা। গ্লোবালি বাংলা সিনেমার ব্যবসায়িক নতুন দুয়ার খুলে দেয় ছবিটি। এরপর শাকিব খানকে ‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’র মতো অ্যাকশন ঘরানার ছবিতেই বেশি দেখা যায়। এই নায়কের আসন্ন ছবি ‘প্রিন্স’-ও হতে যাচ্ছে অ্যাকশন ধামাকা। নতুন খবর হলো শাকিব আবার রোমান্টিক ধাঁচের ছবিতে ফিরছেন। আলোচনা চলছে সেখানে থাকবেন একজন পাকিস্তানি নায়িকা! শাকিব খানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এই খবরটি নিশ্চিত করে জানায়, চলতি বছরেই রোমান্টিক ছবিটিতে পাকিস্তানি কোনো একজন নায়িকা নিয়ে শুটিং শুরু করবেন শাকিব। এ বছরেই ছবিটি মুক্তি পাবে। ইতিমধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম নাম পাকিস্তানের জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী হানিয়া আমির। তিনি গেল বছরের শেষদিকে বাংলাদেশে ঘুরে গেছেন। জানা গেছে, তার আগেই শাকিবের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে তাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। মৌখিকভাবে সেই প্রস্তাব পেয়ে হানিয়ার টিম থেকেও ব্যাপক আগ্রহ দেখানো হয়েছিল। চুক্তিবদ্ধ না হলেও প্রাথমিকভাবে শাকিব-হানিয়া জুটির সিনেমা করা অনেকটাই চূড়ান্ত ছিল। সূত্র জানাচ্ছে, হানিয়া আমির ধুমধাম আয়োজনে কয়েকমাসের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর সময়সূচি মিললে তাকে শাকিবের সঙ্গে সিনেমাটিতে রোমান্স করতে দেখা যাবে। সেই আলোচনা এখনও চলমান। সেজন্যই ছবিটির ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দেননি পরিচালক বা শাকিব টিমের কেউ। সূত্রটি বলছে, শাকিবের বিপরীতে হানিয়া আমির অথবা পাকিস্তানি যে কোনো পরিচিত মুখ থাকবেন এটা মোটামুটি নিশ্চিত। চূড়ান্ত খবর জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এদিকে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। সেখানে আরও অভিনয় করবেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূর প্রমুখ। এই সুপারস্টারের আরেক সিনেমা ‘সোলজার’ও মুক্তি অপেক্ষায় রয়েছে।
জোভানের নাটকীয় ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে আলোচনা

জোভানের নাটকীয় ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে আলোচনা ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। কয়েক দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে প্রেমজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। এ আলাপচারিতায় জোভান বলেন, “অভিনয় জীবনের শুরুর দিকে একটি সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম। সেই সম্পর্ক ভাঙার পর মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে শিশুর মতো কেঁদেছিলাম।”জোভান আহমেদের এই সরল স্বীকারোক্তি মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। কেবল তাই নয়, এ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় অন্তর্জালে। এ ঘটনার কয়েক দিন পর জাতি ও তার স্ত্রীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন এই অভিনেতা। তবে তার এই ক্ষমা প্রার্থনাকে ‘নাটকীয়’ বলছেন নেটিজেনরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) জোভান তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। এতে জোভান আহমেদ বলেন, “সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে আমি কিছু ভুল কথা বলেছি। আমি আজ জাতির সামনে বলতে চাই, কথাগুলো মন থেকে আসেনি। এগুলো স্ক্রিপটেড ছিল, সাজানো ছিল, এগুলো আমাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” কথাগুলো বলতে বলতেই থেমে যান জোভান। এসময় তার পাশে তার স্ত্রীকে দেখা যায়। এরপর লিখিত বক্তব্য পড়তে থাকেন জোভান। এই অভিনেতা বলেন, “আসলে একটু বেশিই বলে ফেলেছি। এতটা বলা আমার ঠিক হয় নাই।” এ পর্যায়ে লিখিত বক্তব্য থামিয়ে পাশে বসে থাকা স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়েন তিনি। তারপর স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হেসে ফেলেন। ‘সরি’ বলে পুনরায় বক্তব্যে ফিরেন জোভান। এ অভিনেতা বলেন, “এতটা বলা ঠিক হয় নাই। আমি খুবই অনুতপ্ত, লজ্জিত, সমাজের কাছে ও আমার বউয়ের কাছে। আমি আশা করছি, আপনারা সবাই এবং আমার বউ আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।” এরপর বক্তব্যের ইতি টানেন জোভান; নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, আরো কিছু আছে কি না! তারপর কাগজের দিকে তাকিয়ে দেখে বলেন, “আর কিছু নেই, সব বলেছি।” এ পর্যায়েও হেসে ফেলেন জোভান ও তার স্ত্রী। এ ভিডিও বার্তা দেখে নেটিজেনদের কেউ কেউ বলছেন, “প্রাক্তন প্রেমিকাকে নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে জোভান, স্ত্রীর চাপে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন।” তবে নেটিজেনদের বড় অংশ বলছেন, “ভিডিওটি মজা করে বানানো হয়েছে; সবই ফেক।” জোভানের স্ত্রী সাজিন আহমেদ নির্জনাও এ পোস্টে মন্তব্য করেছেন। তার বক্তব্য ভিডিওটির উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেছে। তিনি লেখেন, “হাসতে মানা করেছিলাম! সবাই বোঝে যাচ্ছে এইটা মজা করে বানানো হইছে।” তার এ মন্তব্যে রিঅ্যাকশন পড়েছে চার শতাধিক। এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জোভান আহমেদ লেখেন, “আমার বউ আমার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা, কারো এটা শিখিয়ে দেওয়ার কিছু নাই।”
বিজয়ের শেষ সিনেমা

বিজয়ের শেষ সিনেমা দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জননয়গণ’। তাই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই তার শেষ সিনেমা ঘিরে কৌতূহল তুঙ্গে। অগ্রীম টিকিট নিয়েও ছিল দর্শক উন্মাদনা। সেই উন্মাদনা আবারও বাড়িয়ে দিয়েছে শনিবার মুক্তি পাওয়া ট্রেলার। তবে মুক্তির নির্ধারিত সময়ের তিনদিন আগেও নাকি সেন্সর ছাড়পত্র পায়নি সিনেমাটি। আগামী ৯ জানুয়ারি বড় পর্দায় আসার কথা থাকলেও বড় আইনি জটিলতায় পড়েছেন নির্মাতারা। এখন পর্যন্ত সিনেমাটি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন-এর চূড়ান্ত ছাড়পত্র পায়নি। ফলে মুক্তির আগে সব জায়গায় টিকিট বুকিং খোলাও সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাজ হাইকোর্টে ‘জননয়গন’-এর প্রযোজকদের একটি আবেদন শোনা হবে। সিনেমার তামিল সংস্করণ ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত অন্য ভাষার সংস্করণগুলোও অনুমতি পাবে না। নির্মাতারা জানিয়েছেন, প্রায় এক মাস আগে পোস্ট-প্রোডাকশন শেষ করে ছবিটি সেন্সরে জমা দেওয়া হয়। ১৯ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কিছু কাটছাঁট ও সংলাপ মিউট করার পরামর্শ দেয়। এরপর থেকেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়ে। ট্রেলারে ঝড় এইচ বিনোথ পরিচালিত এ সিনেমায় বিজয়কে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। দুই মিনিটেরও বেশি সময়ের ট্রেলারে দেখা যায়, বিজয় মা-বাবা ছোট্ট শিশুকে বড় করছেন। এক মুহূর্তে ছোট্ট মেয়েটি বিস্ময়ে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি একাই পুরো ব্যাটালিয়নকে হারিয়েছেন-আপনি কি সুপারম্যান?’ বিজয় নম্রভাবে জবাব দেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ, কিন্তু মানুষ বলে আমি যা করি তা সুপার।’ বিজয়ের চরিত্রের স্বপ্ন তাঁর মেয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিক। কিন্তু মেয়েটির একটি গভীর ভয় রয়েছে, যা পরবর্তী সময় ‘অপারেশন ওএম’-এর সঙ্গে যুক্ত একটি ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে প্রকাশ পায়। এই ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খলচরিত্রে অভিনয় করা ববি দেওল। ছবির ট্রেলারে বিজয় অভিনীত চরিত্রটি রাজনৈতিকদেরও তীক্ষ্ণ সমালোচনা করে এই বলে, ‘মানুষের সেবার জন্য রাজনীতিতে প্রবেশ করার পরিবর্তে, আপনি নিরীহ জীবন লুটতে ও ধ্বংস করতে প্রবেশ করেন! মুক্তির পর থেকেই ছবিটি নিয়ে বিজয়ের ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। কেউ লিখেছেন, ‘এই বিজয়কেই চাই।’ কেউ আবার আরও সিনেমা করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিজয়কে। অগ্রীম টিকিট বিক্রির রেকর্ড ‘জননায়গন’ মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ৯ জানুয়ারি। মুক্তির আগেই বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে রীতিমতো সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাকার স্যাকনিল্ক-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রি-সেল ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ছুঁয়েছে, যার মধ্যে বিদেশি বাজার থেকেই এসেছে ২৫ কোটিরও বেশি। মালয়েশিয়ায় মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে ৫০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়, যা মালয়েশিয়ায় কোনও ভারতীয় ছবির ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুত টিকিট বিক্রির রেকর্ড। এছাড়া নর্থ আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারেও ছবিটির অগ্রিম বুকিং দুর্দান্ত চলছে। সব মিলিয়ে বিদেশে ছবিটির আয় ২৫ কোটির বেশি ছুঁয়েছে। ভারতে প্রি-সেল প্রায় ৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে কর্ণাটক থেকেই এসেছে ৪ কোটির বেশি। সবচেয়ে বড় বিষয়, এখন পর্যন্ত তামিলনাড়ু সহ ভারতের একাধিক রাজ্যে পুরোপুরি অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হয়নি। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, সীমিত সংখ্যক শো থাকলেও শুধু তামিলনাড়ুতেই সিনেমটি ইতিমধ্যেই প্রায় ১ কোটি টাকার অগ্রিম বিক্রি করে ফেলেছে। আজ (মঙ্গলবার) থেকে সব রাজ্যে ‘জননায়গন’-এর অগ্রিম বুকিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিতর্ক এর মধ্যেই আরও বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এক ঝলক দেখা একটি গুগল জেমিনি এআই লোগো। এই লোগোটি চোখে পড়া প্রায় অসম্ভব ছিল, একদম মিলিসেকেন্ডের জন্য স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে। কিন্তু তীক্ষ্ণ নজরের নেটিজেনরা সেটিও ধরে ফেলেছেন। এক্স ও রেডিটে সেই স্ক্রিনশট ভাইরাল হতেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। ‘টক্সিক’-এর সঙ্গে তুলনা কারও কারও দাবি, ‘টক্সিক’ সিনেমার পোস্টারেও নাকি এআই ব্যবহারের চিহ্ন মিলেছে। ‘জননায়াগন’ ও ‘টক্সিক’-দুটি সিনেমাই একই প্রোডাকশন হাউসের হওয়ায় দুটো ছবির ভিজ্যুয়াল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজয়ের সঙ্গে ছবিতে আছেন পূজা হেগডে, ববি দেওল, গৌতম বসুদেব মেনন, প্রকাশ রাজ ও প্রিয়মণি। সূত্র: দ্য লাইভমিন্ট ডটকম ও দ্য ওয়াল
তাসনুভা তিশা অডিশন ছাড়া নিতে পারেন সিনেমার মিটিংয়ে বলেছিলাম

তাসনুভা তিশা অডিশন ছাড়া নিতে পারেন সিনেমার মিটিংয়ে বলেছিলাম বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত পছন্দ এবং ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সিনেমার প্রস্তাব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে তিশা তার এক অদ্ভুত ভীতির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, শুটিংয়ের পরিবেশ বা লাইট-ক্যামেরার সেট ছাড়া তিনি চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করতে পারেন না। এ কারণে অডিশন দিতে গেলেই তিনি নার্ভাস হয়ে পড়েন। তার কথায়, ‘আমি তো আসলে অভিনয় শিখিনি। অডিশন দিলে আমি নিশ্চিত যে আমাকে বাদ দিয়ে দেবেন। তাই সিনেমার মিটিংয়ে বলেছিলাম, অডিশন ছাড়া নিলে নিতে পারেন। শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সম্প্রতি তাকে শাকিব খানের একটি সিনেমার জন্য অডিশন দিতে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু নিজের অডিশন ভীতির কারণে সেখানে আর অংশ নেওয়া হয়নি তার। তিশার ভাষ্যমতে, শুটিং সেটে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি না হলে তিনি সাবলীলভাবে কাজ করতে পারেন না। কাজের ব্যস্ততা নিয়ে তিশা জানান, বর্তমানে নাটক এবং মিউজিক ভিডিওর কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সুনামগঞ্জে সম্প্রতি একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিং শেষ করেছেন। এছাড়া বড় একটি প্রজেক্টের কাজ নিয়ে কথা চলছে যা আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গোপনীয়তার খাতিরে প্রজেক্টটি সম্পর্কে বিস্তারিত এখনই কিছু বলতে চাননি তিনি। তিনি জানান, কাজের ক্ষেত্রে তানভীর, নিলয় এবং আরশ এই তিন সহকর্মীর মধ্যে মজার ছলে তিনি তানভীরকে ‘কিল’, নিলয়কে ‘হুক আপ’ এবং আরশকে বিয়ের জন্য বেছে নেবেন। সহকর্মীদের সাথে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণেই কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী।
শ্রীলঙ্কায় সিয়াম-সুস্মিতা দৃশ্যের খোঁজে

শ্রীলঙ্কায় সিয়াম-সুস্মিতা দৃশ্যের খোঁজে ‘জংলি’ সিনেমার পর এবার রোজার ঈদকে সামনে রেখে নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকের সামনে আসতে প্রস্তুত হচ্ছেন সিয়াম আহমেদ। ‘রাক্ষস’ শিরোনামের এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ‘বরবাদ’খ্যাত নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়। গত মাসে দেশে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিয়ামের ফার্স্ট লুক ও অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার। নায়িকার নামও ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরকে লক্ষ্য করে পুরোদমে এগিয়ে চলছে ‘রাক্ষস’ টিম। দেশের লোকেশনে শুটিং শেষ করে এবার দৃশ্যের খোঁজে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে ইউনিট। নির্মাতা জানান, ৪ জানুয়ারি রাতে তারা শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অংশের শুটিং চলবে। বিদেশের শিডিউল শেষ করে ইউনিট ঢাকায় ফিরে বাকি দৃশ্যের শুটিং সম্পন্ন করবে। এরপর পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ শেষ করে ঈদে মুক্তির জন্য প্রস্তুত করা হবে সিনেমাটি। ‘রাক্ষস’ সিনেমায় সিয়ামের বিপরীতে অভিনয় করছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং কয়েক দিনের মধ্যেই শ্রীলঙ্কায় টিমের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০২১ সালে ‘প্রেম টেম’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক হয় সুস্মিতার। এরপর তিনি ‘চেঙ্গিজ’, ‘মানুষ’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘রাক্ষস’ দিয়েই তার ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে। গত মাসে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সুস্মিতা জানান, সিনেমাটির গল্পই তাকে অভিনয়ে আগ্রহী করেছে। তিনি বলেন, ‘নির্মাতার কাছ থেকে গল্পটি শুনে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। গল্পের কারণেই এই সিনেমায় যুক্ত হওয়া। এখানে নায়িকার চরিত্রে অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে নিজের ২০০ ভাগ দিয়ে চেষ্টা করব। ভালো একটি টিমের সঙ্গে প্রথমবার বাংলাদেশি সিনেমায় কাজ করতে পারাটা আমার জন্য বড় পাওয়া। নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় জানান, ‘বরবাদ’-এর মতোই ‘রাক্ষস’ সিনেমাতেও থাকবে ভরপুর অ্যাকশন ও ভায়োলেন্স। পাশাপাশি এতে রয়েছে একটি প্রেমের গল্প, যে প্রেমের কারণেই সিয়াম অভিনীত চরিত্রটি একসময় রাক্ষসে পরিণত হয়। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করছেন বাপ্পারাজ, আলীরাজসহ আরও অনেকে। ‘রাক্ষস’ নির্মিত হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশনের ব্যানারে।
মোস্তাফিজ ইস্যুতে সোহেল রানা ও মিশা সওদাগরের ধিক্কার

মোস্তাফিজ ইস্যুতে সোহেল রানা ও মিশা সওদাগরের ধিক্কার বিনোদন প্রতিবেদক | ঢাকা : ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি কেবল ক্রীড়াঙ্গনে সীমাবদ্ধ না থেকে ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও। এ প্রেক্ষাপটে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও ভারতীয় টেলিভিশন সম্প্রচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন ঢালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা সোহেল রানা এবং শক্তিমান অভিনেতা মিশা সওদাগর। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান অভিনেতা মাসুদ পারভেজ, যিনি সোহেল রানা নামেই অধিক পরিচিত। পোস্টে তিনি লেখেন, আমাদের টেলিভিশন যতক্ষণ ভারতে প্রচার করতে না পারবে, ততক্ষণ ভারতের টেলিভিশনও আমাদের দেশে সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে। একই দিনে দেওয়া আরেকটি পোস্টে ভারতীয় টেলিভিশন কনটেন্টের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। সোহেল রানা বলেন, ভারতীয় টেলিভিশনের বউ-শাশুড়ি ঝগড়া মার্কা নাটক আমাদের সামাজিক বন্ধনকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা মিশা সওদাগরও। রবিবার (৪ জানুয়ারি) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান। মিশা সওদাগর বলেন, মোস্তাফিজ তো আমাদের একটা প্রতীক। যারা সংস্কৃতির এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল, তাদের ধিক্কার জানাই। ক্রিকেটপ্রেমী এই অভিনেতা মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যক্তিত্ব ও ক্যারিয়ারের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মোস্তাফিজ একজন অসাধারণ ক্রিকেটার। বাংলাদেশে মাশরাফির পর এত দীর্ঘ সময় ধরে এত ঐশ্বর্যমণ্ডিত ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছে, অথচ তার চোখে অহংকারের কোনো চিহ্ন নেই। রাজনীতি ও সংস্কৃতির সংঘাত প্রসঙ্গে মিশা সওদাগর আরও বলেন,শিল্প ও ক্রীড়া হওয়া উচিত উন্মুক্ত। এখানে রাজনীতির কোনো জায়গা নেই। রাজনীতি বা উগ্রতার কারণে যারা সংস্কৃতিকে ছাড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করল, তাদের এই কাজ খুবই দুঃখজনক ও কুরুচিপূর্ণ। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এ সিদ্ধান্ত নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, মোস্তাফিজের মতো একজন তারকাকে এভাবে বাদ দেওয়া শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের জন্যই একটি নেতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, আসন্ন আইপিএলের জন্য রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। তবে মৌলবাদী হিন্দু গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে কেকেআরের মালিক শাহরুখ খান ও টিম ম্যানেজমেন্টকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ জানুয়ারি ‘নিরাপত্তা ইস্যু’ দেখিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কেকেআরকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই দেশে-বিদেশে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা।