চমক ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর

চমক ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মনে। তবে কেবল রূপালি পর্দায় নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিয়মিত বিরতিতে নতুন নতুন লুকে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন ভক্ত-অনুরাগীদের। সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন-ফিউশন ফরমাল আউটফিটে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। তার শেয়ার করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়, পরনে শুভ্র সাদা রঙের একটি স্টাইলিশ কোট। কানের দুল আর গলার নেকলেসে ফুটে উঠেছে আধুনিক ও আভিজাত্যের ছাপ। ক্যাপশনে অপু লিখেছেন, ‘তুমি যেমনটা পেতে চাও, নিজেকে ঠিক তেমনভাবেই গড়ে তোলো।’ এদিকে অপুকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখে আপ্লুত নেটিজেনরা। মুহূর্তেই ছবির কমেন্ট বক্স ভরে ওঠে প্রশংসায়। অপুর রূপের লাবণ্য আর চোখের মোহময় চাহনি নজর কেড়েছেন। একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘অসাধারণ ছবিগুলো, কারো নজর যেন না লাগে মাশাআল্লাহ আপু।’ আরেক ভক্ত নিজের আবেগ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমার হৃদয়ের আয়নাতে শুধু তোমাকেই দেখি। প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস।
সবাইকে মুগ্ধ করবো গানে গানে

সবাইকে মুগ্ধ করবো গানে গানে নন্দিত সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী, যিনি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন। নিয়মিত গান গেয়ে যাচ্ছেন, স্টেজ শোতেও গানে গানে দর্শককে মুগ্ধ করে যাচ্ছেন। কয়েক মাস বিরতির পর তিনি এরই মধ্যে আবারও কানাডায় গেছেন একটি স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করার জন্য। কানাডার ‘জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টো’র আহ্বানে তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে কানাডার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করবেন সামিনা চৌধুরী। সুদূর কানাডা থেকে বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন সামিনা চৌধুরী। সেখানে সংগীত পরিবেশন শেষে আগামীকাল ২৩ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় ফিরবেন। ঢাকায় ফিরেও বেশ কয়েকটি স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করবেন গুণী এই সংগীতশিল্পী। এদিকে কানাডা যাওয়ার আগে বিটিভিতে বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রচারিত ‘অক্ষয় ইতিহাস’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে আরেক গুণী সংগীতশিল্পী আলম আরা মিনুর সুরে গান গেয়েছেন। গানটি লিখেছেন অধরা জাহান। কানাডা সফর ও বিটিভিতে গান গাওয়া প্রসঙ্গে সামিনা চৌধুরী বলেন, ‘সেই ১৯৯৩ সালে প্রথম কানাডায় স্টেজ শোতে গাইতে আসি। এরপর আরও অনেকবার কানাডায় স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করতে এসেছিলাম। এবার জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব চৌধুরী রনি ভাইসহ অ্যাসোসিয়েশনের সবার নিমন্ত্রণে তাদের অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করতে এসেছি। আশা করছি আজকের আয়োজন সব মিলিয়ে ভীষণ সুন্দর হবে এবং আমিও গানে গানে সবাইকে মুগ্ধ করব। আরেকটি কথা না বললেই নয়, মিনু তো সত্যিই অনেক সুন্দর সুর করে। তার সুরের জ্ঞানকে আমাদের কাজে লাগানো উচিত। মূলত তাকে সাহস দিতেই তারই সুরে গানটি গেয়েছি আমি। আমার ভীষণ ভালো লাগে যখন দেখি আমাদের নারী শিল্পীরাও গানের সুর সৃষ্টি করছেন। এটি সত্যিই অনেক অনেক ভালো লাগার বিষয়। আধরা জাহানও একজন গীতিকবি হিসেবে খুব ভালো কাজ করছে। তার জন্যও দোয়া রইল। এদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে কানাডাতেই সামিনা চৌধুরীর সংগীতজীবনের চার দশক উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যাতে সামিনা চৌধুরীকে যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম

ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম একসময় ছোট ও বড় পর্দার পরিচিত মুখ ছিলেন আফসান আরা বিন্দু। নিয়মিত অভিনয়, আলোচনায় থাকা জুটি আর দর্শকের ভালোবাসা সব ছেড়ে দীর্ঘদিন ছিলেন আড়ালে। প্রায় এক দশক পর হঠাৎ একটি পডকাস্টে এসে নিজের ক্যারিয়ার, বিরতি এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন এই অভিনেত্রী। ২০০৬ সালে ‘লাক্স–চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন আফসান আরা বিন্দু। সৌন্দর্য ও সাবলীল অভিনয়ের কারণে অল্প সময়েই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। শুরুর দিকেই তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর ‘পিরিতের আগুন জ্বলে দ্বিগুণ’, ‘জাগো’ ও ‘এই তো প্রেম’–এর মতো ছবিতে কাজ করে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ‘এই তো প্রেম’ সিনেমায় সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে তার অভিনয় তখন বেশ আলোচনায় ছিল। একই সময়ে টিভি নাটকেও নিয়মিত কাজ করে ছোট পর্দায়ও জনপ্রিয়তা পান তিনি। একাধিক নাটকে আরেফিন শুভর সঙ্গে বিন্দুর জুটি দর্শকের কাছে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা পায়। পর্দার রসায়নের পাশাপাশি একসময় তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও গুঞ্জন ছড়ায়। কাজের সময় পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অভিনয়ের স্বাভাবিকতা দর্শকের মনে জায়গা করে নেয়। তবে ২০১৪ সালের পর হঠাৎ করেই আড়ালে চলে যান বিন্দু। অভিনয় তো বটেই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছিলেন প্রায় অনুপস্থিত। প্রায় এক দশক পর ২০২৩ সালে ‘উনিশ২০’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে আবারও আরেফিন শুভর সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে পর্দায় ফেরেন তিনি। ওয়েব ফিল্মটি দর্শকের প্রশংসা পেলেও এরপর আবারও নীরবতায় ফিরে যান বিন্দু। এই দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবারের মতো পডকাস্টে অতিথি হয়ে কথা বলেন তিনি। মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএমের যৌথ আয়োজনে ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ অনুষ্ঠানে নিজের অভিনয়জীবন, বিরতি এবং ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরেন বিন্দু। আরেফিন শুভর সঙ্গে পর্দার রসায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পর্দায় তার সঙ্গে আমার রসায়ন সত্যিই খুব ভালো। এটা এসেছে আমাদের দুজনের ভালো বোঝাপড়া থেকে।’ শুভসহ যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছেন, সবাই সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন বলেও জানান তিনি। দর্শকের এই পছন্দ ‘উনিশ২০’–তেও স্পষ্ট হয়েছে বলে তার ধারণা। প্রেমের গুঞ্জন ভাঙার প্রসঙ্গে সঞ্চালকের প্রশ্নে কিছুটা ইতস্তত হয়ে বিন্দু বলেন, ‘ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম বিপজ্জনক প্রশ্ন!’ পরে যোগ করেন, ‘কেন সম্পর্ক ভেঙে গেল এর উত্তর আমার কাছেও নেই। দুটো মানুষের পথচলা যে একই জায়গায় শেষ হতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই। আমরা তখন কাজ নিয়েই এতটা ডুবে ছিলাম যে এর বাইরে কিছু ভাবার সুযোগই হয়নি। ভবিষ্যতে আবার আরেফিন শুভর সঙ্গে কাজ করবেন কি না এ প্রশ্নে বিন্দু স্পষ্ট করে জানান, সুযোগ এলে তার আগ্রহ আছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আবারও একসঙ্গে কাজ করতে চান তিনি। দীর্ঘ নীরবতার পর এই খোলামেলা উপস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এনেছে আফসান আরা বিন্দুকে। নিয়মিত অভিনয়ে তিনি ফিরবেন কি না সে অপেক্ষায় এখন দর্শক।
‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’বক্স অফিসে কত আয় করল

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’বক্স অফিসে কত আয় করল বিশ্বজুড়ে সিনেমা হলের পর্দা কাঁপাতে শুরু করেছে জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতিক্ষীত সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। সিরিজের তৃতীয় এই কিস্তিটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে আধিপত্য বিস্তার করেছে। যদিও উৎসবের কারণে ভ্রমণের ধুম ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের ভিড়ে সিনেমাটির আয় পূর্বাভাস থেকে কিছুটা কম হয়েছে, তবুও এর ব্যবসায়িক সাফল্য নিয়ে কোনো সংশয় নেই বিশ্লেষকদের। টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি স্টুডিওজের তথ্যমতে, ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ উত্তর আমেরিকার বাজারে মুক্তির প্রথম তিন দিনে প্রায় ৮৮ মিলিয়ন ডলার আয় করতে যাচ্ছে। শনিবার এক দিনেই সিনেমাটি ঘরে তুলেছে ২৮ মিলিয়ন ডলার। যদিও আগের কিস্তি ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর তুলনায় এর শুরুটা কিছুটা ধীর, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে সিনেমাটির দাপট চোখে পড়ার মতো। বিশ্বজুড়ে সব মিলিয়ে সিনেমাটির প্রথম সপ্তাহের আয় ৩৪০ থেকে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে চীনে বক্স অফিস চার্টে সিনেমাটি এখনও শীর্ষে রয়েছে, যেখানে এর আয় এখন পর্যন্ত ৫২ মিলিয়ন ডলার। সিনেমাটিতে এবার দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে না’ভিদের নতুন ও ভয়ংকর গোত্র ‘অ্যাশ পিপল’-এর সাথে। সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সাধারণ দর্শকরা সিনেমাটিকে লুফে নিয়েছেন। দর্শকদের জরিপে এটি ‘এ’ সিনেমা স্কোর পেয়েছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে জেমস ক্যামেরন আবারও নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন বলে মনে করছেন দর্শকরা। ভিএফএক্স এবং ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। এদিকে বক্স অফিসে ‘অ্যাভাটার’-এর রাজত্ব থাকলেও চমক দেখিয়েছে অ্যাঞ্জেল স্টুডিওজের অ্যানিমেশন সিনেমা ‘ডেভিড’। ২১ মিলিয়ন ডলার আয় করে এটি স্টুডিওটির ইতিহাসে সেরা উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড গড়েছে। এছাড়া লাইন্সগেটের ‘দ্য হাউজমেড’ ১৯ মিলিয়ন এবং প্যারামাউন্টের ‘স্পঞ্জবব মুভি’ ১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে লড়াইয়ে টিকে আছে।
অভিনেত্রী নোরা সড়ক দুর্ঘটনার পর কেমন আছেন নিজেই জানালেন

অভিনেত্রী নোরা সড়ক দুর্ঘটনার পর কেমন আছেন নিজেই জানালেন সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ভারতের মুম্বাইয়ে ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিলেন বলিউডের আইটেম গার্ল ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। শনিবার বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুম্বাই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মদ্যপ অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক চালক নোরার গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারেন। দুর্ঘটনার পর নোরার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। যদিও প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, তার বড় কোনো আঘাত লাগেনি। তবু অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল-আসলে কেমন আছেন অভিনেত্রী? সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানান নোরা। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সবাইকে জানাতে চাই, আমি ভালো আছি, সুস্থ আছি। আমি সত্যিই একটি গুরুতর গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলাম। একজন মদ্যপ ব্যক্তি আমার গাড়িতে এসে জোরে ধাক্কা মারে। আমার গাড়ি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাথায় সামান্য চোট লেগেছিল। তবে অল্প কিছু আঘাত ছাড়া বড় কোনও ক্ষতি হয়নি। আমি বেঁচে আছি-এটাই সবচেয়ে বড় কথা। এই দুর্ঘটনা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারত। ভাগ্য ভালো ছিল বলেই রক্ষা পেয়েছি। সবাইকে একটাই অনুরোধ, দয়া করে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাবেন না। দুর্ঘটনার পর চিকিৎসকেরা নোরাকে বিশ্রামের পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে। কিন্তু সেই পরামর্শ উপেক্ষা করেই সানবার্ন উৎসবের মঞ্চে ওঠার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। দুর্ঘটনার ধাক্কা সামলে বিশ্বখ্যাত ডিজে ডেভিড গেটার সঙ্গে পারফর্ম করে দর্শকদের মন জয় করে নেন নোরা। সাধারণত গোয়ায় আয়োজন করা হলেও এ বছর মুম্বাইয়েই হচ্ছে সানবার্ন ফেস্টিভ্যাল। ১৯ ডিসেম্বর শুরু হওয়া তিন দিনের এই সংগীত উৎসব শেষ হচ্ছে আজ, ২১ ডিসেম্বর। ২০০৭ সালে প্রথমবার শুরু হয়েছিল সানবার্ন। প্রথম কয়েক বছর টানা গোয়ার ভাগাতোরে আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠান। পরে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পুনেতে অনুষ্ঠিত হয় সানবার্ন। এরপর আবার গোয়ায় ফিরে যায় উৎসবটি। চলতি বছর তার ব্যতিক্রম হিসেবে মুম্বাইয়ে আয়োজন করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সানবার্নের জনপ্রিয়তা বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিতর্ক ও সমস্যাও বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
কনসার্ট বাতিল করেছে শিরোনামহীন যেটি সত্য নয়

কনসার্ট বাতিল করেছে শিরোনামহীন যেটি সত্য নয় রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে আজ রোববার কনসার্ট করার কথা ছিল ব্যান্ড শিরোনামহীনের। তবে গতকাল শনিবার ২০ ডিসেম্বর রাতে নিরাপত্তাজনিত কারণে কনসার্টটি বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে সমাবর্তনে অংশ নেওয়া অতিথিদের একাংশের অভিযোগ ছিল, ব্যান্ডটি ইচ্ছেকৃতভাবে এই কনসার্ট বাতিল করেছে! এবার সেই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করল শিরোনামহীন। ব্যান্ডটি তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে জানায়, কনসার্টের জন্য অগ্রিম ৩০ শতাংশ সম্মানী নিয়েছিল শিরোনামহীন। এমনকি তারা অন্য একটি কনসার্ট বাতিল করেও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পারফর্মের জন্য প্রস্তুত ছিল, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে অবশেষে তা বাতিল হয়ে যায়। আজ রোববার ফেসবুক পোস্টে ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে (সমাবর্তন) আজ শিরোনামহীনের পারফর্ম করার কথা ছিল। আমাদের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর গতকাল রাত ৯টার দিকে আমাদেরকে জানানো হয়, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে অপারগ হওয়ায় তাদের কনভোকেশনের ২য় অংশ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে না। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘শিরোনামহীন এই কনসার্টের ৩০ শতাংশ সম্মানী অগ্রিম হিসেবে গ্রহণ করে। যেহেতু অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজন করছে, তাই শিরোনামহীন নিয়মের ব্যতিক্রম করে বাকি সম্মানী পরিশোধ না হওয়া সত্ত্বেও একই তারিখে স্টেট ইউনিভার্সিটি কনভোকেশনের কনসার্টটি বাতিল করে (যেটার তারিখ রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের দিন থাকায় ২০ থেকে ২১ তারিখ করা হয়েছে) রাজশাহী যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। সবশেষে ভক্তদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে ‘ইচ্ছেকৃতভাবে’ অংশ না নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে শিরোনামহীন বলে, ‘কনসার্টটি শেষ পর্যন্ত ক্যান্সেল হওয়ায় এখানে আগত অতিথিদের মতো আমরাও দুঃখ পেয়েছি এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আগত অতিথিদের একাংশের ধারণা শিরোনামহীন ইচ্ছেকৃতভাবে এই কনসার্ট বাতিল করেছে, যেটি সত্য নয়। এদিকে, শিরোনামহীন ছাড়াও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পড়শীর পারফর্ম করার কথা ছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত আয়োজনটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঈদে মুক্তির দৌড়ে ‘রঙবাজার’

ঈদে মুক্তির দৌড়ে ‘রঙবাজার’ মুক্তির অপেক্ষায় থাকা নির্মাতা রাশিদ পলাশের আলোচিত সিনেমা ‘রঙবাজার’ এবার মুক্তির পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির প্রথম ঝলকের পোস্টার। এর পরপরই ট্রেইলার প্রকাশের মধ্য দিয়ে মুক্তির চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। পরিচালক রাশিদ পলাশ জানান, সিনেমাটি মুক্তির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে বিষয়বস্তুর স্পর্শকাতরতা বিবেচনায় তারা খুব সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘‘‘রঙবাজার’-এর গল্প কিছুটা ভিন্ন এবং বাস্তবতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই আমরা ধীরে ধীরে এগোচ্ছি। শিগগিরই ট্রেইলার প্রকাশ করব। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই গল্প নিয়ে কিছুটা ঝুঁকি তো আছেই। ট্রেইলার প্রকাশের পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে মুক্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে আমরা রোজার ঈদকে কেন্দ্র করেই মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রায় দুই বছর আগে একটি যৌনপল্লী উচ্ছেদের বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে ‘রঙবাজার’ নির্মাণ শুরু করেন রাশিদ পলাশ। সিনেমার চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। এর আগে সেন্সর বোর্ডে সিনেমাটি নিয়ে জটিলতার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছিলেন নির্মাতা। সে সময় পলাশ বলেছিলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের টানবাজার।এক সময়ের ৪০০ বছরের পুরনো যৌনপল্লী উচ্ছেদের পরিকল্পনা এবং উচ্ছেদ-পরবর্তী যে সামাজিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল, সেটাই আমাদের সিনেমার মূল বিষয়। গল্পে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটসহ বেশ কিছু স্পর্শকাতর জায়গা রয়েছে। নির্মাতার ভাষায়, নারায়ণগঞ্জকে ‘পাপমুক্ত’ করার নামে টানবাজার ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই পাপমুক্ত করতে গিয়ে যে পুরো পাপ সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া হলো এবং এর পেছনে যে অজানা রহস্য ছিল সেই গল্পটাই আমরা সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। ‘রঙবাজার’-এ অভিনয় করেছেন শম্পা রেজা, তানজিকা আমিন, জান্নাতুল পিয়া, নাজনীন হাসান চুমকি, মৌসুমী হামিদ, লুৎফর রহমান জর্জ, মিঠুসহ একঝাঁক পরিচিত মুখ। প্রকাশ পাওয়া পোস্টারে জান্নাতুল পিয়া ও তানজিকা আমিনকে দেখা গেছে। সিনেমাটির শুটিং হয়েছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায়। লাইভ টেকনোলজি প্রযোজিত এই সিনেমায় থাকছে তিনটি গান। সংগীত আয়োজন করেছেন জাহিদ নীরব। সব মিলিয়ে বাস্তব ঘটনা ও সাহসী গল্প বলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঈদের প্রেক্ষাগৃহে আসার অপেক্ষায় রয়েছে ‘রঙবাজার’।
বিন্দু সংসার ভাঙার খবর দিলেন

বিন্দু সংসার ভাঙার খবর দিলেন পারিবারিক আয়োজনে আসিফ সালাহউদ্দিন মালিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু। তারপর সংসারেই ডুবেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। কারণ অভিনয়ে তাকে আর দেখা যায়নি বললেই চলে! বিয়ের এক দশক পর বিন্দু জানালেন, তার সংসার ভেঙে গেছে। মাছরাঙা টেলিভিশনের জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিয়ে-সংসার নিয়ে কথা বলেন বিন্দু। এ আলাপচারিতায় সঞ্চালক সরাসরি বিন্দুর কাছে জানতে চান, আপনার কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে? জবাবে বিন্দু বলেন, “হ্যাঁ। আমার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে।” কবে হয়েছে? পাল্টা প্রশ্ন শুনে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন বিন্দু। তারপর বলেন, “২০২২ সালে। এখনো অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেন আপনারা বিবাহিত কি না। এসব নিয়ে অনেকে পেছনে কথা বলেন। অনেকে আবার আপনাদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করছে। সেখানে লেখা হচ্ছে “বিন্দুর স্বামী।” কিন্তু আরেক পক্ষ বলছেন, “বিন্দুর বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে।” বিষয়টি নিয়ে আপনি আনুষ্ঠানিক কিছু জানাননি। সঞ্চালকের এসব কথা শেষ হওয়ার পর বিন্দু বলেন, “হ্যাঁ, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাইনি। এ কারণে অনেকে দ্বিধাগ্রস্ত। অনেকে হয়তো জিজ্ঞাসা করেন না, যদি অস্বস্তি বোধ করি! বড় সংখ্যক মানুষ মনে করেন, ‘আমি বিবাহিত’। কিন্তু আমি বিবাহিত নই। আমার সংসারের যে জার্নি সেটা অনেক ছোট ছিল। মাঝখানে অনেক বড় একটি সেপারেশন গিয়েছে। এরপর বিন্দুকে থামিয়ে সঞ্চালক জানতে চান, কবে থেকে আলাদা থাকছিলেন? জবাবে বিন্দু বলেন, “২০১৭ সাল থেকে।” আপনারা আলাদা হলেন কেন? জবাবে বিন্দু বলেন, “আলাদা হওয়ার জন্য অনেক সময় অনেক বড় বড় ঘটনা থাকে, কারণ থাকে। আবার অনেক সময় অনেক কারণও দরকার হয় না। এখানে আরেকজন মানুষের জীবন জড়িত। আমি চাই না, বিচ্ছেদের কারণ ব্যাখ্যা দিয়ে উনাকে কোনো বিব্রতকর জায়গা ফেলি! সেইটুকু সম্মান আমি দিতে জানি। “আমার বাবা-মা সবসময়ই বলেছেন ‘জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে আল্লাহর হাতে’। পারিবারিক আয়োজনে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমার বাবা-মা, পরিবার দেখে-শুনে আমার বিয়ে দিয়েছিলেন।” বলেন বিন্দু। এ কথা শেষ করেই সঞ্চালকের উদ্দেশ্যে বিন্দু বলেন, “আমি জানি আপনি আমাকে প্রশ্ন করবেন, কাজ কেন ছেড়েছি?” বিন্দুর কথায় সম্মতি জানিয়ে সঞ্চালক বলেন, “সত্যি আমি এই প্রশ্ন করতে যাচ্ছিলাম। ২০১৪ সালের অক্টোবরে আপনি বিয়ে করেন। তার কয়েক মাস আগে থেকে আপনি কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কাজ ছাড়ার পেছনে কারো কোনো চাপ ছিল? আফসান আরা বিন্দু বলেন, “কোনো চাপ ছিল না। আপনি তো জানেন আমি মাসে ৩০ দিন কাজ করতাম। সিঙ্গেল নাটক করতাম। সিরিয়ালে কখনো যুক্ত ছিলাম না। সিরিয়ালে যুক্ত থাকলে সিঙ্গেল নাটকের কাজ মিস হয়ে যেত। সে জায়গা থেকে আমার মনে হয়েছে, একজন সাধারণ মানুষ যেভাবে জীবনযাপন করেন, আমি সেভাবে করতে পারিনি। পাবলিক প্লেসে যেতে পারিনি। পারিবারিক বা মামা-কাকাদের বাচ্চাদের জন্মদিনেও যেতে পারিনি। এখান থেকে মনে হয়েছে, আমি যদি সংসারে যাই, তাহলে আন্তরিকভাবে আমার সময়টা ওখানে ইনভেস্ট করতে চাই। আমার মনে হয়, এটা সব মেয়ের ক্ষেত্রেই ঘটে। কাজ ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে আমাকে কেউ বাধ্য করেনি। ২০১৪ সালের অক্টোবরে বিয়ের পর ঘোষণা দিয়ে মিডিয়া ছাড়েন বিন্দু। মিডিয়ার আলোকচ্ছটা থেকে দূরে থাকা এ অভিনেত্রী দীর্ঘদিনের আড়াল ভেঙে ২০১৯ সালে হঠাৎ আবির্ভুত হন রাজধানীর এক ম্যারাথনে। তারপর অভিনয়ে যেমন পাওয়া যায়নি, তেমনি মিডিয়ার কোনো অনুষ্ঠানেও তার দেখা মিলেনি। তবে ২০২২ সালে ‘উনিশ২০’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেন বিন্দু। সিনেমাটিতে শুভর বিপরীতে অভিনয় করেন। অবশ্য, এরপর অভিনয়ে নিয়মিত হননি এই অভিনেত্রী। ২০০৬ সালের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ নির্বাচিত হন আফসান আরা বিন্দু। ‘দারুচিনি দ্বীপ’ শিরোনামের চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন। এরপর ‘জাগো’, ‘পিরিতের আগুন জ্বলে দ্বিগুণ’, ‘এই তো প্রেম’ সিনেমায় অভিনয় করেন। ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় টিভি নাটক উপহার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
শাকিব খান থেমে থাকি না নিরন্তর চেষ্টা করি

শাকিব খান থেমে থাকি না নিরন্তর চেষ্টা করি ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান মানেই পর্দায় নতুন কোনো চমক। গত কয়েক বছর ধরে প্রতিটি সিনেমাতেই ভিন্ন লুক আর অভিনব স্টাইলে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। ক্যারিয়ারের দুই দশক পেরিয়েও একজন মানুষ কীভাবে বারবার নিজেকে এভাবে বদলে ফেলেন, সেই প্রশ্ন ভক্ত-অনুরাগীদের মনে দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই কৌতূহলের অবসান ঘটালেন মেগাস্টার নিজেই। সম্প্রতি নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি নতুন ছবি প্রকাশ করেন শাকিব খান। সেখানে চিরচেনা স্টাইলিশ লুকে ধরা দেন তিনি। সেই ছবির কমেন্ট বক্সে এক ভক্ত তাকে মেনশন করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন কীভাবে একজন মানুষ এত দ্রুত নিজেকে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করতে পারেন?ভক্তের সেই কৌতূহল এড়িয়ে যাননি শাকিব। মন্তব্য ঘরে নিজের জীবনের পরিবর্তনের দর্শনটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরেন তিনি। উত্তরে শাকিব খান লেখেন, ‘সময়, অভিজ্ঞতা আর শেখার ইচ্ছা থাকলে যে কেউ নিজেকে বদলে ফেলতে পারে। যারা এগোনো বন্ধ করে, তারা পিছিয়ে পড়ে। নিজের নিরন্তর পথচলার কথা উল্লেখ করে এই সুপারস্টার আরও লেখেন, ‘আমি থেমে থাকি না, নিরন্তর চেষ্টা করি, বদলাই, আর বিশ্বাস করি প্রতিটি দিন নিজেকে আরও ভালোভাবে গড়ে তোলার একটি সুবর্ণ সুযোগ। ভক্তরা তার এই মন্তব্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকেই বলছেন, নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এই মানসিকতাই তাকে সাফল্যের শীর্ষে টিকিয়ে রেখেছে। বর্তমানে শাকিব খান ব্যস্ত আছেন তার আসন্ন প্রজেক্টগুলোর কাজ নিয়ে, যেখানে আবারও তাকে নতুন কোনো অবতারে দেখার অপেক্ষায় রয়েছে সিনেমাপ্রেমীরা। ইত্তেফাক/পিএস
টম ক্রুজ গার্লফ্রেন্ড খুঁজছেন

টম ক্রুজ গার্লফ্রেন্ড খুঁজছেন প্রায় নয় মাস সম্পর্কে থাকার পর হলিউড তারকা টম ক্রুজ ও হলিউড অভিনেত্রী আনা দে আরমাস তাদের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। টমের কথিত নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ এবং দুজনের বয়সের বড় ব্যবধানের কারণেই আনা এই সম্পর্ক থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন- এমনটি জানা গেছে। তবে নতুন তথ্য হলো আনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ব্রেকআপে আটকে না থেকে নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনা খুঁজছেন টম ক্রুজ। বিচ্ছেদটি টমের জন্য কষ্টকর হলেও, তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন তিনি দীর্ঘদিন মনখারাপ করে বসে থাকার মানুষ নন। আনার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় টম ভীষণ ভেঙে পড়েছিলেন, কিন্তু তিনি এমন নন যে খুব বেশি দিন নিজের কষ্ট আঁকড়ে ধরে রাখবেন। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, টম ক্রুজ নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হতে সক্রিয়ভাবে আগ্রহী। আরেকটি সূত্র জানায়, তিনি নতুন কাউকে খুঁজতে প্রস্তুত এবং এ বিষয়ে বেশ উদ্যোগী।