যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের

যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের ব্যক্তিগত জীবনের এক কঠিন সময় পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে আলাদা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর নিজের বর্তমান মানসিক ও শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তাহসান জানান, এই সময়টা তিনি অনেকটাই একা একা কাটাচ্ছেন। দেশ ও দেশের বাইরে ভ্রমণ করছেন, আর অবসর সময় কাটছে বই পড়েই। তাহসানের ভাষায়, “ঘুরছি আর বই পড়েই সময় চলে যাচ্ছে। এই সময়ে বই-ই আমার সবচেয়ে বড় সঙ্গী।” নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও গোপন রাখেননি এই শিল্পী। তিনি জানান, মানসিক চাপের পাশাপাশি শারীরিকভাবেও বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছেন। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনই প্রকাশ্যে বলতে চান না তিনি। এ কারণে ফোনে কথা বলার বদলে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বলেও জানান তাহসান। সবশেষে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন এই শিল্পী। তাহসানের কথায়, “দোয়া করবেন, যেন আমি এই কঠিন সময়টা দ্রুত পার করতে পারি।”তাহসানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে সবাই আশা করছেন, দ্রুতই তিনি এই সময় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ও সৃষ্টিশীল কাজে ফিরবেন।
সংসার ভেঙে যাচ্ছে তাহসান ও রোজার

সংসার ভেঙে যাচ্ছে তাহসান ও রোজার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান এবং মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সংসার ভাঙতে চলেছে। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই এই দম্পতির বিচ্ছেদের খবর সামনে এসেছে। বিষয়টি দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন কে নিশ্চিত করেছেন তাহসান খান নিজেই। এ প্রসঙ্গে তাহসান খান বলেন,“খবরটি সত্য। দীর্ঘদিন ধরেই, অর্থাৎ জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আমরা আলাদা আছি। সঠিক সময় এলে বিস্তারিত জানানো হবে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইনি। তবে আমাদের বিবাহবার্ষিকী ঘিরে ভুয়া খবর ছড়ানোয় জানাতে হচ্ছে যে আমরা এখন একসঙ্গে নেই। তাহসানের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। হঠাৎ এই বিয়ের খবর সে সময় ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি করেছিল। রোজা আহমেদ একজন অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে ব্রাইডাল মেকআপের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিজের একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তিনি। বিয়ে পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনকে নিয়ে নানা আলোচনা হলেও সম্প্রতি তাদের একসঙ্গে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। এবার তাহসানের বক্তব্যে স্পষ্ট হলো, তারা কয়েক মাস ধরেই আলাদা থাকছেন। সংগীত ও অভিনয় দুই মাধ্যমেই তাহসান খান দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনের এই ভাঙন তার ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে রোজা আহমেদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নতুন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত ভাবনা

নতুন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত ভাবনা ছোটপর্দা ও বড়পর্দা দুই মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতা ও সাহসী চরিত্র নির্বাচনের মাধ্যমে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। বৈচিত্র্যময় চরিত্রে নিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও স্পষ্টভাষী ও সচেতন এই অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভাবনা ও মতামত প্রকাশে বরাবরই সরব। বর্তমানে থ্রিলার ঘরানার একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাবনা। সুমন ধরের পরিচালনায় নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মটির শুটিং চলছে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে। এখনো শিরোনাম ঠিক না হওয়া এই প্রকল্পে ভাবনার সঙ্গে অভিনয় করছেন ইরফান সাজ্জাদ, প্রার্থনা ফারদিন দীঘিসহ একঝাঁক পরিচিত অভিনয়শিল্পী। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, এটি একটি গল্পনির্ভর থ্রিলার, যেখানে চরিত্র নির্মাণ ও আবহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ওয়েব ফিল্মটি নির্মাণ করা হলেও কোন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এটি মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। শুটিং শেষ হওয়ার পর নাম ও মুক্তির প্ল্যাটফর্ম জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ওয়েব ফিল্মের পাশাপাশি বড়পর্দার কাজেও ব্যস্ত রয়েছেন ভাবনা। বর্তমানে তিনি অভিনয় করছেন আসিফ ইসলাম পরিচালিত সিনেমা ‘ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’-এ। এই সিনেমায় তাকে দেখা যাবে এক যাত্রাপালার নায়িকার ভূমিকায়, যা তার জন্য ভিন্নধর্মী একটি চরিত্র। চরিত্রের প্রয়োজনে আলাদা শরীরি ভাষা ও মঞ্চসুলভ উপস্থিতি রপ্ত করতে হয়েছে তাকে।এ চরিত্রের জন্য নিজের শারীরিক গড়নেও পরিবর্তন এনেছেন ভাবনা। সিনেমাটির প্রয়োজনে প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে অভিনেত্রী নিজেও আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে ভাঙা ও গড়া এই চ্যালেঞ্জই একজন অভিনেত্রীর কাজকে অর্থবহ করে তোলে। সব মিলিয়ে ওয়েব ফিল্ম ও সিনেমা দুই মাধ্যমেই নতুন ভাবনায় দর্শকের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আশনা হাবিব ভাবনা।
নেপালে সঞ্জয় দত্ত – পুরোনো ফর্মে ফেরা আর জীবনের নতুন বিরতি

নেপালে সঞ্জয় দত্ত – পুরোনো ফর্মে ফেরা আর জীবনের নতুন বিরতি বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবারও আলোচনায় বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। কখনো অভিনয়, কখনো ব্যক্তিগত জীবন, আবার কখনো অসুস্থতা কিংবা কারাবাস সব মিলিয়ে তার জীবন বরাবরই ঘটনাবহুল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে তার নেপাল সফর। সাতপাঁচ তোয়াক্কা না করেই বন্ধুর সঙ্গে নেপালে পাড়ি জমিয়েছেন এই অভিনেতা। ২০২৫ সালে নেপাল ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলেও সে সময় দেশটির উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সফর বাতিল করতে হয়েছিল সঞ্জয় দত্তকে। তবে এবার আর কোনো দ্বিধা না রেখে বন্ধুর সঙ্গে নেপালের পথে পা বাড়ান তিনি। সফরে তার সঙ্গী ছিলেন অভিনেতা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাহুল মিত্র। নেপাল সফরের পেছনে যে আধ্যাত্মিক টান রয়েছে, সে কথা অস্বীকার করছেন না ঘনিষ্ঠজনরাও। কারাবাসে থাকার সময় নিয়মিত শিবপুরাণ পাঠ করতেন সঞ্জয় দত্ত এই তথ্য অনেকেরই জানা। বন্ধু রাহুল মিত্রের ভাষায়, “শিবের সঙ্গে সঞ্জয়ের এক গভীর যোগ রয়েছে। মনে হয়েছে যেন বাবার ডাক এসেছে। তাই আর দেরি করেননি। ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্ক ও শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি সঞ্জয় দত্ত। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। অনেক দিন পর এই ছবিতে তাকে পুরোনো ছন্দে ফিরতে দেখেছেন ভক্তরা। ফলে সিনেমার সাফল্যের পর এই নেপাল সফরকে কেউ কেউ দেখছেন আত্মবিশ্লেষণ ও মানসিক প্রশান্তির খোঁজ হিসেবে। নেপালে গিয়ে সঞ্জয় দত্ত শুধু ধর্মীয় স্থানে দর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি উপভোগ করেছেন স্থানীয় খাবারও। রাহুল মিত্র জানান, ভ্রমণের সময় স্থানীয় খাবার চেখে দেখা তাদের অভ্যাস। এর আগেও অরুণাচল প্রদেশ ও রাজস্থানে গিয়ে ডাল-ভাত, মসুর ডালের বড়া, নুডলস স্যুপ কিংবা মটন কাটিয়ার মতো খাবার উপভোগ করেছেন তারা। নেপাল সফরেও সেই অভ্যাসের ব্যতিক্রম হয়নি। সব মিলিয়ে বলা যায়, অভিনয়ের সাফল্য, আধ্যাত্মিক টান ও জীবনের ব্যস্ততা থেকে খানিক বিরতি এই তিনের সমন্বয়েই সঞ্জয় দত্তের এবারের নেপাল সফর।
ডাবল অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’ প্রকাশ করল সোনার বাংলা সার্কাস

ডাবল অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’ প্রকাশ করল সোনার বাংলা সার্কাস দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল সোনার বাংলা সার্কাস প্রকাশ করেছে তাদের নতুন ডাবল অ্যালবাম। ‘মহাশ্মশান’ শিরোনামের এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামে রয়েছে মোট ১৭টি গান। দুটি সিডিতে বিভক্ত অ্যালবামটির প্রথম অংশ ‘মহাশ্মশান ১’-এ রয়েছে ৯টি গান এবং দ্বিতীয় অংশ ‘মহাশ্মশান ২’-এ রয়েছে ৮টি গান। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ব্যান্ডটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে স্পটিফাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও অ্যালবামটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। অ্যালবামটির গল্প ও ভাবনা প্রসঙ্গে ব্যান্ডের ভোকালিস্ট ও লিরিসিস্ট প্রবর রিপন বলেন,“আমাদের প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’-এ ‘এপিটাফ’ গানের মধ্য দিয়ে একটি চরিত্রের মৃত্যু দেখানো হয়েছিল। ‘মহাশ্মশান’ সেই চরিত্রের পুনরুত্থানের গল্প। এবার তার নাম দ্রোহ। এই অ্যালবামেও সে মারা যায়, তবে তার পুনর্জন্মের সম্ভাবনা রয়েছে ভবিষ্যৎ অ্যালবামে। দ্রোহ এখানে মানুষের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষণা করে। মানুষের প্রতি প্রতিশোধের এই গল্প পুরোপুরি বুঝতে হলে একটানা ১ ঘণ্টা ৫২ মিনিটের অ্যালবামটি শুনতে হবে। ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা সোনার বাংলা সার্কাস ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করে তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’। ‘এপিটাফ’, ‘অন্ধ দেয়াল’, ‘মৃত্যু উৎপাদন কারখানা’র মতো গানগুলোর মাধ্যমে অল্প সময়েই তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে আলাদা পরিচিতি গড়ে তোলে ব্যান্ডটি। ইতিমধ্যে দেশে ও বিদেশে ২০০টির বেশি কনসার্টে পারফর্ম করেছে তারা। এ ছাড়া ঢাকাসহ দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘হায়েনা এক্সপ্রেস এক্সপেরিয়েন্স’ শিরোনামে একক কনসার্টও আয়োজন করে ব্যান্ডটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী দুই মাস পর নতুন অ্যালবামকে কেন্দ্র করে ‘মহাশ্মশান যাত্রা’ শিরোনামে একক কনসার্ট শুরু করবে সোনার বাংলা সার্কাস। সেখানে নতুন অ্যালবামের সব গানের লাইভ পরিবেশনা উপভোগ করবেন দর্শকরা।বর্তমানে ব্যান্ডটির সদস্যরা হলেন—প্রবর রিপন (ভোকাল ও গিটার), শ্বেত পাণ্ডুরাঙ্গা ব্লুমবার্গ (গিটার), শাকিল হক (বেজ গিটার) ও সাদ চৌধুরী (ড্রামস)।
গল্প আর চরিত্রের ভেতরেই নিজেকে খুঁজছেন মাহি

গল্প আর চরিত্রের ভেতরেই নিজেকে খুঁজছেন মাহি পরিণত শিল্পী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা থেকে একের পর এক নতুন গল্প ও চরিত্র পর্দায় তুলে ধরছেন সামিরা খান মাহি। সেই ভাবনা থেকে আরও দুটি ভিন্ন ধরনের গল্পের নাটকে দেখা মিলছে এই তারকা অভিনেত্রীর। নাম ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ ও ‘তোমার প্রেমে’। এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ নাটকটি। প্রকাশ করেছে অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ। এ নাটকে আরও একবার মাহির বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরশ খান। এই জুটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে ‘নীল ছাতা’, ‘দ্বিতীয় পত্র’, ‘ফিরে আসা’, ‘বকুল ফুল’, ‘ভেতরে আসতে দাও’, ‘প্রশ্ন করো না’, ‘আদরে রেখো’, ‘বালক বালিকা’, ‘প্রেমিকার বয়ফ্রেন্ড’, ‘মন খারাপের দিনে’সহ আরও বেশ কিছু নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। আসাদ জামানের রচনা ও সকাল আহমেদের পরিচালনায় নির্মিত ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ নাটকে আরশ-মাহি জুটির পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন মাসুম বাসার, সুমি আক্তার, মিলি বাসার, আনোয়ার শাহী, সম্পা নিজাম প্রমুখ। মাহির দ্বিতীয় নাটক ‘তোমার প্রেমে’ প্রকাশ পাচ্ছে ক্লাব ইলেভেনের ইউটিউব চ্যানেলে। রুবেল আনুশের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় এ নাটকে মাহির বিপরীতে আছেন অভিনেতা সোহেল মণ্ডল। আরও অভিনয় করেছেন মিলি বাসার, লিয়া মনি, সাদি প্রমুখ। নতুন এই দুই নাটক নিয়ে সামিরা খান মাহি বলেন, ‘গল্প ও চরিত্র নতুন হলেও এতে আছে চেনা জীবন ও আশপাশের মানুষের ছায়া। তাই গল্পের সঙ্গে দর্শক সহজেই মিশে যেতে পারবেন। যাপিত জীবনের নানা ঘটনাকে নতুনভাবে দেখার সুযোগও মিলবে। সব মিলিয়ে নাটক দুটি আমাকে যেমনি নতুনরূপে দর্শকের সামনে তুলে ধরছে, তেমনি দর্শক প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ এনে দিচ্ছে। কাজের বিষয়ে বাছবিচার নিয়ে মাহি আরও বলেন, “শুধু এই দুটি নাটক নয়, এ সময়ে যেসব গল্প ও চরিত্র পর্দায় তুলে ধরছি, তার সবই অনেক বাছবিচারের পর হাতে নেওয়া। এর মূল কারণ দিন দিন অভিনয়ের তৃষ্ণা বেড়ে যাওয়া ও পরিণত শিল্পী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা পূরণ। যখন অভিনয়ের সূত্রে দর্শকের ভালোবাসা পাওয়া শুরু, তখনই একরকম নিশ্চিত হয়েছি যে, এটাই আমার নিয়তি নির্ধারিত কাজ। মনপ্রাণ ঢেলে এই কাজই করতে হবে। এটাও সত্যি যে, স্বল্প সময়ের অভিনয় ক্যারিয়ারে রেকর্ড সংখ্যক নাটকে অভিনয়ের সুযোগ হয়েছে। কিন্তু একটা সময় এসে বুঝেছি, এই সংখ্যা আসলে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কী ধরনের কাজ করছি, সেটাই আসল। তাই যতদিন অভিনয় করে যাব, ভালো কিছু দর্শকের মাঝে তুলে ধবর এই ভাবনা নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। যার কিছুটা আভাস পাওয়া যাবে ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ ও ‘তোমার প্রেমে’ নাটক দুটির মাধ্যমে।
পছন্দের চকলেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিজের নাম রাখেন মিমি

পছন্দের চকলেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিজের নাম রাখেন মিমি গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ৫৭ বছরে পা রাখেন নন্দিত নির্মাতা-অভিনেত্রী আফসানা মিমি। বিশেষ এই দিনটি বিশেষভাবে উদযাপন করেন তিনি। ছুটে যান ঢাকার ইস্কাটনের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে, সেখানে সেদিন যেসব শিশুর জন্ম হয়, তাদের পরিবারের অজান্তেই কিছু উপহার দিয়ে আসেন। এক পডকাস্টে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে নিজের কিছু অপ্রকাশিত সত্য সামনে আনেন মিমি। তিনি জানান, ‘মিমি’ চকলেট খেতে ভালোবাসতেন বলে সেটির সঙ্গে মিল রেখে নিজের নামটিও তার রাখা। বর্ণনা করলেন সেই মজার গল্পটিও। বড় বোন অ্যানির সাথে মিল রেখে তার নাম রাখা হয়েছিল জুনি। ভালো নাম আফসানা করিম। বাবা ডাকতেন ‘মিম’ নামে। সেখান থেকে তিনি নিজের আগ্রহে ‘মিমি’ নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাই তো মজার সুরে বললেন, আমি বোধহয় পৃথিবীর একমাত্র শিশু, যে কি না নিজের নাম নিজেই চূড়ান্ত করেছি!
‘শীত-গরম বুঝি না দিনে তিনবার গোসল করি’

‘শীত-গরম বুঝি না দিনে তিনবার গোসল করি’ দেশের বেশ কিছু জেলায় শৈত্যপ্রবাহ চলমান। ঠান্ডায় জবুথবু দেশবাসী। রাজধানী ঢাকাতেও জেঁকে বসেছে শীত। এমন পরিবেশে অনেক মানুষই গোসল কম করে থাকেন। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের ‘হাবু’ চরিত্র রূপায়নকারী চাষী আলম বাস্তব জীবনে এ পরিস্থিতি কীভাবে সামলান? ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেতা সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমি দিনে তিনবার করে গোসল করি; সেটা শীত হোক বা গরম। এটা আমার অভ্যাস।” দিনে কেন তিনবার গোসল করেন? এমন প্রশ্ন রাখা হলে চাষী আলম বলেন, “এটা আমার ভালো লাগে তাই! গোসল করার মজাই আলাদা। যদিও গোসল করতে ৫-৭ মিনিটের বেশি সময় নিই না।”চাষী আলমের এই বক্তব্যের ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। প্রিয় অভিনেতার মন্তব্য ঘিরে চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা। অনেকের সঙ্গে তার অভ্যাস মিলে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ! কাজল আরিফিন অমি পরিচালিত বহুল আলোচিত টিভি সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’। ২০১৯ সালের শেষের দিকে সিরিয়ালটির প্রথম সিজনের সম্প্রচার শুরু হয়। তারপর দ্রুত সময়ের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে নাটকটি, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে। দর্শক চাহিদার কারণে এ পর্যন্ত চারটি সিজন শেষ হয়েছে, এখন পঞ্চম সিজনের প্রচার চলছে। তবে বরাবরের মতো এ সিজন দেখেও মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। এ সিরিজের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রগুলো হলো—কাবিলা, পাশা, হাবু, শুভ, শিমুল, বজরা বাজারের জাকির, কাবিলার প্রেমিকা রোকেয়া, অন্তরা, লামিয়া। বরাবরের মতো কাবিলা চরিত্রে ধরা দিয়েছেন জিয়াউল হক পলাশ। পাশা, হাবু, শুভ শিমুল চরিত্রে যথাক্রমে অভিনয় করছেন—মারজুক রাসেল, চাষী আলম, মিশু সাব্বির, শিমুল শর্মা।
রাজকে ঘিরে মিমের রহস্যময় পোস্ট!

রাজকে ঘিরে মিমের রহস্যময় পোস্ট! ঢাকাই সিনেমার বর্তমান সময়ের ব্যস্ত ও বাছাই করা কাজের জন্য পরিচিত চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। গল্প ও চরিত্রে গুরুত্ব না থাকলে পর্দায় ফিরতে আগ্রহী নন তিনি। তবে নতুন বছরে কিছু নতুন কাজের বার্তা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন এই নায়িকা। এবার সেই ইঙ্গিত আরও ঘনীভূত করলেন এক রহস্যময় ফেসবুক পোস্টে। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে এক অভিনেতার সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন মিম। ছবিতে অভিনেতার মুখ দেখা যায়নি, পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুরুষ অবয়ব। ক্যাপশনে মিম লেখেন, “পরবর্তী প্রজেক্ট আসছে, অনুমান করুন, তিনি কে?” এই এক লাইনের পোস্টেই মন্তব্যের ঘরে শুরু হয় আলোচনা। বেশির ভাগ ভক্তের ধারণা, ছবির মানুষটি শরিফুল রাজ। কেউ কেউ আবার আরিফিন শুভর নামও উল্লেখ করেন। অনেকের মন্তব্য, এই গেটআপ আর স্টাইল রাজ ছাড়া অন্য কারও হতে পারে না। বোঝাই যাচ্ছে, সহ-অভিনেতাকে নিয়েই ইচ্ছাকৃতভাবে রহস্য তৈরি করতে চেয়েছেন মিম। বিষয়টি জানতে নায়িকার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি রহস্য ভাঙতে রাজি হননি। মিম বলেন, “ধারণা তো করছেনই সবাই। আপাতত আমার কিছু বলার বারণ আছে। এটুকু বলতে পারি, এটি নতুন কাজের ইঙ্গিত। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে সব জানানো হবে।”এরপর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিম যে অভিনেতার সঙ্গে ছবি দিয়েছেন, তিনি আসলে আরিফিন শুভ নন, শরিফুল রাজ। ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’-এর পর দীর্ঘ বিরতি শেষে রাজ-মিম আবার জুটি হতে যাচ্ছেন। এই জুটিকে নিয়ে রোমান্টিক গল্পের একটি সিনেমা নির্মাণ করছেন আলভী আহমেদ। যদিও এখনো রাজ, মিম কিংবা নির্মাতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে আরিফিন শুভ ও মিম জুটি হয়ে সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘মালিক’ সিনেমার শুটিং করতে রাজশাহী গিয়েছিলেন। তার আগেই আলভী আহমেদের সিনেমায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হন মিম। পরে একই সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ করা হয় শরিফুল রাজকেও। তবে ভালো দিনক্ষণ ও দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। এ বিষয়ে শরিফুল রাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বিষয়টি এড়িয়ে যান। রাজ বলেন, “এই মুহূর্তে আমি তানিম নুর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই সিনেমার বাইরে অন্য কোনো প্রজেক্ট নিয়ে এখন কিছু বলতে চাই না। নতুন কোনো কাজ হলে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই জানানো হবে।”উল্লেখ্য, রাজ ও মিম জুটির প্রথম সিনেমা ‘পরাণ’ মুক্তি পায় ২০২২ সালের ঈদুল আজহায় এবং সুপারহিট ব্যবসা করে। এরপর একই পরিচালকের ‘দামাল’-এও দেখা যায় এই জুটিকে। পরপর দুটি সফল সিনেমার পর প্রায় পাঁচ বছর তাদের আর একসঙ্গে দেখা যায়নি। সেই আক্ষেপই এবার ঘুচতে পারে বলে মনে করছেন ভক্তরা। অন্যদিকে, গেল ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া রাজ অভিনীত ‘ইনসাফ’ সিনেমায় তার বিপরীতে ছিলেন তাসনিয়া ফারিণ। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এ, যা আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে নির্মিত হচ্ছে।
প্রভাসের সিনেমা দেখতে কুমির নিয়ে গেল ভক্তরা

প্রভাসের সিনেমা দেখতে কুমির নিয়ে গেল ভক্তরা দীর্ঘ দেড় বছর পর পর্দায় ফিরলেন দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার প্রভাস। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘রাজা সাহেব’। তবে মুক্তির প্রথম দিনেই প্রেক্ষাগৃহে ভক্তদের অস্বাভাবিক উন্মাদনা ও বিশৃঙ্খলার কারণে বেশ কয়েকটি শো বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হায়দেরাবাদের একটি প্রেক্ষাগৃহে প্রভাসের একদল অনুরাগী দুটি বিশালাকার কুমির নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কুমির দেখে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং হুড়োহুড়ি শুরু হয়। পরে জানা যায়, কুমিরগুলো আসল ছিল না, বরং সেগুলো ছিল রাবার বা প্লাস্টিকের তৈরি ‘ডামি’। মূলত সিনেমার একটি দৃশ্যে প্রভাসকে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায়; প্রিয় নায়কের সেই দৃশ্যকে উদযাপন করতেই ভক্তরা এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। এদিকে হায়দেরাবাদের বেশ কিছু প্রেক্ষাগৃহে নির্ধারিত সময়ে প্রদর্শনী শুরু না হওয়ায় উত্তেজিত হয়ে পড়েন দর্শকরা। শুক্রবার ভোররাত থেকেই হলের বাইরে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। শো শুরু হতে দেরি হওয়ায় তারা নিরাপত্তা বলয় ভেঙে হলের দরজা ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয়। এতে বিশৃঙ্খলা আরও চরম আকার ধারণ করে। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে প্রভাসের ক্যারিয়ারে কিছুটা মন্দাভাব দেখা যাচ্ছিল। ২০২৩ সালে ‘আদিপুরুষ’ এবং ২০২৪ সালে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ নিয়ে নানা বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। বক্স অফিস বিশ্লেষকরা ‘রাজা সাহেব’ নিয়েও ব্যবসায়িক শঙ্কার কথা বলেছিলেন। তবে মুক্তির প্রথম দিনে ভক্তদের এমন উন্মাদনা ও কর্মকাণ্ডের কারণে নতুন করে আলোচনায় এলেন এই তারকা।