মিম তাড়াহুড়ো নেই ভালো কাজের জন্য অপেক্ষা করি

মিম তাড়াহুড়ো নেই ভালো কাজের জন্য অপেক্ষা করি বিদ্যা সিনহা মিম। চিত্রনায়িকা ও মডেল। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে দেখা যায় তাঁর ভ্রমণ, রঙিন মুহূর্ত আর ব্র্যান্ডের প্রচারণায় ঝলমলে উপস্থিতি। কখনও পাহাড়ের কোলে, কখনও সমুদ্রের ধারে, কখনও আবার স্বামীর সঙ্গে নির্ভার সময় সব মিলিয়ে জীবন উপভোগের ছবিই বেশি চোখে পড়ে। বড়পর্দায় তাঁকে দেখা যাচ্ছে কম। এরই মধ্যে এসেছে নতুন কাজের খবর। সেসব নিয়েই কথা হয় তাঁর সঙ্গে। সামাজিক মাধ্যমে আপনাকে খুব আনন্দে ভরা জীবন যাপন করতে দেখা যায়। খুব ঘোরাঘুরি করছেন মনে হয়? পারিবারিকভাবে আমি একজন সুখী মানুষ। কাজ না থাকলে আমি আমার পরিবার নিয়ে আনন্দে মেতে থাকি। আমি ঘুরতে ভালোবাসি। কাজের ফাঁকে তাই সময় পেলেই আমি আর সনি (স্বামী সনি পোদ্দার) ঘুরতে বেরিয়ে পড়ি। কোনো কোনো ভ্রমণে বাবা-মাকেও নিয়ে যাই। ঘোরাঘুরির কিছু মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করি। ভালো লাগে। আপনার ঘোরাঘুরির খবর ফেসবুকে সবাই দেখছেন। কাজের খবর তো জানাচ্ছেন না? কয়েকদিন আগেই তো নতুন কাজের খবর দিলাম। চরকির একটি অরিজিনাল ফিল্মে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর। নির্মাণ করবেন কাজী আসাদ। কাজটি সম্পর্কে যদিও এখন এর বেশি কিছু বলা যাবে না। শুধু এটুকু বলব, এটা আমার জন্য নতুন ধরনের একটি জার্নি। দর্শক আমাকে যে গ্ল্যামার লুকে দেখে অভ্যস্ত, সেখান থেকে একটু ভেঙেই চরিত্রটা আসবে। এটা দিয়েছেন ওটিটি ফিল্মের খবর। সিনেমার খবর কোথায়? সেটাও আছে। তবে এখন কিছুই জানাতে পারব না। সময় হলে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানই সব জানাবে। আমাদের মুখ খোলা বারণ আছে। রাজশাহীতে ‘মালিক’ নামে একটি সিনেমার শুটিং শেষ করলে ফিরলেন? সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছি। তবে শেষ করা হয়নি। রাজশাহীতে শুরু হলেও শেষ হবে ঢাকায়। অ্যাকশন টাইপ সিনেমা এটি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। পরিচালক-প্রযোজকরা বিস্তারিত জানাবেন। কিন্তু ‘পরাণ’ সিনেমার পর আপনাকে এমনভাবে আর পাওয়া যাচ্ছে না! কীভাবে পাওয়া যাবে বলুন। সিনেমার প্রস্তাব তো অনেক আসে, কিন্তু মানসম্মত সিনেমা কয়টা পাই? যেগুলো পাই সেগুলো যদি একের পর একটা করতে থাকি তখন দর্শকরা নেতিবাচক বলতে থাকবেন। এ রকম কাজ আমি করব না। আমি মনে করি, বছরে ডজনখানেক নিম্নমানের সিনেমা করার চেয়ে কোনো সিনেমা না করা ভালো। এই যে দর্শক আপনাকে এখনও ‘পরাণ’-এর অভিনেত্রীর মতো দেখতে চায়, এ প্রত্যাশা কি চাপ তৈরি করে? চাপ নয়, বরং দায়িত্ব তৈরি করে। দর্শক আমাকে ভালোবেসেছেন বলেই তো প্রত্যাশা করেন। সেই প্রত্যাশা নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। সিনেমার ক্ষেত্রে সবকিছু আমার মনমতো হতে হবে–গল্প, চরিত্র, নির্মাতা। তবেই কাজ করব। ‘পরাণ’-এর পর ‘দামাল’ ও ‘অন্তর্জাল’ করলেন, কিন্তু দর্শক বলছে, ওই মিমকে পাওয়া যায়নি। আমি বুঝি দর্শক কী বলতে চায়। ‘পরাণ’ একটি বিশেষ সিনেমা, বিশেষ চরিত্র। এমন কাজ বারবার আসে না। কিন্তু তাই বলে আমি থেমে নেই। আমি অপেক্ষা করছি ঠিক সময়ের জন্য। শুনেছি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চিত্রনাট্য পড়েছেন? হ্যাঁ, গত কয়েক মাসে অর্ধডজনের মতো সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়েছি। আনন্দের কথা হলো, এর মধ্যে বেশ কয়েকটির গল্প আমার ভালো লেগেছে। কয়েকজন নির্মাতার সঙ্গে কথাও চলছে। দু-একটিতে সাইনও করেছি। শিগগিরই ঘোষণা আসবে। তাহলে বলা যায়, ২০২৬ সালটা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে? অবশ্যই। ২০২৬ সালে আরও কিছু কাজের ঘোষণা আসবে। দর্শকদের একটু অপেক্ষা করতে বলব। যখন আসব, ভালো কিছু নিয়েই আসব। সিনেমা কম হলেও বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ডিংয়ে আপনাকে দারুণ ব্যস্ত দেখা যায়। হ্যাঁ, আমি মডেল হিসেবেও নিয়মিত কাজ করছি। দেশের অনেক বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত আছি। প্রতি মাসেই নতুন নতুন বিজ্ঞাপনের শুট থাকে।

নাজনীন হাসান খান নেপালে তিন নাটক নির্মাণ করলেন

নাজনীন হাসান খান নেপালে তিন নাটক নির্মাণ করলেন জনপ্রিয় নির্মাতা নাজনীন হাসান খানের পরিচালনায় ও রাজীব মণি দাসের রচনায় নেপালের মনোরম লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে তিনটি বিশেষ নাটক। নেপালে নির্মিত নাটকগুলো হলো- ‘হানিমুন’, ‘ভালোবাসার অন্তর্ধান’, ও ‘প্যারায় আছে দুলাভাই’। এর মধ্যে অন্যতম কমেডি ঘরানার নাটক ‘প্যারায় আছে দুলাভাই’। হিমালয় কন্যা নেপালের নান্দনিক দৃশ্যের সাথে পারিবারিক মান-অভিমান ও হাস্যরসের মিশেলে তৈরি হয়েছে নাটকটির নাটকের কাহিনিতে দেখা যায়, দুলাভাই তার স্ত্রী, শ্যালক ও শালিকাসহ সদলবলে নেপালে বেড়াতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়েও স্ত্রীর শাসন থেকে তার রেহাই মেলে না। সামান্য উনিশ-বিশ হলেই স্ত্রী রেগে যান, যা দুলাভাইয়ের জন্য চরম অস্বস্তির বা ‘প্যারা’র কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরিস্থিতির চরম পর্যায়ে দুলাভাই হঠাৎ নিখোঁজ হন। নাইটক্লাব থেকে শুরু করে বিভিন্ন বারে খুঁজেও তাকে পাওয়া যায় না। একপর্যায়ে গাইডের কথায় পরিবারের ধারণা হয়, সংসারের প্যারা সইতে না পেরে দুলাভাই হয়তো সন্ন্যাসী হতে হিমালয়ে চলে গেছেন। স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে স্ত্রী হিমালয়ের পথে হাঁটা ধরেন, কিন্তু ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসেন। গল্পের শেষে দেখা যায় এক মজাদার টুইস্ট। সারাদিন সবাই যাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছে, সেই দুলাভাই আসলে হোটেল রুমেই ঘুমাচ্ছিলেন। চিলে কান নিয়েছে শুনে কানে হাত না দিয়েই চিলের পেছনে ছোটার মতো এক হাস্যকর পরিস্থিতির অবতারণা হয় এই নাটকে। এর মাঝেই দুলাভাইকে খুঁজতে গিয়ে বেয়াই ও বেয়াইনের মধ্যে গড়ে ওঠে মধুর প্রেমের সম্পর্ক। পরিচালক নাজনীন হাসান খান বলেন, ‘নেপাল যেন পটে আঁকা ছবির মতো সুন্দর। এখানকার লোকেশনের বৈচিত্র্য এবং স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা শুটিংয়ের জন্য চমৎকার পরিবেশ তৈরি করেছে’। দর্শকদের নির্মল বিনোদন দিতেই নাটকটি নির্মাণ করা হয়েছে।

নুসরাত ফারিয়া কানাডায় মঞ্চ মাতালেন

নুসরাত ফারিয়া কানাডায় মঞ্চ মাতালেন কানাডার ওটায়া শহরে একটি অনুষ্ঠানে নেচে মঞ্চ মাতালেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা নুসরাত ফারিয়া। রোববার দুপুরে সামাজিক মাধ্যমে একটি ছোট ভিডিও প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। সেখানে দেখা যায়, সাদা রঙের একটি গ্ল্যামারাস ফ্রিল ড্রেস এবং সাদা বুট পরে মঞ্চে ঝড় তুলেছেন ফারিয়া। ধারণা করা হচ্ছে, ওটায়ার প্রেস্টন ইভেন্ট সেন্টারের সেই জমকালো পারফরম্যান্স সেটি; আর ভিডিওটি মুহূর্তেই তার ভক্ত-নেটিজেনদের মাঝে সারা ফেলে বেশ। ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সারদের সাথে তাল মিলিয়ে ফারিয়ার স্টাইলিশ মুভগুলো তার নাচের দক্ষতাও ফুটে ওঠে। এ সময় ফারিয়ার নাচের ভঙ্গি এবং অভিব্যক্তি দর্শকদের মুগ্ধ করলেও কেউ কেউ মজাও নেন। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘অসাধারণ নেচেছেন আপু। বছরের শেষ সময়টা কানাডায় অবস্থান করছেন ফারিয়া। কখনো টরোন্টো আবার কখনো ওটায়ার পথঘাটে ঘুরে বেড়ানোর ছবি শেয়ার করছেন। এর আগে ওটায়া থেকে শেয়ার করা ফারিয়ার একটি অফ-শোল্ডার কালো গাউন পরা ছবি ভক্তদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। সেখানে নেটিজেনরা তাকে ‘ক্লিওপেট্রা’র সঙ্গেও তুলনা করেছেন। কানাডা ভ্রমণের এই আনন্দঘন মুহূর্তে নুসরাত ফারিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে দেখা গেছে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খানকেও। বড়দিন এবং নতুন বছরের আমেজ তারা একসাথেই উদযাপন করছেন।

গ্যালারিতে রঙিন নোরা ফাতেহি, হৃদয় জুড়ে মরক্কোর কোন ফুটবলার

গ্যালারিতে রঙিন নোরা ফাতেহি, হৃদয় জুড়ে মরক্কোর কোন ফুটবলার বলিউডের ড্যান্স ফ্লোর কাঁপানো নোরা ফাতেহি মানেই গ্ল্যামার, গুঞ্জন আর চমক। কখনো আইটেম গানে ঝড়, কখনো স্টেজ শো, সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। তবে এবার আলোচনার বিষয় নাচ নয়, বরং নোরার হৃদয়। প্রশ্ন একটাই, কোন ফুটবলারের প্রেমে মজেছেন এই গ্ল্যামার গার্ল? সবে এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন নোরা। সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে যাওয়ার পথে মুম্বাইয়ে তার গাড়িতে ধাক্কা দেয় মদ্যপ এক ব্যক্তি। বড় বিপদ এড়ালেও সেই রেশ কাটতে না কাটতেই নোরার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। সম্প্রতি আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি ম্যাচ দেখতে মরক্কো গিয়েছিলেন নোরা ফাতেহি। বাইরে থেকে দেখলে সেটি নিছকই একটি ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু ভেতরের গল্পটা নাকি একেবারেই অন্যরকম! বলিউড মহলের ফিসফাস, ম্যাচ দেখা ছিল কেবল অজুহাত। আসল আকর্ষণ ছিল মাঠে থাকা এক বিশেষ ফুটবলার। গুঞ্জন বলছে, সেই ফুটবলারই নোরার ‘বিশেষ মানুষ’। ম্যাচের আগেও দুবাই ও মরক্কোয় একাধিকবার তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে বলে দাবি বিভিন্ন সূত্রের। এমনকি একাধিক ডেটিংয়ের কথাও শোনা যাচ্ছে! মরক্কো বনাম কোমোরোসের ম্যাচে গ্যালারিতে লাল পোশাকে নোরার উপস্থিতি যেন আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। ওই ম্যাচে মরক্কো ২-০ গোলে জয় পায়। ম্যাচ ঘিরে নোরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পোস্টও করেন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক সহচরীর সঙ্গে মরক্কোর পতাকা হাতে নাচছেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‌‘খুবই হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ ছিল। তবে বিরতির পর আমাদের ছেলেরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।’ এই ‘আমাদের ছেলেরা’- এই শব্দটাই এখন রহস্যের কেন্দ্রে! তাহলে কি হৃদয়ের মানুষও সেই ‘আমাদের’ দলেরই কেউ? যদিও এখনো পর্যন্ত নোরা ফাতেহি কিংবা সেই রহস্যময় ফুটবলার দুজনের কেউই মুখ খোলেননি। ফলে নাম, পরিচয় আর প্রেম, সবই আপাতত রয়ে গেছে জল্পনার আড়ালেই।

কনসার্টে হামলা: আয়োজকদের দায়ী করলেন জেমস

কনসার্টে হামলা: আয়োজকদের দায়ী করলেন জেমস গানের মঞ্চে ওঠার আগেই বদলে গেল উৎসবের চিত্র। উচ্ছ্বাসের বদলে ছড়িয়ে পড়লো আতঙ্ক, করতালির জায়গা দখল করল ইট-পাটকেল। ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বহুল প্রতীক্ষিত জেমসের কনসার্ট এভাবেই ভেস্তে যায় সহিংসতায়। এ ঘটনায় আয়োজক কমিটির আহ্বায়কসহ আহত হন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন। ঘটনার পর প্রথমবার মুখ খুলে দায়ীদের দিকে আঙুল তুললেন জেমস নিজেই। ঘটনাটি নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া জানালেন জেমস। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, “এটা সম্পূর্ণ আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতা। নিরাপত্তা ও দর্শক ব্যবস্থাপনায় বড় ঘাটতি ছিল।” জেমসের ব্যক্তিগত সহকারী রবিন ঠাকুর পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, “আমরা সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ফরিদপুর পৌঁছাই। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই শুনি সেখানে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। তখন আমরা গেস্ট হাউসেই ছিলাম। রাত সাড়ে দশটার দিকে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে আমাদের জানানো হয় অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। এরপরই ঢাকায় ফিরে আসি।” জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্কুল প্রাঙ্গণে জেমসের সংগীত পরিবেশনের কথা ছিল। তবে অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র নিবন্ধিত প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত থাকায় অনিবন্ধিত কয়েক হাজার বহিরাগত ভেতরে ঢুকতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বহিরাগতদের জন্য বাইরে দুটি প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করা হলেও তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে বাধা দেওয়া হয়। তখনই শুরু হয় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ। স্কুল প্রাঙ্গণের দর্শক ও মঞ্চ লক্ষ্য করে ছোড়া ইট-পাটকেলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে উত্তেজনা আরও বাড়ে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির অবনতি দেখে রাত দশটার দিকে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ডা. মুস্তাফিজুর রহমান শামীম মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে জেমসের কনসার্ট বাতিল করা হয়েছে।

‘হঠাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাথর পড়তে শুরু করে’

‘হঠাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাথর পড়তে শুরু করে’ ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী হওয়ার কথা ছিল স্মরণীয় এক আনন্দোৎসব। হাজারও প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাস, নগর বাউল জেমসের আগমন। সব মিলিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয়েছিল উৎসবের রঙিন মঞ্চে। কিন্তু গান শুরুর আগমুহূর্তেই সেই আনন্দ বদলে যায় আতঙ্ক আর বিশৃঙ্খলায়। ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শ্রাবণ্য তৌহিদা। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন সেদিনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। শ্রাবণ্য জানান, অনুষ্ঠান তখন বেশ সুন্দরভাবেই এগুচ্ছিলো। জেমস মঞ্চে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি নিজে মঞ্চে দাঁড়িয়ে র‍্যাফেল ড্র পরিচালনা করছিলেন। ঠিক তখনই হঠাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাথর পড়তে শুরু করে।  তিনি লেখেন, হঠাৎ একটি বড় পাথর ঠিক আমার সামনেই এসে পড়ল। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু বদলে গেল। মানুষের চোখেমুখে তখন শুধুই ভয়। প্রায় ১৫ হাজার মানুষের ভিড় সামলাতে আয়োজকদের তখন হিমশিম খেতে হয়। ইটের আঘাতে অনুষ্ঠানস্থলেই অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষ আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় প্রায় তিন ঘণ্টা অনিশ্চয়তার পর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় আয়োজক কমিটি।  আয়োজক কমিটির সূত্র জানায়, এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র নিবন্ধিত প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ছিল। তবে জেমসের কনসার্টের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্কুলের বাইরে ভিড় জমান অসংখ্য অনিবন্ধিত দর্শক। ভেতরে ঢুকতে না পেরে তারা স্কুলের আশপাশে অবস্থান নেন এবং একপর্যায়ে দেয়াল টপকে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের দিক থেকে স্কুল প্রাঙ্গণ ও মঞ্চ লক্ষ্য করে শুরু হয় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ। এতে আয়োজক কমিটির আহ্বায়কসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। শ্রাবণ্য তৌহিদা আক্ষেপ করে বলেন, “শিল্পী হিসেবে তিনি ও জেমস দুজনই পারিশ্রমিক পেয়েছেন। কিন্তু হাজারও মানুষের স্বপ্নভঙ্গ আর যে মানসিক আঘাত তৈরি হয়েছে তা কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।”

বলিউডের ভাইজান সালমান খান ৬০-এ পা দিলেন

বলিউডের ভাইজান সালমান খান ৬০-এ পা দিলেন আজ বলিউডের ভাইজান সুপারস্টার সালমান খানের ৬০তম জন্মদিন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে পর্দায় রোমান্স আর অ্যাকশনের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন এই তারকা। তবে এই দীর্ঘ পথ মোটেও সহজ ছিল না তার জন্য। কখনো আকাশছোঁয়া সফলতা, আবার চরম ব্যর্থতা; প্রেম-বিরহ, বিতর্ক, আইনি জটিলতা আর সাম্প্রতিক প্রাণনাশের হুমকি মিলিয়ে সালমানের জীবন পর্দার নায়কের থেকে কম কিছু নয়। তরুণীদের কাছেও সমান জনপ্রিয় ৬০ বছরের এই ‘ব্যাচেলর’। ছবি হিট হোক বা ফ্লপ, তা তার তারকাখ্যাতিকে প্রভাবিত করে না। কারণ, তিনি সবার আদরের ‘ভাইজান’। ১৯৬৫ সালে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করলেও মুম্বাইতে সালমানের বেড়ে ওঠা। তার বাবা সেলিম খান হিন্দি ছায়াছবির দুনিয়ার খ্যাতনামা চিত্রনাট্যকার। সিনেমার আবহে ভাইজানের বেড়ে ওঠা। তবে সালমানের জীবনে তার পরিবার সবকিছু। সালমানের পারিবারিক মূল্যবোধ গভীর। ১৯৮৮ সালে ‘বিবি হো তো অ্যায়সি ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল সালমান খানের। ঠিক তার পরের বছর ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ ছবিতে ‘প্রেম’ রূপে ঝড় তুলেছিলেন তিনি। রোমান্টিক নায়ক হিসেবে রাতারাতি হয়ে উঠেছিলেন তারকা। ‘সাজন’, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’সহ একাধিক সফলতার কাহিনি লিখেছেন তিনি। মাঝে একের পর এক ফ্লপের ধাক্কায় তার ক্যারিয়ার প্রায় ডুবতে বসেছিল। ২০০৯ সালে ওয়ান্টেড সিনেমায় অ্যাকশন হিরো রূপে ধরা দেন সালমান। সালমানের ক্যারিয়ারের আবার মোড় ঘুরিয়ে দেয় ‘তেরে নাম’ ছবিটি। এরপর পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই বক্স অফিসে ঝড়। কখনো ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ হয়ে, কখনো ‘সুলতান’ রূপে, ‘চুলবুল পান্ডে’র ভূমিকায়, আবার ‘টাইগার’ হয়ে সালমান নয় থেকে নব্বই বয়সীর মন জয় করে এসেছেন। ইদানীং অবশ্য তার ছবি বক্স অফিসে সেভাবে সফলতা পাচ্ছে না। কিন্তু আজও সালমানের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বারবার প্রেমে পড়েছেন সালমান। আর তার সব প্রেমকাহিনিকে ঘিরে জন্ম নিয়েছে হাজারো বিতর্ক। সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গে তার সম্পর্ক বলিউডের প্রেমের ইতিহাসে অন্যতম এক বিতর্কিত অধ্যায়। এরপর অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বলিউডের অলিগলিতে ছিল নানা গুঞ্জন। এদিকে রোমানীয় শিল্পী ইউলিয়া ভানতুরকে ঘিরে সালমানের রোমান্সের খবর পেজথ্রিতে উঠে আসত প্রায়ই। বিয়ের প্রসঙ্গ সাধারণত এড়িয়ে চলেন সালমান। অনেক সময় রসিকতা করে এই সুপারস্টার বলেছেন, ‘ভাগ্যই সব ঠিক করে। বাইরে থেকে কঠিন মনে হলেও মানসিক দিক থেকে নরম মনের সালমান। তাই কারও বিপদ দেখলে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। প্রায়ই উঠে আসে তার সমাজসেবামূলক কাজের নানা কাহিনি।

অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের পাশে দাঁড়ালেন কিয়ারা আদভানি

অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের পাশে দাঁড়ালেন কিয়ারা আদভানি   বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের পাশে দাঁড়ালেন কিয়ারা আদভানি। মা হওয়ার পর কাজের ধরন, সময়ের সীমা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের প্রশ্নে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বলিউডের এই তারকা। সম্প্রতি ভারতীয় এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শিল্পী হিসেবে সৃজনশীলতার জন্য যেমন পরিশ্রম দরকার, তেমনি সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত সময় ও সম্মানজনক পরিবেশ। এ প্রসঙ্গে তিনি দীপিকা পাড়ুকোনের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, অতিরিক্ত চাপ দীর্ঘ মেয়াদে কারও জন্যই ইতিবাচক ফল আনে না। কিয়ারা মনে করেন, কাজের সাফল্য আর ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য একে অপরের পরিপূরক। মাতৃত্বের পর প্রথম বড় সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নতুন দায়িত্ব তাঁকে আরও সংবেদনশীল ও সচেতন করেছে। তাঁর ভাষায়, ‘মানসিক সুস্থতার ভিত্তি গড়ে ওঠে মর্যাদা, ভারসাম্য এবং পারস্পরিক সম্মানের ওপর।’ কাজের ক্লান্তি কাটাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে তিনি ঘুমের কথা বলেন, যেখানে সন্তানের হাসির শব্দ তাঁর কাছে শান্তির উৎস হয়ে ওঠে। দীপিকা পাড়ুকোনকে ঘিরে আলোচিত আট ঘণ্টা কাজের বিতর্কের পটভূমিও উঠে আসে এই আলোচনায়। কয়েক মাস আগে খবর ছড়ায়, নির্দিষ্ট সময়ের কাজের শর্তে অনড় থাকায় দীপিকাকে একটি বড় বাজেটের ছবি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে তিনি আরেকটি বহুল আলোচিত ছবির সিকুয়াল থেকেও সরে দাঁড়ান। মা হওয়ার পর নতুন মায়েদের জন্য চলচ্চিত্রে কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি তোলায় বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানান, নারী অভিনেত্রী বলেই যদি তাঁর দাবিকে বাড়াবাড়ি মনে করা হয়, তবু বাস্তবতা বদলায় না। বহু পুরুষ তারকা বছরের পর বছর সীমিত সময়সূচিতে কাজ করলেও সেটি কখনও বিতর্ক তৈরি করেনি। কিয়ারার মতে, এ আলোচনার মূল উদ্দেশ্য কারও বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর কাজের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। মাতৃত্ব ও শরীর নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়ে কিয়ারা বলেন, মা হওয়ার অভিজ্ঞতার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। শরীরকে সম্মান করাই দীর্ঘ ক্যারিয়ারের প্রথম শর্ত। কিয়ারা মনে করেন, শিল্পে টিকে থাকতে হলে পরিবার, কাজ এবং নিজের যত্নের মধ্যে সুস্পষ্ট সীমারেখা প্রয়োজন। নির্মাতা ও প্রযোজকদের সহযোগিতা পেলে শিল্পীদের কর্মক্ষমতা আরও বাড়ে। তাঁর বিশ্বাস, সুস্থ মন ও শরীরই দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের আসল চাবিকাঠি; যা আগামী দিনে বলিউডের কাজের পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এদিকে কিয়ারা সম্প্রতি ‘ওয়ার টু’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। সামনে তিনি প্যান ইন্ডিয়ান ছবি ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোনআপস’-এ যশ ও নয়নতারার সঙ্গে পর্দা ভাগ করবেন। টক্সিকে কিয়ারা অভিনীত চরিত্রের নাম নাদিয়া। ২০১৪ সালে ‘ফুগলি’ দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু করা কিয়ারা প্রায় এক যুগে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মূলধারার সফল নায়িকা হিসেবে। প্রেম, পারিবারিক গল্প, অ্যাকশন, কমার্শিয়াল ড্রামা সবখানেই তাঁর উপস্থিতি ছিল সাবলীল। কিন্তু টক্সিক যেন সেই পরিচিত বৃত্ত ভাঙার ঘোষণা। সদ্য প্রকাশ হওয়া ফার্স্ট লুক পোস্টারেই যা স্পষ্ট।

ইট নিক্ষেপ জেমসের কনসার্টে আহত ২৫

ইট নিক্ষেপ জেমসের কনসার্টে আহত ২৫ ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে সমাপনী দিনে প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী জেমসের অনুষ্ঠানটি উচ্ছৃঙ্খল জনতার হামলায় পণ্ড হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন। বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে গত শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে জিলা স্কুল চত্বরে জেমসের নগর বাউল ব্যান্ডের সংগীত পরিবেশনের কথা ছিল। জানা গেছে, জেমসের অনুষ্ঠান শুরুর আগ মুহূর্তে বহিরাগতদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে মঞ্চ দখল নেওয়ার চেষ্টা করে একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষ। পরে জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়। এরপর রাত ১০টার দিকে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ডা. মুস্তাফিজুর রহমান শামীম মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে জেমসের অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হলো। অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য বেনজীর আহমেদ তাবরিজ বলেন, নগর বাউল জেমসের গান শুনতে আসা বহিরাগত দর্শকরা গান শুনতে স্কুল ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারায় তারা বাইরে থেকে ইট ছোড়ায় জেমসের সংগীতানুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। এতে কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শামীমসহ ২৫-৩০ জন আহত হন। আহত বেশ কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং কয়েকজনকে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ায় হালকা বিশৃঙ্খলা হয়েছে। পুলিশ কাজ করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেষ পর্যন্ত পুরো পরিবেশনা বাতিল করা হয়।

আবেগঘন পোস্ট প্রয়াত বাবার স্মরণে চঞ্চল চৌধুরীর

আবেগঘন পোস্ট প্রয়াত বাবার স্মরণে চঞ্চল চৌধুরীর সময় থেমে থাকে না, কিন্তু কিছু শূন্যতা সময়ের সঙ্গেও পূরণ হয় না। ২৭ ডিসেম্বর অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর জীবনে এমনই এক নীরব, ভারী দিন। প্রিয় বাবা রাধা গোবিন্দ চৌধুরীর চলে যাওয়ার তিন বছর পূর্ণ হলো এই দিনে। বাবার স্মৃতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগে ভেজা একটি পোস্ট দিয়ে নিজের হৃদয়ের গভীর ব্যথার কথাই তুলে ধরলেন অভিনেতা। ফেসবুকে বাবার একটি ছবি শেয়ার করে চঞ্চল চৌধুরী লিখেছেন, “বাবা তিন বছর হয়ে গেলো তুমি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেছো অনন্তলোকে। তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করে খুব!!! ছুঁতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারিনা, আর পারবোও না কোনদিন!! ভালো থেকো বাবা। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধা গোবিন্দ চৌধুরী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুর আগে প্রায় দুই সপ্তাহ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। শেষ দিকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।