১৫ বছর পর ‘থ্রি ইডিয়টস’ -এর সিক্যুয়েল আসছে

১৫ বছর পর ‘থ্রি ইডিয়টস’ -এর সিক্যুয়েল আসছে বলিউডের বক্স অফিসে ঝড় তোলা সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া সে সিনেমা আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল দর্শকদের। দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার সুখবর এলো, খুব শিগগিরই মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবির সিক্যুয়েল। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিচালক রাজকুমার হিরানি নাকি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছেন। এই সিক্যুয়েলে কাস্টিংয়ে কোনো পরিবর্তন আসছে না। আগের মতোই র্যাঞ্চোর ভূমিকায় আমির খান এবং তার বিপরীতে পিয়া শাস্ত্রবুদ্ধি চরিত্রে দেখা যাবে কারিনা কাপুরকে। অন্যদিকে, র্যাঞ্চোর দুই প্রিয় বন্ধু রাজু রস্তোগি ও ফারহানের চরিত্রে ফের জুটি বাঁধছেন যথাক্রমে শরমন যোশি ও আর মাধবন। বর্তমানে চিত্রনাট্যের কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রথম ছবির শেষে নিজের বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসে র্যাঞ্চোর (আমির) সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন পিয়া (কারিনা কাপুর)। সিক্যুয়েলের গল্প সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দর্শক মহলে জল্পনা থাকলেও, এটি নিশ্চিত যে নতুন অ্যাডভেঞ্চারের মুখোমুখি হবে তিন বন্ধু। এর সঙ্গে রাজকুমার হিরানি স্পেশাল কৌতুকরসও থাকছে ছবিতে। আসন্ন এই সিক্যুয়েলকে আলোর মুখ দেখাতে আমির খানের সঙ্গে দাদাসাহেব ফালকের বায়োপিকের কাজও স্থগিত রেখেছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। জানা যায়, তিনি অনেক আগেই সিক্যুয়েলের প্ল্যান করলেও সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান। জানা গেছে, আগামী ২০২৬ সালেই পর্দায় ফিরতে চলেছেন আমির-কারিনা, শরমন-মাধবনের পুরো দল।
দেশত্যাগের আগে ওমর সানীর ভিডিও বার্তা

দেশত্যাগের আগে ওমর সানীর ভিডিও বার্তা ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। আগের মতো অভিনয়ে নিয়মিত নন। সর্বশেষ ‘ডেডবডি’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাকে। বর্তমানে তার ব্যস্ততা কাটছে নিজের ব্যবসা ঘিরে। তার পরিবারের সবাই দেশের বাইরে থাকলেও তিনি দেশে থেকেই ব্যবসা সামলাচ্ছেন। ব্যবসায়িক ব্যস্ততার মাঝেও নিজের ফেসবুক আইডিতে নানা রকম পোস্ট দিয়ে আলোচনায় আসেন এই অভিনেতা। এবার একটু বিরতি নিয়ে সৌদি আরবে গেছেন ওমর সানী। দেশত্যাগের আগে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) একটি স্ট্যাটাসে তিনি জানান, ওমরাহ পালনের উদ্দেশে গেছেন তিনি। ওমর সানী জানান, সোমবার ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতের ফ্লাইটে বাংলাদেশ বিমানে সৌদি আরবের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেছেন। এরপর প্রায় দেড় মিনিটের একটি ভিডিও আপলোড করে এই নায়ক। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘নবীর দেশ, মানবদেহের অক্সিজেনের দেশ সৌদি আরব। সেখানে পুরো টিম নিয়ে ওমরাহ পালনের জন্য যাচ্ছি। আপনারা সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন আমাদের ওমরাহ কবুল করেন। ভক্ত ও দেশবাসীর উদ্দেশে ভিডিওতে ওমর সানী বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন খুব শিগগির ফিরে আসতে পারি। আপনারা দোয়া করবেন। রেখে গেলাম বাংলাদেশকে। ফিরে পেতে চাই বাংলাদেশকে। ভালো থাকবেন সবাই।
সৌদিতে জায়েদ খান ওমরাহ পালন করতে

সৌদিতে জায়েদ খান ওমরাহ পালন করতে বহুদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সেখানে বিভিন্ন স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এরই মাঝে নতুন এক খবর দিলেন জায়েদ খান। জানালেন, প্রথমবারের মতো ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব গেছেন। গত সোমবার ৮ ডিসেম্বর ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে উড়াল দেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করে জায়েদ খান বলেন, “আপনারা সবাই জানেন, আমি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি এবং সব রোজা রাখি। অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল ওমরাহ পালন করব। অবশেষে আমার সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বাইরে রয়েছেন জায়েদ খান। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-য় নিয়মিত উপস্থাপনা করছেন। তারকাদের নিয়ে তার এই অনুষ্ঠান ইতোমধ্যে বেশ আলোচিত। রাইজিংবিডি.কম
তোপের মুখে গায়িকা নেহা কক্কর

তোপের মুখে গায়িকা নেহা কক্কর বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্কর তার একটি লাইভ স্টেজ পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি একটি কনসার্টে গান গাওয়ার সময় নেহার অঙ্গভঙ্গি এবং নিজের শরীরে পানি ঢালার একটি ভিডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ একে ‘সাহসী পারফরম্যান্স’ বললেও অনেকে একে ‘অশোভন’ ও ‘সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নেহা কক্কর লেপার্ড-প্রিন্টের একটি আঁটসাঁট পোশাকে মঞ্চে গান গাইছেন। পারফরম্যান্সের এক পর্যায়ে তিনি একটি পানির বোতল তুলে নেন এবং নিজের শরীরের উপরিভাগে ঢেলে দেন। এই দৃশ্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নেহার এই বিশেষ কোরিওগ্রাফি ঘিরেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ১ কোটির বেশি মানুষ দেখেছেন। নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় এই ঘটনায় নেটনাগরিকদের একাংশ নেহার কঠোর সমালোচনা করছেন। অনেকের মতে, একজন কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গানের চেয়ে শরীরী প্রদর্শনীতেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সমালোচকদের একজন লিখেছেন, ‘সুরের রানি থেকে এমন পর্যায়ে নেমে আসা দুঃখজনক।’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাইরাল হওয়ার নেশায় নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করছেন নেহা।’ তবে নেহার ভক্তরা বরাবরের মতোই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবলই মঞ্চের উন্মাদনা এবং আন্তর্জাতিক মানের পারফরম্যান্সের অংশ। পুরোনো বিতর্ক নেহা কক্করের এমন বিতর্কিত কাণ্ড এবারই প্রথম নয়। এর আগেও মঞ্চে বেলি ডান্স বা সাহসী অঙ্গভঙ্গি করে তিনি একাধিকবার আলোচনায় এসেছেন। যদিও বরাবরই তিনি নিজের এই ‘সাহসী’ ইমেজ বজায় রাখতে পছন্দ করেন, তবে এবারের ঘটনাটি সামাজিক রুচিবোধের প্রশ্নে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
মিশা সওদাগর শিল্পীদের দেশ ছাড়ার কারণ জানালেন

মিশা সওদাগর শিল্পীদের দেশ ছাড়ার কারণ জানালেন শোবিজের অনেক তারকা শিল্পীরাই সাম্প্রতিক সময়ে পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে। কেউ স্থায়ীভাবে সেখানেই বসবাস শুরু করেছেন, কেউ আবার দেশে এসে সীমিত পরিসরে কাজ করছেন। শিল্পীদের এই দেশ ছাড়ার প্রবণতা নিয়ে মুখ খুললেন চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির সভাপতি ও জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর। মিশা সওদাগর জানান, কাজের সংকটই তারকাদের বিদেশে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। অভিনেতার কথায়, ‘কাজ না থাকলে শিল্পীদের কী করার আছে? একসময় দিনে চার-পাঁচটা সিনেমার কাজ করেছি। সকাল ৭টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত শুটিং চলতো। এখন সেই এফডিসি প্রায় বন্ধ। যে শিল্পীরা দেশ ছেড়েছেন, তাদের কি কারও মন চাইছিল? অমিত হাসান, মৌসুমী, ইমন, আলেকজান্ডার বোসহ অনেকেই চলে গেছে। মাহিয়া মাহিও এখন যুক্তরাষ্ট্রে। কাজ থাকলে তারা কেউই যেত না। অনুষ্ঠানের নিজের কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেতা। তার পরিবার স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে। তিনিও বছরের বড় একটা সময় থাকেন সেখানে। শিল্পীদের জীবনযাত্রার চাপ নিয়ে মিশার ব্যাখ্যা, ‘শিল্পীদের কাজ থাকুক বা না থাকুক, অনেক কিছুই মেইনটেইন করতে হয়। চেহারা, পোশাক, গাড়ি, মোবাইল, ঘরের পরিবেশ- সবকিছুতেই একটা মান ধরে রাখতে হয়। আমরা কাজ করি পরিবারের জন্য, বেঁচে থাকার তাগিদে। কিন্তু কাজই যদি না থাকে, ইনকাম যদি বন্ধ হয়ে যায়, তখন একজন শিল্পী কী করবে। তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশে গেলে অন্তত স্থায়ীভাবে কাজ পাওয়া যায়, পরিবার নিয়ে টিকে থাকা যায়। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়ছেন। এটা তাদের দোষ নয়, পরিস্থিতির চাপ। মিশা সওদাগরের মতে, স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্পে কাজের পরিমাণ বাড়লেই তারকারা আবার দেশে ফিরে আসবেন।
ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বক্তব্য কান উৎসবে মেয়ের হাঁটার স্মৃতি নিয়ে

ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বক্তব্য কান উৎসবে মেয়ের হাঁটার স্মৃতি নিয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় মা-মেয়ের সেই ভাইরাল মুহূর্ত এখনো ভোলেননি ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। অনেক বছর আগে কানেই সবার মন জয় করা সেই ছোট্ট আরাধ্যার আবেগঘন স্মৃতিই আবার সামনে আনলেন ‘বিশ্বসুন্দরী’। সম্প্রতি সৌদি আরবে চলচ্চিত্র উৎসবে এসে পুরোনো দিনে ফিরে গেলেন তিনি। ঐশ্বর্য জানান, ছোট থেকে মায়ের সঙ্গে কান উৎসবে যাওয়ার কারণে আরাধ্যার কাছে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজন যেন নিজের ঘরবাড়ির মতোই পরিচিত হয়ে উঠেছিল। আরাধ্যার সেই ভাইরাল ভিডিওটির কথাও তুলে আনেন তিনি- যেখানে রেড কার্পেটে মায়ের ঠিক পাশেই হাঁটতে দেখা গিয়েছিল তাকে। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘মানুষ ভাবে, আরাধ্যার ছবি তোলার জন্যই তাকে গাউন পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদৌ তা নয়। ও তো তখন একদম ছোট্ট মেয়ে- রূপকথা পড়ে, দেখে। তাই তার কাছে ব্যাপারটা ছিল- মা কেন এমন গাউন পরে? কেন এত সাজগোজ? ফলে ও মনে করেছে, আমরা যেন রূপকথার চরিত্র! সেই কারণেই এটা তার কাছে ছিল খেলাধুলার মতো মজা। ঐশ্বরিয়ার আরও জানান, সেই সময়কার নেপথ্যের মুহূর্তগুলো ছিল ভীষণ উপভোগ্য। “আমি রেড কার্পেটের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, আর পাশে আরাধ্যা বলে চলেছে- ‘মা, এটা দেখো… ওটা দেখো।’ পুরো টিম তখন নিজের কাজে ব্যস্ত। একসময় ও আমার পাশ দিয়ে হাঁটছিল, আমি ওর হাত ধরে রেখেছিলাম। চাইছিলাম না ও দূরে চলে যাক, কারণ ও খুব আনন্দ পাচ্ছিল” বলেন তিনি। মা-মেয়ের এই স্নিগ্ধ রসায়নই পরে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। এখনো সেই মুহূর্ত স্মরণ করলে আবেগে ভেসে যান অভিনত্রেী।
৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন হৃতিক!

৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন হৃতিক! ২০০০ সালে ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমাটি মুক্তির পর রাতারাতি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যান বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশন। প্রথম ছবিতেই তার আকাশছোঁয়া সাফল্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মাত্র এক মাসের মধ্যে তার কাছে প্রায় ৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল। সম্প্রতি ভারতীয় একটি জনপ্রিয় টক শো-তে অংশ নিয়ে অভিনেতা নিজেই তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই উন্মাদনার কথাই শোনালেন। ভক্তদের ভিড় সামলাতে নাকি বাড়ির পেছনের দরজা ব্যবহার করেছিলেন হৃতিক। জানান, প্রথম সিনেমাটি সুপারহিট হওয়ার পর তার বাড়ির সামনে প্রতিনিয়ত ভক্তদের ভিড় লেগে থাকত। বিশেষ করে তরুণী ও তাদের অভিভাবকরা হৃতিকের সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকতেন। জানান, প্রতিদিন সকালে জানালার পর্দা সরালেই হৃতিক দেখতেন বাড়ির প্রধান ফটকে দীর্ঘ লাইন। ভক্তদের এই ভিড় এড়িয়ে নিজের প্রেমিকা সুজান খানের সঙ্গে দেখা করতে হৃতিককে মাঝেমধ্যে বাড়ির পেছনের দরজা ব্যবহার করতেন। সাফল্য ও ব্যক্তিগত জীবন পর্দায় সুপুরুষ চেহারা, নাচ এবং অভিনয়ের জাদুতে হৃতিক তখন ভারতীয় তরুণ প্রজন্মের কাছে ‘গ্রিক গড’ হিসেবে পরিচিতি পান। তবে সেই বিপুল জনপ্রিয়তার মাঝেই তিনি তার বাল্যবন্ধু সুজান খানের সঙ্গে প্রণয় বজায় রাখেন। ভক্তদের হৃদয় ভেঙে ২০০০ সালেই অভিনেতা সঞ্জয় খানের কন্যা সুজানকে বিয়ে করেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও তার জনপ্রিয়তায় তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
আফসানা মিমি ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারক

আফসানা মিমি ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারক আগামী বছর শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৪তম আসর। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে ১০ জানুয়ারি থেকে টানা ৯ দিন চলবে এই উৎসব। ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত উৎসবে ৯১টি দেশের প্রায় ২৬৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হবে। এরই মধ্যে উৎসবের দুটি বিভাগের জুরিবোর্ডের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমি। তিনি বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন ওমেন ফিল্মমেকার বিভাগে। নারী নির্মাতাদের নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ডকুমেন্টারি এই বিভাগে প্রদর্শিত হয়। সেরা পরিচালক, সেরা ডকুমেন্টারি ও সেরা ফিকশন নির্বাচনে কাজ করেন আন্তর্জাতিক নারী নির্মাতা, শিল্পী ও সংস্কৃতিসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত স্বাধীন জুরি প্যানেল। মিমির সঙ্গে এই প্যানেলে রয়েছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ক্রোয়েশীয় ডকু-নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মার্কোভিচ, ইরানি-অস্ট্রেলীয় নির্মাতা ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট রোনাক তাহের, ফিলিপাইনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেরাল্ডিন ভিলামিল এবং প্যারিসভিত্তিক মার্কিন শিক্ষক ও নির্মাতা ম্যারিয়ন স্ট্যান্ডেফার। উৎসবে থাকছে ‘টুয়েলভথ আন্তর্জাতিক উইমেন ফিল্ম মেকারস কনফারেন্স’। ১১ ও ১২ জানুয়ারি ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষকেরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ঘোষণা করা হয়েছে স্পিরিচুয়াল ফিল্মস বিভাগের জুরিদের নামও। এই বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের লেখক ও প্রযোজক তানভীর হোসেন, সুইজারল্যান্ডের প্রজেক্ট ম্যানেজার তেরেসা ভিনা, ব্রাজিলীয় অডিওভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট মিলিনা কোয়ারজ, জার্মান নির্মাতা দারিয়া সিলফস্টিন এবং ইরানি প্রযোজক এহসান কাভেহ। ওমেন ফিল্মমেকার ও স্পিরিচুয়াল ফিল্মসসহ মোট ১০টি বিভাগ থাকছে এবারের উৎসবে। অন্যান্য বিভাগ হলো- বাংলাদেশ প্যানোরামা, এশিয়ান সিনেমা, রেট্রোস্পেকটিভ, ট্রিবিউট, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলড্রেন ফিল্মস এবং শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মস। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তন ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তনে চলবে উৎসবের প্রদর্শনী।
কঠিন শর্তেই ভেঙেছিল অক্ষয়-শিল্পার প্রেম

কঠিন শর্তেই ভেঙেছিল অক্ষয়-শিল্পার প্রেম নব্বইয়ের দশকে বলিউডের আলোচিত তারকা জুটি অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির প্রেম ছিল অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রায়ই একসঙ্গে দেখা যেত বিভিন্ন পার্টি, রেড কার্পেট বা ফটোশ্যুটে। তাদের এই সম্পর্কের কথা জানতো দুই পরিবারও, এমনকি বিয়ের কথাও চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই বিচ্ছেদ হয় এই জুটির। সম্প্রতি অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন অক্ষয়ের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সুনীল দর্শন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি শিল্পা শেঠি ও অক্ষয় কুমারের সম্পর্ক ভাঙার কারণ তুলে ধরেন। জানান, শিল্পা শেঠির পরিবারের আরোপিত শর্তই বিচ্ছেদ ঘটায় এই আলোচিত জুটির। বলিউড ঠিকানায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুনীল জানান, তারা ছিলেন সবচেয়ে ‘সুদর্শন জুটি’, কিন্তু ভাগ্যের ভিন্ন পরিকল্পনা ছিল তাদের নিয়ে।শিল্পা শেঠির মা-বাবার দেওয়া শর্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সুনীল বলেন, ‘মা বাবা হিসেবে, তাদের মেয়ের নিরাপত্তার জন্য মা বাবার যা কিছু প্রয়োজন, সেটাই তারা চেয়েছিলেন। এটা কোনো ভুল নয়। সুনীলের কাছে তখন জানতে চাওয়া হয়, তিনি আর্থিক নিরাপত্তার কথা বলছেন কি না? উত্তরে এই পরিচালক বলেন, ‘সব ধরনের নিরাপত্তাই, সব মা-বাবা এটা চান। তাদের বিচ্ছেদের সময়ের কথা বলতে গিয়ে সুনীল বলেন, ‘এক রিশতা’ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার পরই তাদের বিচ্ছেদ হয়।
১৩ জানুয়ারি সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

১৩ জানুয়ারি সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন ঢাকার একটি আদালত। আজ রোববার ৭ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদনের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় মামলাটি করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। এতে সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া আরও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটনের বাসা থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় সালমান শাহকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই মৃত্যুকে ‘হত্যা’ হিসেবে সন্দেহ করা হয়। ওই বছরেরই ২৪ জুলাই সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী আদালতে অভিযোগ দাখিল করে অপমৃত্যুর মামলা পুনঃতদন্ত ও হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ডের আবেদন করেন। পরবর্তীতে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মামলার কোনো আসামি মারা গেলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা আইনি দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।