রেগে গিয়ে সহ-অভিনেতার গায়ে হাত তুলেন পূজা?

রেগে গিয়ে সহ-অভিনেতার গায়ে হাত তুলেন পূজা? তামিল সিনেমা ‘মুগামুড়ি’র মাধ্যমে অভিনয় জগতে আত্মপ্রকাশ করেন ভারতের দক্ষিণী অভিনেত্রী পূজা হেগড়ের। অবশ্য মডেলিংয়ে তার আগেই পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন তিনি। দক্ষিণী সিনেমা থেকে বলিউডেও জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মহেঞ্জোদরো’ সিনেমাতে হৃতিক রোশনের বিপরীতে দেখা য়ায় পূজাকে। সালমান খানের বিপরীতে ‘কিসি কি ভাই কিসি কি জান’-এও অভিনয় করেন তিনি। এই পূজাই নাকি ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বড় এক তারকাকে চড় কষান! বিতর্কের সূত্রপাত এক সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক পুরুষ সহ-অভিনেতার সঙ্গে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা নাকি প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ‘প্যান-ইন্ডিয়া’ সিনেমার শুটিং চলছিল। এতে তার সহ-অভিনেতা অনুমতি ছাড়াই পূজার ভ্যানিটি ভ্যানে ঢুকে পড়েন এবং অশোভন আচরণ করেন। আরও দাবি করা হয়, ওই ঘটনায় পূজা তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ জানান এবং পরে সিনেমার নির্মাতাদের জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে তিনি ওই অভিনেতার সঙ্গে আর কাজ করবেন না। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয় অভিনেত্রী নাকি সহ-অভিনেতাকে চড়ও মারেন। এর পরই সামাজিকমাধ্যমে পূজাকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন কেউ। আবার অনেকে সেই সহ-অভিনেতার খোঁজে বেরিয়ে পড়েন। এরপরই ইন্ডাস্ট্রির ট্র্যাকার রমেশ বালা জানান, পূজার নামে ছড়িয়ে পড়া এই সাক্ষাৎকার সম্পূর্ণ ভুয়া। তার কথায়, এই বক্তব্যের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। যাচাই না করা তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানান তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বড় বড় তারকাদের সঙ্গে কাজ করলেও সে ভাবে হিট সিনেমা নেই পূজার ঝুলিতে। সামনে থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে ‘জয়নয়াগন’ সিনেমায় দেখা যাবে পূজাকে।
আমরা অভিভাবকতুল্য একজন মানুষকে হারালাম: শাকিব খান

আমরা অভিভাবকতুল্য একজন মানুষকে হারালাম: শাকিব খান পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য, কিংবদন্তি অভিনেতা ও বিশিষ্ট নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে। প্রিয় শিল্পীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকেই। দেশের শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খান শোক প্রকাশ করে একটি পোস্ট দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। জাভেদের সাদা-কালো একটি ছবি পোস্ট করে শাকিব খান লেখেন, “চলে গেলেন চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যপরিচালক, শ্রদ্ধেয় ইলিয়াস জাভেদ। তার প্রয়াণে আমরা হারালাম শুধু একজন শিল্পীকে নয়, হারালাম একজন অভিভাবকতুল্য মানুষকেও।”শরীরিভাবে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও জাভেদ বেঁচে থাকবেন তার কর্মে। এ তথ্য উল্লেখ করে শাকিব খান লেখেন, “তিনি আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিলেও পর্দায় ও শিল্পাঙ্গনে রেখে গেছেন অসংখ্য স্মৃতি ও অবদান, যা তাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঁচিয়ে রাখবে। তার সৃষ্টিকর্ম ও অনুপ্রেরণা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।” বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জাভেদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসার ও হৃদরোগে ভুগছিলেন বর্ষীয়ান এই শিল্পী। জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী বলেন, “আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ মারাত্মক অবনতি হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। এক পর্যায়ে বাসায় রেখে চিকিৎসা চালানো হচ্ছিল। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুজন নার্স নিয়মিত এসে তাকে দেখতেন। সকালে নার্সরা এসে জানান, তার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।” ষাটের দশকে নৃত্য পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন ইলিয়াস জাভেদ। কায়সার পাশা পরিচালিত উর্দু ভাষার সিনেমা ‘মালান’–এ প্রথম নৃত্য পরিচালনা করেন তিনি। ১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়া জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে। ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমায় শাবানার বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রায় দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন জাভেদ। নব্বই দশক পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ছিলেন দর্শকপ্রিয় নায়ক। জাভেদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—মালকা বানু, অনেক দিন আগে, শাহজাদী, নিশান, রাজকুমারী চন্দ্রভান, কাজল রেখা, সাহেব বিবি গোলাম, নরম গরম, তিন বাহাদুর, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, চোরের রাজা, জালিম রাজকন্যা প্রভৃতি।
বিমানবন্দরে দুই টন সোনা ও ইমরান হাশমির ‘তাসকারি’

বিমানবন্দরে দুই টন সোনা ও ইমরান হাশমির ‘তাসকারি’ নীরজ পাণ্ডে নির্মিত নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘Taskaree : The Smugglers Web’ তাসকারি, মুম্বাই বিমানবন্দরের কাস্টমস বিভাগের ভেতরের জটিল ও রহস্যময় জগৎকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। প্রায় দুই হাজার একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিদিন লাখো যাত্রী আসা-যাওয়া করেন। সেই বিশাল ব্যবস্থার আড়ালেই সক্রিয় একটি শক্তিশালী চোরাচালান চক্র এবং তাদের মোকাবেলায় নিয়োজিত সৎ ও সাহসী কিছু কর্মকর্তার টানটান লড়াই তুলে ধরা হয়েছে সিরিজটিতে। এ বছরে মুক্তি পাওয়া সিরিজগুলোর মধ্যে আলোচনায় রয়েছে এটি। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সুপারিনটেনডেন্ট অর্জুন মীনা (ইমরান হাশমি), যিনি একসময় বরখাস্ত হওয়া কয়েকজন দক্ষ কর্মকর্তাকে নিয়ে গড়ে তোলেন একটি বিশেষ দল। তাদের লক্ষ্য—চোরাচালান সম্রাট বড়া চৌধুরী (শরদ কেলকর) পরিচালিত সুসংগঠিত অপরাধচক্রকে ভেঙে দেওয়া। এই পুরো অভিযানের তদারকিতে থাকেন অর্থমন্ত্রীর নিযুক্ত প্রতিনিধি প্রকাশ কুমার (অনুরাগ সিনহা), যাকে সবাই একজন সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তা হিসেবেই জানে। দায়িত্ব নেওয়ার পরই কুমার দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে সক্রিয় দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের শনাক্ত করে বদলি করেন। এরপর তিনি পুনরায় কাজে ফেরান তিনজন বরখাস্ত হওয়া কিন্তু বিশ্বস্ত অফিসারকে—অর্জুন মীনা, রবি গুজ্জর (নন্দীশ সান্ধু) এবং মিতালী শর্মা (অমৃতা খানভিলকর)। মীনা দলের কৌশলবিদ, রবি সাহসী ও নীতিবান ফিল্ড অফিসার, আর মিতালী দক্ষতা দেখান উচ্চমূল্যের পণ্য শনাক্ত ও দ্রুত কাস্টমস তল্লাশিতে। দলটি শুরুতে ছোট আকারে অবৈধ চালান আটকাতে থাকে। যাত্রী, লাগেজ ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তারা চোরাচালান চক্রের কাজের ধরন বোঝার চেষ্টা করে। ভেতরের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও অচেনা শক্তির কারণে প্রতিটি অভিযানই হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ। রবির গুরুত্বপূর্ণ শক্তি ছিল তার তথ্যসূত্র প্রিয়া (জোয়া আফরোজ)। প্রিয়া নিয়মিতভাবে চালানের সময়, রাহুলসহ গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের গতিবিধি এবং শেঠের ডানহাত সুরেশের ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করত। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই দলটি সফলভাবে চোরাচালানকারীদের চাল আগেভাগে বুঝে নিতে পারত। দলটি যখন একের পর এক সাফল্য পেতে শুরু করে, তখন বড়া চৌধুরী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘুষের প্রস্তাব দেয় এবং কর্মকর্তাদের পরিবারকে হুমকি দিতে শুরু করে। উত্তেজনার চূড়ান্ত মুহূর্ত আসে, যখন চৌধুরীর নির্দেশে রবি গুজ্জরকে হত্যা করা হয়। ঠিক তখনই প্রকাশ পায় ভয়ংকর সত্য—যাকে সবাই সৎ কর্মকর্তা মনে করেছিল, সেই প্রকাশ কুমার আসলে ব্যাংককে বড়া চৌধুরীর সঙ্গে গোপন চুক্তি করেছিল। অথচ পুরো সিরিজে প্রকাশকেই প্রধান হিরো মনে হবে। দ্বিতীয় এপিসোড থেকে এই সিরিজের সামনে থেকে সরতে মন চাইবে না।
স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে হিরণ
স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে হিরণ নীরবে, অনেকটা আড়ালেই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন অভিনেতা ও বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। কলকাতা থেকে দূরে, বেনারসে গিয়ে চার হাত এক হয়েছে বলে দাবি। বিষয়টি সামনে আসে যখন হিরণ নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের একাধিক ছবি শেয়ার করেন। শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, কনে হিসেবে রয়েছেন ২০১৯ সালের মিস ইস্ট ইন্ডিয়া ঋতিকা গিরি। লাল বেনারসিতে, হাতে শাঁখা-পলা ও সোনার গয়নায় সজ্জিত ঋতিকার সিঁথিতে সিঁদুর পরানোর ছবিও পোস্ট করেছেন হিরণ। নিজে পরেছিলেন হলুদ পাঞ্জাবি। পরবর্তী একটি ছবিতে রিসেপশনের ঝলকও দেখা যায়— অফ-হোয়াইট সিল্ক শাড়ি ও লাল ব্লাউজে কনে, আর কালো জ্যাকেটে বর। সামনে সাজানো কেক। তবে এই দ্বিতীয় বিয়ের খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা-র সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। পেশায় ব্যবসায়ী অনিন্দিতা একটি ক্যাফে পরিচালনার পাশাপাশি ডিজাইনার শাড়ি, গয়না ও এথনিক সামগ্রীর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কী বোঝালেন হিরণ, তিনি অন্যদের মতো নন? হিরণের শেয়ার করা বিয়ের ছবির কমেন্ট সেকশনেই এক নারীর মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়। ওই মন্তব্যে দাবি করা হয়, ডিভোর্স না নিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন হিরণ। মন্তব্যে লেখা, “তুমি এখনও আমার বান্ধবী অনিন্দিতার সঙ্গে বিবাহিত। ডিভোর্স হয়নি। কী করে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারো?” যদিও এই মন্তব্যের সত্যতা বা অভিযোগের আইনি ভিত্তি সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— আদৌ কি প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদ ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়? এই বিষয়ে অভিনেতা বা তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে, বিয়ের ছবি প্রকাশের পর যেখানে একদিকে শুভেচ্ছা বার্তা আসছে, অন্যদিকে সেখানে উঠছে গুরুতর প্রশ্নও। হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে ঘিরে তৈরি হওয়া এই বিতর্কের বাস্তব সত্য কী, তা জানতে আপাতত তাঁর স্পষ্ট বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে টলিউড ও রাজনৈতিক মহল।
৪২ বছর পর একসঙ্গে ফিরছেন রঞ্জিত-চিরঞ্জিত ও প্রসেনজিৎ!

৪২ বছর পর একসঙ্গে ফিরছেন রঞ্জিত-চিরঞ্জিত ও প্রসেনজিৎ! ১৯৮৪ সালে মুক্তি পায় অঞ্জন চৌধুরী পরিচালিত ‘শত্রু’। সেই সময় সিনেমাটি বক্স অফিসে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছিল। সেখানে একত্রে দেখা গিয়েছিল রঞ্জিত মল্লিক, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ ৪২ বছর পর রঞ্জিত মল্লিক ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সঙ্গে নতুন সিনেমার ঘোষণা করলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এত বছর পর এই ত্রয়ীকে আবারও বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়ে গেছে হইচই। রোববার (১৮ জানুয়ারি) মুক্তি পেয়েছে এসভিএফ প্রযোজিত এবং চন্দ্রাশিস রায় পরিচালিত সিনেমা ‘বিজয়নগরের হীরে’ সিনেমার ট্রেলার। এই অনুষ্ঠানেই এই বোমা ফাটালেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। জানালেন তার ইচ্ছে তিনি চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এবং রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে কাজ করবেন আবার। ট্রেলার লঞ্চের অনুষ্ঠানে যখন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি আর চিরঞ্জিত চক্রবর্তী আবার একসঙ্গে কাজ করবেন কিনা? সেই প্রশ্নের জবাবে বুম্বাদা বলেন, আমরা একটা সিনেমা করব, খুব শিগগিরই। এটা আমার অনেকদিন ধরে ইচ্ছে, আমি দীপক দা (চিরঞ্জিত চক্রবর্তী), রঞ্জিত দা একসঙ্গে সিনেমা করব। তার কথার রেশ ধরেই চিরঞ্জিত চক্রবর্তীও বলেন, হ্যাঁ, এটা অনেকদিন ধরে বলছে। প্রসঙ্গত, ২৫ বছর পর ‘বিজয়নগরের হীরে’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কাকাবাবু ফ্র্যাঞ্চাইজির এই চতুর্থ সিনেমাটি আগামী ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পাবে। সিনেমাটিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ছাড়াও থাকবেন আরিয়ান ভৌমিক, রাজনন্দিনী পাল, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, অনুজয় চট্টোপাধ্যায়, প্রমুখ।
শাকিবের সঙ্গে ছুটি কাটানোর পর থেকে মা হওয়ার গুঞ্জন, যা বললেন বুবলী
শাকিবের সঙ্গে ছুটি কাটানোর পর থেকে মা হওয়ার গুঞ্জন, যা বললেন বুবলী প্রথম সন্তান জন্মের পাঁচ বছর পেরোতেই আবারও মা হতে যাচ্ছেন ঢালিউড চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। শোবিজ অঙ্গনে যখন এমন আলোচনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই সাংবাদিকদের প্রশ্নে রহস্যময় জবাব দিলেন অভিনেত্রী। সেই কৌশলী উত্তর যেন তার মা হওয়ার গুঞ্জন আরও উস্কেই দিলো। গত বছরের শেষের দিকে ছেলেকে নিয়ে চিত্রনায়ক ও সাবেক স্বামী শাকিব খানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে শবনম বুবলী দীর্ঘ ছুটি কাটান। এরপরই প্রকাশ্যে আসে বুবলির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন। সম্প্রতি একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে সাদা পরীর লুকে হাজির হন বুবলী। অনুষ্ঠানে তার পোশাক ও হাঁটাচলার ভঙ্গিতে বেবিবাম্প স্পষ্ট হয়ে ওঠে ক্যামেরায়। তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়। অনুষ্ঠান শেষে কাজ ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি। কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে দ্বিতীয়বার মা হওয়ার বিষয়টিও। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে কৌশলে এড়িয়ে যান বুবলী। রহস্যময় ভঙ্গিতে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবেই, সেটাকে আমি সম্মান করি। সাংবাদিক ভাইয়েরা দর্শকদের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাছে পৌঁছে দেন। তবে আমার মনে হয়, যখন ঘটা করে ব্যক্তিগত কোনো প্রোগ্রাম হবে তখনই এসব বিষয় নিয়ে কথা বলা উচিত। আজ যেহেতু একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে এসেছি, তাই এই আলোচনা আপাতত থাক।’ ভুল তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ নিয়েও নিজের অসন্তোষের কথা জানান বুবলী। তিনি বলেন, ‘আমি একাধিক নিউজ দেখেছি যেখানে আমার বক্তব্য না নিয়েই লেখা হয়েছে-‘বুবলী বলেছেন’। এটা ঠিক নয়। অনেক সময় বলা হয়, ফোনে আমাদের পাওয়া যায় না। আসলে শুটিংয়ে থাকলে ফোন ধরা সম্ভব হয় না। তখন অন্তত একটি মেসেজ আশা করি। মেসেজের উত্তর না দিলে সেটার মানে আমরা আপাতত ওই বিষয়ে কথা বলতে চাইছি না। অথচ আমার সঙ্গে কথা না বলেই বক্তব্য বানিয়ে নেওয়া হয়, যা সত্যিই দুঃখজনক।’ বর্তমানে বেশ কিছু সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বুবলী। রোজার ঈদেও দেখা যাবে তার নতুন সিনেমা।
যুক্তরাষ্ট্রে মারুফের বাসায় নিজেদের সেই গানে নাচলেন অমিত-শাবনূর
যুক্তরাষ্ট্রে মারুফের বাসায় নিজেদের সেই গানে নাচলেন অমিত-শাবনূর একসময় ঢালিউডের পর্দায় নিয়মিত জুটি ছিলেন অমিত হাসান ও শাবনূর। সময়ের সঙ্গে দুজনেই এখন অভিনয়ে অনিয়মিত। শাবনূর থিতু হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়, আর অমিত হাসান বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তবে দূরত্ব সত্ত্বেও সম্প্রতি আবারও এক ফ্রেমে ধরা পড়লেন এই দুই তারকা। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিনেতা কাজী মারুফের বাসায় দেখা হয় অমিত হাসান ও শাবনূরের। সেই মুহূর্তের একটি ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি নিজের ফেসবুক থেকে প্রকাশ করেন কাজী মারুফ। সেখানে দেখা যায়, জনপ্রিয় গান ‘একদিকে পৃথিবী, আরেকদিকে তুমি যদি চাও’-এর তালে নাচছেন অমিত হাসান ও শাবনূর। শুধু নাচ নয়, অমিত হাসানের সঙ্গে শাবনূরকে গানও গাইতে দেখা যায়। পরে মারুফ ফেসবুক লাইভে এসে সেই আনন্দঘন মুহূর্তটি অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। জানা গেছে, ছেলে আইজানের ইচ্ছাতেই যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে গেছেন শাবনূর। এই সফরে দেশটিতে অবস্থানরত ঢালিউডের একাধিক তারকার সঙ্গে দেখা করছেন তিনি। কদিন আগে মৌসুমীর সঙ্গে দেখা করার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এবার কাজী মারুফের বাসায় অমিত হাসানের পাশাপাশি মাহিয়া মাহির সঙ্গেও আড্ডায় মেতে উঠতে দেখা গেল তাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে শাবনূরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে মামুন ইমন, রেসিসহ আরও কয়েকজন তারকার। তাদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আনন্দমুখর দিন পার করছেন ঢালিউডের এই সুপারস্টার। নস্টালজিয়ায় ভরা এসব মুহূর্তে ভক্তরাও ফিরে পাচ্ছেন প্রিয় তারকাদের একঝলক।
নেপালে বাংলাদেশের দুই সিনেমা

নেপালে বাংলাদেশের দুই সিনেমা ৯ম নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা। একটি শাহরিয়ার আজাদের ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’, অন্যটি ফখরুল আলমের ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’।‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’ প্রসঙ্গে শাহরিয়ার আজাদ জানান, এটি নির্মিত হয়েছে একজোড়া কবুতরকে ঘিরে, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার শৈশবের স্মৃতি। নির্মাতা বলেন, ‘যশোর জেলার ঝিকরগাছার প্রত্যন্ত এক এলাকায় আমার বেড়ে ওঠা। আমার স্বল্পদৈর্ঘ্যের মধ্যদিয়ে শৈশবের নানা অনুভূতি তুলে ধরেছি। আমার দেখা গ্রামীণ নানা ঘটনা যেমন এতে আছে, তেমনি গ্রামীণ জনজীবন, প্রকৃতি এবং ভেতরের জটিল আবেগ গল্পে প্রকাশ পেয়েছে। ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’-এ অভিনয় করেছেন এস কে শাহরিয়ার ও শাহীন হোসাইন। এদিকে, ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’ নিরীক্ষাধর্মী সিনেমা, যেখানে স্বর্গ ও পৃথিবীর মাঝামাঝি এক অদ্ভুত অবস্থানে আটকে থাকা একটি আত্মার যাত্রা দেখানো হয়। সেই আত্মা নিজের জীবনের দুটি ভিন্ন অধ্যায় ফিরে দেখে। এক অধ্যায়ে সে একজন লেখক, যে মানুষের গল্প খুঁজে বেড়ায়, অনুভূতি আর অভিজ্ঞতার ভাষা খোঁজে; অপর অধ্যায়ে সে একজন পাদ্রী- যুদ্ধবিধ্বস্ত সময়ের সাক্ষী, যে মানুষের কষ্ট, অপরাধবোধ ও স্বীকারোক্তি শুনে অভ্যস্ত। ফখরুল আলমের এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন শরিফ সিরাজ ও খালিদ হাসান। উল্লেখ্য, আগামী ২ থেকে ৬ এপ্রিল নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে এ চলচ্চিত্র উৎসব।
রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ থেকে সিনেমা, প্রথমবার জুটি চঞ্চল-পরীমণি

রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ থেকে সিনেমা, প্রথমবার জুটি চঞ্চল-পরীমণি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বনে নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘শাস্তি’। লীসা গাজীর পরিচালনায় এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও পরীমণি। চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে আগামী সোমবার। নির্মাতা জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথের গল্পকে কেন্দ্র করে কাজ হলেও এটি হুবহু পুনর্নির্মাণ নয়। বরং নতুন সময়, সমসাময়িক ভাষা ও প্রেক্ষাপটের আলোকে গল্পটিকে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা চলছে। ফলে দর্শকরা পাবেন পুরনো গল্পের নতুন রূপ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাস্তি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর মানবিক গল্প। সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক সম্পর্ক, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং নারীর নীরব আত্মত্যাগ এসব বিষয় গল্পটিকে আজও প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে। মূল গল্পে দুই ভাই- চিদাম ও দুখিরামের পারিবারিক জীবনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনি। এক তুচ্ছ ঝগড়ার জেরে দুখিরামের স্ত্রী খুন হন, আর আইনের হাত থেকে বাঁচতে চিদাম হত্যার দায় চাপিয়ে দেন নিজের স্ত্রী চন্দরার ওপর। চন্দরা নির্দোষ হয়েও দায় স্বীকার করে নেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আগে সত্য বলার সুযোগ পেয়েও নীরব থাকেন। তার এই নীরবতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ- আত্মসম্মান, বিশ্বাসভঙ্গ ও অবিচারের বিরুদ্ধে। চলচ্চিত্রটির প্রযোজনায় যুক্ত রয়েছে একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। পরিচালক ও শিল্পীরা মনে করছেন, ‘শাস্তি’ সিনেমাটি শুধু একটি সাহিত্যকর্মের রূপান্তর নয়; এটি সমকালীন সমাজে নারীর অবস্থান, নৈতিক সংকট ও মূল্যবোধের প্রশ্নকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে দর্শককে।
‘খান’ পদবি বাদ দিলেন রোজা

‘খান’ পদবি বাদ দিলেন রোজা জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান রহমান খানের ব্যক্তিজীবন আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। বিয়ের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ভেঙে গেল তার দ্বিতীয় সংসার। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রূপসজ্জাশিল্পী রোজা আহমেদের সঙ্গে তাহসানের বিচ্ছেদের খবর আগেই প্রকাশ্যে আসে। এবার সেই বিচ্ছেদের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট করলেন রোজা নিজেই। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে তাহসানের সঙ্গে তোলা সব ছবি সরিয়ে ফেলেছেন রোজা আহমেদ। শুধু তাই নয়, নিজের নামের সঙ্গে যুক্ত করা ‘খান’ পদবিটিও মুছে ফেলেছেন তিনি। একসময় তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের নাম ছিল রোজা আহমেদ খান, যা এখন পরিবর্তিত হয়ে শুধু রোজা আহমেদ হয়ে গেছে। এর আগে বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের পরও রোজার ইনস্টাগ্রামে তাহসানের সঙ্গে তোলা স্মৃতিময় ছবিগুলো অক্ষত ছিল। ফলে অনেক ভক্তই আশা করেছিলেন, হয়তো এই সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে পারে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর সেই সম্ভাবনাও কার্যত শেষ হয়ে গেল বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে রয়েছে তার নিজস্ব মেকআপ প্রতিষ্ঠান। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে। সেই সংসারে তাহসানের একমাত্র কন্যাসন্তান আইরা তাহরিম খান রয়েছে।