তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয়

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয় শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রেখে তামিল সিনেমার শীর্ষ নায়কদের একজনে পরিণত হয়েছেন থালাপাতি বিজয়। সর্বশেষ ‘থালাপাতি ৬৯’ সিনেমার জন্য ২৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’ নামে রাজনৈতিক দল গঠন করে সিনেমাকে বিদায় জানিয়েছেন এই নায়ক। রাজনৈতিক দল গঠনের কয়েক মাস পর কয়েকটি জনসভার আয়োজন করেন বিজয়। জনসভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখে অনেকের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে আপাতত প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজয়। এরই মধ্যে একজন জ্যোতিষী দাবি করলেন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয়। প্রশান্ত কিনি নামে একজন জ্যোতিষী তার ভেরিফায়েড মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন“২০৩০ সালে রাজনীতিতে সাফল্য পাবেন থালাপাতি বিজয়। ২০৩১ সালে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন তিনি। থালাপাতি বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। আগামী ৯ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি। গত ২৭ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়াম বুকিত জলিলে সিনেমাটির অডিও গান প্রকাশের আয়োজন করা হয়। বিজয়কে দেখতে এ মাঠে জড়ো হন ৯০ হাজার ভক্ত-অনুরাগী। বিজয় ঘোষণা দিয়েছেন তার শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। কিন্তু এর সঙ্গে একমত নন জ্যোতিষী প্রশান্ত কিনি। তার ভাষ্য, “জন নায়াগান’ তার শেষ সিনেমা নয়। ২০২৮-২৯ সালেও সিনেমায় অভিনয় করবেন বিজয়। তার অভিনীত শেষ সিনেমা ২০২৯ সালে রুপালি পর্দায় হিট হবে। জ্যোতিষী প্রশান্তের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন নেটিজেনরা। কেউ রসিকতা করছেন, কেউ আবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একজন লেখেন, “হ্যাঁ, ২৮/২৯ সালে আপনার পরিচালনায় বিজয় অভিনয় করবেন। কথা মনে রাখবেন। বিজয়ের এক ভক্ত লেখেন, “বুকমার্ক করে রাখলাম। আশা করি, এটা মুছে ফেলবে না। এর আগে মন্তব্য করেছিলেন, ‘বিজিটি সিরিজে কোহলি ৩টি সেঞ্চুরি করবেন।’ কিন্তু পরে সেই পোস্ট মুছে ফেলেছিলেন।” আরেকজন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে লেখেন, “আপনার ভবিষ্যদ্বাণী যদি ভুল হয়, তাহলে আপনাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া যেতে পারে? দয়া করে সেটাও ভবিষ্যদ্বাণী করে বলবেন।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

সিয়াম আহমেদ রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে

সিয়াম আহমেদ রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে বছরের প্রথম দিনেই উৎসবের আবহে ভাসছেন বিনোদন জগতের তারকারা। নতুন বছরের নতুন প্রত্যাশা আর ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করেছেন ২০২৬ সাল। এর মধ্যে ঢালিউড অভিনেতা সিয়াম আহমেদ নতুন বছরে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে আগামী দিনের ভাবনা ও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে বিগত বছরের সাফল্য ও দর্শকদের উন্মাদনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এ অভিনেতা। নতুন বছরের পরিকল্পনা ও নিজের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিয়াম আহমেদ লিখেছেন এবার নতুন চ্যালেঞ্জের পালা। নতুন বছরে আপনাদের জন্য আসছে আরও নতুন কিছু চরিত্র, আরও নতুন গল্প। অভিনেতা বলেন, আমি সিনেমায় অভিনয় করি দর্শকদের জন্যই, দর্শকের ভালোলাগা-মন্দলাগাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই নতুন বছরে এমন কিছু চরিত্র, এমন কিছু গল্পই হাতে নিয়েছি, যেখানে রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, তাই সিনেমাহলের সিটটি শক্ত করে ধরুন। পপকর্ণের বক্সটা কাছে নিয়ে রাখুন। কারণ আমি পর্দায় আগুন ধরাতে আসছি। আমার এই বড় পরিবারকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। সিয়াম আহমেদ বলেন, এই বছরটা শুরু হয়েছিল অনেক আশঙ্কা আর অনিশ্চয়তা নিয়ে। ঠিক সেই সময়ে বিনোদনের কাজটা আরও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে। মানুষকে একটু হলেও বাস্তবের চাপ থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া, কিছুক্ষণ হাসানো, কাঁদানো, কিংবা নতুন একটা জগতে নিয়ে যাওয়া। গত বছরের অন্যতম সেরা সিনেমা ‘জংলি’ প্রসঙ্গে এ অভিনেতা বলেন, ঈদে লাখ লাখ মানুষ পরিবার নিয়ে সিনেমাহলে এসেছিলেন ‘জংলি’ দেখতে। আপনারা হেসেছেন, কেঁদেছেন এবং পরম মমতায় আমাকে জড়িয়ে ধরেন। সিনেমাহলে লুকিয়ে লুকিয়ে আমি দেখেছি বাবা সন্তানকে আগলে ধরে বসে আছেন, মায়ের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। তিনি বলেন, বিশ্বাস করুন, আপনাদের সেই ভালোবাসা দেখে আমারও চোখ ভিজে উঠেছে। একজন অভিনেতার জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! এ ছাড়া শাকিব খানের তাণ্ডব সিনেমায় ‘আরমান মনসুর’ নামে এক ক্যামিও চরিত্রে দেখা গেছে সিয়াম আহমেদকে। সে প্রসঙ্গে সিয়াম লেখেন, আপনারা জনি কিংবা জংলিকে যেমন আপন করে নিয়েছেন, ঠিক তেমনই আরমান মনসুরকে দেখে বিস্মিত হয়েছেন। অল্প সময়ের একটি চরিত্রকে ঘিরে আপনারা পোস্টার, মিম, ভিডিও ম্যাশআপ এমনকি বিজিএম বানিয়ে পাঠিয়েছেন। এই ভালোবাসা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি বলেন, একজন অভিনেতা হিসেবে সবসময় নিজেকে চ্যালেঞ্জ করাই আমার লক্ষ্য। লক্ষ্য দর্শকদের জন্য ভিন্নস্বাদের চরিত্র ও নতুন গল্প নিয়ে আসা। এই বছর আপনাদের ভালোবাসা আমাকে বুঝিয়েছে, সেই চেষ্টায় আমি কিছুটা হলেও সফল হয়েছি।

এবার স্ট্রোক করলেন সংগীতশিল্পী তৌসিফ

এবার স্ট্রোক করলেন সংগীতশিল্পী তৌসিফ গত ২৯ ডিসেম্বর নিজ বাসায় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান সংগীতশিল্পী তৌসিফ আহমেদ। এতে তাঁর মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, এ সময় তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। তিন দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন এই সংগীতশিল্পী। নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে গণমাধ্যমকে তৌসিফ বলেন, ‘২৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাই। মাথায় মারাত্মক আঘাত লাগে। আমার স্ত্রী আশপাশে সবাইকে খবর দিলে প্রথমে ধানমন্ডির একটি স্থানীয় হাসপাতালে, পরে অন্য আরেকটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এক দিন লাইফ সাপোর্টে থাকতে হয়েছে। অনেক রক্ত বের হয়। মাথায় ২৭টা সেলাই পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এই শিল্পী। সে কারণে আগের মতো নিয়মিত কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তৌসিফ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এখন আগের চেয়ে ভালো আছি। তবে সামনে আরও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে প্রথমবার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তৌসিফ। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় বিশ্রামে ছিলেন এই গায়ক। ‘দূরে কোথাও আছি বসে’, ‘বৃষ্টি ঝরে যায়’, ‘এ মনের আঙিনায়’, ‘জান পাখি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে তৌসিফ আহমেদের ঝুলিতে। গায়ক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি গান লেখা, সুর করা ও সংগীতায়োজনেও সমানভাবে সক্রিয় ছিলেন। তবে শারীরিক জটিলতার কারণে গত কয়েক বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে অনেকটাই অনিয়মিত এই শিল্পী।

মুস্তাফিজ ইস্যু তোপের মুখে শাহরুখ

মুস্তাফিজ ইস্যু তোপের মুখে শাহরুখ আইপিএলের আসন্ন আসরে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়ে ভারতে ব্যাপক রাজনৈতিক তোপের মুখে পড়েছেন বলিউড বাদশা ও কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মালিক শাহরুখ খান। ৯ কোটি রুপিতে ‘কাটার মাস্টার’কে কেনার পর থেকে নায়ককে শুনতে হয়েছে ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘গাদ্দার’ তকমা। এবার শাহরুখের সমর্থনে মুখ খুলেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও একটি ইসলামিক সংগঠন। ভারত ও বাংলাদেশের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএলে অংশগ্রহণ নিয়ে ভারতের একটি মহলে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় চড়া দামে মুস্তাফিজকে দলে নেওয়ায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও বিজেপি নেতাদের নিশানায় পড়েছেন শাহরুখ। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোম সরাসরি শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বলে অভিহিত করেছেন। এমনকি শিবসেনার মতো দলগুলো মুস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার আল্টিমেটাম পর্যন্ত দিয়েছে। তাদের দাবি, মুস্তাফিজের উপার্জিত অর্থ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে। শাহরুখকে নিয়ে চলা এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে কড়া জবাব দিয়েছে কংগ্রেস। দলটির নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেত সরাসরি বিসিসিআই এবং আইসিসি প্রধান জয় শাহর দিকে আঙুল তুলেছেন। প্রশ্ন ছোড়েন, খেলোয়াড়দের ‘পুল’-এ কে এই বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের এনেছেন? বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কেনার সুযোগ করে দিয়েছেন কারা? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র জয় শাহের এই উত্তরটা দেওয়া উচিত। ক্রিকেটারদের কেনাবেচার জায়গায় বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের রাখা হল কেন? উনিই তো আইসিসি প্রধান এবং ওনার হাতেই ক্রিকেট সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত থাকে। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা মণিকম টেগোর মনে করেন, শাহরুখকে ‘দেশদ্রোহী’ বলা মানে ভারতের বহুত্ববাদকে আক্রমণ করা। বলেন, ঘৃণার দ্বারা জাতীয়তাবাদকে ব্যাখ্যা করা যায় না। এছাড়াও মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতের আধ্যাত্মিক গুরু দেবকীনন্দন ঠাকুর শাহরুখকে নিয়ে সমালোচনা করেন; আর তারই জবাব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মৌলানা সাজিদ রশিদ। বলিউড তারকার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, শাহরুখ খান একজন খেলোয়াড়কে কিনেছেন। সিনেমা ও খেলার জগতে কোনো সীমানা থাকে না। শাহরুখ ও সালমান খান সবচেয়ে বেশি সমাজসেবা করে থাকেন। তাই দেবকীনন্দন ঠাকুরের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। ৯ কোটি রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়ে কার্যত বিপাকে শাহরুখ খান ও তার দল কলকাতা নাইট রাইডার্স-কেকেআর। তবে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এও মনে করছেন, এবারের নিলামে মুস্তাফিজকে ৯ কোটিতে কেনায় এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তবে এই পুরো বিতর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি শাহরুখ খান।

‘নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক পরতে পারি’

‘নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক পরতে পারি’ জীবন আনন্দে ভরা কোনো গিফট বক্স নয়। বরং অনন্দ-বেদনার মোড়ক। মুদ্রার এপিট ওপিট নিয়েই কেটে গেছে দুই হাজার পঁচিশ। নতুন উদ্যমে কাটানোর অভিলাষ নিয়ে নতুন বছরে যাত্রা শুরু করেছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও নতুন বছর নিয়ে নানা ভাবনার কথা প্রকাশ করছেন। চিরকুট ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার শারমীন সুলতানা সুমি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ফেসবুকে একটি স্থিরচিত্র পোস্ট করে এই শিল্পী বলেন, “নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক মাঝখানে পরতে পারি। জাদুর শহরে ২০২৬ সালকে স্বাগত।” ভক্ত-অনুরাগীরা সুমির প্রশংসা করার পাশাপাশি নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। একজন লেখেন, “মির্জা গালিব আপনাকে দেখলে কবিতা রচনা করতো।” শিজুল ইসলাম লেখেন, “ছোট টিপে তোকে ভালো লাগছে। হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৬।”  রিয়াজ উদ্দিন লেখেন, “পূর্ণতা।” পরামর্শ দিয়ে রাফি লেখেন, “লাল টিপ পইরেন।” তুলতুলি লেখেন, “চাওয়াটা পূর্ণতা পাক রে।” নতুন গানের দাবি জানিয়ে আল আমিন লেখেন, “নতুন বছরে নতুন গান চাই আপু।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

একসঙ্গে ছুটিতে রাশমিকা-বিজয়, নতুন বছরের পোস্ট নিয়ে তুমুল আলোচনা

একসঙ্গে ছুটিতে রাশমিকা-বিজয়, নতুন বছরের পোস্ট নিয়ে তুমুল আলোচনা ক্ষিণী তারকা রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন নতুন নয়। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কখনো কোনো কথা বলেননি তারা। আবার পুরোপুরি অস্বীকারও করেননি। ফলে প্রতিটি নতুন ছবি ও পোস্ট ঘিরেই বাড়ছে অনুরাগীদের কৌতূহল। কিছুদিন আগে বন্ধুদের ‘গার্ল গ্যাং’ নিয়ে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে দেখা যায় রাশমিকাকে। এরপরই শোনা যায়, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের সঙ্গে তার বিয়ের দিনক্ষণ নাকি চূড়ান্ত। সেই সফরকে অনেকেই রাশমিকার ব্যাচলরেট ট্রিপ বলেও ধরে নেন। শ্রীলঙ্কা সফর শেষ না হতেই নতুন গুঞ্জন-বিয়ের আগেই নাকি বিজয়ের সঙ্গে ‘প্রি-হানিমুনে’ রোমে গিয়েছেন রাশমিকা। এই জল্পনার মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রোমে তোলা একাধিক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন রাশমিকা। একই লোকেশন থেকে ছবি শেয়ার করেন বিজয়ও। যদিও এই বিষয়ে কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। সেখানেই নেটিজেনদের চোখে পড়ে বিশেষ এক মুহূর্ত। ছবিতে বিজয়কে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে থাকতে দেখা যায় এক নারীকেই, যাকে দেখে অনুরাগীদের ধারণা-তিনি রাশমিকাই। যদিও সেই ছবিতে তাদের সঙ্গে বন্ধুরাও ছিলেন। নতুন পোস্টের ক্যাপশনে বিজয় লেখেন, ‘নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আমরা একসঙ্গে আগামী দিনে আরও অনেকটা পথ চলব। একসঙ্গে বড় হব, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেব সকলের মধ্যে। অনেকটা ভালোবাসা।’ এই বার্তাও নতুন করে আগুনে ঘি ঢালার কাজ করেছে। সিনেদুনিয়ার গুঞ্জন অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রাজস্থানে রাজকীয় আয়োজনে সাতপাক ঘুরতে পারেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা। শোনা যাচ্ছে, গোপনে তাদের বাগদানও সম্পন্ন হয়েছে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের এক রাজপ্রাসাদে পরিবার ও কাছের বন্ধুদের উপস্থিতিতে মালাবদল করবেন এই তারকা জুটি।

মেয়ের জন্য নতুন বছরে যে সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া

মেয়ের জন্য নতুন বছরে যে সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া ২০২২ সালে মা হওয়ার পর খুব বেশি বিরতি নেননি বলিউড তারকা আলিয়া ভাট। সে সময় ‘রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি’ সিনেমার শুটিং চলছিল। মা হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই আবার শুটিংয়ে ফিরেছিলেন তিনি। এরপরও টানা কাজ করে গেছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে তার মেয়ে রাহার বয়স তিন বছর। তবে এবার কর্মজীবনে কিছুটা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিয়া। পুরোপুরি বিরতি না নিলেও কাজের সংখ্যা কমানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক ঘোষণায় অভিনেত্রী জানান, বছরে একটি ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মা হওয়ার পর মেয়েকে সময় দেওয়ার তাগিদ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান আলিয়া। এ বিষয়ে আলিয়া ভাট বলেন, ‘আগে বছরে একসঙ্গে তিনটি করে সিনেমা করতাম, সেটাই স্বাভাবিক মনে হতো। এখন মা হওয়ার পর জীবনের গতি অনেকটাই ধীর করেছি।’ এখন আর বছরে একাধিক সিনেমাতে কাজ করার প্রয়োজন বা তাগিদ অনুভব করেন না বলেও জানান তিনি। বর্তমানে আলিয়ার হাতে দুটি সিনেমার কাজ রয়েছে। একটি ‘আলফা’, অন্যটি ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। ‘আলফা’ সিনেমায় বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। এই ধরনের চরিত্র ও কাজেই বর্তমানে আগ্রহ বেশি আলিয়ার। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন শর্বরী ওয়াঘ ও ববি দেওল। অন্যদিকে সঞ্জয় লীলা ভানসালীর পরিচালনায় নির্মিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায় আলিয়ার সঙ্গে দেখা যাবে রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশলকে। সিনেমাটি ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও এখন শোনা যাচ্ছে, মুক্তির তারিখ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।  

এখনো হাসপাতালেই অভিনেতা তিনু করিম, অর্থকষ্টে পরিবার

এখনো হাসপাতালেই অভিনেতা তিনু করিম, অর্থকষ্টে পরিবার অভিনেতা তিনু করিমের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। টানা ২৩ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ২৬ ডিসেম্বর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তাকে কেবিনে স্থানান্তরের কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতার স্ত্রী হুমায়রা নওশিন। হুমায়রা নওশিন বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। চার দিন আগে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে। গতকাল তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে দেওয়ার হয়েছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে ব্যয়বহুল চিকিৎসার কারণে আর্থিক সংকটে পড়েছে তিনু করিমের পরিবার। এখন পর্যন্ত ছোট পর্দার অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অ্যাক্টরস ইকুইটি’ থেকে এক লাখ টাকা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন তারা। তবে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে আরও অনেক টাকার প্রয়োজন রয়েছে।হুমায়রা নওশিন বলেন, ‘সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অ্যাক্টরস ইকুইটি থেকে আমরা সহায়তা পেয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত যে বিল এসেছে এবং সামনে যে খরচ আসবে তাতে আরও অনেক টাকার প্রয়োজন।’ গত ৮ নভেম্বর বরিশালে গ্রামের বাড়িতে যান তিনু করিম। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে ২৪ নভেম্বর তাকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। অবস্থার সাময়িক উন্নতি হলে তাকে কেবিনে নেওয়া হলেও পরে রক্তচাপ ও সুগার লেভেল কমে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারান। এরপর পুনরায় আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং ৩ ডিসেম্বর বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। দুই দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনু করিম। ২০০১ সালে ‘সাক্ষর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে তার। পরে ২০১০ সালে ‘অপেক্ষা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। এরপর ‘রাত জাগা ফুল’, ‘আলতা বানু’সহ অসংখ্য নাটক ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন তিনি।

প্রকাশ্যে আসলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের তারিখ

প্রকাশ্যে আসলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের তারিখ দক্ষিণী সিনেমার দুই সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের ভালোবাসাকে পরিণয়ের মোড়কে বাঁধছেন। গত অক্টোবরে হায়দরাবাদে বিজয়ের বাড়িতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের উপস্থিতিতে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। যদিও বাগদানের কোনো ছবি প্রকাশ্যে আসেনি, দুজনের আঙুলে থাকা এনগেজমেন্ট রিং থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়। বিজয়ের টিম ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল, বাগদান সম্পন্ন হয়েছে এবং বিয়ে হবে ২০২৬ সালে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরের একটি ঐতিহাসিক রাজকীয় প্রাসাদে অনুষ্ঠিত হবে এই তারকাবহুল বিয়ে। অনুষ্ঠান হবে একান্ত ব্যক্তিগত, যেখানে উপস্থিত থাকবেন শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা। তবে বিয়ের পরপরই হায়দরাবাদে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য আলাদা উদযাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। সম্প্রতি রাশমিকার ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমার সাফল্য উদযাপনে দুজনের প্রকাশ্য ভালোবাসার মুহূর্ত দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। একটি অনুষ্ঠানে বিজয় রাশমিকার হাত ধরে চুম্বন করেন এবং রাশমিকা মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকান, যা তৎক্ষণাৎ আলোচনার জন্ম দেয়। উল্লেখ্য, রাশমিকার জীবনে এটি দ্বিতীয়বারের মতো বাগদান থেকে বিয়ের পথে এগোনো। ২০১৭ সালে অভিনেতা রক্ষিত শেঠির সঙ্গে তার বাগদান হয়েছিল, যা ২০১৮ সালে ভেঙে যায়। বিজয় ও রাশমিকার বয়সের ব্যবধান সাত বছর, রাশমিকার জন্ম ১৯৯৬ সালে এবং বিজয়ের ১৯৮৯ সালে। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের দক্ষিণী শোবিজের সবচেয়ে আলোচিত ও প্রতীক্ষিত বিয়ের তালিকায় এই জুটির নাম শীর্ষে থাকবে।

দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন সালমা

দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন সালমা জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ তারকা মৌসুমি আক্তার সালমার দাম্পত্য জীবনে আবারও ছেদ পড়েছে। দীর্ঘ সাত বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে আলাদা হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিচ্ছেদের বিষয়টি জানান তাঁর স্বামী আইনজীবী সানাউল্লাহ নূর সাগর। পরে নিজেও বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সালমা। সালমা জানান, ‘হ্যাঁ, আমাদের বিচ্ছেদ হয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়। বিষয়টি নিয়ে এখন আর কিছু বলতে চাই না।’ বিচ্ছেদের পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই জনপ্রিয় শিল্পী জানান, ব্যক্তিগত জীবনের অধ্যায় পেছনে ফেলে এখন তিনি পুরোপুরি গানেই মনোযোগ দিতে চান। তাঁর ভাষায়, ‘এখন শুধু গানে মনোযোগ দিতে চাই। বিচ্ছেদ নিয়ে ভাবতে চাই না। ভালো ভালো গান গাইতে চাই।’ অন্যদিকে সানাউল্লাহ নূর সাগর তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে পারস্পরিক মতের অমিল ও মানসিক দূরত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘কণ্ঠশিল্পী সালমার সঙ্গে আমার দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছি। পারস্পরিক মতের অমিল, চিন্তা ও মানসিকতার দূরত্বই আলাদা হওয়ার কারণ। পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি, এ বিষয়ে সবাই নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকবেন।’ ‘ক্লোজ-আপ ওয়ান-তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন সালমা খুব অল্প সময়েই সংগীতাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। লোকগান ও আধুনিক গানের সমান জনপ্রিয় এই শিল্পী ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেছিলেন। তবে সেই সংসারের বিচ্ছেদ হয় ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূর সাগরের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সালমা। কিন্তু সাত বছরের সাজানো সেই সংসারও শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হলো না।