মার্কিন মুলুকে মুখোমুখি বরিশালের দুই তারা

মার্কিন মুলুকে মুখোমুখি বরিশালের দুই তারা নাটক-সিনেমায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের মুন্সিয়ানা দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছেন বরেণ্য অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ। নির্মাতা হিসেবেও তার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অন্যদিকে, চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ জায়েদ খান। অভিনয়ের পাশাপাশি শিল্পী সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। মজার ব্যাপার হলো—এই দুই তারকা বরিশাল অঞ্চলের মানুষ। তানিয়া আহমেদের জন্ম পটুয়াখালীতে, আর জায়েদ খানের শৈশব-কৈশোর কেটেছে পিরোজপুরে। সেই বরিশালের দুই তারকাই এবার মুখোমুখি হয়েছেন সাত সাগর তেরো নদীর ওপারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। জায়েদ খানের উপস্থাপনায় নির্মিত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সেলিব্রিটি টক শো– ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এর দ্বিতীয় সিজনের প্রথম পর্বে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন তানিয়া আহমেদ। প্রথম সিজনে ১২টি পর্ব প্রচারিত হওয়ার পর অল্প সময়েই অনলাইন দর্শকদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে অনুষ্ঠানটি। বিশেষ এই পর্বে উপস্থাপক জায়েদ খানের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় তানিয়া আহমেদ তুলে ধরেছেন তার দীর্ঘ অভিনয়জীবনের গল্প, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কাজের নেপথ্যের নানা কথা এবং কিছু অজানা মুহূর্ত। খোলামেলা আলোচনা, আন্তরিক কথোপকথন আর তারকাখচিত উপস্থিতিতে পর্বটি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, অনুষ্ঠানটি আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ঠিকানা ডিজিটালের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান জায়েদ খান। একই বছরের আগস্ট মাসে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হওয়ায় তিনি আর বাংলাদেশে ফিরেননি। মাতৃভূমিতে ফেরার আগ্রহ থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই শুরু করেছেন ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়।
ঈদ চমকে তৌসিফের সঙ্গী তানজিন তিশা

ঈদ চমকে তৌসিফের সঙ্গী তানজিন তিশা ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তারা অনেক নাটকেই জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন। বিজ্ঞাপনেও দেখা গেছে তাদের। ঈদুল ফিতরে চমক হিসেবে জুটি বাঁধছেন তৌসিফ-তিশা। সম্প্রতি দুজনেই যোগ দিয়েছেন দেশের স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে। প্রচারেও অংশ নিচ্ছেন তারা। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রতিষ্ঠানটির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন তৌসিফ ও তিশা। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির, পরিচালক তানজিনা আনোয়ার কবির ও এ্যাড সাইনের স্বত্বাধিকারী জহিরুল ইসলাম। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তৌসিফ মাহবুব অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, স্টেপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পারা আমার জন্য গর্বের। এটি কেবল কোনো চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক নয়; আমি এর মান, সততা ও সম্ভাবনায় বিশ্বাস করি। স্টেপ স্বাচ্ছন্দ্য, আত্মবিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতিচ্ছবি। তানজিন তিশা বলেন, স্টেপ একটি আধুনিক, আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্বাসযোগ্য দেশীয় ব্র্যান্ড। প্রতিটি পণ্যে গুণগত মান ও নান্দনিকতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন রয়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত যে এমন একটি ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারছি। আয়োজনে স্টেপ ফুটওয়্যারের ভিশন, ঈদকালীন নতুন কালেকশন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবনী কার্যক্রম নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির বলেন, গ্রাহকদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা এবারের ঈদে নিত্যনতুন ডিজাইনের মানসম্মত, আধুনিক ও ট্রেন্ডি ফুটওয়্যার উপহার দিতে প্রস্তুত। ফ্যাশন এবং স্বাচ্ছন্দ্যের এই সমন্বয় সব বয়সের ক্রেতাদের মন জয় করবে। সেটি বিবেচেনা করেই সময়ের দুই স্টাইলিস্ট তারকা তৌসিফ মাহবুব ও তানজিন তিশাকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছি।
প্লেব্যাক ছেড়ে দিচ্ছেন অরিজিৎ সিং!

প্লেব্যাক ছেড়ে দিচ্ছেন অরিজিৎ সিং! প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অরিজিৎ সিং। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৮ বছর বয়সী এই শিল্পী। ব্যাটল অব গালওয়ান ছবির সাম্প্রতিক গান ‘মাত্রুভূমি’ মুক্তির কয়েক দিনের মধ্যেই তার এই ঘোষণা সংগীতাঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পোস্টে অরিজিৎ সিং লেখেন, ‘সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এত বছর ধরে শ্রোতারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এখন থেকে আমি আর প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে কোনো নতুন কাজ গ্রহণ করব না। এই অধ্যায় এখানেই শেষ করছি। এটি ছিল এক অসাধারণ যাত্রা, আর ঈশ্বর আমার প্রতি সত্যিই দয়ালু ছিলেন। তবে প্লেব্যাক থেকে অবসর নেওয়া মানেই সংগীতজগৎ থেকে বিদায় নয়, এ কথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। অরিজিৎ লিখেছেন, ‘আমি গান গাওয়া বন্ধ করছি না। ভালো সংগীতের একজন অনুরাগী হিসেবে আরও শিখতে চাই, নিজের মতো করে আরও কিছু করতে চাই। এখনও কিছু প্রতিশ্রুতি বাকি রয়েছে, সেগুলো পূরণ করব। তাই ২০২৬ সালে আমার কিছু গান মুক্তি পেতে পারে।’ উল্লেখ্য, অরিজিৎ সিংয়ের কোনো অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট নেই। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকেই এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পোস্টটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই অনুরাগীদের মধ্যে আবেগের ঢেউ বয়ে যায়। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার অনেকেই তার এই সাহসী সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন। ২০১৩ সালে আদিত্য রায় কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত ‘আশিকি টু’ সিনেমার কালজয়ী গান ‘তুম হি হো’ দিয়ে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান অরিজিৎ সিং। এর আগে তিনি বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ দিয়ে শ্রোতাদের নজর কাড়েন। পরবর্তীতে একের পর এক চার্টবাস্টার গানের মাধ্যমে তিনি বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য কণ্ঠে পরিণত হন। ‘এ দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘হাওয়ায়েঁ’, ‘আপনা বানা লে’, ‘সাজনি’, ‘ভে মাহী’, ‘গেহরা হুয়া’, কিংবা সাম্প্রতিক ‘ঘর কাব আওগে’ প্রতিটি গানে নিজের আলাদা স্বাক্ষর রেখে গেছেন অরিজিৎ।
এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি : আলিয়া ভাট

এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি : আলিয়া ভাট সড়ক দুর্ঘটনার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আজও আলিয়া ভাটকে নাড়া দেয়। গাড়ির পেছনের আসনে বসলেও তিনি নিয়মিত সিটবেল্ট পরেন। রাস্তায় চলাচলের সময় এক ধরনের ভয় কাজ করে তার মধ্যে। কারণ, একটি দুর্ঘটনাই একসময় তার খুব কাছের একজনকে কেড়ে নিয়েছিল। সম্প্রতি ভারতের একটি সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেন আলিয়া ভাট। সেখানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও ভিকি কৌশল। অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের একটি বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। আলিয়া জানান, মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি তার ন্যানিকে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারান। ওই নারী তার দেখাশোনা করতেন এবং পরিবারের সদস্যের মতোই ছিলেন। আলিয়ার ভাষায়, তিনি শুধু ন্যানি নন, দিদির মতো একজন মানুষ ছিলেন।ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে আলিয়া বলেন, তার ন্যানি একদিন সঙ্গীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে মন্দিরে যাচ্ছিলেন। সঙ্গীর মাথায় হেলমেট থাকলেও ন্যানির মাথায় হেলমেট ছিল না। পথে একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি ছিটকে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।এই ঘটনা আলিয়ার মনে গভীর প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন আতঙ্কে ভুগেছেন তিনি। পরিবারের সবাই তখন নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্ক হয়ে ওঠে। আলিয়ার মা তাকে নিয়ে সব সময় চিন্তিত থাকতেন। এমনকি গাড়িচালককে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল- সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালালে চাকরি থাকবে না। আলিয়া জানালেন, এখন নিজে মা হওয়ার পর সেই সময়কার উদ্বেগ, ভয় আর নিরাপত্তার গুরুত্ব আরও ভালোভাবে বুঝতে পারছেন তিনি। বলেন, ‘এখন নিজে মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি।’ আলিয়া ভাট এখন তার জীবনের এক নতুন অধ্যায় পার করছেন। একদিকে যেমন তার পেশাগত ব্যস্ততা, অন্যদিকে তিনি তার মেয়ে রাহার মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করছেন। এর আগে আলিয়া বলেছিলেন, মেয়ের জন্মের পরেই আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসি যে, মেয়েকে কখনো একা ছাড়ব না । রাহাকে কখনও আমি দেখব, কখনও রণবীর। যার যখন কাজ থাকবে, অন্যজন ছুটি নিয়ে আমরা সন্তানের কাছে থাকব।
প্রকাশ্যে তীব্র অপমান, স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা

প্রকাশ্যে তীব্র অপমান, স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা দীর্ঘদিনের স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব, কিন্তু সেই সম্পর্ক ভাঙতে সময় লাগল না এক মুহূর্ত। বলিপাড়ার ইনফ্লুয়েন্সার ওরহান আত্রামানি ওরফে ওরির সাথে সব সম্পর্ক শেষ করে দিলেন সাইফ আলি খানের কন্যা সারা আলি খান। প্রকাশ্যে সারার ক্যারিয়ার ও পরিবার নিয়ে ওরির অপদস্থকর মন্তব্যের জেরে এই বিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার শুরু ওরির একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সেখানে তিনি সারা আলি খান, তার মা অমৃতা সিং এবং ভাই ইব্রাহিম আলি খানের চর্চিত প্রেমিকা পলক তিওয়ারিকে উদ্দেশ্য করে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। ওরি জানান, এই তিনটি নাম তার কাছে অত্যন্ত অপছন্দের। এমন প্রকাশ্য অপমানের পর কোনো কথা খরচ না করেই ওরিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করে দেন সারা ও ইব্রাহিম। বন্ধুত্বে ফাটল ধরার পর ওরি আরও এক ধাপ এগিয়ে সারাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন; সেটাও ভীষণ ন্যাক্কারজনকভাবে! আরেক রিল ভিডিওয় ওরিকে দেখা যায় কালো নেটের গেঞ্জিতে স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে ভিতরে থাকা সাদা ব্রা এবং তার স্ট্র্যাপ। এই ইনফ্লুয়েন্সারের এমন উদ্ভট সাজপোশাক দেখে একজন প্রশ্ন ছোড়েন, ওই অন্তর্বাসে ঠিক কী ধরে রেখেছেন আপনি? আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই অযাচিতভাবে সারা আলি খানের নাম উল্লেখ করে বসেন ওরি। বলেন, আমার এই অন্তর্বাসে সারার ক্যারিয়ারের হিট ছবিগুলো ধরে রেখেছি। ওরির এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যে নেটিজেনদের মাঝেও তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে। এদিকে সারার এতসব অপমানের পরেও সরাসরি কোনো তর্কে জড়াননি নবাবকন্যা। তবে সিনেমা জগতে আসার আগে থেকেই সারা এবং ওরি একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বলিউডের যেকোনো বড় পার্টিতে তাদের একসাথে দেখা যেত।
‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মহিলাদের হেনস্তা করা হচ্ছে’

‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মহিলাদের হেনস্তা করা হচ্ছে’ ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌনী রায়ের সম্প্রতি হরিয়ানার কর্নলে স্টেজ শো করতে গিয়ে প্রকাশ্যেই শারীরিক হেনস্তারর শিকার হয়েছেন। আর এই ঘটনার প্রতিবাদে এবার সোচ্চার হয়েছেন টলিউড সুপারস্টার শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। কর্নলে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন মৌনী। সেখানে মঞ্চে ওঠার সময় একদল ব্যক্তি ছবি তোলার কথা বলে তাকে ঘিরে ধরেন। মৌনীর অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে দাদুর বয়সী দুই ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যরা অভিনেত্রীর কোমরে হাত দেন এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করেন। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন মৌনী। তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি অত্যন্ত হতাশ। মঞ্চের দিকে যাওয়ার সময় কয়েকজন কাকু এবং তাদের পরিবারের পুরুষরা আমার কোমরে হাত রেখে ছবি তুলছিলেন। বাধ্য হয়ে তাদের হাত সরাতে বললে তারা বিষয়টি সহজভাবে নেননি।’ মৌনীর এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়ে এগিয়ে এসেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে শুভশ্রী লেখেন, ‘কিছুদিন আগেই আমরা নতুন বছরের উদযাপন করেছি। ২০২৬ সালে বসবাস করছি। তবে কিছুই পাল্টায়নি। এখনও মহিলাদের হেনস্তা করা হচ্ছে। ‘তাদের ভোগপণ্য হিসাবে দেখা হয়। মৌনীকে যে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, সেটা একেবারেই কাম্য নয়। মৌনী, তুমি অত্য়ন্ত শক্তিশালী। তুমি সকল মহিলার প্রতিনিধি হয়ে তোমার সঙ্গে ঘটা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছো। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ, ভালোবাসা।’
সালমান খানের সম্পদ ও বিলাসিতার অজানা গল্প

সালমান খানের সম্পদ ও বিলাসিতার অজানা গল্প বিলাসিতা সবার কাছে এক রকম নয়। কারও কাছে বিলাস মানে পছন্দের বই কেনা, কারও কাছে আবার দামি গাড়ি বা বাড়ি। কেউ নিজের উপার্জন ব্যয় করেন সমাজসেবায়, আবার কেউ শখের বশে তৈরি করেন ব্যক্তিগত অবসরকেন্দ্র। বলিউড তারকারাও এর ব্যতিক্রম নন। শাহরুখ খানের বিলাসিতার প্রতীক তাঁর ২০০ কোটির বাড়ি ‘মান্নাত’। অন্যদিকে সালমান খান তাঁর বিলাসিতাকে দেখেন ভিন্ন চোখে। তিনি অর্জিত অর্থ ব্যয় করেছেন নিজের শখ আর পছন্দের জায়গাগুলোতে। সেই তালিকায় চোখ রাখলেই বোঝা যায়, মুম্বইয়ের ভাইজান বিলাস বলতে কী বোঝেন। শাহরুখ খানের মতো রাজপ্রাসাদ নয়, তবু সালমান খান যে বাড়িতে থাকেন সেটি মুম্বইয়ের বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট। বহু পুরোনো এই ঠিকানাতেই থাকে তাঁর পরিবার। আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার এই বাড়ি বদলানোর কোনো আগ্রহ নেই তাঁর। এখানেই প্রতিদিন ভক্তদের ভিড় জমে প্রিয় তারকার এক ঝলক দেখার আশায়। তবে এটি সালমানের সবচেয়ে দামি সম্পত্তি নয়। মুম্বইয়ের কোলাহল থেকে দূরে পানভেলে রয়েছে তাঁর ফার্মহাউস। বিস্তীর্ণ সবুজ জমি ঘেরা এই বাড়িতে রয়েছে তাঁর পোষ্যদের থাকার জায়গা এবং নিজস্ব আঁকার স্টুডিও। অবসর পেলেই এখানে সময় কাটান সালমান খান। এই ফার্মহাউসের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। সম্পত্তির বাইরেও সালমান খান এর বিলাস ছড়িয়ে আছে তাঁর ব্র্যান্ডে। বলিউডে তারকাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড চালুর চল শুরু হওয়ার অনেক আগেই সালমান খান তৈরি করেছিলেন তাঁর ব্র্যান্ড বিইং হিউম্যান। এই ব্র্যান্ড শুধু ফ্যাশন নয়, সামাজিক কাজের সঙ্গেও যুক্ত। দেশের বাইরেও এর ফ্যাশন শো হয়েছে, যেখানে হাঁটেছেন বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীরা। বর্তমানে এই ব্র্যান্ডের বাজার মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। প্রযোজনার জগতেও সালমান খান বড় নাম। তাঁর নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা সালমান খান ফিল্মস থেকে তৈরি হয়েছে বজরঙ্গী ভাইজানসহ একাধিক জনপ্রিয় ছবি। বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি ভিন্ন ধারার সিনেমাতেও বিনিয়োগ করেছে এই সংস্থা। এর বর্তমান মূল্য ৫০০ কোটিরও বেশি বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া সালমান খান এর আরেকটি বড় শখ হলো হাতঘড়ি। এই শখ নিয়ে খুব বেশি কথা না হলেও তাঁর ঘড়ির সংগ্রহের মূল্য আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে কয়েকটি ঘড়ি একেবারেই বিরল, যা শুধু তাঁর জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সালমান খানের বিলাসিতা চোখে পড়ার মতো জাঁকজমকপূর্ণ না হলেও, তাঁর শখ আর বিনিয়োগের তালিকা দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায় ভাইজানের বিলাস ভাবনার গভীরতা।
প্রথমবারের মতো অ্যাকশন ছবিতে জুটি বাঁধছেন অজয়-সঞ্জয়

প্রথমবারের মতো অ্যাকশন ছবিতে জুটি বাঁধছেন অজয়-সঞ্জয় জমজমাট অ্যাকশন থ্রিলার নিয়ে আসছেন বলিউড নির্মাতা লাভ রঞ্জন। যেখানে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্ত এবং তামান্না ভাটিয়াকে। চূড়ান্ত না হলেও আপাতত ছবিটির শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘রেঞ্জার’।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লাভ রঞ্জন বলেন, ‘রেঞ্জার’ এখন শুধুই একটি টেন্টেটিভ টাইটেল। এ ছবির জন্য উপযুক্ত একটি নাম খুঁজেছি আমরা। ছবির মুক্তি তো এখনো প্রায় ১১ মাস বাকি, তাই আশা করছি তার মধ্যেই এই নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব আমরা। একইসঙ্গে ছবির মুক্তির সময় নিয়েও স্পষ্ট করেছেন তিনি। পরিচালক নিশ্চিত করেছেন, চলতি বছরের ৪ ডিসেম্বর মুক্তির লক্ষ্যেই এগোচ্ছে ছবিটি। এই ছবির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, প্রথমবারের মতো অ্যাকশন ছবিতে জুটি বাঁধছেন অজয় ও সঞ্জয়। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তারা একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করলেও আশ্চর্যজনকভাবে কখনো অ্যাকশন ঘরানায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন লাভ রঞ্জন। তার কথায়, ২৫ বছরেরও বেশি সময়ে অজয় স্যার আর সঞ্জু স্যার অনেক ছবি একসঙ্গে করেছেন, কিন্তু কোনো অ্যাকশন ফিল্ম নয়। এটা সত্যিই অবাক করার মতো। এবার প্রথমবার তাদের অ্যাকশন ছবিতে একসঙ্গে দেখা যাবে, এটাই এই ছবির অন্যতম রোমাঞ্চকর দিক। এর আগে, এই দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে ‘মেহবুবা’, ‘হাম কিসিসে কম নেহি’, ‘অল দ্য বেস্ট’, ‘রাস্ক্যালস’ ও ‘সন অব সর্দার’-এর মতো ছবিতে। পাশাপাশি সালমন খানের ‘রেডি’ ছবিতে অতিথি শিল্পী হিসেবে কাজ করেছিলেন সঞ্জয়-অজয় এবং অজয়ের ‘রাজু চাচা’ ছবিতেও একঝলকের জন্য দেখা গিয়েছিল সঞ্জয় দত্তকে। যদিও দুজনেই আলাদাভাবে ‘এলওসি কার্গিল’, ‘ট্যাঙ্গো চার্লি’ এবং ‘ভুজ: দ্য প্রাইড অব ইন্ডিয়া’-র মতো অ্যাকশন ছবিতে অভিনয় করেছেন, তবে কোনো ছবিতেই তাদের অ্যাকশন দৃশ্যে একসঙ্গে দেখা যায়নি।
‘পাগলি লুক’ ছাপিয়ে এবার চোখ ধাঁধিয়ে দিলেন কেয়া পায়েল

‘পাগলি লুক’ ছাপিয়ে এবার চোখ ধাঁধিয়ে দিলেন কেয়া পায়েল দিন কয়েক আগেই বেশ আলোচনায় ছিলেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। একটি নাটকের শুটিংয়ে তার ‘পাগলি লুক’ বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। উস্কোখুস্কো চুল, পরনে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে মেকআপ- এমন বিধ্বস্ত লুকে অভিনেত্রী ছিলেন আলোচনা তুঙ্গে। এবার এমন আবহে নিজের চেনা ছন্দের গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিলেন অভিনেত্রী। আজ দুপুরে একগুচ্ছ নতুন ছবি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। সেখানে তাকে দেখা যায় একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে। একটি ঝকঝকে কালো বডি-ফিটিং গাউনে নিজেকে ধরা দিয়েছেন কেয়া পায়েল। পাথর বসানো নকশা করা এই পোশাকটিতে আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে উঠেছে তার বডি শেপ। প্রকাশিত ছবিগুলোতে কেয়া পায়েলকে একটি ঝকঝকে কালো বডি-ফিটিং গাউনে দেখা গেছে। পাথর বসানো নকশা করা এই পোশাকটিতে অভিনেত্রীর শারীরিক গঠন বা বডি শেপ অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে উঠেছে। হাই পনিটেইল হেয়ারস্টাইল আর হালকা মেকআপে তার এই লুক মুহূর্তেই চোখ ধাঁধিয়েছে ভক্তদের। এছাড়াও এই একগুচ্ছ ছবির মাঝে আলোচনায় রয়েছে তার বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে তোলা একটি ছবি। ধারণা করা হচ্ছে, গত ১৪ জানুয়ারি ঢাকার রেডিসন ব্লু হোটেলে যখন বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনীর জন্য আনা হয়েছিল, অভিনেত্রী তখনই এই ছবিগুলো তুলেছিলেন। কেয়া পায়েলের এই পোস্টের নিচে ভক্তরা নানারকম মন্তব্য করছেন। কজন লিখেছেন, ‘পাগলি সাজটা সেই ছিল, এইটার থেকেও বেটার’। আরেকজন ট্রফি ও অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনা করে মজার ছলে লিখেছেন, ‘কালো ড্রেস পরা ট্রফিটা আমার’। অন্যদিকে কেউ কেউ অভিনেত্রীর সেই পাগলি লুকের রেশ টেনে মজা করে বলছেন, ‘পাগলি এই ড্রেস পাইলো কোথায়!’ উল্লেখ্য, সেই আলোচিত ‘পাগলি লুক’-এর নাটকটি নিয়েই বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন কেয়া পায়েল। নাটকটির নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও এতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। ভক্তরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন পর্দায় অভিনেত্রীর এই বৈচিত্র্যময় রূপ দেখার জন্য।
এবার সিনেমায় নিশো-মেহজাবীন জুটি

এবার সিনেমায় নিশো-মেহজাবীন জুটি জুটি বেঁধে নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন অনেকবার। এবার সিনেমায় জুটি বাঁধতে চলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। নির্মাতা ভিকি জাহেদের সাসপেন্স-থ্রিলার সিনেমা ‘পুলসিরাত’-এ দেখা যাবে দুজনকে। জানা গেছে, ইতোমধ্যেই সিনেমাটির প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির অভিনয়শিল্পী, গল্প ও শুটিং-সংক্রান্ত বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। সম্প্রতি রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমা ‘দম’-এর শুটিং শেষ করেছেন আফরান নিশো। অন্যদিকে, মেহজাবীন চৌধুরী কাজ করছেন ‘ক্যাকটাস’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে। এতে তার বিপরীতে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান অভিনয় করছেন।