জোভানের নাটকীয় ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে আলোচনা

জোভানের নাটকীয় ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে আলোচনা ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। কয়েক দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে প্রেমজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। এ আলাপচারিতায় জোভান বলেন, “অভিনয় জীবনের শুরুর দিকে একটি সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম। সেই সম্পর্ক ভাঙার পর মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে শিশুর মতো কেঁদেছিলাম।”জোভান আহমেদের এই সরল স্বীকারোক্তি মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। কেবল তাই নয়, এ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় অন্তর্জালে। এ ঘটনার কয়েক দিন পর জাতি ও তার স্ত্রীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন এই অভিনেতা। তবে তার এই ক্ষমা প্রার্থনাকে ‘নাটকীয়’ বলছেন নেটিজেনরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) জোভান তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। এতে জোভান আহমেদ বলেন, “সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে আমি কিছু ভুল কথা বলেছি। আমি আজ জাতির সামনে বলতে চাই, কথাগুলো মন থেকে আসেনি। এগুলো স্ক্রিপটেড ছিল, সাজানো ছিল, এগুলো আমাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” কথাগুলো বলতে বলতেই থেমে যান জোভান। এসময় তার পাশে তার স্ত্রীকে দেখা যায়। এরপর লিখিত বক্তব্য পড়তে থাকেন জোভান। এই অভিনেতা বলেন, “আসলে একটু বেশিই বলে ফেলেছি। এতটা বলা আমার ঠিক হয় নাই।” এ পর্যায়ে লিখিত বক্তব্য থামিয়ে পাশে বসে থাকা স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়েন তিনি। তারপর স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হেসে ফেলেন। ‘সরি’ বলে পুনরায় বক্তব্যে ফিরেন জোভান। এ অভিনেতা বলেন, “এতটা বলা ঠিক হয় নাই। আমি খুবই অনুতপ্ত, লজ্জিত, সমাজের কাছে ও আমার বউয়ের কাছে। আমি আশা করছি, আপনারা সবাই এবং আমার বউ আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।” এরপর বক্তব্যের ইতি টানেন জোভান; নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, আরো কিছু আছে কি না! তারপর কাগজের দিকে তাকিয়ে দেখে বলেন, “আর কিছু নেই, সব বলেছি।” এ পর্যায়েও হেসে ফেলেন জোভান ও তার স্ত্রী। এ ভিডিও বার্তা দেখে নেটিজেনদের কেউ কেউ বলছেন, “প্রাক্তন প্রেমিকাকে নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে জোভান, স্ত্রীর চাপে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন।” তবে নেটিজেনদের বড় অংশ বলছেন, “ভিডিওটি মজা করে বানানো হয়েছে; সবই ফেক।” জোভানের স্ত্রী সাজিন আহমেদ নির্জনাও এ পোস্টে মন্তব্য করেছেন। তার বক্তব্য ভিডিওটির উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেছে। তিনি লেখেন, “হাসতে মানা করেছিলাম! সবাই বোঝে যাচ্ছে এইটা মজা করে বানানো হইছে।” তার এ মন্তব্যে রিঅ্যাকশন পড়েছে চার শতাধিক। এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জোভান আহমেদ লেখেন, “আমার বউ আমার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা, কারো এটা শিখিয়ে দেওয়ার কিছু নাই।”
বিজয়ের শেষ সিনেমা

বিজয়ের শেষ সিনেমা দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জননয়গণ’। তাই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই তার শেষ সিনেমা ঘিরে কৌতূহল তুঙ্গে। অগ্রীম টিকিট নিয়েও ছিল দর্শক উন্মাদনা। সেই উন্মাদনা আবারও বাড়িয়ে দিয়েছে শনিবার মুক্তি পাওয়া ট্রেলার। তবে মুক্তির নির্ধারিত সময়ের তিনদিন আগেও নাকি সেন্সর ছাড়পত্র পায়নি সিনেমাটি। আগামী ৯ জানুয়ারি বড় পর্দায় আসার কথা থাকলেও বড় আইনি জটিলতায় পড়েছেন নির্মাতারা। এখন পর্যন্ত সিনেমাটি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন-এর চূড়ান্ত ছাড়পত্র পায়নি। ফলে মুক্তির আগে সব জায়গায় টিকিট বুকিং খোলাও সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাজ হাইকোর্টে ‘জননয়গন’-এর প্রযোজকদের একটি আবেদন শোনা হবে। সিনেমার তামিল সংস্করণ ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত অন্য ভাষার সংস্করণগুলোও অনুমতি পাবে না। নির্মাতারা জানিয়েছেন, প্রায় এক মাস আগে পোস্ট-প্রোডাকশন শেষ করে ছবিটি সেন্সরে জমা দেওয়া হয়। ১৯ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কিছু কাটছাঁট ও সংলাপ মিউট করার পরামর্শ দেয়। এরপর থেকেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়ে। ট্রেলারে ঝড় এইচ বিনোথ পরিচালিত এ সিনেমায় বিজয়কে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। দুই মিনিটেরও বেশি সময়ের ট্রেলারে দেখা যায়, বিজয় মা-বাবা ছোট্ট শিশুকে বড় করছেন। এক মুহূর্তে ছোট্ট মেয়েটি বিস্ময়ে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি একাই পুরো ব্যাটালিয়নকে হারিয়েছেন-আপনি কি সুপারম্যান?’ বিজয় নম্রভাবে জবাব দেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ, কিন্তু মানুষ বলে আমি যা করি তা সুপার।’ বিজয়ের চরিত্রের স্বপ্ন তাঁর মেয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিক। কিন্তু মেয়েটির একটি গভীর ভয় রয়েছে, যা পরবর্তী সময় ‘অপারেশন ওএম’-এর সঙ্গে যুক্ত একটি ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে প্রকাশ পায়। এই ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খলচরিত্রে অভিনয় করা ববি দেওল। ছবির ট্রেলারে বিজয় অভিনীত চরিত্রটি রাজনৈতিকদেরও তীক্ষ্ণ সমালোচনা করে এই বলে, ‘মানুষের সেবার জন্য রাজনীতিতে প্রবেশ করার পরিবর্তে, আপনি নিরীহ জীবন লুটতে ও ধ্বংস করতে প্রবেশ করেন! মুক্তির পর থেকেই ছবিটি নিয়ে বিজয়ের ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। কেউ লিখেছেন, ‘এই বিজয়কেই চাই।’ কেউ আবার আরও সিনেমা করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিজয়কে। অগ্রীম টিকিট বিক্রির রেকর্ড ‘জননায়গন’ মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ৯ জানুয়ারি। মুক্তির আগেই বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে রীতিমতো সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাকার স্যাকনিল্ক-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রি-সেল ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ছুঁয়েছে, যার মধ্যে বিদেশি বাজার থেকেই এসেছে ২৫ কোটিরও বেশি। মালয়েশিয়ায় মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে ৫০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়, যা মালয়েশিয়ায় কোনও ভারতীয় ছবির ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুত টিকিট বিক্রির রেকর্ড। এছাড়া নর্থ আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারেও ছবিটির অগ্রিম বুকিং দুর্দান্ত চলছে। সব মিলিয়ে বিদেশে ছবিটির আয় ২৫ কোটির বেশি ছুঁয়েছে। ভারতে প্রি-সেল প্রায় ৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে কর্ণাটক থেকেই এসেছে ৪ কোটির বেশি। সবচেয়ে বড় বিষয়, এখন পর্যন্ত তামিলনাড়ু সহ ভারতের একাধিক রাজ্যে পুরোপুরি অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হয়নি। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, সীমিত সংখ্যক শো থাকলেও শুধু তামিলনাড়ুতেই সিনেমটি ইতিমধ্যেই প্রায় ১ কোটি টাকার অগ্রিম বিক্রি করে ফেলেছে। আজ (মঙ্গলবার) থেকে সব রাজ্যে ‘জননায়গন’-এর অগ্রিম বুকিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিতর্ক এর মধ্যেই আরও বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এক ঝলক দেখা একটি গুগল জেমিনি এআই লোগো। এই লোগোটি চোখে পড়া প্রায় অসম্ভব ছিল, একদম মিলিসেকেন্ডের জন্য স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে। কিন্তু তীক্ষ্ণ নজরের নেটিজেনরা সেটিও ধরে ফেলেছেন। এক্স ও রেডিটে সেই স্ক্রিনশট ভাইরাল হতেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। ‘টক্সিক’-এর সঙ্গে তুলনা কারও কারও দাবি, ‘টক্সিক’ সিনেমার পোস্টারেও নাকি এআই ব্যবহারের চিহ্ন মিলেছে। ‘জননায়াগন’ ও ‘টক্সিক’-দুটি সিনেমাই একই প্রোডাকশন হাউসের হওয়ায় দুটো ছবির ভিজ্যুয়াল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজয়ের সঙ্গে ছবিতে আছেন পূজা হেগডে, ববি দেওল, গৌতম বসুদেব মেনন, প্রকাশ রাজ ও প্রিয়মণি। সূত্র: দ্য লাইভমিন্ট ডটকম ও দ্য ওয়াল
তাসনুভা তিশা অডিশন ছাড়া নিতে পারেন সিনেমার মিটিংয়ে বলেছিলাম

তাসনুভা তিশা অডিশন ছাড়া নিতে পারেন সিনেমার মিটিংয়ে বলেছিলাম বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত পছন্দ এবং ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সিনেমার প্রস্তাব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে তিশা তার এক অদ্ভুত ভীতির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, শুটিংয়ের পরিবেশ বা লাইট-ক্যামেরার সেট ছাড়া তিনি চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করতে পারেন না। এ কারণে অডিশন দিতে গেলেই তিনি নার্ভাস হয়ে পড়েন। তার কথায়, ‘আমি তো আসলে অভিনয় শিখিনি। অডিশন দিলে আমি নিশ্চিত যে আমাকে বাদ দিয়ে দেবেন। তাই সিনেমার মিটিংয়ে বলেছিলাম, অডিশন ছাড়া নিলে নিতে পারেন। শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সম্প্রতি তাকে শাকিব খানের একটি সিনেমার জন্য অডিশন দিতে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু নিজের অডিশন ভীতির কারণে সেখানে আর অংশ নেওয়া হয়নি তার। তিশার ভাষ্যমতে, শুটিং সেটে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি না হলে তিনি সাবলীলভাবে কাজ করতে পারেন না। কাজের ব্যস্ততা নিয়ে তিশা জানান, বর্তমানে নাটক এবং মিউজিক ভিডিওর কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সুনামগঞ্জে সম্প্রতি একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিং শেষ করেছেন। এছাড়া বড় একটি প্রজেক্টের কাজ নিয়ে কথা চলছে যা আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গোপনীয়তার খাতিরে প্রজেক্টটি সম্পর্কে বিস্তারিত এখনই কিছু বলতে চাননি তিনি। তিনি জানান, কাজের ক্ষেত্রে তানভীর, নিলয় এবং আরশ এই তিন সহকর্মীর মধ্যে মজার ছলে তিনি তানভীরকে ‘কিল’, নিলয়কে ‘হুক আপ’ এবং আরশকে বিয়ের জন্য বেছে নেবেন। সহকর্মীদের সাথে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণেই কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী।
শ্রীলঙ্কায় সিয়াম-সুস্মিতা দৃশ্যের খোঁজে

শ্রীলঙ্কায় সিয়াম-সুস্মিতা দৃশ্যের খোঁজে ‘জংলি’ সিনেমার পর এবার রোজার ঈদকে সামনে রেখে নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকের সামনে আসতে প্রস্তুত হচ্ছেন সিয়াম আহমেদ। ‘রাক্ষস’ শিরোনামের এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ‘বরবাদ’খ্যাত নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়। গত মাসে দেশে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিয়ামের ফার্স্ট লুক ও অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার। নায়িকার নামও ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরকে লক্ষ্য করে পুরোদমে এগিয়ে চলছে ‘রাক্ষস’ টিম। দেশের লোকেশনে শুটিং শেষ করে এবার দৃশ্যের খোঁজে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে ইউনিট। নির্মাতা জানান, ৪ জানুয়ারি রাতে তারা শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অংশের শুটিং চলবে। বিদেশের শিডিউল শেষ করে ইউনিট ঢাকায় ফিরে বাকি দৃশ্যের শুটিং সম্পন্ন করবে। এরপর পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ শেষ করে ঈদে মুক্তির জন্য প্রস্তুত করা হবে সিনেমাটি। ‘রাক্ষস’ সিনেমায় সিয়ামের বিপরীতে অভিনয় করছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং কয়েক দিনের মধ্যেই শ্রীলঙ্কায় টিমের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০২১ সালে ‘প্রেম টেম’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক হয় সুস্মিতার। এরপর তিনি ‘চেঙ্গিজ’, ‘মানুষ’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘রাক্ষস’ দিয়েই তার ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে। গত মাসে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সুস্মিতা জানান, সিনেমাটির গল্পই তাকে অভিনয়ে আগ্রহী করেছে। তিনি বলেন, ‘নির্মাতার কাছ থেকে গল্পটি শুনে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। গল্পের কারণেই এই সিনেমায় যুক্ত হওয়া। এখানে নায়িকার চরিত্রে অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে নিজের ২০০ ভাগ দিয়ে চেষ্টা করব। ভালো একটি টিমের সঙ্গে প্রথমবার বাংলাদেশি সিনেমায় কাজ করতে পারাটা আমার জন্য বড় পাওয়া। নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় জানান, ‘বরবাদ’-এর মতোই ‘রাক্ষস’ সিনেমাতেও থাকবে ভরপুর অ্যাকশন ও ভায়োলেন্স। পাশাপাশি এতে রয়েছে একটি প্রেমের গল্প, যে প্রেমের কারণেই সিয়াম অভিনীত চরিত্রটি একসময় রাক্ষসে পরিণত হয়। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করছেন বাপ্পারাজ, আলীরাজসহ আরও অনেকে। ‘রাক্ষস’ নির্মিত হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশনের ব্যানারে।
মোস্তাফিজ ইস্যুতে সোহেল রানা ও মিশা সওদাগরের ধিক্কার

মোস্তাফিজ ইস্যুতে সোহেল রানা ও মিশা সওদাগরের ধিক্কার বিনোদন প্রতিবেদক | ঢাকা : ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি কেবল ক্রীড়াঙ্গনে সীমাবদ্ধ না থেকে ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও। এ প্রেক্ষাপটে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও ভারতীয় টেলিভিশন সম্প্রচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন ঢালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা সোহেল রানা এবং শক্তিমান অভিনেতা মিশা সওদাগর। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান অভিনেতা মাসুদ পারভেজ, যিনি সোহেল রানা নামেই অধিক পরিচিত। পোস্টে তিনি লেখেন, আমাদের টেলিভিশন যতক্ষণ ভারতে প্রচার করতে না পারবে, ততক্ষণ ভারতের টেলিভিশনও আমাদের দেশে সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে। একই দিনে দেওয়া আরেকটি পোস্টে ভারতীয় টেলিভিশন কনটেন্টের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। সোহেল রানা বলেন, ভারতীয় টেলিভিশনের বউ-শাশুড়ি ঝগড়া মার্কা নাটক আমাদের সামাজিক বন্ধনকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা মিশা সওদাগরও। রবিবার (৪ জানুয়ারি) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান। মিশা সওদাগর বলেন, মোস্তাফিজ তো আমাদের একটা প্রতীক। যারা সংস্কৃতির এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল, তাদের ধিক্কার জানাই। ক্রিকেটপ্রেমী এই অভিনেতা মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যক্তিত্ব ও ক্যারিয়ারের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মোস্তাফিজ একজন অসাধারণ ক্রিকেটার। বাংলাদেশে মাশরাফির পর এত দীর্ঘ সময় ধরে এত ঐশ্বর্যমণ্ডিত ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছে, অথচ তার চোখে অহংকারের কোনো চিহ্ন নেই। রাজনীতি ও সংস্কৃতির সংঘাত প্রসঙ্গে মিশা সওদাগর আরও বলেন,শিল্প ও ক্রীড়া হওয়া উচিত উন্মুক্ত। এখানে রাজনীতির কোনো জায়গা নেই। রাজনীতি বা উগ্রতার কারণে যারা সংস্কৃতিকে ছাড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করল, তাদের এই কাজ খুবই দুঃখজনক ও কুরুচিপূর্ণ। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এ সিদ্ধান্ত নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, মোস্তাফিজের মতো একজন তারকাকে এভাবে বাদ দেওয়া শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের জন্যই একটি নেতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, আসন্ন আইপিএলের জন্য রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। তবে মৌলবাদী হিন্দু গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে কেকেআরের মালিক শাহরুখ খান ও টিম ম্যানেজমেন্টকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ জানুয়ারি ‘নিরাপত্তা ইস্যু’ দেখিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কেকেআরকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই দেশে-বিদেশে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা।
ঈদে বড়পর্দায় ফিরছেন শাকিব-অপু, তবে আলাদা সিনেমায়

ঈদে বড়পর্দায় ফিরছেন শাকিব-অপু, তবে আলাদা সিনেমায় বিনোদন প্রতিবেদক | ঢাকা, ঢাকাই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে আলোচিত জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ঈদের বড়পর্দায় ফিরছেন এই দুই তারকা। তবে এবার একসঙ্গে নয়, আলাদা আলাদা সিনেমায় দেখা যাবে তাদের। চলতি বছরের ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রোজার ঈদে শাকিব খান হাজির হচ্ছেন ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ সিনেমা নিয়ে। ছবিটি নির্মাণ করছেন আবু হায়াত মাহমুদ। গত বছরের জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সময় জানানো হয়েছিল, সিনেমাটি ২০২৬ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাবে। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে ছবিটির শুটিং চলছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে শাকিব খানের। এই সিনেমায় শাকিব খানকে দেখা যাবে নব্বইয়ের দশকের এক গ্যাংস্টার চরিত্রে। তার বিপরীতে অভিনয় করছেন তাসনিয়া ফারিণ, যার নাম গত ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন অভিনেতা এজাজুল ইসলাম। নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ জানান, ভারতের ভিসা জটিলতার কারণে আপাতত দেশের মধ্যেই শুটিং শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাজ থামিয়ে না রাখতে দেশেই শুটিং শুরু করেছি। আশা করছি দ্রুত ভিসা সমস্যার সমাধান হবে। অনুমতি পেলেই নির্ধারিত লোকেশনে দুই দেশের শিল্পীদের নিয়ে শুটিং করা হবে।’ শিগগিরই সিনেমাটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের অংশের শুটিং শেষ হলে পুরো ইউনিট শ্রীলঙ্কায় যাবে, যেখানে ছবির বড় একটি অংশের শুটিং হবে। অন্যদিকে, শাকিব খানের সাবেক সহশিল্পী ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও ফিরছেন বড়পর্দায় নতুন রূপে। নির্মাতা কামরুল হাসান ফুয়াদের পরিচালনায় থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘দুর্বার’-এ অভিনয় করছেন তিনি। নতুন বছর উপলক্ষে ইতোমধ্যেই প্রকাশ পেয়েছে ছবিটির প্রথম পোস্টার, যেখানে রক্তমাখা মুখ ও রহস্যময় লুকে দেখা গেছে অপু বিশ্বাসকে। এটি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একেবারেই ভিন্ন ধরনের চরিত্র বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ‘দুর্বার’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সজল। নির্মাতা কামরুল হাসান ফুয়াদ বলেন, ‘দর্শকরা এই ছবিতে অপু বিশ্বাসকে একেবারেই নতুন রূপে দেখতে পাবেন। এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং চরিত্র।’ জানা গেছে, ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রায় ৪০ শতাংশ শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৩ সালের পর বড়পর্দায় নিয়মিত দেখা না গেলেও ২০২৬ সালের ঈদে ‘দুর্বার’ দিয়ে অপু বিশ্বাসের জোরালো প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। নতুন সহশিল্পী সজলকে নিয়ে সন্তুষ্ট অপু বিশ্বাসও তার অভিনয় ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। সব মিলিয়ে আসন্ন ঈদে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দুজনেরই নতুন সিনেমা ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে।
আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক বলিউডের ‘গ্রিক গড’ হিসেবেই তাকে চেনে গোটা দুনিয়া। সেই হৃতিক রোশনের ভেতরে যে লুকিয়ে আছে এক চতুর্থাংশ বাঙালি সত্তা তা ফের সামনে আনলেন অভিনেতা নিজেই। নতুন বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে নিজের শিকড়ের গল্প শেয়ার করে আবেগে ভাসালেন ভক্তদের। গ্রিক দেবতার মতো চেহারা, সুঠাম শরীর আর অনন্য অভিনয় দক্ষতা, এই সব গুণেই গত আড়াই দশক ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়ক হৃতিক রোশন। তবে এবার আলোচনায় তার সিনেমা নয়, বরং শিকড়ের টান। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার করা কয়েকটি ছবির ক্যাপশনে হৃতিক লিখেছেন, ‘বোধহয় এভাবেই আমার ভেতরের ২৫ শতাংশ বাঙালি রক্ত বইছে।’ এই এক লাইনের স্বীকারোক্তিতেই যেন খুলে গেল তার পারিবারিক ইতিহাসের এক আবেগঘন অধ্যায়। হৃতিকের বাঙালি পরিচয়ের মূল সূত্র তার দাদি ইরা রোশন। বিয়ের আগে যার নাম ছিল ইরা মৈত্র। তিনি কলকাতার মেয়ে। মাত্র বিশ বছর বয়সে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে গান গাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কলকাতা ছাড়েন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে পরিচয় হয় কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রোশন লাল নাগরথের সঙ্গে। সেই পরিচয়ই পরে রূপ নেয় আজীবনের বন্ধনে। সংগীতের সেই উত্তরাধিকার আজও হৃতিকের চলন, ছন্দ আর শিল্পীসত্তায় যেন নীরবে প্রবাহিত। পরিবারে ইরা রোশন ছিলেন একেবারে বটগাছের মতো। হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশনের ডাকনাম ছিল ‘গুড্ডু’। সেই নাম থেকেই আদরের নাতির নাম রাখেন ‘ডুগগু’। মুম্বাইয়ের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও দাদি নাতিকে বড় করেছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির আবহে। হৃতিক তাকে ডাকতেন ‘ঠামি’। পিয়ানো বাজানো শেখা থেকে শুরু করে মাছের ঝোল দিয়ে ভাত মেখে খাওয়া হৃতিকের শৈশব জুড়ে ছিল বাংলার ঘ্রাণ। হৃতিকের জীবনে জানুয়ারি মাস সবসময়ই বিশেষ। এই মাসেই তার জন্মদিন, এই মাসেই মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ছবি ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’। আশ্চর্যের বিষয়, তার জীবনের প্রথম মঞ্চ পরিবেশনাও হয়েছিল কলকাতায়। ২০০৫ সালে দাদি ইরা রোশনের প্রয়াণ হলেও, তার স্মৃতি আজও হৃতিকের হৃদয়ে অমলিন। বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলেই নাকি তার রক্ত চনমন করে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই ক্যাপশন তাই শুধু একটি বাক্য নয়- এক নাতির পক্ষ থেকে তার ‘ঠামি’র প্রতি গভীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার প্রকাশ। ৫২ বছরে পা রেখেও হৃতিক বুঝিয়ে দিলেন, তিনি যত বড় তারকাই হোন না কেন, তার হৃদয়ের এক কোণে আজও জ্বলজ্বল করে সেই বাঙালি শিকড়।
দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায়

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায় বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। ‘মাস্তানি’খ্যাত এ অভিনেত্রী ক্যারিয়ারে অনেক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ৪০ বছর পূর্ণ করে একচল্লিশে পা দিতে যাচ্ছেন। বিশেষ দিন উপলক্ষে চলুন আরো একবার জেনে নিই, দীপিকার জানা-অজানা পাঁচ অধ্যায়— এক. দীপিকা পাড়ুকোনের বাবা-মা ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বসবাস করতেন। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন দীপিকা। তার জন্মের কিছুদিন পরই দীপিকা পাড়ুকোনের পরিবার ভারতের বেঙ্গালুরুতে চলে আসে। দুই. দীপিকা পাড়ুকোন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। কেবল অসাধারণ অভিনেত্রীই নন, বরং একজন জাতীয় স্তরের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ও। তার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনে একজন ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিত। এর আগে এই আইকনিক অভিনেত্রী অলিম্পিক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধুর সঙ্গে খেলার একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন। তিন. দীপিকা পাড়ুকোনে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কারণ দীপিকাই একমাত্র ভারতীয় অভিনেত্রী যে টাইম ম্যাগাজিনের কভারে দু’বার স্থান পেয়েছেন। চার. বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী বলেছেন, “দীপিকাই নতুন ড্রিম গার্ল।” সঞ্জয় লীলা বানসালি দীপিকাকে বৈজয়ন্তীমালার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যে ছিলেন হেমা মালিনীর আদর্শ। পাঁচ. চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে দীপিকা উঠতি অভিনেতা নিহার পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর খুবই নাটকীয়ভাবে নিহারকে ছেড়ে দেন এই অভিনেত্রী। নিহারের সঙ্গে দীপিকার সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি সিনেমা তৈরির কথা ছিল। যদিও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।
পাম স্প্রিংস উৎসবে হাজির হতে পারলেন না লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

পাম স্প্রিংস উৎসবে হাজির হতে পারলেন না লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নেওয়ার ঘটনার পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যেমন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তেমনি এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলেও। সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে কিছু এলাকায় বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে তার আঁচ গিয়ে লাগে হলিউড তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর ওপর। আকাশসীমা সীমিত হয়ে পড়ায় ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট বার্থেলেমিতে আটকা পড়েন ডিক্যাপ্রিও। ফলে ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত পাম স্প্রিংস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের গালা অ্যাওয়ার্ডসে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি।উৎসবে তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’এর জন্য তাকে ডেজার্ট পাম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করার কথা ছিল। তবে ভ্রমণ জটিলতার কারণে সেই সম্মাননা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বিনোদনবিষয়ক গণমাধ্যম ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাতের পর আরোপিত এলাকাভিত্তিক বিমান উড্ডয়নের নিষেধাজ্ঞার কারণেই সেন্ট বার্থেলেমি ত্যাগ করতে পারেননি ডিক্যাপ্রিও। নতুন বছরের আগে সেখানে তাকে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে দেখা গেছে। সেই দলে ছিলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তার সঙ্গী লরেন স্যানচেজও। পাম স্প্রিংস চলচ্চিত্র উৎসবের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, “অপ্রত্যাশিত ভ্রমণ বাধা ও সীমিত আকাশসীমার কারণে লিওনার্দো আজ আমাদের সঙ্গে সশরীরে থাকতে পারছেন না। তবুও তার অসাধারণ কাজ এবং চলচ্চিত্র জগতে দীর্ঘদিনের অবদানকে সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্বিত।উল্লেখ্য, ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সিনেমাটিতে ডিক্যাপ্রিও একজন সাবেক বিপ্লবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। গল্প অনুযায়ী, নিজের কন্যাকে উদ্ধারের জন্য তাকে আবারও ফিরতে হয় সেই বিপজ্জনক ও সহিংস অতীত জীবনে। সিনেমাটি মুক্তির আগেই ডিক্যাপ্রিওর অভিনয় ঘিরে সমালোচকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা যে বিনোদন জগতেও অপ্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে, ডিক্যাপ্রিওর এই ঘটনা তারই সাম্প্রতিক উদাহরণ।
মার্ভেল ভক্তদের নতুন থিওরিতে তোলপাড়

মার্ভেল ভক্তদের নতুন থিওরিতে তোলপাড় মার্ভেল ভক্তদের উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ঘিরে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এরই মধ্যে তিনটি টিজার সামনে এসেছে যার মধ্যে দুটি ইতোমধ্যেই অফিসিয়ালি মুক্তি পেয়েছে। টিজারগুলোতে নতুন চরিত্র, অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহ আর ভয়ংকর হুমকির ইঙ্গিত মিললেও, সিনেমার শেষ পরিণতি নিয়ে মার্ভেল স্টুডিও এখনও পুরোপুরি মুখ খোলেনি। তবে এই অনিশ্চয়তার মাঝেই সামাজিক মাধ্যম রেডিটে ছড়িয়ে পড়েছে একেবারেই ভিন্নধর্মী ও চাঞ্চল্যকর এক থিওরি। ভক্তদের একাংশ দাবি করছেন, অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের প্রতিটি সিনেমার লোগোর মধ্যেই নাকি লুকিয়ে থাকে গল্পের ফলাফল! রেডিটের সেই থিওরি অনুযায়ী, অ্যাভেঞ্জার্স লোগোর ‘A’ অক্ষরের পাশে ও নিচে থাকা সার্কেল বা বৃত্তের নকশা নাকি ইঙ্গিত দেয় শেষ পর্যন্ত অ্যাভেঞ্জার্স জিতবে, নাকি পরাজয়ের স্বাদ পাবে। আগের সিনেমাগুলোর লোগো বিশ্লেষণ করে তারা দাবি করছেন, যেসব ছবিতে সার্কেলটি সম্পূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ ছিল, সেখানে অ্যাভেঞ্জার্সের জয় নিশ্চিত হয়েছে।আর যেখানে সার্কেলটি ভাঙা, অসম্পূর্ণ বা ছায়ায় ঢাকা ছিল, সেখানে গল্পের শেষটা হয়েছে আরও অন্ধকার ও ট্র্যাজিক।এই সূত্র ধরে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ এর প্রকাশিত লোগো বিশ্লেষণ করে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার হয়তো অ্যাভেঞ্জার্সদের জন্য অপেক্ষা করছে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন পরিণতি। যদিও অনেকে আবার এটিকে নিছক কাকতালীয় বলেই মনে করছেন।এদিকে মার্ভেল স্টুডিও এই থিওরি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য না করলেও, ভক্তদের আলোচনায় স্পষ্ট ডুমসডে শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং মার্ভেল ইউনিভার্সের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক বড় মোড় হতে চলেছে। সব মিলিয়ে, লোগোর ছোট্ট একটি সার্কেল ঘিরেই এখন তুমুল উত্তেজনা। সত্যিই কি মার্ভেল এত সূক্ষ্মভাবে আগাম ইঙ্গিত দেয়, নাকি সবটাই ভক্তদের কল্পনার ফসল তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে সিনেমা মুক্তি পর্যন্তই।