পূর্ণিমার জন্মদিন, কীভাবে কাটছে দিনটি?

পূর্ণিমার জন্মদিন, কীভাবে কাটছে দিনটি? ঢালিউডের হার্টথ্রব নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। অভিনয় দক্ষতা দেখিয়ে অনেক আগেই জয় করে নিয়েছেন ভক্তদের হৃদয়। ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘সুভা’, ‘শাস্তি’, ‘আমার স্বপ্ন আমার সংসার’সহ অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। মডেলিং, উপস্থাপনা ও টিভি নাটকেও মাঝেমধ্যে পাওয়া যায় তাকে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এই নায়িকার জন্মদিন বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের ফটিছড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তবে বিশেষ দিনকে ঘিরে কোনও পরিকল্পনা নেই পূর্ণিমার। কারণ কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছে তার একমাত্র সন্তান আরশিয়া উমাইজা। পূর্ণিমার ভাষ্য, জন্মদিন বা অন্যান্য বিশেষ দিন আমাকে খুব একটা টানে না। তার পরও মেয়েটা বড় হওয়ার পর থেকে নানাভাবে আমাকে সারপ্রাইজ দেয়। ওর ছোট ছোট সারপ্রাইজ আমাকে অনেক আনন্দ দেয়। এবার উমাইজা অসুস্থ থাকার কারণে কোনো কিছু ভালো লাগছে না। হয়তো বাড়ি থেকে বেরই হব না আজ। এদিকে, গেল রোজার ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল পূর্ণিমা অভিনীত ‘আহারে জীবন’। ছটকু আহমেদ পরিচালিত সিনেমাটিতে তার সহশিল্পী ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ। করোনার সময়ে ঘটে যাওয়া নানা দুর্ঘটনা নিয়ে সিনেমার গল্প। অন্যদিকে, বর্তমানে পূর্ণিমার হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সিনেমা। এর মধ্যে ‘গাঙচিল’র কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরের শেষে দিকে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আসতে পারে। এ ছাড়া ‘জ্যাম’ সিনেমার শুটিং শেষ হয়নি এখনও।
কলকাতার সিনেমায় শাকিব, গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন পরিচালক রাজ

কলকাতার সিনেমায় শাকিব, গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন পরিচালক রাজ রায়হান রাফি নির্মিত সিনেমা ‘তুফান’। শাকিব খান অভিনীত এ সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ওপার বাংলার মিমি চক্রবর্তী। গত ৫ জুলাই ভারতে মুক্তি পেয়েছে এটি। ‘তুফান’ মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। ভারতে ‘তুফান’ মুক্তি উপলক্ষে কলকাতায় গিয়েছিলেন শাকিব খান। এরপর গুঞ্জন চাউর হয়, কলকাতার একটি সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন শাকিব। আর এটি পরিচালনা করবেন ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’খ্যাত নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কলকাতায় থাকাকালীন রাজের সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে শাকিবের। এরপর সংবাদমাধ্যমটি রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিছুটা নরম গলায় এ বিষয়ে রাজ বলেন, ‘না তো।’ এরচেয়ে বেশি কিছু বলেননি এই পরিচালক। একজন গ্যাংস্টারের কাহিনি নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘তুফান’। এতে শাকিব খান ছাড়াও অভিনয় করেছেন— চঞ্চল চৌধুরী, মাসুমা রহমান নাবিলা, মিশা সওদাগর, গাজী রাকায়েত, শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু প্রমুখ।
সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের স্বামী মারা গেছেন

সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের স্বামী মারা গেছেন ভারতের বরেণ্য সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের স্বামী জনি চাকো উত্থুপ মারা গেছেন। সোমবার (০৮ জুলাই) কলকাতায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, সোমবার সকালেও ঊষা এবং তার স্বামী জনি একসঙ্গে বসে চা খেয়েছিলেন। একসঙ্গে কিছুক্ষণ টিভিও দেখেন তারা। এরপরই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সেই সময় অফিসে ছিলেন ঊষা উত্থুপ। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জনিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। জনি চাকোর শারীরিক কোনো অসুস্থতা ছিল না। প্রতি দিন সকালে একসঙ্গে বসে চা খেতেন এই দম্পতি। গতকালও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তারপরই সব শেষ। পেশাজীবনে চাকো ‘টি এস্টেট’র কর্মী ছিলেন। ঊষা ও জনির পরিবারের অধিকাংশ সদস্য বসবাস করেন দক্ষিণ ভারতে। মঙ্গলবার সকালে তাদের কলকাতায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিকালে কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। জনি চাকো ঊষার দ্বিতীয় স্বামী। প্রথম স্বামী রামুর সঙ্গে বিবাহিত থাকা অবস্থায় ঊষার জীবনে আসেন চাকো। ঊষা তার ভালোবাসার কথা সরাসরি জানান প্রথম স্বামী রামুকে। এরপর নিজের পরিবার, প্রথম স্বামীর পরিবার, সমাজের সব বাধা উপেক্ষা করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ঊষা-জনি চাকো। সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপকে আবিষ্কার করেন পরিচালক দেব আনন্দ। ১৯৭১ সালে ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণা’ সিনেমায় গান গাওয়ার সুযোগ করে দেন। এরপর অসংখ্য বলিউড সিনেমার গানে প্লেব্যাক করেছেন ঊষা। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন পদ্মশ্রী (২০১১), পদ্মবিভূষণ (২০২৪), ফিল্মফেয়ার (২০১১) প্রভৃতি পুরস্কার।
প্রভাস-দীপিকার সিনেমার আয় ১১৯০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে

প্রভাস-দীপিকার সিনেমার আয় ১১৯০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে দক্ষিণী সিনেমার তারকা অভিনেতা প্রভাস। তার অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। নাগ অশ্বিন পরিচালিত এ সিনেমায় তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান, দীপিকা পাড়ুকোন, দিশা পাটানির মতো শিল্পীরা। করোনা সংকটসহ নানা কারণে পিছিয়ে যায় ৬০০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমার মুক্তি। সব বাধা পেরিয়ে গত ২৭ জুন বিশ্বের ৫ হাজার ৬০০ পর্দায় মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে এটি। মুক্তির প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি আয় করা ভারতীয় সিনেমার তালিকায় ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ তৃতীয়। প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে— ‘ট্রিপল আর’ ও ‘বাহুবলি টু’। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমা মুক্তির ১২ দিনে শুধু ভারতে আয় করেছে ৬১৯.৪ (গ্রস) কোটি রুপি। এর মধ্যে হিন্দি ভার্সনে আয় করেছে ২১৮.৯ কোটি রুপি, তেলেগু ভার্সনে ২৪৮.২ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮৪৬.৪ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৯০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি)। হিন্দি ও তেলেগু ভাষায় মুক্তি পেয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমা। পাশাপাশি তামিল, মালায়ালাম, কন্নড়, ইংরেজি ভাষায় ডাবিং করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এটি। তারকা বহুল এ সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন— ব্রহ্মানন্দম, কীর্তি সুরেশ, রাজেন্দ্র প্রসাদ প্রমুখ। সিনেমাটির ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন একঝাঁক তারকা। এ তালিকায় রয়েছেন— দক্ষিণের প্রখ্যাত নির্মাতা এস এস রাজামৌলি, বিজয় দেবরকোন্ডা, ম্রুণাল ঠাকুর, দুলকার সালমান, রাম গোপাল ভার্মা, মালবিকা প্রমুখ।
গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ২ লাখ: ল্যানসেট

গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ২ লাখ: ল্যানসেট ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ৯ মাস ধরে নির্বিচার হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ৯ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা সাময়িকী ল্যানসেটের দাবি, গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ২ লাখ। খবর আল জাজিরার। ল্যানসেটে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বলা হয়েছে, দাপ্তরিকভাবে নিহতের যে সংখ্যা প্রচার করা হচ্ছে, সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ধ্বংস ভবনগুলোর নিচে চাপা পড়া এবং খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃতদের হিসাবে ধরা হয়নি। তাদের হিসাবে ধরলে নিহতের সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি হবে। ল্যানসেটের প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, আধুনিক যুগের যুদ্ধ-সংঘাতে গুলি বা গোলার আঘাতে যত মানুষ সরাসরি নিহত হন, পরোক্ষভাবে নিহত হন তারচেয়ে তিনগুণ বা ১৫ গুণ বেশি মানুষ। একটি সাধারণ স্বীকৃত সিদ্ধান্ত হলো— প্রতি একজন সরাসরি নিহতের সঙ্গে পরোক্ষ নিহতের সংখ্যা থাকে অন্তত চারজন। আমরা এই হিসাবই এখানে প্রয়োগ করেছি। প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় খাদ্য সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। ফলে যারা সরাসরি গুলি বা গোলার আঘাতে নিহত হন, তাদের তুলনায় খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃতের সংখ্যা বেশি থাকে। গাজায় গত ৯ মাসে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে যে ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, তাতে এই মুহূর্তে যদি যুদ্ধ বন্ধও হয়, তাহলেও আরও বেশ কিছুদিন গাজায় মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত থাকবে। ল্যানসেটের তথ্যমতে, গাজার মোট জনসংখ্যা ২৩ লাখ। গত ৯ মাসে ইসরায়েলি অভিযানে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটির মোট জনসংখ্যার অন্তত ৮ শতাংশ নিহত হয়েছে।
বুবলীকে চেনেন না মিমি!

বুবলীকে চেনেন না মিমি! ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন শবনম বুবলী। তার সঙ্গে সম্পর্ক নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শাকিব। কিন্তু গণমাধ্যমের সামনে শাকিবের স্ত্রী দাবি করেই চলেছেন ‘বসগিরি’ সিনেমার এ নায়িকা। এদিকে ‘তুফান’ সিনেমায় শাকিব ও কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী জুটি বেঁধেছেন। একসঙ্গে দীর্ঘদিন শুটিং করার পরও নায়কের সাবেক স্ত্রী ও ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা বুবলীকে চিনলেন না মিমি। বুবলীর নাম উঠতেই অবাক বিস্ময়ে মিমি তার ‘তুফান’ সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফীর কাছে জানতে চান- কে এই বুবলী? এমন ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় কলকাতায় তুফানের প্রচারে দেখা গেছে শাকিব ও মিমিকে। সেখানে সিনেমার প্রিমিয়ার শোর আগে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় এক সাংবাদিক শাকিবের কাছে মিমির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার কেমন ছিল, এ বিষয়ে জানতে চান। তা ছাড়া বুবলী সিনেমাটি দেখেছেন কি না সেটিও জানতে চান গণমাধ্যমের ওই কর্মী। সাংবাদিকের এমন প্রশ্ন শুনে কিছুক্ষণ চুপ ছিলেন শাকিব। কিছুটা হাসতেও দেখা যায় নায়ককে। এ সময় মিমির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, মিমির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল উরাধুরা। এমন পরিস্থিতিতে মিমি পরিচালক রায়হান রাফীকে জিজ্ঞেস করেন- বুবলী কে? এ বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
রোগী ও ডাক্তার উভয়কেই সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব আমার

রোগী ও ডাক্তার উভয়কেই সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব আমার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্তলাল সেন বলেছেন, রোগী যাতে যথাযথ চিকিৎসা পায় সেটা দেখা যেমন আমার দায়িত্ব তেমনি ডাক্তাররাও যাতে চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে সুরক্ষা পায় সেটা দেখাও আমার দায়িত্ব। রোগী ও ডাক্তার উভয়কেই সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বটা আমার। শনিবার (৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কর্তব্যরত ডাক্তারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি আমাকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করেন তাহলে হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা আমার থাকবে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এমআরআই মেশিন, সিটি স্ক্যান নষ্ট এটা শুনতেও আমার কাছে খারাপ লাগে। ঢাকার পর চট্টগ্রাম বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এগুলো জরুরি ভিত্তিতে ঠিক করার জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করা দরকার আমি করবো। কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করেছেন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি অনেক কষ্টে সময় বের করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ডিজি সবাইকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছি। ওখানে আমরা স্বাস্থ্যখাত নিয়ে প্রেজেন্টেশন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখিয়েছিলাম। স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সেখানে বিস্তারিত খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। আমরা যে প্রসিডিওর, মডেল তৈরি করেছি সেটা অনুযায়ী কাজ করতে পারলে স্বাস্থ্যখাতে ভালো কিছু হবে। সামন্তলাল সেন আরো বলেন, দেশে উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা থাকা সত্ত্বেও মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশ চলে যায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশেই চিকিৎসা করেন। মাননীয় সংসদ সদস্যরা যার যার স্থানীয় হাসপাতালে গিয়ে যদি চেকআপ করান তাহলে হাসপাতালে চিকিৎসার মান উন্নত হবে। দেশের চিকিৎসার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে আসবে। ফলে মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাবে না। সভায় হাসপাতালের বিভিন্ন অসুবিধা ও লোকবল সংকটের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং সীমিত সময়ের মধ্যে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে বলে মন্ত্রী আশ্বাস প্রদান করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তারের নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, একজন চিকিৎসকের জন্য আমি সব ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করতে চাই। মহিলা ডাক্তারদের রাতে ডিউটি করার সময় যাতে কোন ধরনের অসুবিধা না হয় তার আমি জন্য কাজ করছি। তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন প্রসঙ্গে বলেন, আমি গতকাল চট্টগ্রামে একটা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমার মন খারাপ হয়ে গেছে। একটা হাসপাতালে যদি ইমার্জেন্সি ডাক্তার না থাকে, অক্সিজেন সিলিন্ডার খালি থাকে তাহলে তারা রোগীকে কি সেবা দিবে। প্রাইভেট ক্লিনিক অবশ্যই চলবে আমি তার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু তাদেরকে সব নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, সাংবাদিক ভাইদের বলব আমি হাসপাতালে অভিযান চালাই না, পরিদর্শন করি। প্রত্যেকটা রোগী যাতে সুচিকিৎসা পায় সেটা দেখার দায়িত্ব আমার। ডাক্তাররা কিভাবে কাজ করছে, তারা সুরক্ষিত আছে কি না সেটা দেখার জন্য আমি পরিদর্শনে যাই। দেশের চিকিৎসার মান উন্নত করতে আপনারা আমাকে সহযোগিতা করুন। তাহলে আমি আশা করি, দেশের মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে না গিয়ে বিদেশের মানুষ চিকিৎসার জন্য দেশে আসবে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে গাইনি চিকিৎসকরা ঢাকায় চলে যেতে চায় উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সবাই যদি ঢাকায় যেতে চায় তাহলে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ চলবে কেমন করে? এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে একটা অনুশাসন দিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেছেন, যার যেখানে পোস্টিং তার সেখানেই চাকরি করতে হবে। কেউ যদি যেতে না চায় বা আসতে না চায় তাহলে তাকে বলবা চাকরি ছেড়ে দিতে। যাকে যেখানে পোস্টিং দেওয়া হবে সেখানে তাকে যেতেই হবে। সুন্দরভাবে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলোতে যাতে পোস্টিং দিতে পারেন সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাজ করছেন জানিয়ে বলেন, এটি অনেক বড় সময়সাপেক্ষ কাজ। আমি মাত্র ছয় মাস হলো দায়িত্বে আছি। আপনারা ইতোমধ্যে জানেন আমি ঠিক করেছি ঢাকায় দুইদিনের বেশি থাকবো না। সারা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমি নিজে গিয়ে দেখবো। এর পূর্বে পরিদর্শনের শুরুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ বার্ন ইউনিটের সাইট পরিদর্শন করেন। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেছি। এটা যেহেতু একনেকে পাস হয়ে গেছে আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাচ্ছেন, আমার ইচ্ছা আছে যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন দেশে থাকেন তখনই উনাকে দিয়েই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করানোটা। আশা করি উনারা দেশে ফিরে আসলে আমরা এটা করতে পারবো। এই মাসেই এটা করার চেষ্টা করবো আর যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করবো। কারণ চাইনিজরা কমিটেড যে দেড় বছর থেকে দুই বছরের মধ্যে ভবন নির্মাণ শেষ করবে। একই সাথে আমরা জনবল যন্ত্রপাতি সব নিয়েই একসাথে কাজ করছি। এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউরোলজি, পেডিয়াট্রিক, শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে ও মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসেন, মো. মঈনুল আহসান, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাহেনা আক্তার, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
শাহরুখ খান বুঝে গেছেন নারী কী চায়!

শাহরুখ খান বুঝে গেছেন নারী কী চায়! বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানের নারী ভক্তের অভাব নেই। তাকে একটু কাছ থেকে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন অসংখ্য নারী অনুরাগী। সিনেমায় শাহরুখের রোমান্টিক অভিনয় জয় করে নিয়েছে কোটি কোটি নারীর মন। বাস্তবেও নারীকে সম্মান করেন এই অভিনেতা। তিনি নাকি বুঝে গেছেন নারী কী চায়! স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাহরুখ খান জানিয়েছেন, তিনি বুঝে গেছেন নারী কী চায়। এবং তিনি জানেন কীভাবে প্রেম করতে হয়। নারীরা তাকে কেন এতো পছন্দ করেন তাও নাকি জানেন এই অভিনেতা। তিনি বলেছেন, ‘যেকোন বয়সের নারীর সঙ্গেই দেখা হোক না কেন আমি তাদের সম্মান করি আর এই কারণেই তারা আমাকে পছন্দ করেন। সারা জীবনে অনেক নারীর সঙ্গে কথা বলেছি, নেচেছি, কবিতা আবৃত্তি করেছি; মজা করেছি— কিন্তু তারা এসব কোনো কারণে নয়, আমার চেহারার কারণেও নয়; আমাকে পছন্দ করার কারণ হচ্ছে আমি তাদের সম্মান করতে জানি। এটাও ঠিক যে আমি জানি কীভাবে প্রেম করতে হয়।’ তবে শাহরুখ এও বলেছেন, নারী-পুরুষের সম্পর্কে জৈবিক চাহিদা থাকতেই পারে কিন্তু ভালোবাসার প্রথম শর্ত সম্মান। কোটি ভক্তের ভালোবাসায় সিক্ত এই অভিনেতা সিনেমাপ্রতি পারিশ্রমিক নেন দেড়শো কোটি রুপি। সর্বশেষ তাতে ডানকি সিনেমাতে দেখা গেছে।
১৫ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে চঞ্চল চৌধুরীর ‘পদাতিক’

১৫ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে চঞ্চল চৌধুরীর ‘পদাতিক’ দুই বাংলার দর্শকনন্দিত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী প্রথমবার ভারতীয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জির পরিচালনায় অভিনয় করেছেন। ‘পদাতিক’ সিনেমায় তিনি মৃণাল সেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। অবশেষে চূড়ান্ত হয়েছে ‘পদাতিক’ মুক্তির তারিখ। আগামী ১৫ আগস্ট মুক্তি পাবে সিনেমাটি। গতকাল সিনেমাটি মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন পরিচালক। সৃজিত মুখার্জি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন। পদাতিক সিনেমার একটি পোস্টারও শেয়ার করেছেন তিনি। প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেনের বায়োপিক ‘পদাতিক’। গত মে মাসে সিনেমাটির টিজার প্রকাশ পেয়েছে। তারপর থেকেই প্রশংসায় ভাসছেন সিনেমার অন্যতম প্রধান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। তা ছাড়া প্রশংসা কুড়াচ্ছেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জিও। এদিকে অনেকদিন পর এবারের ঈদে চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। ‘তুফান’ সিনেমায় তিনি শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবার অভিনয় করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রেও ‘তুফান’ মুক্তি পেয়েছে। সেখানেও ভালো চলছে। চঞ্চল চৌধুরী এখন আছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে তিনি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। নিউইয়র্ক থেকে তিনি গতকাল শিকাগোর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। চঞ্চল চৌধুরী বলেন, পদাতিক নিয়ে অনেক স্বপ্ন আমার। প্রত্যাশা করছি পদাতিক দর্শকদের স্পর্শ করবে। পদাতিক সবার মন জয় করবে।
আপনার লজ্জা করে না, ঋতুপর্ণাকে শ্রীলেখা

আপনার লজ্জা করে না, ঋতুপর্ণাকে শ্রীলেখা রেশন দুর্নীতি মামলায় ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জেরার মুখে পড়েছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। ইডির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম। এ ঘটনা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঋতুপর্ণা। এবার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। ঋতুপর্ণার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, চুরি না করলে টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছেন কেন? ৭০ লাখ টাকা তো মুখের কথা না। সাধারণ মানুষের থেকে চুরি করা টাকা। কেউ নিজের আয় করা টাকা এমনি এমনি দেবে না। এ ভিডিওতে হাত নেড়ে কথা বলতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ক্যামেরার সামনে হাত নেড়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন? আপনি অস্কার পাচ্ছেন না, আপনাকে চোর বলা হচ্ছে। লজ্জা করে না? ঋতুপর্ণার বিষয়টি নিয়ে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নীরব থাকবে। এ তথ্য উল্লেখ করে শ্রীলেখা লেখেন, তারপরেও মিডিয়া এনাদের নাম্বার ওয়ান শিরোপা দিবে? আমার ইউটিউব ভিডিও নিয়ে মিডিয়ার এক অংশ এবং ইন্ডাস্ট্রি এনাদের হয়ে কথা বলবেন। এখন দুর্নীতির কোনো সীমা নেই। ছি! ধিক্কার জানাই। খেয়াল করে দেখবেন, আমার এই পোস্ট নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন নির্বাক থাকবে। জুন মাসে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে যান ঋতুপর্ণা। তাকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জেরার পর ঋতুপর্ণা জানান, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে তার কাছে যেসব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। এরপরই নাকি ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সরাসরি কিছু বলেননি ঋতুপর্ণা। ব্যাংকে লেনদেনের তথ্যর উপর ভিত্তি করে ঋতুপর্ণাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ২০১৯ সালে রোজ ভ্যালি কাণ্ডে এ অভিনেত্রীকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।