সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান

সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সুরাটে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগ (আইএসপিএল) ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বেঙ্গালুরু স্ট্রাইকার্স ও দিল্লি সুপারহিরোসের মধ্যকার ম্যাচে উপস্থিত হয়ে তিনি তার আসন্ন ছবি ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ নিয়ে কথা বলেন এবং ছবির টিজারে নিজের লুককে ‘রোমান্টিক’ বলে যে ট্রলের শিকার হয়েছেন তার জবাব দেন। গত মাসে মুক্তি পাওয়া ছবিটির এক মিনিটের টিজারে সালমান খানকে একটি লাঠি হাতে নিয়ে সৈন্যদের যুদ্ধের জন্য একত্রিত করতে দেখা যায়। শত্রু পক্ষের সৈন্যরা বন্দুক নিয়ে এগিয়ে আসার সময়ও তাকে দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে দেখা যায়। তবে টিজারে অভিনেতার লুক ও দৃষ্টিভঙ্গিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ট্রলের মুখে পড়তে হয় বলিউড ভাইজানকে, যেখানে মজা করে সেটিকে ‘রোমান্টিক’ বলে উল্লেখ করেছে নেটিজেনদের একাংশ। আইএসপিএল ম্যাচ চলাকালীন আবার সেই মুহূর্তটি সামনে এলো। ম্যাচে সালমান উপস্থিত হলে সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ তাকে একটি ব্যাট দিয়ে টিজারের সেই দৃশ্যটি পুনরায় তুলে ধরতে বলেন। তখন এই অভিনেতা হাসিমুখে ট্রলিংয়ের প্রসঙ্গ স্বীকার করে বলেন, ‘এখন, কিছু লোক মনে করে এটা একটা রোমান্টিক লুক। কিন্তু আমি একজন কর্নেল, ভাই। এটা একজন কর্নেলের লুক যিনি জানেন কীভাবে তার দল ও সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করতে হয় এবং আশা জাগাতে হয়। আমি চাইলে অন্য ধরনের লুকও দিতে পারি (গর্জন), কিন্তু তার কোনো মানে নেই। গালওয়ানের যুদ্ধের ক্ষেত্রে সেটার কোনো মানে নেই।‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ পরিচালনা করেছেন অপূর্ব লাখিয়া এবং ছবিটি সালমান খান ফিল্মসের ব্যানারে প্রযোজনা করেছেন অভিনেতা নিজেই। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে সালমানের সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং।
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন নব্বইয়ের দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের বিনোদনজগতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা সক্রিয় নন তিনি। তবে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ভুয়া পেজ ও আইডি খোলার ঘটনায় চরম বিরক্তি, বিব্রতবোধ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর দাবি, তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত স্ট্যাটাস দেওয়া, ছবি আপলোড করা এবং তাঁর পরিচিতজনদের পোস্টে মন্তব্য করা হচ্ছে। সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান, ফেসবুকে তার একটি মাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যার নাম ‘সাদিয়া ইসলাম’। ‘সাদিয়া ইসলাম মৌ’ নামে তার কোনো ফেসবুক আইডি বা পেজ নেই। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামসহ অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাদের খুব সুন্দর করে অনুরোধ করছি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ করুন। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি পোস্ট করা, লেখা দেওয়া এসব আইনত অপরাধ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভক্তদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘ভুয়া অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনারা প্রতারিত হবেন না। আবারও জানিয়ে দিচ্ছি আমার কোনো ফ্যান পেজ নেই, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও নেই। যারা এসব করছে, সাবধান হোন। নইলে আইনি ব্যবস্থায় যা হওয়ার, তাই হবে।
আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ্যাচার শবনম ফারিয়া

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ্যাচার শবনম ফারিয়া ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া খানিকটা ‘ঠোঁটকাটা’ স্বভাবের। ব্যক্তিগত ও সমকালীন বিষয় নিয়ে তাকে খোলামেলা কথা বলতে দেখা যায়। গতকাল স্বামীর প্রশংসা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। এরই মধ্যে চলমান রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা নিয়ে চলছে নানা চর্চা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টটি দেন শবনম ফারিয়া। শুরুতে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার ধৈর্য একটু কমই ছিল আগে। যেহেতু আমি বাসায় সবার ছোট ছিলাম আর একা বড় হয়েছি, যখনই যা চাইতাম পেতাম, বেশিরভাগ সময় তো চাওয়ার আগেই পেতাম। তবে ২০২০ সালে কোভিডের পর থেকে আমার অ্যাবনরমাল লেভেলের ধৈর্য চলে এসেছে। সবকিছুতেই! আমি এখন আর কোনো কিছুতেই অল্পতে ধৈর্য হারাই না। উদাহরণ টেনে শবনম ফারিয়া বলেন, “একটা উদাহরণ দিই, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো কার্পেট পরিষ্কার করার ভিডিও। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কার্পেট পরিষ্কার করা দেখতে পারি। আমার আরেকটা পছন্দের ভিডিও হলো হারমেস ব্যাগ কেনা-বেচার ভিডিও। একটা বারকিন বা কেলি ব্যাগের দাম আমার বাৎসরিক ইনকামের চেয়েও বেশি। এইরকম ইনকাম থাকলে জীবনে এই জিনিস কেনার কথা না (যদিও আমার জামাই বলেছে, সে একদিন না একদিন বড়লোক হবে আর আমাকে একটা বারকিন কিনে দেবে)। কিন্তু এই ব্যাগের সেকেন্ডারি মার্কেটে কেনা-বেচা দেখা আমার ডেইলি রুটিনের একটা অংশ। এরপর আরো কয়েকটি উদাহরণ টানেন শবনম ফারিয়া। তার ভাষায়, “আমি এখন জানি, কি কি চামড়া দিয়ে এই ব্যাগ বানানো হয়, কি কি সাইজে পাওয়া যায়, কি কি হার্ডওয়্যার ব্যবহার হয়, আর ‘হিমালায়ান’ নামে একটা বারকিন আছে, যার দাম প্রায় বাংলাদেশের জিডিপির সমান! তারপর আমার আরেকটা সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো, একজন মানুষ একটা পুরোনো বাড়ি কিনে, নিজে নিজে আর প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সেটার রিনোভেশন করে। ভাই, তোর রিনোভেট করার এত টাকা থাকলে তুই এই জঙ্গলে বাড়ি না কিনে একটা ঠিকঠাক স্বাভাবিক বাড়ি কিনতে পারতি! কিন্তু না, ভাঙাচোরা বাড়ি কিনবে, তারপর বছরের পর বছর ধরে সেটাই ঠিক করবে, আর আমি সেই ভিডিও দেখি। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও দেখে বাস্তব জীবনে একা থাকার চেষ্টা করেন শবনম ফারিয়া। এরপর তার জীবনে আসে স্বামী তানজিম। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার সবচেয়ে পছন্দের কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম লিজিকি। ওকে দেখে ইনস্পায়ার্ড হয়ে আমি একা থাকা শুরু করেছিলাম। নিজে নিজে সব কিনতাম, বাসা গুছাতাম, বাজার করতাম, রান্না করতাম। আবার আমার কাউন্সেলরের পরামর্শে সেগুলো ভ্লগ বানানোর ট্রাইও করেছিলাম। ৩/৪টা বানিয়েছিলাম, এরপর আর সম্ভব হয়নি। এভাবে দুই বছরের একটু বেশি সময় একা থেকে বাসার সবাইকে টেনশনে ফেলে দিয়েছিলাম। তারপর আর বেশিদিন লিজিকি হওয়ার চেষ্টা করতে হয়নি, এরই মধ্যে তানজিম মিয়ার আগমন। শবনম ফারিয়াকে বেশ জ্বালাতন করেন তার স্বামী তানজিম। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “তবে এখনো কেনাকাটা আর গুছানোর কাজটা আমাকেই করতে হয়। ট্রলি ঠেলার জন্য উনি থাকেন, ঘরের কাজের সময় আজেবাজে কাজ করে কাজ বাড়ানো কিংবা গুছানো বাসা অগোছালো করার দায়িত্বও উনার। তবে আমি অসুস্থ হলে অবশ্য জ্বালায় না। বরং অনেক হেল্পই করে। কালকেই তো অনেক প্রশংসা করলাম, আর না করি। শবনম ফারিয়ার দীর্ঘ এই বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু চলমান নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ। তার কথায় “যাইহোক করোনাকালে আমার আরেকটা প্রিয় কনটেন্ট ছিল মানুষের খাওয়া দেখা। শুকনা-শুকনা মেয়েরা বিশাল থালায় খাবার খায়, আমি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত সেই খাওয়ার ভিডিও দেখতাম। তবে এই মুহূর্তে আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ্যাচার। জানি, যা বলছে সবই মিথ্যা আশ্বাস, তাও মনোযোগ দিয়ে দেখি। দুই ঘণ্টার মধ্যে শবনম ফারিয়ার এ পোস্টে রিঅ্যাক্ট পড়েছে প্রায় ৩ হাজার। মন্তব্য জমা পড়েছে দুই শতাধিক। ফারিয়া নামে একজন লেখেন, আপু আমি সবটা পড়ে একদম ক্লান্ত হয়ে গেছি, তারপর মোরাল অব দ্য স্টোরি পাইছি।” রেজমেন আক্তার লেখেন, “আমিও বাসায় সবার ছোট। বরাবরই ধৈর্য কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে এফবিতে রাজনৈতিক মিথ্যাচারগুলা দেখি, দেখার পর বুঝতে পারতেছি, ধৈর্যের চরম লেবেলে আছি।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।
পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ফারহান আহমেদ জোভান ও কেয়া পায়েল। পর্দায় তাদের রসায়ন বরাবরই দর্শকদের পছন্দের। তবে সম্প্রতি এই জুটিকে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন রূপে। বিশেষ করে কেয়া পায়েলের উষ্কখুষ্ক চুল আর মলিন পোশাকের ‘পাগলী’ লুকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হলেও এর আসল রহস্য ফাঁস করলেন তার সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। েজোভান জানান, ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়, বরং একটি নাটকের বিশেষ দৃশ্য ছিল এটি। বাতাসের ভুল’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিংয়ের সময়কার এই দৃশ্য নিয়ে জোভান প্রশংসায় ভাসিয়েছেন পায়েলকে। তার মতে, পায়েল যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য তাকে স্যালুট জানানো উচিত। এক সাক্ষাৎকারে জোভান বলেন, ‘ভিডিওটি পুরো ফেসবুক জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার সেটি একটি নাটকের সিকোয়েন্সের জন্য আসলে ও পাগল সেজেছিল। নাটকের নাম ‘বাতাসের ভুল’, পরিচালনা করেছেন ইশান। খুব শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। অভিনেত্রীর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে জোভান আরও বলেন, ‘ওই নাটকটাতে পায়েল খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার প্লে করেছে। আমি এতটুকু বলতে পারব যে, পায়েলকে আসলে স্যালুট দেওয়া উচিত। কারণ ও একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের চরিত্রে অভিনয় করেছে, যা যেকোনো শিল্পীর জন্যই অত্যন্ত কঠিন কাজ। চরিত্রটির গভীরতা নিয়ে জোভান জানান, এটি কেবল এক-দুটি দৃশ্য নয়, বরং পুরো একটি জার্নি। রাস্তায় রাস্তায় একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের যে দীর্ঘ লড়াই ও পথচলা, তা পায়েল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। জোভানের প্রত্যাশা, কাজটির নেপথ্য গল্প ও অভিনয়ের মুনশিয়ানা দর্শকের হৃদয় জয় করবে।
অভিনীত সিনেমার অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারা মারা গেছেন

অভিনীত সিনেমার অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারা মারা গেছেন হলিউড অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন ক্যাথরিন ও’হারা।তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তার ম্যানেজার। জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন ও’হারা। দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে হলিউডে কাজ করেছেন ও’হারা। তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল কানাডিয়ান স্কেচ কমেডি সিরিজ ‘সেকেন্ড সিটি টেলিভিশন’ দিয়ে, এমনকি এতে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথমবার এমি পুরস্কার লাভ করেন।ও’হারা ‘হোম অ্যালোন’, ‘বেস্ট ইন শো’ ও ‘শিটস ক্রিক’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের সুবাধে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছিলেন। ‘হোম অ্যালোন’ ছবির প্রথম দুই কিস্তিতে অভিনয় করেছেন ও’হারা, যেখানে তিনি ম্যাকাওলে কুলকিনের চরিত্র কেভিনের মা হিসেবে ছিলেন। একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো হোম অ্যালোন-২ একটি অতিথি চরিত্রে তৎকালীন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও দেখা যায়, এর বহু বছর পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন। অভিনেত্রী ও’হারা ক্রিস্টোফার গেস্টের ছবিতে নিয়মিত কাজ করেছেন, যেমন ‘বেস্ট ইন শো’, ‘ফর ইওর কনসিডারেশন’ ও ‘ওয়েটিং ফর গাফম্যান’। তিনি ‘দ্য নাইটমেয়ার বিফোর ক্রিসমাস’ ও ‘চিকেন লিটল’র মতো জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড ফিচারেও কণ্ঠ দিয়েছেন। সত্তরের দশকে ও’হারা তার ক্যারিয়ারে নতুন জীবন পেয়েছিলেন। তিনি সিবিসি সিরিজ ‘শিটস ক্রিক’-এ ধনী গৃহিণী মোইরা রোজের ভূমিকায় অভিনয় করেন এবং এ জন্য তিনি দ্বিতীয়বার এমি পুরস্কার পান। তার সাম্প্রতিক কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বিটলজুস বিটলজুস’ এবং অ্যাপল অ্যাকশন ছবি ‘আর্গিল’।
মমতার শোবার ঘরেই আমির আমার পোশাক বদলাত

মমতার শোবার ঘরেই আমির আমার পোশাক বদলাত নব্বই দশকের লাস্যময়ী ও সাহসী অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি। অক্ষয় কুমার, আমির খান, সালমান খান, গোবিন্দ, সঞ্জয় দত্তের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় ঝড় তুলেছেন। গত বছর আলো ঝলমলে দুনিয়াকে বিদায় জানিয়ে সন্ন্যাসিনী হন এই অভিনেত্রী।অস্কারজয়ী সুরকার এ. আর. রহমানকে নিয়ে ভারতে চর্চা চলছে। কিছুদিন আগে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ শিল্পী বলেন “বলিউডে সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।” এই মন্তব্য তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। এ.আর. রহমানকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নব্বই দশকে চলচ্চিত্র জগতের সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেন মমতা কুলকার্নি। তার শোবার ঘরে আমির খান পোশাক বদলাতেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মমতা কুলকার্নি বলেন, “আমি নিজেকে ভীষণ সৌভাগ্যবান মনে করি। কারণ আমি নব্বই দশকে কাজ করেছি। বিশ্বাস করুন, আমরা কখনো এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবিনি। আমি আমির খানের সঙ্গে কাজ করেছি, শাহরুখ খানের সঙ্গেও কাজ করেছি; আমরা কখনো একে অপরের ধর্মের দিকে তাকাইনি। সত্যি বলতে এখন আমি আর কী বলব?সেই সময়ের কাজের পরিবেশ সম্পর্কেও জানান মমতা। শুটিং সেটে ভ্যানিটি ভ্যান ছিল না। উদাহরণ টেনে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমির খান আমার বাড়িতে আসত। আমরা যখন ‘বাজি’ সিনেমার শুটিং করছিলাম, তখন সে আমার বাড়িতে এসে বসত। অনেক সময় শুটিং চলাকালীন সে আমার শোবার ঘরে গিয়ে পোশাক বদলাত। কারণ তখন ভ্যানিটি ভ্যান ছিল না। এমন নয় যে, ‘ভ্যান আছে, সেখানে গিয়ে আমরা পোশাক বদলাব’। লোখন্ডওয়ালায় শুটিং থাকলে আমির সরাসরি আমার বাড়িতে চলে আসত এবং আমার শোবার ঘরেই পোশাক বদলাত। নব্বই দশকে কাজের পরিবেশটা একেবারেই আলাদা ছিল। মমতার ভাষায় “আমরা একে অপরের বাড়িতে যেতাম, সেখানেই তৈরি হতাম, তারপর সরাসরি শুটিং সেটে চলে যেতাম। ‘বাজি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়, প্যাক-আপের পরও আমির খান আর আমি সরাসরি আমার বাড়িতে চলে আসতাম, আর সে আমার রান্নাঘরে গিয়ে চা বানাত। আমির-শাহরুখ খানের সঙ্গে বিদেশ সফরের প্রসঙ্গ টেনে মমতা কুলকার্নি বলেন, “আমির খান ও শাহরুখ খানের সঙ্গে যখন ওয়ার্ল্ড ট্যুরে যেতাম, তখন আমরা একে অপরের বাড়িতে গিয়ে বসতাম। কেউ চা বানাত, কেউ রান্না করত। আমরা কখনো এসব নিয়ে ভাবিনি। কিন্তু এখন সত্যিই সবকিছু বদলে গেছে, সব বন্ধ হয়ে গেছে। একজন শিল্পী মানে একজন শিল্পী। দয়া করে এখানে ভেদাভেদ আনবেন না। সংগীত জগতের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা কুলকার্নি। সুরকার এ.আর. রহমান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনি যখন এ.আর. রহমানের কথা জিজ্ঞেস করেন, তখন বলব সবকিছুরই একটা সময় থাকে। সম্ভবত, আপনার ধরণের সংগীত এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। এখন খুব ভালো গায়ক-গায়িকাও কাজ পাচ্ছেন না, তারা বাড়িতে বসে আছেন। ১৯৯২ সালে রাজ কুমার ও নানা পাটেকরের ‘তিরঙ্গা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন মমতা কুলকার্নি। নব্বই দশকে ‘করণ অর্জুন’, ‘ওয়াক্ত হামারা হ্যায়’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘সাবছে বড় খিলাড়ি’-এর মতো হিট সিনেমার নায়িকা তিনি।
জাতীয় পুরস্কার নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রত্যাখ্যান করলেন নির্মাতা

জাতীয় পুরস্কার নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রত্যাখ্যান করলেন নির্মাতা সম্প্রতি ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। ‘রক্তজবা’ সিনেমার জন্য ‘শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার’ হিসেবে নাম এসেছে পরিচালক নিয়ামুল মুক্তার। তবে রাষ্ট্রীয় এই সর্বোচ্চ সম্মাননা পাওয়ার খবরে আনন্দিত হওয়ার বদলে উল্টো বিব্রত বোধ করছেন এই নির্মাতা। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে নিয়ামুল মুক্তা জানান, ‘রক্তজবা’ সিনেমাটি তিনি পরিচালনা করলেও এর চিত্রনাট্য তার লেখা নয়। এর প্রকৃত চিত্রনাট্যকার তাসনীমুল হাসান। অন্যের কাজের স্বীকৃতি নিজের নামে আসায় তিনি নৈতিকভাবে এটি গ্রহণ করতে পারছেন না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরস্কারের তালিকায় নিজের নাম দেখে আমি বিব্রত। চিত্রনাট্য লিখেছেন তাসনীমুল হাসান, অথচ নাম এসেছে আমার! যে অর্জন আমার নয়, সেটি আমি কীভাবে গ্রহণ করব? তাই আমি এই পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করছি এবং চাইছি যার অবদান, তাকেই যেন যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বছর আজীবন সম্মাননাসহ (মরণোত্তর) মোট ২৮টি বিভাগে ৩০টি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। পুরস্কারের দৌড়ে এবার সবচেয়ে এগিয়ে আছে রায়হান রাফী পরিচালিত ‘সুড়ঙ্গ’; সিনেমাটি একাই ৮টি বিভাগে ৯টি পুরস্কার জিতে নিয়েছে। এরপর ৫টি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে হিমেল আশরাফের ‘প্রিয়তমা’।
আজহারিকে নিয়ে যা বললেন চিত্রনায়িকা বর্ষা

আজহারিকে নিয়ে যা বললেন চিত্রনায়িকা বর্ষা অনেকদিন ধরেই অভিনয়ে নেই চিত্রনায়িকা খাদিজা বর্ষা। ধর্মীয় আচার-রীতিও পালন করেন নিয়মিত। গত বছর ওমরাহ হজ পালন করতে মক্কায় যান, আর সেখান থেকে ফিরেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নেন নায়িকা। জানান, সিনেমা ছেড়ে দেবেন তিনি। কারণ হিসেবে জানান, আগামীতে ছেলে-মেয়েরা বড় হবে, তাই এমন সিদ্ধান্ত। বলা যায়, নিজের কথা রেখেছেন নায়িকা। নতুন কোনো সিনেমাতে দেখা যাচ্ছে না বর্ষার নাম। তবে ফটোসেশন, বিভিন্ন ইভেন্টে মাঝে মাঝে ব্যস্ত দেখা যায় নায়িকাকে। এর পাশাপাশি অবসরে বই পড়েন তিনি। নিজের পছন্দ অনুযায়ী ধর্মীয় বইও পড়েন। এবার তেমনই একটি বই নিয়ে পোস্ট দিলেন বর্ষা; যেখানে সেই বইয়ের লেখক অর্থাৎ জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব ড. মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ দেন বর্ষা। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে আজহারির লেখা ‘এক নজরে কুরআন’ বইটির কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন বর্ষা। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমার খুব ইচ্ছে হচ্ছিল যে, ‘এক নজরে কুরআন’ বইটি পড়ার। ৩টি বই অর্ডার করেছিলাম, আজকে পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আমার বোনদের জন্য ২টি। বর্ষা আরো লেখেন, জীবনে তেমন কিছুই জানি না, তবে এই ‘এক নজরে কুরআন’ পড়ে অনেক কিছু জানতে পারব ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনাকে ড. মিজানুর রহমান আজহারি, এই বইটি পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনার মঙ্গল করুন, আমিন। ২০১০ সালে ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় বর্ষার। এতে অনন্ত জলিলের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। ২০১১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ভালোবেসে ঘর বাঁধেন এই তারকা জুটি। তাদের সংসারে আরিজ ইবনে জলিল ও আবরার ইবনে জলিল নামে দুই পুত্রসন্তান রয়েছে।
নতুন ভার্সনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘ইয়ে দিল আশিকানা’

নতুন ভার্সনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ ভ্যালেন্টাইন্স ডে মানেই প্রেম, আর সেই প্রেমে যদি মিশে যায় নস্টালজিয়া—তাহলে অভিজ্ঞতাটা হয়ে ওঠে আরও বিশেষ। সেই আবেগকেই ফিরিয়ে আনতে প্রায় ২৪ বছর পর আবার বড় পর্দায় ফিরছে ২০০২ সালের জনপ্রিয় রোমান্টিক ছবি ‘ইয়ে দিল আশিকানা’। নির্মাতা সংস্থা ট্রু এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড ঘোষণা করেছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ভ্যালেন্টাইন্স ডের ঠিক আগের দিন সিনেমাটি ফের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন করন নাথ ও জিভিধা শর্মা। পরিচালনায় ছিলেন কুকু কোহলি, যিনি ‘ফুল অউর কাঁটে’-র মতো হিট ছবির জন্য পরিচিত। পুনর্মুক্তির ঘোষণার সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে ছবির একটি নতুন ট্রেলার, যেখানে আধুনিক উপস্থাপনার ছোঁয়া থাকলেও অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে ছবির আবেগ, রোমান্স ও নাটকীয়তা। নির্মাতাদের দাবি, আজকের দর্শকদের রুচির কথা মাথায় রেখে ছবিটি নতুন করে সম্পাদনা করা হয়েছে। তবে গল্পের মূল সুর—ভালোবাসা, ত্যাগ আর বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে প্রেমিকের লড়াই—সবই আগের মতোই থাকছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র করণ, যে নিজের ভালোবাসা পূজাকে পাওয়ার জন্য সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গেও লড়াই করতে পিছপা হয় না। ছবিতে করন ও জিভিধার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন আদিত্য পাঁচোলি, রজত বেদি, জনি লিভার ও অরুণা ইরানি। ট্রু এন্টারটেইনমেন্ট-এর শৈলেন্দ্র মাণ্ডোয়ারা জানান, এই ছবি ইচ্ছে করেই কখনও স্যাটেলাইট বা ওটিটিতে মুক্তি দেওয়া হয়নি। কারণ তাঁদের বিশ্বাস, ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ বড় পর্দাতেই দেখার মতো সিনেমা। পরিচালক কুকু কোহলির মতে, রোমান্টিক ছবির দর্শক আজও বিপুল। নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও এই ছবির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। অতীতের জনপ্রিয় সিনেমাকে নতুন করে ফিরিয়ে আনার যে প্রবণতা শুরু হয়েছে, ‘ইয়ে দিল আশিকানা’-র পুনর্মুক্তি তারই অংশ। সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা, টাইমস অব ইন্ডিয়া
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: সেরা অভিনেতা নিশো, অভিনেত্রী পুতুল

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: সেরা অভিনেতা নিশো, অভিনেত্রী পুতুল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০২৩) ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হয়েছেন আফরান নিশো, ‘সাঁতাও’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পেয়েছেন আইনুন পুতুল। এবার যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু। সেরা সিনেমা নির্বাচিত হয়েছে খন্দকার সুমন পরিচালিত ‘সাঁতাও’। সিনেমাটির জন্য সেরা পরিচালকও নির্বাচিত হয়েছেন এই নির্মাতা। পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতা মনির আহমেদ শাকিল (সুড়ঙ্গ), অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা (ওরা সাতজন)। সেরা খল অভিনেতা আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন), সেরা কৌতুক অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ)। সেরা শিশুশিল্পী লিয়ন (আম কাঁঠালের ছুটি), একই সিনেমার জন্য শিশুশিল্পী বিশেষ শাখায় পুরস্কৃত হয়েছে আরিফ হাসান আনাইয়া খান। সেরা সংগীত পরিচালক ইমন চৌধুরী (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন), সেরা গায়ক বালাম (ও প্রিয়তমা) সিনেমা (প্রিয়তমা), সেরা গায়িকা অবন্তী দেব সিঁথি (গোটা পৃথিবীতে খুঁজো, এ গাঁ ছুঁয়ে বলো) সিনেমা (সুড়ঙ্গ)। সেরা গীতিকার সোমেস্বর অলি (গান- ঈশ্বর) সিনেমা (প্রিয়তমা) এবং একই গানের জন্য সেরা সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। সেরা নৃত্য পরিচালক হাবিবুর রহমান (লাল শাড়ি)। সেরা কাহিনিকার ফারুক হোসেন (প্রিয়তমা), সেরা চিত্রনাট্যকার নিয়ামুল মুক্তা (রক্তজবা)। সেরা গল্পকার রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা (সুড়ঙ্গ)। সেরা সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ বাবু (ওরা সাতজন)। সেরা শিল্পনির্দেশক শহীদুল ইসলাম (সুড়ঙ্গ), একই সিনেমার জন্য সেরা চিত্রগ্রাহক সুমন কুমার সরকার ও সেরা পোশাক ও সাজসজ্জা বিথী আফরিন। সেরা শব্দগ্রাহক সুজন মাহমুদ (সাঁতাও)। সেরা মেকআপম্যান সবুজ (প্রিয়তমা)। এ ছাড়া সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র চৈতালী সমদ্দার নির্মিত ‘মরিয়ম’। সেরা প্রামাণ্য চলচ্চিত্র এলিজা বিনতে এলাহী নির্মিত ‘লীলাবতি নাগ: দ্য রেবেল’।