তীর ছুঁড়েই সুখবর নিয়ে হাজির জেফার!

তীর ছুঁড়েই সুখবর নিয়ে হাজির জেফার! গেল ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত আফরান নিশো অভিনীত ‘দাগি’ সিনেমায় জেফার রহমানের গাওয়া ‘নিয়ে যাবে কি’ শিরোনামের গানটি নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। সেই গানের রেশ থাকতে না থাকতেই মঙ্গলবার নতুন গান উপহার দিলেন জেফার। গানের শিরোনাম—‘তীর’। জেফারের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে ‘তীর’ গানটি। এই গান গাওয়ার পাশাপাশি সুরও করেছেন জেফার। গানের কথা লিখেছেন যৌথভাবে জেফার ও আদিব কবির। ‘তীর’ গানটি প্রকাশ পেতেই জেফারের ভক্তদের জন্য এলো আরেক সুখবর। সেটি হলো—পরিচালক শিহাব শাহীনের নতুন প্রজেক্টে নায়িকা হচ্ছেন জেফার রহমান। ‘তুমি আমি শুধু’ শিরোনামের এই ওয়েবে নায়ক থাকছেন আলোচিত গায়ক প্রীতম হাসান। জানা গেছে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বিঞ্জ-এর জন্য নির্মিত হবে এই ওয়েব ফিল্ম। আগামী ঈদে মুক্তির লক্ষ্যে কাজ চলছে ফিল্মটির। রোমান্টিক ঘরানার এ ওয়েব ফিল্মটির শুটিং শুরু হবে আগামী ৪ মে, ঢাকায়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও কক্সবাজারের বিভিন্ন লোকেশনে এর চিত্রায়ণ হবে। সবশেষ ‘অ্যালেন স্বপন সিজন ২’-এ অভিনয় করতে দেখা গেছে জেফারকে। এর আগে, গত বছর ‘লাস্ট ডিফেন্স অব মনোগ্যামি’ নামের ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছিলেন তিনি। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত সিনেমাটিতে তার সহশিল্পী ছিলেন চঞ্চল চৌধুরী।

‘স্বপ্নে কেয়ামত হতে দেখে অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই’

‘স্বপ্নে কেয়ামত হতে দেখে অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই’ ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় মুখ নাহিদা আশরাফ আন্না। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। প্রায় অর্ধশত চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই গ্ল্যামারকন্যা এখন রুপালি পর্দা থেকে অনেক দূরে। ব্যস্ততা তার পরিবার ও পার্লার ব্যবসা ঘিরে। অভিনয় ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আন্না বলেন, “স্বপ্নে কেয়ামত হতে দেখে এক রাতের মধ্যেই অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই। সঙ্গে সঙ্গে তওবা করেছি, আর কখনো অভিনয় করব না।” তবে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা এখনো রয়েছে তার। আন্না বলেন, “অভিনয়কে আমি সবসময় ভালোবাসি। কারণবশত কাজটা ছেড়ে দিয়েছি। বর্তমানে পার্লার বিজনেস নিয়ে খুবই হ্যাপি। এখানে নারী উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছি।” চলচ্চিত্রজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আন্না বলেন, “মান্না ভাই, ডিপজল সাহেব, শাকিব, রিয়াজ, ফেরদৌস ভাই— সবার সঙ্গেই কাজ করেছি। আমি নিজেকে খুবই লাকি মনে করি।” তারকাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন সবার সামনে চলে আসে। আমার চাওয়া, সবাই যেন পেশাটাকে হাইলাইট করে, ব্যক্তিজীবন নয়।” শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করে আন্না হয়ে উঠেছিলেন পর্দার পরিচিত মুখ। ২০০৬ সালে ‘ফটোসুন্দরী’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হয়ে শোবিজে পা রাখেন। ২০০৯ সালে ‘মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।

সিদ্দিককে লাঞ্ছিত, শিল্পীদের বিরুদ্ধে মামলা: যা বললেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি

সিদ্দিককে লাঞ্ছিত, শিল্পীদের বিরুদ্ধে মামলা: যা বললেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি গত কয়েক দিনে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি করা হয়েছে একঝাঁক অভিনয়শিল্পীকে। প্রথমে ইরেশ যাকের, তারপর সুবর্ণা মুস্তাফা, অপু বিশ্বাস, নুসরাত ফারিয়া, নিপুণসহ ১৭ অভিনয়শিল্পীর নাম প্রকাশ্যে এসেছে। গতকাল অভিনেতা সিদ্দিককে মারধর ও লাঞ্ছিত করে রাজধানীর রমনা থানায় সোপর্দ করা হয়। এসব বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চর্চা চলছে। এ নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি আজাদ আবুল কালাম নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। সিদ্দিকের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনা ঘটনা নিয়ে আজাদ আবুল কালাম গণমাধ্যমে বলেন, “সিদ্দিকের সঙ্গে যা ঘটেছে, এটা তো মব। এই মব ভায়োলেন্সকে তো ঠেকাচ্ছে না। কেন যেন মনে হচ্ছে, মব ভায়োলেন্সকে নীরবে বলা হচ্ছে, করে যাও। আমাদের কিছুই করার নেই। একজনের রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা থাকতে পারে। অভিনেতা হিসেবে সিদ্দিক সবার কাছে পরিচিত। কিছু লোক তাকে এভাবে রাস্তায় ধরে মেরে দেবে!” প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে আজাদ আবুল কালাম বলেন, “দলবদ্ধভাবে সিদ্দিককে শারীরিকভাবে আঘাত করেছে, আক্রমণ করেছে, গায়ে থেকে জামাকাপড় খুলে ফেলেছে, এরপর থানায় সোপর্দ করেছে। থানায় যদি সোপর্দ করতেই হয়, তাহলে প্রথমে কেন আইন হাতে তুলে নিল? তাকে হেনস্তা করে আইনের হাতে তুলে দেবে— এই মব জাস্টিস, মব ভায়োলেন্স সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। এটা তো একটা সময় নানা স্তরে হবে। এসব কর্মকাণ্ড সরকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে, যেখানে মব ভায়োলেন্স, সেখানে কঠোর হস্তে দমন করবে।” ঢালাওভাবে অভিনয়শিল্পীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়ে বিস্মিত আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, “ঢালাওভাবে হত্যা মামলা হচ্ছে! দেখে মনে হচ্ছে, সবাইকে মামলার মধ্যে ফেলতে হবে। ৩০০-৪০০ জন মামলার আসামি, এটা অবাস্তব একটা অবস্থা। একজন সুবর্ণা মুস্তাফার মতো শিল্পী রাস্তায় গিয়ে মানুষকে গুলি করবে? যে মানুষটি মামলা করেছেন, তিনি আন্দোলনের সময় আহত হয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন; তিনি মামলা করেছিলেন অনেক লোকের নামে। মামলার নথিতে শিল্পীদের অনেকের নাম দেখলাম, তারা রাস্তায় নেমে মানুষকে গুলি করবে!” সরকারিভাবে এ ধরনের মামলাকে প্রতিরোধ করা উচিত বলে মনে করেন আজাদ আবুল কালাম। তিনি বলেন, “সরকারিভাবে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরও উচিত হবে এ ধরনের মামলাকে প্রতিরোধ করা। নিরুৎসাহিত করা। যে ব্যক্তি মামলা করছেন, যদি প্রমাণিত হয়, শিল্পীরা কেউই গুলি করেনি, তখন তো এটা মিথ্যা মামলা হবে। এ রকম মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে, যে ব্যক্তি শিল্পীদের নামে মামলা করেছেন, তার কী শাস্তি হবে, তারও বিধান থাকতে হবে।” “কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে, তা জানানোর একটা প্রক্রিয়া আছে। শুধু শিল্পী না, একজন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধেও যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে আপনি তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগপর্যন্ত তাকে অপরাধী বলতে পারেন না। তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে পারেন না। মামলা করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করা শুরু করলেন, এই প্রক্রিয়া যদি চলতে থাকে, এটাই যদি আমাদের মনস্তত্ত্ব হয়, তাহলে বিভক্তি আরো বাড়বে।” বলেন আবুল কালাম আজাদ।

ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন বিরাট-আনুশকা!

ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন বিরাট-আনুশকা! ভারতীয় ক্রিকেটার বিরাট কোহলির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর সেভাবে অভিনয়ে অনিয়মিত আনুশকা শর্মা। ইতোমধ্যেই বলিউডের এই অভিনেত্রী দুই সন্তানের মা হয়েছেন। এবার নাকি নিজের দেশের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন অনুশকা ও বিরাট! ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, ‘বিরুষ্কা’র এই সিদ্ধান্তের পেছনে দুটি কারণ উঠে এসেছে। বলিউড মহলের আলোচনা অনুযায়ী- এক, সাইফ আলি খানের ওপর হামলার পর অনেক তারকা তাদের সন্তানকে সংবাদমাধ্যম, ফটোগ্রাফারদের থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যেমন, আলিয়া ভাট। তিনি রাহা কাপুরকে আর সেভাবে প্রকাশ্যে আনছেন না। অথচ, পাপারাজ্জিদের সঙ্গে কাপুরকন্যার যথেষ্ট ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। দুই, পহেলগাঁওয়ের হামলার ঘটনা বিরাট-অনুশকার মনে ছাপ ফেলেছে সম্ভবত। সত্যিই কি এই দুটি কারণে বিরাট-অনুশকা নিজের দেশের থেকে দূরে? সম্প্রতি মাধুরী দীক্ষিতের পডকাস্টে যোগ দিয়েছিলেন তারা। সেখানে কথায় কথায় উঠে আসে বিদেশে তাদের দ্বিতীয় সংসারের কথা। মাধুরীর চিকিৎসক স্বামী শ্রীরাম নেনেও এই পডকাস্টের সঙ্গে যুক্ত। তিনি পরে সাংবাদিকদের জানান, সন্তানদের নিরাপদ জীবন দিতে এবং নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন গোপনে রাখতেই ‘বিরুষ্কা’র এই সিদ্ধান্ত। নেনের কথায়, সারাক্ষণ সংবাদমাধ্যমের অকারণ উপস্থিতি তাদের স্বাভাবিক জীবন নষ্ট করে দিচ্ছে। বিরাট-অনুশকা দুঃখ করে পডকাস্টে জানিয়েছেন, ইচ্ছে হলেও তারা ফুচকা, ভেলপুরি খেতে বের হকে পারেন না। তাদের দেখলে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। একইভাবে তাদের ছেলে-মেয়েকে নিয়েও সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত কৌতূহল। এগুলো তাদের ভালো লাগছে না। বিদেশে কিন্তু এই অহেতুক আগ্রহ দেখানোর স্বভাব কারও মধ্যে নেই। এ কারণেই তারা লন্ডনে দ্বিতীয় সংসার গড়ে তুলছেন। সেখানে তাদের দুই সন্তানের ছেলেবেলা অনেক বেশি নিরাপদ বলে মনে করেন বিরাট-অনুশকা। তাদের দাম্পত্যেও অযথা কৌতূহল নেই। পেশার কারণে, বিভিন্ন উদযাপনে তারা দেশে আসবেন, থাকবেনও কিছু দিন। হয়তো এর বেশি কিছু নয়।

‘তাণ্ডব’ করছেন শাকিব খান, সঙ্গী সাবিলা নূর

‘তাণ্ডব’ করছেন শাকিব খান, সঙ্গী সাবিলা নূর দেশ সেরা নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অনেকেই স্বল্পসময়ে তারকা খ্যাতি পেয়েছেন। অনেক ধরে মিডিয়া পাড়ায় আলোচনা চলছে, শাকিব খানের নতুন নায়িকা সাবিলা নূর। কিছুদিন আগে খবর চাউর হয়, সিনেমাটি থেকে বাদ পড়েছেন সাবিলা নূর। যদিও এ নিয়ে সিনেমা সংশ্লিষ্ট কেউ-ই মুখ খুলেননি। এবার সামনে এলো শাকিব-সাবিলার শুটিংয়ের ছবি। ফলে এ জুটিকে নিয়ে নতুন করে চর্চা চলছে।  ‘তাণ্ডব’ সিনেমার নায়িকা হিসেবে সাবিলা নূর থাকছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে খবরটি অফিসিয়ালি না জানালেও গোপন রাখতে পারেনি। জানা গেছে, ঢাকার এফডিসির পর তাণ্ডবের শুটিং হচ্ছে রাজশাহীতে। আর সেখান থেকেই শাকিব খানের সঙ্গে সাবিলা নূরের রোমান্সের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবিটিতে যে শাকিব খানের পাশে সাবিলা নূর বসা তা স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে। সিনেমাটির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর। মানে আয়নাবাজির নাবিলা, ইধিকা পালের পর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যাচ্ছে সাবিলা নূরেরও। সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে আগামী ঈদুল আজহায় সিনেমা হল মাতাবেন তিনি।  টান টান উত্তেজনা আর অ্যাকশনে ভরপুর ‘তাণ্ডব’-এর মাধ্যমে প্রথমবার দেখা যাবে শাকিব-সাবিলার নয়া রসায়ন। সিনেমা সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’, ‘বরবাদ’র পর ‘তাণ্ডব’ দিয়ে বাজিমাত করবেন শাকিব খান। ‘তাণ্ডব’ বানাচ্ছেন গ্লোবাল ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘তুফান’-খ্যাত নির্মাতা রায়হান রাফী। তিনি বলেন, “নায়িকার ব্যাপারে কিছু বলতে চাচ্ছি না। কদিন পর টিজার আসবে তখন সবাই জানতে পারবেন। কয়েকটি দিন অপেক্ষা করতে হবে।” শাহরিয়ার শাকিলের প্রযোজনায় সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে আলফা আই এসভিএফ এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে

কেন নিজের প্রস্রাব পান করেন বলিউডের এই অভিনেতা

কেন নিজের প্রস্রাব পান করেন বলিউডের এই অভিনেতা বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা পরেশ রাওয়াল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চমকপ্রদ এক অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। বেশ আগে একবার হাঁটুর চোট সারাতে তিনি টানা ১৫ দিন নিজের প্রস্রাব পান করেন বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতা। ঘটনাটি ঘটেছিল রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ‘ঘটক’ সিনেমার শুটিং চলাকালে। শুটিংয়ের সময় হাঁটুতে আঘাত পান পরেশ। পরে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। হাসপাতালে তাকে দেখতে আসেন বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগনের বাবা, খ্যাতনামা অ্যাকশন কোরিওগ্রাফার বীরু দেবগন। তিনি পরেশকে চোট দ্রুত সারানোর একটি অদ্ভুত উপায় বাতলে দেন। সেটি হলো সকালে খালি পেটে নিজের প্রস্রাব পান করার পরামর্শ। পরেশ রাওয়াল বলেন, ‘বীরুজি আমাকে বলেছিলেন, সব যোদ্ধারাই এই পদ্ধতি অনুসরণ করে। যদি এটি অভ্যাস করতে পারো তাহলে ভবিষ্যতে আর কখনো চোটের জন্য সমস্যায় পড়বে না।’ সেই সঙ্গে অ্যালকোহল, রেড মিট ও তামাক পরিহার করার পরামর্শও দেন বীরু দেবগন। অভিজ্ঞতার বর্ণনায় পরেশ জানান, ‘আমি নিজের প্রস্রাবকে বিয়ারের মতো করে পান করতাম। টানা ১৫ দিন এভাবে চলার পর চিকিৎসকেরা এক্স-রে রিপোর্ট দেখে রীতিমতো হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন!’ চিকিৎসকদের হিসাব অনুযায়ী, পরেশের চোট সারতে সময় লাগার কথা ছিল আড়াই মাস। কিন্তু নিজের প্রস্রাব পানের পথ্য মেনে চলায় মাত্র ১৫ দিনেই তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন বলে দাবি করেছেন অভিনেতা।

‘বিয়ের পাত্র খুঁজে পাচ্ছি না’ বিষয়টি মজার ছলে বলেছি: মিলা

‘বিয়ের পাত্র খুঁজে পাচ্ছি না’ বিষয়টি মজার ছলে বলেছি: মিলা দেশের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী মিলা ইসলাম। নিয়মিত গান করছেন তিনি।  সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা। তার সেই বক্তব্য ঘিরে হঠাৎ করেই বিয়ের খবরে আলোচনায় এই গায়িকা, যা নিয়ে বিপাকে তিনি। এমন খবরে বিব্রত মিলা। তিনি বলেন, ‘বিয়ের পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না মিলা, আগ্রহীদের বলছেন বায়োডাটা পাঠাতে’ – বিষয়টি মজার ছলে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া। এটা সিরিয়াসভাবে নেওয়ার কিছু নেই। দেখলাম বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিয়ে প্রসঙ্গে বলা অংশটুকু শিরোনাম করছেন। আমি আপাতত বিয়ে নিয়ে ভাবছি না, এখন ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছি। যখন ভাবব, আপনাদের জানিয়ে বিয়ে করব। সকল সাংবাদিকদের অনুরোধ করব ওই প্রসঙ্গ উপস্থাপন না করার। তিনি আরও বলেন, বিয়ের খবর সংবাদ মাধ্যমে আসার পর মোবাইলে ম্যাসেজে ভরে গেছে। মোটকথা আমি বিপাকে পড়েছি। এমন খবর আমাকে বিব্রত করছে। সবাইকে অনুরোধ করব, অহেতুক খবর এড়িয়ে কাজের খবর ফোকাস করুন। সম্প্রতি মিলা ‘ইনসাফ’ সিনেমার পার্টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এই গানে কণ্ঠ দেওয়ার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে দীর্ঘ সাত বছরের বিরতি ভাঙেন মিলা। তার গাওয়া ওই গানের সুরকার ও সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন। আসছে ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

কাশ্মীর হামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিলেন সালমান

কাশ্মীর হামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিলেন সালমান কাশ্মীর হামলার আতঙ্ক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ভারতের সাধারণ মানুষ। ভ্রমণে গিয়ে পর্যটকদের এমন পরিণতি দেখে সবাই স্তব্ধ। বলিউড ভাইজান সালমান খানেরও একই অবস্থা। তিনি জঙ্গি হামলার পর বড় সিদ্ধান্ত নিলেন। ভাইজানকে এমনিতে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের হুমকিতে দিন পার করতে হচ্ছে। বিষ্ণোই শুধু তাকে হত্যার হুমকি দেয়নি, সালমানের পরিজনদের নিশানায় রেখেছেন। ফলে নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে সালমানের বাসভবনে। জানলার কাচও বদলে ফেলা হয়েছে। কিন্তু এমন আতঙ্কের মধ্যেও ‘সিকান্দার’ সিনেমার শুটিংও করেন সালমান। এবার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের হুমকির সঙ্গে যুক্ত হলো কাশ্মীরের পহেলগামের জঙ্গি হামলা। তাই বড় একটি অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিলেন এ অভিনেতা। ইংল্যান্ডে ‘দ্য বলিউড বিগ ওয়ান শো’ নামে একটি অনুষ্ঠান করার কথা ছিল সালমানের। কিন্তু আনন্দ করার সময় এটা নয়, কারণ দেশের মানুষ ভীত হয়ে আছেন। সবাই এমন ঘটনায় শোকাচ্ছন্ন। তাই এ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভাইজান। আজ (২৮ এপ্রিল) সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। তিনি লেখেন, ‘কাশ্মীরের দুঃখজনক ঘটনার জেরে সবাই ভারাক্রান্ত। এ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লন্ডনে ‘দ্য বলিউড বিগ ওয়ান শো’ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৪ ও ৫ মে। আমরা জানি, অনুরাগীরা আমাদের অনুষ্ঠান দেখার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু আমরা বুঝতে পেরেছি, শোকের সময়ে এই অনুষ্ঠান বন্ধ রাখাই ভালো। এই অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার কারণে কারও কোনো অসুবিধা হয়ে থাকলে তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’ সালমান খান ছাড়াও এ অনুষ্ঠানে থাকার কথা ছিল সারা আলি খান, বরুণ ধওয়ান, মাধুরী দীক্ষিত, টাইগার শ্রফ, কৃতি শ্যানন, সুনীল গ্রোভারসহ আরও অনেকের।

জেমস থেকে শাকিব, বিচ্ছেদের পরও আর মন দিতে পারেননি 

জেমস থেকে শাকিব, বিচ্ছেদের পরও আর মন দিতে পারেননি শোবিজ তারকাদের নিয়ে ভক্ত অনুরাগীদের আগ্রহের অন্ত নেই। তাদের সবকিছু নিয়েই ভক্তদের কৌতুহল। প্রিয় তারকা কি খাচ্ছেন, কি পরছেন, কাকে ফলো করছেন, কাকে মন দিচ্ছেন; সবকিছু। এসব কৌতুহলের মধ্যে প্রিয় তারকার ব্যক্তিজীবন নিয়েও জানতে চান তারা, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ থাকে প্রেম ও বিয়েতে। সব ভালোর মধ্যেও কিছু খবর ভক্তদের মন ভেঙে দেয়ে। তারকাদের সংসার ভাঙ্গার খবর মেনে নিতে পারেন না ভক্তরা। ঢাকাই শোবিজে অনেক তারকাই দীর্ঘদিন সংসার করেও সেটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি। জেমস- ভালোবেসে ১৯৯১ সালে মডেল ও অভিনেত্রী কানিজ রাবেয়া রথিকে বিয়ে করেছিলেন নগরবাউল জেমস। কিন্তু সে সংসার টেকেনি, ২০০৩ সালে বিচ্ছেদ হয় তাদের। এরপর জেমস বিয়ে করেন বেনজির সাজ্জাদকে। বেনজিরকে বিয়ে করার জন্য জেলেও যেতে হয়েছিল জেমসকে। এতকিছুর পর সে সংসারও টিকল না এই মহাতারকার। দুই বিচ্ছেদের পর আর কার সঙ্গেই সংসার শুরু করতে পারেননি জেমস। শাকিব খান- ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ এই নায়ক ২০০৮ সালে ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেছিলেন অপু বিশ্বাসকে। তাদের সংসারে একটি সন্তানও রয়েছে, আব্রাম খান জয়। ২০১৮ সালে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভে এসে সেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন অপু, যা পছন্দ হয়নি শাকিব খানের। এর তিন মাসের মধ্যেই ডিভোর্স দেন অপু। এরপর তার জীবনে আসে আরেক নায়িকা শবনম বুবলী। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে তাকে বিয়ে করেন শাকিব। সে সংসারেও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে, নাম শেহজাদ খান বীর। এরপর বুবলীকে ডিভোর্স দেন নায়ক। এক সাক্ষাতকারে নায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অপু এবং বুবলী দুজনেই তার কাছে অতীত। এরপর এই নায়ক আর কারো সঙ্গে এখনো ঘর বাধেন নি। আরিফিন শুভ- ভালোবেসে ২০১৫ সালে ফ্যাশন ডিজাইনার অর্পিতার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন আরিফিন শুভ। অর্পিতার বাড়ি ওপার বাংলা কলকাতায়। তিনি বিয়ের প্রায় আট বছর আগে থেকে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। হঠাৎ করেই গেল বছরে তাদের বিচ্ছেদের খবর সামনে আসে। গত ২০ জুলাই স্ত্রী অর্পিতার সঙ্গে সাড়ে নয় বছরের দাম্পত্যজীবনের বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানান আরিফিন শুভ। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি। শরিফুল রাজ- ২০২১ সালে অক্টোবরে ভালোবেসে পরীমনিকে বিয়ে করেন শরিফুল রাজ। ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি পরীমনি নিজের গর্ভাবস্থার ব্যাপারে গণমাধ্যমকে জানানোর আগ পর্যন্ত তারা বিবাহের খবর গোপন রাখেন। পরে ২২ জানুয়ারি তারা পুনরায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। ২০২২ সালের ১০ আগস্ট পুত্র সন্তানের বাবা হন রাজ। রাজ ও পরীর সন্তানের নাম শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। মনের অমিল, বনিবনা না হওয়ায় ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বরে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। বিচ্ছেদের পর এখনও কারো সঙ্গে সংসার পাতেননি এই নায়ক।

ময়ূখ রঞ্জনকে ‘গাধা’ বললেন ঋত্বিক চক্রবর্তী

ময়ূখ রঞ্জনকে ‘গাধা’ বললেন ঋত্বিক চক্রবর্তী ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল রিপাবলিক বাংলায় কখনও লাফিয়ে, কখনও দৌড়ে- হাত পা ছুঁড়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে সংবাদ উপস্থাপনা করেন তিনি। বাংলাদেশকে নিয়ে যত ধরণের উদ্ভট বানোয়াট কথার মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে হয়েছেন সমালোচনার পাত্র। তিনি আর কেউ নন- বলছি, কলকাতার মলম বিক্রেতা খ্যাত সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের কথা! এ নিয়ে শুধু বাংলাদেশের মানুষের কাছেই নয়, ওপার বাংলার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও তাকে নিয়ে সমালোচনা করেন। এবার পরোক্ষভাবে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে ইঙ্গিত করে একটি পোস্ট দিয়েছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে অভিনেতা লেখেন, ‘ধরুন একটা গাধার নাম দিলেন ময়ূর আর তাকে কালারফুল করতে পাশে বসালেন রঞ্জন, তাহলে পুরোটা হল ‘ময়ূররঞ্জন’।’ ঋত্বিকের সেই পোস্ট ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়, হাসির রোল পড়ে যায়। কেউ কেউ দাবি করেন, বছরের সেরা স্যাটায়ার পোস্ট এটি। অর্থাৎ, ময়ূখকে পরোক্ষভাবে গাধা বলে সম্বোধন করলেন কি অভিনেতা, প্রশ্ন বাঁধে অনেকের মনে। তবে ঋত্বিকের মন্তব্যঘর বিশ্লেষণ করে বুঝতে বাকি নেই, ময়ূখের যতো বিতর্কিত কাণ্ডে অতিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষও। শুধু তাই নয় অভিনেতার সেই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টের সঙ্গে একমত হয়েছেন তার ভক্তরাও। একজন লিখেছেন, ‘একদম ঠিক বলেছেন।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এসব আজেবাজে লোকদের নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করেন।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন, ‘দারুণ, অসাধারণ উপমা।’ ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল রিপাবলিক বাংলার সিনিয়র এডিটর ও হেড অব ইনপুট হিসেবে কর্মরত ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। তার সঙ্গে টালিগঞ্জের তারকাদেরও রয়েছে বেশ ওঠাবসা। মাঝে মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টালিউড তারকাদের সঙ্গে দেখা যায় তাকে। যেমন এর আগে ময়ূখের সঙ্গে ছবি তুলে বিপাকে পড়েছিলেন ওপার বাংলার অভিনেতা দেব ও রুক্মিণী মিত্র। এক নেটিজেন কটাক্ষ করে লিখেছিলেন, ‘দেব আর থাকবে না দাদা এবার থাকবে না, রুক্মির কাছে দেব থাকবে না।’