পাকিস্তানে জেতা ট্রফি নিয়ে মেসির মতো পোজ শান্তর

পাকিস্তানে জেতা ট্রফি নিয়ে মেসির মতো পোজ শান্তর পাকিস্তানের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে নিজেদের মাটিতেই পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ। যার প্রতিফলন দেখা দিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দেওয়া পোস্টে।   আজ সিরিজের ট্রফি নিয়ে ঘুমানোর একটি ছবি নিজের অফিশিয়াল পেইজে শেয়ার করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘শুভ সকাল। ’ তার দেওয়া এই পোস্টে ভক্তরা জানিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকের কাছে বিষয়টি ভালো লাগলেও অনেকে করেছেন সমালোচনা।  ছবির কমেন্ট সেকশনে একজন লিখেছেন, ‘সাধারণ এই ট্রফি নিয়ে এই অবস্থা,, আইসিসি ট্রফি হলে কি যে করতো। যাইহোক গরীবের মেসিকে অভিনন্দন। ’আরেক কমেন্টে অন্যজন লিখেন, ‘ভাই এই সিরিজে অধিনায়কত্ব ছাড়া আপনার আর কি অবদান আছে জাতি জানতে চায়। ’ আরেকজন  লিখেছেন, ‘নাটক কম করো পিও,এটা বিশ্বকাপ না। ’ তবে শুধু নেতিবাচক কমেন্ট না, অনেকেই শান্ত ও বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘মেসির ছোটভাই। অভিনন্দন ভাই। আরো বিজয় দেখতে চাই। ’ আরেকজন কমেন্ট করেছেন, ‘ট্রফি বুকে জড়িয়ে ঘুম কেমন হলো ক্যাপ্টেন? এমন আরও প্রচুর ছবি দেখতে চাই। ’ প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে রাওয়ালপিন্ডিতে টস হেরে প্রথম ইনিংসে ২৭৪ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ২৬২ রান। পাকিস্তান পরের ইনিংসে ১৭২ রানে অলআউট হলে ১৮৫ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় বাংলাদেশের সামনে। এই রান সহজেই তাড়া করে ফলে বাংলাদেশ। সঙ্গে সিরিজও নিজেদের কর নেয় তারা।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের দরকার ১৮৫ রান

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের দরকার ১৮৫ রান হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানার বোলিং তোপে তৃতীয় ইনিংসে পাকিস্তানকে ১৭২ রানে আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ। জেতার জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৮৫ রান। ২ উইকেটে ৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তানের উইকেটে প্রথম হানা দেন তাসকিন আহমেদ। ৩৫ বলে ২০ রান করা সাইম আইয়ুবকে মিড অফে নাজমুল হোসেনের ক্যাচে পরিণত করেন এই পেসার। এরপর ৩৪ বলে ২৮ রান করে  ওয়ানডে মেজাজে খেলতে থাকা শান মাসুদকে আউট করেন নাহিদ রানা।  শান উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। এর পর একে একে বাবর আজম ও সাউদ শাকিলকেও ফেরান নাহিদ।  এক সময় ৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা পাকিস্তানকে টেসে তোলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা। তাদের ৫৫ রানের জুটিতে পাকিস্তান কিছুটা বিপদ কাটিয়ে উঠে। কিন্তু বিরতির পর তৃতীয় ওভারের পর পর দুই বলে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও মোহাম্মদ আলিকে আউট করেন হাসান মাহমুদ। ৭৩ বলে ৪৩ রান করেন রিজওয়ান। আবরারের উইকেট তুলে নেন নাহিদ। শেষদিক সালমানের ৪৭ রানে ভর করে অলআউট হওয়ার আগে পাকিস্তান তুলে ১৭২ রান। দুই ইনিংস মিলিয়ে লিড নেয় ১৮৪ রানের। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ৫টি ও নাহিদ রানা নেন চারটি উইকেট।

হাসানের জোড়া আঘাতে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

হাসানের জোড়া আঘাতে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ সাদমান ইসলাম ক্যাচ মিস না করলে প্রথম বলেই আউট হতে পারতেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। কিন্তু এরপর যতটা সময় থেকেছেন, ততটা সময় বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে ছিলেন তিনি। আগা সালমানকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটছিলেন বড় জুটির দিকেই। কিন্তু দিনের দ্বিতীয় সেশনে তাকে সাজঘরে ফেরান হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশও পায় ব্রেকথ্রু। পরের বলেও উইকেটের দেখা পান হাসান, জাগিয়ে তোলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা। যদিও সেটি হয়নি। তবে তার জোড়া আঘাতে জয়ের সুবাস বেশ ভালোভাবেই পাচ্ছে টাইগাররা। রাওয়ালপিন্ডিতে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ২৭৪ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ২৬২ রান। চতুর্থ দিনে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করেছে পাকিস্তান। লিড নিয়েছে ১৫৭ রানের। আগা সালমান ২৪ ও আবরার আহমেদ ২ রানে ব্যাট করছেন। আগের দিন খুররাম শেহজাদ আউট হলে খেলা শেষ হয়ে যায়। এরপর চতুর্থ দিনের শুরুতে সায়েম আইয়ুবের সঙ্গী হন শান মাসুদ। দিনের নবম ওভারে তাদের জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। ড্রাইভ করতে গেলে মিড অফে তার দারুণ ক্যাচ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩৫ বলে ২০ রান করে ফেরেন আইয়ুব। টানা ছয় ওভার করার পর তাসকিনকে সরিয়ে আনা হয় নাহিদ রানাকে। এই পেসার দুর্দান্ত এক স্পেলই করেন। টানা তিন ওভারে উইকেট পান। শুরুটা হয় পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদকে দিয়ে। গুড লেন্থের বল বেরিয়ে যাওয়ার সময় ড্রাইভ করতে যান শান মাসুদ, কিন্তু বল ব্যাট ছুয়ে যায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ৩৪ বলে ২৮ রান করেন তিনি। পরের ওভারে এসে বাবর আজমও আউট হন। ১৮ বলে ১১ রান করার পর স্লিপে সাদমান ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পরের বলেই আরও একটি উইকেট পেয়ে যেতে পারতেন নাহিদ। কিন্তু মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই রিজওয়ানের তুলে দেওয়া ক্যাচ বাঁ দিকে সরে নিতে পারেননি সাদমান। এরপরও অবশ্য উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। ১০ বলে ২ রান করা সৌদ শাকিল নাহিদের বলেই ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক লিটনের হাতে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে অবশ্য বাংলাদেশকে ভুগতে হচ্ছে রিজওয়ানের ক্যাচ ছাড়ার জন্য। দ্বিতীয় সেশনে নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই পঞ্চম বলে রিজওয়ানকে (৪৩) ফেরান হাসান। অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন এই পাকিস্তানি ব্যাটার। পরের বলে স্লিপে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ আলী।

অবশেষে ২৬২ রানে অলআউট বাংলাদেশ

অবশেষে ২৬২ রানে অলআউট বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পর হাসলো লিটন দাসের ব্যাট। ক্রিজে ছিলেন শেষ ভরসা হয়ে।দলের বিপদে হাল ধরার পর তুলে নিয়েছেন অসাধারণ সেঞ্চুরি। এরপর ছুটছিলেন ১৫০-এর দিকেও। তবে সে পর্যন্ত যেতে পারেননি তিনি। তার থেমে যাওয়ায় লিডের দেখা পায়নি বাংলাদেশও। রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে করা ২৭৪ রানের জবাবে ২৬২ রানে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। পাকিস্তান লিড পেলো ১২ রানের। ফলে ১২ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিকরা। ২৬ রানেই ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশ ২৬২ পর্যন্ত যায় লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে। লিটন-মিরাজ সপ্তম উইকেটে ১৬৫ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দিয়ে লড়াকু পুঁজির ভিত গড়ে দেন। ১৯১ রানের মাথায় মিরাজ ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৭৮ রান করে ফিরলেও লিটন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ২২৮ বল খেলে ১৩টি চার ও ৪ ছক্কায় ১৩৮ রান করে আউট হন ২৬২ রানের মাথায়। সেই রানেই নাহিদ রানা এলবিডব্লিউ হলে অলআউট হয় বাংলাদেশ।বল হাতে পাকিস্তানের পেসার খুররম শাহজাদ ২১ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৯০ রান দিয়ে ৬টি উইকেট নেন। আর মীর হামজা ও সালমান আগা নেন ২টি করে উইকেট। টেস্টের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ শুরু থেকেই চাপে পড়ে। অল্পের জন্য জাকির হাসান বেঁচে যান আবরার আহমেদ ক্যাচ ধরতে না পারায়। তার সামান্য সামনে পড়ে বল, যদিও উদযাপন করে ফেলেছিলেন আবরার। কিন্তু টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট হয়, বল আগে পড়েছিল মাটিতে। এরপর জাকির আরও একবার সুযোগ পান। মীর হামজার বল জাকিরের প্যাডে লাগে, জোরালো আবেদনও হয়; কিন্তু আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেয়নি পাকিস্তানও। পরে রিপ্লেতে দেখা গেছে, স্টাম্পে আঘাত হানতো বল। পরের ওভারে এসেই অবশ্য জাকিরের উইকেট তুলে নেন খুররাম শেহজাদ। সেই আবরার আহমেদের হাতেই মিড উইকেট অঞ্চলে ক্যাচ দেন ১৬ বলে ১ রান করা এই ব্যাটার। পরের ওভারের প্রথম বলে সাদমান ইসলামকে বোল্ড করেন খুররাম। দুই বল পর একই ভাগ্য বরণ করতে হয় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। স্রেফ ৫ বলের ব্যবধানে তিন উইকেট তুলে বাংলাদেশকে পাহাড়সম চাপে ফেলে দেন খুররাম। পরে যত সময় গড়িয়েছে, তত সেটি বেড়েছে। উইকেটের দেখা পান সকাল থেকে দারুণ বল করা মীর হামজাও। ২ বলে কোনো রান করার আগেই তার লেগ স্টাম্পের বল ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে সহজ ক্যাচ দেন মুমিনুল। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানও পারেননি দলের হাল ধরতে। ৯ বলে ৩ রান করে মীর হামজার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মুশফিক। খুররামের বলে এলবিডব্লিউ হন ১০ বলে ২ রান করা সাকিব। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় ভেঙে পড়াটাই ছিল অনেকটা অনুমিত দৃশ্য। কিন্তু সেটি বদলে দেওয়ার কাজটি করেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের জুটিতে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর এসে দুজন হাফ সেঞ্চুরিও তুলে নেন। তাদের জুটি দেড়শ ছাড়ালে রেকর্ড গড়ে ফেলে। ৩০ রানের নিচে ৬ উইকেট হারানোর পর ১৫০ রানের জুটি হয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই। কিন্তু রেকর্ডের রানকে আর খুব বেশি বড় করতে পারেননি মিরাজ। খুররাম শেহজাদের কিছুটা লাফিয়ে উঠা বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে বোলারের হাতেই ক্যাচ দেন তিনি। ১২৪ বলে ৭৮ রান করেন মিরাজ। এরপর উইকেটে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি তাসকিনও। ৫ বলে ১ রান করে এলবিডব্লিউ আউট হয়েছেন খুররামের পরের ওভারে। এরপরই চা বিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। বাংলাদেশের আশা হয়ে ছিলেন লিটন। মিরাজ না পারলেও তিনি সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে থেকে অসাধারণ এক ইনিংস খেলেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ১৭১ বলে স্পর্শ করেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি। দারুণ খেলতে থাকা লিটন শেষদিকে একাই হাল ধরেছিলেন। মিরাজের পর তাকে অনেকটা সময় সঙ্গ দিয়ে গেছেন হাসান মাহমুদ। ৫১ বলে ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন হাসান। তবে অপরপ্রান্তে লিটন নবম উইকেট হিসেবে বিদায় নেন। ২২৮ বল খেলে ১৩৮ রান করেন তিনি। ১৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংস। লিটনের পর শেষদিকে নাহিদ রানা (০) দ্রুত বিদায় নিলে আর লিড পাওয়া হয়নি বাংলাদেশ।

বিগ ব্যাশে দল পেলেন রিশাদ

বিগ ব্যাশে দল পেলেন রিশাদ আসন্ন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশের ১৪তম আসরের ড্রাফটে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের ১০ ক্রিকেটার। সেই ড্রাফটে নাম লিখিয়েছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তরুণ এই টাইগার লেগ স্পিনারকে দলে ভিড়িয়েছে হোবার্ট হ্যারিকেন্স। সাকিব আল হাসানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে বিগ ব্যাশে ডাক পেলেন রিশাদ। আজ ড্রাফটের ২৮ নম্বর ডাকে বাংলাদেশের এই লেগ স্পিনারকে দলে ভেড়ায় দুই বারের রানারআপ হোবার্ট হ্যারিকেন্স। সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে রিশাদকে স্বাগত জানিয়েছেন হোবার্ট হারিকেন্স। সেখানে তরুণ এই ক্রিকেটারকে দুর্দান্ত তরুণ লেগ স্পিনার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার এই লিগে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে খেলেছেন সাকিব। কিন্তু তিনিও ২০১৫ সালের পর থেকে এ লিগে খেলেননি। ২০১৪ সালে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেন সাকিব। পরের মৌসুমে তিনি মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে আরও চারটি ম্যাচ খেলেছিলেন।

১০ দিনের জন্য মাঠের বাইরে শরিফুল

১০ দিনের জন্য মাঠের বাইরে শরিফুল কুঁচকির চোটে দশ দিনের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেন পেসার শরিফুল ইসলাম৷ রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে পাওয়া এই চোটের কারণে শরিফুল খেলতে পারছেন না দ্বিতীয় টেস্টে। তার পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ।  শনিবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় দলের ফিজিও বায়জিদ ইসলামের বরাত দিয়ে বিসিবি জানায়, শরিফুলের ফিট হয়ে ফিরতে ১০ দিন লাগতে পারে। বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘প্রথম টেস্টের পর শরিফুল একটি এমআরআই করিয়েছিলেন এবং চোট গ্রেড ওয়ান পর্যায়ে আছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে সুস্থ হয়ে ফিরতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে এবং তিনি তার পুনর্বাসন শুরু করেছেন।’  দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রথম টেস্টে শরিফুল নিয়েছেন ৩ উইকেট। ব্যাট হাতে করেন ২২ রান। সামনে ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ থাকায় ঝুঁকি নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট।

সমতায় ফেরার সুযোগ না পেয়ে সিরিজ হাতছাড়া

সমতায় ফেরার সুযোগ না পেয়ে সিরিজ হাতছাড়া পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি খুব বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ইসলামাবাদে ৮ উইকেটে ম্যাচ হেরেছিল তাওহীদ হৃদয়ের দল। পরের দুই ম্যাচে সিরিজের ফয়সালা হতো। কিন্তু বৃষ্টির বাগড়ায় প্রথমে দ্বিতীয় ওয়ানডে পরিত্যক্ত হয়। ফলে শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশ দলের জন্য ছিল সিরিজে সমতা ফেরানোর। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচটিও গেছে বৃষ্টির পেটে। তাতে সিরিজ হাতছাড়া হলো সৌম্য, তাওহীদ, সাইফদের। ইসলামাবাদে বৃষ্টির বাগড়ায় এদিনও টস অনুষ্ঠিত হয়নি। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে কাভারও তুলতে পারেননি গ্রাউন্ডসম্যানরা। লম্বা সময় পর বাংলাদেশ ‘এ’ দল এই সফরে তিনটি ওয়ানডের পাশাপাশি দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলার কথা ছিল। আগামীকাল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন সাকিব-তামিম

যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন সাকিব-তামিম বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকাদের দুজন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। কিন্তু অনেকদিন ধরেই তাদের টানাপোড়ন চলছে সম্পর্কে। এর মধ্যে জানা গেল, এবার একসঙ্গে খেলতে যাচ্ছেন তারা।   মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি টি টেন টুর্নামেন্টে খেলতে তামিম ও সাকিব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক ভিডিওবার্তায় তামিম জানিয়েছেন আমেরিকার ন্যাশনাল লিগ ক্রিকেটে দেখা যাবে তাকে। এই টুর্নামেন্টে সাকিবের খেলার ব্যাপারটিও জানিয়েছেন আয়োজকরা।  আগামী ৪-১৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে দশ ওভারের এই টুর্নামেন্ট। ডালাসের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। অংশ নেবে ছয়টি দল। টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তামিম বলেন, ‘আগামী ৪-১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আমেরিকার ন্যাশনাল লিগ ক্রিকেটে আমি অংশ নিচ্ছি। আশা করি সবার সাথে দেখা হবে, বিশেষ করে বাংলাদেশি ফ্যানদের সাথে। টুর্নামেন্টটির অংশ হতে তর সইছে না। দেখা হচ্ছে শিগগিরই।  বাংলাদেশের এই দুই তারকা ক্রিকেটার ছাড়াও মোহাম্মদ কাইফ, সুনীল নারিন, ডোয়াইন ব্রাভো, মোহাম্মদ আমির, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ইমরান তাহির, জেসন রয়, শহীদ আফ্রিদির মতো তারকারাও অংশ নিচ্ছেন টুর্নামেন্টটিতে। যদিও কে কোন দলে খেলবেন তা এখনও জানা যায়নি। ওয়াসিম আকরাম-ভিভ রিচার্ডসের মতো ক্রিকেটাররা থাকবেন মেন্টর হিসেবে।

আইসিসির চেয়ারম্যান হলেন ভারতের জয় শাহ

আইসিসির চেয়ারম্যান হলেন ভারতের জয় শাহ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) চেয়ারম্যান হলেন জয় শাহ। মঙ্গলবার (২৭ অগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ২৭ অগস্ট ছিল মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। জয় শাহ ছাড়া আর কেউ মনোনয়ন জমা দেননি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইসিসির সর্বোচ্চ পদে বসলেন জয় শাহ। আইসিসির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান হলেন ৩৫ বছর বয়সী এই ভারতীয় সংগঠক। এর আগে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জয় শাহ। তাছাড়া এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে আইসিসির দায়িত্ব নেবেন জয় শাহ। আগামী ৬ বছর এই পদে থাকবেন তিনি। নতুন দায়িত্ব পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। আইসিসিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় জয় শাহ বলেন, ‘আইসিসির চেয়ারম্যান হয়ে আমি খুব খুশি। বিশ্ব জুড়ে ক্রিকেটের উন্নতির জন্য আমি ও আমার দল কাজ করবো। আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটের মধ্যে একটি ভারসাম্য প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ক্রিকেটে নতুন নতুন প্রযুক্তিও আসছে। ক্রিকেটের বাজার আরও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটকে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করব আমরা।’ চলতি বছরের নভেম্বরে শেষ হচ্ছে আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান চাননি গ্রেগ বার্কলের মেয়াদ। এই মেয়াদসহ টানা দুই মেয়াদে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন।

হোপ ঝড়ে ধবলধোলাই দক্ষিণ আফ্রিকা

হোপ ঝড়ে ধবলধোলাই দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে সুযোগ ছিল শেষ ম্যাচ জিতে শেষটা ভালো করার। তবে সেটাও হতে দিলো না ক্যারিবীয়রা। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও প্রোটিয়াদের হারিয়েছে তারা। শাই হোপ ঝড়ে ৮ উইকেটের হারে ধবলধোলাই হয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করলো এইডেন মার্করামের দল। ২৭ আগস্ট ত্রিনিদাদে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ও ত্রিস্টান স্টাবসের ঝড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ১৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৮ রানের সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা। জবাবে শাই হোপ, নিকোলাস পুরানদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২ উইকেট হারিয়ে ৯.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার রায়ান রিকেলটন ও রিজা হেনড্রিকস। তবে তারা বেশিদূর যেতে পারেননি। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে হানা দেয় বৃষ্টি। এরপর বৃষ্টি কমলে ম্যাচ নামিয়ে আনা হয় ১৩ ওভারে। বৃষ্টির পরপরই হেনড্রিকসকে ফেরান আকিল হোসেন। ২০ বলে ৯ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন রিকেলটন ও মার্করাম। ১২ বলে দুইটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে ২০ রান করে ফেরেন মার্করাম। ২৪ বলে ২৭ রান করেন রিকেলটন। এরপর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ত্রিস্টান স্টাবস। ইনিংসের শেষ ওভারে ঝড় তোলার পর ১৫ বলে পাঁচটি চার ও তিন ছক্কায় ৪০ রান করে আউট হন তিনি। জবাব দিতে নেমে প্রথম ওভারেই ফিরে যান এলিক আথানজে। ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন পুরান। ১৩ বলে দু চার ও চার ছক্কায় ৩৫ রান করে ফিরে যান তিনি। বাকি পথে ঝড় তুলে যান শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ার। ২২ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।২৪ বলে চারটি ছক্কা ও এক চারে অপরাজিত ৪২ রান করেন হোপ। ১৭ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। ম্যাচসেরা হয়েছেন রোমারিও শেফার্ড, সিরিজ সেরা হয়েছেন শাই হোপ।