জাতীয় দলের বিপক্ষে অল স্টারের দল ঘোষণা

জাতীয় দলের বিপক্ষে অল স্টারের দল ঘোষণা গেল মাসের ২৩ তারিখ থেকে মাঠে গড়িয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে ফরম্যাট। গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে গেল মঙ্গলবার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল মিরপুর শেরে-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ফাইনাল শেষে অবশ্য বিশ্রামে থাকতে পারছেন না জাতীয় দলের পাশাপাশি আরো বেশ কিছু ক্রিকেটার। আগামীকাল ৭ মার্চ মিরপুর শেরে-ই বাংলা স্টেডিয়ামে আরেকটি ম্যাচে ক্রিকেটাররা মাঠে নামতে যাচ্ছেন। যেখানে একটি দলের হয়ে লড়বেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। আর অন্য দলে থাকবে বিসিএল দুর্দান্ত পারফর্ম করা ক্রিকেটাররা। বিসিএল অল স্টার দলের হয়ে খেলবেন আকবর আলী, রিপন মণ্ডল, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, রবিউল হক, মাহফিজুল রবিন, নাঈম শেখ, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, সৌম্য সরকার, নাইম হাসান, খালেদ আহমেদ, পারভেজ ইমন, মোসাদ্দেক সৈকত ও জিসান আলমরা। ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে, যা শেষ হওয়ার সময় রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে। এই ম্যাচ শেষেই জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা প্রস্তুতিতে নামবেন পাকিস্তান সিরিজের জন্য। সবকিছু ঠিক থাকলে ১১ মার্চ প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামবে দুই দল। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ হবে ১৩ এবং ১৫ মার্চ। সব ম্যাচ হবে শেরে-ই বাংলায়। বিসিএল অল স্টারস দল: আকবর আলী (অধিনায়ক), নাইম শেখ, সৌম্য সরকার, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, পারভেজ ইমন, মাহিদুল অঙ্কন, মোসাদ্দেক সৈকত, তানভীর ইসলাম, রিপন মন্ডল, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, রবিউল হক, রাকিবুল হাসান, জিসান আলম, নাইম হাসান
ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে নির্ধারিত হতে পারে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন!

ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে নির্ধারিত হতে পারে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন! সর্বশেষ দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন (যথাক্রমে) ইংল্যান্ড ও ভারত আবারও সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। আগের দুই আসরেই তারা সেমিফাইনালে লড়েছিল। পরবর্তীতে শিরোপা উৎসব–ও করেছে দুই দলের দ্বৈরথে বিজয়ীরা। আবার ভারত-ইংল্যান্ড উভয়েই তৃতীয়বারের মতো সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার মিশনে রয়েছে। ইতোমধ্যে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনালিস্ট নির্ধারিত হয়েছে। প্রথম সেমিফাইনালে গতকাল (বুধবার) দক্ষিণ আফ্রিকাকে একপেশে লড়াইয়ে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এখন তারা ফাইনালের প্রতিপক্ষ পাওয়ার অপেক্ষায়। আজ (বৃহস্পতিবার) মুম্বাইয়ের ওয়ানখেড়ে স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে লড়বে ভারত ও ইংল্যান্ড। এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একপেশে দাপট দেখিয়ে ভারতকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। যেখানে নির্ধারিত ২০ ওভারে আগে ব্যাট করতে নেমে রোহিত-কোহলিদের ভারত ১৬৮ রান তোলে। লক্ষ্য তাড়ায় মাত্র ১৬ ওভারেই ১০ উইকেট হাতে রেখে জিতেছে জস বাটলারের দল। এরপর ফাইনালে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ইংল্যান্ড দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে। ২০২৪ আসরে হারের বদলা নেয় ভারত। দুই দলের সেই সেমিফাইনালও হয়েছে একপেশে। ভারতের দেওয়া ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় মাত্র ১০১ রানে গুটিয়ে যায় ইংলিশরা। এরপর রোমাঞ্চকর ফাইনালে প্রোটিয়াদের হারিয়ে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।সবমিলিয়ে বিশ্বকাপের ভারত-ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ঐতিহাসিক ম্যাচে পরিণত হতে যাচ্ছে। যেখানে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সূর্যকুমার যাদবের দল স্পষ্ট ফেভারিট। একইসঙ্গে তারা স্বাগতিক দর্শকদের তুমুল সমর্থনও পাচ্ছে। চলমান আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ বাদে নিজেদের ৮ ম্যাচের সাতটিতেই জিতেছে ভারত। বিপরীতে, এবারের আসরে সবচেয়ে টালমাটাল পথ পাড়ি দিয়ে সেমিতে উঠেছে ইংল্যান্ড। ইতালি-নেপালের কাছে হারতে হারতে বেঁচে যাওয়া দলটিও ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাদে বাকি ৭ ম্যাচে জয় পায়। এবারের বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড উভয়েই তাদের স্কোয়াডের অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত ক্রিকেটারদের কাছ থেকে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স পেয়েছে। ভারতের জন্য সাম্প্রতিক উদাহরণ সঞ্জু স্যামসন। রিঙ্কু সিংয়ের পারিবারিক শোকের কারণে তিনি দ্বিতীয় সুযোগ পান। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইডেন গার্ডেন্সে তিনি ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। বিপরীতে, ২০২২ সালে শিরোপা জয়ের সময় স্যাম কারান ছিলেন টুর্নামেন্ট ও ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়। তবে এক বছর আগেও দল থেকে দূরে চলে যান। তিনিই এখন আবার ফিরেছেন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার হিসেবে এবং চাপের মুহূর্তে ডেথ ওভারে প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন। এ ছাড়া হ্যারি ব্রুকও তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে এসেছেন টুর্নামেন্টের আগমুহূর্তে তুমুল ফর্মে থেকে বিশ্বকাপে ফ্লপ পরিণত হওয়া জস বাটলার ও ফিল সল্টের সুবাদে। সাত ম্যাচে তাদের ওপেনিং জুটিতে এসেছে মাত্র ৮৪ রান। সেই ঝড় সামাল দেন ব্রুক। একদিকে এটি ইংল্যান্ডের জন্য সুযোগ, কারণ এখান থেকে উন্নতির জায়গা এখনও অনেক। অন্যদিকে এটি ভারতের জন্য স্পষ্ট আক্রমণের সুযোগ। ভারতের বোলিং আক্রমণ এখন দারুণ ছন্দ এবং বৈচিত্র্যে ভরপুর। যা ইংল্যান্ডকে এমন চাপে ফেলতে পারে, যার মুখোমুখি তারা এখনও হয়নি। সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে ভারতের প্রধান অস্ত্র অবশ্যই জাসপ্রিত বুমরাহ। তিনি প্রতিপক্ষের আশা ভেঙে দেওয়ায় বিশেষজ্ঞ’র পর্যায়ে বলা চলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২তম ওভারে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ডানহাতি এই পেসার। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড এবার ভিন্নভাবে ব্যবহার করছে জোফরা আর্চারকে। টানা পাঁচ ম্যাচে তিনি পাওয়ারপ্লেতে তিন ওভার করে বল করেছেন। যেন শুরুতেই চাপ তৈরি করে মাঝের ওভারগুলো স্পিনারদের জন্য সহজ করে দেওয়া যায়। তবে ভারতের ওপেনারদের বিপক্ষে আর্চারের পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে কৌশলে দ্রুত পরিবর্তন আনতে হতে পারে!
ফাইনালে সেরা ক্রিকেট খেলতে চায় নিউজিল্যান্ড

ফাইনালে সেরা ক্রিকেট খেলতে চায় নিউজিল্যান্ড ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের পর কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার জানালেন, আগামী রোববার আহমেদাবাদে ফাইনালেও নিখুঁত ক্রিকেট উপহার দিতে চান তারা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিতে পেরেও খুশি তিনি। স্যান্টনার বলেছেন, ‘খুব ভালো হবে যদি ফাইনালেও এরকম নিখুঁত ম্যাচ খেলতে পারি। তবে এটা আলাদা মাঠ ছিল। বিশ্বকাপে আগে এখানে খেলিনি। তা ছাড়া লাল মাটির পিচ না কালো মাটির পিচ, এ রকম অনেক কিছুর ওপর দলগঠন নির্ভর করে। মাঠের আকারও বিভিন্ন ধরনের হয়। আপাতত জয়ে খুব খুশি। আরও দু’দিন আছে হাতে। দেখা যাক কী হয়। আগে বলেছিলাম, নিখুঁত ক্রিকেট খেলতে পারিনি। আজ সব দিক থেকেই দিনটা ভালো গিয়েছে আমাদের কাছে।” এক সময় ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে পৌঁছে গিয়েছিল ১৬৬-তে। তবে স্যান্টনারের কখনোই মনে হয়নি রান তাড়া করতে পারবেন না। বলছিলেন, “মিথ্যা বলব না, মাত্র ১৭০ রান উঠেছে দেখে খুশিই হয়েছিল। যদিও পাওয়ার প্লে-তে পিচ কেমন থাকবে সেটা নিয়ে চিন্তা ছিলই। তবে যেভাবে দুই ওপেনার ক্রিজে নেমে দাপট দেখিয়েছে, তা অসাধারণ লেগেছে। পাওয়ার প্লে-তে ওপেনিং জুটি এরকম খেললে ম্যাচে আপনি বাড়তি সুবিধা পাবেনই।” দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে গ্রুপ পর্বে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালে তার প্রতিশোধ নিতে পেরে খুশি স্যান্টনার। বলেছেন, “হারের মতো জিতলেও অনেক কিছু থেকে শিক্ষা নেওয়ার থাকে। আহমেদাবাদের ওই ম্যাচে আজকের মতো ভালো খেলেছিলাম কি না জানি না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা অসাধারণ খেলেছিল। আজ চেয়েছিলাম ওদের যতটা সম্ভব চাপে রাখতে। শুরুতে স্পিনারদের এগিয়ে দিয়েছিলাম, যেটা আহমেদাবাদে করিনি।” গত বার ফাইনালে উঠলেও এবার সেমিফাইনালে থেমে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার দৌড়। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম জানালেন, প্রথমে ব্যাট করার সময় পিচ কঠিন ছিল বলেই প্রত্যাশিত রান তুলতে পারেননি তারা। কৃতিত্ব দিয়েছেন শতরানকারী ফিন অ্যালেনকেও। মার্করাম বলেছেন, “প্রথম দিকে ব্যাট করা সহজ ছিল না। ওরা দারুণ বল করেছে। বল সহজে ব্যাটে আসছিল না। হঠাৎ হঠাৎ থমকে যাচ্ছিল। কিছু কিছু বল নিচু হয়ে যাচ্ছিল। তাই রান তোলা খুব কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তা ছাড়া ব্যাট হাতে বিপক্ষের কেউ (অ্যালেন) যদি ও রকম ইনিংস খেলে দেয় তাহলে জেতা খুবই কঠিন।”
অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ঘরোয়া ক্রিকেটার হলেন লাবুশান

অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ঘরোয়া ক্রিকেটার হলেন লাবুশান কুইন্সল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটানোর পর মার্নাস লাবুশান অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একদিনের ঘরোয়া খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের ব্যাটসম্যান কার্টিস প্যাটারসনের চেয়ে তিনি এক ভোট পেয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান একদিনের এক মৌসুমে চারটি সেঞ্চুরি করা মাত্র চতুর্থ ব্যাটসম্যান। বাকি তিন ব্যাটসম্যান হলেন, ফিল জ্যাকস, ব্র্যাড হজ এবং ড্যানিয়েল হিউজেস। লাবুশান মাত্র ছয় ইনিংসে ৪৬৮ রান করে ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন। তিনি ৯৬.৪৯ স্ট্রাইক রেট নিয়ে ৭৮ গড়ে ব্যাট করেছেন। ফাইনালিস্ট তাসমানিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে তিনি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়াও বোল হাতে তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে ২৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন এবং ভিক্টোরিয়া এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও দুটি সেঞ্চুরি করেছেন। ভোটে লাবুশান ২০ ভোট এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের কার্টিস প্যাটারসনের পেয়েছেন ১৯ ভোট। সাত ইনিংসে তিনি তিনটি সেঞ্চুরি এবং দুটি অর্ধশতক করেছেন। তাসমানিয়ার বিউ ওয়েবস্টার ১২টি ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন, যেখানে টিম ওয়ার্ড এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার জোয়েল কার্টিস ১০টি করে ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। মাঠের উভয় আম্পায়ারই ভোট দেন, যারা প্রত্যেকে ৩-২-১ ভোট দেন। একজন খেলোয়াড় প্রতি ম্যাচে সর্বোচ্চ ছয়টি ভোট পেতে পারেন, আগের বছরগুলোতে আম্পায়াররা একসঙ্গে ভোট দেওয়ার সময় এর বিপরীতে।
ইডেনে ফাইনালের টিকিট পেতে প্রোটিয়া বনাম কিউই দ্বৈরথ

ইডেনে ফাইনালের টিকিট পেতে প্রোটিয়া বনাম কিউই দ্বৈরথ দেখতে দেখতে শেষের পথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট পর্ব মিলিয়ে ম্যাচ হয়েছে ৫২টি। আসর শেষ হতে বাকি আর মাত্র তিন ম্যাচ। দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনাল আজ ভারতের ইডেন গার্ডেনসে অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে মাঠে নামবে চলতি বিশ্বকাপের একমাত্র অপরাজিত দল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের প্রতিপক্ষ নিউ জিল্যান্ড। খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবার করে ফাইনাল খেলেছে এই দুই দল। ২০২১ সালে নিউ জিল্যান্ড এবং ২০২৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ফাইনাল খেলেছিল। কোনো দলই জিততে পারেনি ফাইনাল। দ্বিতীয়বারের মত ফাইনালে ওঠার সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে দু’দলকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে তিনবার সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’বার হারলেও, একবার জয় পায় প্রোটিয়ারা। চারবার সেমিফাইনাল খেলেছে নিউ জিল্যান্ড। এর মধ্যে মাত্র একবার সেমিফাইনালে জিততে পারে কিউইরা। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা ১২টিতে এবং নিউ জিল্যান্ড ৭টিতে জিতেছে। গ্রুপ পর্বে দুই দলের দেখা হয়েছিল। আহমেদাবাদে নিউ জিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা মাঠে নেমেছিল। নিউ জিল্যান্ডের ৭ উইকেটে করা ১৭৫ রান দক্ষিণ আফ্রিকা তাড়া করে জিতেছিল ৭ উইকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকা এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অপরাজিত দল। ৭ ম্যাচের ৭টিতেই তারা জিতেছে। গ্রুপ পর্বে কানাডা, আফগানিস্তান, নিউ জিল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে সেরা দল হিসেবে সুপার এইটে উঠে প্রোটিয়ারা। সুপার এইটে ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ফের তাদের প্রতিপক্ষ নিউ জিল্যান্ড। নিজেদেরকে ফেভারিট মনে করেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ শুক্রি কনরাড, ‘‘আমরা বিশ্বকাপের ফেভারিট। আমার সবসময়ই মনে হয়, দল হিসেবে ফেভারিট হয়েই খেলতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আন্ডারডগ হওয়া খুব সহজ। বড় কোনো প্রত্যাশা থাকে না। এখন পর্যন্ত যা করছি, এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে অনেক কিছুই সম্ভব। সামনের পথচলায় ভাগ্যের সহায়তাও প্রয়োজন। আশা করি, সামনের ম্যাচগুলোর পারফরম্যান্স ছেলেরা ধরে রাখতে পারবে এবং দলের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।’’ গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে সুপার এইটে উঠে নিউ জিল্যান্ড। আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডার বিপক্ষে জিতলেও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার মানে কিউইরা। সুপার এইটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। পরের ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পায় নিউ জিল্যান্ড। এরপর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ায় সুপার এইট থেকে ছিটকে যাবার শঙ্কায় পড়ে তারা। কিন্তু ভাগ্যের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় নিউ জিল্যান্ড। সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী নিউ জিল্যান্ড কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেন, ‘‘এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা দল দক্ষিণ আফ্রিকা। খুব ভাল ক্রিকেট খেলছে তারা। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে আমরা খেলেছি। ৭ উইকেটে ঐ ম্যাচ হারি আমরা। এবার আমরা প্রতিশোধ নিতে চাই এবং জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে মুখিয়ে আছে সবাই।’’ বিশ্বকাপের মঞ্চে নিউ জিল্যান্ডের কাছে কখনো হারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। আগের পাঁচবারের মোকাবেলায় সবগুলোতেই জয় পেয়েছে প্রোটিয়ারা। এবার লড়াইটা সেমিফাইনাল। ফাইনাল থেকে দুই দল এক কদম দূরে। ইডেনে আজ কার মুখে ফুটবে হাসি? শেষ ম্যাচে শিশির ম্যাচে বড় প্রভাব রেখেছিল। তাইতো দুই দলের ভাবনাতে আজ টস ভাগ্য পরীক্ষাও কাজ করছে। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে কে ফাইনালের টিকিট পায় সেটাই দেখার।
ছয় নতুন মুখ নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা পাকিস্তানের

ছয় নতুন মুখ নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা পাকিস্তানের বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। সফরকারী দলকে নেতৃত্ব দেবেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। দলে আছে ছয় নতুন মুখ। তারা হলেন আবদুল সামাদ, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ গাজি ঘুরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান এবং শামিল হোসেন। পাকিস্তান দল ঢাকায় পা রাখবে ৮ মার্চ। ১১, ১৩ আর ১৫ মার্চ তিনটি ওয়ানডে। সবকটি ম্যাচই হবে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। পাকিস্তান স্কোয়াড শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফয়সাল আকরাম, হারিস রউফ, হুসাইন তালাত, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, মোহাম্মদ গাজি ঘুরি (উইকেটরক্ষক), সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলি আগা এবং শামিল হোসেন।
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: অনিশ্চয়তার মুখে আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: অনিশ্চয়তার মুখে আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ ফুটবল বিশ্বের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই ‘ফিনালিসিমা’ নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে অনিশ্চয়তার মেঘ। আগামী ২৭ মার্চ কাতারের দোহায় ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং দক্ষিণ আমেরিকার রাজা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ইরানি হামলার প্রেক্ষাপটে কাতার সব ধরনের খেলাধুলা স্থগিত ঘোষণা করায় এই মেগা ম্যাচটি এখন ভেস্তে যাওয়ার উপক্রমে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক জরুরি বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশটিতে সব ধরনের ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট, প্রতিযোগিতা এবং ম্যাচ স্থগিত থাকবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় লিগের পাশাপাশি দোহায় নির্ধারিত হাই-প্রোফাইল আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোও সরাসরি প্রভাবের মুখে পড়েছে। অ্যাথলেট এবং দর্শকদের নিরাপত্তাকেই এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে আয়োজক দেশটি। ম্যাচ শুরু হতে হাতে আছে মাত্র ২৬ দিন। বর্তমানে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশপথ সংকুচিত করায় স্পেন ও আর্জেন্টিনা দলের কাতার পৌঁছানো নিয়ে বড় ধরনের লজিস্টিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো তদারকি করলেও, ফিনালিসিমার মতো বড় আসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশটির ‘সুপ্রিম কমিটি’। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে ম্যাচটি বাতিল ঘোষণা করা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না তাদের সামনে। স্পেন দলের প্রস্তুতি পরিকল্পনাও এতে বড় ধাক্কা খেয়েছে। এই উইন্ডোতে মিসরের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল তাদের। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো আন্তর্জাতিক সূচিই এখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর ঝুলে আছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উভয় সংস্থাই বর্তমানে তাদের অংশগ্রহণ চুক্তির শর্তাবলি এবং বীমা পলিসিগুলো পর্যালোচনা করছে। সাধারণত বড় ম্যাচের ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত নিরাপত্তা ঝুঁকি বা বাতিলের কারণে আর্থিক ক্ষতি এড়াতে এ ধরনের শক্তিশালী বীমা সুরক্ষা নিশ্চিত করা থাকে। আয়োজক দেশ কাতার থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বাতিলের নোটিশ পায়নি ইউরোপীয় ও দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা ও কনমেবল। ফুটবল নিয়ন্ত্রক এই দুই সংস্থার নীরবতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পর্দার আড়ালে হয়তো বিকল্প ভেন্যু বা নতুন কোনো তারিখ নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে হাতে সময় খুব কম থাকায় শেষ মুহূর্তে কী ঘটে, তা নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না ফুটবল ভক্তদের।
জুনে ভারত সফরে যাবে আফগানিস্তান

জুনে ভারত সফরে যাবে আফগানিস্তান চলতি বছরের জুনে ভারত সফরে যাবে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। আসন্ন এই সিরিজে থাকছে তিনটি ওয়ানডে এবং একটি টেস্ট ম্যাচ। সূচি অনুযায়ী, চণ্ডগড়ে ৬ জুন শুরু হবে একমাত্র টেস্টটি। এরপর ১৪, ১৭ ও ২০ জুন হবে তিনটি ওয়ানডে। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ধরমশালা, লখনৌ ও চেন্নাইয়ে।টেস্ট ম্যাচটি দুদলের মধ্যে মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম টেস্ট হয়েছিল ২০১৮ সালে। বেঙ্গালুরুতে সেই ম্যাচে ভারত ইনিংস ও ২৬২ রানে জিতেছিল। নতুন টেস্টটি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫-২৭ চক্রের অংশ নয়। আইপিএলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ মে। বিশ্বের ঘরোয়া ক্রিকেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যয়বহুল এই টুর্নামেন্ট শেস হওয়ার ছয় দিন পরই শুরু হচ্ছে ভারত-আফগানিস্তান সিরিজ। এটিই ভারত-আফগানিস্তানের প্রথম দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ। এর আগে দুই দল ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল শুধু এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে। এদিকে ভারত সফরের আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ খেলবে আফগানরা। লঙ্কান বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে নবী-রশিদরা। এদিকে বিশ্বকাপের পর খানিকটা অলস সময় পার করবে ভারত ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠে আফগানিস্তান সিরিজ খেলার আগ পর্যন্ত অবসর সময়ই কাটাবে ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তবে আফগান সিরিজটি ব্যস্ত সূচির শুরু মাত্র। রশিদ খানদের বিপক্ষে টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজ খেলার পরের মাসে ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারত।
নতুন ভেন্যুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে ভারত

নতুন ভেন্যুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে ভারত চলতি বছরের আইপিএল শেষে আফগানিস্তানকে স্বাগত জানিয়ে নতুন টেস্ট ভেন্যুর পথচলা শুরু করবে ভারত। আগামী জুনে এক টেস্ট ও তিন ওয়ানডের জন্য আফগানদের স্বাগত জানাবে তারা। দুই দলের একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি হবে নিউ চণ্ডীগড় স্টেডিয়ামে। ওই ম্যাচ দিয়ে ভারতের ৩১তম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে যাত্রা শুরু হবে মাঠের। চলমান টি-টোয়েন্টি এইটের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দারুণ জয়ের এই খবর দিয়েছে ভারত। আজ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও তিন ওয়ানডের সূচি প্রকাশ করেছে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। নিউ চণ্ডীগড়ে আগামী ৬ জুন শুরু হবে আফগানিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একমাত্র টেস্ট। এরপর ধর্মশালা (১৪ জুন), লখনৌ (১৭ জুন) ও চেন্নাইয়ে (২০ জুন) তিন ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল। নিউ চণ্ডীগড়ে হতে যাওয়া ম্যাচটি আফগানিস্তান ও ভারতের মধ্যে মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট হতে চলেছে। এর আগে বেঙ্গালুরুতে ২০১৮ সালে খেলা একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ২৬২ রানে জিতেছিল ভারত। আগামী ৩১ মে শেষ হবে আইপিএলের ২০২৬ সালের আসর। এর পাঁচদিন পর লাল বলের লড়াইয়ে নেমে যাবে ভারত ও আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা।
বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা

বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই কঠোর বার্তা পেল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জেরে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করে জরিমানা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি। টিম ম্যানেজমেন্টের অসন্তুষ্টি ছিল চোখে পড়ার মতো। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা তো দূরের কথা, সুপার এইটে হেরে হেরে একটি মাত্র ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান। গ্রুপপর্বে যে তিনটি ম্যাচে পয়েন্ট পেয়েছে, সেগুলোর প্রতিপক্ষ ছিল আইসিসির সহযোগী দেশ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি পাকিস্তানের কাছে সব সময়ই বাড়তি গুরুত্ব পায়। সেই ম্যাচেও ৬১ রানে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, এই হারের পরপরই আর্থিক শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, এখন থেকে ক্রিকেটাররা পারফরম্যান্স অনুযায়ী সুবিধা পাবেন। ভালো খেললে পুরস্কার, খারাপ খেললে জরিমানা। কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পুরস্কার যেমন থাকবে, তেমনি শাস্তিও এড়ানোর সুযোগ নেই। তবে ব্যক্তি পারফরম্যান্সের বিচারে সাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, উসমান তারিক আলাদা করে নজর কাড়েন। ফারহান হয়েছেন আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তিনি করেছেন ৩৮৩ রান। এর মাধ্যমে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। ২০১৪ সালে ৬ ম্যাচে ৩১৯ রান করা বিরাট কোহলিকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ফখর জামান মাত্র দুই ম্যাচ খেলেই ১৮৭ স্ট্রাইকরেটে ১০৯ রান করেছেন। উসমান তারিক পাঁচ ম্যাচে ১৪.১০ গড়ে নিয়েছেন ১০ উইকেট। অন্যদিকে দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শাদাব খান, ছয় ইনিংসে করেছেন ১১৮ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আটটি উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। বাকি ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।