চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানায় বিসিবি, দায়িত্বে হাবিবুল বাশার

চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানায় বিসিবি, দায়িত্বে হাবিবুল বাশার বিপিএল শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে হুট করেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফ্রাঞ্চাইজি মালিকানা ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটির মালিক আবদুল কাইয়ুম। আজ সকালে দুপুর শুরুর আগেই বিসিবির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ফ্রাঞ্চাইজি মালিকানা ছাড়ার ঘোষণা দেয় তারা। বিপিএল শুরু হতে আর প্রায় ২৪ ঘণ্টা বাকি। এ সময় হঠাৎ করে একটি ফ্রাঞ্চাইজির মালিকের সরে যাওয়ার কারণে বিপিএলে বড় ধরনের একটা সঙ্কটের মুখে পড়ে গেছে পুরো বিপিএল। কারণ, এই ফ্রাঞ্চাইজিটির মালিক সরে যাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম রয়্যালস পড়ে গেছে তুমুল অনিশ্চয়তায়। এরই মধ্যে টুর্নামেন্টের ফরম্যাট তৈরি হয়ে গেছে। সূচি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এ মুহূর্তে একটি ফ্রাঞ্চাইজির সরে যাওয়া মানে পুরো বিপিএলের ফরম্যাট তছনছ হয়ে যাওয়া। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা নিয়েছে খোদ বিসিবি। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, ‘যেহেতু বর্তমান পরিস্তিতিতে চট্টগ্রামের ফ্রাঞ্চাইজি বাদ দেয়া সম্ভব নয়। এ কারণে বিসিবি তাৎক্ষণিকভাবে এই ফ্রাঞ্চাইজিটির মালিকানা গ্রহণ করেছে।’ শুধু মালিকানা গ্রহণ করাই নয়, চট্টগ্রাম রয়্যালসের পরিচালনা পর্ষদ এবং কোচিং স্টাফেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইফতেখার রহমান জানিয়েছেন, ‘বিসিবির পক্ষ থেকে হাবিবুল বাশার সুমনকে টিম ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন মিজানুর রহমান বাবুল। পুরো ফ্রাঞ্চাইজির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অন্যসব কিছু দেখভাল করার দায়-দায়িত্ব বিসিবি বহন কবে।’ চট্টগ্রাম রয়্যালসের কোচ হিসেবে প্রথমে ঘোষণা করা হয়েছিল মমিনুল হকের নাম। যিনি নিজেও চট্টগ্রামের সন্তান ও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্রাদার্স ইউনিয়নের কোচ। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার জাস্টিন কেম্পের নাম ঘোষণা করে চট্টগ্রাম। যদিও কেম্প শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসেননি।
বিপিএল শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের অর্ধেক পারিশ্রমিক পরিশোধ করল রংপুর রাইডার্স

বিপিএল শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের অর্ধেক পারিশ্রমিক পরিশোধ করল রংপুর রাইডার্স বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের পর্দা ওঠার আগেই পেশাদারিত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল সাবেক চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিকেটারদের ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা থাকলেও, রংপুর রাইডার্স কর্তৃপক্ষ প্রথম ধাপেই নুরুল হাসান সোহান ও লিটন দাসদের হাতে তুলে দিয়েছে ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক। বুধবার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে দলের অনুশীলন চলাকালীন ক্রিকেটারদের এই পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বিপিএলের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া হয় তিনটি ধাপে—শুরুতে ২৫ শতাংশ, টুর্নামেন্ট চলাকালীন ৫০ শতাংশ এবং বাকি ২৫ শতাংশ আসর শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে। কিন্তু রংপুর রাইডার্স নিয়মের চেয়েও বেশি অর্থাৎ একবারে অর্ধেক টাকা পরিশোধ করে ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে নির্ভার রেখেছে। বিপিএলের প্রতি আসরেই অনেক সময় পারিশ্রমিক নিয়ে বিতর্ক ও অসন্তোষ দেখা যায়। গত আসরেও সময়মতো পাওনা না পেয়ে অনুশীলনে নামেননি দুর্বার রাজশাহীর ক্রিকেটাররা। তবে রংপুর রাইডার্স শুরু থেকেই ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধার ব্যাপারে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির এমন আচরণে মুগ্ধ পাকিস্তানি তারকা খুশদিল শাহ। তিনি বলেন, “রংপুর রাইডার্সের ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত ভালো, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।” উল্লেখ্য, আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিপিএলের ১২তম আসর। সিলেটে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে সিলেট স্ট্রাইকার্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। একই দিনে রাতের ম্যাচে লড়বে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
তাসকিনদের হারিয়ে প্লে-অফের পথে মোস্তাফিজের দুবাই

তাসকিনদের হারিয়ে প্লে-অফের পথে মোস্তাফিজের দুবাই বল হাতে মোস্তাফিজুর রহমান ও ওয়াকার সালামখিলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর শায়ান জাহাঙ্গীর ও জর্ডান কক্সের দারুণ ব্যাটিংয়ে শারজাহ ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে দুবাই ক্যাপিটালস। এই জয়ে ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এল মোহাম্মদ নবির দল, যা তাদের প্লে-অফের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে দিল। দুবাইয়ে আজ টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দুবাই ক্যাপিটালস। মোস্তাফিজুর রহমানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও আফগান স্পিনার ওয়াকার সালামখিলের ঘূর্ণিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৪ রানেই থমকে যায় শারজাহর ইনিংস। মোস্তাফিজ ১টি উইকেট শিকার করে টুর্নামেন্টে নিজের মোট উইকেট সংখ্যা ১৫-তে নিয়ে গেছেন। এক পর্যায়ে উইকেট সংখ্যায় তিনি সালামখিলের সমান হলেও, পরে সালামখিল আরও ২ উইকেট নিয়ে (মোট ১৭ উইকেট) শীর্ষস্থানটি নিজের দখলে রাখেন। ১৩৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দুবাইকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ওপেনার শায়ান জাহাঙ্গীর ও জর্ডান কক্স। শায়ান ৫১ রান করে আউট হলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন কক্স। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৬১ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। সহজ জয়ের পথে থাকা দুবাইকে ১৮তম ওভারে কিছুটা চাপে ফেলেছিলেন শারজাহর বাংলাদেশি পেসার তাসকিন আহমেদ। ওই ওভারের প্রথম বলে চার হজম করলেও দ্বিতীয় বলেই লুইস ডু প্লয়কে সাজঘরে ফেরান তিনি। টানটান উত্তেজনার সেই ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিলেন তাসকিন। তবে ১৯তম ওভারে সব হিসাব পাল্টে দেন টিম সাউদি। ওই এক ওভারেই ১৮ রান তুলে নিয়ে শারজাহর জয়ের আশা কার্যত শেষ করে দেয় দুবাই। শেষ ওভারের প্রথম বলে তাসকিনকে ছক্কা মেরে রোভম্যান পাওয়েল দলের জয় নিশ্চিত করেন। ৫ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটের জয় পায় দুবাই। এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে উঠে এসেছে দুবাই ক্যাপিটালস। অন্যদিকে টানা হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতেই (৬ নম্বর) পড়ে রইল শারজাহ ওয়ারিয়র্স।
বিপিএলের আগমুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করলেন ৩ বিদেশি ক্রিকেটার

বিপিএলের আগমুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করলেন ৩ বিদেশি ক্রিকেটার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আসন্ন দ্বাদশ আসর শুরুর আর স্রেফ তিন দিন বাকি। নতুন আসর শুরুর আগমুহূর্তেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের তিন বিদেশি ক্রিকেটার টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি এবার নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে দেশীয় দু’জন শেখ মেহেদী, তানভীর ইসলামের সঙ্গে পাকিস্তানের লেগস্পিনার আবরার আহমেদকে দলে ভিড়িয়েছিল। আবরারসহ তিনজন সরে গেলেন বিপিএল থেকে। আবরার ছাড়া বাকি দু’জন হচ্ছেন– আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ও শ্রীলঙ্কার নিরোশান ডিকভেলা। তবে স্টার্লিং ও ডিকভেলা বিপিএল থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়ায়। এ ছাড়া এনওসি পেলেও বিপিএলে খেলা অনিশ্চিত পাকিস্তানি স্পিনার আবরারের। তার এনওসি-ও স্থগিত করতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় থাকায় আবরারকে বিপিএলে খেলতে চাচ্ছে না পিসিবি। সবমিলিয়ে নতুন আসর শুরুর আগে বিদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে বড় ধাক্কা খেতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজি। অল্প সময়ের মাঝেই তাদের বিকল্প ক্রিকেটার দলে নিতে হবে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে পর্দা উঠবে বিপিএলের নতুন আসরের। প্রথম দিনেই হবে দুটি ম্যাচ। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালস নিজেদের মিশন শুরু করবে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে। সন্ধ্যা ৭টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
আলো ছড়িয়ে সাকিব ও মোস্তাফিজুর ম্যাচ সেরা নির্বাচিত

আলো ছড়িয়ে সাকিব ও মোস্তাফিজুর ম্যাচ সেরা নির্বাচিত সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইএল টি-টোয়েন্টিতে পৃথক ম্যাচে ম্যাচ সেরা হয়েছেন সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে দারুণভাবে ফিরে এসেছেন সাকিব। মোস্তাফিজুর রহমান ধরে রেখেছেন ধারাবাহিকতা। তাদের উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে জিতেছে তাদের দলও। সাকিবের ফর্মে ফেরা নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমিদের কাছে সবচেয়ে স্বস্তির খবর। এমআই এমিরেটসের হয়ে রোববার বল হাতে ৪ ওভারে ১৪ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাটিংয়ে ২৫ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শুরুর ম্যাচে পারফরম্যান্স করতে না পারায় চার ম্যাচ সাইডবেঞ্চে ছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ফেরার ম্যাচে ঠিকঠাক রাঙাতে না পারলেও ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে চেনা রূপে ছিলেন সাকিব। দলকে দিয়েছেন টানা তৃতীয় জয়ের স্বাদ। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে এমআই এমিরেটস ৪ উইকেটে হারিয়েছে ডেজার্ট ভাইপার্সকে। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সাকিবদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ডেজার্ট ৭ উইকেটে ১২৪ রান করে। জবাবে এমআই এমিরেটস ১৫ বল আগে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে। প্রথমবার সাকিব পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। এদিকে জিতেছে মোস্তাফিজুর রহমানের দল দুবাই ক্যাপিটালস। তারা ৬ উইকেটে হারিয়েছে গালফ জায়ান্টসকে। বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর ৩.৫ ওভারে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেন। এক ওভারেই ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার। ৭ ম্যাচে তার উইকেট ১৪টি। উইকেট সংগ্রহের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। ১ ম্যাচ বেশি খেলে ১৫ উইকেট নিয়ে তার সতীর্থ ওয়াকার সালামখেইল রয়েছেন শীর্ষে। গালফ জায়ান্টস আগে ব্যাটিং করতে নেমে ১৫৬ রানের বেশি করতে পারেনি। ইনিংসের শেষ ওভারে জয় নিশ্চিত করে দুবাই। মোস্তাফিজুরের শুরুর বোলিং তেমন ভালো হয়নি। প্রথম ওভারে তার বলে চার ও ছক্কা উড়ান রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ১৩ রান দেন ওই ওভারে। ১৪তম ওভারে ফিরে মোস্তাফিজুর নিজের ছন্দ খুঁজে পান। তুলে নেন ৩ উইকেট। শুরুটা করেন জেমস ভিঞ্চকে দিয়ে। ইংলিশ ব্যাটসম্যানকে উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান। এক বল পর আজমতউল্লাহ উমারজাইয়ের উইকেট উপচে ফেলেন। ক্রিজে আসা সুপারসাব ডিকসনকে টিকতে দেননি তিনি। দারুণ অফকাটারে বোল্ড করেন নতুন ব্যাটসম্যানকে। ৬ রান দিয়ে এই ওভারে নেন ৩ উইকেট। তৃতীয় ওভার করতে এসে মায়ার্স ও আডায়ারের বলে দুটি বাউন্ডারি হজম করেন তিনি। তবে শেষ ওভার ছিল একেবারেই নিয়ন্ত্রিত। এই ওভারে ৭ রান দেন। তার ওভারে তিনটি রান আউট হয়। রাতের ম্যাচে সাকিব বল হাতে শুরুতে দ্যুতি ছড়ান। বোলিংয়ে এসে ফখর জামানকে আর্ম বলে স্টাম্পিং করান। এরপর স্যাম কুরানকে ঘূর্ণিতে পরাস্ত করে ফিরতি ক্যাচ নেন ডাইভ দিয়ে। ব্যাটিংয়ে অবশ্য তার মন মতো হয়নি। রান পেতে কষ্ট করেছেন। ইনিংসের একমাত্র চার মেরে নিশ্চিত করেছেন জয়।
রেকর্ড জয়ে হোয়াইটওয়াশের বৃত্ত পূর্ণ করল নিউ জিল্যান্ড

রেকর্ড জয়ে হোয়াইটওয়াশের বৃত্ত পূর্ণ করল নিউ জিল্যান্ড মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বাইশ গজে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং রেকর্ডের পর বল হাতেও দাপট দেখাল নিউজিল্যান্ড। সিরিজের শেষ টেস্টের শেষ দিনে ক্যারিবীয়দের ৩২৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করল টম ল্যাথামের দল। রানের ব্যবধানে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় টেস্ট জয়, যা ভেঙে দিয়েছে ২০১৭ সালে হ্যামিল্টনে পাওয়া ২৪০ রানের জয়ের রেকর্ড। টেস্ট সিরিজের এই আধিপত্যের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ড এই সফরে টি-টোয়েন্টি (৩-১) এবং ওয়ানডে (৩-০) সিরিজের পর টেস্টেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল। ৪৬২ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনের শুরুটা আশা জাগানিয়া ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য। দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও জন ক্যাম্পবেল লড়াকু মেজাজে ৮৭ রান যোগ করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ৬৭ রানে ব্র্যান্ডন কিং জ্যাকব ডাফির শিকার হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে সফরকারীদের ইনিংস। এক ওভারের ব্যবধানে ক্যাম্পবেলকেও (১৬) সাজঘরে ফেরান স্পিনার এজাজ প্যাটেল। এরপর শুরু হয় জ্যাকব ডাফির তাণ্ডব। অ্যালিক অ্যাথানেজ ও জাস্টিন গ্রিভসকে দ্রুত ফিরিয়ে মধ্যাহ্নভোজের আগেই কিউইদের জয়ের পথে বসিয়ে দেন তিনি। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করা কাভেম হজ এবার রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ৯৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চা-বিরতির সেশনে ম্যাচ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টায় ব্যাটিংয়ের গতি একদম কমিয়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩২ ওভার ব্যাটিং করে তারা মাত্র ৩৯ রান যোগ করলেও ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষ সেশনে রস্টন চেজ ও জেইডেন সিলসকে আউট করে ক্যারিবীয়দের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন ডাফি। মাত্র ১৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস। পুরো ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করে এবং সিরিজে সব মিলিয়ে ২৩ উইকেট নিয়ে ‘সিরিজ সেরা’র পুরস্কার বগলদবা করেন পেসার জ্যাকব ডাফি। অন্যদিকে, ম্যাচে দ্বিশতক ও শতকের বিশ্বরেকর্ড গড়া ওপেনার ডেভন কনওয়ে নির্বাচিত হন ‘ম্যাচ সেরা’। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানা পাঁচটি টেস্ট সিরিজ জয়ের এক অনন্য গৌরব অর্জন করল নিউজিল্যান্ড। সফরকারীদের জন্য এই দীর্ঘ নিউজিল্যান্ড সফরটি এক রাশ হতাশা নিয়েই শেষ হলো।
মিনহাসের ঝড়, পাকিস্তানের উড়ন্ত জয়; ভারত হেরে শিরোপা হাতছাড়া

মিনহাসের ঝড়, পাকিস্তানের উড়ন্ত জয়; ভারত হেরে শিরোপা হাতছাড়া দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে এক দাপুটে জয়ে শিরোপা জিতেছে। আইসিসি একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের ম্যাচে পাকিস্তান ১৯১ রানে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠে। টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিল ভারত, কিন্তু শুরু থেকেই ব্যাটারদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয় তাদের। পাকিস্তান নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৪৭ রান করে। পাকিস্তানের বড় সংগ্রহে প্রধান নায়ক ছিলেন সামির মিনহাস। ১১৩ বল খেলে তিনি খেলেন ১৭২ রানের দারুণ ইনিংস, যেখানে ছিল ১৭ চার ও ৯ ছক্কা। গ্রুপ পর্বে মালয়েশিয়াকে ১৭৭ রানে হারানো এই তরুণ ব্যাটারের এটি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে ফাইনালে প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিকতায় যেন ঝড় তুললেন মিনহাস। নতুন বলের বোলার কিশান সিং ও দীপেশ দেবেন্দ্রনের ওপর আক্রমণ চালিয়ে মাত্র ৭১ বলেই শতক পূর্ণ করেন তিনি। যদিও ধীরগতির এক বল ধরতে না পেরে মিড অনে ক্যাচ হয়ে মাঠ ছাড়েন, তবুও তাঁর ইনিংস পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছে। পাকিস্তানের ইনিংসে উসমান খান ৩৫ রান করেন, আর আহমেদ হুসেইন ৫৬ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। মিনহাস ও আহমেদের ১৩৭ রানের জুটি পাকিস্তানকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। ৩৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরু থেকেই সমস্যায় পড়ে। নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে তারা, এবং পুরো দল মাত্র ১৫৬ রানে অলআউট হয়। দলের সর্বোচ্চ স্কোর আসে ৩৬ রানে, যা করেন দেবেন্দ্রন। পাকিস্তানের বোলিংয়ে আলি রাজা ৪ উইকেট নেন। আবদুল সোবহান, মোহাম্মদ সায়াম ও হুজাইফা আহসান দুটি করে উইকেট নেন। এই জয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়লাভ করল। এর আগে ২০১২ সালে ভারতকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা।
২০০ টাকায় বিপিএল দেখার সুযোগ, সর্বোচ্চ টিকিট ২ হাজার

২০০ টাকায় বিপিএল দেখার সুযোগ, সর্বোচ্চ টিকিট ২ হাজার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এবারের বিপিএলের। আসর শুরুর আগেই সিলেট পর্বের টিকিটের মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী, মাত্র ২০০ টাকায় গ্রিন গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। সবচেয়ে বেশি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের জন্য, যার মূল্য ২ হাজার টাকা। এছাড়া ক্লাব হাউজের টিকিট ৫০০ টাকা, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের টিকিট ২৫০ টাকা এবং শহীদ তুরাব স্ট্যান্ডের টিকিট ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্লাব হাউজের জিরো ওয়েস্ট জোনে বসে খেলা দেখতে খরচ হবে ৬০০ টাকা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে শুরু হচ্ছে সিলেট পর্বের টিকিট বিক্রি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্ধারিত ওয়েবসাইট www.gobcbticket.com.bd থেকে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন দর্শকরা। এবার মাঠে এসে সরাসরি টিকিট কেনার কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। অনলাইনে কেনা টিকিট দেখালেই প্রবেশ করা যাবে স্টেডিয়ামে। সূচি অনুযায়ী, উদ্বোধনী দিনে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। একই দিনে দ্বিতীয় ম্যাচে নবাগত দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে মাঠে নামবে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ছয় দলের এই টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে দেশের তিনটি ভেন্যুতে—সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকা। মোট ৩৪ ম্যাচের মধ্যে সিলেট ও চট্টগ্রাম ভেন্যুতে হবে ১২টি করে ম্যাচ। বাকি ১০টি ম্যাচ, যার মধ্যে এলিমিনেটর, কোয়ালিফায়ার ও ফাইনাল রয়েছে, অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ২৬ ডিসেম্বর শুরু হওয়া সিলেট পর্ব শেষ হওয়ার পর ৫ জানুয়ারি শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। এরপর ১৬ জানুয়ারি ঢাকা পর্ব দিয়ে টুর্নামেন্টের শেষ ধাপে প্রবেশ করবে বিপিএল। ১৯ জানুয়ারি এলিমিনেটর ও প্রথম কোয়ালিফায়ার, ২১ জানুয়ারি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর জন্য রিজার্ভ ডেও রাখা হয়েছে। সিলেট পর্বের টিকিট মূল্য: গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড: ২,০০০ টাকা ক্লাব হাউজ: ৫০০ টাকা ক্লাব হাউজ (জিরো ওয়েস্ট জোন): ৬০০ টাকা শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড: ২৫০ টাকা শহীদ তুরাব স্ট্যান্ড: ২০০ টাকা গ্রিন গ্যালারি: ২০০ টাকা
হার্দিক ঝড়ে সিরিজ ভারতের

হার্দিক ঝড়ে সিরিজ ভারতের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি পণ্ড হয়ে যাওয়ায় ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিজ জমে উঠেছিল বেশ। শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে সিরিজ ড্র। ভারত জিতলে ৩-১ ব্যবধানে জিতবে সিরিজ। এমন সমীকরণ মাথায় নিয়ে নেমে আহমেদাবাদে শেষ হাসিটা ভারতই হেসেছে। ৩০ রানের ব্যবধানে শেষ টি-টোয়েন্টি জিতে টানা অষ্টম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে ভারত। এই ম্যাচে রান উৎসব হয়েছে। আগে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত ৫ উইকেটে ২৩১ রান করে। জবাব দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেটে তোলে ২০১ রান। রান উৎসবের ম্যাচে ঝড় তুলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। পেয়েছেন উইকেটও। তাতে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে। ৫টি করে চার ও ছক্কায় মাত্র ২৫ বলে ২৫২ স্ট্রাইক রেটে ৬৩ রান করেন হার্দিক। এরপর বল হাতে ৩ ওভারে ৪১ রানে পেয়েছেন ১ উইকেট। হার্দিক বাদে ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে দু্যতি ছড়ান তিলক ভার্মা। ৪২ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় তিলক সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন। হার্দিক ও তিলক মিলে ইনিংসের মধ্য অবস্থায় ৭.২ ওভারে ১০৫ রান তুলেছিলেন। এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত ৫.৩ ওভারে ৬৩ রান পায়। সানজু স্যামসান ২২ বলে ৩৭ এবং অভিষেক ২১ বলে ৩৪ রান করেন। শেষ দিকে ৩ বলে ১০ রান করেন শিভাম দুবে। রান পাননি সূর্যকুমার যাদব। ভারতের অধিনায়ক আউট হন ৫ রানে। বল হাতে প্রোটিয়াদের হয়ে কোভিন বোস ৪৪ রানে ২ উইকেট নেন। জবাব দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ১০ ওভারে ১ উইকেটে ১১৮ রান তুলে নেয়। কিন্তু পরের ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ছন্দপতন হয় তাদের। তাতেই ম্যাচ ভারতের হয়ে যায়। ৪৩২ রানের ম্যাচে বল হাতে পার্থক্য গড়ে দেন জসপ্রিত বুমরাহ। ১৭ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। শতততম টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা কুইন্টন ডি কক দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন ৯ চার ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া ডেয়াল্ড ব্রেভিস ১৭ বলে করেন ৩১ রান।
কলম্বিয়ায় ফুটবল ম্যাচে সংঘর্ষ, আহত ৫৯
কলম্বিয়ায় ফুটবল ম্যাচে সংঘর্ষ, আহত ৫৯ কলম্বিয়া কাপের ফাইনালে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মেদেলিনে এই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছে ৫৯ জন। গত বুধবার দ্বিতীয় লেগের খেলায় স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী ডিপোর্তিভো ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টে মেদেলিনকে ১–০ ব্যবধানে হারায় অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনাল। এরপরই এস্তাদিও জিরার্দোতে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা । শেষ বাঁশি বাজার পর ভক্ত ও সমর্থকদের একাংশ মাঠ দখলে নিয়ে নেয়। মাঠে ঢুকে পড়াদের কারো হাতে ছিল আগুনের শিখা আর কারো হাতে আতশবাজি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় দাঙ্গা পুলিশ। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুলিশ সদস্যও। স্থানীয় পত্রিকা এল কলোম্বিয়ানো জানিয়েছে, স্টেডিয়ামটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে আসন ও টার্নস্টাইল। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মাঠের কিছু অংশ। আতশবাজির ধোঁয়ার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ম্যাচ শুরু হতেও ১৪ মিনিট দেরি হয়। মেদেলিনের মেয়র ফেদেরিকো গুতিয়েরেস সহিংসতায় জড়িতদের কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, তারা “কেবল সহিংসতা সৃষ্টি করতে চাওয়া কিছু বেপরোয়া লোক” সতর্ক করে বলেন, ‘ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘যারা আক্রমণ করতে, ধ্বংস চালাতে বা আতঙ্ক ছড়াতে স্টেডিয়ামে গিয়েছিল, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা কয়েকজনের কারণে সবার সম্পদ নষ্ট হতে দেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বহু বছর ধরে আমরা আমাদের দেশ এবং পুরো লাতিন আমেরিকায় শান্তিপূর্ণ ফুটবলের এক উদাহরণ হয়ে আছি।’ কলম্বিয়ায় সাধারণত বড় ম্যাচগুলোতে এমন সহিংসতা এড়াতে সফরকারী দলের সমর্থকদের মাঠে আসতে দেওয়া হয় না। তবে ফুটবলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই ডার্বি ম্যাচে মেদেলিন কর্তৃপক্ষ উভয় দলের সমর্থকদেরই মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল।