শিবগঞ্জে প্রাইজমানি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চাম্পিয়ন মোবারকপুর ইউনিয়ন

শিবগঞ্জে প্রাইজমানি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চাম্পিয়ন মোবারকপুর ইউনিয়ন শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর প্রিমিয়ার লীগ প্রাইজমানি টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে আইয়ান ও আরাফাত ক্রিকেট ক্লাব আয়োজিত শ্যামপুর ইউনিয়ন কাউন্সিল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় কানসাট ইউনিয়ন ক্রিকেট দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় মোবারকপুর ইউনিয়ন ক্রিকেট দল। অনুষ্ঠানে শ্যামপুর স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি ডা. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আবু তালেব। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারী মাহমুদ মিঞা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক নাইমুল ইসলাম অন্যরা। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের মাঝে ট্রফি তুলে দেয়া হয়।

তামিম ঝড়ে ডুবল রাজশাহী

তামিম ঝড়ে ডুবল রাজশাহী হাসান মুরাদকে লং অনে উড়িয়ে বাউন্ডারি পার করলেন তামিম ইকবাল। এক লাফে স্কোর ১৬৩ থেকে ১৬৯! গেম ওভার। দেশসেরার ওপেনারের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে হাসি ফেরে ফরচুন বরিশাল শিবিরে। দুর্বার রাজশাহীকে উড়িয়ে এক ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার (৬ জানুয়ারি) টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৬৮ রান করে রাজশাহী। তাড়া করতে নেমে ১৫ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে বরিশাল। তৃতীয় ম্যাচে এটি বরিশালের দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে রাজশাহীর এটি তৃতীয় হার। দুবারই হেরেছে বরিশালের কাছে। মাত্র ৪৮ বলে ৮৬ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তামিম। ১১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান বরিশাল অধিনায়ক। ফিফটির দেখা পান ২৮ বলে। চলতি আসরের তৃতীয় ম্যাচে এসে প্রথম ফিফটি পেলেন এই তারকা ক্রিকেটার। তামিমের হাতে ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। তামিমের সঙ্গে ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিকুর রহিম। ২৪ বলে এই রান করেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। দুজনের জুটি থেকে আসে ৪৫ বলে ৭৬ রান। তাওহীদ হৃদয় ১৪ বলে ১৩ রানে ফিরলে তামিম-মুশফিকের জুটি শুরু হয়। শুরু থেকে এক প্রান্ত আগলে রাখেন তামিম। সঙ্গী নাজমুল হোসেন শান্তর পরিবর্তে নামা প্রীতম কুমার ৯ বলে ৩ রান করে ফেরেন শুরুতে। ক্রিজে এসে ঝড়ো ব্যাটিংয়ের আভাস দিলেও ১১ বলে ২৪ রানে থামে কাইল মায়ার্সের ইনিংস। হৃদয়ও সঙ্গ দিতে পারেননি তামিমকে। বাকি কাজটা তামিম সারেন মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে। রাজশাহীর হয়ে দুই উইকেট নেন মোহর শেখ।  এর আগে পাওয়ার প্লেতে ৬০ রান তোলার পরও বরিশালকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারেনি রাজশাহী। নির্ধারিত ওভার শেষে ১৬৯ রানের লক্ষ্য দিতে পারে তারা। শেষে আকবর আলী ৯ বলে ১৫ ও রায়ান বার্ল ১১ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। জিসান আলম-মোহাম্মদ হারিসের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৩০ রান। ১৬ বলে ২২ রানে হারিস আউট হলে ভাঙে জুটি। এরপর জিসানের সঙ্গী হন এনামুল হক বিজয়। দুজনে ৫৫ রানের জুটি গড়ে এগোতে থাকেন। জিসান ২৭ বলে ৩৮ রান করেন। অন্য প্রান্তে এনামুল ব্যাটিং করেন ধীরগতিতে। জিসান আউট হলে ইয়াসির আলী এসে ঝড়ো ব্যাটিং করেন। ২৩ বলে ৩৭ রান করেন তিনি। এনামুল ক্রিজে থাকলেও সুবিধা করতে পারেননি। ৩৫ বলে ৩৯ রান করে ১৯তম ওভারে ফেরেন সাজঘরে। তার এমন ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে দল। এরপর আকবর-বার্ল ইনিংস শেষ করে আসেন। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ১টি করে উইকেট নেন তানভীর ইসলাম ও ফাহিম আশরাফ।

দ. আফ্রিকায় হোয়াইটওয়াশে বাংলাদেশের নিচে পাকিস্তান

দ.আফ্রিকায় হোয়াইট ওয়াশে বাংলাদেশের নিচে পাকিস্তান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আগেভাগেই নিশ্চিত ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। তবুও কেপটাউনে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখল প্রোটিয়ারা। পাকিস্তানকে পাত্তা না দিয়ে ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতেছে তারা। প্রথম ইনিংসে ফলোঅনের পর দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ লড়াই করলেও ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি পাকিস্তান। তাতে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশের নিচে চলে গেছে তারা।  ১২ ম্যাচে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জয় ৪টি করে। দুুই দলই ম্যাচ হেরেছে ৮টি করে। ৪০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের আটে রয়েছে পাকিস্তান। ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সাতে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। লর্ডসে খেলা হবে ১১ জুন থেকে ১৫ জুন। দক্ষিণ আফ্রিকার করা ৬১৫ রানের জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৪ রান করতে পারে। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪৭৮ রান করে। তাতে কিছুটা মান রক্ষা হয় তাদের। দক্ষিণ আফ্রিকাকে তারা ৫৮ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়। জবাব দিতে নেমে মাত্র ৭.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে দক্ষিন আফ্রিকা। ডেভিড বেডিংহ্যাম ৪৭ ও আইডেন মার্করাম ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।  দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪৫ রান করেন অধিনায়ক শান মাসুদ। আগের দিন সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। আজ শুরুটা ভালো হলেও বেশিদূর যেতে পারেননি। ৩৭১ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ১৭ চারে সাজান ইনিংসটি। এছাড়া ভালো শুরুর পর ইনিংস বড় করতে পারেননি রিজওয়ান (৪১) ও সালমান আগা (৩৪)। এছাড়া ছোট ছোট অবদানে পাকিস্তানের রান ৪৭৮ হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং ভালো হলেও অতিরিক্ত খাতে ৪৪ রান দিয়েছেন বোলাররা। এই রান না হলে তাদের আবার ব্যাটিংয়ে নামতে হতো কিনা সেটাই প্রশ্নের। বল হাতে ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন রাবাদা ও মহারাজ।  প্রথম ইনিংসে ২৫৯ রানে করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রায়ান রিকেলটন। মার্কো জানসেন ৮০ রান ও ১০ উইকেট নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পেয়েছেন।

রনি-জাকেরের ফিফটির পর জোন্স-জাকের ঝড়

রনি-জাকেরের ফিফটির পর জোন্স-জাকের ঝড় রংপুর রাইডার্সের ‘ঘরের ছেলে’ বলা যায় রনি তালুকদারকে। এবার সেই ঘরের ছেলেকে অবশ্য তাঁবুতে রাখতে পারেনি তারা। দল পাল্টে রনি এখন সিলেট সিক্সার্সের। মুখোমুখি লড়াইয়ে রনি রংপুরের বিপক্ষে কেমন করে সেটাই ছিল দেখার। হতাশ করেননি সিলেটের ডানহাতি ওপেনার। চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছুটিয়ে পেয়েছেন ফিফটির স্বাদ। ফিফটি ছুঁয়েছেন সিলেটের আরেক ব্যাটসম্যান জাকির হাসানও। দুজনের ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে সিলেট পায় বড় সংগ্রহের ভিত। সেই ভিতের উপর ভর করে শেষ দিকে ঝড় তোলেন অ্যারোন জোন্স ও জাকের আলী। দুজন মাত্র ১০ বলে ৩৪ রানের জুটি গড়েন। তাতে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ২০৫ রানের পুঁজি পেয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। ঢাকায় প্রথম পর্ব শেষে বিপিএল এখন চায়ের শহর সিলেটে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান কেমন হয় সেটাই ছিল দেখার। হতাশ করেননি সিলেটের ব্যাটসম্যানরা। ১০.২৫ স্ট্রাইক রেটে তুলেছেন ২০৫ রান। জোন্স ও জাকেরের স্কোরবোর্ডের চিত্র পাল্টে দেন। প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলতে নামা যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স ১৯ বলে ৩৮ রান করেন ১ চার ও ৪ ছক্কায়। জাকের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে তিন ছক্কায় মাঠ মাতিয়ে তোলেন। মাত্র ৫ বলে ২০ রান করেন চোখের পলকে। এর আগে রনি ৩২ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৪ রান করেন। জাকির ৪ ছক্কায় ৩৮ বলে করেন ৫০ রান। দুজনের কেউই ফিফটির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি। তবে আসল কাজটা করে দেন। এছাড়া ওপেনার জর্জ মুনসে ১২ বলে ১৮ ও পল স্টারলিং ১৬ বলে ১৬ রান তুলে রাখেন অবদান। বল হাতে সাইফ উদ্দিন ৩১ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন মাহেদী ও আফিফ। বিবর্ণ দিন গেছে নাহিদ রানার। ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।

লন্ডন পাঠানো হলো সাইমকে

লন্ডন পাঠানো হলো সাইমকে ইনজুরি আক্রান্ত পাকিস্তানের প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান সাইম আইয়ুবকে জরুরিভিত্তিতে লন্ডন পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে গিয়েছেন সহকারী কোচ আজহার মাহমুদ। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তার ইনজুরির ধরন বিবেচনা করে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেয়। যাতে করে লন্ডনে তার উন্নত চিকিৎসা করানোর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞা চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া যায়। ইতোমধ্যে তার এক্স-রে ও এমআরআই রিপোর্ট লন্ডনে পাঠানো হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে (০৩ জানুয়ারি, ২০২৫) ইনজুরিতে পড়েন সাইম। সপ্তম ওভারের সময় দৌড়ে বল ধরতে গিয়ে হাঁটুর ইনজুরিতে পড়েন। যদিও আমের জামাল বাউন্ডারি বাঁচান, কিন্তু সাইমকে জরুরি চিকিৎসা দিতে হয়। পরে স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি আর মাঠে ফিরতে পারেননি। স্ক্যান রিপোর্টে দেখা গেছে তার হাঁটুতে চিড় ধরা পড়েছে। সে কারণে দ্বিতীয় টেস্টে আর খেলা হচ্ছে না তার। সাইমের পরিবর্তে ফিল্ডিংয়ে নামানো হয় আব্দুল্লাহ শফিককে। পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসীন নাকভি ব্যক্তিগতভাবে সাইমের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তার খোঁজ-খবর নিয়ে বলেছেন, ‘‘সাইম আইয়ুব একজন স্ট্রাইলিশ ও অসাধারণ ব্যাটসম্যান। পাকিস্তান ক্রিকেটের সম্পদ সে। তার চিকিৎসার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন সবই করব আমরা।’’ তিনি আশাবাদী আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেই সাইম সুস্থ হয়ে ফিরবেন সাইম, ‘‘আমরা আশা করছি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেই সাইম পরিপূর্ণরূপে ফিট হয়ে উঠবে। তার ইনজুরিটা যদিও চিন্তার বিষয়, কিন্তু আমরা আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী যে, লন্ডনে সে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা পাবে।’’ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে আগামী মাসে নিউ জিল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। সেটাতে সাইম খেলতে পারবেন কিনা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

কাল থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএলের সিলেট পর্ব

কাল থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএলের সিলেট পর্ব বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ২০২৫ ঢাকার প্রথমপর্ব শেষে সিলেট পর্ব কাল থেকে শুরু হচ্ছে। এরই মধ্যে টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। চার-ছক্কার দেশীয় আসর বিপিএল উপভোগ করতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কিনছেন ক্রিকেটপ্রেমিরা। সোমবার থেকে ছয় দিনে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এবার সর্বনিম্ন ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকায় মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন দর্শকরা। ছয় দিনের মধ্যে পাঁচ দিনই খেলবে স্বাগতিক সিলেট স্ট্রাইকার্স। ইতোমধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সিলেটে পৌঁছে অনুশীলন শুরু করেছে। এখন কেবল ক্রিকেট উন্মাদনায় মেতে ওঠার অপেক্ষায় চায়ের দেশ সিলেট। প্রথমদিন বেলা দেড়টায় স্বাগতিকদের খেলা দিয়ে পর্দা উঠবে সিলেট পর্বের। সিলেট মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্সের। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ফরচুন বরিশাল খেলবে দুর্বার রাজশাহীর বিরুদ্ধে। বিপিএলের টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে তিনটি বুথে। এছাড়াও অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে শনিবার বিকেল থেকে। বিপিএলের অনলাইনে টিকেট বিক্রয়ের ওয়েব সাইট https://www.gobcbticket.com.bd থেকে দর্শকেরা অনলাইনের টিকিট কিনতে পারছেন। রোববার সকাল ১০ টা থেকে বুথে টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বুথে অবশ্য বিকাল তিনটা থেকে টিকেট বিক্রি শুরু করা হয়েছে। অন্য দুই বুথ আম্বরখানাস্থ মধুমতি ব্যাংক ও রিকাবীবাজারস্থ শিশু একাডেমি থেকে সকাল ১০টা থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। চারটি ক্যাটাগরিতে ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে দুই হাজার টাকায় কেনা যাবে টিকেট। শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড, পশ্চিম গ্যালারী ও গ্রিণহিল গ্যালারির টিকেট মিলবে ১৫০ টাকায়। ২৫০ টাকায় মিলবে পূর্ব গ্যালারির টিকেট। ক্লাব হাউজের টিকেটের দাম রাখা হয়েছে ৫০০ টাকা। ৬০০ টাকায় মিলবে জিরো ওয়েস্ট জোনের টিকেট। আর ২ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকেট। রান না হওয়া নিয়ে অতীতের বিপিএলগুলোর সমালোচনা ছাড়িয়ে এবারের বিপিএলে রীতিমতো রান উৎসব হচ্ছে। বিপিএল সিলেট পর্বের সূচি; ৬ জানুয়ারি : সিলেট স্ট্রাইকার্স বনাম রংপুর রাইডার্স, বেলা ১:৩০ ৬ জানুয়ারি : ফরচুন বরিশাল বনাম দুর্বার রাজশাহী, সন্ধ্যা ৬:৩০ ৭ জানুয়ারি : রংপুর রাইডার্স বনাম ঢাকা ক্যাপিটালস, বেলা ১:৩০ ৭ জানুয়ারি : সিলেট স্ট্রাইকার্স বনাম ফরচুন বরিশাল, সন্ধ্যা ৬:৩০ ৯ জানুয়ারি : ফরচুন বরিশাল বনাম রংপুর রাইডার্স, বেলা ১:৩০ ৯ জানুয়ারি : ঢাকা ক্যাপিটালস বনাম চিটাগং কিংস, সন্ধ্যা ৬:৩০ ১০ জানুয়ারি : দুর্বার রাজশাহী বনাম খুলনা টাইগার্স বেলা ২:০০ ১০ জানুয়ারি : সিলেট স্ট্রাইকার্স বনাম ঢাকা ক্যাপিটালস, সন্ধ্যা ৭:০০ ১২ জানুয়ারি : সিলেট স্ট্রাইকার্স বনাম খুলনা টাইগাসর্, বেলা ১:৩০ ১২ জানুয়ারি : দুর্বার রাজশাহী বনাম ঢাকা ক্যাপিটালস, সন্ধ্যা ৬:৩০ ১৩ জানুয়ারি : সিলেট স্ট্রাইকার্স বনাম চিটাগং কিংস, বেলা ১:৩০ ১৩ জানুয়ারি : রংপুর রাইডার্স বনাম খুলনা টাইগাসর্, সন্ধ্যা ৬:৩০

রান পাচ্ছিলাম না, দলের স্বার্থে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: রোহিত

রান পাচ্ছিলাম না, দলের স্বার্থে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: রোহিত বর্ডার-গাভস্কার ট্রফিতে ব্যাট-বলের উত্তেজনা তো চলছেই। মাঠের বাইরের ইস্যুতেও সরগরম। সিডনি টেস্টের আগে হঠাৎ রোহিত শর্মার সরে যাওয়া নিয়ে ছড়ায় উত্তাপ। তাহলে কী ভারতের অধিনায়ক পারফরম্যান্সের কারণে বাদ-ই পড়লেন? নাকি তাকে দেওয়া হয়েছে বিশ্রাম। সচরাচর দলের নিয়মিত কাউকে পারফরম্যান্সের কারণে বাদ দেওয়া হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্রাম শব্দটি ব্যবহার করা হয়। রোহিতের ক্ষেত্রে তেমনটাই হয়েছে। টসের সময় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জসপ্রিত বুমরাহ বিশ্রাম শব্দটাই ব্যবহার করেছিলেন। সিডনিতে দ্বিতীয় দিনের খেলা চলাকালীন প্রোডাকশনের মুখোমুখি নিয়ে রোহিত নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। সাফ জানিয়েছেন, নিজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। দলের জন্য এই ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য অফফর্মে থাকা রোহিত নিজ থেকে ম্যাচটি না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। তার এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আরেকটি প্রশ্নও উঠছে, টেস্ট ক্রিকেটে নিজের শেষটা কি দেখে ফেললেন রোহিত? উত্তরটা সাফ পরিষ্কার, ‘‘আমি কেবল এই টেস্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছি, অবসর নেইনি।’ তার ভাষ্য, ‘‘রান করতে পারছিলাম না। ব্যর্থ হলে তো মানতেই হবে। তাই দলের স্বার্থে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অবসর নেইনি। শুধু এই ম্যাচটা না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রান করতে পারছিলাম না। আমাদের অনেক ব্যাটারই ভাল ফর্মে নেই। ম্যাচে প্রভাব পড়ছিল। অধিনায়ক হিসাবে দলের কথাই আগে ভাবি। কী করলে দলের লাভ ভাবি। সেই ভাবনা থেকেই সরে দাঁড়িয়েছি। এটা দলগত খেলা। ব্যক্তিগত খেলা নয়। আমি নিজেই কোচ, নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোথাও যাচ্ছি না। দলের সঙ্গেই আছি।’’ সর্বশেষ ৬ ইনিংসে মাত্র ৬৫ রান করা রোহিতের ফর্ম নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাই হয়েছে কয়েক দিন। অধিনায়ক বলেই তাকে বাদ দেওয়া যাচ্ছিল না—এমনও বলেছিলেন কেউ কেউ। নিজেকে সরিয়ে রাস্তাটা রোহিত পরিষ্কার করে দেন। তবে তার সামনের পরিকল্পনা কী সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। রোহিত খোলাসা করে বলেছেন, ‘‘যারা কলম নিয়ে, ল্যাপটপ নিয়ে বসে রয়েছেন, তারা কী লিখলেন, তাতে আমাদের জীবন বদলে যাবে না। তারা ঠিক করবেন না আমরা খেলব কিনা, অধিনায়কত্ব করব কিনা। আমি পরিণত। দুই ছেলের বাবা। তাই দলের স্বার্থে আমার যেটা সঠিক মনে হয়েছে, সেটাই করেছি। কেননা দিনের শেষে দলকে ম্যাচ জেতানোটাই আসল কথা। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নয়।’’‘‘ছয় মাস আগে যে ভাবনা নিয়ে নেতৃত্ব দিতাম, এখনও সে ভাবেই দিই। সিদ্ধান্তগুলো কাজে লাগলে ভালো মনে হয়। কাজে না এলে, সমালোচনা হয়। তখন লোকে বলে, এ কী করছে! দেখুন আমরা ভারতে থাকি। ১৪০ কোটি মানুষ আমাদের বিচার করে। তারা মতামত দিতেই পারেন। কিন্তু মাঠে নেমে আমাদের পারফর্ম করতে হয়। সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একই রকম মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামি সবসময়। অধিনায়ক হিসাবে দলে স্বার্থকে আগে রাখি। যেটা ভাবি, সেটাই বলি, সেটাই করি। অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করি।’’ – যোগ করেন রোহিত। কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে দূরত্বের কথাও সামনে এসেছে। এ নিয়ে রোহিতের সরাসরি উত্তর, ‘‘দুটো টেস্টের মধ্যে খুব বেশি সময় ছিল না। মাঝে নববর্ষও ছিল। তার মধ্যে এসব নিয়ে কথা বলতে চাইনি। এখানে আসার পর কথা বলেছি। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দলে এমন কাউকে দরকার ছিল, যে ফর্মে রয়েছে। এই অবস্থায় যে ফর্মে নেই, তাকে খেলিয়ে যাওয়ার মানে হয় না। এটা খুব সাধারণ একটা ব্যাপার। আর এটাই আমার মাথায় ঘুরছিল। সেটাই কোচ, নির্বাচকদের বলেছিলাম। তারা আমার সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছেন।’’

১৫ উইকেটের দিনে কার মুখে ফুটল হাসি

১৫ উইকেটের দিনে কার মুখে ফুটল হাসি সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিন রোমাঞ্চ ছড়ালেন বোলাররা। এক দিনেই তুলে নিলেন ১৫ উইকেট। যদিও গতকালও বোলারদের পকেটে গেয়েছিল ১১ উইকেট। আজ সংখ্যাটা আরো ৪টি বেশি।  ১ উইকেটে ৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়া ১৭২ রান যোগ করে অলআউট হয়েছে। ভারতের করা ১৮৫ রানের জবাবে তাদের ইনিংস থামে ১৮১ রানে। ৪ রানের লিড পায় অতিথি ভারত।  দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ভারতের ব্যাটিংটাও যুৎসই হয়নি। ৬ উইকেটে ১৪১ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেছে। স্কোরবোর্ডে লিড মাত্র ১৪৫ রানের হওয়াতে কার মুখে হাসি ফুটল তা বোঝা যাচ্ছে না এখনই। তবে এই টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে চরম রোমাঞ্চের অপেক্ষা করছে তা বলতে দ্বিধা নেই। ভারত এদিন দুঃসংবাদও পেয়েছে। বোলিংয়ের সময় কোমড়ে ব্যথা অনুভব হওয়ায় মাঠ ছাড়েন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জসপ্রিত বুমরাহ। ড্রেসিংরুমে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর খেলা শেষ হওয়ার আগেই গাড়িতে করে মাঠ ছাড়েন এই পেসার। তাকে বোলিংয়ে পাওয়া না গেলে তা হবে বিপর্যয়।  সকালে অসি শিবিরে শুরুর ধাক্কাটা বুমরাহ দিয়েছিলেন। তার লাফিয়ে উঠা বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লাবুশানে। এরপর মোহাম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ঞার যৌথ আক্রমণে গুঁড়িয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার মিডল ও লেট অর্ডার। দুই ডানহাতি পেসার ৩টি করে উইকেট নেন। আরেক পেসার নিশিত রেড্ডির পকেটেও গেছে ২ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন ওয়েবস্টার। ১৫৮ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৫ বাউন্ডারিতে ইনিংসটি সাজান। এছাড়া স্মিথ ভালো শুরুর পর ৩৩ রানে আটকে যান। অ্যালেক্স ক্যারির ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। নিয়মিত বিরতিতে ভারতের পেসাররা উইকেট নেওয়ায় থিতু হতে পারেননি কোনো ব্যাটসম্যানই। ভারত অ্যাটাকিং খেলবে নাকি ডিফেন্সিভ সেটা নিয়ে ছিল কৌতুহল। প্রথম ওভারে সেই বার্তা দিয়ে দেন জওসওয়াল। বাঁহাতি পেসারকে প্রথম ওভারে চারটি চার হাঁকান জওসওয়াল। থেমে থাকেননি আরেক ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুল। ২টি দৃষ্টিনন্দন চারে এগিয়ে নেন স্কোরবোর্ড। দুই পেসার কামিন্স ও স্টার্ক কোনো সুবিধা করতে না পারায় প্রথম ইনিংসে ফাইফারের স্বাদ পাওয়া বোল্যান্ড আক্রমণ আসেন। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত। রাহুল ও জওসওয়াল বোল্ড হওয়ার পর কোহলি আবারো স্লিপে ক্যাচ দেন। অফস্টাম্পের বাইরের বল খোঁচা দিয়ে এই সিরিজে এই নিয়ে মোট সাতবার আউট হলেন কোহলি। হাল ধরার চেষ্টা ছিলেন গিল। কিন্তু ১৩ রানে তাকে আটকে দেন ওয়েবস্টার। পাঁচে আসা রিশভ পান্ত খেলার গতি পাল্টে দেন। মাত্র ২৯ বলে তুলে নেন ফিফটি। যা ভারতের হয়ে টেস্টে দ্বিতীয় দ্রুততম। পান্তই এ রেকর্ডটা দখলে রেখেছেন। ২৮ বলে ফিফটি পেয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৩৩ বলে ৬১ রান করেন ৬ চার ও ৪ ছক্কায়। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখলেও কামিন্স তাকে ফিরিয়ে ভারতের বড় স্কোরের সম্ভাবনা কমিয়ে দেন। অফস্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন পান্ত। দিনের শেষ ভাগে নীতিশ রেড্ডি বোল্যান্ডের চতুর্থ শিকার হলে পিছিয়ে যায় ভারত। জাজেদা ৮ ও সুন্দর ৬ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। আগামীকাল তৃতীয় দিনে তারা কতটা লড়াই করতে পারেন, সেটার উপর ম্যাচের ভাগ্য নির্ভর করবে।

রাজশাহীকে হারিয়ে প্রথম জয় চিটাগাংয়ের

রাজশাহীকে হারিয়ে প্রথম জয় চিটাগাংয়ের বিপিএলে একদিনের ব্যবধানে বিপরীত চিত্রটাও দেখল দুর্বার রাজশাহী। গতকাল তাসকিন আহমেদের রেকর্ড ম্যাচে জয় পেলেও আজ হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রাজশাহী। চিটিগাং কিংসের কাছে ১০৫ রানে হেরেছে তারা। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানি ব্যাটার উসমান খানের সেঞ্চুরিতে ২২০ রানের লক্ষ্য দেয় চিটাগাং। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৪ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। এতে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে বিপিএলের ইতিহাসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয় পায় চিটিংগা। এর আগে ১০৫ রানের জয় পেয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সও। এবারের বিপিএলে বন্দর নগরীর দলটির প্রথম জয়। চিটাগাংয়ের হয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম। আলিসের মতো সমান ৩ উইকেট নিলেও আরেক বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি খরচ করেছেন ২৩ রান। এবারের বিপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন উসমান। দলটির হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০ রান করেছেন ইংল্যান্ডের গ্রাহাম ক্লার্ক।  

পেরেরার ইতিহাসগড়া সেঞ্চুরিতে ১৯ বছরের আক্ষেপ ঘুচলো শ্রীলঙ্কার

পেরেরার ইতিহাসগড়া সেঞ্চুরিতে ১৯ বছরের আক্ষেপ ঘুচলো শ্রীলঙ্কার ৪২৯ রানের রোমাঞ্চকর এক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শেষ হাসি হাসলো শ্রীলঙ্কা। নেলসনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৭ রানে হারালো সফরকারী দল। দুই ম্যাচ সিরিজ আগেভাগেই নিজেদের করে নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ ম্যাচটি ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতার। তবে লঙ্কানরা এই ম্যাচ জিতে শুধু হোয়াইটওয়াশ লজ্জাই এড়ায়নি, ঘুচিয়েছে ১৯ বছরের আক্ষেপ। ২০০৬ সালের পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এবারই প্রথম কোনো টি-টোয়েন্টি জিতলো শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানদের এই জয়ের নায়ক কুশল পেরেরা। ৪৪ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তিনি নাম লিখিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। টি-টোয়েন্টিতে লঙ্কানদের ইতিহাসের সর্বকালের দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক এখন পেরেরা। পেরেরার বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ভর করেই ৫ উইকেটে ২১৮ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করিয়েছিল টস হেরে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কা। এটি টি-টোয়েন্টিতে লঙ্কানদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ৪৬ বলে ১৩ চার আর ৪ ছক্কায় বাঁহাতি পেরেরা খেলেন ১০১ রানের ঝকঝকে ইনিংস। এছাড়া ২৪ বলে ৪৬ করেন অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা। জবাবে ১৫ ওভার পর্যন্ত দারুণভাবে লড়াইয়ে ছিল নিউজিল্যান্ড। ওভারপ্রতি ১১ রান করে লাগতো, ঠিকই সে চেষ্টা করে গেছে স্বাগতিকরা। ১৫তম ওভারে আসালাঙ্কাকে টানা চার ছক্কা হাঁকিয়ে খেলা জমিয়ে দিয়েছিলেন ড্যারিল মিচেল। ১৭ বলে ৩৫ করে তিনি আউট হন। শেষদিকে নয় নম্বর ব্যাটার জ্যাকারি ফকসও ভয় জাগিয়েছিলেন লঙ্কানদের মনে। তবে তার ১৩ বলে ২১ রানের ইনিংসেও তীরে পৌঁছতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ৭ রান দূরে থাকতে হেরে যায় স্বাগতিকরা। এর আগে ৪৪ বলে ৮১ রানের ওপেনিং জুটিতে রান তাড়ার শক্ত ভিত গড়ে দিয়েছিলেন রাচিন রাবিন্দ্র আর টিম রবিনসন। রবিনসন ২১ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৩৭ আর রাচিন ৩৯ বলে ৫ চার, ৪ ছক্কায় করেন ৬৯ রান।