শান্তই থাকছেন টেস্ট দলের অধিনায়ক

শান্তই থাকছেন টেস্ট দলের অধিনায়ক আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকছেন আগের অধিনায়কই। ২০২৫-২০২৭ চক্রে শ্রীলঙ্কা সফর দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করতে যাওয়া বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আগের মতো সহ-অধিনায়ক হিসেবে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এক বছরের জন্যই এই দুজনের নেতৃত্বে আস্থা রাখার কথা জানিয়েছে বিসিবি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬ সদস্যের ঘোষিত স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক এবাদত হোসেন চৌধুরির ফেরা। দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পায়ের চোটে মাঠের বাইরে ছিলেন এই পেসার। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে চোট পাওয়ার পর তাকে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। এরপর দীর্ঘ পুনর্বাসন শেষে ঘরোয়া ক্রিকেট দিয়ে ফেরেন। বিপিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে খেলার পর জাতীয় দলে ফিরলেন এবাদত। তাকে ঘিরেই পেস আক্রমণ সাজানো হয়েছে। দলে তার সঙ্গে আরও আছেন হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। দলে জায়গা ফিরে পেয়েছেন লিটন কুমার দাসও। পাকিস্তান সুপার লিগে খেলার কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ সিরিজে ছিলেন না। সেই সিরিজে অংশ নিয়ে পরে চলে যাওয়া নাহিদ রানাও দলে ফিরেছেন। দলে আছেন বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ, যিনি এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন। এই স্পিনারের সঙ্গে স্পিন বিভাগে আরও থাকছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসান। অন্যদিকে বাদ পড়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়, তানভির ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব। জয় ব্যাট হাতে দীর্ঘদিন রান খরায় ভুগছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৬ রান করলেও এরপর ১৭ ইনিংসে আর ফিফটির দেখা পাননি। তানজিম সাকিব অভিষেক ম্যাচে ৪১ রান করলেও বোলিংয়ে ছিলেন নিষ্প্রভ, ফলে এবার বাদ পড়েছেন। বাঁহাতি স্পিনার তানভির ইসলামও কোনো ম্যাচ না খেলেই স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেলেন। আগামী ১৩ জুন শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে বাংলাদেশ। ১৭ জুন গলে শুরু হবে প্রথম টেস্ট, দ্বিতীয়টি মাঠে গড়াবে ২৫ জুন কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে।
‘আমার হৃদয় বেঙ্গালুরুর সঙ্গে, আইপিএল জেতা অবিশ্বাস্য অনুভূতি’

‘আমার হৃদয় বেঙ্গালুরুর সঙ্গে, আইপিএল জেতা অবিশ্বাস্য অনুভূতি’ অযুত-নিযুত ঘামবিন্দু ঝরিয়ে, নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে গড়ে, সামর্থ্যের সবটুকু নিংড়ে দিয়েও অরাধ্য শিরোপা পাওয়া হচ্ছিল না। তিন তিনবার খুব কাছে গিয়েও শূন্য হাতে ফিরে আসতে হয়েছিল। শৈশবে যে স্বপ্ন দেখা শুরু হয়েছিল কৈশোরে তা পূরণ হতে হতেও হয়নি। অবশেষে যৌবনে দেখা মিলল সাফল্য চূড়া। বিরাট কোহলি পেলেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা। তার দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও পেল শিরোপার স্বাদ। বেঙ্গালুরু ও বিরাট মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ২০০৮ সাল থেকে সমান্তরাল পথে চলছে দুজনের মিশন। গন্তব্য একটাই, আইপিএল শিরোপা। আগের ১৭ আসরে হয়নি। ১৮ বসন্তে মিলল দেখা। তাইতো ম্যাচ শেষে হওয়ার আগেই বিরাটের চোখে জল। শেষ হতে হতে নিজেকে আটকে রাখতে পারেন না। আবেগে ভাসলেন। কাঁদলেন। অনুভূতি প্রকাশ করলেন এই শিরোপার ওজনটা আসলেও কত বড় তার কাছে। ম্যাথু হেডেনকে দেয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিরাট বলেছেন, ‘‘এ জয় দলের জন্য যতটা, সমর্থকদের জন্য ততটাই। দীর্ঘ ১৮ বছর কেটে গেল। এই দলকে আমি নিজের যৌবন, নিজের সেরা সময় ও অভিজ্ঞতা বিলিয়ে দিয়েছি। প্রতি মৌসুমে এটা (আইপিএল ট্রফি) জেতার চেষ্টা করেছি, নিজের সর্বস্ব নিংড়ে দিয়েছি। এ মুহূর্তের দেখা পাওয়া আমার কাছে অবিশ্বাস্য অনুভূতি।’’ ‘‘এই দিনটির দেখা পাব কখনো ভাবিনি। শেষ বলটি হওয়ার পরই আবেগ ভর করেছে। এটা আমার কাছে অনেক কিছু। দলটির জন্য আমি নিজের প্রতি আউন্স শক্তির সঞ্চার করেছি। শেষ পর্যন্ত এটা জিততে পারা অসাধারণ ব্যাপার।’’ – বলতে থাকেন বিরাট। বেঙ্গালুরু তার কাছে শুধু একটি দল কিংবা ফ্রাঞ্চাইজি নয়। এই দলটা তার হৃদয়ের খুব কাছে। চরম উত্থান-পতনের পরও হাল ছাড়েনি কেউ। নতুন করে লড়াই করেছে। দলছুট হননি কেউ। শিরোপা অর্জনের মঞ্চে আরো একবার বেঙ্গালুরুকে নিয়ে ভাবনা প্রকাশ করেছেন বিরাট, ‘‘১৮ বছর ধরে নিজের সবকিছু নিংড়ে দিয়েছি। এই দলটির প্রতি অনুগত থেকেছি। এমন কিছু মুহূর্ত এসেছে, যখন অন্য কিছুও ভেবেছি। তবু এই দলের সঙ্গে থেকেছি, আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি, তারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। সব সময় তাদের হয়েই এটা (আইপিএল) জেতার স্বপ্ন দেখেছি।’’ ‘‘অন্য কারও হয়ে জেতার চেয়ে এটা বিশেষ কিছু। কারণ, আমার হৃদয় বেঙ্গালুরুর সঙ্গে। যেটা বলেছি, এই দলটির হয়ে আমি আইপিএলে নিজের শেষ দিন পর্যন্ত খেলব। এই মুহূর্তটি (আইপিএল জয়) ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলোর একটি।’’
পরাজয়ের পর প্রীতির চোখে জল, ভক্তদের প্রশংসা

পরাজয়ের পর প্রীতির চোখে জল, ভক্তদের প্রশংসা গতকাল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও প্রীতি জিনতার দল পাঞ্জাব কিংস। দুটো দলেরই অদম্য চাওয়া ছিল বিজয়ের। কিন্তু দ্বারপ্রান্তে গিয়েও ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে ফিরলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি ও তার দল। ব্যর্থতার বেদনা প্রীতির চোখে জল এনে দিলেও নেটিজেনরা তার ভূয়সী প্রশংসা করছেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের চূড়ান্ত আসরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাঞ্জাব কিংসের পরাজয়ের পর প্রীতি জিনতা স্ট্যান্ড থেকে নেমে যান মাঠে। বিষণ্ন মন নিয়েও তার দলের খেলোয়াড়দের সামলাতে দেখা যায়। এ সময় নিজেকে শান্ত রাখলেও, তার চেহারায় বেদনার ছাপ স্পষ্ট ছিল এবং তার চোখের জল কারো নজর এড়ায়নি। প্রীতি জিনতা ও তার দল ১৮ বছর ধরে জয়ের অপেক্ষায় ছিলেন। পরাজয়ের পর প্রীতি জিনতার আচরণে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা। মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে একজন লেখেন, “প্রীতি জিনতার চোখে জল, এটাই স্বাভাবিক। আবারো তার হৃদয় ভেঙেছে। ২০১৪ সালেও একই দৃশ্য দেখেছিলাম।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে অন্তর্জালে। ২০০৮ সালে পাঞ্জাব কিংসের সহ-মালিকানা নেন প্রীতি জিনতা। তারপর থেকে আইপিএলের সঙ্গে তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। দলের প্রতি তার আন্তরিক সমর্থন, নিয়মিত স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকা, খেলোয়াড়দের সঙ্গে আবেগঘনভাবে সম্পৃক্ত হওয়া প্রীতিকে আলাদা করেছে। রুপালি পর্দায় প্রীতি জিনতাকে দীর্ঘ দিন দেখা যায়নি। ২০১৮ সালে ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ সিনেমায় সর্বশেষ অভিনয় করেন। এরপর বড় পর্দায় তার দেখা মেলেনি। দীর্ঘ বিরতির পর ফের বড় পর্দায় ফিরছেন এই অভিনেত্রী। ‘লাহোর ১৯৪৭’ সিনেমায় সানি দেওলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ফিরবেন প্রীতি। গত ২১ মে সিনেমাটি মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু তা পিছিয়েছে।
আজ রাতে ফাইনাল, নতুন চ্যাম্পিয়ন দল আইপিএলে

আজ রাতে ফাইনাল, নতুন চ্যাম্পিয়ন দল আইপিএলে আইপিএলের ট্রফিতে সাতটি দলের নাম লিখা আছে। আজ যারা আইপিএলের ফাইনালে খেলবে তাদের নাম নেই সেই ট্রফিতে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নতুন একটি চ্যাম্পিয়ন দল পেতে যাচ্ছে। আজ রাতেই হবে সেই অপেক্ষার সমাপ্তি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের ফাইনাল। মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও পাঞ্জাব কিংস। পৃথক চারটি আসরে দুই দল ফাইনাল খেলেছে। কিন্তু শিরোপা ছোঁয়া হয়নি কারো। এবার কার মুখে হাসি ফোটে সেটাই দেখার।
নারী বিশ্বকাপেও ভারত-পাকিস্তান আলাদা, নিরপেক্ষ ভেন্যু শ্রীলঙ্কা

নারী বিশ্বকাপেও ভারত-পাকিস্তান আলাদা, নিরপেক্ষ ভেন্যু শ্রীলঙ্কা চলতি বছর সেপ্টেম্বর-নভেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ। তবে ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে এবারের আসরেও। ছেলেদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে যেতে ভারতের আপত্তির পর আইসিসির পক্ষ থেকে দুই দেশের ম্যাচগুলোর ক্ষেত্রে নিরপক্ষে ভেন্যু বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যে কারণে নারী বিশ্বকাপে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এশিয়ার এই দ্বীপদেশের রাজধানী কলম্বো এবার হোস্ট করবে পাকিস্তানের ৭টি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ, যার মধ্যে ভারতের বিপক্ষেও একটি ম্যাচ রয়েছে। এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও খেলার সম্ভাবনা রয়েছে এখানে। যদি পাকিস্তান সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে ওঠে, তাহলে সেগুলিও হবে কলম্বোতেই। অন্যদিকে ভারতের ম্যাচগুলো হবে দেশের ভেতরে-বেঙ্গালুরু, গুয়াহাটি, ইন্দোর ও বিশাখাপত্তনম শহরে। পুরো আট দলের টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় হার্ড-হিটিং অলরাউন্ডার ম্যাক্সওয়েল

ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় হার্ড-হিটিং অলরাউন্ডার ম্যাক্সওয়েল অস্ট্রেলিয়ার হার্ড-হিটিং অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৩৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার এখন আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে পুরোপুরি মনোযোগী হতে চান। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য), বিগ ব্যাশ লিগ এবং অন্যান্য বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিকে প্রাধান্য দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিযেছেন ম্যাক্সওয়েল। ৩৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৪৯টি ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নেন। ৪টি শতক ও ২৩টি অর্ধশতকে ম্যাক্সওয়েল করেছেন ৩৯৯০ রান। স্ট্রাইক রেট ১২৬—ওয়ানডে ইতিহাসে আন্দ্রে রাসেলের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বোলিংয়েও অবদান রেখেছেন ৭৭টি উইকেট নিয়ে। ২০২৩ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তার ২০১ রানের ইনিংসটি আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের মুখে মুখে। ৯১ রানে ৭ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন একার হাতে। তার ২০২ রানের সেই ইনিংসকেই অনেকে ‘ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ইনিংস’ বলে আখ্যা দেন। সেই বিশ্বকাপেই অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। অবসর প্রসঙ্গে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছিল, শারীরিক অবস্থার কারণে ওয়ানডে ফরম্যাটে দলে আগের মতো অবদান রাখতে পারছি না। নির্বাচক জর্জ বেইলির সাথে আমার ভালো আলোচনা হয়েছিল। আমরা ২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলেছিলাম, এবং আমি তাকে বলেছিলাম, ‘আমার মনে হয় না আমি তখনো খেলতে পারব। তাই আমার পজিশনে অন্য খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া উচিত।’” নির্বাচক জর্জ বেইলিও ম্যাক্সওয়েলের প্রশংসা করে বলেন, ‘সে শুধু ব্যাটিং নয়, ফিল্ডিং ও বল করাতেও অসাধারণ। তার উৎসাহ, প্রতিভা এবং দেশের প্রতি নিষ্ঠা তাকে আলাদা করে তুলেছে।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘সৌভাগ্যবশত, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ম্যাক্সওয়েলের কাছ থেকে আমরা এখনো অনেক কিছু পেতে পারি। আশা করছি, আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
ওয়ানডে থেকে অবসর ঘোষণা ম্যাক্সওয়েলের

ওয়ানডে থেকে অবসর ঘোষণা ম্যাক্সওয়েলের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা ইনিংসের তালিকা করা হলে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সম্ভবত শীর্ষে থাকবেন। ২০২৩ বিশ্বকাপে মুম্বাইতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে যেভাবে আহত বাঘের মত গর্জে উঠেছিলেন এবং এককভাবে একা অপরাজিত ২০১ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়েছিলেন, তা অবিশ্বাস্য। ২১ বাউন্ডারি আর ১০ ছক্কায় সাজানো ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ইনিংসের নজির আর কখনো দেখা যাবে কি না সন্দেহ। সেই ক্রিকেটারই কি না অনুশোচনায় ভুগছেন, দলকে ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামিয়ে আনছেন। সে কারণেই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে বসলেন অস্ট্রেলিয়ান এই অলরাউন্ডার। তার এই অবসর সিদ্ধান্ত নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে। তবে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ফাইনাল ওয়ার্ড পডকাস্টের সঙ্গে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে অবসরের কথা জানান ম্যাক্সওয়েল। সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সময় শারীরিক সমস্যার বিষয়টা সামনে আসে তার। নিজের মান অনুযায়ী ফিল্ডিং করার জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ সালে পা ভেঙে যাওয়ার কারণে ওয়ানডে ক্রিকেটে শারীরিক চাপ অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে বলে জানালেন তিনি। ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, দলকে একটু একটু নিচে নামিয়ে আনছি। কন্ডিশনের সঙ্গে শরীরের প্রতিক্রিয়া দেখে আমি নিজেই শঙ্কিত এবং দলকে হতাশ করে চলছি। এ কারণে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘(অস্ট্রেলিয়া প্রধান নির্বাচক) জর্জ বেইলির সাথে আমার বেশ ভালো কথোপকথন হয়েছে এবং আমি তার কাছে জানতে চেয়েছি, ভবিষ্যতে পরিকল্পনা কী? আমি ২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলেছি। তাকে বলেছি যে, আমি মনে করি না ওই বিশ্বকাপ খেলতে পারবো।’ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৪৯টি ওয়ানডে খেলেছেন ম্যাক্সওয়েল। ৩৩.৮১ গড়ে রান করেছেন ৩৯৯০। সেঞ্চুরি ৪টি, হাফ সেঞ্চুরি ৩৩টি। সর্বোচ্চ অপরাজিত ২০১ রান। উইকেট নিয়েছেন ৭৭টি। টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা না করলেও তিনি মূলত টেস্ট খেলেন না। ক্যারিয়ারে মাত্র ৭টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। আইএইচএস/
পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফরের সূচি চূড়ান্ত

পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফরের সূচি চূড়ান্ত বাংলাদেশ সফরে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ১৮ জুলাই ঢাকায় পা রাখবে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি সূত্রের বরাত দিয়ে এমন খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। জিও নিউজ জানিয়েছে, এই সিরিজের প্রাথমিক সূচি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি এবং তা পাঠানো হয়েছে পিসিবির কাছে অনুমোদনের জন্য। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২০ জুলাই, দ্বিতীয় ম্যাচ ২২ জুলাই এবং তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে ২৪ জুলাই। তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। উল্লেখ্য, এই সিরিজটি আইসিসির নির্ধারিত ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম এফটিপির অন্তর্ভুক্ত নয়। বিসিবি ও পিসিবির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আলোচনার ভিত্তিতেই এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি আজ রোববার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে বাংলাদেশকে ৫৭ রানে হারিয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক পাকিস্তান।
বাঁচামরার ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ; টাইগার একাদশে এক পরিবর্তন

বাঁচামরার ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ; টাইগার একাদশে এক পরিবর্তন প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। লাহোরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিততে না পারলে সিরিজ খোয়াবে টাইগাররা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামছে লিটন দাসের দল। এই ম্যাচে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন অফস্পিনার শেখ মেহেদি। ঢুকেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।পাকিস্তান একাদশেও এক পরিবর্তন। চোটের কারণে খেলছেন না ফখর জামান। তার জায়গায় ওপেনিংয়ে এসেছেন শাহিবজাদা ফারহান। বাংলাদেশ একাদশ তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি অনিক (উইকেটরক্ষক), শামীম হোসেন পাটোয়ারী, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। শাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), হাসান নওয়াজ, শাদাব খান, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, হাসান আলি, হারিস রউফ ও আবরার আহমেদ।
বিসিবির নতুন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বিসিবির নতুন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল অবশেষে নাটকীয়তার অবসান ঘটলো। বিসিবির নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল । বিকেলে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় পরিচালকদের ভোটে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিসিবির পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। শুক্রবার বিসিবির বোর্ড সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে তিনি সভাপতি হয়েছেন। এছাড়াও নাজমুল আবেদীন ফাহিম সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফাহিম সিনহা সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল রাতে এক অনলাইন সভায় বুলবুলকে বিসিবির জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত কাউন্সিলরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত বিসিবির পরিচালক ঘোষণা করে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। বিসিবি পরিচালক হয়ে বোর্ড সভায় অংশ নিয়ে বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। এর আগে একই পদ্ধতিতে ক্রীড়া পরিষদের মনোনীত পরিচালক হয়ে বিসিবির বস হয়েছিলেন ফারুক আহমেদ। গতকাল রাতে ফারুক আহমেদের ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত পরিচালকের পদ বাতিল করে চিঠি দেওয়া হয়। বিসিবির সংখ্যাগরিষ্ঠ ৮ পরিচালক তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপন করে চিঠি দেন। পরিচালকের পদ হারানোয় তিনি বিসিবি সভাপতির পদও হারান।