কলম্বো টেস্টে হেরে অধিনায়কত্ব ছাড়লেন শান্ত

কলম্বো টেস্টে হেরে অধিনায়কত্ব ছাড়লেন শান্ত কলম্বো টেস্ট শুরুর আগেই গুঞ্জন ছিল নেতৃত্ব ছাড়তে পারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর সেই গুঞ্জনে সিলমোহর পড়ল। বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়লেন শান্ত। শনিবার (২৮ জুন) ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি। টেস্টের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে শান্ত বলেন, ‘আমার একটা ঘোষণা ছিল আমি বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়কত্বের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিচ্ছি। আমি টেস্ট ফরম্যাটে আর অধিনায়কত্ব চালিয়ে যেতে চাই না।’ শান্ত বলেন, ‘আমি একটা জিনিস সবাইকে ক্লিয়ারলি মেসেজটা দিতে চাই যে, এটা কোনো পারসোনাল (ব্যক্তিগত) কিছু না। এটা দলের ভালোর জন্যই এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া এবং এটাতে দলের ভালো কিছু হবে বলে আমি মনে করি। আমার ব্যক্তিগত মতামত যে তিন অধিনায়ক একটু ডিফিকাল্ট হতে পারে। পুরোটা দলের ভালোর জন্য আমি এখান থেকে সরে এসেছি।’ সম্প্রতি ওয়ানডে ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তকে সরিয়ে দেয় বিসিবি। তার জায়গায় এসেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এর আগে শান্ত নিজেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন ব্যাটিংয়ে মনোযোগী হতে। সেইসময় বোর্ডকেও জানিয়েছিলেন, তিনি টেস্ট ও ওয়ানডে দল চালাতে চান। বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পরবর্তীতে বলেছিলেন, শান্তর অধিনায়কত্ব (ওয়ানডে) কেড়ে নেওয়া হয়নি। বরং বোর্ডের সবার সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি শান্ত নিজেও খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতায় এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন বোর্ড সভাপতি।
ইনিংস হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ, চমক রেখে দল ঘোষণা শ্রীলঙ্কার

ইনিংস হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ, চমক রেখে দল ঘোষণা শ্রীলঙ্কার কলম্বো টেস্টে চরম বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনেই ইনিংস হার উঁকি দিচ্ছে টাইগারদের। প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার নেয়া ২১১ রানের লিডের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়েছে সফরকারীরা। ৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে ৬ উইকেট হারিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়ে ফের ব্যর্থ হন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। তার বিদায়ের পরই আউট হন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম। এরপর মুনিলুল হক ও শান্ত মিলে প্রতিরোধ গড়া চেষ্টা করেন। মুমিনুল ১৫ ও শান্ত ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। তবে দিনের শেষ বেলায় আরও দুই উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে প্রবাথ জয়সুরিয়া ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। এদিকে, চলমান টেস্ট সিরিজ শেষে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কা। আজ আসন্ন এই সিরিজেকে সামনে রেখে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেবেন চারিথ আসালাঙ্কা। ১৬ সদস্যের এই দলে একমাত্র নতুন মুখ মিলান রতœনায়েকে। আগামী ২ জুলাই শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। একই মাঠে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ হবে আগামী ৫ জুলাই। আর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে ৮ জুলাই। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে পাল্লেকেলেতে।
শ্রীলঙ্কায় গেল ওয়ানডে দলে আরো ১০ জনের বহর

শ্রীলঙ্কায় গেল ওয়ানডে দলে আরো ১০ জনের বহর কলম্বোতে চলছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার সিরিজের শেষ টেস্ট। এদিকে একই সময়ে ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ দুপুরে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের ১০ সদস্যের বহর। এই বহরে রয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব, পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, রিশাদ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়সহ স্কোয়াডের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। দলের কন্ডিশনিং কোচ নাথান কেলিও এই বহরে আছেন। গত ২৩ জুন ১৬ সদস্যের ওয়ানডে দল ঘোষণা করে বিসিবি। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ওপেনার নাঈম শেখ। আগামী ২ জুলাই কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৫ জুলাই, আর সিরিজের শেষ ওয়ানডে হবে ৮ জুলাই পাল্লেকেলেতে। বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড (শ্রীলঙ্কা সিরিজ)-এ আছেন-মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস, জাকের আলি অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও হাসান মাহমুদ।
তাইজুলের ফাইফারে ৪৫৮ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা

তাইজুলের ফাইফারে ৪৫৮ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা গল টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৫৮ রানে অলআউট হয়ে ২১১ রানের লিড তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে একাই লড়েছেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। নিয়েছেন ৫ উইকেট। দিনের শুরুতে ২ উইকেটে ২৯০ রানে খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। তবে আজ দুই সেশনে ৩৮.৫ ওভারে ১৬৮ রান তুলতেই গুটিয়ে যায় দলটি। এই সময়ে হারায় বাকি ৮ উইকেট। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ১১৭তম ওভারের শুরুতে। সেই সময় ইনিংসের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটার কুশল মেন্ডিস রান আউট হয়ে ফিরে যান। ৮৪ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি, মাত্র ৮৭ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংসটি। ওই ওভারেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট এনে দেন তাইজুল ইসলাম। শর্ট বল খেলতে গিয়ে মিড-অন অঞ্চলে সাদমান ইসলামের হাতে ধরা পড়েন আসিথা ফার্নান্ডো। এই উইকেটটি নিয়েই ইনিংসে নিজের ৫ উইকেট পূর্ণ করেন তাইজুল। যা দেশের বাইরে তার পঞ্চমবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি। সবমিলিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১৭তম ফাইফার। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৪৭ রানের জবাবে ৪৫৮ রানে থেমে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ফলে ২১১ রানের বিশাল লিড পেয়ে যায় তারা। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তুলেছিল ২৪৭ রান। ২১১ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ।
রানাকে চার মেরে টানা দ্বিতীয় টেস্টে নিসাঙ্কার সেঞ্চুরি

রানাকে চার মেরে টানা দ্বিতীয় টেস্টে নিসাঙ্কার সেঞ্চুরি নাহিদ রানাকে চার মেরে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন নিসাঙ্কা। ১৬৭ বল খরচ করেন। ১৮তম টেস্ট খেলতে নামা এই ব্যাটারের এটি চতুর্থ সেঞ্চুরি। চান্দিমালকে সঙ্গে গড়া শতাধিক রানের জুটি চাপে রেখেছে বাংলাদেশকে। এখন পর্যন্ত এই জুটি থেকে আসে ১১৫ রান। আরেকটি সেঞ্চুরির পথে নিসাঙ্কা গলে ১৮৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। এবার কলম্বোয়ও আরেকটি সেঞ্চুরির পথে নিসাঙ্কা। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৯৩ রানে অপরাজিত আছেন এই ওপেনার। সঙ্গে চান্দিমাল অপরাজিত ৫৪ রানে। দুজনের জুটি থেকে এখন পর্যন্ত ১সে ১০২ রান। এই সেশনে বাংলাদেশ মাত্র ১টি উইকেট পায়। চান্দিমালের ফিফটির পর জুটির সেঞ্চুরি তাইজুলের ঘূর্ণিতে পায়ে লাগে চান্দিমালের। জোরালো আবেদনে সাড়াও দেন আম্পায়ার। রিভিউ নেন চান্দিমাল। বেঁচে যান ফিফটি থেকে ১৩ রান দূরে থেকে। ৭০ বলে ফিফটির দেখা পান। তার ফিফটির পরই নিসাঙ্কার সঙ্গে জুটির সেঞ্চুরি হয়। উদারার আউটের পর নিসাঙ্কার ফিফটি বিরতির পর এসেই উইকেটের দেখা পেলো বাংলাদেশ। তাইজুলের ঘূর্ণিতে উদারা এলবিডব্লিউর শিকার হন। জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার, বাংলাদেশ রিভিউ নিয়ে উইকেটে দেখা পায়। ৬৫ বলে ৪০ রান করেন এই ব্যাটার। তার আউটে ভাঙে ৮৮ রানের জুটি। তার আউটের পরের ওভারেই নিসাঙ্কা ফিফটির দেখা পান। ৭৯ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার। ক্রিজে নিসাঙ্কার সঙ্গী চান্দিমাল। প্রথম সেশনে বলে-ব্যাটে দাপুটে শ্রীলঙ্কা প্রথম সেশনে বাংলাদেশ কোনো উইকেটই নিতে পারেনি। ৮৩ রানের জুটি গড়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যানে দুই ওপেনার নিসাঙ্কা-উদারা। নিসাঙ্কা ৪২ ও উদারা ৪০ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের রান টপকাতে এখনো তাদের প্রয়োজন ১৬৪ রান। এর আগে শুরুতেই বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে অলআউট করে শ্রীলঙ্কা। ২৪৭ রানে অল আউট বাংলাদেশ ২২০ রানে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন ২৭ রান যোগ করে। তাইজুলের দৃড়তায় প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৪৭ রান করে। তাইজুল ৩৩ রান করেন। এর বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনে প্রথম ইনিংসে খেলা হয়েছে ৭১ ওভার। সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান। এ ছাড়া মুশফিক ৩৫ লিটন দাস ৩৪ ও মিরাজ ৩১ রান করেন। থিতু হয়ে আউট হয়ে যাওয়ায় বড় সংগ্রহ করতে পারেনি বাংলাদেশ। আসিথা ৩ ও অভিষিক্ত সোনাল নেন সমান ৩টি করে উইকেট। ইবাদতের আউটে দ্বিতীয় দিনের শুরু ইবাদতের আউটে বাংলাদেশের দিন শুরু। তাইজুলের চারে শুরুতেই দারুণ আভাস দিয়েছিল। কিন্তু সেই সুখ বেশি লম্বা হয়নি। আসিথার তোপে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইবাদত। ভাঙে ২৮ বলে ১৫ রানের জুটি।প্রায় দুই বছর খেলতে নামা ইবাদতের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ৮ রান। দ্বিতীয় দিন মাঠে বাংলাদেশ কলম্বোয় দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন মুখোমুখি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। তাইজুল ইসলাম-ইবাদত হোসেন দিন শুরু করেন। দুজনের চাওয়া বাংলাদেশের সংগ্রহ কিছুটা বাড়ানো। প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২২০ প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২২০ প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২২০। তাইজুল ৯ ইবাদত ৫ রানে অপরাজিত আছেন। বৃষ্টি বিঘ্নিত এই দিনে খেলা হয়েছে ৭১ ওভার। সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান। এ ছাড়া মুশফিক ৩৫ লিটন দাস ৩৪ ও মিরাজ ৩১ রান করেন। থিতু হয়ে আউট হয়ে যাওয়ায় বড় সংগ্রহ করতে পারেনি বাংলাদেশ। অভিষিক্ত সোনাল দিনুশাসহ সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন আসিথা-বিশ্ব।
টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের পঁচিশে বাংলাদেশ

টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের পঁচিশে বাংলাদেশ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক এক টেস্ট অধিনায়কের কড়া সমালোচনা, ‘টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৫ বছর উদযাপন! এটা কেমন উদযাপন? স্ট্যাটাস পাওয়ার উদযাপন করার কী আছে? টেস্ট খেলছে পৃথিবীর আর কোনো দেশ কী এমন উদযাপন করে। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৫ বছর…তো এই ২৫ বছরে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট কতটুকু এগিয়েছে? কালেভাদ্রে কয়েকটি ম্যাচ জেতা বাদে কখনো কী এই ফরম্যাটে ধারাবাহিকতা ছিল। এসব বাদ দিয়ে মাঠের ক্রিকেটে মনোযোগ দেওয়াই উচিত।’’সাবেক টেস্ট অধিনায়কের এমন ঝাঁজালো বক্তব্য আসলে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের উদযাপনের স্রেফ সমালোচনা করাই নয়, বরং আসল জায়গায় বিসিবির কাজ না করার একটি চিত্রও বটে। এই উদযাপন হচ্ছে চলমান সপ্তাহজুড়ে। রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রাম ঘুরে আজ সমাপণী দিনে সবচেয়ে বড় আয়োজন মিরপুর হোব অব ক্রিকেটে। ২৫ বছর আগে, ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ হয় বাংলাদেশ। রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্যে ছিল অনূর্ধ্ব-১২ সিক্স-এ-সাইড টুর্নামেন্ট, চিত্রাঙ্কন ও ধারাভাষ্য প্রতিযোগিতা, ‘হিট দা স্টাম্প’ চ্যালেঞ্জসহ নানান আয়োজন। ২০০০ সালের ২৬ জুন টেস্ট স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতের বিপক্ষে ১০ নভেম্বর প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে বাংলাদেশ। বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম প্রথম টেস্টে শতক হাঁকান। সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন নাঈমুর রহমান দূর্জয়। ঢাকা স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে স্কোয়াডে ছিলেন মোহাম্মদ রফিক, হাসিবুল হোসেন, আকরাম খান, এনামুল হক, খালেদ মাসুদ পাইলট, হাবিবুল বাশার, আল শাহরিয়ার রোকন, জাভেদ ওমর বেলিম, ফাহিম মুনতাসির, মেহেরাব হোসেন, শাহরিয়ার হোসেন, বিকাশ রঞ্জন দাস, রাজিন সালেহ, মঞ্জুরুল ইসলাম। আজ তাদের সংবর্ধনা দেবে বিসিবি। নানা কারণে অনেকেই থাকবেন না। যারা থাকবেন তাদের দেওয়া হবে বিশেষ ব্লেজার ও সম্মাননা। দেশজুড়ে নানা আয়োজনে রজতজয়ন্তী উদযাপনের দুটি কারণও ব্যাখ্যা করেছেন আমিনুল, ‘‘প্রোগ্রামটা আমরা দুইটা কারণে করেছি, একটা হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেটের ২৫ বছর উদযাপন। আরেকটা হচ্ছে দেশব্যাপী বহু জায়গায় ক্রিকেট ঘুমিয়ে ছিল, তাদের একটা ওয়াকআপ কল দেওয়া। এটা আমরা অত্যন্ত সফলভাবে করতে পেরেছি।’’ যেভাবে বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে বাংলাদেশ। আইসিসি ট্রফি জয়ের পর ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন বাংলাদেশ অর্জন করে ওয়ানডে স্টাটাস। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্টাটাসের জন্য আবেদন করেছিল। সে সময়ে পাঁচটি দেশ বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিলেও চারটি দেশ আরো পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেয়। তাতে ভেস্তে যায় সেই আবেদন। তবে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারালে টেস্ট স্টাটাস অর্জনের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এর পাশাপাশি বিভিন্নভাবে লবিং অব্যাহত থাকে। যেই কাজটা তখন বেশ সিদ্ধহস্তে করেছিলেন ক্রিকেটের দুই মহারথী সাবের হোসেন চৌধুরী ও সৈয়দ আশরাফুল হক। পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য কাজটা আরো সহজ হয় তখন আইসিসি সভাপতি ছিলেন জগমোহান ডালমিয়া। যিনি সব সময় বাংলাদেশ ক্রিকেটের শুভাকাঙ্খী ছিলেন। মূলত তার আমল থেকেই বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ২০০০ সালের ২৬ জুন আসে মাহেন্দ্রক্ষণ। ক্রিকেট-তীর্থ লন্ডনের লর্ডসের লং রুমে আইসিসির নতুন সভাপতি অস্ট্রেলিয়ার ম্যালকম গ্রে বাংলাদেশকে দশম টেস্ট দল হিসেবে বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করেন। লর্ডসে যখন সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তখন বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা। ব্যাস, এরপরই পুরো দেশে শুরু হয়ে যায় উৎসব। পরদিন ঢাকাসহ সারাদেশে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জোয়ার লেগে যায়। শুরু হয়ে যায় নতুন এক পথ চলা।
অস্বস্তিতে দিন পার বাংলাদেশের

অস্বস্তিতে দিন পার বাংলাদেশের কলম্বো টেস্টের প্রথম দিনেই ব্যাকফুটে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ৮ উইকেটে ২২০ রানে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। অস্বস্তিতে দিন পার করেছে সফরকারীরা। উল্টো অবস্থা স্বাগতিক শিবিরে। বাংলাদেশকে চাপে রেখে হাসি ফুটেছে শ্রীলঙ্কার ড্রেসিংরুমে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম দিনেই প্রবল চাপে বাংলাদেশ। আউট হওয়া আট ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেউই ফিফটির ছোঁয়া পাননি। চল্লিশের ঘরে যেতে পেরেছেন কেবল সাদমান ইসলাম। এছাড়া ত্রিশে গিয়ে আটকে গিয়েছেন মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। টপ ও মিডল অর্ডার থেকে বড় স্কোর না আসায় ব্যাটিংয়ে দিনটা একদমই বাজে গেছে বাংলাদেশের। তাইজুল ইসলাম ৯ ও ইবাদত হোসেন ৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। উইকেট গলের মতো ব্যাটিং বান্ধব নয়। বল টার্ন করেছে। পেসারদের জন্য সুইং ছিল। বোলাররা উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করতে পারছেন। নতুন বলে শ্রীলঙ্কা শুরুতেই সাফল্য পায়। ১০ বল খেলে কোনো রান না করে বোল্ড হন এনামুল হক বিজয়। সিরিজে এটি তার দ্বিতীয় ডাক। এরপর মুমিনুল ও সাদমান দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। তবে বেশিদূর যেতে পারেননি। আলগা শটে ধনাঞ্জয়ার বলে কাভারে ক্যাচ দেন মুমিনুল। ২১ রানে ফেরেন তিনি। ভালো করেননি গলে জোড়া সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বিশ্ব ফার্নান্দোর বলে খোঁচা মেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৮ রানে। সাদমান একপ্রান্ত আগলে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। ফিফটি ছোঁয়ার পথেই ছিলেন। কিন্তু ৪ রান দূরে থাকতে নিজের উইকেট বিলিয়ে আসেন। ৯৩ বলে ৭ চারে ৪৬ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি। এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের লড়াই শুরু হয়। ইনিংসের শুরুতে দুজনই জীবন পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। তাদের জুটিও তেমন বড় হয়নি। লিটন ব্যক্তিগত ৩৪ রানে ধানুশার বলে মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দেন। সঙ্গী হারানোর পর মুশফিকুর ৩৫ রানে একই বোলারের বলে আউট হন। পরে লড়াই করেন মিরাজ ও নাঈম। তাদের দুজনের ব্যাটে দুইশ অতিক্রম করার পথে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দলীয় ১৯৭ রানে মিরাজ ৩১ রানে আউট হলে ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ। ভরসা হয়ে আশা দেখাচ্ছিলেন নাঈম। কিন্তু ২৫ রানে তাকে বোল্ড করেন আসিথা ফার্নান্দো। বোলারদের নৈপূণ্যে শ্রীলঙ্কা কলম্বোর এসএসি মাঠে প্রথম দিন দাপট দেখিয়েছে। বাংলাদেশ আড়াইশ রান করতে পারলে কিছুটা আত্মবিশ্বাস পাবে। লেজের ব্যাটসম্যানদের সুবাদে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
কলম্বোয় বৃষ্টির আগে নড়বড়ে বাংলাদেশ

কলম্বোয় বৃষ্টির আগে নড়বড়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় বছরের এ সময় বৃষ্টি-বাদলা হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। বৃষ্টির কারণে বহু ম্যাচ ভেসে যাওয়ার ঘটনাও আছে। বাংলাদেশ দলের এবারের শ্রীলঙ্কা সফরেও যে বৃষ্টি বড় ভূমিকা রাখবে, সেটি জানাই ছিল। গলে প্রথম টেস্টের একটা অংশ ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। কলম্বোতেও প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টির বাগড়া। তবে সকালের সেশনে বৃষ্টি ছিল না। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম সেশনে ২ উইকেটে ৭১ রান করতে পারে বাংলাদেশ। এর মধ্যে প্রথম উইকেটটি যায় শুরুর দিকেই, দলীয় ৫ রানে। টানা তৃতীয়বারের মতো ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন বাংলাদেশ দলের ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আজকে রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আসিথা ফার্নান্ডোর বলে ১০ বল খেলে বোল্ড হয়ে ফেরেন শূন্য রানে। যদিও বোল্ড হওয়ার আগে দুইবার জীবন পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। চলতি সিরিজে সবমিলিয়ে তিন ইনিংসে ৪০ বল খেলে ৪ রান করতে পেরেছেন এই ডানহাতি। শুরুর ওই ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম। কিন্তু রান তুলতে হিমশিম খাচ্ছিলেন দুজনেই। তাদের জুটিও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টায় থাকা মুমিনুল ব্যক্তিগত ২১ রানে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার প্রথম বলেই কভারে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। এরপর সাদমান দায়িত্ব নিয়ে খেলছিলেন। কিন্তু তাকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। যদিও প্রথম ইনিংসে আর উইকেট পড়তে দেননি তারা। আগের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো এই বাঁহাতি আজ ফিরেছেন মধ্যাহ্ন বিরতির পরেই। ৩১ বলে ৮ রান করে উইকেটকিপার কুশল মেন্ডিসের হাত ধরা পড়েন তিনি। ফিফটির দিকে ছুটতে থাকা সাদমান এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ফিফটি থেকে ৪ রান দূরে থামে তার লড়াই। ৯৩ বলে ৭ চারে ৪৬ রান করা সাদমান বিদায় নেওয়ার পর ক্রিজে আসেন লিটস দাস। তাদের লড়াই শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই নামে বৃষ্টি। মাঝে একবার বৃষ্টি থামলে কভার সরানো হয়। কিন্তু মিনিট দশেকের মধ্যে আবার বৃষ্টি পড়তে শুরু হলে খেলা বন্ধ রাখা হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৩.২ ওভারে ৪ উইকেটে ৯০ রান করেছে বাংলাদেশ। মুশফিক ৭ ও লিটন ৮ রানে ব্যাট করছেন।
তৃতীয় ওপেনার হিসেবে দলে নাঈম শেখ, সৌম্যকে কড়া বার্তা

তৃতীয় ওপেনার হিসেবে দলে নাঈম শেখ, সৌম্যকে কড়া বার্তা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ১৬ জনের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন বাঁহাতি ওপেনার সৌম্য সরকার। তার পরিবর্তে দলে তৃতীয় ওপেনার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। ২০২৩ সালের এশিয়া কাপের পর দল থেকে বাদ পড়েন নাঈম। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে রানবন্যা বইয়ে দিয়ে প্রায় দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক আশরাফুল হোসেন লিপু দল ঘোষণা করেন। নাঈম শেখের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, “দেখুন, দল নির্বাচনের আগে আমরা এই মুহূর্তে একটা ‘বেস্ট পসিবল কম্বিনেশন’ ভাবি। সেই ভাবনার সময় ওপেনারের জায়গা তো একটা স্পেশালিস্ট জায়গা। তখন একজন বিকল্প ওপেনারের কথা চিন্তা করতে হয়। “সাধারণত দলে তিনজন ওপেনার থাকে। সেই আলোকে আমাদের যখন চিন্তা করতে হয়েছে, তখন এই মুহূর্তে সবচেয়ে ভালো ও উপলব্ধ (available) খেলোয়াড় হিসেবে নাঈম শেখকেই আমরা বেছে নিয়েছি।” — আরও যোগ করেন লিপু। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ২০২৩–২৪ মৌসুমে নাঈম শেখ পাঁচ শতাধিক রান করেন। ২০২৪ সালের আসরে ১টি সেঞ্চুরি ও ৪টি ফিফটিতে তিনি করেন ৫৩৬ রান। চলতি বছরের প্রিমিয়ার লিগে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ১১ ইনিংসে ২টি সেঞ্চুরি ও ২টি ফিফটিতে তার সংগ্রহ ছিল ৬১৮ রান। স্ট্রাইক রেট ছিল চোখে পড়ার মতো—১২১.৮৯। নাঈমের ব্যাটিংয়ের ধরনে পরিবর্তন এসেছে বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচক, যা তার কাছে ইতিবাচক মনে হয়েছে। পাশাপাশি সৌম্য সরকারকেও দিয়েছেন কড়া বার্তা। চোট এবং সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় তাকে না রাখার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। প্রধান নির্বাচক বলেন, “সৌম্য সরকার একজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। ১০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তিনি যেন নিজেকে প্রস্তুত রাখেন—এটাই প্রত্যাশা। আমরা চাই বড় পরিসরে তিনি দলের সার্বিক সাফল্যে ভূমিকা রাখুন। তাকে আমরা ভুলে যাইনি। তবে তাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে আসতে হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে।”
চমক রেখেই শ্রীলঙ্কা সিরিজের ওয়ানডে দল ঘোষণা বিসিবির

চমক রেখেই শ্রীলঙ্কা সিরিজের ওয়ানডে দল ঘোষণা বিসিবির শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক করে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। যেখানে বড় চমক মোহাম্মদ নাঈম শেখের অন্তর্ভুক্তি। দুই বছর পর দলে ফিরেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। পুরো স্কোয়াডে একমাত্র চমক বলতে গেলে সেটাই। বাকি সবক্ষেত্রেই চেনা মুখেদের ওপর ভরসা রেখেছে বিসিবি। এ ছাড়া চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার তাসকিন আহমেদও। আজ মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন দল ঘোষণা করেন।