স্কোয়াড ঘোষণা: এশিয়া কাপের দলেও নেই বাবর ও রিজওয়ান

স্কোয়াড ঘোষণা: এশিয়া কাপের দলেও নেই বাবর ও রিজওয়ান দীর্ঘদিন ধরে টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে থাকা বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে এশিয়া কাপের দলেও রাখেনি পাকিস্তান। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফাখার জামান। এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের জন্য রোববার ১৭ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। এই দল নিয়েই এশিয়া কাপের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে তারা। পাকিস্তানের জার্সিতে বাবর সবশেষ ম্যাচ খেলেছেন গত বছরের ডিসেম্বরে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ওই ম্যাচ দেশের হয়ে রিজওয়ানেরও সবশেষ টি-টোয়েন্টি। এরপর আরও চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। কিন্তু কোনোটিতেই সুযোগ পাননি অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ১২৮ টি-টোয়েন্টি খেলে তিন সেঞ্চুরি ও ১২৯.২২ স্ট্রাইক রেটে চার হাজার ২২৩ রান করেছেন বাবর। পাকিস্তানের হয়ে সাড়ে তিন হাজার রানও করতে পারেননি আর কেউ। ১০৬ ম্যাচ খেলে এক সেঞ্চুরি ও ১২৫.৩৭ স্ট্রাইক রেটে তিন হাজার ৪১৪ রান নিয়ে তালিকায় দুইয়ে রিজওয়ান। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফরের মাঝপথে ছিটকে যান ফাখার। এশিয়া কাপে তাকে পাওয়া নিয়ে শুরুতে কিছুটা সংশয় জেগেছিল। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠেছেন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। গত জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির স্বাদ পান সালমান মির্জা। এই সংস্করণে তিন ম্যাচে সাত উইকেট নেওয়া বাঁহাতি পেসারকে ফেরানো হয়েছে এশিয়া কাপের দলে। আরেক পেসার মোহাম্মদ ওয়াসিমকেও ফেরানো হয়েছে। পাকিস্তানের হয়ে গত জানুয়ারিতে সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। এই সংস্করণে ২৯ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৩৬ উইকেট। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করবে পাকিস্তান। এক দিন পর তারা মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের। গ্রুপ পর্বে সালমান আলি আগার নেতৃত্বাধীন দলের শেষ প্রতিপক্ষ স্বাগতিক আরব আমিরাত, ১৭ সেপ্টেম্বর। এশিয়া কাপের ঠিক আগে আফগানিস্তান ও আরব আমিরাতকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। ২৯ অগাস্ট আফগানদের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে মাঠের লড়াই। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শেষ হবে এই সিরিজ। এশিয়া কাপের পাকিস্তান দল: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফাখার জামান, হারিস রউফ, হাসান আলি, হাসান নাওয়াজ, হুসাইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (কিপার), মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।
উইজডেনের শতাব্দীর সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের দু’টিতে টাইগাররা

উইজডেনের শতাব্দীর সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের দু’টিতে টাইগাররা একবিংশ শতাব্দীর সেরা ১৫টি টেস্ট সিরিজের তালিকা প্রকাশ করেছে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগাজিন উইজডেন। যেখানে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের দু’টি ভিন্ন স্বাদের স্মৃতি-একটি জয়ে ভরপুর এবং আরেকটি তিক্ত হারের। উইজডেনের একবিংশ শতাব্দীর সেরা টেস্ট সিরিজের তালিকায় ১৫ নম্বরে রয়েছে ২০১৬ সালের বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজ। এছাড়া ২০২১ সালে কোভিড-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি তালিকার ৭ম স্থানে রয়েছে। দুই ম্যাচের এই সিরিজেই অভিষেক হয়েছিল তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে সাব্বির রহমানের সাহসী ব্যাটিংয়ের পরও জয় হাতছাড়া হয় টাইগারদের। তবে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে ইতিহাস রচনা হয়। ২৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০০ থেকে ১৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। মিরাজ একাই নেন ৬ উইকেট, বাকি চারটি ভাগ করে নেন সাকিব আল হাসান, নিশ্চিত হয় ১০৮ রানের ঐতিহাসিক জয়। আরও উঁচুতে, ৭ম স্থানে জায়গা পেয়েছে ২০২১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর। কোভিড পরবর্তী সময়ে অনেকে ভেবেছিল দুর্বল স্কোয়াড নিয়ে আসা ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে কাইল মেয়ার্সের অবিশ্বাস্য ২১০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৩ উইকেটে জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে, তবে শেষ হাসি হাসে অতিথিরা, ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয়। তালিকার অন্য উল্লেখযোগ্য সিরিজের মধ্যে রয়েছে সর্বশেষ অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি, যেখানে ইংল্যান্ড ও ভারতের পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়, এটি আছে ৫ নম্বরে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ২০২৩ সালের অ্যাশেজ, যা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একই ব্যবধানে ড্র হয়েছিল। সবশেষে, একুশ শতকের সেরা টেস্ট সিরিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর। প্রথম টেস্টে মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও ভারত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। উইজডেনের মতে, এটি প্রত্যাবর্তনের সবচেয়ে সুন্দর গল্প।
ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া গতকাল অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয়েছে ১১ দলের টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। যেখানে লাল-সবুজের প্রতিনিধি হিসেবে খেলছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এই টুর্নামেন্ট শেষে ২৮ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪ দিনের একটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সারির দলটির। যে ম্যাচটি আগামী বছর অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবার সেই ম্যাচ খেলার জন্য ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। শাহাদাত হোসেন দিপু, ইফতেখার হোসেন ইফতি, অমিত হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, হাসান মুরাদ এবং পেসার এনামুল হক ৪ দিনের ম্যাচ খেলার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাবেন। তারা দুটি পৃথক দলে ভাগ হয়ে আগামী ১৭ ও ১৮ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান, পাকিস্তানকে উড়িয়ে উইন্ডিজের সিরিজ জয়

৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান, পাকিস্তানকে উড়িয়ে উইন্ডিজের সিরিজ জয় ত্রিনিদাদে গতকাল ইতিহাস গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানকে তৃতীয় ওয়ানডেতে ২০২ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল তারা একইসঙ্গে প্রায় ৩৪ বছর পর দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ নিজেদের করে নিল দলটি। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের নভেম্বরে রিচি রিচার্ডসনের নেতৃত্বে পাকিস্তান সফরে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা। এরপর দুই দলের ১১ ওয়ানডে সিরিজের একটি শেষ হয়েছিল সমতায়, বাকি ১০টিতেই জয় পেয়েছিল পাকিস্তান। এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। প্রথম ৩০ ওভারে রান আসে মাত্র ১১০ রান। এরপরই শুরু হয় রানের ঝড়। অধিনায়ক শাই হোপ অপরাজিত ১২০ রান করেন ৯৪ বলে, ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ৫ ছক্কায়। সপ্তম উইকেটে জাস্টিন গ্রেভসের সঙ্গে মাত্র ৫০ বলে তিনি যোগ করেন ১১০ রান। গ্রেভস অপরাজিত থাকেন ২৪ বলে ৪৩ রানে। রানের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন রোস্টন চেইসও। শেষদিকে ২৯ বলে করেন ৩৬ রান। শেষ ৭ ওভারে দল যোগ করে ১০০ রান। ইনিংস শেষ হয় ২৯৪ রানে। বোলিংয়ে নেমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন জেডেন সিলস। প্রথম স্পেলেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন। তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ১৮ রানে ৬ উইকেট; যা ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইতিহাসে তৃতীয় সেরা। এই তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন উইনস্টন ডেভিস (৭/৫১, ১৯৮৩), দ্বিতীয় স্থানে কলিন ক্রফট (৬/১৫, ১৯৮১)। রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। সাইম আইয়ুব, আবদুল্লাহ শাফিক ও অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ফেরেন শূন্য রানেই। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম, কিন্তু ৯ রানেই থামতে হয় তাকে। সর্বোচ্চ ৩০ রান আসে সালমান আলি আগার ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের আট ব্যাটারই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে ব্যর্থ, যার মধ্যে পাঁচজনই আউট হন শূন্য রানে। শেষ পর্যন্ত পুরো দল গুটিয়ে যায় ৯২ রানে। শেষ উইকেটটি আসে আবরার আহমেদের রান আউটে, রোস্টন চেইসের সরাসরি থ্রো ভেঙে দেয় স্টাম্প। এর মধ্য দিয়েই শেষ হয় দীর্ঘ অপেক্ষার জয়, মাঠে শুরু হয় ক্যারিবিয়ানদের উচ্ছ্বাস। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টানা ৮ ম্যাচ হারের পর পাকিস্তানের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও প্রথম ওয়ানডে হেরে চাপের মুখে ছিল দলটি। এই পরিস্থিতিতে কিংবদন্তি ক্লাইভ লয়েড, ভিভ রিচার্ডস, ডেসমন্ড হেইন্স ও শিবনারাইন চান্দারপলকে নিয়ে বোর্ড আয়োজন করে জরুরি কৌশলগত বৈঠক। এর ফল মেলে দ্বিতীয় ওয়ানডে থেকেই, যা বৃষ্টিবিঘ্নিত হলেও জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে পুরোনো দিনের ছাপ ফিরিয়ে আনে শাই হোপের দল।
ব্রেভিসের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজে সমতা ফেরাল দ. আফ্রিকা

ব্রেভিসের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজে সমতা ফেরাল দ. আফ্রিকা ডারউইনে আজ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে অস্ট্রেলিয়াকে ৫৩ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতায় আছে দুদল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মাঠে নামেন ব্রেভিস। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে মাত্র ৫৬ বলে খেলেন অপরাজিত ১২৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, যা সাজানো ছিল ৮ ছক্কা ও ১২ চারে। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস, যা ২০১৫ সালে ফাফ ডু প্লেসির করা ১১৯ রানের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি, মাত্র ২২ বছর ১০৫ দিন বয়সে প্রোটিয়াদের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়লেন তিনি। ব্রেভিসের সাথে ১২৬ রানের জুটি গড়েন ট্রিস্টান স্টাবস, যিনি ২২ বলে ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়ারা ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তোলে ২১৮ রানের বিশাল সংগ্রহ। জবাবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে লড়াই করেন কেবল টিম ডেভিড। তিনি ২৩ বলে ফিফটি করে ৫০ রান তুললেও অন্য প্রান্তে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা শুরু থেকে চেপে ধরে উইকেট নিতে থাকেন। ফলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা অস্ট্রেলিয়া ১৯.৩ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৬৫ রানে। শেষ ১৪ রানের মধ্যে তারা হারায় শেষ ৪ উইকেট। আগামী শনিবার একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি, যা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ হিসেবে মাঠে গড়াবে।
সাদা পাথর লুট বন্ধে সরব ক্রিকেটার রুবেল হোসেন

সাদা পাথর লুট বন্ধে সরব ক্রিকেটার রুবেল হোসেন সিলেটের বিখ্যাত সাদা পাথর লুটের ঘটনায় হতভম্ব পুরো দেশের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এবার বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লুট বন্ধ করে প্রকৃতি রক্ষার আহ্বান জানান। বাংলাদেশের জার্সিতে ১০৪ ওয়ানডে, ২৭ টেস্ট ও ২৮ টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই পেসার লেখেন— “সিলেটের সাদা পাথর নেই তো, হারাবে সিলেটের সৌন্দর্যের গল্প। সাদা পাথর লুটেদের থামাও। প্রকৃতি লুট নয়, প্রকৃতি রক্ষা করুন। ” গত কয়েকদিনে সাদা পাথর লুটের একাধিক ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। জঘন্য এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পেশার মানুষ ও পর্যটকদের পাশাপাশি এবার সরব হলেন জাতীয় দলের এই পেসারও। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রশাসনিক শিথিলতার সুযোগে শুরু হয় পাথর লুট। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে অবস্থিত এই জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে গত দুই সপ্তাহ ধরে লুটেরাদের তাণ্ডবে এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন— এভাবে চলতে থাকলে সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্র বিলীন হয়ে যেতে পারে, এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে এবং সরকার হারাবে বড় অঙ্কের রাজস্ব।
জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো পাকিস্তান। ত্রিনিদাদে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৯ ওভারে ২৮০ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাত বল এবং পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন এভিন লুইস, এ ছাড়াও শাই হোপ (৫৫) ও রোস্টন চেজ (৫৩) ফিফটি করার খানিক বাদেই আউট হয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। সফরকারীদের পক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাসান নওয়াজ ৬৩ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫৩ রান করেন। এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি উইন্ডিজদের। দলীয় এবং ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানেই তারা ওপেনার ব্রেন্ডন কিংকে হারায়। সেই ধাক্কা সামলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন লুইস ও কেসি কার্টি। ৩৯ বলে কার্টি ৩০ রানে ফিরলে সেই জুটি ভাঙে। এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। যা নিয়ে স্বাগতিকরা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভুগেছে। লুইস ৬২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০, শাই হোপ ৭৭ বলে ৪ চারে ৫৫ এবং রোস্টন চেজ ৫৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রান করেন। শেষদিকে ক্যারিবীয়দের পুঁজিটা বেড়েছে মূলত চেজ ও গুদাকেশ মোতির কল্যাণে। ২১৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হোপের দলটি বড় পুঁজি পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল। যদিও চেজ ফিফটি করার পরই নাসিম শাহ’র স্লোয়ার ডেলিভারিতে হালকা চালে ব্যাট চালিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। ১৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মোতি। যা উইন্ডিজদের পুঁজি ২৮০–তে নিয়ে যায়। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ৪ এবং নাসিম শাহ নেন ৩ উইকেট। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীদের পক্ষে রান পাননি কেবল ওপেনার সাইম আইয়ুব (৫)। দলীয় ১৬ রানে তার বিদায় পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক করেন ২৯ রান। এই ম্যাচ দিয়ে ৪ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন বাবর আজম ও রিজওয়ান। মাঝে একাধিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেললেও, দুই অভিজ্ঞ তারকাকে ছাড়াই স্কোয়াড গড়েছিল পাকিস্তান। দলে ফিরে বাবর ৬৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৪৭, রিজওয়ান ৬৯ বলে ৪টি চারে ৫৩ রান করেছেন। সাবেক ও বর্তমান দুই অধিনায়কের পর সালমান আগা ফেরেন মাত্র ২৩ রান করে। ফলে ১৮০ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাকি সময়টা তাদের নিশ্চিন্তে এগিয়ে নিয়ে গেছেন হাসান নওয়াজ ও হুসাইন তালাত। দুজনের অপরাজেয় জুটি ১০৪ রানে পৌঁছাতেই পাকিস্তান গন্তব্যে পা রাখে। হাসান ৫৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৩ এবং তালাত ৩৭ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৪০ রানে থাকেন অপরাজিত। উইন্ডিজদের পক্ষে ২ উইকেট নেন শামার জোসেফ।
টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল

টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল বিশ্ব ক্রিকেট এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দুনিয়ায় ভাসছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল), সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০—সবই ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণ নিয়ে মাঠে গড়ায়। এমনকি ব্যতিক্রমী ১০০ বলের ফরম্যাট “দ্য হান্ড্রেড”–ও জায়গা করে নিয়েছে দর্শকদের আলোচনায়।তাহলে প্রশ্ন—কোন লিগই বা সবচেয়ে সেরা? বিবিসি স্পোর্ট ও ক্রিকভিজ একসঙ্গে কিছু মূল পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে চেষ্টা করেছে উত্তর খুঁজতে। শেষ বলের রোমাঞ্চে এগিয়ে আইপিএল শেষ ওভার বা শেষ বল পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচের দিক থেকে শীর্ষে আইপিএল। শেষ বলে নিষ্পত্তি হওয়া ম্যাচে আইপিএল কেবল সামান্য ব্যবধানে দ্য হান্ড্রেডকে ছাড়িয়ে গেছে। শেষ ওভারে সিদ্ধান্ত হওয়া ম্যাচের হারেও আইপিএল (২৮.৯ শতাংশ) প্রথম, পিএসএল (২৭.৫ শতাংশ) দ্বিতীয়, দ্য হান্ড্রেড (২৪.৪ শতাংশ) তৃতীয়। হোম অ্যাডভান্টেজে এগিয়ে এসএ২০ ঘরের মাঠে জয়ের শতাংশের দিক থেকে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ (৬০ শতাংশ), আর সবচেয়ে নিচে আইপিএল (৪৫.৪ শতাংশ)। ছক্কা–চারে রাজত্ব আইপিএলের চারের সঙ্গে ছক্কার বন্যায় আইপিএল সবার ওপরে। দ্বিতীয় পিএসএল, তৃতীয় আইএলটি২০। দ্য হান্ড্রেড এই তালিকায় সবচেয়ে নিচে, যা ব্যাট-বলের মধ্যে ভালো ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়। গড় রান ও উইকেট প্রথম ইনিংসে গড় রান: পিএসএল (১৮০) আইপিএলকে (১৭৯) সামান্য হারিয়েছে। আইএলটি২০ সবচেয়ে কম (১৬১)। দ্য হান্ড্রেডে গড় ১৪৪, যা পূর্ণ ২০ ওভারে আনলে দাঁড়ায় ১৬৭। বোলিং স্টাইলে ক্যারিবিয়ানে সবচেয়ে বেশি উইকেট আসে স্পিনে, আর অস্ট্রেলিয়ায় পেসারদের দাপট। তারকাখ্যাতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দলের একাদশে গড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতায় শীর্ষে আইএলটি২০ (৪২৩ ম্যাচ), দ্বিতীয় পিএসএল (৩৫১), তৃতীয় আইপিএল (৩৩৫)। বিগ ব্যাশ সবচেয়ে নিচে (১৪৫), যা অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক মৌসুম চলার সময়সূচির কারণে। অর্থ, সময় ও ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্স’ বেতন কাঠামোয় আইপিএল শীর্ষে, দ্বিতীয় আইএলটি২০। ম্যাচের গড় সময়ের হিসাবে সবচেয়ে ধীর সিপিএল (প্রায় ৪ ঘণ্টা), সবচেয়ে দ্রুত বিগ ব্যাশ (৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট)। বিভিন্ন মানদণ্ড যোগ করে তৈরি করা ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্সে’ শীর্ষে আইপিএল, এরপর পিএসএল, আইএলটি২০, দ্য হান্ড্রেড ও শেষদিকে বিগ ব্যাশ। তাহলে বিপিএল নেই কেন? বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ তালিকায় না থাকার কারণ বিবিসির ওই রিপোর্টে উল্লেখ নেই। তবে ধারণা করা যায়— এই সূচকের জন্য যত গভীর ও ধারাবাহিক পরিসংখ্যান প্রয়োজন, বিপিএলের ক্ষেত্রে তা তুলনামূলকভাবে কম বা অসম্পূর্ণ। তাছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রচার ও নির্দিষ্ট সময়সূচির ধারাবাহিকতায় বিপিএল এখনো পিছিয়ে। আর বিদেশি তারকার সংখ্যা ও মানে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এবং জাতীয় দলের সূচির সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে অনেক বড় খেলোয়াড় আসতে পারেন না। সবমিলিয়ে এই গবেষণার লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী, বৈশ্বিক দর্শকপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে বড় লিগগুলো তুলনা করা—সেই মানদণ্ডে বিপিএলকে বিবেচনা করা হয়নি।
সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় বাবর

সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় বাবর পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজম ওয়ানডেতে দুইটি বড় মাইলফলকের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। এর মধ্যে একটি আবার তার স্বদেশী কিংবদন্তি ওপেনার সাঈদ আনোয়ারের সেঞ্চুরির রেকর্ড। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছেন তিনি। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে। ৩০ বছর বয়সী বাবর ইতোমধ্যেই ১৯টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছেন। আর মাত্র একটি সেঞ্চুরি করলেই সাঈদ আনোয়ারের পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২০টি সেঞ্চুরির রেকর্ডে ভাগ বসাবেন বাবর। সাঈদ আনোয়ার ২৪৭ ম্যাচ ও ২৪৪ ইনিংসে এই কীর্তি গড়েছিলেন, আর বাবর খেলেছেন মাত্র ১৩১ ম্যাচ ও ১২৮ ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ওয়ানডে সেঞ্চুরি সাঈদ আনোয়ার — ২০ সেঞ্চুরি (২৪৭ ম্যাচ) বাবর আজম — ১৯* সেঞ্চুরি (১৩১ ম্যাচ) মোহাম্মদ ইউসুফ — ১৫ সেঞ্চুরি (২৮১ ম্যাচ) ফখর জামান — ১১ সেঞ্চুরি (৮২ ম্যাচ) মোহাম্মদ হাফিজ — ১১ সেঞ্চুরি (২১৮ ম্যাচ) এছাড়া বাবরের সামনে রয়েছে আরেকটি বড় সুযোগ—ওয়ানডেতে দ্রুততম ২০ সেঞ্চুরি করা ব্যাটারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওঠা। বর্তমানে এই রেকর্ডটি রয়েছে ভারতের বিরাট কোহলির দখলে, যিনি ১৩৩ ইনিংসে ২০ সেঞ্চুরি করেছিলেন। বাবরের হাতে আছে চার ইনিংস সময়; যদি এই সময়ে একটি সেঞ্চুরি করতে পারেন, তবে কোহলিকে ছাড়িয়ে যাবেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলার (১০৮ ইনিংস) পরেই থাকবেন। ওয়ানডেতে দ্রুততম ২০ সেঞ্চুরি হাশিম আমলা — ১০৮ ইনিংস বিরাট কোহলি — ১৩৩ ইনিংস এবি ডি ভিলিয়ার্স — ১৭৫ ইনিংস রোহিত শর্মা — ১৮৩ ইনিংস
পিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২০ নারী ক্রিকেটার, বেতন বেড়েছে ৫০ শতাংশ

পিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২০ নারী ক্রিকেটার, বেতন বেড়েছে ৫০ শতাংশ দুটি বিশ্বকাপ সামনে রেখে আগামী এক বছরের জন্য নারী ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ২০২৫-২৬ মৌসুমের জন্য ঘোষিত এই চুক্তিতে সব ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছে ৫০ শতাংশ করে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই চুক্তি। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা টি-টোয়েন্টি বোলার সাদিয়া ইকবাল পেয়েছেন তার প্রাপ্য স্বীকৃতি, উন্নীত হয়েছেন ক্যাটাগরি ‘এ’-তে। বর্তমানে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা সাদিয়ার সঙ্গে আরও আছেন ফাতিমা সানা, মুনিবা আলি ও সিদরা আমিন। ক্যাটাগরি ‘বি’-তে উন্নীত হয়েছেন ডায়ানা বেগ (আগে ক্যাটাগরি ‘সি’), আর রামিন শামিম গেছেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে (আগে ‘ডি’)। নতুনভাবে চুক্তিতে যুক্ত হয়েছেন আলিয়া রিয়াজ (বি), সিদরা নবীজ (ডি), নাতালিয়া পারভেজ (ডি) ও ওয়াহিদা আখতার (ডি)। তরুণ প্রতিভা গড়ে তুলতে নতুনভাবে চালু করা হয়েছে ‘উদীয়মান’ বা ক্যাটাগরি ‘ই’। এখানে রয়েছৈন এখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলা ব্যাটার আইমান ফাতিমা এবং ইতোমধ্যে তিনটি ওয়ানডে ও সাতটি টি-টোয়েন্টি খেলা শাওয়াল জুলফিকার। দুজনই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তান স্কোয়াডে রয়েছেন। পিসিবি জানিয়েছে, নারী ক্রিকেট দলের নির্বাচক প্যানেল ও প্রধান কোচ মোহাম্মদ ওয়াসিমের পরামর্শে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনা করেই এই চুক্তি দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে দুটি বড় টুর্নামেন্ট খেলবে পাকিস্তান নারী দল। ঘরের মাঠে বাছাইপর্ব জিতে তারা নিশ্চিত করেছে আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট। এর পরের বছর তারা খেলবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও।