১৯৮৪ এশিয়া কাপ: শারজাহতে ভারত-পাকিস্তানকে এক মঞ্চে এনেছিল ক্রিকেট

১৯৮৪ এশিয়া কাপ: শারজাহতে ভারত-পাকিস্তানকে এক মঞ্চে এনেছিল ক্রিকেট ২০২৫ সালের এশিয়া কাপকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান আবারও মুখোমুখি হচ্ছে। তবে এবার দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা অনেক বেশি, যে কারণে আয়োজক ভারত শেষ পর্যন্ত ভেন্যু দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।কিন্তু ১৯৮৪ সালের চিত্র ছিল ভিন্ন। তখন এতটা বৈরিতা ছিল না, বরং সেই সময়েই শারজাহতে আয়োজিত হয় প্রথম এশিয়া কাপ। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা অংশ নেয় ঐতিহাসিক আসরে। শারজাহর উন্মাদনা শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জেনারেল ম্যানেজার মাজার খান স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘ঘোষণার পরপরই টিকিটের জন্য ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছিল। ভারত ও পাকিস্তানের তারকা খেলোয়াড়দের পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের সেলিব্রিটিরাও উপস্থিত ছিলেন। সুনীল গাভাস্কার ছিলেন ভারতের অধিনায়ক, জাহির আব্বাস পাকিস্তানের, আর শ্রীলঙ্কার নেতৃত্বে ছিলেন দুলীপ মেন্ডিস। ’সেই মেন্ডিসই এবার এশিয়া কাপে ফিরছেন ওমান দলের কোচ হিসেবে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের জন্ম সংযুক্ত আরব আমিরাত শুধু টুর্নামেন্ট আয়োজনেই নয়, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এএসসি) গঠনের সঙ্গেও যুক্ত। ১৯৮৩ সালে আব্দুল রহমান বুকাহতীরের নেতৃত্বে গঠিত হয় সংস্থাটি, এবং পরের বছরই শুরু হয় এশিয়া কাপ। এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ভারতের শিরোপা জয় ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারত এশিয়া কাপেও দারুণ ফর্ম ধরে রাখে। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে তারা প্রথম এশিয়া কাপ জেতে। আসরে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সুরিন্দর খান্না।দিলিপ ভেঙ্গসরকার সেই অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, ‘শারজাহতে খেলা আমাদের জন্য দারুণ ছিল। দর্শক ছিল উপচে পড়া, ভারত ও পাকিস্তানি প্রবাসীরা বিপুল সংখ্যায় এসেছিলেন। আমরা শিরোপা জিতেছিলাম, আর পরিবেশ ছিল বিদ্যুতায়িত। ’ শারজাহর অবদান পরবর্তী সময়ে শারজাহ আয়োজন করেছে অসংখ্য বড় ম্যাচ ও ক্রিকেটার্স বেনিফিট ফান্ড সিরিজ (সিবিএফএস)। ভেঙ্গসরকার বলেন, ‘তখন কেবল শারজাহই ছিল, এখন দুবাই ও আবুধাবিতেও আধুনিক স্টেডিয়াম আছে। কিন্তু ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ায় শারজাহর অবদান অসাধারণ। ’

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে হংকং

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে হংকং এবারের এশিয়া কাপে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও হংকং। চার দলের মধ্যে কাগজে-কলমে তুলনামূলক দুর্বল হিসেবেই ধরা হচ্ছে হংকংকে, কিন্তু তারা নিজেদের পিছিয়ে রাখতে রাজি নয়। দলটির অধিনায়ক নিজাকাত খান জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর মতো সক্ষমতা রাখে। আজ আবু ধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে হংকং। একদিন বিরতি দিয়ে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই শেষ অনুশীলন সেরে ফেলেছে দলটি। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজাকাত বলেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। নির্দিষ্ট দিনে যে কেউ ম্যাচ জেতাতে পারে। টি-টোয়েন্টি এমন এক খেলা যেখানে ২-৩ ওভারের ভেতরেই সব পাল্টে যায়। আমাদের দল যথেষ্ট প্রস্তুত। ’২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঢাকায় বাংলাদেশকে হারানোর স্মৃতি আবারও মনে করিয়ে দেন হংকং অধিনায়ক। ওই ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। নিজাকাত বলেন, ‘সেই জয়টা ভোলার মতো নয়। বাংলাদেশকে তাদের মাঠে হারানো ছিল কঠিন কাজ, কিন্তু আমরা কামব্যাক করেছিলাম। ’টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় দল–ছোট দল বলে কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি, ‘যেদিন আপনি ভালো খেলবেন, সেদিনই জিতবেন। আমরা আগেও আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে হারিয়েছি। শুরু থেকেই যদি সর্বোচ্চটা দিতে পারি, কিছুই অসম্ভব নয়। ’

বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ফিরল ইংল্যান্ড

বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ফিরল ইংল্যান্ড প্রথম ওয়ানডেতে ২৯২ রান করে ৮৭ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। গতকাল দ্বিতীয় ম্যাচেও কাছাকাছি সংগ্রহ ছিল আজিজুল হাকিম তামিমের দলের। ৯ উইকেটে ২৭৩ রান তুলেছিল তারা। ডিএল মেথডে ৪৭ ওভারে ইংল্যান্ড পেয়েছিল ২৭১ রানের লক্ষ্য, ম্যাচটি ২৩ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জিতে নিল তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড জেতায় পাঁচ ম্যাচের যুব ওয়ানডে সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা আসল। দুদল ১০ সেপ্টেম্বর তৃতীয়, ১২ সেপ্টেম্বর চতুর্থ ও ১৪ সেপ্টেম্বর পঞ্চম ম্যাচে মুখোমুখি হবে।  

এশিয়া কাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল

এশিয়া কাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি পর্বের মাঝপথেই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে শোনা গিয়েছিল জাকের আলির ঘোষণা, ‘এবার এশিয়া কাপে বাংলাদেশের লক্ষ্য একটাই, শিরোপা।’ দেশ ছাড়ার আগেও সেই বিশ্বাস অটল রেখেছেন তিনি। অধিনায়ক লিটন দাসও একই স্বপ্ন বুকের ভেতর ধারণ করে উড়াল দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে। রোববার দুই ধাপে আবুধাবির উদ্দেশে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ দল। সকালে প্রথম দফায় দেশ ছাড়েন লিটন দাস, তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, জাকের আলি, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান ও তাওহিদ হৃদয়সহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। বাকিদের যাত্রা সন্ধ্যার ফ্লাইটে। এশিয়া কাপের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল এক মাস আগে। শুরুতে ছিল কঠোর ফিটনেস ট্রেনিং, এরপর ব্যাটিং-বোলিংয়ের স্কিল ঝালাই। মিরপুরে অনুশীলনের পর সিলেটে গিয়েও নিবিড় প্রস্তুতি চালায় দল। পাওয়ার হিটিং কোচ জুলিয়ান উডের উপস্থিতি ছিল বাড়তি সুবিধা। নিয়মিত স্কিল ও ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটি সিরিজ আয়োজন করে বিসিবি, যেখানে সিরিজ জয়েই আত্মবিশ্বাস বাড়ায় দল। এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই মূল অভিযানে নামছে বাংলাদেশ। জাকের আলি দেশ ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সবাই মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি চ্যাম্পিয়ন হতে পারব। ফিটনেস থেকে শুরু করে নেদারল্যান্ডস সিরিজ পর্যন্ত প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। ধাপে ধাপে ভালো খেলে একটি ভালো টুর্নামেন্ট উপহার দিতে চাই। এশিয়া কাপ শুরু হবে মঙ্গলবার, তবে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ বৃহস্পতিবার হংকংয়ের বিপক্ষে আবুধাবিতে। এর পরের ম্যাচগুলোতে প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। বিশ্লেষক আকাশ চোপড়া ও রাসেল আর্নল্ড বাংলাদেশের গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে এসব মন্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না জাকের, ‘কাউকে জবাব দেওয়ার কিছু নেই, আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটাই খেলব। টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ী বাংলাদেশ এবার এশিয়া কাপে নামছে নতুন উদ্যমে। লিটন দাসও দেশে বলেছিলেন, এত ভালো প্রস্তুতি আগে আর কখনও হয়নি। এবার আবুধাবি যাওয়ার বিমানে চেপেই আবার শোনালেন স্বপ্নের কথা, ‘বিশ্বের সেরা সমর্থকদের কাছে প্রার্থনা চাইছি আমার জন্য ও আমার দলের জন্য। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করছি আমরা। এক ম্যাচ এক ম্যাচ করে এগোব, তবে চূড়ান্ত স্বপ্ন অবশ্যই ট্রফি উঁচিয়ে ধরা। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে আফগানিস্তান ও হংকং। পরবর্তীতে বাকি দলগুলোও নিজ নিজ ম্যাচে মাঠে নামবে। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্বের লড়াই, যেখানে মোট ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২০ তারিখ শুরু হবে সুপার ফোরের লড়াই। এই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে ৬টি ম্যাচ, যা চলবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শিরোপা ঘরে তুলবে জয়ী দল। ২০২৫ এশিয়া কাপের দুই গ্রুপ  গ্রুপ এ : ভারত ,পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান গ্রুপ বি : বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং ২০২৫ এশিয়া কাপের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি  গ্রুপ পর্ব:  তারিখ   ম্যাচ   সময় (বাংলাদেশ)   ৯ সেপ্টেম্বর  আফগানিস্তান বনাম হংকং  রাত ৮টা  ১০ সেপ্টেম্বর  ভারত বনাম আরব আমিরাত  রাত ৮টা  ১১ সেপ্টেম্বর  বাংলাদেশ বনাম হংকং  রাত ৮টা  ১২ সেপ্টেম্বর  পাকিস্তান বনাম ওমান  রাত ৮টা  ১৩ সেপ্টেম্বর  বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা  রাত ৮টা  ১৪ সেপ্টেম্বর  ভারত বনাম পাকিস্তান  রাত ৮টা  ১৫ সেপ্টেম্বর  আরব আমিরাত বনাম ওমান  বিকাল ৪ টা  ১৫ সেপ্টেম্বর  শ্রীলঙ্কা বনাম হংকং  রাত ৮টা  ১৬ সেপ্টেম্বর  বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান  রাত ৮টা  ১৭ সেপ্টেম্বর  পাকিস্তান বনাম আরব আমিরাত  রাত ৮টা  ১৮ সেপ্টেম্বর  শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান  রাত ৮টা  ১৯ সেপ্টেম্বর  ভারত বনাম ওমান  রাত ৮টা সুপার ফোর ও ফাইনাল :  তারিখ   ম্যাচ   ২০ সেপ্টেম্বর  বি-১ বনাম বি-২  ২১ সেপ্টেম্বর  এ-১ বনাম এ-২  ২৩ সেপ্টেম্বর  এ-২ বনাম বি-১  ২৪ সেপ্টেম্বর  এ-১ বনাম বি-২  ২৫ সেপ্টেম্বর  এ-২ বনাম বি-২  ২৬ সেপ্টেম্বর  এ-২ বনাম বি-১  ২৮ সেপ্টেম্বর   ফাইনাল   প্রসঙ্গত, সবশেষ এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩ সালে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে ওয়ানডে ফরম্যাটে আয়োজিত হয়েছিল টুর্নামেন্টটি। সেই আসরের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে নিজেদের অষ্টম শিরোপা ঘরে তোলে ভারত।  

নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন

নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন নিয়ে নানা গুঞ্জনের অবসান ঘটল অবশেষে। আলোচনায় ছিল- হয়তো নির্বাচনের বদলে গঠন হতে পারে একটি অ্যাডহক কমিটি। তবে সেই সব জল্পনা ছাপিয়ে বোর্ড জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিসিবি জানায়, সংবিধান ও বিধিবিধান অনুযায়ী সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে তিন সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশনের নেতৃত্বে থাকছেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন। তার সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মো. সিবগাত উল্লাহ, যিনি থাকবেন কমিশনার হিসেবে। তৃতীয় সদস্য হিসেবে আছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্ম সচিব পদমর্যাদা)। এতে স্পষ্ট হলো, বিসিবি নির্বাচনের প্রক্রিয়া এখন পুরোপুরি শুরু হয়ে গেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভোটের রূপরেখা ও সময়সূচি চূড়ান্ত করবে এই কমিশন।

এশিয়া কাপের জন‌্য বাংলাদেশ ‘ওয়েল প্রিপেয়ার্ড’: লিটন

এশিয়া কাপের জন‌্য বাংলাদেশ ‘ওয়েল প্রিপেয়ার্ড’: লিটন প্রশ্নটা লিটন দাসকে বেশ আশা দেখিয়ে করেছিলেন করেছিলেন গণমাধ‌্যমকর্মী, ‘‘এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে অনেকেই ফেভারিট হিসেবে দেখে। অধিনায়ক লিটন বাংলাদেশকে কোন জায়গায় দেখছে।’’ ততক্ষণে সংবাদ সম্মেলনের প্রায় ১০ মিনিট পেরিয়ে গেছে। এশিয়া কাপের দুয়েকটি উত্তর আগেও দিয়েছেন। প্রশ্নটা লিটন ধরতে পারেননি বলেই উত্তরটা একটু রগচটা হয়েছে, ‘‘আমি কোনো জায়গায় দেখছি না। আমি যাবো ক্রিকেট খেলতে। ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবো।’’ সিলেটে নেদারল‌্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজ জেতার আনন্দ লিটনের চোখেমুখে ছিল। তবে সামনে এশিয়া কাপ। তাদের জন‌্য বড় পরীক্ষা। এই সিরিজ প্রস্তুতির মঞ্চ। কেমন প্রস্তুতি হলো? সেটাই বড় প্রশ্ন। আদর্শ প্রস্তুতি হয়েছে কিনা সেটাও লিটনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। অধিনায়ক সব দিক থেকেই আশাবাদী, ‘‘ওভারঅল সব দিক থেকে আমার কাছে মনে হয় ইতিবাচক। যারা ম‌্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে তারাই ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আমার কাছে মনে হয় অনুশীলন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনের থেকে আপনি ম‌্যাচে কতোটা ডেলিভারী করতে পারছেন। আপনি ম‌্যাচ খেললে উন্নতি হবে। গেম সেন্স বাড়বে। আমার মনে হয় আমরা ওয়েল প্রিপেয়ার্ড এশিয়া কাপের জন‌্য।’’ ঢাকায় ফিটনেস ক‌্যাম্পের পর কয়েকদিন স্কিল ট্রেনিং করেছে দল। তবে আসল প্রস্তুতিটা হয়েছে সিলেটে। যেখানে ব‌্যাট-বলের উত্তাপ ছড়িয়েছেন লিটন, তানজিদ, তাসকিন, মোস্তাফিজরা। এই ক‌্যাম্পটাকে লিটনের সেরা মনে হচ্ছে, ‘‘আমরা যে ক‌্যাম্পটা করেছিলাম সেটা শুধু এই সিরিজের জন‌্য ছিল না। সামনে যতগুলো খেলা আছে সবগুলোর জন‌্য আমরা ওয়েল প্রিপেয়ার্ড। এতো ভালো ক‌্যাম্পিং কখনো হয়নি। ফিটনেস তো অবশ‌্যই। নিজে থেকেও করতে পারবেন। কিন্তু স্কিলে যেটা আমরা করতে চাচ্ছিলাম ও করেছি তা সিলেটে একমাত্র পাওয়া গেছে। ওভারঅল জার্নিটা ভালো ছিল।’’ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের গ্রুপে আছে হংকং, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। শেষ যেবার এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম‌্যাটে হয়েছিল, বাংলাদেশ সুপার ফোরে উঠতে পারেনি। এর আগে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি ফরম‌্যাটে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল। এবার প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি না থাকায় লিটন বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী বেশ। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর নেদারল‌্যান্ডসের বিপক্ষেও জয়ের ধারাবাহিকতা থাকায় তার প্রত‌্যাশাও বড়।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম আকাশচুম্বী !

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম আকাশচুম্বী ! টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ শুরু হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। তবে সবার নজর ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচের দিকে। কারণ সেদিন ভারত-পাকিস্তান মহারণ। পেহেলগাম কাণ্ডের পর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এটাই প্রথম মুখোমুখি লড়াই। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচটিকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। এই মেগা ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। সমর্থকদের জন্য তিনটি আলাদা প্যাকেজে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। তবে টিকিটের দাম শুনলে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর সর্বনিম্ন টিকিট ৪৭৫ দিরহাম, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ টাকা। সুপার ফোরের ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিট ৫২৫ দিরহাম (প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ টাকা)। একই দামে ফাইনালের টিকিটও বিক্রি হচ্ছে। এসিসির অনলাইন বুকিং পোর্টাল ছাড়াও শিগগিরই দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম ও আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বক্স অফিস থেকেও টিকিট কেনা যাবে। মাঠে বসে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ উপভোগ করতে চাইলে ভক্তদের গুণতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা। তবুও ম্যাচের গুরুত্ব ও উত্তেজনার কারণে টিকিটের জন্য সমর্থকদের আগ্রহের ঘাটতি হবে না।

একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার শেষ ম্যাচে লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ। এই মিশনে খেলতে নেমে টসের ভাগ্য গেল নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের দিকে। ফিল্ডিং নেওয়ায় সিরিজে প্রথমবার আগে ব্যাটিংয়ে নামছে বাংলাদেশ। পাঁচটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান, দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান। তাদের জায়গায় খেলছেন নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। এক ম্যাচ পর দলে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন। ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে লিটন দাসের দল। প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে জিতে লাল-সবুজরা দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে। এবার লক্ষ্য নেদারল্যান্ডসকে হোয়াইটওয়াশ করা, পাশাপাশি এশিয়া কাপের প্রস্তুতিকে আরও ঝালিয়ে নেওয়া। বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান।

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও আলোচনায়। জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার যেখানে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে বাধ্যতামূলক ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, সেখানে কোহলি একই পরীক্ষা দিয়েছেন লন্ডনে বসেই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন বোর্ড তার জন্য আলাদা নিয়ম বানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়েই লন্ডনে ফিজিও ও ফিটনেস ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে কোহলি ফিটনেস টেস্ট দেন। মূলত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবং বেসিক স্ট্রেংথ মূল্যায়নেই তাকে অংশ নিতে হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টেস্টে সফলও হয়েছেন। এই ছাড় কেবল কোহলিকেই কেন দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, নিয়ম তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তবে অনেকের যুক্তি, কোহলি দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন, তাই বোর্ড অনুমতি দিয়ে তাকে সুবিধা করে দিয়েছে। ভারতের বেশিরভাগ ক্রিকেটার ইতোমধ্যে এনসিএ ক্যাম্পে নিজেদের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন করেছেন। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কোহলি। ক্রিকেটারের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অফিশিয়ালি এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও আলোচনায়। জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার যেখানে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে বাধ্যতামূলক ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, সেখানে কোহলি একই পরীক্ষা দিয়েছেন লন্ডনে বসেই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন বোর্ড তার জন্য আলাদা নিয়ম বানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়েই লন্ডনে ফিজিও ও ফিটনেস ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে কোহলি ফিটনেস টেস্ট দেন। মূলত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবং বেসিক স্ট্রেংথ মূল্যায়নেই তাকে অংশ নিতে হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টেস্টে সফলও হয়েছেন। এই ছাড় কেবল কোহলিকেই কেন দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, নিয়ম তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তবে অনেকের যুক্তি, কোহলি দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন, তাই বোর্ড অনুমতি দিয়ে তাকে সুবিধা করে দিয়েছে। ভারতের বেশিরভাগ ক্রিকেটার ইতোমধ্যে এনসিএ ক্যাম্পে নিজেদের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন করেছেন। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কোহলি। ক্রিকেটারের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অফিশিয়ালি এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।