টি-টেন লিগে দল পেলেন তাসকিন

টি-টেন লিগে দল পেলেন তাসকিন সাকিব আল হাসান, সাইফ হাসানের পর আবুধাবি টি-টেন লিগে দল পেলেন টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ। নাহিদ রানাও টি-টেন লিগে দল পেয়েছিলেন, তবে তার খেলা হচ্ছে না। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাসকিনের অংশগ্রহণের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে নর্দান ওয়ারিয়র্স ফ্র্যাঞ্চাইজি। ৮ দলের টুর্নামেন্টের টি-টেন লিগ শুরু হবে ১৮ নভেম্বর। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩০ নভেম্বর। আবুধাবি টি-টেন লিগে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে যুক্ত হয়েছে রয়্যাল চ্যাম্পস। ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের ড্রাফটের আগেই সাকিব আল হাসানকে দলে নেয় তারা। এই দলে সাকিব সতীর্থ হিসেবে পাবেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জেসন রয়ের মতো তারকাদের। ড্রাফটে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে সাইফ হাসানকে দলে নেয় অ্যাসপিন স্ট্যালিয়ন্স। বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন সাইফ। দলের সঙ্গে দ্রুতই যোগ দেবেন তিনি। ‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে দল পেয়েছিলেন নাহিদ রানাও। তবে বিসিবি অনাপত্তিপত্র না দেওয়ায় এ আসরে আর খেলা হচ্ছে না তার।
মিচেলের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল নিউজিল্যান্ড

মিচেলের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল নিউজিল্যান্ড ড্যারিল মিচেল দুইবার জীবন পেলেন। রোস্টন চেজ ও জেডেন সিলসের হাত ফসকে নিউজিল্যান্ডও পেয়ে গেল মোমেন্টাম। মিচেলের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৭০ রানের টার্গেট দেয় নিউজিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি সিরিজের মতো এবারও ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। কিন্তু শেষ ওভারে বোলিং প্রান্ত থেকে স্নায়ুচাপ সামলে সফল জ্যাকব ডাফি। ৭ রানে জিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল ব্ল্যাক ক্যাপরা। ক্রাইস্টচার্চে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সপ্তম ওভারে রাচিন রবীন্দ্র ও উইল ইয়াংকে ফিরিয়ে ম্যাথু ফোর্ড হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান। ২৪ রানেই দুটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। ডেভন কনওয়েকে নিয়ে সেই ধাক্কা ভালোভাবে সামলে নেন মিচেল। এক রানের আক্ষেপ নিয়ে কনওয়ে জাস্টিন গ্রিভসের বলে শাই হোপের ক্যাচ হন কনওয়ে। ৬৭ রানের এই জুটিতে ৪৯ রান করে অবদান রাখেন তিনি। ১৯ ও ৬৭ রানে জীবন পাওয়া মিচেল ষষ্ঠ উইকেটে মাইকেল ব্রেসওয়েলকে (৩৫) নিয়ে ৬৯ রানের জুটি গড়েন। ৬১ বলে পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর তিনি ১০৭ বলে সেঞ্চুরি করেন ১২ চার ও ১ ছয়ে। ইনিংসের পাঁচ বল বাকি থাকতে থামেন মিচেল। ১১৮ বলে ১২ চার ও ২ ছয়ে সাজানো ছিল তার ১১৯ রানের ইনিংস। তার আগে জ্যাক ফোকসের (২২) সঙ্গে ৪৩ রান যোগ করেন মিচেল। নিউজিল্যান্ডের সাত উইকেটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিন উইকেট নেন সিলস। দুটি পান ফোর্ড। লক্ষ্যে নেমে ১০ রানে জন ক্যাম্পবেল (৪) ফিরে যান। কিসি কার্টি ও আলিক আথানেজ ৬০ রানের জুটিতে সেই ধাক্কা কাটান। তবে ১৭ রানের ব্যবধানে দুজনই আউট হলে চাপে পড়ে ক্যারিবিয়ানরা। শেরফানে রাদারফোর্ড ফিফটি গড়ে সফরকারীদের লড়াইয়ে রাখেন। শাই হোপের (৩৭) সঙ্গে ৫১, চেজকে (১৬) নিয়ে ৩১ ও গ্রিভসের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৫৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা রাদারফোর্ড ৬১ বলে ৫৫ রান করে কাইল জেমিসনের শিকার হন। শেষ দিকে রোমারিও শেফার্ড ও গ্রিভস ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের মনে। তাদের জুটিতে শেষ দুই ওভারে লক্ষ্য কমে দাঁড়ায় ৩২ রানে। ম্যাট হেনরি শেষের আগের ওভারে ১২ রান দেন। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২০ রানের। চমৎকার বোলিংয়ে ১২ রান দেন ডাফিও। ২৯ বলে ৫৩ রানের জুটি ছিল শেফার্ড ও গ্রিভসের। ৩৮ রানে গ্রিভস ও শেফার্ড ২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ঘরের মাঠে প্রথমবার ব্যর্থ জয়সওয়াল, দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বনিম্ন রান

ঘরের মাঠে প্রথমবার ব্যর্থ জয়সওয়াল, দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বনিম্ন রান দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে শূন্য রানে আউট হওয়ায় থেমে গেল যসশ্বি জয়সওয়ালের অবিশ্বাস্য রানের গতি। রবিবার সফরকারীদের বিপক্ষে কলকাতায় দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠের নামার আগের ঘরের মাঠের ২৪ ইনিংসে ৫৭.৪৭ ব্যাটিং গড়ে এক হাজার ৩২২ রান করেছেন বাঁহাতি ব্যাটার। এ সময় তিনটা শতক এবং সাতটি অর্ধশতকের ইনিংস আছে জয়সওয়ালের। ঘরের মাঠে কখনও দুই অঙ্কের কোটায় যাওয়ার আগে আউট হননি। তবে আজ প্রোটিয়াদের বিপক্ষে মাত্র চার বলেই থামলেন জয়সওয়াল। ঘরের মাঠে এটিই জয়সওয়ালের প্রথমবার ব্যর্থ হওয়া। এই টেস্টের প্রথম ইনিংসেও বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। ১২ রানের পথে মার্কো জ্যানসেন বোল্ড আউট করেন তাকে। দ্বিতীয় ইনিংসেও এই পেসারকে উইকেট দেন জয়সওয়াল। কোনো টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে এটি সর্বনিম্ন রান ২৩ বছর বয়সি ব্যাটারের। এর আগে দুই ইনিংস মিলিয়ে জয়সওয়ালের সর্বনিম্ন রান ছিল ১৩, লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এদিন ১২৪ রানের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে লোকেশ রাহুল ফিরেছেন স্রেফ এক রানে। টেস্ট ক্রিকেটে গত এক দশকে কোনো ভারতীয় ওপেনিং জুটি এতো কম রান করেনি।
১২৪ রানের ছোট লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ ভারত, ঘরের মাঠেই লজ্জার হার

১২৪ রানের ছোট লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ ভারত, ঘরের মাঠেই লজ্জার হার স্পিন-বান্ধব উইকেট বানিয়ে চার জন বিশেষজ্ঞ স্পিনার নিয়ে নেমেছিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাত্র ১২৩ রানে (লক্ষ্য) বেধে ফেলে জয়ের পাল্লাটাও তাদের দিকেই ঝুঁকে ছিল। কিন্তু অধিনায়ক শুভমান গিলকে হারিয়ে তাদের দুভার্গ্যের শুরুটা হয় গতকাল। ফলে চতুর্থ ইনিংসে স্বাগতিকরা ব্যাটিংয়ে নামে ১০ জন নিয়ে। এরপর মাত্র দুজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার নিয়ে নামা প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নিজেদের পাতা ফাঁদেই ধসে গেল ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ। হারমার-মহারাজদের ঘূর্ণিতে ১২৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় মাত্র ৯৩ রানে গুটিয়ে গেছে ভারত। এর মধ্য দিয়ে ভারতের মাটিতে প্রোটিয়াদের টেস্ট জিততে দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। এর আগে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাগপুর টেস্টে শেষবার টেস্ট জিতেছিল গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকা। এমন দিন দেখতে টেম্বা বাভুমাদের লম্বা সময় অপেক্ষায় থাকতে হলো। প্রোটিয়া অধিনায়ক নিজেই সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীরা অলআউট হওয়ার সময়ও একপ্রান্তে ৫৫ রানে অপরাজিত ছিলেন বাভুমা। পুরো ম্যাচ মিলিয়ে এটাই ছিল কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস। ইডেন গার্ডেনে ব্যাটারদের প্রতিকূল উইকেটে মাত্র আড়াই দিনেই শেষ হয়েছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এমন উইকেট নিয়ে গতকাল থেকে সমালোচনা চলছে।
গিলকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ ভারত দলে

গিলকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ ভারত দলে কলকাতায় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালেই ভারত শিবিরে নেমে এলো দুঃসংবাদ। অধিনায়ক শুবমান গিল মাঠ ছেড়েছেন চোট পেয়ে। আর তা বেশ গুরুতর বলেই মনে করছেন দলীয় চিকিৎসকরা। ওয়াশিংটন সুন্দরের বিদায়ের পর বিরতির ঠিক পরেই ব্যাটিংয়ে নামেন গিল। সেই সময় রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে বল করছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অফস্পিনার সাইমন হারমার। ক্রিজে নেমে প্রথম বলটি ঠেকিয়ে খেলেন তিনি। দ্বিতীয় বলে সুইপ শট খেলে চারও আদায় করেন। কিন্তু বাউন্ডারি হাঁকানোর পরই দেখা যায়, গিল বেশ অস্বস্তিতে ভুগছেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে গলার পেছনে হাত দিয়ে ব্যথার জায়গা চেপে ধরেন, মাথাও ঠিকভাবে নড়াচড়া করতে পারছিলেন না। দলীয় ফিজিও দ্রুত মাঠে এসে পরিস্থিতি পরীক্ষা করেন। স্বল্প সময়ের পর্যবেক্ষণের পর সিদ্ধান্ত হয়—গিলের খেলা চালিয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। বাধ্য হয়েই অবসর নিয়ে মাঠ ছাড়েন ভারতীয় অধিনায়ক।
আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ও ৪৭ রানে হারাল বাংলাদেশ

আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ও ৪৭ রানে হারাল বাংলাদেশ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ও ৪৭ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনে লাঞ্চের পরই আয়ারল্যান্ডের প্রতিরোধ ভেঙে দিয়ে টাইগাররা ম্যাচের ইতি টানেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৪ রানে অলআউট হওয়া আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের বোলাররা পুরো ম্যাচে দাপট দেখান। অভিষিক্ত হাসান মুরাদের চার উইকেটের পাশাপাশি ৩টি উইকেট নেন তাইজুল ইসলামও। বাকি দুই উইকেট শিকার করেন নাহিদ রানা। চতুর্থ দিনের শুরুতে ৫ উইকেটে ৮৫ রান নিয়ে লড়াই শুরু করেছিল আয়ারল্যান্ড। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নাজমুল শান্তরা। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ১৯ নভেম্বর ঢাকায়।
জয়ের সেঞ্চুরির সঙ্গে দুই ফিফটিতে টাইগারদের দাপট

জয়ের সেঞ্চুরির সঙ্গে দুই ফিফটিতে টাইগারদের দাপট সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরিকে টেনে ডাবল সেঞ্চুরির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদুল হাসান জয়। মুমিনুল হকও আছেন সেঞ্চুরির পথে। তার আগে সেঞ্চুরি মিস করেছেন সাদমান ইসলাম। তবু সবমিলিয়ে সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় দিনটা পুরোই বাংলাদেশের দখলে। আয়ারল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ২৮৬ রানের জবাবে টাইগাররা দিন শেষ করেছে ৮৫ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ৩৩৮ রান করে। জয় ১৬৯ আর মুমিনুল ৮০ রানে অপরাজিত আছেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ৫২ রানের। এর আগে দিনের শুরুতে আয়ারল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় ২৮৬ রানে। স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ৩ উইকেট, আর হাসান মুরাদ ও তাইজুল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট। ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদও ছিলেন দারুণ, তুলে নেন ২ উইকেট। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ব্যাট হাতে লড়েছেন পল স্টার্লিং (৬০) ও কেড কার্মাইকেল (৫৯), তবে দলের বাকিরা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম শুরু থেকেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। প্রথম উইকেট জুটি যোগ করে ১৬৮ রান। যেখানে সাদমান খেলেন ৮০ রানের ইনিংস। এরপর মুমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে জয় গড়ে তোলেন আরেকটা শতরানের জুটি। দিনের শেষ বিকেলে আয়ারল্যান্ডের বোলারদের ক্লান্ত করে তোলেন এই দুই ব্যাটার। ৮৫ ওভারের খেলায় বাংলাদেশের রানরেট প্রায় ৪, যা টেস্টের হিসেবে বেশ দ্রুতগতির। জয় ২৮৩ বলে ১৪টি চার ও ৪টি ছয়ে ১৬৯ রানে অপরাজিত, মুমিনুল ১২৪ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৮০ রানে অপরাজিত আছেন।
রুদ্ধশ্বাস জয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৬ রানে হারালো পাকিস্তান

রুদ্ধশ্বাস জয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৬ রানে হারালো পাকিস্তান শ্রীলঙ্কাকে মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে নাটকীয় জয় উদযাপন করেছে পাকিস্তান। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত লড়াই বজায় ছিল, যেখানে লঙ্কানরা জয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও সফল হয়নি। পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৯৯ রান তোলে। শুরুতে ওপেনাররা ভালো খেলে চাপে ফেলে শ্রীলঙ্কাকে। সাইম আইয়ুব মাত্র ৬ রান করে ফিরেন, ফখর জামান ৫৫ বলে ৩২ রান করেন, আর মোহাম্মদ রিজওয়ানও সুবিধা নিতে পারেননি, ৫ রানে থামেন। বাবর আজম ৫১ বল খেলে ২৯ রান করেন। ৯৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে সালমান আগা আর হুসাইন তালাত যোগ করেন ১৩৮ রানের জুটি। তালাত ৬৩ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন। শেষদিকে মোহাম্মদ নেওয়াজ ২৩ বলে ৩৬ রানের দ্রুত ইনিংস উপহার দেন। সালমান আগা অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে, ৮৭ বল খেলে ৯টি বাউন্ডারি হাঁকান। রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা উড়ন্ত সূচনা করেছিল। কামিল মিশরা ও পাথুম নিশাঙ্কা ৭০ বলের ওপেনিং জুটিতে ৮৫ রান তোলেন। ১২তম ওভারে হারিস রউফ একসাথে জুটি ভেঙে জোড়া উইকেট নেন। মিশরা ৩৮ রানে আউট হন, কুশল মেন্ডিসকে বোল্ড করেন রউফ। পরবর্তী ওভারে নিশাঙ্কা (২৯) ক্যাচ আউট হন। শ্রীলঙ্কার সাদিরা সামারাবিক্রমা ৩৯ রান করে ফেরেন, চারিথ আসালাঙ্কা ৩২ রানে স্টাম্পিং। নাসিম শাহর বলে জানিথ লিয়ানাগে (২৮) বোল্ড। কামিন্দু মেন্ডিস ৯ রান করে ফাহিম আশরাফের বলে আউট হন। তবে লোয়ার অর্ডারেও লঙ্কানরা লড়াই চালান। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৫২ বলে ৫৯ রান করেন এবং শেষ পর্যন্ত নাসিম শাহর বলে লং অনে ক্যাচ হয়ে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত ২১০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। পাকিস্তানের বোলাররা সমন্বিত পারফরম্যান্স দেখান। হারিস রউফ নেন চারটি উইকেট, নাসিম শাহ ও ফাহিম আশরাফ নেন দুটি করে। হুসাইন তালাতের শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কাকে জয়ের কাছাকাছি আনতে চেষ্টা হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ পাকিস্তানের নামে শেষ হয়। রাওয়ালপিন্ডিতে এই ম্যাচ দর্শকদের জন্য রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার হয়ে ওঠে।
মাহমুদুলের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ

মাহমুদুলের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় সেশনের শুরুতেই ঘরের মাঠে নিজের প্রথম এবং ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। জর্ডান নিলের বলে গালি অঞ্চলে চার মেরে সেঞ্চুরির মাইলফলক ছোঁয় মাহমুদুল। এর আগে ২০২২ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে করেছিলেন তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। ম্যারাথন ইনিংসে তিনি এখন পর্যন্ত ১২৯ রানে অপরাজিত, যেখানে রয়েছে ৯টি চার ও ১টি ছক্কা। তার সঙ্গে ক্রিজে আছেন মুমিনুল হক, যিনি ৫৬ রানে অপরাজিত। এর আগে আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানে অলআউট হলে, ওপেনিং জুটিতে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল মিলে গড়েন ১৬৮ রানের পার্টনারশিপ। সাদমান ৮০ রান করে আউট হলেও, ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন মাহমুদুল ও মুমিনুল। ৬৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৮ রান, হাতে রয়েছে ৯ উইকেট।
তিন মাস পর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানালেন রশিদ খান

তিন মাস পর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানালেন রশিদ খান অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল রশিদ খানের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে। অবশেষে নিজের দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানিয়েছেন এই আফগান ক্রিকেটার। বিয়ের তিন মাস পর খবরটি প্রকাশ্যে আনলেন এই লেগ স্পিনার। চলতি বছরের ২ আগস্ট দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন রশিদ খান। সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে নতুন বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। বরের বেশে একটি ছবি পোস্ট করে রশিদ লেখেন, ‘২০২৫-এর ২ আগস্ট জীবনের নতুন ও অর্থবহ এক অধ্যায় শুরু করলাম। আমি আমার বিয়ে সারলাম। এমন এক নারীকে বিয়ে করেছি, যিনি ভালোবাসা ও শান্তিতে জীবন ভরে তুলতে পারেন। এমন জীবনসঙ্গী খুঁজে আসছিলাম অনেক দিন ধরেই।’ কিছু দিন আগে নেদারল্যান্ডসে এক নারীর সঙ্গে রশিদ খানের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ছবি নিয়ে নেটিজেনদের মন্তব্য ভালো লাগেনি রশিদের। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এই আফগান স্পিনার আরও লেখেন, ‘কদিন আগে আমার স্ত্রীকে নিয়ে একটি চ্যারিটি ইভেন্টে গিয়েছিলাম। কিন্তু মানুষজনের কাছ থেকে যে ধারণা পেলাম, সেটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। সত্যি কথা হচ্ছে সে আমার স্ত্রী। এখানে গোপনীয়তার কিছু নেই। সবাইকে ধন্যবাদ।’ গত বছরের অক্টোবরে কাবুলের ইম্পেরিয়াল কন্টিনেন্টাল হোটেলে ধুমধাম করে প্রথম বিয়ে করেছিলেন রশিদ। সেবার তিনি একা নন। রশিদের তিন ভাইও বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রশিদের জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন সতীর্থ।