দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। এবার দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরেও সেই ফিল্ডিংই পেয়েছেন লিটন দাসরা। এদিকে দলে তিন পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে খেলা জাকের আলী, রিশাদ হোসেন ও শরীফুল ইসলাম নেই আজকের স্কোয়াডে। তাদের বদলে আজ টাইগারদের হয়ে নামছেন নুরুল হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মেহেদী হাসান। বিপরীতে আয়ারল্যান্ড দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। গত ম্যাচে খেলা কার্টিস ক্যাম্ফারের জায়গায় খেলবেন বেন কালিজ। বাংলাদেশ দল–লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নুরুল হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান। আয়ারল্যান্ড দল-পল স্টার্লিং (অধিনায়ক), টিম টেক্টর, হ্যারি টেক্টর, লোরকান টাকার, বেন কালিজ, জর্জ ডকরেল, গ্যারেথ ডেলানি, মার্ক অ্যাডাইর, ব্যারি ম্যাকার্থি, ম্যাথু হামফ্রিস ও জশ লিটল।
টেস্ট সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

টেস্ট সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে রঙিন পারফরম্যান্সের পর এবার টাইগারদের সামনে সাদা বলের চ্যালেঞ্জ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। ম্যাচটি শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে রঙিন পারফরম্যান্সের পর এবার টাইগারদের সামনে সাদা বলের চ্যালেঞ্জ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়। বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে যথারীতি তানজিদ হাসান তামিম এবং সাইফ হাসানকে দেখা যাবে। তিন নম্বরে লিটন দাস, চার নম্বরে দেখা যেতে পারে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে। পাঁচে জাকের আলি অনিককে খেলানো হতে পারে। স্পিন নির্ভর একাদশ গড়তে পারে বাংলাদেশ। একাদশে দেখা যেতে পারে নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেনকে। দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ : বাংলাদেশ : তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান। আয়ারল্যান্ড : পল স্টার্লিং (অধিনায়ক), হ্যারি টেক্টর, গ্যারেথ ডিলানি, লরকান টাকার (উইকেটরক্ষক), কার্টিস ক্যাম্ফার, জর্জ ডকরেল, ম্যাথু হামফ্রেস, মার্ক অ্যাডায়ার, জশ লিটল, ব্যারি ম্যাককার্থি, ক্রেইগ ইয়ং।
বিপিএল নিলামে যেসব বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন

বিপিএল নিলামে যেসব বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম। কয়েক মৌসুম পর ফের আয়োজিত এই নিলামে অংশ নিতে প্রথমে নিবন্ধন করেছিলেন ৫০০ জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার; যাচাই-বাছাই শেষে ২৫০ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। বিপিএল নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার এসেছে শ্রীলঙ্কা থেকে- মোট ৫০ জন। পাকিস্তান থেকে অংশ নিচ্ছেন ৪৫ জন খেলোয়াড়। ভারতের মাত্র ৩ জন ক্রিকেটার নিলামে নাম জমা দিয়েছেন, আর আয়ারল্যান্ডের রয়েছে ৬ প্রতিনিধি। আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের সংখ্যা ১৮। সবশেষে, যুক্তরাজ্য থেকে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ক্রিকেটার নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছেন। একই সময়ে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি ও এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এমন সুযোগ করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। যার ফলে কয়েক ম্যাচের জন্য বিদেশি তারকাদের আনতে পারবে দলগুলো। বিপিএল নিলামে ২৫০ জন বিদেশিকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ডলার। এ ছাড়া ‘বি’ ২৬ হাজার ডলার, ‘সি’ ২০ হাজার ডলার, ‘ডি’ ১৫ হাজার ডলার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ১৫ হাজার ডলার। ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার। বিপিএল নিলামে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তারকা ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার যারা আছেন- ক্যাটাগরি এ- জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, কিমো পল, ডমিনিক ড্রেক্স, আব্দুল সামাদ, জামান খান, মোহাম্মদ হাসনাইন, উসামা মির, শোয়েব মালিক, অভিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মাহিশ থিকশানা, দুশমান্থ চামিরা, মাথিশা পথিরানা, চারিথ আসালাঙ্কা, জর্জ ডাকরেল, বাস ডি লিড, ওয়েইন পার্নেল, দীনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, লাহিরু কুমারা। ক্যাটাগরি বি- সন্দীপ লামিচানে, আসিফ আলী, রিচার্ড এনগারাভা, ওশেন থমাস, হ্যারি টেক্টর, আলি খান, হাশমতুল্লাহ শাহিদি, রবি বোপারা, সাউথ শাকিল, ইসুরু উদানা, নাজিবউল্লাহ জাদরান। ক্যাটাগরি সি- আলি রেজা, হায়দার আলী, শন উইলিয়ামস, টেরেন্স হিন্ডস, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শাহজাদ, দিলশান মুনাওয়েরা, অ্যাশেন বান্দারা, জশ লিটল, জুবায়ের হামজা, ডেন প্যাটারসন, রায়ান বার্ল, পল স্টার্লিং ও কারিমা গোর। ক্যাটাগরি ডি- মেহরান মুমতাজ, উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, দীপেন্দ্র সিং আইরে, শেভন ড্যানিয়েল, বাসিল হামিদ, কলাম পার্কিনসন, সালিম শাফি, ব্র্যাড ইভান্স, মার্ক ওয়াট ও জ্যাক হেইন্স। ক্যাটাগরি ই- সাঙ্গিথ কোরায়, থানুকা দাবারে, জশুয়া বিশপ, কাদিম অ্যালেন, কেমানি মেলিয়াস, র্যান্সফোর্ড বিটন, আশমীদ নেড, আসদ রাজা, তৈয়ব আব্বাস, মুহাম্মদ জিশান, রুম্মান রইস, খলিল গুরবাজ ও বাকার ইব্রাহিমজাই।
লিটন দাসের সঙ্গে কথা বলেই শামীমকে বাদ দেয়া হয়েছে: লিপু

লিটন দাসের সঙ্গে কথা বলেই শামীমকে বাদ দেয়া হয়েছে: লিপু কী এমন হলো যে নির্বাচকরা হঠাৎ করে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসের সাথে কথা না বলে, তার মতামত না নিয়েই শামীম পাটোয়ারীর মত টি-টোয়েন্টি পারফরমারকে বাদ দিয়ে দিলেন? এবং তাকে বলে দেয়া হলো, ‘যে দল সাজানো হয়েছে, সেই দল নিয়েই খেলতে হবে।’ শামীম পাটোয়ারীকে বাদ দেয়া প্রসঙ্গে আজ দুপুরেই চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস অভিযোগ করে জানিয়েছিলেন, তার মতামত না নিয়েই শামীম পাটোয়ারীকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এমনকি তিনি গুরুতর অভিযোগ তোলেন, নির্বাচকরা নাকি দল নির্বাচনে অধিনায়ক হিসেবে তার মতামতআর নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। কেন এমনটা হবে? এ প্রশ্নের উত্তর যার দেয়ার কথা, সেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর সাথে একান্ত আলাপে সেটাই দিয়েছেন। জানিয়েছেন আসল রহস্য। শামীম পাটোয়ারী ইস্যুতে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু নির্বাচকদের আলোকে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে যা বলেন, তার সারমর্ম হলো, তিনি আর অপর নির্বাচক হাসিবুল হোসেন শান্ত ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম দিন অধিনায়ক লিটন দাস ও কোচ ফিল সিমন্সের সাথে টি-টোয়েন্টি দল নিয়ে কথা বলেছিলেন। সেখানে অধিনায়ক লিটন দাস শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখার ব্যাপারে নিজের মত দিয়েছিলেন। মানে শামীমকে দলে রাখার পক্ষে ছিলেন টাইগার ক্যাপ্টেন লিটন। পাশাপাশি হেড কোচ ফিল সিমন্সের সাথে কথা বলে তাদের (নির্বাচকদের) মনে হয়, তারা দুজনই শামীম পাটোয়ারীকে দলে চান। কিন্তু নির্বাচকরা মনে করেন, শামীম পাটোয়ারীর সর্বশেষ সিরিজে যে ফর্ম তা দিয়ে তার এখন দলে থাকার মত অবস্থা নেই। তাই তারা শামীমকে ছাড়াই দল গঠন করেন। ‘তার সাথে কোনরকম কথা হয়নি নির্বাচকদের’- লিটন দাসের এমন দাবির ব্যাখ্যায় প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘অবশ্যই কথা হয়েছে। লিটন ও হেড কোচের কথা আমরা শুনেছি। কথা বলে আমাদের মনে হয়েছে কোচ ও ক্যাপ্টেন শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখার পক্ষে। মানে ব্যাটিং লাইনআপে পরিবর্তনের বিপক্ষে।’ কিন্তু নির্বাচকরা মনে করেন শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখা যায় না। তাই লিটন দাস শামীমকে দলে রাখতে চাইলেও তার কথা না শুনে নির্বাচকরা নিজেদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে শামীমকে ছাড়াই দল সাজিয়েছেন। লিপুর দাবি, দল নির্বাচনে ভূমিকা, মতামত থাকলেও নির্বাচক, কোচ ও ক্যাপ্টেনের আলাদা সীমারেখা আছে। কে বা কারা ওই সীমারেখার কতদুর যাবেন, যেতে পারবেন এবং কার বা কাদের মতামত সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে, স্টোও ঠিক করা আছে। সেখানে নির্বাচদের মতামতের সীমা রেখা সর্বোচ্চ। তিনি সে আলোকেই শামীমকে বাদ দিয়ে দল সাজিয়েছেন। আজ বুধবার দুপুরে লিটন দাসের সংবাদ সম্মেলনে বলা মন্তব্যর প্রেক্ষিতে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মতামত ও ব্যাখ্যা চাওয়া হলে জাতীয় দলের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক জাগো নিউজকে জানান, ‘আমরা দল গঠনের আগে ও ক্রিকেটার নির্বাচনের আগে সব সময় কোচ ও ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলি। আমি প্রধান নির্বাচক হওয়ার পর এ ধারা অব্যাহত ছিল। আগের সব সিরিজ, সফরেই নিজেরা কথা বলে দল নির্বাচন করেছি। এবারও আয়ারল্যান্ডের সাথে ঢাকার মিরপুরে শেষ টেস্ট চলাকালীনও আমরা বসে কথা বলে দল চূড়ান্ত করেছি। ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে সিলেকশন কমিটির সাথে ক্যাপ্টেন লিটন দাসও ছিল। সেখানে টিম নিয়ে কথা হয়।’ ‘এক পর্যায়ে ব্যাটিং ও পারফরমেন্সের ইস্যু ওঠে। আমি অধিনায়ক লিটন দাসকে শামীম পাটোয়ারীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি। শামীমের সর্বশেষ পারফরমেন্স বিশ্লেষণ করে শেষ দিকে তার পরপর কয়েকটি ম্যাচের পারফরমেন্স ও আউট হওয়ার ধরনের আলোকে জানতে চাই । লিটন মতামত জানাতে গিয়ে আমাকে বলেছে যে, সে শামীমকে দলে চায়। শামীমের সাম্প্রতিক বাজে পারফরমেন্সের পরও তাকে দলে চায়। লিটন দাস আমাকে সে কথা বলছে।’ ‘আমি বলছি সেতো দলে চান্স পাওয়ার মত অবস্থায় নেই। তারপরও লিটন বোঝানোর চেষ্টা করে সে শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখতে আগ্রহী। তখন আমি তাকে (লিটন দাসকে) বলি, ওকে আই গট ইওর ওপিনিয়ন।’ ‘এরপর দিন মানে ঢাকা টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিন কোচের সাথে কথা হয়েছে আমাদের। কথা-বার্তার এক পর্যায়ে ব্যাটিং নিয়ে কথা ওঠে। ব্যাটিংয়ের অবস্থা নিয়ে আমি কোচের মতামত জানতে চাই। কোচকে জিজ্ঞেস করলাম, টি-টোয়েন্টি দলের ব্যাটিং নিয়ে আপনার কি মত? কথা শুনে মনে হলো, হেড কোচের কোন অসন্তুষ্টি নেই ব্যাটিং নিয়ে। হি ইজ হ্যাপি। যেহেতু কোচ ব্যাটিং নিয়ে কোন অসন্তোষ প্রকাশ করেনি। তাই আমি আর শামীম পাটোয়ারীর কথা আলাদাভাবে জিজ্ঞেস করিনি।’
আশরাফুলকে নিয়ে আশাবাদী টিম ডিরেক্টর রাজ্জাক

আশরাফুলকে নিয়ে আশাবাদী টিম ডিরেক্টর রাজ্জাক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে দলের নতুন ব্যাটিং কনসালটেন্ট মোহাম্মদ আশরাফুলের ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে আশাবাদী মত প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর আব্দুর রাজ্জাক। মঙ্গলবার সকালে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানান, এত অল্প সময়ে আশরাফুলের কাজের সম্পূর্ণ মূল্যায়ন করা কঠিন হলেও তার উপস্থিতি দলের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। রাজ্জাক বলেন, ‘আশরাফুল খুব অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। যেহেতু মাত্র একটা সিরিজ কাজ করেছে। এখানে অল্প সময়ের মধ্যে বলাও মুশকিল। আসলে এইগুলো ইনক্লুশন সময়। বেশ সময় পরে বোঝা যায় যে আসলে কী ইমপ্যাক্ট পড়ছে। হুট করে একটা মানুষকে নিয়ে যে কোনো মন্তব্য করে দেওয়া একটু মুশকিল।’ অভিজ্ঞতা ও ট্যাকটিক্যাল বিষয়গুলোতে আশরাফুল যে দলের ব্যাটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন, সেটিও তুলে ধরেন রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘টেকনিকের থেকে ট্যাকটিসের ব্যাপার আসলে তো অবশ্যই আশরাফুল খাটাচ্ছে। ও বলছে, কথা বলছে। আমি দেখছি সবসময় ও ব্যাটারদের কাছাকাছি থাকে, প্র্যাকটিসে থাকে, এমনকি খেলা চলাকালেও কথা বলছে। তো আমার কাছে মনে হয় যে এটার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে ইনশাআল্লাহ।’ দল পরিচালনায় নতুন সংযোজন হিসেবে আশরাফুলকে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও দেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের একজন তিনি। তাই দলে তার উপস্থিতিকে তরুণদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন টিম ম্যানেজমেন্ট। টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে দলের প্রস্তুতিতেও আশরাফুল ছিলেন সক্রিয়। ব্যাটারদের সঙ্গে আলাপ, ছোট ছোট টিপস দেওয়া, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং পরিকল্পনা শেয়ার সবকিছুতেই তার সম্পৃক্ততা নজরে এসেছে। টিম ডিরেক্টর রাজ্জাকের মতে, সময়ের সঙ্গে আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে আশরাফুলের অন্তর্ভুক্তি দলের জন্য কতটা কার্যকর হচ্ছে। তবে ইতোমধ্যেই তার প্রভাব যে ইতিবাচক, তা নিশ্চিত করেই জানিয়েছেন তিনি।
ভারত-পাকিস্তানের বিশ্বকাপের ম্যাচ ১৫ ফেব্রুয়ারি

ভারত-পাকিস্তানের বিশ্বকাপের ম্যাচ ১৫ ফেব্রুয়ারি এসিসির টুর্নামেন্ট হোক বা বৈশ্বিক আইসিসির, ভারত ও পাকিস্তানকে একই গ্রুপে রেখে এখন টুর্নামেন্ট আয়োজনের চিন্তা থাকে আয়োজকদের। গেল কয়েক বছর ধরে এর কোনো বত্যয় হয়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপেও প্রতিবেশি, প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশকে একই গ্রুপে দেখা যাবে। ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, কলম্বোতে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই বেরিয়ে এলো, ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচের সূচি। ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে একই গ্রুপে থাকছে যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। মুম্বাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে ভারত। ৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিশ্বকাপের আসর। পাকিস্তান নিজেদের সবগুলো ম্যাচ খেলবে কলম্বো কিংবা ক্যান্ডিতে। এমনিতে ফাইনালের ভেন্যু আহমেদাবাদ। তবে পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে কলম্বোতে হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। আগের বিশ্বকাপের মতো এবারও ২০ দল ৪টি গ্রুপে ভাগ হবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে সেরা দুই দল যাবে সুপার এইটে। সেখান থেকে দুই গ্রুপের সেরা চার দল খেলবে সেমিফাইনালে, এরপর ফাইনাল। প্রসঙ্গত, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবশেষ আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বার্বাডোসে ফাইনালে তারা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল।
অবিশ্বাস্য নাটকীয়তার ফাইনালে সুপার ওভারে হারলো বাংলাদেশ ‘এ’, পাকিস্তান শাহীনস চ্যাম্পিয়ন

অবিশ্বাস্য নাটকীয়তার ফাইনালে সুপার ওভারে হারলো বাংলাদেশ ‘এ’, পাকিস্তান শাহীনস চ্যাম্পিয়ন উত্তেজনা, নাটকীয়তা, রোমাঞ্চ, নখ কামড়ানো একেকটি মুহুর্ত, একেকটি বল। হৃদস্পন্দন থেমে যাওয়ার উপক্রম। পেণ্ডুলামের মতো ঝুলতে থাকা ফাইনাল ম্যাচে কখনো পাকিস্তান শাহীনসের মুখে হাসি। আবার কখনো হাসে বাংলাদেশ ‘এ’। সব সীমা অতিক্রম করে, চরম নাটকীয়তা শেষে ইতিহাসের পাতায় পাকিস্তান শাহীনস। দোহায় এশিয়া কাপ রাইর্জিং স্টারসের ফাইনাল ম্যাচ। নির্ধারিত ২০ ওভারের ম্যাচে কেউ কাউকে হারাতে পারে না। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে পাকিস্তান শাহীনস কাছে ম্যাচ হেরে শিরোপা হারিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। মূল ম্যাচে পাকিস্তান শাহীনস আগে ব্যাটিং করতে নেমে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায়। জবাব দিতে নেমে ৯৬ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ম্যাচ তখন পাকিস্তান শাহীনসের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু দশম উইকেটে সাকলায়েন আহমেদ ও রিপন মণ্ডল সব এলোমেলো করে দেন। রুদ্ধশ্বাস ব্যাটিংয়ে ২৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিয়ে যান সুপার ওভারে। যদিও তারা শেষ ওভারে জয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৭ রান লাগত বাংলাদেশ ‘এ’-র। প্রথম বলেই রিপন ডাবলস নিলে ম্যাচ নেক টু নেক চলে আসে। পরের দুই বলে দুই ব্যাটসম্যান ২ রান নেন। চতুর্থ বলে গড়বড় করেন রিপন। পেসার আহমেদ ডানিয়েলের স্লোয়ার বাউন্সারে কোনো রান নিতে পারেননি। তাতে চাপ বেড়ে যায়। পরের ২ বলে কোনো বাউন্ডারি না পাওয়ায় ১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয়। সুপার ওভারেও ব্যাটিং ছিল তালগোল পাকানো। প্রথমে সাকলায়েন ও পরে জিসান আলম আউট হলে বাংলাদেশ ৩ বলেই গুটিয়ে যায়। অথচ হাবিবুর প্রথম বলে ১ রান নেওয়ার পর একটি ওয়াইড ও বাই চারে বাংলাদেশ ২ বলে ৬ রান পেয়ে যায়। তৃতীয় বলেই জিসান আউট হলে বাংলাদেশ ‘এ’-র শিরোপার স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়। সাদ মাসুদের বাউন্ডারিতে ২ বল আগেই পাকিস্তান শাহীনস জিতে নেয় সুপার ওভার। নাম বদলে শুধু ‘ইমার্জিং’ থেকে ‘রাইজিং স্টারস’ হয়েছে। বাকিটা ঠিকই আছে, এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৯ সালে রানার্সআপ হওয়া। সেটাও ঘরের মাঠে পাকিস্তানের কাছে হেরে। ৬ বছর পর সেই একই তিক্ততার মুখোমুখি বাংলাদেশ ‘এ’। পাকিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করা দল পাকিস্তান শাহীনস (আদতে ‘এ’ দল) ফাইনালে হৃদয় ভাঙে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। প্রতিযোগিতার সাত আসরে দ্বিতীয়বার রানার্সআপ বাংলাদেশ ‘এ’। তৃতীয়বারের মতো পাকিস্তান শাহীনস চ্যাম্পিয়ন। এছাড়া শ্রীলঙ্কা জিতেছে দুইবার। ভারত ও আফগানিস্তান জিতেছে একবার করে। রোববার দোহায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে শিরোপা জয়ের দারুণ সুযোগ ছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। কিন্তু ব্যাটিংয়ে চরম ব্যর্থ হয়ে ম্যাচটা স্রেফ উপহার দিয়ে আসেন আকবর আলীরা। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে পাকিস্তান শাহীনসকে অল্পরানে আটকে রাখার পরিকল্পনা করেছিল দল। নিজেদের বোলিং পরিকল্পনায় তারা পুরোপুরি সফল। দারুণ বোলিং, দুর্দান্ত ফিল্ডিং এবং মাঠে চনমনে থাকা দল পাকিস্তান শাহীনসকে এক মুহূর্তের জন্য থিতু হতে দেয়নি। রান আউটে শুরু হয় আক্রমণ। রান আউটেই শেষ। বাকি ৮ উইকেটের ৩টি নেন রিপন মণ্ডল। ২টি পেয়েছেন রাকিবুল হাসান। এছাড়া ১টি করে উইকেট পেয়েছেন মেহরব, জিসান ও সাকলায়েন। পাকিস্তান শাহীনসের সাত ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তারা। দলকে উদ্ধার করেন সাতে নামা সাদ মাসুদ। ২৬ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন তিনি। এছাড়া আরাফাত মিনহাস ২৫ ও মাস সাদাকাত ২৩ রান করে দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন। জবাবে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের শুরুটা খারাপ ছিল না। জিসান আলমকে এক পাশে রেখে হাবিবুর রহমান সোহান আক্রমণ করে দলের রান এগিয়ে নেন। ২.৩ ওভারে রান ২২। ওই সময়ে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ ‘এ’। এক ছক্কা মেরে জিসান আউট হন। সঙ্গী হারানোর পর হাল ছাড়েননি হাবিবুর। আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যাটিং করে এগিয়ে যান। কিন্তু ভুল এক শটেই সব শেষ! হাবিবুর শুধু নিজের বিপদই ডেকে আনেননি, ম্যাচের এপিটাফ লিখে দেন। ১৭ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ রান করে হাবিবুর আউট হন সাদ মাসুদের বলে। এরপর দলের পাঁচ ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। ৩৬ থেকে দলীয় রান ৫৩ রানে যেতে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ ‘এ’। জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলে প্রথমবার ডাক পাওয়ার দিনে মাহিদুল অঙ্কন রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে শূন্য রানে আউট হন। ইয়াসির কাভারে ক্যাচ দেন ৮ রানে। আকবর (২), রাব্বী (৩) ও মৃতু্যঞ্জয় (০) ক্রিজে গিয়েছেন আর ফিরেছেন। এই ৩টি উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম। চায়নাম্যানের গুগলি বুঝতেই পারেননি তারা। ৫৩ রানে বাংলাদেশ ‘এ’-র ৭ ব্যাটসম্যান সাজঘরে। সেখান থেকে লড়াই শুরু করেন রাকিবুল ও মেহরব। ধ্বংসস্তুপ থেকে দলকে টেনে তোলেন। রাকিবুল দুটি চার ও একটি ছক্কায় জবাব দেন। মেহরব হাঁকান একটি চার। তাদের ২৬ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ ‘এ’। ৩৬ বলে ৪৭ রান প্রয়োজন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। সেখানে শাহীদ আজিজকে প্রথম বলেই ছক্কা উড়ান মেহরব। তাতে ড্রেসিংরুমে ফেরে প্রাণ। এরপর সিঙ্গেল-ডাবলসে লক্ষ্য আরো কাছাকাছি আসতে শুরু করে। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়েই বিপদে পড়েন মেহরব। পেসার আহমেদ ডানিয়েলের শর্ট বল উড়াতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ২১ বলে ১৯ রান করেন তিনি। তখনও জয় বেশি দূরে ছিল না বাংলাদেশের। ২৭ বলে লাগত ৩৬ রান। কিন্তু হাতে উইকেট কেবল ২টি। এক ওভারের বিরতিতে দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান করা রাকিবুল এলবিডব্লিউ হন। তবুও হাল ছাড়েন না সাকলায়েন ও রিপন। সাকলায়েন ১৯তম ওভারে আজিজকে দুটি ছক্কা ও রিপনকে এক ছক্কা মারেন। তাতে সমীকরণ দাঁড়ায় ৬ বলে ৭ রান। কিন্তু শেষ ওভারে ১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তাদেরকে। এরপর সুপার ওভারেও। ফাইনাল ম্যাচটা হেরে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার যন্ত্রণা নিয়েই এখন দেশে ফিরতে হবে তাদের।
২১৭ রানের জয়ে আয়ারল্যান্ড হোয়াইটওয়াশ

২১৭ রানের জয়ে আয়ারল্যান্ড হোয়াইটওয়াশ ২১৭ রানের জয়ে আয়ারল্যান্ড হোয়াইটওয়াশ মধ্যাহ্ন বিরতির পর উইকেটে দারুণভাবে থিতু হয়েছিলেন কুর্টিশ ক্যাম্ফার ও গ্যাভিন হোয়ে। নবম উইকেটে তারা দুজন দলীয় সংগ্রহে ৩২.২ ওভারে যোগ করেন ৫৪ রান। ১১৩.২ ওভারের মাথায় দলীয় ২৯১ রানের সময় হাসান মুরাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান হোয়ে। পরের বলেই নতুন ব্যাটসম্যান ম্যাথু হামফ্রিজ বোল্ড হয়ে গেলে বাংলাদেশের ২১৭ রানের বড় জয় নিশ্চিত হয়। পাশাপাশি নিশ্চিত হয় ২-০ ব্যবধানের সিরিজ জয়ও। আয়ারল্যান্ডের নবম উইকেটের পতন দলীয় ২৯১ রানের মাথায় নবম উইকেট হারাল আয়ারল্যান্ড। হাসান মুরাদের বলে এলবিডব্লিউ হন গ্যাভিন হোয়ে। যাওয়ার আগে ১০৪ বলে ৪টি চারে ৩৭ রানের ইনিংস খেলে যান। আর ক্যাম্ফারের সঙ্গে নবম উইকেটে দলীয় সংগ্রহে যোগ করেন মূল্যবান ৫৪ রান। ক্যাম্ফার-হোয়ের প্রতিরোধ ২৩৭ রানের মাথায় অষ্টম উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন ক্যাম্ফার ও হোয়ে। নবম উইকেট জুটিতে ইতোমধ্যে তারা দলীয় সংগ্রহে ৪৫ রান যোগ করেছেন ২৫.২ ওভারে। তাতে আয়ারল্যান্ডের দলীয় সংগ্রহ বেড়ে হয়েছে ৮ উইকেটে ২৮২। ক্যাম্ফার ৬৯ ও হোয়ে ৩০ রানে ব্যাট করছেন। ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রান তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে আয়ারল্যান্ড ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রান তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গিয়েছে আয়ারল্যান্ড। জিততে এখনো তাদের প্রয়োজন ২৪৬ রান। আর বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ২ উইকেট। ক্যাম্ফার ৬৩ রানে ও হোয়ে ১৮ রানে অপরাজিত আছেন। ক্যাম্ফারের ফিফটি, অষ্টম উইকেট হারাল আয়ারল্যান্ড ২৩৭ রানের মাথায় অষ্টম উইকেট হারাল আইরিশরা। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়েছেন জর্ডান নীল। যাওয়ার আগে ৪৬ বলে ৫টি চার ও ১ ছক্কায ৩০ রানের ইনিংস খেলে গেছেন। ক্যাম্ফারের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন গ্যাভন হোয়ে। ক্যাম্ফার তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন ১৫৭ বলে ২টি চার ও ২ ছক্কায়। তাইজুলের চতুর্থ শিকার ম্যাকব্রাইন ১৮৯ রানের মাথায় সপ্তম উইকেট হারাল আয়ারল্যান্ড। তাইজুল ইসলামের করা ৬৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে যান ম্যাকব্রাইন। ৫৩ বল খেলে ৩ চারে ২১ রান করে যান তিনি। ক্যাম্ফারের সঙ্গে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন জর্ডান নীল। পঞ্চম দিনের খেলা শুরু বাংলাদেশের ছুড়ে দেওয়া ৫০৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করেছিল আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে আজ রবিবার পঞ্চম দিনে ব্যাট করতে নেমেছে তারা। দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান কুর্টিশ ক্যাম্ফার ৩৪ ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ১১ রান নিয়ে দিন শুরু করেছেন।
ভারতের জন্য সহজ গ্রুপিং, ডেথ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ

ভারতের জন্য সহজ গ্রুপিং, ডেথ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ আগামী বছরের শুরুর দিকে বসতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপিং সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও আইসিসি আগামী ২৫ নভেম্বর মুম্বাইয়ে আনুষ্ঠানিক ড্র ও গ্রুপিং প্রকাশ করবে। তবে প্রকাশিত গ্রুপিংয়ে দেখা যাচ্ছে- ভারত ও শ্রীলঙ্কা; দুই সহ-আয়োজক দল সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের গ্রুপিং পেয়েছে। আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারতকে রাখা হয়েছে তুলনামূলক সহজ গ্রুপে। পাকিস্তানও চাইলে একই দাবি করতে পারে। তবে শ্রীলঙ্কা নিজেদের ভাগ্যকে এতটা সহায়ক মনে নাও করতে পারে। একই কথা বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জন্যও প্রযোজ্য। আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে থাকা শ্রীলঙ্কাকে পড়তে হয়েছে তিনটি শক্তিশালী টেস্ট খেলুড়ে দেশ অস্ট্রেলিয়া (২), জিম্বাবুয়ে (১১) ও আয়ারল্যান্ডের (১২) গ্রুপে। এর বাইরে আছে ওমান (২০)। সব মিলিয়ে এটি একেবারেই ‘গ্রুপ অব ডেথ’ বলা যায়। অন্যদিকে, ভারতের গ্রুপটি বেশ সহজ। এখানে টেস্ট খেলুড়ে দল কেবল ভারত ও পাকিস্তান (৭)। বাকি তিন দল হলো- নেদারল্যান্ডস (১৩), নামিবিয়া (১৫) ও যুক্তরাষ্ট্র (১৮)। গ্রুপ পর্ব থেকে দুটি দল সুপার এইটে উঠবে। সে হিসেবে ভারত-পাকিস্তানের যাত্রা খুব বেশি জটিল হওয়ার কথা নয়। তাদের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইটি হবে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি। তবে এই গ্রুপেও সতর্কবার্তা থাকছে। কারণ, ২০২৪ আসরে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই হেরে গিয়েছিল। মোট চারটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল রয়েছে। আর কয়েকটি গ্রুপেও দেখা যাচ্ছে কঠিন পরিস্থিতি। উদাহরণ হিসেবে ইংল্যান্ড (৩) ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৬); দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন একই গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশের (৯) সঙ্গে। উপমহাদেশে বাংলাদেশ যে ভয়ংকর প্রতিপক্ষ, তা সবাই জানে। এই গ্রুপে আরও আছে নেপাল (১৭) এবং ২৮তম স্থানে থাকা ইতালি। পরের রাউন্ডে যেতে হলে বাংলাদেশকে ইংল্যান্ড কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই হবে। রানার্স-আপ দক্ষিণ আফ্রিকাও (৫) কঠিন পরীক্ষার মুখে। পরের রাউন্ডে উঠতে হলে তাদের অন্তত নিউ জিল্যান্ড (৪) বা আফগানিস্তান (১০) যে কোনো একটিকে হারিয়ে এগোতে হতে পারে। কারণ, গ্রুপের বাকি দুই দল সংযুক্ত আরব আমিরাত (১৬) ও কানাডা (১৮)। ভারতের ম্যাচসূচি ও ভেন্যু: ভারত তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এরপর তাদের প্রতিপক্ষ নামিবিয়া, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। পূর্বনির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভারত–পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোয়। এছাড়া ভারতের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই, দিল্লি ও আহমেদাবাদ বরাদ্দ করা আছে। শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে কলম্বোর দুই আন্তর্জাতিক ভেন্যু ছাড়াও ক্যান্ডিতে। ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত আছে আহমেদাবাদ। তবে পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে পরিবর্তন আসতে পারে। সেমিফাইনালের ম্যাচগুলো আয়োজনের দৌড়ে আছে মুম্বাই ও কলকাতা। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় সেমিফাইনাল ও ফাইনালের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে শর্টলিস্ট করা হয়েছে কলম্বোকে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল উঠবে সুপার এইটে। সেখান থেকে শীর্ষ চার দল যাবে সেমিফাইনালে। এরপর হবে ফাইনাল।