নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার দাবিতে মানববন্ধন

নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পবিত্র ঈদুল আজহায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার ও কোরবানির পশুর চামড়া ন্যায্যমূল্যে বিক্রির বাজার নিশ্চিতকরণের দাবিতে জনসচেতনতামূলক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সিসিএস’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার কোঅর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট আসলাম-উল-দোলার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন— নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক ড. শরিফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এতিমখানার সভাপতি শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা শিবগঞ্জ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিউদ্দিন, সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন জুয়েলসহ আরো অনেকে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা সবাই ভোক্তা। যারা পণ্য উৎপাদন করেন তারাও ভোক্তা। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়। নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার লক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করার আহ্বান জানান বক্তারা।
গোমস্তাপুরের বিভিষণ সীমান্তে পুশইনকৃত ১৭ জনকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর

গোমস্তাপুরের বিভিষণ সীমান্তে পুশইনকৃত ১৭ জনকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর গোমস্তাপুরের বিভিষণ সীমান্ত দিয়ে পুশইনকৃত শিশুসহ ১৭ জন পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে পরিবারের কাছে তুলে দেন গোমস্তাপুর থানা পুলিশ। এর আগে গতকাল ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বিভিষণ সীমান্তের ২১৯ বাই ৭১ পিলারের ১৬০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে লালমাটিয়া এলাকা থেকে ওই বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে ৯ জন শিশু, ৪জন নারী ও ৪ জন পুরুষ রয়েছে। তারা কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। বিজিবি তাদেরকে আটকের পর গোমস্তাপুর থানায় সোপর্দ করেছে। পরে তাদেরকে গোমস্তাপুর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ মঙ্গলবার রাতে রহনপুরস্থ ডাকবাংলোতে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান বিজিবি কর্তৃক আটককৃত ১৭ জনকে উপজেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। আজ তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে দুপুরে তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এদিকে ১৬ বিজিবি রোকনপুর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ফারক হোসেন বলেন, বিএসএফ সঙ্গে কোস্পানী পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তারা আসেনি উলোটপালট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে তাদের এডির সঙ্গে কথা বলতে বলেন। উল্লখ্য, গত মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে বিভিষণ সীমান্তের ২১৯/৭১ পিলারের ১৬০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে লালমাটিয়া এলাকা থেকে ১৬ বিজিবি’র বিভিষণ বিওপির একটি টহলদল তাদের আটক করে। আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবিকে জানায়, তারা দীর্ঘদিন থেকে ভারতীয় অভ্যন্তরে বসবাস করে আসছিলেন। গত ১৭ মে ভারতীয় পুলিশ তাদেরকে হরিয়ানা প্রদেশ থেকে আটক করে ট্রেনযোগে হাওড়া জেলায় নিয়ে আসে। গত ২৪ মে হাওড়া থেকে বাসে করে ৮৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ইটাভাটা ক্যাম্পের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে তারা ওই সীমান্ত দিয়ে তাদের টেলে দেয়।
শিবগঞ্জ পৌরসভায় মাস্টার প্লান প্রণয়নের ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন

শিবগঞ্জ পৌরসভায় মাস্টার প্লান প্রণয়নের ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন শিবগঞ্জ পৌরসভায় মাস্টার প্লান প্রণয়নের লক্ষে অংশীজনদের অংশগ্রহণে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ দিনব্যাপি নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পৌর মিলনায়তনে এই ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুসাব্বির হোসেন খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি তৌফিক আজিজ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলী, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবদুল বাতেনসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের সিনিয়র নগর পরিকল্পনাবিদ সাইফুর রহমান ও নগর পরিকল্পনাবিদ শেখ মনিরুজ্জামান আবির। ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড থেকে ৯নং ওয়ার্ডের অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
শিবগঞ্জে ব্যস্ত দিন পার করলেন জেলা প্রশাসক

শিবগঞ্জে ব্যস্ত দিন পার করলেন জেলা প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ মঙ্গলবার শিবগঞ্জে ব্যস্ত দিন পার করেছেন। তিনি সকালে শিবগঞ্জে গিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। জেলা প্রশাসক সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ঢেউটিন, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি ভূমি মেলা উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক সভা ও ভূমি কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। জেলা প্রশাসক গ্রামআদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণেও বক্তৃতা করেন। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে ল্যাপটপ বিতরণ করেন। অন্যদিকে শিবগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এদিকে শিবগঞ্জে আরো তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ গ্রামআদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় বাংলাদেশ গ্রামআদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে শাহবাজপুর, দাইপুখুরিয়া ও মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, প্রকল্পটি তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের ন্যায়বিচার সহজলভ্য করেছে। এর মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হচ্ছে। গ্রামআদালতের বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত ছিল। আশা করি, আপনারা যারা প্রশিক্ষণ নিলেন তারা এখন থেকে ভালোভাবে গ্রামআদালত পরিচালনা করতে পারবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজাহার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন— সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আজিজ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহদাৎ হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মুসাব্বির হোসেন খান, ভেটেরিনারি সার্জন মো. আবু ফেরদৌসসহ অন্যরা।
ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশন : শুরু হয়েছে পরিপক্ব আম বেচাকেনা

ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশন : শুরু হয়েছে পরিপক্ব আম বেচাকেনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে আম ফাউন্ডেশনে পরিপক্ব বেচাকেনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আম ফাউন্ডেশন চত্বরে এর উদ্বোধন করেন আম ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুজ্জামান। তথ্যানুযায়ী, এবছর ভোলাহাটে ৩ হাজার ৬৩৪ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম। এবার আড়াইশ থেকে ৩০০ কোটি টাকার আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়। ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব মো. মুনসুর আলীর সঞ্চালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন— উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুলতান আলী, ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম, জামবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফাজ উদ্দিন পানু মিয়া, আম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক মো. মাহতাব উদ্দিন, আম ফাউন্ডেশনের সদস্য ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিনসহ অন্যরা। এ সময় আম ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, আমবাগান মালিক, আড়তদার, আম ক্রেতা ও বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অসাধু ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেন, ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশনের সারাদেশে একটি সুনাম আছে। এই প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কেউ যদি অসাধু উপায়ে কোনো অপতৎপরতায় লিপ্ত হয় কিংবা ফাউন্ডেশনে অনৈতিক কার্যকলাপ বা মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তবে তার বিরুদ্ধে ফাউন্ডেশন ও উপজেলা প্রশাসন কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গোমস্তাপুরের বিভিষণ সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১৭ জন পুশইন গোমস্তাপুরের বিভিষণ সীমান্ত দিয়ে শিশুসহ ১৭ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ। আজ ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বিভিষণ সীমান্তের ২১৯ বাই ৭১ পিলারের ১৬০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে লালমাটিয়া এলাকা থেকে বিজিবি তাদের আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে ৯ জন শিশু, ৪জন নারী ও ৪ জন পুরুষ রয়েছে। তারা কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। বিজিবি তাদেরকে আটকের পর গোমস্তাপুর থানায় সোপর্দ করেছে। গোমস্তাপুর থানার ওসি রইস উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে বিভিষণ সীমান্তের ২১৯/৭১ পিলারের ১৬০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে লালমাটিয়া এলাকা থেকে বিজিবির একটি টহলদল তাদের আটক করে। আটকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দীর্ঘদিন থেকে ভারতীয় অভ্যন্তরে বসবাস করে আসছিলেন। গত ১৭ মে ভারতীয় পুলিশ তাদেরকে হরিয়ানা প্রদেশ থেকে আটক করে ট্রেনযোগে হাওড়া জেলায় নিয়ে আসে। গত ২৪ মে হাওড়া থেকে বাসে করে ৮৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ইটাভাটা ক্যাম্পের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে তারা ওই সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশইন করে। এদিকে বিকেলে রোকনপুর কোম্পানি ও ৮৮ ইটাভাটা বিএসএফ কোস্পানী পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার ওসি রইসউদ্দীন জানান, বিএসএফ কর্তৃক পুশইন হওয়া ১৭ জনকে আটক করে বিজিবি। পরে তাদেরকে গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করে। তারা থানা হেফাজতে রয়েছে।
গোমস্তাপুরে সর্প দংশনে শিশুর মৃত্যু

গোমস্তাপুরে সর্প দংশনে শিশুর মৃত্যু গোমস্তাপুর উপজেলায় বিষাক্ত সর্প দংশনে সিফাত আলী নামে ৮ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে রাধানগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের উপর সাগরাইল গ্রামের উকিলের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গতকাল দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিল সিফাত। এমন সময় একটি সাপ বিছানার উপর তার ডান হাতের আঙ্গুলে কামড় দেয়। এরপর তার কান্নাকাটি ও চিৎকারে বাড়ির সদস্যরা বিষয়টি টের পায়। ভোররাতে তাঁরা সিফাতকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সংশ্লিস্ট ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান এবং ওয়ার্ড সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, সাপের কামড়ে সিফাতের আঙ্গুল থেকে রক্ত বের হয়ে যায়। তবে সাপটি ধরা বা মারা সম্ভব হয়নি। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ওসি রইস উদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌনে তিন কেজি হেরোইন মামলায় দম্পতির যাবজ্জীবন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌনে তিন কেজি হেরোইন মামলায় দম্পতির যাবজ্জীবন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌনে তিন কেজি হেরোইন বিক্রির উদ্দেশ্যে হেফাজতে রাখার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের একটি মামলায় আব্দুস সামাদ এবং মর্জিনা খাতুন নামের এক দম্পতিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে উভয়কে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। আজ বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়রা জজ মিজানুর রহমান আসামী মর্জিনা খাতুনের উপস্থিতিতে আদেশ প্রদান করেন। এ সময় তাঁর স্বামী আব্দুস সামাদ অনুপস্থিত ছিলেন। দন্ডিত সামাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কোদালকাঠি মধ্যচর গ্রামের ইস্কান্দার আলীর ছেলে। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায় এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী(পিপি) আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২২ সালের ১৪ অক্টোবর রাতে র্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের রাজশাহী ক্যাম্পের অভিযানে স্বামীর বাড়ি থেকে ২ কেজি ৭৫০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হন মর্জিনা। অভিযানকালে তাঁর স্বামী সামাদ পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন ১৫ অক্টোবর দম্পতিকে আসামী করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন র্যাবের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ। ২০২৩ সালের ১৩মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা(আইও) এবং র্যাবের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারিফুল ইসলাম শুধুমাত্র ওই দম্পতিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ১৮ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ এবং শুনানী শেষে আদালত স্বামী এবং স্ত্রী দু’জনকেই দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন। আাসামীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড.রবিউল ইসলাম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী : হাসপাতালে ভর্তি ১২ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী : হাসপাতালে ভর্তি ১২ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। অন্যান্য বছর জুলাই-আগস্ট থেকে ডেঙ্গু দেখা দিলেও এবার মে মাসের শেষের দিকে এসে ডেঙ্গু দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে আগাম বর্ষার কারণে এমনটা হয়েছে। এটাকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এখন থেকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলেও মনে করা হচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালুবাগান এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি দেখা দিয়েছে। শনিবার রাত ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদিকে রবিবার সকল ৮ টার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আরো ৩ জন শনাক্তের তথ্য পাওয়া গেছে। তারা সবাই ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছে ১২ জন। অধিকাংশ রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার বালুবাগান মহল্লার। এই মহল্লায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে সপরিবারে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন- অন্যান্য বছর জুলাই-আগস্ট থেকে ডেঙ্গু দেখা দিলেও এবার মে মাসের শেষের দিকে এসেই ডেঙ্গু দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে আগাম বর্ষার কারণে এমনটা হচ্ছে। এটা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এখন থেকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বড়ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে বল মনে করেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষায় শপথ গ্রহণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষায় শপথ গ্রহণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো দুদিনের কর্মশালা। শিশু কল্যাণে পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক এই কর্মশালায় সদর উপজেলায় শিশুর কল্যাণে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে এর অগ্রাধিকার নির্ণয় করা হয়। চিহ্নিত করা হয় বিভিন্ন সমস্যা। সেগুলো হলো; মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির অভাব, শিশু সুরক্ষার অভাব, গুণগত শিক্ষা এবং পারিবারিক অর্থনৈতিক অস্বচ্ছ্বলতা। এসকল সমস্যা সমাধানের জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম আগামী পাঁচ বছরের জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে বলে কর্মশালায় জানানো হয়। নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ, স্থানীয় সরকার এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে শিশু কল্যাণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। শিশুর কল্যাণে ও সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে অংশগ্রহণকারীরা যে যার অবস্থান থেকে কাজ করবেন বল শপথগ্রহণ করেন। সঞ্চালনা করেন কর্মশালা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার মি. জেমস বিশ্বাস। প্রোগ্রাম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেন মি. সুজন গ্রেগরী, শ্যামল এইচ কস্তা, রিপন গমেজ ও উত্তম মন্ডল।