চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৭ জন ও বহির্বিভাগে ৩ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬ জন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৪ জনকে। এছাড়া ১ জন পুরুষ রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৯৪ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪৯ জন।
যৌথ অভিযানে যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

যৌথ অভিযানে যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার শিবগঞ্জ উপজেলায় র্যাবের অভিযানে একটি মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক মিজানুর রহমান ওরফে মিজান নামে এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি ৯ বছর যাবৎ বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে পলাতক ছিলেন। আটক মিজান শিবগঞ্জের বিনোদপুর আইরামারী গ্রামের মহিজ উদ্দিনের ছেলে। র্যাব জানায়, গতকাল সন্ধ্যার পরে শিবগঞ্জের মনাকষা বাজার থেকে র্যাব-৪ মানিকগঞ্জ ক্যাম্প ও র্যাব-৫ ব্যাটালিয়ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৬ সালে মিজানের বিরুদ্ধে রাজশাহীর বাঘা থানায় একটি মাদক মামলার মামলা দায়েরের পর তিনি পলাতক হন। বিভিন্ন ছদ্মবেশে তিনি বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থাকেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন হয়। বিচারে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড সেই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়। সাজাপ্রদানকালে পলাতক থাকায় তাঁর নামে সাজা পরোয়ানা জারি হয়। গতকাল গ্রেপ্তারের পর আজ তাঁকে শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়। শিবগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক(এএসআ্ই) স্বপন কুমার বলেন, গত ১ মাস পূর্বে শিবগঞ্জে ফিরে এসে মিজান একটি নার্সারিতে শ্রমিক হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি ঢাকায় রিক্সা চালাতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। আজ দুপুরে মিজানকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যদের মানববন্ধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যদের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় মাদকের ছোবলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে মাদকের আগ্রাসন রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যরা জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান করেন। আজ সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পৌর ১৪ নং ওয়ার্ডবাসী অংশ নেন। তাদের সাথে যোগ দেন ১৩ ও ১৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা। সংহতি জানিয়ে অংশ নেন শহরের বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। অংশগ্রহণকারীরা ১৪ নং ওয়ার্ডের জোড়বাগান বস্তিকে শহরে মাদকের একটি প্রধান স্পট চিহ্নিত করে এ স্থান থেকে মাদক নির্মুলে জোর অভিযান চালানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহব্বান জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য সায়েদুজ্জমান, বাহার আলী, জিয়া উদ্দিন, এলাকাবাসী মেহেদী হাসান, ইউসুফ আলী লাভলু সহ অন্যান্যরা। এ ব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মতিউর রহমান জানান, অভিযোগের ব্যাপারে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ২ জন ও বহির্বিভাগে ৩ জন এবং গোমস্তাপুরে ২ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৫ জন। তাদের মধ্যে ১ জন পুরুষ, ২ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৩ জনকে। তাদের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা রোগী ছিলেন। এছাড়া ১ জন পুরুষ রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে শিবগঞ্জে ভর্তি আছেন ৩ জন ও গোমস্তাপুরে ২ জন রোগী। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৮৭ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪৬ জন।
১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফুটবল শুধু একটি খেলায় নয়— একটি উন্মাদনার নাম। কোনো খেলোয়াড় যখন একটি গোল করেন তখন দর্শকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। এখনো সারা বিশ্বে ফুটবলেরই দর্শক বেশি। একসময় এই ফুটবলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাও অনেক এগিয়ে ছিল, সুনাম ছিল। খেলা দেখতে মাঠের দুই পাশে দর্শদের উপচেপড়া ভিড়ও হতো। কিন্তু হালে আর তেমনটা দেখা যায় না। তবে ফুটবলের সেই হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা যৌথভাবে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ জানিয়েছেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ফুটবলের জমজমাট এই আসর। তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বাধন করবেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী। টুর্নামেন্টের প্রতিটি খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেডিয়ামে (নতুন স্টেডিয়াম) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, শিবগঞ্জ উপজেলা, গোমস্তাপুর উপজেলা, নাচোল উপজেলা ও ভোলাহাট উপজেলা দল অংশগ্রহণ করবে। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১ লাখ ও রানারআপ দল ৫০ হাজার টাকার প্রাইজমানি পাবে। এছাড়া প্রতিটি দলকে ৩০ হাজার টাকা করে অংশগ্রহণের জন্য দেয়া হবে। আজ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় জেলা প্রশাসক এইসব তথ্য জানান। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন— জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আফাজ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবু জাফর মাহমুদুজ্জামানসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর প্রধানসহ টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্যরা। উল্লেখ্য, এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর থেকে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এদিকে টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। আজ উপজেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাইয়ের জন্য নাচোল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মাঠে দিনব্যাপী ৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন। এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া, নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক, নাচোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, কসবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহেরাব, বিআরডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দিন খাঁন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দুলাল হোসেনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলার চরঅনুপনগরে খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসল চাষে প্রশিক্ষণ

সদর উপজেলার চরঅনুপনগরে খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসল চাষে প্রশিক্ষণ বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের টেকসই চাষাবাদে উৎসাহিত করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরঅনুপনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসলের চাষাবাদ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ। বুধবার সকাল ১০টা থেকে ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট (ইসিসিসিপি-ড্রাউট) এর আওতায় এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)’র সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে সিসিএজি সদস্য ও স্থানীয় কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি অনুশীলন এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসল নির্বাচন, বসতবাড়ির পরিত্যক্ত জায়গায় বাগান তৈরি, মাটির গুণাগুণ উন্নয়ন, পানি সংরক্ষণ এবং রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির পদ্ধতি শেখানো হয়। প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন— কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান ও নাসরিন সুলতানা এবং এই প্রকল্পের কৃষিবিদ মো. ফয়জুল হক। প্রশিক্ষণে বরেন্দ্র অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে কার্যকর দিকনির্দেশনা দেন প্রকল্প সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ। প্রশিক্ষণে ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়। এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-১২ এর ব্যবস্থাপক মোছা. ইতিআরা খাতুন। সার্বিকভাবে প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করেন সিএমও সিভিল রোকনুজ্জামান। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের কার্যক্রম তাদের খরা মোকাবিলায় কৃষি পদ্ধতির পরিবর্তন ও অভিযোজনের সাহস জোগাবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরো ৮ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরো ৮ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ১ জন ও বহির্বিভাগে ৩ জন এবং শিবগঞ্জে ৩ জন ও নাচোলে ১ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭ জন। তাদের মধ্যে ২ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা ও ১ জন শিশু রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২ জনকে। দুজনই পুরুষ রোগী ছিলেন। অন্যদিকে শিবগঞ্জে ভর্তি আছেন ৩ জন পুরুষ রোগী। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৭৫ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪৩ জন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৩ জন ও বহির্বিভাগে ৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা ও ১ জন শিশু রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২ জনকে। তাদের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা রয়েছেন। অন্যদিকে গোমস্তাপুর ভর্তি আছেন ১ জন পুরুষ রোগী ভর্তি আছেন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৮৪ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪০ জন।
পদ্মা মহানন্দায় চলছে তীব্র ভাঙন; বাখর আলীতে উড়ে গেছে বাঁধ

পদ্মা মহানন্দায় চলছে তীব্র ভাঙন; বাখর আলীতে উড়ে গেছে বাঁধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর তীব্র ভাঙনে বলিীন হচ্ছে সবকছিু। বাখরে আলীতে বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ নদীর্গভে চলে গেছে। জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজলোর হড়মা, পোল্লাডাঙ্গা, বাখরে আলী ও নারায়ণপুর এবং শবিগঞ্জ উপজলোর রঘুনাথপুর, গাইপাড়া, আইয়ুব বশ্বিাসরে ঘাট এলাকা পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনরে কবলে পড়ছে।ে পোল্লাডাঙ্গা ও রঘুনাথপুরে ভাঙন রোধে বালুর্ভতি জওি ব্যাগ দয়িওে কাজ হচ্ছে না। একদকিে জওি ব্যাগ দয়িে ভাঙন আটকানোর চষ্টো করা হচ্ছ, অন্যদকিে পরদনিই বালুর্ভতি ব্যাগ ভাঙনরে কবলে পড়ে বলিীন হয়ে যাচ্ছ। এখানে এরই মধ্যে প্রায় ৯০ মটিারজুড়ে বাঁধ ভেঙ গেছে। এদকিে বাখরে আলীতে পদ্মা নদীর বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পরে আওতায় সসিি ব্লক দয়িে নর্মিতি বাঁধ তীব্র ভাঙনে বলিীন হয়ে যাচ্ছ। ফলে নতুন এলাকা গ্রাস করছে র্সবগ্রাসী পদ্মা। পানি উন্নয়ন র্বোড সূত্র জানয়িছে, পদ্মা নদীর বামতীর ও ডানতীর মলিে অন্তত ১০ কলিোমটিারজুড়ে ভাঙন চলছে। অন্যদকিে সদর উপজলোর হড়মা ও গোমস্তাপুর উপজলোর ব্রজনাথ এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোডরে উপবভিাগীয় প্রকৌশলী রাকবিুল ইসলাম ভাঙনরে এই তথ্য নশ্চিতি করছেনে। এদকিে সদর উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা শাহীনুর আলম জানান, এবার পদ্মা নদীর ভাঙনে সদর উপজলোর নারায়ণপুর ইউনয়িনে প্রায় ১৬০টি পরবিার ক্ষতগ্রিস্ত হয়ছে। তারা তাদরে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। শিবগঞ্জ উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা মজিানুর রহমান জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে কবলে পড়ে ২৪০টি পরবিার তাদরে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরয়িে নয়িছে। এছাড়া ৪টি পরবিাররে ঘরবাড়ি নদীতে বলিীন হয়ে গেছে। খােঁজ নয়িে জানা গেছে, ভাঙনকবলতি এলাকাগুলোর ঘরবাড়ি ছাড়াও ফসলি জমি, আমগাছসহ অন্যান্য গাছপালা, মসজদি, ইউনয়িন পরষিদ কমপ্লক্সে নদীতে বলিীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন র্বোডরে উপবভিাগীয় প্রকৌশলী রাকবিুল ইসলাম বলনে— ভাঙন ঠকোনোর জন্য কছিু কছিু জায়গায় বালুর্ভতি জওি ব্যাগ ফলো হচ্ছ। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। আজ ফলেছি তো কালকইে ভঙেে যাচ্ছ। তবওে আপ্রাণ চষ্টো করা হচ্ছ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মাসব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মাসব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু চলতি বছর শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে এ পর্যন্ত ৩ সহস্রাধিক ডেঙ্গুরোগি ভর্তি ও শনাক্তের বাস্তবতায় মশক নিধন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় মাসব্যাপী বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা। আজ সকালে পৌর কর্মচারী সংসদের আয়োজনে পৌর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে এ উপলক্ষে একটি সচেতনতামূলক র্যালী বের করা করা হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে র্যালীটি পূনরায় পৌর ভবনে ফিরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। যুব রেডক্রিসেন্ট, স্কাউটস, পৌর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা র্যালীতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম নিয়ে অংশ নেন। র্যালী থেকে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে পৌরবাসীকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতায় অংশ নিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়। র্যালী শেষে পৌর কর্মচারী সংসদ সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলামসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, সাধারণ জনগন সচেতন হয়ে সহযোগিতা না করলে মশক নিধণ বা পরিচ্ছন্নতা রক্ষা কোনটাই সম্ভব নয়। নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরে সেপ্টেম্বর মাসের প্রতি মঙ্গলবার র্যালী করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সচেতনতামেূলক কার্যক্রম চালানো হবে বলেও জানান তাঁরা। এদিকে জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর আজ পর্যন্ত শুধু জেলা হাসপাতালেই ১ হাজার ৭৮৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। বর্হি:বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৪০ জন। এ পরিসংখ্যানের বাইরে জেলার আরও ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে বহু রোগি ভর্তি ও শনাক্ত হয়েছেন। অনেকে ব্যাক্তিগতভাবে ও চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বারে শনাক্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিয়েছেন। অনেকে রাজশাহী ও ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা নিয়েছেন। মৃত্যুরও বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। ডেঙ্গু বিপর্যস্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিদিন রোগি বাড়তে থাকা এ রোগ নিয়ে এখন আতংকিত মানুষ।