মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দূর্ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষিকা মাহফুজা খাতুনের মৃত্যু; গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে শোকের ছায়া

মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দূর্ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষিকা মাহফুজা খাতুনের মৃত্যু; গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে শোকের ছায়া গত ২১ জুলাই উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান দূর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ২৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া সিনিয়র শিক্ষিকা মাহফুজা খাতুন মারা গেছেন – ইন্না লিল্øাহি অইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনিষ্টিটিউট অফ বার্ন এন্ড প্লাষ্টিক সার্জারিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র মেয়ে নওশিন, মা, ১ ভাই ও ৩ বোনসহ বহু গূণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর পিতা শিবগঞ্জ উপজেলার দূর্লভপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দামুদিয়াড় গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অব. ওয়ারেন্ট অফিসার মৃত মহসিন আলী। মাহফুজার মৃত্যু সংবাদ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছুলে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। গ্রামে রয়েছে মাহফুজার ২ চাচা, ৩ ফুপু সহ বহু নিকটাত্মীয়। শিবগঞ্জে বসবাসকারী মাহফুজার চাচা পুলিশের অব.উপ-পরিদর্শক(এসআই) আলাউদ্দিন আলী বলেন, মাহফুজার পিতা বিমান বাহিনী থেকে অবসরের পর ২০১৩ সালের দিকে মারা যান। তিনি যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন পরিবারটির সাথে গ্রামের স্বজনদের যোগাযোগ ভাল ছিল। তবে তিনি মারা যাবার পরও তাঁর সন্তানেরা গ্রামে যোগাযোগ রাখতেন। তিন বছর পূর্বে মাহফুজা শেষবার গ্রামে আসে। মাফুজার নানার বাড়িও দাদার বাড়ির পাশের গ্রাম বাবুপুরে। সেখানে তাঁর মামা,খালা সহ স্বজনরা রয়েছে। মাহফুজার চাচা আরও বলেন, মাহফুজার দূর্ঘটনার পর গ্রামের স্বজনরা নিয়মিত তাঁর অবস্থার খোঁজ রাখতেন। মাহফুজার পিতা ঢাকার বাউনিয়া এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। তবে মাহফুজা একমাত্র সন্তান ¯œাতক উত্তীর্ণ মেয়ে ওশিনকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। মাহফুজার বড় বোন মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, মাইলস্টোনে নিহত শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী ও মাসুকা বেগমের সাথে একই কক্ষে শিশুদের রক্ষা করতে গিয়ে ৩৫-৪০ শতাংশ দগ্ধ হন। প্রথমে তাঁকে সিএমএইচ ও পরে বার্ন ইনিষ্টিটিউটে নেয়া হয়। আশা ছিল সে হয়ত বেঁচে যাবে। কিন্তু বাঁচল না।তাঁকে ঢাকায় দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাহফুজার ছোন বোন ইতি খাতুন বলেন, শিশুদের জীবন বাঁচাতেই অন্য ২ শিক্ষকের মত দগ্ধ হয় মাহফুজা। সে ঢাকা জজকোর্টে আইনজীবী হিসাবেও তালিকাভূক্ত ছিল। সূযোগ পেলেই আদালতেও কাজ করত।
বন্যায় ১৯০০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত; গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে মানুষ আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে

বন্যায় ১৯০০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত; গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে মানুষ আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এরই মধ্যে সতর্ক লেভেলে পৌঁছেছে। গতকাল বিকেল ৩টায় পদ্মা নদীর পানি পাঁকা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের ১ হাজার ৮৮২ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। এ অবস্থায় আগামীতে পানি বৃদ্ধির কারণে আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পদ্মা পাড়ের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ায় ৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেছের আলী জানান, সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল মতিন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৯টি স্কুলে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। চরাঞ্চলের কৃষকরা বলেন, প্রতিদিন পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ভয়াবহ হারে। এতে করে নিম্নাঞ্চলের কৃষকের আবাদিজমি পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। ফলে আউশ, রোপা আমন, কলা, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে— নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে শিবগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ৯২৬ কৃষকের রোপা আউশ ১২৭২ হেক্টর, ৫২ হেক্টর সবজি, ১৩ হেক্টর হলুদ ও ৫ হেক্টর কলা ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল হক মাহমুদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে ১৩৫ হেক্টর সম্পূর্ণ, ৪০৫ হেক্টর আংশিক আক্রান্ত হয়েছে। তিনি জানান, ৩ হাজার ১৫ জন কৃষকের ৫০৪ হেক্টর ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে আক্রান্ত ফসলের মাঠ থেকে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না বলেও জানান এই দুই কৃষি কর্মকর্তা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব জানান, উজানের ঢলে সপ্তাহ ধরে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বেড়েছে ৩ সেন্টিমিটার, মহানন্দায় বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবায় পানি বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার। বর্তমানে পদ্মা বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, মহানন্দা ৮৩ সেন্টিমিটার এবং পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার ১.৬৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির সমতল বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পাঁকা পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ২১.৭০ মিটার; যা গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৭৩ মিটার। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৯.৬৫ মিটার; যা ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৭২ মিটার। অপরদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ১৯.৭৬ মিটার; যা গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৮৬ মিটার। পদ্মা নদীর বিপৎসীমা হচ্ছে ২২.০৫, মহানন্দার ২০.৫৫ ও পুনর্ভবার ২১.৫৫ মিটার।
পানি স্থির পদ্মায়, বেড়েছে মহানন্দা ও পুনর্ভবায়

পানি স্থির পদ্মায়, বেড়েছে মহানন্দা ও পুনর্ভবায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থির থাকলেও মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এরই মধ্যে সতর্ক লেভেলে পৌঁছেছে। আজ সকাল ৯টায় পদ্মা নদীর পানি পাঁকা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। এ অবস্থায় আগামীতে পানি বৃদ্ধির কারণে আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব জানান, উজানের ঢলে সপ্তাহ ধরে মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বাড়েনি। মহানন্দায় বেড়েছে ৫ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবায় পানি বেড়েছে ৮ সেন্টিমিটার। আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির সমতল বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পাঁকা পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ২১.৭৩ মিটার; যা গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২১.৭৩ মিটারই রয়েছে। অর্থাৎ পদ্মার পানি স্থির রয়েছে। অন্যদিকে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৯.৭২ মিটার; যা ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৭৭ মিটার। অপরদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ১৯.৮৬ মিটার; যা বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৯৪ মিটার। পদ্মা নদীর বিপৎসীমা হচ্ছে ২২.০৫, মহানন্দার ২০.৫৫ ও পুনর্ভবার ২১.৫৫ মিটার।
বন্যাকবলিত এলাকায় চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ

নারায়ণপুর ও আলাতুলি ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকায় চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারায়ণপুর ইউনিয়নে বন্যাকবলিত এলাকায় ১৫০টি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে। আলাতুলিতে বিতরণ করা হয়েছে ১৫ কেজি করে চাল। এছাড়া নারায়ণপুরে ৩ হাজার ও আলাতুলি ইউনিয়নে ২ হাজার খাবার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। বুধবার নারায়ণপুর ইউনিয়নে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ শেষে ফেরার পথে মুঠোফোনে এই তথ্য জানান সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নুরুল ইসলাম। বিতরণকালে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে আলাতুলী ইউনিয়নের বন্যাকবলিত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত ৬০০ পরিবারের মধ্যে ১৫ কেজি করে জিআর চাল ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। বিতরণে উপস্থিত ছিলেন— প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জাব্বার, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জেরাউল হোসেন, ট্যাগ অফিসার মো. ফয়সাল ইকবাল, ওয়ার্ড সদস্য মো. মেসবাহুল হকসহ অন্যরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ২৫ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ২৫ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ফের বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ জন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ভেতর বিভাগে ১৬ জন ও বহির্বিভাগে ৮ জন এবং শিবগঞ্জে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৫ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ১০ জন মহিলা ও ৭ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১৪ জনকে। এই ১৪ জনের মধ্যে ৮জন পুরুষ, ৩ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬১৩ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ১০৭ জনে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়তেই আছে নদীর পানি; আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়তেই আছে নদীর পানি; আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এরই মধ্যে সতর্ক লেভেলে পৌঁছেছে। বুধবার বিকেল ৩টায় পদ্মা নদীর পানি পাঁকা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের ১ হাজার ৮৮২ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। এ অবস্থায় আগামীতে পানি বৃদ্ধির কারণে আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পদ্মা পাড়ের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ায় ৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেছের আলী গৌড় বাংলাকে জানান, সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল মতিন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৯টি স্কুলে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। চরাঞ্চলের কৃষকরা বলেন, প্রতিদিন পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ভয়াবহ হারে। এতে করে নিম্নাঞ্চলের কৃষকের আবাদিজমি পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। ফলে আউশ, রোপা আমন, কলা, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে— নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে শিবগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ৯২৬ কৃষকের রোপা আউশ ১২৭২ হেক্টর, ৫২ হেক্টর সবজি, ১৩ হেক্টর হলুদ ও ৫ হেক্টর কলা ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল হক মাহমুদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে ১৩৫ হেক্টর সম্পূর্ণ, ৪০৫ হেক্টর আংশিক আক্রান্ত হয়েছে। তিনি জানান, ৩ হাজার ১৫ জন কৃষকের ৫০৪ হেক্টর ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে আক্রান্ত ফসলের মাঠ থেকে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না বলেও জানান এই দুই কৃষি কর্মকর্তা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব জানান, উজানের ঢলে সপ্তাহ ধরে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বেড়েছে ৩ সেন্টিমিটার, মহানন্দায় বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবায় পানি বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার। বর্তমানে পদ্মা বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, মহানন্দা ৮৩ সেন্টিমিটার এবং পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার ১.৬৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির সমতল বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পাঁকা পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ২১.৭০ মিটার; যা বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৭৩ মিটার। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৯.৬৫ মিটার; যা ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৭২ মিটার। অপরদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ১৯.৭৬ মিটার; যা বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৮৬ মিটার। পদ্মা নদীর বিপৎসীমা হচ্ছে ২২.০৫, মহানন্দার ২০.৫৫ ও পুনর্ভবার ২১.৫৫ মিটার।
নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭০০ কমলালেবুর চারা বিতরণ

নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭০০ কমলালেবুর চারা বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে আজ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ১ হাজার ৭০০টি কমলালেবুর চারা বিতরণ করা হয়েছে। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফলদ বৃক্ষ রোপণে উৎসাহিত করা হয়। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবীদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবির ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মারশাল শিক্ষার্থীদের হাতে কমলালেবুর চারাগুলো তুলে দেন। আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো পরিবেশ রক্ষা, কৃষি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন : প্রযুক্তির ভালো দিক কাজে লাগানোর আহ্বান

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন : প্রযুক্তির ভালো দিক কাজে লাগানোর আহ্বান ‘প্রযুক্তিনির্ভর যুব শক্তি-বহুপাক্ষিক অংশীদারত্বে অগ্রগতি’— এই প্রতিপাদ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করা হয়েছে। আজ শপথ পাঠ, আলোচনা, যুব ঋণের চেক বিতরণ, বৃক্ষ রোপণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ। আজ বেলা ১১টায় জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন— জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আফাজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— স্থানীয় সরকার চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইকতেখারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) একরামুল হক। এছাড়াও বক্তব্য দেন— নারী উদ্যোক্তা শামসুন নাহার পলি ও যুব সংগঠক আব্দুর রহিম। সূচনা বক্তব্যে জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী পরিচালক মো. সাদিকুজ্জামান। আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা বলেন, যুবসমাজকে প্রযুক্তিনির্ভরতা অর্জন করতে হবে, প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন করে সৃজনশীল কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির ভালোটা গ্রহণ করে নিজের ভাগ্য গড়েত হবে। তাহলে নিজেদের উন্নতি হলে দেশের উন্নতি হবে। জুলাই যোদ্ধারা একটি নতুন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন তার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। পরে ৫ জন উদ্যোক্তার মধ্যে সাড়ে ৫ লাখ টাকার যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। আলোচনা শেষে নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শানপুর গ্রামের ফাইজুল এগ্রো ফার্মের মালিক ফাইজুল কবিরের মৎস্য, গরু খামার, ডেইরি ফার্ম, ফল বাগানের ভিডিও চিত্র দেখানো হয়। ফাইজুল কবির জাতীয় পর্যায়ে রাজশাহী বিভাগীয় কোটায় অংশগ্রহণ করে পুরস্কৃত হয়েছেন। তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা বলে জানানো হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঢাকা বাসস্টান্ড এলাকায় হে*রো*ইন কা*রবারী গ্রে*প্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঢাকা বাসস্টান্ড এলাকায় হে*রো*ইন কা*রবারী গ্রে*প্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হেরোইন বিক্রিকালে র্যাবের হাতে আপন আমীর হামজা নামে এক কারবারী গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি সদর উপজলোর সরজন মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত সামসুল হক ওরফে ভগুর ছেলে। র্যাব জানায়, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহানন্দা নাচোল বাস কাউন্টারের সামনে থেকে আপনকে হাতনোতে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার পরিহিত জামার মধ্যে ৫০ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়। আজ বিকেলে র্যাব-৫ ব্যটালয়িনরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো পসে বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানটি নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাসস্টান্ডে হেরোইন বিক্রির জন্য এক ব্যাক্তির অবস্থানের গোপন সংবাদরে ভিত্তিতে অভিযানটি চালানো হয়। র্যাবরে উপস্থিতি টের পেয়ে আপন পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানায় র্যাব।
গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হ*ত্যার ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবাদ অব্যহত

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হ*ত্যার ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবাদ অব্যহত গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জমান তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবাদ কর্মসূচী অব্যহত রয়েছে। আজ দুপুরে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা ডাকবাংলোর সামনে তুহিন হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যায় জড়িত সকলকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিবগঞ্জ সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়। ঘন্টারও বেশী সময় ধরে চলা মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাংবাদিক বারিউল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম সোনা,ইমরান আলী,সেতাউর রহমান,শামসুন্নাহার সোহানা, উপজেলা সুজন’র সদস্য মাসুম বাঙ্গালী, শিবগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সিরাজউদ্দৌলা, চিকিৎসক মুরাদ হোসেন, শ্রমিক নেতা আল আমিন সহ অন্যান্যরা। বক্তরা বলেন, দেশ কাঁপানো এই নির্মমতায় জড়িত কয়েকজন চিহ্নিতকে গ্রেপ্তারের পর তাদের দম্ভোক্তিতে দেশের নাগরিকরা হতবাক হয়েছেন। দেশে সভ্যতা এখন ভূ-লুণ্ঠিত। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী, প্রমাণ এমনকি ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। কাজেই এ ঘটনার বিচারে কালক্ষেপণের কোন সূযোগ নেই। অবিলম্বে এর বিচার সম্পন্ন করা উচিত। সাথে সাথে ঘটনায় জড়িতদের পেছনে শক্তির মদদদাতাদরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। উল্লেখ্য এ ঘটনায় গত রবিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে শতাধিক সাংবাদিক বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।