চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির বর্ষবরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির বর্ষবরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাঁকমকপূর্ণ পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করেছে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। এ উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। সোমবার সাকলে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের বেলেপুকুর থেকে শুরু হয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন, প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রয়াসের পরিচালক ও রেডিও মহানন্দার স্টেশন ম্যানেজার আলেয়া ফেরদৌস, পরিচালক পঙ্কজ কুমার সরকার, যুগ্ম পরিচালক নাসের উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবুল খায়ের খান, সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, ফিরোজ আলম, শাহাদাৎ হোসেন, আবুল কালাম আজাদসহ প্রয়াস, রেডিও মহানন্দা, প্রয়াস ফোক থিয়েটার ইনস্টিটিউট, প্রয়াস হাসপিটালসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তাসহ অন্যরা। বর্ষবরণ আনন্দা শোভাযাত্রা শেষে গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে শান্তি থাকলে রাষ্ট্রীয় জায়গায় শান্তি বজায় থাকবে- এই প্রত্যাশা আমাদের। আগামীর দিনগুলো যদি আমরা সুন্দরভাবে বিশ্লেষণ করতে পারি, অতীতের দিনগুলো বিশ্লেষণ করতে পারি তাহলে আমাদের পথচলাটা আমরা খুঁজে পাবো। তিনি আরো বলেন, আমরা খুব স্বল্প সময়ে আজকের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছি। গত ৪ বছরে রোজা, করোনার পর এবছর সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ নিয়ে প্রয়াসের সবচেয়ে বড় আয়োজন। এজন্য কমিটি করে দিয়েছিলাম যারা খাবার, সাজ ও বিচারক কমিটিতে ছিলেন। সবথেকে বড় বিপদ বিচারক হওয়া, বিশেষ করে চিন্তা হয় কাউকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলো কিনা এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। হাসিব হোসেন বলেন, এই সবকিছুর পরেও কবির ভাষায় বলতে চাই, মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা। আমাদের যত গ্লানি ছিলো এই অগ্নিস্নানের মধ্য দিয়ে তা দূরীভূত করবো। আমরা নিজেদের মধ্যে যদি সবাই ভালো থাকি তাহলে সবাই ভালো থাকবো। নিজেদের মধ্যে দুই একজন খারাপ থাকি তাহলেও কিন্তু সেটা ভালো নয়। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করাটা আমাদের মানবিক দায়িত্ব বা মানুষ হিসেবে দায়িত্ব। আরেকটি কথা, মানুষ কখনো পিছনে হাঁটতে পারে না। মানুষ সবসময় সামনে হাঁটে। সবাই একে অপরের সাথে মিলে এই নববর্ষে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, আগামী দিনকে যত গ্লানি যত জরা আছে তা অগ্নিস্নানে সুন্দর হয়ে উঠুক-আমি এই প্রত্যাশা করি। আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে যেমন খুশি তেমন সাজোতে মোট ২২ জনকে উপহার প্রদান করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার এক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার এক চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশে নিয়ে চাকরি দেয়ার নামে অসহায় মানুষদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মো. সিরাজুল ইসলাম (৫৪) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত শনিবার দিবাগত মধ্য রাতে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহান সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাব জানায়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি পিটিআই মাস্টারপাড়ার মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। রবিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব এই তথ্য জানিয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব আরো জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চক্রের সাথে সংঘবদ্ধভাবে গ্রামের সহজ সরল লোকদের বিদেশে নিয়ে ভালো বেতনের চাকরি প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহান সেতুর টোল প্লাজা এলাকা অভিযান চালায়। অভিযানে সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিশুর অধিকার ও সুরক্ষায় পরিকল্পনামূলক সভা 

বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিশুর অধিকার ও সুরক্ষায় পরিকল্পনামূলক সভা  চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা এবং বাল্যবিবাহ মুক্তকরণে আলোচনা ও করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও পরিকল্পনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে, এসএসবিসি প্রকল্পের সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন, সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মী, ব্যভসায়ী প্রতিনিধি শিশু ও যুব সমাজের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজকর্মী ফারুকা বেগম, সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক উত্তম মন্ডল, আবদুর রহিমসহ অন্যান্যরা। আলোচনা ও পরিকল্পনামূলক সভায় অতিথিরা বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সংহিসতা বন্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরো জোরদার করার আহ্বান জানান। এই সময়ে বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন, কারণ ও প্রতিরোধ, বন্ধে অভিভাবক ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করা হয় এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ গ্রাম ও ওয়ার্ডকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন।

ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি হলেন ইঞ্জিনিয়ার নূরুল

ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি হলেন ইঞ্জিনিয়ার নূরুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি, ঢাকার ২০২৫-২০২৮ মেয়াদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট দেলওয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার সমিতির অ্যাডহক কমিটি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যৌথ সভায় এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. মশিউর রহমান ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. খায়রুল আনাম ফলাফল ঘোষণা করেন। পরে নবনির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন। নির্বাহী কমিটির নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন— সহসভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ ও ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম; সহসাধারণ সম্পাদক ফুরকান হাবিব; কোষাধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হক; সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সারিউল ইসলাম রাজু (সদর), মেজর (অব.) মো. আমিরুল ইসলাম (শিবগঞ্জ), মোহা. আবুল কালাম আজাদ (ভোলাহাট), মো. মশিদুল হক (নাচোল) ও মো. কামরুল হাসান (গোমস্তাপুর); প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম; ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিয়াউল হক সবুজ, শিক্ষা ও ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী শামিম আহমেদ; সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. আনারুল ইসলাম; মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোসা. রেবেকা সুলতানা ও দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল ইসলাম মানিক। এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন— মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. দুরুল হুদা, আব্দুল কাদের, আনোয়ারুল শোয়েব, মো. শফিকুল ইসলাম, সারিউল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আশফাকুল আশেকীন, মো. মাহ্্ফুজ আলম, আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম ও অ্যাড. ইব্রাহিম খলিল।  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষা ও সংহিসতা প্রতিরোধে ৩ দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষা ও সংহিসতা প্রতিরোধে ৩ দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশুর সুরক্ষা, সংহিসতা প্রতিরোধ ও মোকাবিলার জন্যে বিশেষ কৌশল হিসেবে ধর্মীয় নেতাদের মতামত ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক ১০-১২ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে, এসএসবিসি প্রকল্পের সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় ধর্মীয় নেতারা। অনুষ্ঠানে ইমাম আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালিত হয়। প্রশিক্ষণে ধর্মীয় নেতাদের বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন, কারণ ও প্রতিরোধ, বন্ধে অভিভাবক ও ধর্মীয় নেতাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা করেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার নারী ও শিশু কর্মকর্তা রোকসি খানম, নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা মুফতী মো. আবদুল হানিফ কাদের ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আতাউর রহমান এবং সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক উত্তম মন্ডল, আবদুর রহিমসহ অন্যান্যরা। প্রশিক্ষণে বক্তারা বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সংহিসতা বন্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরো জোরদার করার আহ্বান জানান। এই সময়ে ধর্মীয় নেতাদের বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন, কারণ ও প্রতিরোধ, বন্ধে অভিভাবক ও ধর্মীয় নেতাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ২০ জন ইমাম ও পুরোহিত অংশগ্রহণ করেন এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ গ্রাম ও ওয়ার্ডকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াসের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াসের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সমাবেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর জোনের (সদর, রানীহাটি, শিবগঞ্জ ও নতুনহাট অঞ্চল) মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের রেহাইচরে অবস্থিত জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে এই উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের আওতায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যক্রমকে আরো বেগবান করার লক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এলাকাভিত্তিক চলমান ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা ও আগামীতে কিভাবে অগ্রগতি আনা যায়, তার ওপর রিপোর্টভিত্তিক পর্যালোচনা করা হয়। সমাবেশে মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরেন মাঠকর্মী ও ইউনিট ম্যানেজারগণ। সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যাবে তা নিয়ে আলোচনা করেন প্রয়াসের পরিচালক পঙ্কজ কুমার সরকার। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন। তিনি সকলের উদেশ্যে বলেন— মাঠপর্যায়ের সকল সমস্যা সমাধান করে, সকলের প্রচেষ্টায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটিকে একটি আধুনিক মাইক্রোফিন্যান্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আরো বেশি দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠান সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি কর্মী ও কর্মকর্তারা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেকে আরো বেশি দক্ষ করে তুলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রান্তিক মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন— প্রয়াসের সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ বিভাগ) আব্দুস সালাম, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. সাহাদাত হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর জোনের জোনাল ম্যানেজার মো. তরিকুল ইসলামসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, রানীহাটি, শিবগঞ্জ ও নতুনহাট জোনের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক, ইউনিট ম্যানেজার ও কর্মকর্তা এবং প্রয়াসের সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সমন্বয়কারীগণ।

শিবগঞ্জ-সোনামসজিদ সড়কে দুর্ঘটনা রোধে বাঁক সরলীকরণের সুপারিশ

শিবগঞ্জ-সোনামসজিদ সড়কে দুর্ঘটনা রোধে বাঁক সরলীকরণের সুপারিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধের লক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দর এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়েছে জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপ এবং জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন। এছাড়া দুটি বাঁক সরলীকরণের জন্য জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে চিঠির মাধ্যমে সুপারিশ করা হয়েছে। জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান জানান, অনেক সময় লাইসেন্সধারী চালক নিজে না গিয়ে তার সহকারীকে দিয়ে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পণ্য নিতে ট্রাক পাঠায়। এর ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। কোনো চালক যেন এই কাজটি করতে না পারে, সেজন্য সোনামসজিদ স্থলবন্দর সংলগ্ন কয়লাবাড়ী এলাকায় গত ৯ এপ্রিল থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেখানে প্রতিটি যানবাহনের চালকদের লাইসেন্সসহ পরিচয়পত্র চেক করা হচ্ছে। যাতে আর কেউ সহকারীকে দিয়ে গাড়ি চালাতে না পারে। বিষয়টি এক চিঠিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া জেলা বিশ্বরোড মোড় ও উপজেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন তুত ফার্মের মোড়ের বাঁক দুটি সরলীকরণের জন্য জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়— এই দুটি বাঁক অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে বিশ্বরোড মোড়ে বড় গাড়ি বাঁক নেয়ার সময় উল্টে যাওয়ার ঝুঁকি থকছে। তাছাড়া যানবাহন বৃদ্ধি পাওয়ায় ট্রাফিক জ্যামও হচ্ছে। বাঁকটি সরল করা হলে সেই ঝুঁকি থাকবে না। পাশিপাশি ট্রাফিক জ্যামও থাকবে না। চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, শাহ নেয়ামতুল্লা কলেজ মোড় অর্থাৎ বিশ্বরোড চত্বরে বিশেষ করে ১০ চাকার গাড়িগুলো বাঁক নিতে গিয়ে প্রায় সময় চাকা বাস্ট হয়। এক জোড়া চাকার দাম প্রায় ১ লাখ টাকা। এতে একদিকে মালিকের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বাড়ছে। এছাড়া সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক দেন্দ্রের পাশে তুত ফার্মের দেয়াল থাকায় বাঁকটি অন্ধকার হয়ে থাকে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে প্রাণ হানির আশঙ্কা রয়েছে। কাজেই তুত ফার্মের বাঁকটি সোজা হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, জেলার বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে অসংখ্য বাঁক রয়েছে। তার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের বহালাবাড়ী মোড়, শিবগঞ্জের বেকির মোড় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

গাছে গাছে দুলছে আমচাষিদের স্বপ্ন ৪ লাখ মে.টন উৎপাদনের প্রত্যাশা

গাছে গাছে দুলছে আমচাষিদের স্বপ্ন ৪ লাখ মে.টন উৎপাদনের প্রত্যাশা আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সুস্বাদু সুমিষ্ট আমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এই জেলায় উৎপাদিত আমের সুনামের কারণে অন্য জেলার আমকেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বলে চালিয়ে দেয়া হয়। এবার আমের রাজধানীতে ৩৭ হাজার ৬০৪ হেক্টর বাগানে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন। কিছুটা বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এবার প্রায় শতভাগ আমগাছে মুকুল এসেছিল। মৌসুমের শেষের দিকে অতিমাত্রায় ঠাণ্ডার মধ্যেও গাছে গাছে মুকুল দেখে কৃষকদের মনে হয়েছিল, এবার আমের ফলন ভালো হবে। তবে শেষ পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০ ভাগ গাছে আম দেখা দেয়। যা দেখে আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা স্বপ্ন বুনছেন লাভের আশায়। মাঝখানে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকার আম বেচাকেনা হতে পারে অনেকেই মত প্রকাশ করেন। ক্যালেন্ডারের হিসাবে আসছে মে মাসের শেষের দিকে অর্থাৎ জ্যৈষ্ঠের মধুমাসে বাজারে নামবে বাহারি সব আম। জেলার বাগানগুলোয় এখন শোভা পাচ্ছে ছোট থেকে বড় বড় আমের গুটি। এদিকে চৈত্রের শুরুতে দুই দফায় বৃষ্টি হওয়ায় আমের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনলেও এক সপ্তাহ আগে থেকে চলমান খরা ও মৃদু তাপপ্রবাহ আম উৎপাদনের অনুকূল পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আমচাষিরা। বাগানের সবচেয়ে ছোট গাছের গুটি মটরদানা ও মার্বেলের আকারে শোভা পাচ্ছে। তবে বাগানের অধিকাংশ বড় গাছে আমের মুকুল ও গুটি হয়েছে অপেক্ষাকৃত কম। খরার কারণে বাগানে গুটি আম শুকিয়ে ঝরে যাচ্ছে। খরায় আমের গুটি যাতে ঝরে না পড়ে তাই এরই মধ্যে বাগানে সেচসহ বিভিন্ন পরিচর্যা করছেন আমচাষিরা। এছাড়া ক্ষতিকর পোকা দমনে বাগানে কীটনাশক স্প্রেও করছেন তারা। বাগানমালিক ও আমচাষিরা জানিয়েছেন, এক বছর ভালো ফলন হলে পরের বছর কম ফলন হয়। ফলনগত দিক থেকে স্থানীয়দের কাছে কমের বছর ‘অফ ইয়ার’ এবং ভালো ফলনের বছর ‘অন ইয়ার’ হিসেবে পরিচিত। সে হিসাবে এবার অন ইয়ার, বলছেন তারা। আমচাষিরা বলছেন, আবহাওয়ার কারণে এবার আম গাছগুলোয় বেশি বেশি পরিচর্যা করতে হচ্ছে। গতবছরের তুলনায় এবার বালাইনাশক, রাসায়নিক সার বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। এদিকে চৈত্রের তেজেও বোটা শুকিয়ে গুটি ঝরে যাচ্ছে। তাই বাড়তি খরচে শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। সবমিলিয়ে এবার আম উৎপাদনে খরচ বেড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাজুড়ে আম চাষাবাদ হয়েছে ৩৭ হাজার ৬০৪ হেক্টর জমিতে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও জেলার অন্যতম আমচাষি মুনজের আলম মানিক বলেন- এবার অন ইয়ার হিসেবে যতটা আম হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। তার কারণ, মুকুলের সময় হালকা বৃষ্টি, রাতের তাপমাত্র কমে যাওয়া এবং দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি। সবমিলিয়ে আমচাষে এবার প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে। তবে বাগানে পর্যাপ্ত আম আছে। তিনি বলনÑ গতবছরের তুলনায় এবার সার-কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেই সঙ্গে কৃষি শ্রমিকের খরচও বেড়েছে। গতবছর শ্রমিকের মজুরি ছিল সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, এবার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। ইউরিয়া সারের দাম শতকরা ২৫ ভাগ বেড়েছে। এছাড়া কীটনাশকের দাম ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। মানিক আরো বলেন- বরেন্দ্র এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির অধিক ব্যবহারের কারণে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। সবমিলিয়ে চাষিদের এবার আম উৎপাদনে খরচ অনেকটা বৃদ্ধি পাবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি বিষয়ে বলেন- কোনো কোম্পানি যদি দাম বৃদ্ধি করে থাকে, তাহলে সেটার বিষয়ে তো কারোর কিছু করার নেই। তবে প্যাকেটের গায়ে লেখা নির্ধারিত মূল্যের অধিক কেউ নিলে সেটা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে আমরা দেখব। তবে সারের দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগই নেই বলে জানান। আমের উৎপাদন বিষয়ে তিনি বলেন- মাঝখানে কিছুটা খরা গেল, সেই কারণে এবং যারা সেচ দেয়নি তাদের বাগানে কিছুটা গুটি ঝরেছে। তবে যারা সেচ দিয়েছে, তাদের বাগানে আমের কোনো ক্ষতি হয়নি। আমের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য কৃষি বিভাগ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। সবমিলিয়ে এবার জেলায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২৯০ মেট্রিক টন আমের ফলন হতে পারে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শীর্ষ এই কর্মকর্তা। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ম্যাংগো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ বলেনÑ শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আশা করা যায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে। এর বাজার মূল্য হবে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় যেসব আমচাষ হয় তার মধ্যে প্রথমে বাজারে আসে বিভিন্ন ধরনের গুটি আম। এরপর সুমিষ্ট আমগুলোর মধ্যে আসে গোপাল ভোগ। এটি শেষ হবার আগেই আসে সুস্বাদু ক্ষিরসাপাত। এরপর আসে লক্ষণভোগ, আ¤্রপালি, বারি-৪, আমের রাজা ফজলি। সব শেষে আসে টকমিষ্টি স্বাদের আশি^না। এর মধ্যেই আসে হালে চাষ হওয়া কাটিমনসহ অন্যান্য আম।

জেলার বাজারে বেড়েছে সবজির দাম; চালের দামও উর্ধ্বমুখি

জেলার বাজারে বেড়েছে সবজির দাম; চালের দামও উর্ধ্বমুখি চাঁপাইনবাবগঞ্জে সকল প্রকার সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধির কারণ বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। এছাড়া চিকন চালের দামও উর্ধ্বমুখি রয়েছে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে। নিউমার্কেটের আব্দুর রহমান বাবু জানান, জিরাসাইল চাল প্রতিকেজি ৮৫-৮৬ টাকা, মিনিকেট চাল ৮৮-৯০ টাকা, সাদা স্বর্ণা ৫০-৫২ টাকা, লাল স্বর্ণা ৫৬-৫৮ টাকা, ৬৩ ধানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা, আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে থেকে ৭৫-৭৮ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা, চিনি ১১৭-১১৮ টাকা, মসুর ডাল ১৪০ টাকা, দেশী ছোলার ডালের দাম ১৪০ টাকা, খেসাড়ির ডাল ১২০ টাকা, মটোর ডাল ১৪০ টাকা, মাসকলাইয়ের ডাল ১৮০ টাকা ও মুগ ডাল প্রতি কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। আর ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৪০ টাকায়। তিনি জানান, খোলা আটা ৩৮-৪০ টাকা ও প্যাকেট আটা ৪৫-৫০ টাকা কেজি, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ১৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সবজি বিক্রেতা আব্দুর রশিদ রহমান জানান, রমজানের পর সব ধরণের সবজির দাম বাড়ছে। সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধির কারণ বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান, বেগুনের দাম মানভেদে প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, বেগুন ৬৫-৭০ টাকা, পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৭০ টাকা, দেশী করোলা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, শসা ৫০-৫৫ টাকা, টমেটো ৩৫-৫০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা, দেশী সজনে ডাটা ৮০-১২০ টাকা, দেশী কাঁচকলা ৩৫-৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৭০ টাকা প্রতি পিস। এদিকে মাছ বিক্রেতারা জানান, ছোট মিড়কা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা, রুই ওজনভেদে ২৩০-৩৫০ টাকা, বড় কাতলা ৩২০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০ টাকা, শোল ৬৫০-৭০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০-১৪০০ টাকা, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, সিং ৬০০-৮০০ টাকা, বোয়াল ৭৫০-৮০০ টাকা, আইড় মাছ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-১০০০ টাকা, পাঙ্গাস ১৬০ টাকা, পিয়ালি ৬০০ টাকা, ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা, একজি ওজনের ইলিশ ২০০০-২২০০ টাকা, দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৬০০ টাকা। এদিকে মুরগি বিক্রেতা আলম জানান, দেশী মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৩০-৫৪০ টাকা, শরিফুল জানান, সোনালি বা পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, লাল লেয়ার ৩০০-৩১০ টাকা, সাদা লিয়ার ২৭০ টাকা, প্যারেন্স মুরগি ৩৪০ টাকা এবং ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি। অন্যদিকে মাংস বিক্রেতারা জানান, ভালো মানের গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছাগলের মাংস ৯০০-১১০০ টাকা এবং ভেড়ার মাংস ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ২৩৩ পরীক্ষার্থী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ২৩৩ পরীক্ষার্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৫ শুরুর প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিলেন ২৩৩ জন শিক্ষার্থী। আজ সকালে সারাদেশের ন্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাব্যাপী ২৭টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের শিক্ষা শাখা সূত্র জানায়, এসএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ১০৩ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৯ হাজার ২৩৮ জন পরীক্ষার্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিলের কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ বিষয়ের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ১০৭ শিক্ষার্থী। দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেন ২ হাজার ৭৭৮ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া ভোকেশনাল (স্কুল-মাদ্রাসা) বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ২৩ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ৩৭৩ পরীক্ষার্থী। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা) মো:আতিকুর রহমান বলেন, জেলাব্যাপী সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায় নি। কোন বহিস্কারের ঘটনা ঘটে নি। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছেন প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তারা।