গোমস্তাপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১জনের মৃত্যু

গোমস্তাপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১জনের মৃত্যু গোমস্তাপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বদরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ওয়েলডিং মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। গত রবিবার গভীর রাতে উপজেলার গোমস্তাপুর ইউনিয়নের ভিটাবাড়ি নেজুবাজার এলাকার নিজ দোকানে ভ্যানে চার্জ দেওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া বদরুল ইসলাম ভিটাবাড়ি গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার পর কোনো এক সময় বদরুল ইসলাম নিজ দোকানে অটোভ্যানে চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। সকালে ওই দোকানে অন্য চালকরা এসে দেখে সে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াদুদ আলম জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘনায় নিহত দুই প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘনায় নিহত দুই প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন মালয়েশিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই প্রবাসী রেমিটেন্সযোদ্ধার মরদেহ দেশে এসে গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। এরআগে তাদের দুজনের মরদেহ গোমস্তাপুর ইউনিয়নের নিজ গ্রামে এসে পৌছালে পরিবারসহ এলাকার লোকজনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত তুহিন আলি গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা শুকুরুদ্দিন কালুর ছেলে। অপরজন একই ইউনিয়নের নসিবন্দি নগর গ্রামের কাবিলের ছেলে শামিম রেজা। তারা দুজনই মালেশিয়ার একটি পাম বাগানে কাজ করতেন। গত ৩১ আগষ্ট তারা সড়ক দুর্ঘনায় নিহত হন। এদিকে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার দিন মালেশিয়ায় সরকারি ছুটি ছিল। ওইদিন তুহিন ও শামীমসহ ৫জন ওভারটাইম কাজ করছিলেন। কাজ শেষে তারা একটি পিকআপে করে ঘরে ফিরছিলেন। পথে পাহাড়ি এলাকার সুঙ্গাই কোয়ানে একটি মোটরসাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। সে সময় তাদের সঙ্গে থাকা ৩জন লাফ দিতে পারলেও তুহিন আর শামীম নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারা প্রায় ৩ বছর আগে জীবন ও জীবিকার তাগিদে এবং পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। নিহত তুহিনের স্ত্রীসহ এক ছেলে, এক মেয়ে এবং মা-বাবা রয়েছে। এছাড়া শামিমের ভ্যানচালক বাবা রয়েছে। তিনি ধারদেনাসহ এনজিওতে ঋণ করে ভাগ্য পরিবর্তেনর আসায় প্রবাসে যান। হুজরাপুর মডেল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, শামিম গত কয়েকবছর আগে তার প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পাস করেন। এ বিষয়ে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি বলেন, তুহিন ও শামিমের মরদেহ আজ সকালে গ্রামে ফেরার পর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আমরা গভীরভাবে শোকাহত। কোন সহযোগিতা লাগলে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছি।
গোমস্তাপুরে সাপে কাটা রোগীর ৬ দিন পর মৃত্যু

গোমস্তাপুরে সাপে কাটা রোগীর ৬ দিন পর মৃত্যু গোমস্তাপুরে সাপের কামড়ে আলমগীর হোসেন নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৬ দিন পর শনিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া আলমগীর ওই গ্রামের মৃত সাদির আলীর ছেলে। এর আগে গত ৩১ আগস্ট গোমস্তাপুর উপজেলার রাধনগর ইউনিয়নের বেগপুর গ্রামে বাড়ির পাশে দৈইলা বিলে তাকে সাপে কাটে। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াদুদ আলম জানান, গত ৩১ আগস্ট বিকালে দৈইলা বিলে মাছ ধরতে যায় আলমগীর। বিলের ঘাটে বাঁধা নৌকাতে ওঠার সময় একটি সাপ তার বাম পায়ে কামড় দেয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৬ দিন পর আজ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলমগীর মারা যায়।
গোমস্তাপুরে মাসকালাইয়ের বীজ ও সার বিতরণ

গোমস্তাপুরে মাসকালাইয়ের বীজ ও সার বিতরণ গোমস্তাপুরে কৃষি প্রণোদনার মাসকলাইয়ের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। আজ সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষকদের মধ্যে এগুলো বিতরণ করা হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ওয়াসিম আকরাম, উপজেলা প্রকৌশলী আছাবুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম, হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলামসহ উপকারভোগী কৃষকরা। উল্লেখ্য, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় মাস কলাইয়ের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ১ হাজার ৫০ জন প্রান্তিক কৃষকে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে একজন কৃষককে ৫ কেজি মাসকলাই বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়।
ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন গোমস্তাপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ দুপুরে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে দাড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ডলারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ বিষয়ে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ডলার জানান, শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছি। তাদের দাবিগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হবে।
রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন

রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন গোমস্তাপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১০টার দিকে রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শিক্ষক সমিতি, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. আতাউল্লাহ, ওই হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাবেক সদস্য ডা. সুলতান আহমেদ ও সানোয়ার হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আইনুর রহমান, শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) সম্প্রতি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার করে জনগণকে বিভান্তি করছেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নিজস্ব আইন রয়েছে। সেই আইন মেনে তারা চিকিৎসা করে যাবেন বলে উল্লেখ করেন। তারা আরো বলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক তারা স্বীকৃত, বিগত সরকার আমলে তা গেজেট হিসেবে প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু বতর্মানে কিছু মহল সেটা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. হাবীবুল্লাহ বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তাররা ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। সেই রিট পিটিশনে উল্লখ ছিল এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তার ব্যতিত অন্য কোনো ডাক্তার নামের পূর্বে ডাক্তার ব্যবহার করতে পারবেনা। ওই বছর তাদের পক্ষে রায় আসে। সেই বছর হোমিওপ্যাথিক বোর্ড ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা ডাক্তার লেখার অধিকারসহ রায় পান। সেই রায়ের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে ২০২৩ সালে সেটা স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বক্তারা স্বাস্থ্য ও প্রধান উপদেষ্টার সুদৃষ্টি কামনা করে ২০২৩ সালের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেই আইনকে বহাল রাখার আহ্বান জানান।
গোমস্তাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোমস্তাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াদুদ আলম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ওয়াসিম আকরাম, কৃষি কর্মকর্তা, সাকলাইন হোসেন, আলীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম মোহাম্মদ মাসুম,রহনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সোহরাব, চৌডালা চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া হাবিব, বোয়ালিয়া চেয়ারম্যান সামিউল আলম শ্যামল, উপজেলা প্রেসক্লাব এর সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজমসহ অন্যরা । মাসিক সভায় আইন শৃঙ্খলাসহ উপজেলার সার্বিক বিষয়ে আলোচনা ও পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
দেশে সার সংকট নেই-গোমস্তাপুরে কৃষি সচিব

দেশে সার সংকট নেই-গোমস্তাপুরে কৃষি সচিব কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, বর্তমানে দেশে কোনো সার সংকট নেই। এমনকি আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত যে পরিমাণ সারের চাহিদা রয়েছে, তা মজুত রয়েছে। আজ দুপুরে গোমস্তাপুরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ’র নদী থেকে সেচের পানি উত্তোলন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষি সচিব আরো বলেনÍ কিছু অসাধু লোক সারের কৃত্রিম সংকট বলে প্রচার করছে। তাদের কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেনÍ অসচেতনতা ও অজ্ঞতার কারণে সারের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার হচ্ছে। তা রোধে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেনÍ কৃষি মন্ত্রণালয়ের যে বাজেট তার ৭০ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে সারের ভর্তুকি হিসেবে। এতে বছরে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানির ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বিভিন্ন দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে এই অঞ্চলে কম পানি প্রয়োজন এমন ফসল চাষাবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়াও বৃষ্টির পানি আটকে রেখে ফসলে ব্যবহারের পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন করে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে বলে তিনি জানান। কৃষি সচিব বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে বর্তমানে ব্যাপক ফসল উৎপাদন হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই দুটি দিকই বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন ফসল উৎপাদন স্বাভাবিক থাকবে, তেমনি ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার যেন করা না হয় সেদিকে সজাগ রয়েছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই সচিব আরো বলেনÍ প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে কৃষিবান্ধব দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর আগে তিনি মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর মোহনা পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের সাথে কথা বলেন। এসময় তিনি নদীর গতিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রকল্প পরিকল্পনার কথা জানান। পরে কৃষি সচিব গোমস্তাপুর উপজেলা বিএমডিএ’র নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন ও কার্যালয় চত্বরে ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন। বিকেলে উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের মচকৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ‘ডাবল লিফটিং পদ্ধতিতে মহানন্দা নদীর পানি সেচ কাজে ব্যবহার এবং পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুল হোদা, প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. আবুল কাসেম, প্রকল্প পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম মাহফুজুর রহমান, নাজিরুল ইসলাম, শিবির আহমেদ, সচিব নীলুফা সরকার, নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা খানমসহ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।
গোমস্তাপুরে নদী ভাঙনের কবলে ব্রজনাথপুর গ্রাম

গোমস্তাপুরে নদী ভাঙনের কবলে ব্রজনাথপুর গ্রাম গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের মহানন্দা নদী তীরবর্তী ব্রজনাথপুর গ্রাম এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। আতঙ্ক আর চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছে ওই এলাকার পরিবারগুলো। কয়েকশ ঘরবাড়ি, গাছপালা, ফসল ও একটি মসজিদ নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্ষা ও বন্যার কারণে মহানন্দা নদীতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক ঘরবাড়ি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসি আশঙ্কা করছেন এভাবে নদীর তীর ভাঙ্গতে থাকলে হয়তো রাতের আঁধারে তলিয়ে যেতে পারে ব্রজনাথপুর গ্রামের নদীতীরবর্তী এলাকাটি। এমনকি ভাঙ্গনের ফলে একসময় ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে এলাকাটি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে গত কয়েকদিনে দেখা গেছে ওই এলাকার জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মধ্যে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার। ব্রজনাথপুর গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্বো বাসিন্দা জয়েস আলি বলেন, নদী ভাঙনে তার প্রায় ৫ বিঘা জমির মধ্যে মাত্র ৩ কাঠা জমি রয়েছে। আর সেই অবশিষ্ট জায়গায় এখন বসবাস করছি। সারাজীবনে সঞ্চয়টুকু নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। টানা বর্ষণ, বাতাস ও পানি প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে তার ঘরসহ এই গ্রামের অনেকে ভাঙনের এই হুমকির মধ্যে রয়েছেন। এলাকার কৃষক দোলোয়ার আলী জানান, যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে তার বাড়িসহ কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এখন তিনি চরম হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলো নদী ভাঙন থেকে রক্ষার্থে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। রহিমা বেগম নামে এক বৃদ্ধা বলেন, তাকে দেখার কেউ নেই। সরকারের কাছে তিনি দাবি করেন নদীভাঙন রোধে ওই এলাকায় একটি বাঁধ নির্মাণে। তারা সাহায্য সহযোগিতা চাই, নদীটাকে বেঁধে দিক এটাই চাই। এ প্রসঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব জানান, জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহানন্দা নদীর ভাঙন কবলিত বেশ কিছু এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। অধিক গুরুত্বপুর্ণ জায়গাগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খুব শ্রীঘই ওই কাজগুলো শুরু করা হবে।
গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর জেসমিন হত্যা মামলায় সাবেক স্বামী গ্রেপ্তার

গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর জেসমিন হত্যা মামলায় সাবেক স্বামী গ্রেপ্তার গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর জেসমিন হত্যার ঘটনায় তার দ্বিতীয় সাবেক স্বামী এবং ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন আসামী আনারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আনারুল গোমস্তাপুরের বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মধ্যব্রজনাথপুর গ্রামের মৃত রফিকের ছেলে। আজ ভোররাতে নিজবাড়ি থেকে আনারুলকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সন্ধ্যায় তাকে আদালতে তুলে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তাঁর ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এর আগে গতকাল রাতসাড়ে ৮টার দিকে নিহতের প্রথমপক্ষের ছেলে আলমগীর অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলা করেন। এদিকে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াদুদ আলম জানান, গত সোমবার রাতে একটি বিলের ধারের নির্জন আমবাগান থেকে অজ্ঞাত হিসেবে জেসমিনের গলাকাটা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।