জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটিসহ বিভিন্ন কমিটির সভা

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটিসহ বিভিন্ন কমিটির সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কমিটির সভা ও জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাসহ বিভিন্ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভাগুলোয় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য তিনি ব্যবসায়িদের প্রতি আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসক বলেনÍগতবছর ১২ সেপ্টেম্বর আমি এই জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলাম। আপনারা জানেন আমার পদোন্নতির পর আমাকে ধর্মমন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। হয়ত চলতি মাসের শেষের দিকে নতুন জেলা প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব হাস্তান্তর করে আমি চলে যাব। জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ বলেনÍসরকারি চাকরিতে জনগণকে সেবাদানের যে সুযোগ আছে তা জেলা প্রশাসক হিসেবে মাঠ প্রশাসনে কাজ না করলে বুঝতে পারতাম না। জেলা প্রশাসক হিসেবে কাজ না করলে চাকরি জীবনের একটি বিরাট অংশ হয়ত আমার অপূর্ণই থেকে যেত। তবে কতটুকু সেবা দিতে পেরেছি তা জনগণই বিশ্লেষণ করবে। তিনি বলেনÍসকল মানুষেরই সফলতা ব্যর্থতা থাকে। তবে আমি চেষ্টা করেছি টিমওয়ার্কের ভিত্তিতে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে এই জেলার উন্নয়ন কর্মকা- তরান্বিত করার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার, এই জেলাকে এগিয়ে নেয়ার। আমরা সকলের সঙ্গে সমন্বয় করেই কাজ করেছি। আমি জ্ঞানত আপনাদের কারো কাছে কোনো অন্যায় কোনো আবদার করেনি। আপনারা আমার জন্য আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন। সভায় পুলিশ সুপার রেজাউল করিম, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদসহ অনেকেই জেলা প্রশাসকের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সভাগুলোয় জেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ কমিটিগুলোর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট : ৬-০ গোলে গোমস্তাপুরের জয়

জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট : ৬-০ গোলে গোমস্তাপুরের জয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে চলমান জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আজ ছিল গোমস্তাপুর বনাম ভোলাহাট উপজেলা দলের খেলা। বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া খেলায় ৬Í০ গোলে বড় জয় পেয়েছে গোমস্তাপুর উপজেলা দল। গোল ৬টির মধ্যে ২২ নম্বর জার্সি পরিহিত গোমস্তাপুর উপজেলা দলের রেজওয়ান ১টি, ১২ নম্বর জার্সি পরিহিত মসিউর ১টি, ২৩ নম্বর জার্সি পরিহিত আল আমিন ১টি, ১৪ নম্বর জাসি পরিহিত মেহেদি ১ টি, ২১ নম্বর জার্সি পরিহিত তুহীন ১টি ও ৮ নম্বর জার্সি পরিহিত বক্কর ১টি গোল করে বিজয় ছিনিয়ে মাঠ ছাড়েন। তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে নতুন স্টেডিয়ামে এই খেলা চলছে। এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী।
বারঘরিয়া ইউনিয়নে খরা সহনশীল কৃষি পদ্ধতি প্রসারে দিনব্যাপী কর্মশালা

বারঘরিয়া ইউনিয়নে খরা সহনশীল কৃষি পদ্ধতি প্রসারে দিনব্যাপী কর্মশালা বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় খরা সহনশীল কৃষি পদ্ধতি প্রসারে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সাকালে সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট এর আওতায় এবং পিকেএসএফ ও গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ডের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। প্রশিক্ষণে প্রকল্পের ২০ জন মহিলা সিসিএজি সদস্য অংশ নেন। কর্মশালায় করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন প্রয়াসের পরিচালক ও প্রকল্পের ফোকাল পার্সন পঙ্কজ কুমার সরকার ও প্রকল্প সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ। এতে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী উপ-পরিচালক আমির আব্দুল্লাহ মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, শস্য বিশেষজ্ঞ জহুরুল ইসলাম ও প্রকল্পের কৃষিবিদ ফয়জুল হক। কর্মশালায় খরা সহনশীল কৃষি কৌশল, টেকসই কৃষি অনুশীলন, পানি সংরক্ষণ এবং ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির বিষয়ে হাতে-কলমে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়াও কর্মশালা শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে খরা সহনশীল পেয়ারা গাছের চারা প্রদান করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলা শহরের বেলেপুকুরে অবস্থিত প্রয়াসের নকীব হোসেন মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ মো. জহুরুল ইসলাম। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রয়াসের কনিষ্ঠ সহকারি পরিচালক ও স্মার্ট প্রকল্পের ফোকাল পার্সন মো. ফারুক আহমেদ, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও টেকনিক্যাল অফিসার মো. রিফাত আমিন হীরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহায়তায় এই কর্মশালার আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির Sustainable Microenterprise and Resilient Transformation (SMART) প্রজেক্ট। স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কৃষকদের টেকসই ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে উৎসাহিত করতেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতে এমন আরও কার্যক্রমের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আলোচকবৃন্দ। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি মোকাবিলার উপায়, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতি এবং RECP (Resource Efficient and Cleaner Production) ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এতে স্থানীয় পর্যায়ের ২৫জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে শনাক্ত হন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৬ জন রোগী এবং ২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ২ জন পুরুষ ও ১০ জন মহিলাসহ ১২ জন, শিবগঞ্জে ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলাসহ ৩ জন, গোমস্তাপুরে ১ জন মহিলা রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে এবং ২ জনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৮৪৪ জন এবং জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮০ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে শনিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূজা উপলক্ষে রবিদাস পরিবারের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ

পূজা উপলক্ষে রবিদাস পরিবারের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চাঁদলাই চামারপাড়া মহল্লার রবিদাস পরিবারের ৩০ জন নারীর মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেছে নারীদের সংগঠন ‘জাগো নারী বহ্নিশিখা।’ আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে নতুন শাড়ি উপহার দেয়া হয়। আজ বিকেলে চাঁদলাই মিরের বাগান এলাকায় শাড়ি বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ফারুকা বেগম, সহসভাপতি শিরিন বেগম, সাধারণ সম্পাদক মনোয়রা খাতুন, সহসম্পাদক ছবি রানী, সদস্য বিলকিস চৌধুরী, নাদিরা বেগম, শাহনাজ রুমী, লিপি রায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন, বাবুডাইং আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, চামারপাড়া মহল্লার মোড়ল নিত্য দাস। ৬২ বছর বয়সী বিধবা নারী চঞ্চলা রবিদাস বলেন ‘হামারঘে এ পাড়ার বিধবা নারী বা ছ্যালাপিল্যাকে পূজা উপলক্ষে কেহু কুনুদিন কোন শাড়ি-কাপড় বা পোশাক দেয়নি। হামারঘে কথা কেহু ভাবে না। কিন্তু আইজ পূজা উপলক্ষে হামরা শাড়ি পাইনু। কিযে ভালো লাগছে কহ্যা বুঝাইতে পারবো না। যারা কাপড় দিল তারঘে লাইগ্যা ম্যালা ভালোবাসা।’ সংগঠনের সভাপতি ফারুকা বেগম বলেন, আমরা কিছু নারীরা মিলে জাগো নারী বহ্নিশিখা নামের একটি সংগঠন করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য অসহায়, দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। প্রতি ঈদে ও পূজায় আমরা দরিদ্র নারীদের মধ্যে কাপড় বিতরণ করে থাকি।
লালন শিল্পী ফরিদা পারভিনকে স্মরণ করল বাউল ভক্তকুল

লালন শিল্পী ফরিদা পারভিনকে স্মরণ করল বাউল ভক্তকুল লালন শিল্পী ফরিদা পারভিনকে স্মরণ করেছে চাঁপাই বাউল ভক্তকুল। আজ বিকেলে বিশ্বরোড মোড়ে ভক্তকুল কক্ষে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। চিশতী আলাল উদ্দিন সাধুর সভাপতিত্বে লালন সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভিনের সংগীত জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন জালাল উদ্দিন সাধু, চিশতী সাদিকুল ইসলাম, গম্ভীরা শিল্পী ও সাংবাদিক মাহবুবু আলম, কবি আনিফ রুবেদ, সুফি তানভীর, শিক্ষক আসরাফুল ইসলামসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, ফরিদা পারভিন ছিলেন, লালন সংগীতের প্রচারক ও অনুসারী, তিনি লালনের দর্শন ও বাণীকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন। বাংলা সংস্কৃতির ইতিহাসে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, ভক্ত কাউসার রিপন। পরে ভক্তদের পরিবেশনায় লালন সংগীতের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় সদ্য প্রয়াত লালন সম্রাজ্ঞী ফরদা পারভিনকে।
বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানির তালিকায় সফিউর রহমান

বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানির তালিকায় সফিউর রহমান বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের রসায়ন বিভাগের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা প্রফেসর ড. সফিউর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ের শনিবার যৌথভাবে এ তালিকা প্রকাশ করেছে। স্কোপাস ইনডেক্সড আর্টিকেলকে ভিত্তি হিসেবে ধরে ২২টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র এবং ১৭৬টি উপ-ক্ষেত্রে শ্রেণীবদ্ধ করে দুটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেরা গবেষকদের তালিকায় নাম আসায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ড. মো. সফিউর রহমান বলেন-আমার দেশ আমাকে সুশিক্ষিত হবার ও ভালো গবেষণা করবার সুযোগ করে দেয়ায় এ দেশের প্রতি আমার দায়িত্ব রয়েছে। আর সে কারণেই দীর্ঘ ১১ বছর (২০০৪-২০১৪) কানাডাতে লেখাপড়া, গবেষণা ও শিক্ষকতা করবার পরও কানাডাতে চাকরি/অবস্থান না করে আমি মাতৃভূমির টানে ২০১৪ সালে দেশে ফিরে এসে পূর্বের কর্মস্থল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি। আজ কিছুটা হলেও তার প্রতিদান দিতে পেরেছি বলে আমার বিশ্বাস এবং এটা আমার অনেক বড় প্রাপ্তি বলে আমি মনে করি। পরমাণু শক্তি কমিশনের ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি তিনি “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” ও “স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ”-এ খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসাবে শিক্ষকতা করেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়-এর অ্যাকাডেমিক কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ ছাড়া তিনি ২০১৫ সাল থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেশ কিছু গবেষণা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জন ডক্টরাল এবং ৬৫ পোস্টগ্রাজুয়েট ছাত্র ও ছাত্রী তাঁর তত্ত্বাবধানে গবেষণা সম্পন্ন করে ডিগ্রী অর্জন করেছেন এবং দেশ ও বিদেশে কর্মরত আছেন। ড. সফিউর রহমান ৮টি বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের লেখক। জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ১৫০-এর অধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ইতালি, ব্রাজিল, স্লোভাকিয়া, চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্ডিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিক সভা, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণে তিনি অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিজ্ঞানীদের সাথে তাঁর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পানির গুণগত মান উন্নয়ন, পরিবেশ দূষণ পুনরুদ্ধার, জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময় বেশ কিছু অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন। প্রফেসর ড. সফিউর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ বাজারে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আলহাজ সাইফুদ্দিন আহমেদ একজন আদর্শ শিক্ষকতার পাশাপাশি একজন সমাজসেবক এবং মাতা আলহাজ চেনার বেগম একজন গৃহিনী ছিলেন। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্ব কনিষ্ঠ। জন কল্যাণে ভবিষতে আরো ভালো গবেষণা করবার জন্য তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল মানুষের দোয়া চান।
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেকারে শিবগঞ্জের জয়

জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেকারে শিবগঞ্জের জয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অুনষ্ঠিত হচ্ছে। তারুণ্যের উৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত টুর্নামেন্টের শুক্রবারের খেলায় জয় পেয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা দল। শুক্রবার নতুন স্টেডিয়ামে শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা দলের মধ্যে খেলা অুনষ্ঠিত হয়। খেলার নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল করতে না পারায় টাইব্রেকারে গড়া খেলা। টাইব্রেকারে ৪—২ গোলে ভোলাহাট উপজেলা দলকে হারিয়ে জায় পায় শিবগঞ্জ উপজেলা দল। এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৬ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৬ জন ও বহির্বিভাগে ৮ জন এবং শিবগঞ্জে ১ জন ও গোমস্তাপুরে ১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৭ জন রোগী এবং ৫ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩ জন পুরুষ ও ১০ জন মহিলাসহ ১৩ জন, শিবগঞ্জে ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলাসহ ৩ জন, গোমস্তাপুরে ১ জন মহিলা রোগী। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ১ জনকে এবং গোমস্তাপুর থেকে ১জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৮১৭ জন এবং জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৭৮ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।