সাদাপাথরে বিছিয়ে দেওয়া হলো জব্দকৃত ১২ হাজার ঘনফুট পাথর

সাদাপাথরে বিছিয়ে দেওয়া হলো জব্দকৃত ১২ হাজার ঘনফুট পাথর সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে লুট হওয়া পাথর উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। রাতভর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে ১২ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত পাথর নৌকা দিয়ে ফের ধলাই নদীর সাদাপাথর এলাকায় বিছিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও লুট হওয়া পাথর পরিবহনকারী সন্দেহে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়ক থেকে ৭০টি ট্রাক আটকে রেখেছে যৌথবাহিনী। গতকাল দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে সিলেট নগরী ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ এলাকায় জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। পাথর প্রতিস্থাপনের বিষয়টি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহার নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুধবার রাতে ৬ সদস্যদের একটি দল যৌথবাহিনীর সহায়তায় বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ১২ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করে ফের পর্যটন কেন্দ্র সাদা পাথরসহ ধলাই নদীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আজ জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ফের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। লুট হওয়া পাথর উদ্ধার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এক জরুরি সমন্বয় সভায় লুট করা পাথর উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়াও সভায় সাদা পাথর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথবাহিনী দায়িত্ব পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের জরুরি বৈঠক শেষে রাত ১২টার পর থেকে অভিযনে নামে জেলা প্রশাসন ও যৌথবাহিনী। সিলেট নগরী ও সাদা পাথর এলাকায় রাতভর অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা গেছে, অভিযানে ধলাই নদীর তীরে বিভিন্ন স্থানে সাদাপাথর থেকে লুট করা স্তুপকৃত পাথর জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো সাদাপাথর এলাকায় নিয়ে ফের প্রতিস্থাপন করা হয়। এছাড়াও গতকাল রাত ১২টার পর থেকে সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়কের এয়ারপোর্ট এলাকায় সিলেট ক্লাবের সম্মুখে যৌথবাহিনী চেকপোস্ট বসিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বেশ কয়েকটি ট্রাক আটকিয়ে পাথর জব্দ করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, সাদাপাথর থেকে চুরি হওয়া পাথর উদ্ধারে আমরা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করছি। লুট করা পাথর উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান চলমান আছে। এর আগে, গতকাল সন্ধ্যায় সিলেট বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজে জরুরি সমন্বয় সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সাদাপাথর রক্ষায় ৫টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তগুলো হলো- জাফলং ইসিএ এলাকা ও সাদা পাথর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথ বাহিনী দায়িত্ব পালন করা, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের চেকপোস্ট যৌথবাহিনীসহ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করা, অবৈধ ক্রাশার মেশিনের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা, পাথর চুরির সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং চুরি হওয়া পাথর উদ্ধার করে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা। এর আগে, সাদা পাথর লুটপাটের ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে জেলা প্রশাসন। আগামী রবিবারের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে লুটপাটের ঘটনা অনুসন্ধানে সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জাতীয়করণে শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি; লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা

জাতীয়করণে শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি; লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দাবি না মানলে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অর্ধদিবস, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ১২ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জাতীয়করণসহ ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। আজ বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এ কর্মসূচির কথা বলেন। এর আগে শিক্ষকদের ১২ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরারের সঙ্গে দেখা করে। দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, মন্ত্রণালয় আমাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে। তারা বলেছে, সব দাবি একবারে পূর্ণ করা সম্ভব নয়। এই দাবিগুলো পূরণে কী পরিমাণ অর্থ লাগবে তা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবে। আজিজী বলেন, আমরা প্রস্তাব রেখেছি আমাদের বাড়ি ভাড়া পার্সেন্টেজ হিসেবে বাড়াতে হবে। মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয় পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় চিকিৎসা ভাতা ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করার কথা বলেছে, আমরা এই বিষয় নিয়ে বেশি কিছু বলিনি। আমরা বাড়ি ভাড়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব আরও বলেন, যদি ডিও লেটার পাঠানো না হয়, তাহলে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে ১৪ সেপ্টেম্বর সারা বাংলাদেশে প্রতিটি এমপিওভুক্ত স্কুল-মাদরাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠানে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করব এবং ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে। তারপরও যদি দাবি মানা না হয়, তাহলে ১ মাস অপেক্ষা করে ১২ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আজ সকাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করে জাতীয়করণ, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বাড়ানোর পাঁচ দাবিতে সমাবেশ করেন শিক্ষকরা। সমাবেশ শেষে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। পরে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা স্থগিত করে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ৩২৫

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ৩২৫ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ৩২৫ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এ নিয়ে ডেঙ্গুতে মোট ১০৪ জনের মৃত্যু হলো। আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৯৭ ডেঙ্গুরোগী। চলতি বছর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৩ হাজার ৯৩০ ডেঙ্গুরোগী। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ১ শতাংশ নারী রয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

ভারতীয়দের গণপিটুনিতে বাংলাদেশি যুবক নি*হত, আ*হত ৫

ভারতীয়দের গণপিটুনিতে বাংলাদেশি যুবক নি*হত, আ*হত ৫ অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশে পর আকরাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবককে গণপিটুনিতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এতে আরও অন্তত পাঁচজন আহতের খবর পাওয়া গেছে। আজ সকালে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এর আগে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসি হিলস জেলার কৈথাকোণা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক আকরাম হোসেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাঁকাকুড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে। বাঁকাকুড়া এলাকার ইউপি সদস্য মোছা সরদার ও গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আকরাম দীর্ঘদিন ধরে বরিশালে থাকতেন। সোমবার বিকেলে আকরামসহ কয়েকজন মিলে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। পরে ভারতের অভ্যন্তরে গণপিটুনিতে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজনি হলে বিজিবির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়টি নিয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিজিবির নৌকুচি সীমান্ত ফাঁড়ি সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি জানার পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এসময় বিএসএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ভারতের রোংদাংগাই গ্রামের এক বাসিন্দাকে অপহরণ ও ছিনতাইয়ে চেষ্টা করে কয়েকজন যুবক। পরে ওই গ্রামের বাসিন্দারা তাদের গণপিটুনি দেয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকরাম হোসেনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভারতের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি দুজন এখনও চিকিৎসাধীন। ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল আমীন বলেন, ভারতীয়দের গণপিটুনিতে বাংলাদেশি এক যুবকের মৃত্যুর খবর শুনেছি। আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ মামলার একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। বিস্তারিত পরে জানানো সম্ভব হবে।

জাতীয়করণে শিক্ষকদের ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলটিমেটাম

জাতীয়করণে শিক্ষকদের ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলটিমেটাম জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা দাবি আদায়ে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে সরকারকে। এর মধ্যে দাবি না মানলে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবস কর্মবিরতির হুমকিও দিয়েছেন তারা। আজ শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন শিক্ষক প্রতিনিধিরা। জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজী জানান, তাদের দাবি যৌক্তিক, যা আদায়ে ৩২ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দাবি মানা না হলে সর্বাত্মক আন্দোলনে যাবেন তারা। এ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এর আগে দুপুরে শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেননি শিক্ষকরা। পদযাত্রার পরিবর্তে পুলিশের সহায়তায় শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে যান শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণ, শতভাগ উৎসব ভাতা, ৪৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং বিনোদন ভাতা। কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষকরা ঢাকায় এসেছেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা দেওয়ার সম্ভাবনা

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা দেওয়ার সম্ভাবনা মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটির গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে, যা হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েটকে সমৃদ্ধ অর্থনীতির এই দেশে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ দেবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কুয়ালালামপুরে ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ায়, মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়টি উত্থাপন করেন। ‘মন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। নীতিগতভাবে তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। তবে নীতি কার্যকর হওয়ার আগে উভয় পক্ষকে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে,’ বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। অন্য দেশের শিক্ষার্থীরা যেখানে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ পায়, সেখানে এতদিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। এর আগে আজ মালয়েশিয়ার শিক্ষা মন্ত্রী ফাদলিনা বিনতি সিদেক কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বাড়ানোসহ শিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ঢাকা মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাংলাদেশের ডিগ্রির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও চেয়েছে। মালয়েশিয়ার মন্ত্রী অধ্যাপক ইউনূসের দীর্ঘদিনের ‘থ্রি জিরো’ প্রচারণায় গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন, যার লক্ষ্য বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা। ‘আপনি যদি দারিদ্র্যহীন পৃথিবী কল্পনা না করেন, তবে তা হবে না,’ মন্তব্য করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বিশ্বনেতাদের প্রতি আত্মবিধ্বংসী নয় এমন একটি সভ্যতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। অধ্যাপক ইউনূস মালয়েশিয়ার শিক্ষামন্ত্রীকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান, যাতে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হয়। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ।

মারা গেছেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক অধ্যাপক যতীন সরকার

মারা গেছেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক অধ্যাপক যতীন সরকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক অধ্যাপক যতীন সরকার মারা গেছেন। আজ বিকেল পৌনে ৩টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিপিবির ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি এমদাদুল হক মিল্লাত বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। যতীন সরকার দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। এর মধ্যে গত জুন মাসে পড়ে গিয়ে উরুর হাড়ে আঘাত পান। পরে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গত সপ্তাহে ময়মনসিংহে নেওয়ার পর সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। যতীন সরকার দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ উদীচীর ময়মনসিংহ কার্যালয়ে নেওয়া হবে। তবে শেষকৃত্যের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছি না: আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছি না: আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবেন না। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। ওই অনুষ্ঠানের বক্তব্যই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তুলে ধরেন আসিফ মাহমুদ। সেখানে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছি না। রাজনীতির সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত নয়। প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুসারে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তার আগে ডিসেম্বরে ঘোষিত হতে পারে নির্বাচনের তফসিল। আসিফ মাহমুদের এ বক্তব্যে সবার মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে যে, উপদেষ্টার দায়িত্ব ছেড়ে আসিফ মাহমুদ কি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন? তিনিও কি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কোনো দলের হয়ে? সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে আসিফ মাহমুদ অনুষ্ঠানে বলেন, ২০১৮ সাল থেকে আমি রাজনীতিতে যুক্ত। তাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সরকার থেকে সরে যাবো। আসিফ মাহমুদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। এই প্লাটফর্মের নেতৃত্বে গত বছরের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোন শুরু হয়, যা পরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই অভ্যুত্থানে পতন ঘটে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকারের। হাসিনা তখন জনরোষ থেকে বাঁচতে ভারতে পালিয়ে যান। পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে যোগ দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জড়িত আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম। গত ফেব্রুয়ারিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সংগঠকদের নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি গঠিত হয়। উপদেষ্টা পদ ছেড়ে এসে এই দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব নেন নাহিদ ইসলাম। অভ্যুত্থানের ছাত্র সংগঠকদের মধ্যে এখন আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম সরকারে রয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এ দুজনের সঙ্গে এনসিপির সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুললেও তারা তা নাকচ করে আসছেন।

জাতীয়করণ দাবিতে আন্দোলন, সচিবালয়ে গেলেন ১২ শিক্ষক

জাতীয়করণ দাবিতে আন্দোলন, সচিবালয়ে গেলেন ১২ শিক্ষক জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা স্থগিত করেছে। পদযাত্রার পরিবর্তে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে সচিবালয় গেছেন ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি। আজ সকাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করে জাতীয়করণ, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা—এই ৫ দাবিতে মহাসমাবেশে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। বেলা সাড়ে ১২টার পর এই প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে যান। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিগুলো জানিয়ে আসছিলেন। ২০১৮ সালে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ হয়নি। আর বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টাও আশ্বাস দিয়েছেন। তবে বাস্তবায়নের কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। অথচ আমরা বছরের পর বছর বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছি।কুমিল্লা থেকে আসা শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য আমাদের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সচিবালয়ে গিয়েছেন। আমরা এখানে তাদের ফিরে আসার অপেক্ষায় আছি। নিশ্চয়ই শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে আমাদের জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসবেন। চাঁদপুর, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, খুলনা, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, মানিকগঞ্জ, জামালপুর, সিলেট, নরসিংদী, মাদারীপুর, বগুড়াসহ অন্যান্য জেলার সমন্বয়কারীরা বলেন, ২০১৮ সাল থেকে শিক্ষকরা দাবি আদায়ে আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। চাকরি করেও শিক্ষকরা ঋণগ্রস্ত সবাই। এবার হয় দাবি আদায় করব, না হয় মরব। উপদেষ্টারা কথা রাখেননি। উনি সবার দাবি মানলেও শিক্ষকদের দাবি না মেনে বৈষম্য সৃষ্টি করেছেন। সরকারকে আজকের দিন আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে—যদি দাবি না মানা হয় তাহলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। শিক্ষকরা উপদেষ্টা ও শিক্ষা সচিবদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, আসুন দেখুন আমাদের কান্না। আমাদের জীবন-যৌবন সব শেষ হয়ে গেছে। বিগত দিনের আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত হয়ে পড়ে আছেন। ঢাকার সমন্বয়কারী বলেন, আমি আমার অধিকার চাইতে এসেছি, পাওনা নিতে এসেছি। আমরা শিক্ষক। তারা যে সম্মানী পাচ্ছি তা দিয়ে সংসার চালানো যায় না। আমরা জাতীয়করণের আওতায় আসতে চাই। দাবি না হলে ক্লাসে যাব না, মাঠ ছাড়ব না। আমাদের দাবি মানতে হবে। ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৮ সালে দীর্ঘ আন্দোলনের পর তৎকালীন সরকার ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছিল। তখন প্রতিশ্রুতি ছিল পরবর্তী মেয়াদে জাতীয়করণের। তবে আগের সরকার তা বাস্তবায়ন না করায় শিক্ষকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনায় শিক্ষা উপদেষ্টা বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ২২তম দিনে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বাজেটে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও শ্রান্তি বিনোদন ভাতা কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়। বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। এজন্য জোট ১০ আগস্টের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছিল, অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আন্দোলনকারীরা। এদিকে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং পদযাত্রা ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ঘোষণা করেছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সচিবালয়, প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, জামে মসজিদ গেট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এর প্রবেশ গেট এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের সামনে সকল প্রকার সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ।

প্রাথমিকের নতুন বই ছাপাতে ব্যয় ২০১ কোটি টাকা

প্রাথমিকের নতুন বই ছাপাতে ব্যয় ২০১ কোটি টাকা আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক স্তরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে ৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৪৯১ কপি পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ করা হবে। এসব বই মুদ্রণ (কাগজসহ), বাঁধাই ও সরবরাহে সরকারের ব্যয় হবে ২০০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৮০ টাকা। আজ সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এই ৯৬টি লটে মোট ৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৪৯১ কপি পাঠ্যপুস্তক রয়েছে। এই পাঠ্যপুস্তকগুলোর জন্য মোট ব্যয় হবে ২০০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৮০ টাকা।