খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ খাদ্য, নিরাপদ বায়ু ও নিরাপদ পানির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, সুজলা-সুফলা, নিরাপদ ও সবুজ শস্যশ্যামলা দেশে রূপান্তর করতে হবে। এজন্য, আমাদের অবশ্যই সাসটেইন্যাবিলিটির দিকে অগ্রসর হতে হবে। আজ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‌‘বাংলাদেশ সাসটেইনেবিলিটি কনক্লেভ ২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য নাগরিকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে এবং অতিরিক্ত ভোগ কমাতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আমাদের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ করব। জনগণের দাবিই প্রমাণ করে পরিবেশের সুরক্ষা কতটা জরুরি। সাদা পাথর লুটের ঘটনা এর একটি বড় উদাহরণ। একইভাবে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার কমাতে হবে, পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং উন্নয়নের নামে পাহাড় ও বনভূমির অযাচিত ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের কাছে ট্যাক্স প্রণোদনার প্রস্তাব পৌঁছে দেয়া হবে যাতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলো উৎসাহিত হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমাদের কাছে অনেক নীতি আছে, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো কার্যকর বাস্তবায়ন। নাগরিক, সরকার ও বেসরকারি খাত একসঙ্গে কাজ করলে টেকসই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার বাইরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র নির্বাচন পেছাতে পারবে না। এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডম্যাপও ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এ রোডম্যাপ ঘোষণ করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করাসহ ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি প্রাধান্য দিয়ে রোডম্যাপ ঘোষণা করে ইসি।

নির্বাচনে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে : সিইসি

নির্বাচনে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে : সিইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সিইসি বলেন, ‘নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো আগে ছিল না। নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে-রাজনীতি, আইনশৃঙ্খলা বা অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত। আগেও আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ কমবেশি ছিল। তবে এখন হয়তো এর মাত্রাটা একটু বেশি।’ এআইয়ের চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সিইসি বলেন, কিন্তু অন্যান্য চ্যালেঞ্জের তুলনায় এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স)-এর ব্যবহার এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহারের চ্যালেঞ্জ আগে ছিল না। কেমন চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবেলা করতে হবে, যেটা আমরা এখনো জানি না। আমাদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সুতরাং আমরা সেন্ট্রাল ডেটা সেল করব মিস ইনফরমেশন এন্ড ডিসইনফরমেশন মোকাবিলা করার জন্য। আর এটাকে আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে যেতে হবে। ম্যাসেজটা গ্রামে-গঞ্জে, চর এলাকা, পাহাড়ী এলাকায়সহ সব জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। যারা ট্রেনিং নিবেন তারা এই দায়িত্ব পালন করবেন। মিস ইনফরমেশন এন্ড ডিসইনফরমেশন যাতে প্রপারলি অ্যাড্রেস হয় সেই ম্যাসেজ আপনারা পৌঁছে দেবেন। তিনি বলেন, যেকোনো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সক্ষমতার বিষয়ে আপনারা জোর দেবেন। তিনি ভোট গ্রহণে সম্পৃক্ত নির্বাচন কর্মকর্তাদের আইন, বিধি জানার পাশাপাশি নৈতিকতা, সততার সাথে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন। সিইসি বলেন, ট্রেনিংকে সিরিয়াসলি নিতে হবে। প্রশিক্ষণের ওপর আমাদের সফলতা নির্ভর করছে। প্রশিক্ষণের বটম লাইন হচ্ছে- পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা।

তরুণরাই দেশের ভবিষ্যত পুনর্গঠন করবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

তরুণরাই দেশের ভবিষ্যত পুনর্গঠন করবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশের তরুণরাই শেষ পর্যন্ত জাতীয় রাজনীতি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে সাজাবে। এর মাধ্যমে তারা দেশকে অতীতের বিভাজন থেকে সরিয়ে আরো গঠনমূলক ও জ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে। আজ শুক্রবার ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. মো. তৌহিদ হোসেন এ কথা বলেন। সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের রাজনীতি, অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘তারা (তরুণরা) হয়তো চলার পথে ভুল করবে, কিন্তু সময় ও অভিজ্ঞতার সাথে তারা একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলবে।’ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘তাদের দৃঢ়তা ও সাহস না থাকলে আজ আমরা যে পরিবর্তন দেখছি, তা সম্ভব হতো না।’ তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে অতীতের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় ফিরে যেতে দেবে না।

সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ৭১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ৩৯ জন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন। এডিস মশাবাহিত এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬৭ জন পুরুষ ও ৫১ জন নারী। আর এ বছরে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৩০ হাজার ৫৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরে তফসিল

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরে তফসিল নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৪ দফা অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ইসি। রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী রোজার আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে সেপ্টেম্বরেই রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের সাথে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন। আর তফসিল দেয়া হবে নির্বাচনের দুই মাস (৬০ দিন) আগে। আজ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ রোডম্যাপ ঘোষণ করেন। ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে এবং তফসিল ঘোষণা করা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে।  

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানসহ সকল নেশাদ্রব্যে নিষেধাজ্ঞা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানসহ সকল নেশাদ্রব্যে নিষেধাজ্ঞা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্টদের জন্য পান, সিগারেট ও যেকোনো ধরনের নেশাদ্রব্য গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস) ব্যবহার নিয়েও জোরালো সতর্কতা আরোপের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সিফাত উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক নীতিমালায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা পরিদর্শনকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোতে শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন এবং তা পরিদর্শন প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করেন।

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩২

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩২ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৪৩২ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৩৭৬ জনে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে ৪৩১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ৮৩১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩০ হাজার ৩৭৬ জন।

ব্যক্তির পদমর্যাদাক্রম নিয়ে রিভিউ শুনানি পিছিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর

ব্যক্তির পদমর্যাদাক্রম নিয়ে রিভিউ শুনানি পিছিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে ফের আপিল শুনবেন আপিল বিভাগ। আগামী ৪ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আজ আপিল শুনানির এই দিন ধার্য করেন আদালত। এর আগে, গত ২১ আগস্ট রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (পদমর্যাদাক্রম) নিয়ে আপিল বিভাগের রায় রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) চেয়ে করা আবেদনের রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেছিলেন আপিল বিভাগ। ওইদিন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেছিলেন। গত ২৭ এপ্রিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রম নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি শুরু হয়।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩০

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩০ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে সারাদেশে ৪৩০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাত জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১ জন এবং রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৪২০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ২৮ হাজার চারশ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৯ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত তিনজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুইজন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন রয়েছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।