ভোটের মাঠ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে তিন বাহিনীর ড্রোন

ভোটের মাঠ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে তিন বাহিনীর ড্রোন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বিকভাবে পর্যবেক্ষণে বিমান বাহিনীসহ তিন বাহিনীর ড্রোন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ড্রোনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং র্যাবের মহাপরিচালকের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চিঠিগুলোতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার মাধ্যমে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে স্বল্প সময়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তব অবস্থা নির্ণয়, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি অত্যন্ত সহায়ক হবে। এ প্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিমান বাহিনী, র্যাব ও বিজিবি কর্তৃক ড্রোন মোতায়েন করে ড্রোনের লাইভ ফিড নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে সরবরাহের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া বিমান বাহিনীর ড্রোন থেকে প্রাপ্ত লাইভ ফিড নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়েও প্রদান করতে হবে বলে বিমান বাহিনীর কাছে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ করা স্বাধীন সাংবাদিকতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ: ডিআরইউ

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ করা স্বাধীন সাংবাদিকতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ: ডিআরইউ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তথ্য সংগ্রহে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। আজ ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মোবাইল ফোননির্ভর এই যুগে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা আনার যুক্তি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন। বরং এতে ভোটের অনিয়ম আড়াল করার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং এটি নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার একটি অপরিহার্য উপাদান। নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিধি নিষেধ অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ (চারশত) গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কারো মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাস্তব ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা নির্বাচনকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্যত অচল করে দেওয়ার শামিল। ডিআরইউ মনে করে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবিধানস্বীকৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে সরাসরি ক্ষুণ্ন করে। ডিআরইউ’র মতে, মোবাইল ফোন ছাড়া আধুনিক সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। তথ্য সংগ্রহ, তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিও ধারণ, অনিয়ম নথিভুক্ত করা এবং জরুরি যোগাযোগ- সবই মোবাইল ফোননির্ভর।সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে বাধা দেওয়া মানে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জনসমক্ষে অস্বচ্ছ করে তোলা। ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ জানান, সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করে কোনোভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অবিলম্বে নির্বাচনকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই ধরনের বিধিনিষেধকে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করে ডিআরইউ সারাদেশের সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
ভোটকেন্দ্রে নেওয়া যাবে না মোবাইল

ভোটকেন্দ্রে নেওয়া যাবে না মোবাইল গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সীমিত কর্মকর্তারা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারসহ কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্য। তারা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার ও ভিডিপির মধ্যে ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ দুই জন আনসার সদস্য। ইসি জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার ২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পালন করবেন মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা । এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। সব মিলিয়ে প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন।
আগামীকাল শেষ হচ্ছে প্রচার, ২৯৯ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন

আগামীকাল শেষ হচ্ছে প্রচার, ২৯৯ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সব ধরনের প্রচার শেষ হচ্ছে আগামীকাল সকাল সাড়ে ৭টায়। এদিকে, সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণের সব ধরেন প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্ধারিত সময়ের পর রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, প্রচারপত্র বিতরণ কিংবা গণমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে ইসি। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার ২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে ৩০০ আসনের পরিবর্তে এবার ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের কারণে এবার বুথ ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ব্যালট গণনায় স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ইসি। নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পালন করবেন মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটার সংখ্যার দিক থেকে ২৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সর্বাধিক ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। সব মিলিয়ে প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।এছাড়া, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১৯৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন। আর সবচেয়ে কম প্রার্থী রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে, যেখানে মাত্র ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ

নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। নির্বাচন কমিশন ইসি জানিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। আর হিজড়া ১ হাজার ২২০ জন। ৩০০ আসনে মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে। আর সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।
দেশে এসেছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

দেশে এসেছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আজ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, আজ সকাল ১১ টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৫ লাখ ৩ হাজার ৪৪১ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
আজ থেকে মাঠে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আজ থেকে মাঠে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ থেকে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছে। ভোটের আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।
৪৬তম বিসিএসে ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সাময়িক সুপারিশ

৪৬তম বিসিএসে ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সাময়িক সুপারিশ ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩ এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৪৫৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগে সাময়িকভাবে সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ সন্ধ্যায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ২৬ জানুয়ারি। গত বছরের ২৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৪ হাজার ৪২ জন উত্তীর্ণ হন। এর আগে ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয় এবং ১০ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা গত বছরের ৮ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরে পরীক্ষার্থীদের দাবির মুখে তা স্থগিত করা হয়। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ বিসিএস থেকে ৩ হাজার ১৪০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন, শিক্ষা ক্যাডারে শিক্ষায় ৫২০ জন।
রমজান মাসে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা

রমজান মাসে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পবিত্র রমজান মাসে সরকারি অফিসের সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অন্যান্য বছরের মতো এবারও রমজানে সব সরকারি দপ্তরে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ সময়সূচি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। রমজানে প্রতিদিন দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি আগের মতোই শুক্র ও শনিবার বহাল থাকবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে। বর্তমানে সরকারি অফিসের নিয়মিত সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক বিভাগ, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ আইন ও বিধি অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনায় সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।
দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট

দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা ভোট দিচ্ছেন। এরইমধ্যে সোয়া ৪ লাখের বেশি প্রাবসী ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে এসেছে পৌঁছেছে। ইসির আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করা ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসী ভোটারের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৩ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জন। সালীম আহমাদ খান জানান, প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯১টি পূরণকৃত ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাকবাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০টি ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে। পৌঁছানো ব্যালটগুলোর মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজার ১৬৮টি পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত যেসব পোস্টাল ব্যালট পৌঁছাবে, কেবল সেগুলোই গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।