৫০ ভাগ নারী বাদ দিয়ে উন্নয়নের চিন্তা ভুল বলেছেন সেনাপ্রধান

৫০ ভাগ নারী বাদ দিয়ে উন্নয়নের চিন্তা ভুল বলেছেন সেনাপ্রধান দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, তাদের বাদ দিয়ে উন্নয়নের চিন্তা করলে তা ভুল হবে এমনটাই বলেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আজ সকালে জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে নারীদের দক্ষভাবে গড়ে তুলতে হবে। প্রাক্তন ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবার আগে ভালো মানুষ হতে হবে। নীতি-নৈতিকতার সাথে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সারাদেশে দোকান ও শপিংমল খোলা থাকবে: মালিক সমিতি

বৃহস্পতিবার সারাদেশে দোকান ও শপিংমল খোলা থাকবে: মালিক সমিতি বৃহস্পতিবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত কথিত লকডাউন উপেক্ষা করে ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আগামী ১৩ নভেম্বর ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা থাকবে। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে অনেকটা ছন্নছাড়া অবস্থায় রয়েছে আওয়ামী লীগ। গণহত্যায় অভিযুক্ত দলটির কার্যক্রমও ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। আগামী নির্বাচনে দলটির অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। এই অবস্থায় বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারা দেশের নেতাকর্মীদের উসকানি দিয়ে মাঠে নামানোর পাঁয়তারা করছেন। গণহত্যার অভিযোগে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা হবে বৃহস্পতিবার। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ তাদের অস্তিত্ব জানান দিতে চাচ্ছে। দলটি অনলাইনে ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু স্থানে ঝটিকা মিছিল ছাড়া তেমন কোনো তৎপরতা কোথাও নেই। তবে গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যেকোনো মূল্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রুখতে সারাদেশে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জাতির জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে : প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জাতির জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে : প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে কানাডীয় সাত সদস্যের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই সাক্ষাতে প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান। সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিনিধিদলকে দেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া ও আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, আপনারা এমন এক সময় বাংলাদেশে এসেছেন, যখন দেশটি এক ঐতিহাসিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে—একটি তরুণ-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে। এখন আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে উঠবে। রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতি কানাডার দীর্ঘদিনের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের আট বছর পেরিয়ে গেছে। তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনই একমাত্র টেকসই সমাধান—এর কোনো বিকল্প নেই। প্রায় ১২ লাখ মানুষ এখানে বসবাস করছে। হাজার হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে, বড় হচ্ছে—কিন্তু তারা জানে না তাদের নাগরিকত্ব কী, ভবিষ্যৎ কী। তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এখন আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান জানান, তিনি রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেবেন এবং এ বিষয়ে কানাডার অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলছি। এটি একটি গুরুতর মানবিক উদ্বেগের বিষয়। বিশ্বের উচিত তাদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী হওয়া। তিনি প্রফেসর ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তার অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন সংসদ সদস্য সালমা জাহিদ (স্কারবোরো সেন্টার–ডন ভ্যালি ইস্ট, লিবারেল), সামির জুবেরি—বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক মন্ত্রীর সংসদীয় সচিব এবং পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য; মাহমুদা খান, হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনালের (এইচসিআই) গ্লোবাল সিইও; মাসুম মাহবুব, হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ (এইচসিইউএসএ)-এর সিইও; আহমদ আতিয়া, জেস্টাল্ট কমিউনিকেশনসের সিইও; এবং উসামা খান, ইসলামিক রিলিফ কানাডার সিইও।

ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে এক হাজার ১৩৯ জন ডেঙ্গুরোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার (১২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২২৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৫৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪৩ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮২ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৬ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিন জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৫১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ৭৭ হাজার ৯৮৯ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৮১ হাজার ৭৭৩ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক চার শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ছয় শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৩২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

১৩ নভেম্বর এর জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা নেয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৩ নভেম্বর এর জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা নেয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আগামী ১৩ নভেম্বর সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এমন কোনো সন্দেহভাজনকে দেখলে দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তিনি এ আহ্বান জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্যাট্রোলিং কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে, কেপিআই এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি খোলা তেল বিক্রি বন্ধসহ বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের রায় ২০ নভেম্বর

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের রায় ২০ নভেম্বর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আপিল বিভাগ আগামী ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করবেন। আজ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করেন। জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়। এর আগে ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে।  

সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আরো সাড়ে ৪ মাস

সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আরো সাড়ে ৪ মাস সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদুর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আরও সাড়ে চার মাস বাড়ানো হয়েছে। আজ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ১২ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকারের পট পরিবর্তনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরে প্রথমে দুই মাসের জন্য এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। পরে তা আরও ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়।    

আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল, গেজেট প্রকাশ

আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল, গেজেট প্রকাশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কঠোর আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ভোটের প্রচারে পোস্টার ও ড্রোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। গতকাল ইসির জারিকৃত আচরণবিধিতে বলা হয়েছে- একজন প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন, যার দৈর্ঘ্য হবে সর্বোচ্চ ১৬ ফুট এবং প্রস্থ ৯ ফুট। আলোকসজ্জা ও পলিথিন বা পিভিসি জাতীয় উপকরণ ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রচারে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি ভাঙলে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিল, অন্যান্য বিধি না মানলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা এবং একই কারণে দলের জন্য দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আনা হয়েছে।

গুজব ও বিভ্রান্তি প্রতিরোধে সাইবার সেলের কার্যক্রম শুরু

গুজব ও বিভ্রান্তি প্রতিরোধে সাইবার সেলের কার্যক্রম শুরু ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ও গুজব প্রতিরোধে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি (এনসিএসএ)। এই সেল সার্বক্ষণিকভাবে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ, তথ্য যাচাই-বাছাই ও সত্যতা নিশ্চিতের কাজ করবে। আজ এনসিএসএ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এনসিএসএ এ লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং, প্রেস ইনফরমেশন বাংলাদেশ পিআইবি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। কোন তথ্য বা কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার আগে অবশ্যই তার উৎস যাচাই করতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এনসিএসএ। পাশাপাশি সন্দেহজনক, উসকানিমূলক বা দেশবিরোধী কনটেন্ট দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে সংস্থাটিকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের দ্রুত সহায়তায় এনসিএসএ ২৪/৭ হেলপলাইন সেবা চালু রয়েছে। নাগরিকদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য চারটি আলাদা ই-মেইল খোলা হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে বয়স সংশোধনে কঠোর হচ্ছে ইসি

মাঠ পর্যায়ে বয়স সংশোধনে কঠোর হচ্ছে ইসি   মাঠ পর্যায়ে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) বয়স সংশোধনের কাজ না করানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধনের অপব্যবহার ও অনিয়ম ঠেকাতে নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে কেন্দ্রীয়ভাবে এসব আবেদনের নিষ্পত্তি হবে। সোমবার (১০ নভেম্বর) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, এনআইডি সংশোধনের বর্তমান প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অসৎ উদ্দেশ্যে তথ্য পরিবর্তনের প্রবণতা দেখা দেওয়ায় কমিশন বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। তিনি বলেন, “বয়স সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এখন থেকে মাঠ পর্যায়ের অফিসে না রেখে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে নিষ্পত্তি করা হবে। এতে ডাটাবেজের সুরক্ষা বাড়বে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।” ডিজি আরো জানান, এনআইডি সংশোধনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য দিয়ে জন্মতারিখ পরিবর্তনের ঘটনাও ধরা পড়েছে। এসব প্রতিরোধেই নতুন এসওপি প্রণয়নের কাজ চলছে।