পশ্চিমবঙ্গে আরো ২৬ বাংলাদেশি জেলে গ্রেপ্তার

পশ্চিমবঙ্গে আরো ২৬ বাংলাদেশি জেলে গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের অভিযোগে আরো ২৯ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড পুলিশ। জব্দ করা হয়েছে তাদের মাছ ধরার ট্রলারটিও। রবিবার গভীর রাতে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়ার অভিযোগে তাদের আটক করে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য রবিবার রাতে তাদের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মাঝ সমুদ্রে মাছ ধরতে এসে পথ হারিয়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়ে ওই বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরা। এর আগে, শনিবার রাতে, ২৯ জন বাংলাদেশি জেলেকে আটক করা হয়েছিল এবং তাদের সোমবার কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। এখন, আবারও, রবিবার ভোরে, আরো ২৬ জন বাংলাদেশি জেলেকে আটক করা হলো। যদিও বাংলাদেশ সরকার বারবার অভিযোগ করেছে যে, ভারতীয় জেলেরা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখায় যে বাংলাদেশি মাছ ধরার ট্রলারগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করছে এবং ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করছে। ফলে উপকূলীয় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে কোস্টগার্ড এবং পুলিশ প্রশাসন।
এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি নবজন্ম লাভ করবে: প্রধান উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি নবজন্ম লাভ করবে: প্রধান উপদেষ্টা আগামী নির্বাচন ও গণভোটে শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের নির্বাচন গতানুগতিক কোনো নির্বাচন নয়; বরং এটি দেশ রক্ষার নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি নবজন্ম লাভ করবে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সদ্য পদায়নকৃত ৫০ জেলা প্রশাসকসহ ৬৪ জেলার প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী নির্বাচনকে শুধু পাঁচ বছরের সরকার গঠনের একটি নির্বাচন নয়; বরং গণভোট যুক্ত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি নির্বাচন। জাতি বহু প্রহসনের নির্বাচন দেখেছে, সেই স্মৃতি ছাপিয়ে যেতে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে।” “এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচন; এই নির্বাচন গণঅভ্যুত্থানকে পূর্ণতা দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জাতির জন্য নির্ধারিত হবে শতাব্দীর গতিপথ,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা। এই নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কোনোভাবেই ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি নবজন্ম লাভ করবে এবং জেলা প্রশাসকরা থাকবেন ধাত্রীর ভূমিকায়।” জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আপনাদের যা যা জানা প্রয়োজন সব জেনে নেবেন। নির্বাচনকে একই সঙ্গে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে।” তিনি বলেন, “মনে রাখতে হবে বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারী ভোটার রয়েছেন, যারা ভোট দেওয়ার উপযুক্ত হলেও গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।”
শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নামে দেশে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই নির্দেশ দেন। পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য একটি অভিযোগ তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মানুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং হতাহতের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনরা।
মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড, মামুনের ৫ বছর সাজা

মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড, মামুনের ৫ বছর সাজা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এর আগে গত ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি। রায় ঘোষণার আগে আজ সকাল সাড়ে ৮টায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে। মামলার বিচার কার্যক্রম চলতি বছর ১০ জুলাই অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারকাজ শুরু হয় এবং ২৩ অক্টোবর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। গত বছর ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অভিযোগ গঠনের পর থেকে তিন মাস ১৩ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হলো। একনজরে শেখ হাসিনার বিচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যাসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গত বছরের ১৪ আগস্ট ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ করেন শহীদ সিয়ামের বাবা বুলবুল ফকির। এতে প্রথম অভিযোগ ছিল শেখ হাসিনাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এক থেকে ৯ নম্বর আসামির নির্দেশে ও পরিকল্পনায় অন্য আসামিরা দেশি এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করে মামলা হিসেবে ট্রাইব্যুনালের ‘কমপ্লেইনার’ রেজিস্টারে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ শুরু হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর। সেদিনই এ মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছর ১৬ মার্চ সাবেক আইজিপি মামুনকে এ মামলায় আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চলতি বছরের ১২ মে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। আর প্রসিকিউশন শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে গত ১ জুন। প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগপত্রটি ছিল ১৩৫ পৃষ্ঠার। এর সঙ্গে আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার বিভিন্ন নথি ও তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার জানে আলম খান ও মো. আলমগীর। পাঁচ অভিযোগ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ এ মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়। সেগুলো হলো উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।
বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট

বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট সারাদেশের সব আদালত প্রাঙ্গণে ও বাসস্থানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের দায়ের করা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে শিকদার মো. মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
অনিবন্ধিত মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বিটিআরসির সুখবর

অনিবন্ধিত মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বিটিআরসির সুখবর আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে বন্ধ হয়ে যাবে সব ধরনের অবৈধ ও অনিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেট। তবে, এর মধ্যেই যারা অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটির নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বরের আগে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোন স্বংক্রিয়ভাবেই নিবন্ধিত হয়ে যাবে। আজ এ বার্তা দিয়েছে বিটিআরসির। সেখানে বলা হয়েছে, ‘১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট (বৈধ বা অবৈধ বা ডাটাবেইজে পাওয়া যায়নি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং তা নেটওয়ার্কে সচল থাকবে।’ বার্তায় আরও বলা হয়, আগামী ১৬ ডিসেম্বরে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমটি চালু হতে যাচ্ছে। ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সকল মোবাইল হ্যান্ডসেট (বৈধ বা অবৈধ বা ডাটাবেইজে পাওয়া যায়নি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং তা নেটওয়ার্কে সচল থাকবে। মোবাইল হ্যান্ডসেট ক্রয়ের পূর্বে বৈধতা যাচাই করার পদ্ধতি: আপনার হ্যান্ডসেটের IMEI নাম্বার জানার জন্য ডায়াল করুন *#06#। অতঃপর মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD<space>১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণ করুন। ফিরতি মেসেজ এর মাধ্যমে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। এনইআইআর সম্পর্কিত তথ্য সেবা : এনইআইআর সম্পর্কিত যে কোন তথ্য জানার প্রয়োজন হলে বিটিআরসির হেল্পডেস্ক নম্বর ১০০ এ কল করুন। যেকোনো অপারেটরের মোবাইল নাম্বার থেকে ডায়াল করুন *16161#। সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার নম্বর ১২১ এ ডায়াল করে অথবা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করে এ সংক্রান্ত সেবা নিন। NEIR সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসার সমাধান পেতে ভিজিট করুন http://neir.btrc.gov.bd।
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজার ১৩৯

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজার ১৩৯ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৩৯ জন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১৮ জন, খুলনা বিভাগে ১১৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ৪৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রংপুর বিভাগে ৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এবং সিলেট বিভাগে একজন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদিকে, গত একদিনে সারা দেশে ১১৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৪২ জন। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৪ হাজার ৯৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ঢাকা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষায় নতুন জিপিএ–৫ পেল ২০১ শিক্ষার্থী

ঢাকা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষায় নতুন জিপিএ–৫ পেল ২০১ শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে ২০১ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ–৫ পেয়েছে, আর ৩০৮ জন ফেল থেকে পাসে ফিরেছে। আজ পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ঢাকা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, এ বছর মোট ৭৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৩৩১ জনের ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ হয়েছিল গত ১৬ অক্টোবর। এরপর ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়। বোর্ড সূত্র জানায়, এ বছর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এর মধ্যে সর্বাধিক আবেদন করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, আর সবচেয়ে কম আবেদন এসেছে বরিশাল বোর্ডে। বিষয়ভিত্তিকভাবে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে সর্বাধিক আবেদন জমা পড়ে। ঢাকা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বোর্ডটির ২ লাখ ৯২ হাজার ৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৬ হাজার ১৫০ জন পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন। এসব আবেদন থেকে জমা পড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৬টি খাতা চ্যালেঞ্জ। এরপর অবস্থান কুমিল্লা বোর্ডে ২২ হাজার ৫০৩ জনের ৪২ হাজার ৪৪টি খাতা, রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার ৯২৪ জনের ৩৬ হাজার ১০২টি খাতা এবং চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২ হাজার ৫৯৫ জনের ৪৬ হাজার ১৪৮টি খাতা পুনর্নিরীক্ষার আবেদন। যশোর বোর্ডে আবেদন করেছে ২০ হাজার ৩৯৫ জন, মোট খাতা ৩৬ হাজার ২০৫টি। দিনাজপুরে আবেদন করেছে ১৭ হাজার ৩১৮ জন, খাতা ২৯ হাজার ২৯৭টি। ময়মনসিংহ বোর্ডে ১৫ হাজার ৫৯৮ জন, খাতা ৩০ হাজার ৭৩৬টি। সিলেট বোর্ডে ১৩ হাজার ৪৪ জন, খাতা ২৩ হাজার ৮২টি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ হাজার ৭ জন, খাতা ১৫ হাজার ৩৭৮টি। আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করেছে ৭ হাজার ৯১৬ জন, খাতা ১৪ হাজার ৭৩৩টি। সবচেয়ে কম আবেদন এসেছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে—এখানে ৮ হাজার ১১ জন শিক্ষার্থী ১৭ হাজার ৪৮৯টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন। ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ৯ হাজার ১৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১১ হাজার ৪৪৭ জন, ছাত্রী ৬ লাখ ২৪ হাজার ২১৫ জন। আগের ফল অনুযায়ী মোট পাস করেছে ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন, পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ফেল করেছে ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন, যা ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ। ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।
৬ দলের সঙ্গে সংলাপে ইসি

৬ দলের সঙ্গে সংলাপে ইসি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসেবে আজ দ্বিতীয় দিন সকালে ৬টি দলের সঙ্গে সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিকালে আরও ৬টি দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে ইসি। আজ নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক মো. আশাদুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, আজ সংলাপে পর্যন্ত গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামীক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি অংশ নেয়।
ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’, শীর্ষে দিল্লি

ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’, শীর্ষে দিল্লি বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ১৮১ স্কোর নিয়ে ৫ম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। ফলে আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’। আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-একিউআই) বিশ্বে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ৫৫৯ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান নির্ধারণ সংস্থা ‘আইকিউএয়ার’ থেকে এ তথ্য নেওয়া হয়েছে। আইকিউএয়ারের দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২১১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। একই সঙ্গে ২০২ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে মিশরের কায়রো শহর। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা ‘সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর (অসুস্থ বা শিশু-বৃদ্ধ) জন্য অস্বাস্থ্যকর ধরা হয়। আর স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত থাকলে সে বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয় এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।