আরো জোরদারের প্রত্যাশা বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক

আরো জোরদারের প্রত্যাশা বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক রবিবার সচিবালয়ে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত । বাংলাদেশের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রবিবার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি। এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জনগণের বিপুল সমর্থনে গঠিত বর্তমান সরকারের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে তারা আগ্রহী।” বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি খাত, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এসব খাতে সুইজারল্যান্ড সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত। এ সময় সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড যৌথভাবে কাজ করবে। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৫৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি

৫৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫৩ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি করা হয়। একটি প্রজ্ঞাপনে ৪০ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সহকারী পুলিশ সুপার থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে নামের পাশে উল্লেখিত পদে বদলি থাকবে। আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ১৩ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জেলার বিভিন্ন সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট চালু সীমিতভাবে

মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট চালু সীমিতভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ওমান ও সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। এর ফলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ আরও ২০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৮টি। ৭ মার্চ বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট। তবে সংকটের মধ্যেও সীমিত পরিসরে মধ্যপ্রাচ্যগামী কিছু ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী- গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত ওমানের মাসকাট, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী মোট ২১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে এবং হচ্ছে। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ৬টি, ১ মার্চ ২০টি, ২ মার্চ ১৮টি, ৩ মার্চ ২২টি, ৪ মার্চ ৩৫টি, ৫ মার্চ ৩৮টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ রয়েছে ৪১টি ফ্লাইট। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হচ্ছে। বিশেষ করে ওমান ও সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে এবং ধাপে ধাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু রুটেও ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ওয়েবসাইটে রেকর্ড হিট ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে চাপ

ওয়েবসাইটে রেকর্ড হিট ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে চাপ পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩ মার্চ থেকে শুরু করেছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (৭ মার্চ) বিক্রি হলো ১৭ মার্চের টিকিট। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ পাওয়া যাবে। সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে। টিকিট ক্রয় সহজলভ্য করার জন্য পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি হচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, শনিবার টিকিট বিক্রির প্রথম ঘন্টায় ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপে যাত্রীদের বিপুল চাপ লক্ষ্য করা গেছে। সকাল ৮টা থেকে ৮.৩০টার মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট কাটতে ওয়েবসাইটে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ হিট রেকর্ড করা হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ১৭ মার্চের জন্য ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ২০টি ট্রেনে মোট ৩১ হাজার ২৫৫টি আসন রয়েছে। সকাল ১০টার মধ্যে এর মধ্যে ১৪ হাজার ৬৮৬টি আসন বিক্রি হয়ে গেছে। ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-পঞ্চগড়, ঢাকা-চিলাহাটি, ঢাকা-বেনাপোল, ঢাকা-দিনাজপুর, ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-কুড়িগ্রাম ও ঢাকা-খুলনা রুটের ট্রেনে তখন **কোনো আসন অবশিষ্ট ছিল না। রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় শনিবারের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী টিকিট কাটার চেষ্টা করায় ওয়েবসাইট ও অ্যাপে চাপ তৈরি হয়েছে। তারা ধারণা করছেন, আজ ও আগামীকাল টিকিটের চাহিদা সর্বোচ্চ থাকবে। টিকিট না পেয়ে অনেক যাত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করেছেন। আতিকুল ইসলাম নামে এক যাত্রী লিখেছেন, সকাল ৮টায় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও টিকিট কাটতে পারিনি। বুকিং হয়ে গিয়েছিল। রেলওয়ে জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যাত্রার আগের সাত দিনের ট্রেনের টিকিট অগ্রিম বিক্রি করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ১। ৭ মার্চ বিক্রি হলো ১৭ মার্চের টিকিট; ২। ৮ মার্চ বিক্রি হবে ১৮ মার্চের টিকিট; ৩। ৯ মার্চ বিক্রি হবে ১৯ মার্চের টিকিট। পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিট বিক্রি শনিবার দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে।
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা মধ্যপ্রাচ্য চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এতে দেশেও জ্বালানি তেলের সংকট তৈরির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছে এবং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন। এজন্য ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আজ বিপিসির এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। এসইউভি বা জিপ ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে। এদিকে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের কোনও সংকট নেই। পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই অযথা উদ্বিগ্ন হয়ে কেউ যেন তেল মজুত না করেন। আজ পরীবাগের পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বিদায়ি ফেব্রুয়ারিতে পথে মৃত্যু ৪৭৭ জনের

বিদায়ি ফেব্রুয়ারিতে পথে মৃত্যু ৪৭৭ জনের সদ্য বিদায়ি মাস ফেব্রুয়ারিতে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৪৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ৪৮৮টি দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও মৃত্যু সড়ক পথে। আজ বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ১ হাজার ১৮১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু ও ১১ জন আহত হয়েছেন। ৬টি দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু ও পাঁচজন আহত হয়েছে নৌ পথে।
পাট বিপ্লব শুরু হতে পারে বাংলাদেশ থেকেই বলেছেন পাটমন্ত্রী

পাট বিপ্লব শুরু হতে পারে বাংলাদেশ থেকেই বলেছেন পাটমন্ত্রী বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, পাট বিজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে পাট শিল্প। পাট বিপ্লব শুরু হতে পারে বাংলাদেশ থেকেই। আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পাটমন্ত্রী বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম ঠেকাতে কার্যকর সাপ্লাই চেইন করা হবে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং পলিথিনের ব্যবহারে পাটজাত পণ্যের গুরুত্ব বেড়েছে। খাত ভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ১ কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে। ১০ দিনের মাথায় কৃষিঋণ মওকুফের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি লিবিয়ার বেনগাজীতে আটকাপড়া এবং ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি থাকা ১৬৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন ১৪৩ জন এবং বেনগাজী ও আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী দুস্থ, অসহায় ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ২২ জন রয়েছেন। আজ সকাল সাড়ে ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর সহযোগিতায় তাদের দেশে ফেরানো হয়।
সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়াতে

সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়াতে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল কেনাবেচার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতিমাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। জ্বালানি তেল আমদানি ও বাজারজাত করার জন্য নিয়োজিত সরকারি এ সংস্থা জানায়, কিছু কিছু ভোক্তা ডিলার ও ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। দেশের জনগণের ভয় ও আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম বা সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল পাঠানো হচ্ছে।
২৪৫ ফ্লাইট বাতিল এক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের

২৪৫ ফ্লাইট বাতিল এক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বন্ধ রয়েছে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের আকাশসীমা। এ কারণে শুক্রবার (৬ মার্চ) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আরও ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ২৪৫টি। বাতিলকৃত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েতের ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, কাতারের ৪টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের (বাংলাদেশ) ৫টি, বাহরাইনের ২টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (বাংলাদেশ) ২টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়। পরদিন ১ মার্চ বাতিল হয় ৪০টি ফ্লাইট। ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ আরও ২৮টি এবং গতকাল ৫ মার্চ ৩৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। ৬ মার্চ বাতিল হওয়া ৩৩ ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ৪টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, এমিরেটসের ৪টি, ইউএস–বাংলার ৫টি, গালফ এয়ারের ২টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের ২টি ফ্লাইট আছে।