৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস

৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ এবং ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার (২৫ জুন) রাতে সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালিত হবে। ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রতি বছর দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালন করা হবে। তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, সরকার ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর এ তারিখকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তথ্য অধিদপ্তর জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ সরকার ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতি বছর দিতবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর এ তারিখকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ ঘোষণা ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে পালন এবং দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার প্রতিবছর ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ওই তারিখকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে পালনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবরের পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এসব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।
ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২, আক্রান্ত ৩২৬

ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২, আক্রান্ত ৩২৬ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরো ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ৩২৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন বরিশাল বিভাগে। এছাড়া মৃতদের মধ্যে রাজশাহী বিভাগে একজন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১১৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১ জন, ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনে ৭৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৯ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং সিলেটে একজন রয়েছেন। রংপুর বিভাগে নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩১৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭ হাজার ৭৪৯ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে আট হাজার ৮৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।
কাল থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১২ লাক্ষাধিক শিক্ষার্থী

কাল থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১২ লাক্ষাধিক শিক্ষার্থী চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ জুন)। সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে লিখিত পরীক্ষা, যা চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ বছর মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৫৯৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী ৮৬ হাজার ৪০ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৯ হাজার ৪৭৭ জন। দেশব্যাপী ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮১ হাজার ৮৮২ জন। ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৩ জন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। নকল ও প্রশ্নফাঁস রোধে দেশের সব কোচিং সেন্টার ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ, পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রশ্ন সংরক্ষণ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে জারি করা ৩৩ দফা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে— প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ পরিদর্শক রাখতে হবে পরীক্ষাকক্ষে পরীক্ষার্থীদের তিন ফুট দূরত্বে বসাতে হবে নির্ধারিত সেট অনুযায়ী প্রশ্নপত্র খোলা ও অব্যবহৃত সেট ফেরতের ব্যবস্থা থানার ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রশ্ন আনতে হবে কেন্দ্রের বাইরে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে হবে প্রয়োজন হলে মাইক ব্যবহার করে সচেতনতা তৈরি করতে হবে কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ‘নকল প্রতিরোধ’ পোস্টার লাগানো বাধ্যতামূলক পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরতে হবে এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার সময় শুধুমাত্র এনালগ কাঁটাযুক্ত ঘড়ি ব্যবহার করার অনুমতি থাকবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকা ওএমআর শিটে নির্ভুলভাবে তথ্য লেখা ও বৃত্ত ভরাট উত্তরপত্র ভাঁজ না করা শুধুমাত্র সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার এমসিকিউ ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনা নিষিদ্ধ তত্ত্বীয়, এমসিকিউ ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে পরীক্ষার্থী কেবলমাত্র প্রবেশপত্রে উল্লিখিত বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা হবে না, স্থানান্তরের মাধ্যমে আসনবিন্যাস করা হয়েছে উপস্থিতি পত্রে স্বাক্ষর দিতে হবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক খন্দকার এহসানুল কবির জানান, পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বাড়তি নজরদারি থাকবে যাতে গুজব ও বিভ্রান্তি ঠেকানো যায়। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দেশের সব শ্রেণি পেশার নাগরিকদের পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, জলাশয়গুলো পলিথিন ও প্লাস্টিকে ভরে গেছে। পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহার ঠিক না থাকায় জীববৈচিত্র্য এখন ধ্বংসের মুখে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তরুণরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, তাই পরিবেশ ও জয়বায়ু মোকাবেলার কার্যক্রমে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নদীর তলদেশের মাটির ৪/৫ ফুট নীচেও পলিথিন পাওয়া যাচ্ছে। এটি আমাদের জীব-জীব-বৈচিত্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে। এগুলোর জন্ম আছে কিন্তু শেষ নেই। তিনি আরো বলেন, আমাদের সামনে দৈত্যাকারে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জলবায়ু সংকট। সে ক্রমাগত হুঙ্কার দিচ্ছে, হয় আমরা থাকবো, না হয় তোমরা থাকবে। দুইজন একসঙ্গে থাকতে পারবে না।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কসোভোর রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কসোভোর রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা।আজ বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল রাষ্ট্রদূত প্লানার প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত প্লানাকে তার নিয়োগের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাংলাদেশের ‘জুলাই বিদ্রোহ’-এর চেতনার কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা কসোভোর জনগণের স্বাধীনতা, শান্তি এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি তাদের অবিচল প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেন। কসোভোকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত প্লানা। তিনি ১৯৯০-এর দশকের শেষদিকে কসোভো অঞ্চলের সশস্ত্র সংঘাতের পর কসোভোর জনগণের জীবনে পুনর্গঠনে গ্রামীণ কসোভোর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে মূল্যবান অংশীদার হিসেবে দেখি। আমি আপনার ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতির প্রতি সম্মান জানাতে চাই। আপনার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ট্রাস্ট আমাদের জাতির জন্য এক বিশাল সহায়তা ছিল। স্বাধীনতা ও উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশি সদস্যদের অবদান এবং সহায়তার জন্য আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে বৈঠকে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা রপ্তানিমুখী পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো সম্ভাবনাময় খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি কসোভোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।রাষ্ট্রদূত প্লানা দুদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে উভয় দেশের বাণিজ্য ও শিল্প চেম্বারগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। মানবিক সংযোগ জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা কসোভোর বিভিন্ন খাতে আরও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য সহায়তার আহ্বান জানান। তিনি আরও প্রস্তাব দেন, কসোভোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং সে লক্ষ্যে বৃত্তি, ফেলোশিপ ও একাডেমিক অনুদান প্রদান করা যেতে পারে।
দেশে আরও ২১ জনের করোনা শনাক্ত

দেশে আরও ২১ জনের করোনা শনাক্ত দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি। তবে নতুন করে আরও ২১ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৪৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আর মহামারি শুরুর পর থেকে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫২ হাজার ১৮ জনে। একই সময়ে কেউ মারা না গেলেও, ২০২৪ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে করোনায় এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫১৮ জনের। এছাড়া মোট পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ১৩১টি।বর্তমানে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম ৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বৃষ্টি থামার আভাস নেই, গরম নিয়ে সুখবর

বৃষ্টি থামার আভাস নেই, গরম নিয়ে সুখবর মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে—এ অবস্থায় দেশের সব বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া দেশের তিন বিভাগে ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। এ ছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। সংস্থাটি জানায়, আগামী শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরদিন শনিবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এদিকে গতকাল সোমবার সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বাগেরহাটের মোংলায় ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেডর্ক করা হয়েছে বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায় ১৩৪ মিলিমিটার।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর বিভিন্ন রুটের ফ্লাইটে পরিবর্তন

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর বিভিন্ন রুটের ফ্লাইটে পরিবর্তন চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন এবং কাতার কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর ফলে ঢাকা থেকে উল্লিখিত গন্তব্যগুলোতে পরিচালিত কিছু ফ্লাইটে সময়সূচির পরিবর্তন এবং সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছে। বিশেষ করে শারজাহ, বাহরাইন, কুয়েত, দোহা, আবুধাবি ও দুবাই রুটে যাতায়াতকারী নিম্নোক্ত ফ্লাইটসমূহ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। এগুলো হলো— শারজাহগামী এয়ার অ্যারাবিয়ার ২টি ফ্লাইট ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি; দুবাইগামী এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি; কুয়েতগামী জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি; দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের ২টি, বাংলাদেশ বিমানের ১টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি। উল্লিখিত ফ্লাইটগুলো পর্যায়ক্রমে পুনঃ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যাত্রা শুরু করেছে। এমতাবস্থায়, যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের অফিস বা হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে তাদের ভ্রমণসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য গন্তব্যে পরিচালিত ফ্লাইটগুলো যথারীতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। যাত্রীসাধারণের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হচ্ছে এবং সবাইকে সর্বশেষ তথ্য জানার জন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ১০৮ হাজি

দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ১০৮ হাজি হজপালন শেষে সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ১০৮ জন হাজি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৬ জন আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৩ হাজার ৭৯৫ জন রয়েছেন। মঙ্গলবার হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এয়ারলাইনস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক। এতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ১২৪টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫১টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ২০ হাজার ২০০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৫১টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ১৬০ জন ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৪১ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হজে গিয়ে ৩৮ বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ ও নারী ১১ জন। এর মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ২৫ জন, মদিনায় ১১ জন, জেদ্দায় একজন ও আরাফায় ১ জন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার প্রথম ফ্লাইট ছিল ২৯ এপ্রিল আর শেষ ফ্লাইট ৩১ মে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় গত ১০ জুন। এ দিন সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘এসভি-৩৮০৩’ ৩৭৭ হাজিকে নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ১০ জুলাই হজযাত্রীদের শেষ ফিরতি ফ্লাইট।
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৯২

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৯২ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৯২ জন রোগী। সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে ১২৬ জন। আজ বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুইজনই নারী। আর হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিদের মধ্যে ৩০৬ জনই ঢাকার বাইরের। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩৪ জন, যাদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এখন পর্যন্ত মোট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ১৫০ জন, যার মধ্যে ৪ হাজার ৮০৮ জন পুরুষ ও ৩ হাজার ৩৪১ জন নারী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত বছর ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।