এক বছরে রোহিঙ্গা বাড়ল ১ লাখ ৭৯ হাজার

এক বছরে রোহিঙ্গা বাড়ল ১ লাখ ৭৯ হাজার গত এক বছরে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা আরও প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার বেড়েছে। গতকাল প্রকাশিত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৬ হাজার ১০৭ জন। তবে ২০২৬ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জনে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫৭ জন। ইউএনএইচসিআর জানায়, ১৯৯০ সাল থেকে বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৯ হাজার ৫০২ জন। তবে ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর নতুন করে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বসবাস করছে।
প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ : মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ : মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে একে ‘এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ বলে বর্ণনা করেছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ সকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন মাহদী আমিন। স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন লিখেছেন, আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন। এখানে ২৮ দিনে নেওয়া প্রধান পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হলো, যা সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা ১. ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি–৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে, প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২৫০০ টাকা সহায়তা। মাত্র ২১ দিনে বাস্তবায়ন, সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের উদাহরণ। ২. ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানি–৪৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানি পাচ্ছেন। ৩. ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ–নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস ও হাজি রুমাল বরাদ্দ। সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য ঈদ উপহার। ৪. প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থা–দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি ৫. কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ–প্রায় ২৭০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা। ৬. দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি–২০০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন ৭. সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময়–প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন; কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ৮. ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস–প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত। ৯. বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত–উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব। ১০. এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল–শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে। অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা ১১. বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা–রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়। ১২. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ–১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া। ১৩. শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ–সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ১৪. রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু–পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। ১৫. স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি–স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরী শুরু। শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন ১৬. পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারী বাতিল–প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল; লটারির পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। ১৭. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা–রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি। ১৮. ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ–৯০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার। ১৯. ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি–শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত; নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত উদ্যোগ; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু। স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ ২০. ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র–স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু; ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী। ২১. ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান–সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান; স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ২২. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা–গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ২৩. নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস–সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ; সাইবার বুলিং প্রতিরোধ। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ ২৪. রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়–সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি; অপচয় রোধে ইফতার সীমিত। ২৫. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ–কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ। ২৬. শহীদ সেনা দিবস–২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ। ২৭. ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল–উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ। ২৮. বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট–ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন। সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তাঁর নেতৃত্ব এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্খাকে বাস্তবায়ন করছে। অভূতপূর্ব এ পথযাত্রা নতুন প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে, ইনশাআল্লাহ।
ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি

ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে সরাসরি পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দিয়ে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ঈদকে ঘিরে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলেও জানান আইজি। আজ সকালে গাবতলী বাসটার্মিনাল পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি। আলী হোসেন জানান, ঈদে মহাসড়কে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং এবং অযাচিত কারণে যানজট রুখতে ট্রাফিক বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন অতিরিক্ত যানজট তৈরি না হয়। লোকাল পর্যায়েও যানজট নিরসনে কাজ করছে পুলিশ। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং যাত্রী নামানোর কারণে যানজট বাড়ে জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকলে ঈদযাত্রা আরও ভালো হবে।
আজ থেকে ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু

আজ থেকে ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে আজ থেকে । গতকাল ছিল ঈদুল ফিতরের আগে শেষ কর্মদিবস। এরপরই বিকেল থেকে সড়কে মানুষের ঢল নামে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ শনিবার দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নির্ধারণ করা ছিল। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা ছিল। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। আর ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি মিলিয়ে টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যবণ্টন (কার্যপ্রণালী বিধিমালা, ১৯৯৬)-এর তফসিল অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে ১৮ মার্চ ছুটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জরুরি সেবাগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে।
‘মিড ডে মিল’ পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে চালু হবে: ববি হাজ্জাজ

‘মিড ডে মিল’ পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে চালু হবে: ববি হাজ্জাজ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, প্রথমে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ কর্মসূচি চালু করা হবে, এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্কুলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে শিক্ষা খাত বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত বা সিঙ্গেল কারিকুলামের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। বাংলা, ইংরেজি ও ইবতেদায়ীসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পড়াশোনা করলেও ১২ বছর শেষে যেন শিক্ষার্থীরা সমান দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যেই কাজ চলছে। বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে তিনি আরও জানান, শিক্ষা কারিকুলামে সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী জুন মাসের পর এ বিষয়ে কাজ শুরু হবে এবং দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ববি হাজ্জাজ বলেন, ভাষাগত দক্ষতা, গণিতের দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোচিং নির্ভর শিক্ষার প্রবণতা কমাতে সরকারের অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে কোচিংনির্ভর পড়াশোনা সরকার নিরুৎসাহিত করতে চায়। আগামী তিন বছরের মধ্যে কোচিং সংস্কৃতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার জবাবদিহিমূলকভাবে কাজ করতে চায় এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাকে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঈদের ছুটিতেও খোলা থাকবে ব্যাংক সীমিত পরিসরে

ঈদের ছুটিতেও খোলা থাকবে ব্যাংক সীমিত পরিসরে আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যেও দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখা এবং পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখার নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর সংলগ্ন ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা থাকবে। এই বিশেষ ব্যবস্থা সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনের জন্যও প্রযোজ্য হবে। পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আর্থিক লেনদেনের সুবিধার্থে আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ বিশেষ ব্যবস্থায় ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুই দিন সাভার, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের শিল্পঘন এলাকার নির্ধারিত ব্যাংক শাখাগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে। তবে গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করা যাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের জন্য বিরতি থাকবে। শিল্প এলাকায় বেতন ও বোনাস পরিশোধের চাপ সামলাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
র্যাবের নতুন মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ

র্যাবের নতুন মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ। সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। মো. আহসান হাবীব পলাশ র্যাবের প্রধান হিসেবে এ কে এম শহিদুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হলেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী পহেলা বৈশাখ সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার কৃষক কার্ডবিষয়ক এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকালে সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সারা দেশের কৃষকদের সহায়তা ও কৃষিখাতে সরকারি সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কৃষক কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নির্বাচনী ইশতেহারে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না : প্রধানমন্ত্রী

নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না : প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি মানুষের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে পারে, কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতা, সহনশীলতা, উদারতা ও মানবিক মূল্যবোধ অর্জন ছাড়া প্রকৃত মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে না। এসব মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। তিনি পবিত্র হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিহিংসা ও সহিংসতামুক্ত একটি সমাজ গঠনে ধর্মের এই মানবিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারেক রহমান বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে এবং এগুলোকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি স্মরণ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় দেশে ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু হয়েছিল এবং পরে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা’ কার্যক্রম চালু করেছিল। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদানের পাশাপাশি তাদের দক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, এ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের চার হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানি পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ধর্মীয় নেতাদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি জেলার আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক বৈঠকে একজন ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান, সবাই মিলে আমরা ভালো থাকব। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের হাজার হাজার ধর্মীয় সেবককে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতকে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। প্রকল্পের আর্থিক রূপরেখা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন। অন্যদিকে, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোর জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। একইভাবে বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং খ্রিস্টান চার্চের পালক বা যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।