জুলাইয়ে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা: মাহদী আমিন

জুলাইয়ে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা: মাহদী আমিন আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এ উদ্যোগটি প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব ব্যাগ ও ড্রেস বিতরণ করা হবে। প্রথম মাসেই প্রায় এক লাখের বেশি শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় আসবে। আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বস্ত্র এবং পাট মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাইয়ের শুরু থেকে প্রাথমিকভাবে দুটি করে উপজেলায় প্রতি মাসে এবং প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু হবে। আমরা সব ছাত্রছাত্রীর কাছে পাটের তৈরি ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব। মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য যে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান আমরা সারা বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই। তার অংশ হিসেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সারাদেশে আমরা যে সবসময় বলি, সমতা নিশ্চিত করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে ফেয়ারনেস থাকবে, যেখানে ন্যায্যতা থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে পারব যে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে যে পার্থক্য সেটি যেন কমে আসে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রান্তিক এলাকায় আমরা ধাপে ধাপে এই একই ধরনের পোশাক, একই ধরনের ব্যাগ এবং দেশে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছে দেব। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে দীর্ঘদিনের একটা ভিশন ছিল বাংলাদেশে আমাদের নিজেদের উৎপাদিত যেকোনো পণ্য, সারা বাংলাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারবো। তিনি আরো বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে পাটের ব্যাগটা আমরা দিচ্ছি এটাও একটা বিষয় এই যে, পরিবেশের সঙ্গে যেন এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের একটা লার্নিং শুরু হয়। এখান থেকে এই পাটজাত পণ্য দ্রব্যগুলো ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা। আমাদের হারানো ঐতিহ্য, গৌরবকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের মধ্যে দিয়ে এটা একটা সিগনাল দিচ্ছি, আমরা এই পলিথিন বা এই ব্যাপারে যে আমরা পরিবেশ নষ্ট করে এটার বিরুদ্ধে, এটাকে চেঞ্জ করে আমরা এই পাটজাত পণ্যের দিকে মানুষকে ধাবিত করা, উৎসাহিত করা।
এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে। আজ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল এ তথ্য জানান। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র থাকলেও সাধারণ বোর্ডগুলোতে আলাদা আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা হতো।
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ৃগত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২২৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ২৭ হাজার ১৬৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৯৩৪ জন। ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ হাজার ৮৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি, তবে ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ১৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য বহুমুখীকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’-এর উদ্বোধন করা হয়। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০টি ভিন্ন ধরনের সেবা সরাসরি পাবেন। আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জমির পরিমাণ হ্রাস এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষিখাত নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষিকে টেকসই ও লাভজনক খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃষক কার্ড ১৪ উদ্বোধন করা হয়। কার্ডের মাধ্যমে ১০টি সেবা, যথা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য প্রাপ্তিসহ ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রদান, ইত্যাদি কৃষকগণের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষককে এ কার্ড প্রদান করা হবে। এছাড়াও কৃষির উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে যা নিম্নরূপ: প্রথমত, কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকার উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ, সুষম সার ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এজন্য ইতোমধ্যে ২০ হাজার কি. মি. খাল খননের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকি প্রদান করে ট্রাক্টর, হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা এবং জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য “ক্রপ জোনিং” পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশের উপযোগী ফসল নির্ধারণ করা হয়। ফলে জমির অপচয় কমে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। একই সাথে পতিত জমি চিহ্নিত করে সেগুলো আবাদের আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যেমন খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে পতিত জমি কৃষির আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, সিলেট অঞ্চলে পতিত জমিসহ চরাঞ্চলের পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তৃতীয়ত, কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এক সময় ধান নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা এখন ধীরে ধীরে ফল, সবজি, ডাল, তেলবীজ, মসলা, ফুল চাষ খাতে সম্প্রসারণ করার জন্য সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। চতুর্থত, কৃষকদের জন্য প্রণোদনা ও সহায়তা কার্যক্রম স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বীজ, সার, কৃষিযন্ত্র ক্রয়সহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। তাছাড়া, কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদের কৃষিঋণ এবং ফসল বীমা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্যও বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের কল্যাণে প্রতি অর্থবছর কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ‘কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা’ খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। উক্ত বরাদ্দ হতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ বাবদ ৪ শত ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এতে ২৫ লক্ষ ২২ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক উপকৃত হয়েছেন। পঞ্চমত, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ ও গুদাম নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ফল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষিপণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে, উত্তরাঞ্চলে কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং ক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ষষ্ঠত, কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনে সরকার ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেমন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) এর মাধ্যমে অধিক ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং স্বল্পমেয়াদি নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু সহনশীল ফসল উদ্ভাবনে জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে পরিবর্তিত পরিবেশেও কৃষি উৎপাদন বজায় থাকে। সপ্তমত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় “ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি” বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। লবণাক্ততা, খরা ও বন্যা সহনশীল ফসল চাষ, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে পরিবেশবান্ধব করা; কম সেচ, কম রাসায়নিক সার ও কম কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন; প্রি-পেইড মিটার স্থাপন এবং সেচের Alternate Wetting and Drying (AWD) পদ্ধতি প্রয়োগ করে খরাপ্রবণ অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা; মোবাইল অ্যাপ যেমন: “খামারি এ্যাপস” ব্যবহার করে স্থানভিত্তিক উপযুক্ত ফসল চাষ করে সেচ, সারসহ অন্যান্য উপকরণের সর্বোত্তম ব্যবহার; প্রিসিশন এগ্রিকালচার ইত্যাদির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
এসএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজার ৪০৮

এসএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজার ৪০৮ সারা দেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সবমিলিয়ে অনুপস্থিত ছিল ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী। আজ বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। প্রকাশিত তথ্যমতে, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৩ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১১ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। অনুপস্থিত ১১ হাজার ৮৯০ জন।এছাড়া, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) ও এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষায় ৬৫৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৪৩ জন। অনুপস্থিত ২ হাজার ৩০৭ জন। কারিগরি বোর্ডে কোনো শিক্ষার্থী বহিষ্কার হয়নি; তবে একজন পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে, মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিলের কোরআন মজিদ ও তাজভিদ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৩ জন পরীক্ষার্থীর। তবে অংশ নিয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯২ জন। এতে অনুপস্থিত ১১ হাজার ২১১ জন। মাদরাসা বোর্ডে সারা দেশে চারজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।সাধারণ ৯ টি শিক্ষা বোর্ডে গড় অনুপস্থিতি ১.০৫ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিতি বরিশাল বোর্ডে ১.৩৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম অনুপস্থিতি দিনাজপুর বোর্ডে। অন্যদিকে, মাদরাসা বোর্ডে গড় অনুপস্থিতি ৪.৪০ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ১.৯৩ শতাংশ।
ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে ১৪টি মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ

ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে ১৪টি মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ ডাক বিভাগকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তরের বাস্তবায়িত ‘মেইল প্রসেসিং অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চিলিং চেম্বার সুবিধা সংবলিত ১৪টি মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। আজ জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, একই প্রকল্পের আওতায় ডাক পরিবহন ব্যবস্থায় পচনশীল দ্রব্য পরিবহনের জন্য এক হাজার থার্মাল বক্স সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত আধুনিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার (ডিএমএস: ডমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার) ব্যবহার করে গ্রাহকরা ঘরে বসেই চিঠিপত্র, পার্সেল ও ডিজিটাল কমার্স পণ্য অনলাইনে ট্রেস ও ট্র্যাক করতে পারবেন। মেইল প্রসেসিং সেন্টারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার (ডিএমএস)-এর আপগ্রেডেশনের লক্ষ্যে ‘মেইল প্রসেসিং এন্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের সমর্থনে টেকসইকরণ’ শীর্ষক নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, ডাক সেবার মানোন্নয়ন ও গ্রাহক সন্তুষ্টি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশের পুরাতন ও জরাজীর্ণ ডাকঘরসমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ডাক অধিদপ্তর কর্তৃক সম্প্রতি বাস্তবায়িত ‘বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অধীনস্থ জরাজীর্ণ ডাকঘরসমূহের নির্মাণ ও পুনর্বাসন-২য় পর্যায় (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন শ্রেণির মোট ২৫৯টি ডাকঘর ভবনের নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ বা সম্প্রসারণ, মেরামত, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ এবং চলমান ডাক অধিদপ্তরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন শ্রেণির মোট ৩৯টি ডাকঘর ভবন নির্মাণকাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ডাকসেবাকে ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ’ শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, ডাক বিভাগের সকল কার্যক্রম আধুনিকায়ন ও ডিজিটাইজেশনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের জন্য অটোমেটেড মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ সমীক্ষা’ প্রকল্পের মাধ্যমে ডাক বিভাগকে ডিজিটালাইজেশনের একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে ‘ডাক সেবার ডিজিটাল রূপান্তর ও আধুনিকীকরণ’ শীর্ষক নামক নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধিকরণের লক্ষ্যে ডাক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ এবং গ্রাহকদের নিরাপদ সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সার্কেলের বিভিন্ন ডাকঘরের সীমানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করার নিমিত্তে ‘চট্টগ্রাম পোস্টাল সার্কেল-এর অধীন অফিসমূহের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও সম্প্রসারণ’ নামক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রকল্পটি অনুমোদন সাপেক্ষ। তা যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা গেলে ডাকঘরসমূহের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও গ্রাহক সেবা আরও নিরাপদ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ডাক অধিদপ্তর কর্তৃক ‘ডাক বিভাগের অধীনস্থ পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ ডাকঘরসমূহের পুনঃনির্মাণ’’ নামে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে।
এপ্রিলের ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২২২ কোটি ডলার

এপ্রিলের ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২২২ কোটি ডলার চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৮৪২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২০ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগে গত মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম কমেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলারের প্রভাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে রাখায় এই পতন দেখা গেছে। এ দিন স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৮৫.৫৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্স ০.৫ শতাংশ কমে ৪,৮০৪.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি করেছে, যা স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলছে। এদিকে সবশেষ সমন্বয়ে বাংলাদেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ মূল্যবান এই ধাতুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম যথাক্রমে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৫ হাজার ২৯৩ জন হজযাত্রী

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৫ হাজার ২৯৩ জন হজযাত্রী হজযাত্রা শুরুর প্রথম চার দিনে বাংলাদেশ থেকে ১৫ হাজার ২৯৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। আজ সকাল পর্যন্ত ৩৮টি ফ্লাইটে তারা সৌদিতে পৌঁছেছেন। হজ বুলেটিন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সৌদিতে পৌঁছানো হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি মাধ্যমে গিয়েছেন দুই হাজার ৮৭০ জন। আর বেসরকারি মাধ্যমে হজযাত্রী ১২ হাজার ৪২৩ জন ।এয়ারলাইন্সভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, এই চার দিনে পরিচালিত হয়েছে মোট ৩৮ টি ফ্লাইট। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১৫টি, সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ৯টি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ছয় হাজার ১৮৬ জন হজযাত্রী। সৌদি এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে পাঁচ হাজার ৪৫৪ জন হজযাত্রী। ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে তিন হাজার ৬৫৩ জন হজযাত্রী। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের সুযোগ পেয়েছেন মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ৬৬০টি এজেন্সি। এর মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং বাকি ৬৩০টি সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছে। ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া হজযাত্রীদের সৌদি আরব যাওয়ার এই যাত্রা আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলবে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট আগামী ৩০ মে শুরু হয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।
বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট

বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট সপ্তাহের প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালিত হবে। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন-২০২০ এবং সুপ্রিম কোর্টের জারি করা প্র্যাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালিত হবে। সপ্তাহের অন্যান্য কার্যদিবসে সশরীরে উপস্থিতির মাধ্যমে আদালত পরিচালিত হবে। এতে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানিযোগ্য মামলার দৈনন্দিন কার্যতালিকা এবং ভার্চুয়াল (মিটিং) আইডি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ থেকেও এ তথ্য জানা যাবে। নির্দেশনাটি আগামী ২২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।