রাজশাহীতে র‌্যাবের অভিযানে ১২টি পেট্রোলবোমা ও ১৫টি ককটেল উদ্ধার

রাজশাহীতে র‌্যাবের অভিযানে ১২টি পেট্রোলবোমা ও ১৫টি ককটেল উদ্ধার রাজশাহীর চন্দ্রীমা থানা এলাকা হতে ১২টি পেট্রোলবোমা ও ১৫টি ককটেল উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫। র‌্যাব-৫ এর পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাত পৌনে ১২টার দিকে ছোট বনগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পেট্রোলবোমা ও ককটেল উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত পেট্রোলবোমা ও ককটেল চন্দ্রীমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত এবং গ্রেফতারে র‌্যাব-৫ এর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

নওগাঁয় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ককটেল ও পেট্রোলবোমা উদ্ধার

নওগাঁয় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ককটেল ও পেট্রোলবোমা উদ্ধার নওগাঁর বদলগাছী থানার ঝারঘড়িয়া এলাকা থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ককটেল ও পেট্রোলবোমা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫। র‌্যাব-৫ এর পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৭টার দিকে ঝারঘড়িয়া গ্রামের কাশাইল মোড়গামী পাঁকা রাস্তার উত্তর পাশ থেকে একটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর থেকে ৬টি ককটেল, ৪টি পেট্রোলবোমা ও ৪০০ গ্রাম বোমা তৈরির কেমিক্যাল পদার্থ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বোম ডিসপোজাল টিমের সহায়তায় উদ্ধারকৃত আলামত পাশের ফাঁকা মাঠে ধ্বংস করা হয়। এঘটনায় বদলগাছী থানায় জিডি করা হয়েছে।

ভোটের মাঠে ৯ লাখ ১৯ হাজার ফোর্স, সেনা ১ লাখ

ভোটের মাঠে ৯ লাখ ১৯ হাজার ফোর্স, সেনা ১ লাখ গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ জন সদস্য। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সশস্ত্র সদস্য রয়েছে সেনাবাহিনীর। এ ছাড়া ভোটের মাঠ পর্যবেক্ষণে সব বাহিনীর ড্রোন ব্যবহৃত হবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ভোটে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নৌবাহিনীর উপকূলীয় পাঁচ জেলায় ১৭ আসনে ৫ হাজার এবং বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫শ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ৯ হাজার ৩৪৯ জন, আনসার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন এবং বিএনসিসি’র ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। অন্যদিকে নির্বাচনী অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে ৩শ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন নির্বাচনী অপরাধে ইতোমধ্যে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে ৪৬৮টি ঘটনায় ২৫৯টি মামলায় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মোট ৩২ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।  এ ছাড়া নির্বাচনী তদন্ত কমিটি সংক্ষিপ্ত বিচারে আরও ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে। ভোট পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে ৫৭ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক, স্বেচ্ছায় ৩৩৫ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং ১৫৬ জন বিদেশি সাংবাদিক ইতোমধ্যে দেশে এসেছেন। পাশাপাশি দেশীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে ৮০টি সংস্থার ৪৪ হাজার ৯৯৫ জন মাঠে থাকবেন।

সারা দেশে বৈধ অস্ত্র জমা ২৭ হাজার, জমা পড়েনি ২০ হাজার

সারা দেশে বৈধ অস্ত্র জমা ২৭ হাজার, জমা পড়েনি ২০ হাজার ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এর অংশ হিসেবে সারা দেশে ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ বা লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা পড়ে। জানা গেছে, ব্যক্তির নামে ৪৮ হাজার ২৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ২৮৮টি অস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। এর আগে, গত ১৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। জমা না হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে আওয়ামী লীগের মেয়াদে লাইসেন্স পাওয়া অস্ত্রই বেশি বলে জানা গেছে। এসব অস্ত্রের মালিকদের অনেকেই বিদেশে পালিয়ে গেছেন। দেশের ভেতরে অনেকে গা ঢাকা দিয়ে আছেন। মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে থানা থেকে লুট হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্রের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, যে কোনো অস্ত্র থ্রেট। এর বাইরে বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। সেজন্য মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইসি জানায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রেকর্ড করা হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে একযোগে তা সম্প্রচার করা হবে। এর আগে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিলেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, আজকের ভাষণে সিইসি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করবেন এবং ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানাবেন। এছাড়া দেশজুড়ে নির্বাচনি সামগ্রী বিতরণ, ৪২ হাজার ৬৫৯টি ভোটকেন্দ্রের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও তিনি বক্তব্য রাখবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও ড্রোন নজরদারির মাধ্যমে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরবেন। একইসঙ্গে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিশনের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবেন।

৩ দিনের জন্য নিষিদ্ধ হলো মোটরসাইকেল চলাচল

৩ দিনের জন্য নিষিদ্ধ হলো মোটরসাইকেল চলাচল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টার জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন সচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ ও মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এই নির্দেশনার ফলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে সাধারণের জন্য এসব যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। এ ছাড়া আত্মীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দর বা মাওয়া থেকে যাত্রী আনা-নেওয়া কিংবা টিকিট বা অনুরূপ প্রমাণ দেখিয়ে নিজ বাসস্থান বা আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত যানবাহন; দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন বা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত যানবাহন চলাচল করতে পারবে। প্রতিকারী প্রার্থীর জন্য একটি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য (যথাযথ নিয়োগপত্র বা পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) একটি যানবাহন, যেমন জিপ, কার বা মাইক্রোবাস, রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। এ ছাড়া সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি পাবে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল চলাচল, টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহনের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এ ছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দরসহ আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাইরে যাতায়াত বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান সড়কের সংযোগ সড়কগুলোতেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এদিকে ভোটের দিন একই শর্তে নৌযান চলাচলও বন্ধ থাকবে।

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ে গণভোকে সামনে রেখে এই ভাষণ দেবেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

টানা ৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

টানা ৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। আগামীকাল থেকে শুরু হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় থাকবে সাপ্তাহিক ছুটি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে আর একটি ধর্মীয় ছুটিও থাকবে। সব মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টানা পাঁচ দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়েছে।

ভোটের ফল প্রকাশ অযথা দীর্ঘায়িত হবে না : ইসি সচিব

ভোটের ফল প্রকাশ অযথা দীর্ঘায়িত হবে না : ইসি সচিব   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল কোনো অবস্থাতেই দীর্ঘায়িত করা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, এখন ইলেকশন রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করছি। সব ধরনের সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই। কে কত ভোট পেলেন দ্রুত জানিয়ে দেব। পোস্টাল ব্যালটের জন্য ভোট গণনায় একটু বেশি সময় লাগতে পারে। কোনো অবস্থাতেই ফল প্রকাশ অযথা দীর্ঘায়িত হবে না। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৯৯ আসনে ব্যালট পেপার চলে গেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।

নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা জানিয়েছেন আইজিপি

নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা জানিয়েছেন আইজিপি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। আজ নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বলেন, কেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স—এই নিয়ে নিরাপত্তায় মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ পুলিশ সদস্য কাজ করছে। নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ ছাড়াও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আনসার কাজ করছে। সারা দেশে ২৪ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ও বডি ক্যামেরার মাধ্যমে পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে। কোনো কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনে সেই কেন্দ্র এমনকি সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটও স্থগিত করা হবে। এদিকে, যানবাহন চলাচল বিধিনিষেধের বিষয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের দিন ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে আগামীকাল দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা।