এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সারা দেশে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। সেলিম খান সাংবাদিকদের বলেন, “এলপি গ্যাসের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ করলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। আর ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।” এদিকে, গ্যাস ব্যবসায়ীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে মনে করছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, দাম বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান। পরে তার আহ্বানে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলাটেরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, “যারা ইন অ্যাকটিভ কোম্পানি আছে তাদের আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ডাকা হবে। চলমান সংকট সমাধানে বিইআরসি চেষ্টা করে যাবে।” এর আগে এলপি গ্যাসের চলমান সংকট নিরসন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প ও গৃহস্থালি উভয় খাতেই ব্যবহৃত হচ্ছে। শীত মৌসুমে বিশ্ববাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে এলপি গ্যাসের সংকট নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিয়েছিল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে।
এলপিজি আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব, এনবিআরকে চিঠি

এলপিজি আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব, এনবিআরকে চিঠি এলপি গ্যাসের চলমান সংকট নিরসন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প ও গৃহস্থালি উভয় খাতেই ব্যবহৃত হচ্ছে। শীত মৌসুমে বিশ্ববাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে এলপি গ্যাসের সংকট নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। এতে উপদেষ্টা পরিষদের গত ১৮ ডিসেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণীর একটি অংশ উদ্ধৃত করে বলা হয়, আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব সময়োপযোগী। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় কতটা কমবে, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। পরবর্তীতে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে সভায় এ সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা হলে তারা আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে শূন্য শতাংশ ভ্যাটের দাবি জানায়। চিঠিতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার সঙ্গে অপারেটররা মূলত একমত পোষণ করেছেন। সর্বশেষ চিঠিতে জানানো হয়, বর্তমান সংকট বিবেচনায় নিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে তা ১০ শতাংশ বা এর নিচে নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনবিআরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো ধরনের অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৭৩ (১২ নভেম্বর, ২০১২ তারিখে সংশোধিত) অধ্যায়- ১৬এ-এর বিধি ৩ এর দফা ৪ অনুযায়ী ‘কোনো ব্যক্তি, তিনি বারের সদস্য বা আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী বা অন্য কোন ব্যক্তি আদালত প্রাঙ্গণে বা আদালত ভবনের কোন অংশে কোন মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না’। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো প্রকার অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো। এছাড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নির্ধারিত পার্কিং ব্যতীত রাস্তা, ভবনের গেটের সামনে গাড়ি ও রিকশা পার্ক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ভোটের অভিযোগ ফোনে নেবে ইসি, জানাল ৫টি নম্বর

ভোটের অভিযোগ ফোনে নেবে ইসি, জানাল ৫টি নম্বর গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিযোগ ফোনে নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য একটি সমন্বয় সেল গঠন করেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণভোট ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে। সমন্বয় সেলে যোগাযোগের টেলিফোন নম্বরগুলো হলো— ০২৫৫০০৭৪৭০, ০২৫৫০০৭৪৭১, ০২৫৫০০৭৪৭২, ০২৫৫০০৭৪৭৪ এবং ০২৫৫০০৭৫০৬। টেলিফোন নম্বরগুলো দেশের যেকোনো নাগরিক নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন, অনিয়ম এবং অপপ্রচার-সংক্রান্ত অভিযোগ/তথ্য আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে জানাতে পারবেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল চালু থাকবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক নোটিশে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। নোটিশে বলা হয়, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়াও সকল কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুমকি দেয় তারা। এরপর সন্ধ্যায় বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তারা। সকালে সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। রাত ১১টার দিকে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দাবি মানা হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি শুরু হবে। আর না হলে বিক্রি বন্ধ থাকবে।
১৪ ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৪ ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের ১৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা, যা কাট-অফ হার হিসেবেও প্রযোজ্য হয়েছে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত) মোট ৩৫৪ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রায় ৩ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারের সমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আজ মঙ্গলবার ১৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ২২৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন (২২ কোটি ৩৫ লাখ) মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে। প্রতি ডলারের বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২২ দশমিক ৩০ টাকা। এর ফলে নতুন বছরের (২০২৬) জানুয়ারি মাসে মোট ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ক্রয় হয়েছে তিন হাজার ৫৪৬ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ

আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো এখন জাতিসংঘের কাজের অংশ নয় বলেও জানিয়েছে বৈশ্বিক সংস্থাটি। আজ জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘ নিজে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না, যদি না সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে কোনো ম্যান্ডেট থাকে। এটি এখন আর আমাদের কাজের অংশ নয়। তবে বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ডুজারিক বলেন, নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কারিগরি সহায়তা জাতিসংঘ প্রায়ই দিয়ে থাকে। ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৭ বছর পর দেশে ফেরার বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে তার প্রত্যাবর্তন কীভাবে দেখা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, আমি খবরের মূল্যায়ন করি না। সাংবাদিকরাই খবরের মূল্যায়ন করেন। তবে বাংলাদেশের জনগণ যেন নিজেদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অবাধে প্রকাশ করতে পারে, সেই প্রক্রিয়াকে জাতিসংঘ সমর্থন করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে স্রিস্টিফেন ডুজারিক বলেন, তার মৃত্যুতে আমরা তার পরিবারের প্রতি এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি।
রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন

রোজায় সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে আসবে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে থাইল্যান্ড থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এ তেল কেনা হবে। এজন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গুদাম পর্যন্ত পৌঁছাতে সব ধরনের খরচ ধরে প্রতি লিটারে দাম পড়বে ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা। সয়াবিন তেলের পাশাপাশি টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকিমূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে খরচ হবে ৭১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। আজ সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই তেল ও ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিকভাবে ডিপিএমে পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রমজান মাসে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট নিরসন, সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে জরুরি বিবেচনায় আন্তর্জাতিকভাবে ডিপিএমে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনার জন্য থাইল্যান্ডের প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেডের কাছে দরপ্রস্তাব চাওয়া হলে প্রতিষ্ঠানটি তা দাখিল করে। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (টিইসি) পরে প্রস্তাবটি পরীক্ষা করে যোগ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এরপর সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির দরাদরির মাধ্যমে সুপারিশ করা প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেডের কাছে থেকে উল্লেখিত পরিমাণ তেল ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা। টিসিবির গুদাম পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ এই মূল্য হবে ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা। এই তেল খোলাবাজারে বর্তমানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে এবং কেনা দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করা হবে। এতে সরকারের কোনো ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না। এদিকে, বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৭১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকিমূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে মসুর ডাল কেনার জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে পাঁচটি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তার মধ্যে চারটি প্রস্তাব কারিগরি ও আর্থিকভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। দরপ্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশে যোগ্য সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের এম/এস পায়েল অটোমেটিক ফুড প্রসেসিং মিলসের কাছ থেকে উল্লেখিত পরিমাণ মসুর ডাল প্রতি কেজি ৭১ টাকা ৮৭ পয়সা হিসেবে মোট ৭১ কোটি ৮৭ লাখ টাকায় কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঢাকার সোনারগাঁও সিডস ক্রাশিং মিলস লিমিটেড থেকে ১৮০ টাকা ৮৫ পয়সা দরে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার একটি প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। তবে প্রস্তাবটি পরে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস

১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস দেশের ১০ জেলার উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। আজ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক-এর দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সংস্থাটি জানায়, দেশের রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদেশে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদেশে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সাথে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের শ্বেতপত্র ওয়েবসাইটে (ptd.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বিগত ১৫ বছর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে (পিটিডি) সংঘটিত দুর্নীতি ও অনিয়ম-সংক্রান্ত বিষয়সমূহ পর্যালোচনা এবং বিশ্লেষণের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্সের দীর্ঘ অনুসন্ধান ও পর্যালোচনা স্থান পেয়েছে। গতকাল ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শ্বেতপত্রে গত দেড় দশকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও কাঠামোগত সমস্যার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সুপারিশও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমন অবস্থায় সরকারের প্রত্যাশা, এই শ্বেতপত্র টেলিযোগাযোগ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে গত ২১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের জন্য এই টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এই টাস্কফোর্স গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতে বিগত ১৫ বছরে দুর্নীতি ও অনিয়ম বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়ন করা।