বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারে ১৯৫ টাকা থেকে ৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৯ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ভোজ্যতেলের নতুন দাম আজ থেকেই কার্যকর হবে। এছাড়া বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা তেলও লিটারে ১৭৫ টাকা থেকে ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭৯ টাকায় বিক্রি হবে। আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই পণ্যের উৎসে মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আশা করি আমাদের ভোক্তা বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন। এতে বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতিও আগের চেয়ে স্বাভাবিক হবে।
এমপিওভুক্ত হচ্ছে না ১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত

এমপিওভুক্ত হচ্ছে না ১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত দেশের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের চূড়ান্ত করা তালিকা আপাতত বাস্তবায়ন করছে না বর্তমান সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে এবং একই সঙ্গে নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর পুরোনো ও নতুন সব আবেদন একত্রে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পূর্বের তালিকা বাতিল করা হয়নি; বরং নতুন আবেদনের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এর আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে আবেদন আহ্বান করা হয়। গত ১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হলে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় গ্রেডিং করে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ লক্ষ্যে গত ৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দও চাওয়া হয়। তবে তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।
ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৮১৪ নারী : প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৮১৪ নারী : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ইতোমধ্যে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের ‘নারী প্রধানকে’ ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও জলবায়ু সহিষ্ণু বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে নারী ও শিশুরা হবে টেকসই উন্নয়নের সমঅংশীদার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। নারী ও শিশুদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং কর্মক্ষম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা হচ্ছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: দরিদ্র ও অসচ্ছল নারীদের সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কার্যক্রম, গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন পুষ্টি এবং শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি, নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি, নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের লক্ষ্যে জয়িতা ফাউন্ডেশন পরিচালনা ইত্যাদি। তিনি বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল টোল-ফ্রি হেল্পলাইন, ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি), ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেল, ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি, ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার এবং নারী, শিশু ও কিশোরীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র রয়েছে। বিদ্যমান মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচিতে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসূচিতে প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা অন্তর্ভুক্ত করা, টিকা ও প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মানসম্মত প্রশিক্ষণ, নগদ সহায়তার সঙ্গে জীবিকা সহায়তা যুক্ত করে শহর ও গ্রামাঞ্চলের জন্য পৃথক গ্রাজুয়েশনভিত্তিক মডেল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। অধিকসংখ্যক নারী উদ্যোক্তা তৈরি ও নারীদের জন্য বিপণন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। ইতোমধ্যে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলা ও তিনটি সিটি করপোরেশনে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারী প্রধানকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, শিশুরা দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। শিশুর বিকাশ ও কল্যাণে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ, জাতীয় শিশু পুরস্কার, প্রতিযোগিতা আয়োজন, শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণ, দরিদ্র ও দুস্থ শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক ও শিশু বিকাশ কর্মসূচি, অটিজম বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ শিশুস্বার্থ সংরক্ষণে নানাবিধ দায়িত্ব পালন করে আসছে। পথশিশু পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় দুটি আবাসিক কেন্দ্রের মাধ্যমে বর্তমানে ১৫১ জন শিশুকে আবাসন, খাবার, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, এ কার্যক্রমের আওতায় নয়টি আউটরিচ স্কুল রয়েছে। কর্মজীবী মায়েদের ৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের দেখভালের জন্য মোট ৬৪টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে সুষম খাবার, প্রাক-স্কুল শিক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা এবং ইনডোর খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। নারীদের কর্মস্থলে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র (ডে-কেয়ার) স্থাপনের পাশাপাশি গার্মেন্টসসহ সব শিল্পকারখানা, অফিস ও আদালতে কর্মরত মায়েদের জন্য ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’ স্থাপনের বিষয়ে নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠী, বিশেষত নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবণাক্ততার ঝুঁকি প্রশমন, অভিযোজন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সুপেয় পানির প্রাপ্যতা এবং জীবিকার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘Gender Responsive Climate Adaptation (GCA)’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ৪৩ হাজার নারীকে জীবিকা সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও কৃষি উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১৩ হাজার ৩০৮টি পরিবারভিত্তিক বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হয়েছে এবং উপকারভোগীদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৩ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার আরও ২ হাজার পরিবারভিত্তিক রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া, এ অর্থবছরে আরও ১০ খানাবিশিষ্ট ৬৫৮টি কমিউনিটিভিত্তিক রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম স্থাপনের কাজও চলমান রয়েছে। সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনা জেলার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলার ভয়াবহ নদীভাঙন ঝুঁকি সম্পর্কে সরকার অবগত। দাকোপ উপজেলায় ৬০-এর দশকে নির্মিত বেড়িবাঁধটি নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলাবাসীর জীবন ও সম্পদ রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদীভাঙন রোধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ‘Disaster Risk Management Enhancement Project’-এর আওতায় নদীভাঙন রোধে কাজ চলমান রয়েছে, যা জুন ২০২৭-এ শেষ হবে। এছাড়া, ‘উপকূলীয় পোল্ডার নং ৩১ পুনর্বাসন’ প্রকল্প যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসী নদীভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় সরকার সচেষ্ট রয়েছে এবং ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০৪০ সালের মধ্যে ৫.৫৭ কোটি পর্যটক আকর্ষণ ও ২.১৯ কোটি কর্মসংস্থান

২০৪০ সালের মধ্যে ৫.৫৭ কোটি পর্যটক আকর্ষণ ও ২.১৯ কোটি কর্মসংস্থান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ৫ কোটি ৫৭ লাখ পর্যটক আকর্ষণ এবং ২ কোটি ১৯ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার একটি পর্যটন মেগা পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। আজ সংসদে জামালপুর-২ আসনের সদস্য সরকারি দলের এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবুর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘পর্যটন মেগা পরিকল্পনার আওতায় ২০৪০ সালের মধ্যে ৫৫.৭ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণ এবং ২.১৯ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’ তিনি জানান, পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ, স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা এবং নীতিগত সহায়তার বিষয়গুলো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ২০২৬-২০৪০ মেয়াদি ‘ট্যুরিজম মেগা প্ল্যান’ প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেখানে খাতটির জন্য একটি সুস্পষ্ট বিনিয়োগ রোডম্যাপ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ২০২৫ সালে জাতীয় পর্যটন নীতি হালনাগাদ করে খাতটিকে আরও টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থায়ন সুবিধা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের পর্যটন খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করছে। ভবিষ্যতে এ সুবিধা আরও বাড়ানো হবে। পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান। দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে তিনি বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত ১ হাজার ৯৪৩ জন ট্যুর অপারেটর, ১ হাজার ২১৫ জন ট্যুর গাইড এবং ১ হাজার ৫২৭ জন স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ৮৫ জনকে পর্যটন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড ‘ন্যাশনাল ট্যুরিজম হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি (২০২১-২০৩০)’ প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। বর্তমানে পর্যটন খাতে প্রায় ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষ কর্মরত এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা বেড়ে ৭২ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। টেকসই পর্যটনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কুয়াকাটা ও উপকূলীয় এলাকায় পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো এবং ইকো-ট্যুরিজম বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা স্থানীয় কর্মসংস্থান বাড়াবে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নারী-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। সংস্কৃতি প্রসারে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উৎসব, ঐতিহ্য ও হস্তশিল্প তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা গ্রামীণ পর্যটন বিকাশে সহায়ক হবে। বড় বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)’র মাধ্যমে কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং এলাকায় এক্সক্লুসিভ টুরিস্ট জোন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন-এর মালিকানাধীন কক্সবাজারের জমিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাগদানের পরও ভেঙে যায় বিয়ে, অবশেষে সাতপাকে অভিনেত্রী

বাগদানের পরও ভেঙে যায় বিয়ে, অবশেষে সাতপাকে অভিনেত্রী বড় পর্দায় পা রেখেই নজর কাড়েন ভারতীয় সিনেমার অভিনেত্রী মেহরীন পিরজাদা। ব্যক্তিগত জীবনে রাজনীতিবিদ ভাবিয়া বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এক বছর প্রেম করার পর ২০২১ সালে বাগদান সারেন এই জুটি। কিন্তু বাগদানের চার মাস পর বিয়েটি ভেঙে যায়। গত দুই বছর ধরে মেহরীনের বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন উড়েছে। গত বছরের শেষের দিকে নতুন করে গুঞ্জন চাউর হয়—গোপনে বিয়ে করেছেন মেহরীন। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা চলে। কেবল তাই নয়, মেহরীনের গোপন বিয়ে নিয়ে খবর প্রকাশ করে ডিএনএ ইন্ডিয়া। সময়ের সঙ্গে এ অভিনেত্রীর বিয়ের চর্চা যখন জোরালো হয়, তখন নীরবতা ভেঙে এসব গুঞ্জনের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এবার নিজের বিয়ের খবর দিলেন অভিনেত্রী মেহরীন। ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অভিনেত্রী মেহরীন পিরজাদা বিয়ে করেছেন। তার বরের নাম আরশ ওলাখ। রবিবার (২৬ এপ্রিল) হিমাচল প্রদেশে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই অভিনেত্রী। মেহরীন তার ইনস্টাগ্রামে বিয়ের বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন; যা এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। ছবিতে দেখা যায়, মেহরীন পরেছেন সিকুইন কাজ করা ব্লাশ-পিঙ্ক লেহেঙ্গা। এর সঙ্গে লেয়ারড স্টোন নেকলেস, রং মিলিয়ে বেছে নেন কানের দুল। হালকা মেকআপ নিয়েছিলেন মেহরীন। ঘোমটার নিচে তার মাথার চুলগুলো আলগা করে ছেড়ে দেওয়া। অন্যদিকে, তার বর আরশ একই রঙের ব্লাশ-পিঙ্ক পোশাক বেছে নেন। মেহরীন ক্যাপশনে লেখেন—“২৬.০৪.২৬।” এরপর থেকে ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন এই নবদম্পতি। গত বছরের শেষের দিকে গোপন বিয়ের চর্চা শুরুর পর মেহরীন পিরজাদা বলেছিলেন, “আমি অবিবাহিত। আমি কাউকে বিয়ে করিনি। বিশ্বাস করুন, আমি যেদিন সত্যিই বিয়ে করব, সেদিন পুরো দুনিয়াই জানবে—এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি!” মেহরীন তার প্রতিশ্রুতি কিছুটা হলেও রেখেছেন, আগে খবর না দিলেও বিয়ের পর খবর জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মাত্র ১০ বছর বয়সে র্যাম্পে হাঁটেন মেহরীন। ২০১৩ সালে ‘মিস পারসোনালিটি সাউথ এশিয়া কানাডা’সহ কয়েকটি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ীর মুকুট পরেন। পরবর্তীতে ভারত ও কানাডার বেশ কিছু বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর নাম লেখান চলচ্চিত্রে। ২০১৬ সালে তেলেগু ভাষার ‘কৃষ্ণা গাডি ভীরা প্রেমা গাধা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে মেহরীনের। ২০১৭ সালে ‘ফিল্লোরি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন তিনি। একই বছর ‘নেনজিল থুনিভিরুন্ডাল’ সিনেমার মাধ্যমে তামিল ভাষার সিনেমায় নাম লেখান মেহরীন। এরপর ‘এফ টু’, ‘এফ থ্রি’, ‘প্যান্থম’ এর মতো ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন মেহরীন। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনমো ‘ইন্দ্রা’। এক বছরের বিরতি নিয়ে এ সিনেমার মাধ্যমে গত বছর প্রেক্ষাগৃহে ফিরেন তিনি। বর্তমানে তার হাতে কন্নড় ভাষার একটি সিনেমার কাজ রয়েছে।
সারা দেশে হাম ও উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে হাম ও উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরো ১ হাজার ৩৫৮ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট বিভাগে একজন করে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সিলেট বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ১ হাজার ৩৫৮ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ৩৩ হাজার ৩৮৬ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৪ হাজার ৬৯৩ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২২ হাজার ৪৪২ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৯ হাজার ১৮ জন শিশু।
দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার

দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার গোয়েন্দা সতর্কতার পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। আজ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বর্তমান চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শেনজেন ভিসাপ্রাপ্তদের জন্য জারি জরুরি নির্দেশনা

শেনজেন ভিসাপ্রাপ্তদের জন্য জারি জরুরি নির্দেশনা শেনজেন ভিসাপ্রাপ্তদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত শেনজেনভুক্ত দেশগুলোর দূতাবাস। ভিসা পাওয়ার পর ভ্রমণ পরিকল্পনা থেকে বিচ্যুতি না ঘটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জার্মান দূতাবাস সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, যাদের শেনজেন ভিসা অনুমোদিত হয়েছে, তাদের অবশ্যই আবেদনকালে জমা দেওয়া ভ্রমণ পরিকল্পনা অনুসরণ করতে হবে। দূতাবাস আরও জানায়, নির্ধারিত পরিকল্পনার বাইরে ভ্রমণ করলে ভবিষ্যতে শেনজেনভুক্ত দেশগুলোর ভিসা পেতে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকিও রয়েছে।এ কারণে ভিসাপ্রাপ্তদের নির্ধারিত সময়সূচি, গন্তব্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভ্রমণ সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের লোডশেডিং কমবে বলেছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের লোডশেডিং কমবে বলেছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং লোডশেডিং অনেকটা কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আজ সিপিডি আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের আলোচনায় তিনি এ কথা জানান। বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের অনুষ্ঠানে দেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বর্তমান সংকটের নানা দিক তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ায় আমদানিতে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এবার নারীদের ‘এলপিজি কার্ড’ দেয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

এবার নারীদের ‘এলপিজি কার্ড’ দেয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের পাশাপাশি নারীদের জন্য ‘এলপিজি কার্ড’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ যশোরের শার্শায় ঐতিহাসিক ‘উলসী-যদুনাথপুর’ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। তারেক রহমান বলেন, ‘‘মা-বোনদের একটি কারণে খুব কষ্ট হয়, সেটি হচ্ছে রান্নার কষ্ট। আমরা যেমন সারা দেশের মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিচ্ছি, সেরকম আরেকটি কার্ড দিতে চাই; সেটি হবে ‘এলপিজি কার্ড’। এলপিজি গ্যাস আমরা মা-বোনদেরকে পৌঁছে দেবো যেন তাদের রান্নার জন্য আর কষ্ট করতে না হয়।’’ নারীদের উচ্চশিক্ষা নিয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, আমরা মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ডিগ্রি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চতর পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবস্থা করবো। শুধু মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করব না, একই সঙ্গে আমাদের যে মেয়েরা ভাল রেজাল্ট করতে পারবে তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো যেন সরকার থেকে তারা আরও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে পারে।’