এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলির সংশোধিত নীতিমালা-২০২৬ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালা জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে এই নীতিমালা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও এ নীতিমালার বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে পারবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বদলির ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় একটি নীতিমালার আওতায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার’-এর মাধ্যমে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়। বদলির সাধারণ শর্তাবলী -মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা/বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে। -প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে। -সমপদে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর সরকার কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। -আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা যে কোনো জেলায় অথবা স্বামী/স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। -প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন। -বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। -একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিন বার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন। -একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে- -নারী, দূরত্ব, স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) এবং জ্যেষ্ঠতা-এই চার বিষয় বিবেচনা করা হবে। -চাকরির জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী সকল আবেদনকারীর কর্মস্থল একই উপজেলায় হলে তাদের বর্তমান কর্মস্থল যে উপজেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত উপজেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারী বিভিন্ন উপজেলার হলে তাদের কর্মস্থল যে জেলায় সে জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারীর কর্মস্থল বিভিন্ন জেলায় হলে তাদের নিজ-নিজ জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে। -দূরত্ব পরিমাপের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুসৃত মডেল অনুসরণ করা হবে। -অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য প্রদান প্রমাণিত হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। -বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের পূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। -একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ০২ (দুই) জন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে [নারী ও জ্যেষ্ঠতা] বদলির সুযোগ পাবেন। তবে এক বিষয়ে একজনের অধিক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। -আবেদনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা বদলির আবেদনে সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। বদলির কর্তৃপক্ষ মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বদলি কার্যক্রম তদারকি করবে। আবেদন নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া -বদলির সমগ্র প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। -মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সফটওয়্যার তৈরি ও অনলাইন আবেদনের ফরম্যাট নির্ধারণ করবে। -বদলিকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স পূর্বের প্রতিষ্ঠান থেকে বদলিকৃত প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ট্রান্সফার হবে। -পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ বদলি/পদায়নের বিষয়টি নিষ্পন্ন করতে পারবেন। -বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি এবং জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। -বদলির আবেদনের ভিত্তিতে বদলি অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলিকৃত শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না। -আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বদলিকৃত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করবেন। -অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান যোগদানের তথ্য চেয়ারম্যান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ও মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে অনলাইনে অবহিত করবেন। -অবমুক্তি হতে যোগদান পর্যন্ত দিবসগুলো কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে। -কোনো শিক্ষকের বিষয়ে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না। রহিতকরণ এই নীতিমালা জারি হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর জারিকৃত ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৪’ রহিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশি‌দের জন্য ওয়ার্ক ভিসা চালুর আশ্বাস ওমানের শ্রমমন্ত্রীর

বাংলাদেশি‌দের জন্য ওয়ার্ক ভিসা চালুর আশ্বাস ওমানের শ্রমমন্ত্রীর আগামী দু’মাসের মধ্যে বাংলাদেশের জন্য ওয়ার্ক ভিসা পুনরায় চালুর আশ্বাস দিয়েছেন ওমানের শ্রমমন্ত্রী ড. মাহাদ বিন সাঈদ বিন আলী বাওয়াইন সালিম আল-বুসাইদি। সৌ‌দি আরবে গ্লোবাল লেবার মার্কেট সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদে‌শিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে এক বৈঠকে ওমানের শ্রমমন্ত্রী এই আশ্বাস দিয়েছেন। আজ রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তিতে এ তথ্য জা‌নিয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে, উপদেষ্টা অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের জরিমানা ছাড়া বৈধকরণে ওমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তি‌নি বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী যেমন- প্রকৌশলী, চিকিৎসক, নার্সরাও যাতে করে ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে পারে এর জন্যও ওমানের মন্ত্রীর সহযোগিতা চান। পাশাপাশি অদক্ষ, আধা-দক্ষ কর্মী ভিসার উপর স্থগিতাদেশের পর্যালোচনার অনুরোধ জানান। ওমানের শ্রমমন্ত্রী জানান, বিদ্যমান অনিয়মিত ও আনডকুমেন্টেড প্রবাসী কর্মীদেরকে নিয়মিতকরণের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে ২০২৩ থেকে সাময়িকভাবে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের জন্য নতুন ওয়ার্ক ভিসা স্থগিত রাখা হয়। তিনি আগামী দু’মাসের মধ্যে বাংলাদেশের জন্য ওয়ার্ক ভিসা পুনরায় চালু করার আশ্বাস দেন। উপদেষ্টা অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা, আইনি সংস্কার, কর্মী প্রেরণের আগে দক্ষতা যাচাই, প্রাকবর্হিগমন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাগতিক দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও আইন-কানুন সম্পর্কে অবহিতকরণসহ অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে ওমানের শ্রম মন্ত্রীকে অবহিত করেন। উপদেষ্টা চলতি বছরের প্রথমার্ধে মাস্কাটে যৌথ কারিগরি কমিটির (জেটিসি) পরবর্তী অধিবেশন আহ্বানের প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং শ্ৰম সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এরইমধ্যে চূড়ান্ত করা সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের জন্য ওমানের শ্রমমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাষ্ট্রপতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ান ইচ্ছা পোষণ করেছেন। কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এবার প্রবাসী ও দেশের ভেতরে ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও কয়েদিদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে ইসি। দেশে ও দেশের বাইরে থেকে এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার নাগরিক। পোস্টাল ব্যালটে দেওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অ্যাপে নিবন্ধন করলে ইসি ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে দেয়। ভোট দিয়ে ভোটার নিকটস্থ পোস্ট অফিসে জমা দিলে তা আবার সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চলে আসে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক, মানতে হবে ইসির নির্দেশ

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক, মানতে হবে ইসির নির্দেশ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন দেশি পর্যবেক্ষককে অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসিতে নিবন্ধিত ৮১টি সংস্থার পক্ষ থেকে এসব পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। এদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয়ভাবে এবং ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে সংসদীয় আসনভিত্তিক পর্যবেক্ষণ করবেন। গ্তকাল ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে সুনির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত পরিচয়পত্রধারীরাই কেবল কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য কমিশন অনুমোদিত ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫’ রয়েছে, যা যথাযথভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যুর জন্য একটি ওয়েব পোর্টাল (https://pr.ecs.gov.bd/) তৈরি করেছে ইসি। অনুমোদিত ৮১টি সংস্থার সকল পর্যবেক্ষককে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই পোর্টালে ব্যক্তিগতভাবে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে পর্যবেক্ষকগণ অনলাইন থেকেই তাদের কার্ড ও স্টিকার ডাউনলোড করে মুদ্রণ করতে পারবেন। নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের কার্ড ও স্টিকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের আবেদন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার মনোনীত কর্মকর্তারা অনুমোদন করবেন। রিটার্নিং অফিসারদের ব্যবহারের জন্য পোর্টালে ইতোমধ্যে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি এলাকা ও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। পর্যবেক্ষকগণ কেন্দ্রে অবস্থানকালে তাদের পরিচয়পত্রটি সার্বক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখবেন। পর্যবেক্ষণকালে অবশ্যই ভোটারের ভোট প্রদানের অধিকারের প্রতি সচেতন থাকতে হবে এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাজে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। পর্যবেক্ষকগণ নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে শুধু এমন জায়গায় স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করা যাবে, যেখানে থাকলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো বাধার সৃষ্টি হবে না। তবে কোনো অবস্থাতেই কোনো পর্যবেক্ষক ভোট প্রদানের গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। নীতিমালা অনুযায়ী, প্রত্যেক পর্যবেক্ষক তার কাজে কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি হলে কিংবা অন্য কোনো পর্যবেক্ষকের অসঙ্গত আচরণ দেখলে তা নিজ সংস্থাকে অবহিত করবেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তার লক্ষ্যে সংবিধান, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে। নির্বাচনি কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ এবং কোনো প্রকার নির্বাচনি উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া পর্যবেক্ষক যদি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত হন, তবে তিনি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হবেন। পর্যবেক্ষণের পুরো সময়জুড়ে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো চিহ্ন, প্রতীক বা পরিচয় বহনকারী পোশাক বা অন্য কিছু পরিধান বা প্রদর্শন করা যাবে না। কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, এজেন্ট বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার কাছ থেকে কোনো উপহার গ্রহণ, ক্রয়ের চেষ্টা বা কোনো সুবিধা গ্রহণে উৎসাহিত হওয়া যাবে না। একইসঙ্গে নির্বাচন চলাকালীন মিডিয়ার সামনে এমন কোনো মন্তব্য করা যাবে না, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত বা প্রভাবিত করতে পারে।

১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ বুধবার ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত-কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন সরকার কর্তৃক নির্বাহী আদেশে ২ (দুই) দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ণিত কারণে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ বুধবার ও বৃহস্পতিবার ২ (দুই) দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। এর আগে, গত ২৫ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। একইসঙ্গে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীরা গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে যাবেন না: ইসি

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীরা গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে যাবেন না: ইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে যারা দায়িত্বে থাকবেন তারা গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে গণভোট নিয়ে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাব দিতে চাননি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। পরে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এবার নির্বাচনী মাঠ স্বচ্ছ রয়েছে। কমিশনের উপর শতভাগ আস্থা রেখেই এবার ভোট কেন্দ্রে আসবে ভোটারা এবং নির্বাচন ঘিরে সব আশঙ্কা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে ইসি বলেও জানান তিনি। এদিকে ইসি জানায়, সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসীর গন্তব্যের দেশে পোস্টাল ব্যালট পৌঁছেছে। এছাড়া ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯২০ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপে মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসী ভোটারের সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের দেশে ব্যালট পৌঁছেছে। ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯২০ জন ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ৪ লাখ ২৫ হাজার ৭৮৮ জন প্রবাসী ভোটার কর্তৃক ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। ৩ লাখ ৭০ হাজার ৩২২জন প্রবাসী ভোটার কর্তৃক সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২১ হাজার ৫০৮ জন প্রবাসী ভোটারের ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে। সালীম আহমাদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে (দেশে এবং প্রবাসী মিলে) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশি পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন

৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশি পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে দেশি পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। আজ ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বিধি-নিষেধ রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের ভোটার ও নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত পরিচয়পত্রধারীরাই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫’ রয়েছে; যা মেনে পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

শীতের মাঝেই বৃষ্টির পূর্বাভাস

শীতের মাঝেই বৃষ্টির পূর্বাভাস শীতের আমেজের মধ্যেই দেশের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ আবহওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার ২৮ জানুয়ারি রংপুর বিভাগে বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটি আরো জানায়, আগামী পাঁচ দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও দিনে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শুক্রবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। িআবহাওয়া অফিস জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে গতকাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আজ মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এ তথ্য জানান। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রয়, ব্যবহার ও প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) স্বাক্ষরিত এই আদেশে সরকারের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ‘যৌথ ঘোষণা’ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে ‘তামাকমুক্ত’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সাইনেজ প্রদর্শন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) অনুযায়ী, তামাক শিল্পের যেকোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা বা প্রচারণা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং উচ্চ চিনিযুক্ত পানীয়ের বিপণন সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। এর পরিবর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্পসহ ‘হেলদি ক্যান্টিন’ স্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ক্যান্টিন বা সরবরাহকারীর খাবারে স্বল্প লবণ, চিনি এবং ট্রান্স-ফ্যাটমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, সরকারি সভাগুলোতেও এখন থেকে ক্যাটারিংয়ে তাজা ফল, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স সরবরাহ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাঝারি থেকে উচ্চমাত্রার শারীরিক কার্যক্রম নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ নেই, সেখানে ইনডোর কার্যক্রমের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের জন্য সাঁতার শেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ এবং কর্মীদের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ডেস্ক-ভিত্তিক স্ট্রেচিং ব্যায়াম প্রবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনায় সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক বান্ধব সিঁড়ি এবং র‌্যাম্পসহ অবকাঠামো ডিজাইন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লিফট ব্যবহারের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার, সাইক্লিং এবং দীর্ঘক্ষণ বসে না থাকার মতো স্বাস্থ্যবান্ধব জীবনাচার উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মাউশি জানিয়েছে, এই নির্দেশনাসমূহ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের গৃহীত কার্যক্রমের নিয়মিত বাস্তবায়ন প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বিশেষ শিক্ষা শাখায় প্রেরণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে আসবে। পাশাপাশি একটি সুস্থ-সবল জাতি গঠনে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

৪ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটদান সম্পন্ন

৪ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটদান সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৫ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। আজ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর (সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের দেশে) কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ৪ লাখ ৫ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী ভোটার কর্তৃক ভোটদান সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার কর্তৃক সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ, ৪৪ হাজার ৯৯৩টি পোস্টাল ব্যালট। এছাড়া ১৯ হাজার ৩৮৮ পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে (দেশে এবং প্রবাসী মিলে) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।