প্রতিদিন ১১ ঘণ্টা পেট্রল পাম্প বন্ধ রাখার প্রস্তাব মালিকদের

প্রতিদিন ১১ ঘণ্টা পেট্রল পাম্প বন্ধ রাখার প্রস্তাব মালিকদের প্রতিদিন পেট্রল পাম্প বন্ধ রাখতে চান মালিকরা। এ ছাড়া ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ চান তারা। এমন আটটি দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। আজ দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এসব দাবি জানায় সংগঠনটি। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, দেশে বর্তমানে তেলের যে মজুত রয়েছে, তা দিয়ে সংকট মোকাবিলা সম্ভব। এ অবস্থায় যদি প্রত্যেকেই নিজের গাড়ির ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে রাখার প্রতিযোগিতায় নামেন, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। নাগরিকদের প্রতি আহ্বান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো ভিত্তিহীন খবরে কান দেবেন না। এ পরিস্থিতিতে পেট্রল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ, ডিপো থেকে ট্যাংকলরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
দেশে মজুত ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন জ্বালানি

দেশে মজুত ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন জ্বালানি দেশে বর্তমানে মোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন পেট্রোল, ডিজেল, অকেটেন ও জেট ফুয়েলের মজুত করেছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। আজ সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত আছে। এছাড়া ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল ও জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন। দেশে ডিজেল নিয়ে কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, মার্চে জ্বালানি তেল নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। এপ্রিলেও কোনো সংকট হবে না। ডিজেল পাচার রোধে সীমান্তে কড়া নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী।
এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত

এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা চলছে। এর মধ্যে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। তাই এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। আজ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক অফিস আদেশে সরকারের এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলা হয়, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম এপ্রিলে প্রতি লিটার ১০০ টাকা করা হয়েছে। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১২ টাকা, পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১১৬ আর অকটেনের দাম ১২০ টাকা করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে এ দামেই বিক্রি হয়েছে জ্বালানি তেল। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটারে ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা ও কেরোসিন ১১২ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হবে।
সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর চিন্তা করছে সরকার বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী

সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর চিন্তা করছে সরকার বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনলাইন ও অফলাইন সমন্বিত পদ্ধতি চালুর চিন্তা করছে সরকার। এ বিষয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং শিগগিরই মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি রোজার ছুটি, বিভিন্ন আন্দোলন এবং অন্যান্য কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটেছে। এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সপ্তাহে পাঁচদিনের পরিবর্তে ছয়দিন ক্লাস চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি, ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি, ভরিতে ৩২৬৬ টাকা দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারি রোধে ৩৮৬ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারি রোধে ৩৮৬ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারি রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ৩৮৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। এসব অভিযানে ২১৪টি মামলা দায়ের করা হয় এবং সর্বমোট ৯ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া নীলফামারী জেলায় ৩ জনকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন বলেও জানানো হয়। কোথাও অনিয়ম লক্ষ করা গেলে বা সন্দেহজনক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য পেলে ভিজিলেন্স টিমের নির্ধারিত নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জুনে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন, পাবে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা

জুনে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন, পাবে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাসব্যাপী বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করবে সরকার। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় টিকা পাবে। আজ সকালে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক হালিমুর রশিদ। তিনি বলেন, হামের রুটিন টিকাদান চলছে। দেশে চলমান হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি নিয়মিত (রুটিন) টিকাদান কার্যক্রমের বাইরে অতিরিক্ত উদ্যোগ হিসেবে পরিচালিত হবে। হালিমুর রশিদ আরও বলেন, এখন ৯ মাস বয়সি শিশুরা হামের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ ও ১৫ মাসের শিশু সেকেন্ড ডোজ পায়। তবে ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে শুরু করে ১০ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অধিক সংক্রমিত শিশুদের বিবেচনায় এনে বয়সসীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ক্যাম্পেইন শুরুর আগে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অভিভাবকদের জানানো হবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, টিকা ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে টিকা সরবরাহ শুরু হয়েছে; পর্যায়ক্রমে সিরিঞ্জসহ অন্যান্য সরঞ্জামও পৌঁছাবে। ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি মাইক্রোপ্ল্যানের মাধ্যমে কোন এলাকায় কতজন শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে, সে অনুযায়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর আগে, রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, টিকা কেনার জন্য ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ ছুটির দিন ও ক্লাসের পর খোলা রাখার নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ ছুটির দিন ও ক্লাসের পর খোলা রাখার নির্দেশ দেশের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ সংরক্ষণ, যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শেষে এবং ছুটির দিনগুলোতে মাঠগুলো স্থানীয় ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এক আদেশে মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত পত্রের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। অধিদপ্তরের উপপরিচালক (শারীরিক শিক্ষা) প্রফেসর মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই আদেশে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে এ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো পত্রে মন্ত্রণালয় জানায়, সারাদেশে শহর ও গ্রাম পর্যায়ে খেলাধুলার মাঠ নির্ধারণ ও ব্যবহারের লক্ষ্যে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির ১ম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পত্রে আরও বলা হয়, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান খেলার মাঠগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এবং সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে আশপাশের ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলার সুবিধার্থে মাঠগুলো উন্মুক্ত রাখতে হবে। মাউশি অধিদপ্তর থেকে জারি করা আদেশটি দেশের সকল অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতকারীকে ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতকারীকে ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারকারীদের সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে জ্বালানী তেলের সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও চক্র অবৈধভাবে তেল মজুত ও পাচারের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে। এর ফলে সাধারণ জনগণকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে এবং বাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করতে চায়। নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, ‘অবৈধ মজুদদারিদের জন্য আমরা পাম্পগুলোতে বাড়তি সরবরাহ করেও চাহিদা পূরণ করতে পারছি না। মার্চের ১ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ সরবরাহ করেছি। আগের বছর এই সময় দৈনিক ১২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন তেল সরবরাহ করা হয়েছিল। এই বছরের একই সময়ে দৈনিক ২৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি তেল সরবরাহ করা হলেও সামাল দেওয়া যায়নি। কারণ একদিকে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে তেল নিতে পাম্পে ভিড় করছেন, অন্যদিকে অবৈধ মজুদদাররা তেল মজুদ করছেন। যার ফলে গত ৬ মার্চ থেকে ফের আগের বছরের মতো তেল সরবরাহ দেওয়া হয়। পরে ঈদের আগে আগে আবার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি তেল সরবরাহ দেওয়া হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।’ বিপিসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখন প্রতিটি জেলায় ‘ভিজিল্যান্স টিম’ গঠন করে নজরদারি করা হচ্ছে। পাম্পগুলোতে তদারকি বাড়াতে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাম্পে কতটুকু তেল বরাদ্দ পাওয়ার কথা ও কতটুকু পাচ্ছে এগুলো তদারকি করবেন ট্যাগ অফিসাররা। পাশাপাশি সারা দেশেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জরিমানা আদায়ের সঙ্গে করাদণ্ডও দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যাঁরা অবৈধ মজুদদারির তথ্য দিচ্ছে, তাদের এক লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।’
বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি ‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এবার উদযাপন করা হবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। আজ দুপুরে সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় আয়োজিত নববর্ষের কর্মসূচি নিয়ে প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। এতে সিদ্ধান্ত হয়, ছায়ানটের উদ্যোগে রমনা বটমূলে বরাবরের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানটি সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন এবং বেতার মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমি, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন যথাযথ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে উদযাপনের আহ্বান জানান।