১ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

১ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য এক লাখ টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ডিজেল আমদানিতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৭৫৭ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। আজ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই ডিজেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য মাজেদা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে এক লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০-১০ পিপিএম ডিজেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এই ডিজেল কেনার প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৭৫৭ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর আগে গত ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দেশের জ্বালানি সরবরাহ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকে দরপত্র প্রস্তুত ও দাখিলের সময়সীমা কমানোর পাশাপাশি দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য আর্চার এনার্জি এলএলসি-এর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০-১০ পিপিএম মানমাত্রার সালফারযুক্ত ডিজেল কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ৬৭৪ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই ডিজেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। সেদিন অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য মাজেদা অয়েল কোম্পানির লিমিটেডের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে এক লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০-১০ পিপিএম ডিজেল কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর আজ সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হলো।

রাশিয়া থেকে ১৫৬ কোটি টাকায় আসছে ৩৫ হাজার টন সার

রাশিয়া থেকে ১৫৬ কোটি টাকায় আসছে ৩৫ হাজার টন সার রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানির একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ১৫৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা। আজ জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় রাশিয়া থেকে ১০ম লটে ৩৫ হাজার (±১০ শতাংশ) মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করবে। এর আগে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগত অনুমোদন পায়। পূর্ববর্তী চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই তা নবায়ন করা হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের ভিত্তিতে সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ১ কোটি ২৮ লাখ ৮৪ হাজার ৫৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা ব্যয় হবে। প্রতি টন এমওপি সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬৮ দশমিক ১৩ মার্কিন ডলার। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিএডিসির এমওপি সার আমদানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ৫৯ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে আমদানির লক্ষ্যমাত্রা ৪ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন।

সারা দেশে টানা ৫ দিন ভারী বর্ষণের শঙ্কা : বজ্রসহ ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

সারা দেশে টানা ৫ দিন ভারী বর্ষণের শঙ্কা : বজ্রসহ ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেশজুড়ে আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে দেশের প্রায় সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। প্রথম ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ, ঢাকা বিভাগ, খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে সারা দেশে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। শুক্রবার ও শনিবারও প্রায় একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ সময় দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার ও সোমবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে কিছু অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই সময়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অবৈধ কর্মীদের দেশে ফেরায় সময় বাড়াল মালয়েশিয়া

অবৈধ কর্মীদের দেশে ফেরায় সময় বাড়াল মালয়েশিয়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অনিয়মিত বা অবৈধ কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় নিজ দেশে ফেরার সময় আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ১ মে পর্যন্ত তারা এই সুযোগ পাবেন। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আগে এই কর্মসূচির মেয়াদ ৩০ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা ছিল।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের কার্যকারিতা মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিটি উচ্চসংখ্যক নিবন্ধন, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন এবং জরিমানা আদায়ে ইতিবাচক সাফল্য দেখিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ মে থেকে ২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ১১২টি দেশের মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৮৬ জন অবৈধ অভিবাসী এই কর্মসূচির আওতায় নিবন্ধন করেছেন। এ সময় প্রায় ১২৭ মিলিয়ন রিঙ্গিত রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার কার্যকারিতা তুলে ধরে। এই কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অবৈধ অভিবাসীরা আইনি জটিলতা থেকে আংশিক অব্যাহতি পান। বৈধ পাসপোর্ট ছাড়া প্রবেশ বা অবস্থানের জন্য ৫০০ রিঙ্গিত এবং পাসের শর্ত ভঙ্গের জন্য ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যাবাসনের জন্য বিশেষ পাস ইস্যু করতে ২০ রিঙ্গিত ফি দিতে হয়। মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছে, স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার প্রবণতা বাড়ানো, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর চাপ কমাতেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চে শুরু হওয়া এই বিশেষ কর্মসূচিটি ইতোমধ্যে একাধিকবার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের ডিজিকে হাইকোর্টে তলব

স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের ডিজিকে হাইকোর্টে তলব স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৯ মে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। আজ বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ১৯ মে সশরীরে হাইকোর্টে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। অ্যাডভোকেট সিদ্দিক উল্লা মিয়া বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে সারা বাংলাদেশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, উক্ত বিজ্ঞপ্তির আলোকে রিটকারী ২৫ জনসহ সারা বাংলাদেশে অনেকে অংশগ্রহণ করে, রিটকারী ২৫ জন লিখিত পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে তারা ২০২১ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট চূড়ান্ত শুনানি শেষে রিটকারীদেরকে নিয়োগ প্রদান করার নির্দেশ দেন। কিন্তু তারা নিয়োগ পাননি। পরবর্তীতে রিটকারীগণ পুনরায় তাদের রায়ের আদেশ বাস্তবায়ন করার জন্য আবেদন করলে হাইকোর্ট উক্ত বেঞ্চ ২৩ এপ্রিলের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য হাইকোর্টের রায়ের আদেশ বাস্তবায়ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন, কিন্তু উক্ত সময়ের ভিতরে রিটকারীদেরকে নিয়োগ প্রদান করেন নাই। এরপর আদালত মহাপরিচালককে তলব করেন।

দেশে অতিভারী বর্ষণ : ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৬৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টি

দেশে অতিভারী বর্ষণ : ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৬৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টি সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মৌসুমি বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ জেলায় মাঝারি থেকে অতিভারী বর্ষণে ভিজেছে প্রকৃতি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের প্রধান ৪৩টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের হাতিয়ায় দেশের সর্বোচ্চ ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার ২৯ এপ্রিল রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গেছে, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে ১০৪ মিলিমিটার এবং নেত্রকোনায় ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা ‘অতিভারী’ বৃষ্টির পর্যায়ে পড়ে। এছাড়া ঢাকা বিভাগের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে ৮৯ মিলিমিটার, আরিচায় ৫৭ এবং মাদারীপুরে ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪৫ মিলিমিটার। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলেও বৃষ্টির প্রভাব দেখা গেছে। রাজশাহী বিভাগের বাঘাবাড়ীতে ৮০ মিলিমিটার, পাবনার ঈশ্বরদীতে ৬ মিলিমিটার এবং বগুড়ায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। দক্ষিণাঞ্চলের খেপুপাড়ায় ৯৯ মিলিমিটার এবং পটুয়াখালীতে ৫১ মিলিমিটার ভারি বর্ষণ হয়েছে। অন্যদিকে রাজশাহী ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে কেবল সামান্য বৃষ্টির দেখা মিলেছে। এদিকে টানা বৃষ্টির প্রভাবে দেশের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরায়, যা ছিল ৩৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগের নিকলি ও নারায়ণগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া অধিকাংশ বিভাগীয় শহরেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করেছে। অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের অধিকাংশ স্থানে (৭৬-১০০ শতাংশ) বৃষ্টির এই প্রবণতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

৬ লাখ যক্ষ্মার কিট ও শিশুদের জন্য ওষুধ দিলো যুক্তরাষ্ট্র

৬ লাখ যক্ষ্মার কিট ও শিশুদের জন্য ওষুধ দিলো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ৬ লাখ জিন এক্সপার্ট যক্ষ্মা পরীক্ষার কিট এবং শিশুদের জন্য ১১ হাজার যক্ষ্মার চিকিৎসা ওষুধের কোর্স দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। আজ ঢাকার একটি যক্ষ্মা হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এই অনুদান তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস বলছে, এই অনুদানটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে এবং দ্বিপাক্ষিক স্বাস্থ্য অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি কাঠামোর অধীনে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করে।

বিএসইসি ও বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধানের বয়সসীমা থাকছে না, সংসদে বিল পাস

বিএসইসি ও বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধানের বয়সসীমা থাকছে না, সংসদে বিল পাস পুঁজি বাজারের দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইইডিআরএ) শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা তুলে দিতে দুটি সংশোধনী বিল পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে। আজ ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিল দুটি পাস হয়। জানা যায়, সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিল দুটি উপস্থাপন করেন। প্রথম বিলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বয়সসীমা তুলে ‘বিএসইসি আইন, ১৯৯৩’ এর সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। অন্যদিকে বিমাখাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে ৬৭ বছর বয়সসীমা সংক্রান্ত ‘অযোগ্যতার বিধান’ বিলুপ্ত করে ‘আইডিআরএ আইন, ২০১০’ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। পরে দুটি বিলই কণ্ঠভোটে পাস হয়। এদিকে বিল দুটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়- পুঁজিবাজার ও বিমাখাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ‘অভিজ্ঞ, দক্ষ ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন’ ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে আইনগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন। আইডিআরএ সংশোধন বিল, ২০২৬ এ বিদ্যমান আইনের ৭ ধারার উপধারা ৩ সংশোধনের প্রস্তাব পাস করা হয়েছে। আইডিআরএ আইন, ২০১০ এর ধারা ৭ এ চেয়ারম্যান এবং সদস্য হওয়ার ‘যোগ্যতা ও অযোগ্যতার’ বিধান রয়েছে। বিদ্যমান আইনের ধারা ৭ এর উপধারা ৩ এর দফা ছ-এ বলা আছে, কোনো ব্যক্তির বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হলে তিনি চেয়ারম্যান বা সদস্য হওয়ার যোগ্য থাকবেন না। সংসদে উত্থাপিত বিলে এই ‘ছ দফা’ বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে- ধারা ৭ এর উপধারা ৩ এর দফা ‘ঙ’ এর শেষে থাকা সেমিকোলনের পর ‘বা’ শব্দ বসবে। দফা ‘চ’ এ থাকা ‘; বা ’ এর পরিবর্তে দাঁড়ি বসবে এবং দফা ‘ছ’ বিলুপ্ত হবে। এর ফলে আইডিআরএ-তে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে ৬৭ বছরের বয়সসীমা বিলুপ্ত হবে। এসব বিষয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। তবে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা বিল দুটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। এ বিষয়ে আখতার হোসেন বলেন, সরকার দল সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তারা চাইলে আইন পাস করতে পারে। তবে যে দুটি বিল পাস হল, তার বিষয়বস্তু নিয়ে যথেষ্ট ব্যাখ্যা হয়নি। এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, বিষয়বস্তু হল যে এই যে, সিকিউরিটিস এক্সচেঞ্জ কমিশনের যে আইনটি এবং এই যে বীমা করপোরেশনের যে আইন দুইটা- আইনের বয়সের যে বাধ্যতাকতা ছিল, সেই বাধ্যতাগুলোকে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিলের ভাষা সংক্ষিপ্ত হওয়ায় দেখে মনে হতে পারে বড় কিছু হচ্ছে না জানিয়ে আখতার বলেন, কিন্তু বাস্তবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছরের এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে ৬৭ বছরের বয়সসীমা ছিল, সেটিই তুলে দেওয়া হয়েছে।

ঐক্য ও কার্যকর সংসদের আহ্বান চিফ হুইপের

ঐক্য ও কার্যকর সংসদের আহ্বান চিফ হুইপের জাতীয় ঐক্য, কার্যকর সংসদ এবং গণতন্ত্র রক্ষায় সব দলের সমন্বিত ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কেউ মরতে চাই না, সবাই মিলে বাঁচতে চাই— দেশকে বাঁচিয়ে তারপর বাঁচতে চাই,’—এই দর্শন নিয়েই বর্তমান সংসদ এগিয়ে যেতে হবে। আজ সকালের অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা-হামলা ও দমন-পীড়নের অভিজ্ঞতা নিয়েই বর্তমান সংসদের অনেক সদস্য এখানে এসেছেন। ‘এ সংসদ মজলুমদের সংসদ,’ উল্লেখ করে তিনি অতীতের দুঃসময়ের কথা স্মরণ করেন। চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশ বারবার সংকট, অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। দুর্ভিক্ষ, গণতন্ত্রহীনতা ও স্বৈরশাসনের সময় অতিক্রম করে দেশ আজকের অবস্থানে এসেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে মানুষের স্বপ্ন ছিল গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়া। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সেই স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ হলেও স্বাধীনতার পর নানা দমন-পীড়ন, রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার, দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক সংকট দেশকে হতাশার দিকে নিয়ে যায়। বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কাঠামোও সীমিত হয়ে পড়ে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব দিয়ে অর্থনীতি পুনর্গঠন ও উৎপাদনমুখী নীতি চালুর মাধ্যমে দেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তার মৃত্যুর পর আবার অস্থিরতা তৈরি হলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন জোরদার হয়। চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশ বারবার সংকট, স্বৈরশাসন ও অন্ধকার সময় পার করে এগিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়েও নির্যাতন, গুম, বিচারহীনতা ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বলেন, এসব চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন আবার একটি ‘নতুন সূর্যোদয়ের’ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে তিনি সব পক্ষকে বিভাজন ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের আহ্বান জানান। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, দল-মত ভিন্ন হলেও একটি ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম ও মানবিক বাংলাদেশ’ গঠনে সবার ঐক্য থাকা উচিত। একইসঙ্গে তিনি বিরোধী দলের বক্তব্যেরও প্রশংসা করে বলেন, কার্যকর সংসদ গঠনে অতীতের সীমাবদ্ধতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সংসদকে প্রাণবন্ত করার আগে কার্যকর করা জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংসদ যদি কার্যকর না হয়, তাহলে শুধু প্রাণবন্ত হলেও লাভ নেই।’ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সংসদে এনে যুক্তিসংগত সমাধানের চেষ্টা করার আহ্বান করেন তিনি। চিফ হুইপ আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, জ্বালানি ও গ্যাস ইস্যুতে সংসদে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার ফলে জনমনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তিনি জানান, সরকার ও সংসদ সদস্যরা ব্যক্তিগত সুবিধা ত্যাগ করে জাতীয় স্বার্থে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ‘প্লট নেব না, গাড়ি নেব না— এই সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, জাতির স্বার্থে’, বলেন তিনি।সংসদের সাম্প্রতিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি জানান, স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক আইন ও অধ্যাদেশ নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আমরা কাজ করেছি, যা একটি রেকর্ড।’ তবে দ্রুততার কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল স্বীকার করে তিনি বিরোধী দলের সদস্যদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বিলগুলো আরও যাচাই-বাছাই করে উপস্থাপন করা হবে। চিফ হুইপ তার বক্তব্যে গ্রামীণ জনগণ, শ্রমজীবী মানুষ ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি হবে মানুষের জন্য— যে কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক প্রতিদিন সংগ্রাম করে বাঁচে, তাদের জীবনমান উন্নয়নই গণতন্ত্রের আসল লক্ষ্য।’ তিনি সব দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে— আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

রাজধানীতে আমচাষিদের সমস্যা সমাধানে চার দফা দাবি পেশ

রাজধানীতে আমচাষিদের সমস্যা সমাধানে চার দফা দাবি পেশ রাজধানীতে আমচাষিদের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে খামারবাড়ীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে এ সভা আয়োজন করা হয়। সভায় ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহা. দেলওয়ার হোসেন, আমচাষি ও গণমাধ্যমকর্মী আহসান হাবিব, নওগাঁর সাপাহারের সোহেল রানা, এনামুল হক স্বপনসহ প্রায় ১৫ জন আমচাষি অংশ নেন। আলোচনায় আমচাষিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে চার দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো— সারাদেশে আমের সঠিক ওজন নির্ধারণে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, সেচ ব্যয় কমাতে সোলার সেচ প্যানেল স্থাপন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম গবেষণা কেন্দ্র পুনঃস্থাপন এবং একটি স্বতন্ত্র আম বোর্ড বা অধিদপ্তর গঠন। কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ মনোযোগ সহকারে দাবিগুলো শোনেন এবং সেগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, আমচাষিদের স্বার্থ রক্ষায় সোলার সেচ প্যানেল সরবরাহ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ডিজিটাল ওজন পদ্ধতি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পান। এছাড়া আম গবেষণা কেন্দ্র পুনঃস্থাপন এবং একটি আম ব্যবস্থাপনা বোর্ড গঠনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান সচিব। আমের ওজন নির্ধারণে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সভায় আমচাষিরা জানান, দেশের আম উৎপাদন খাত প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ সৃষ্টি করছে। তবে এ খাতের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য এখনো কোনো বিশেষায়িত বোর্ড বা অধিদপ্তর না থাকা দুঃখজনক। এ সময় কৃষকদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে কৃষি সচিব বলেন, সরকার কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।