নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন ১ হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি। মেগা ইভেন্ট সামনে রেখে দক্ষিণ প্লাজায় চলছে কর্মযজ্ঞ। শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদের প্রবেশপথ ও ভেতরে নেওয়া হয়েছে চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিস্পোজাল ও বিশেষায়িত সব ইউনিট। অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় এরইমধ্যে দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে সুইপিং করেছে বোম্ব ডিস্পোসাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে অবস্থান করছেন গোয়েন্দারা। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের বাসা থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় থেকেই দেওয়া হবে নিরাপত্তা। প্রোটোকলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত গাড়ি। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে রুটকেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’ শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। কোনো শঙ্কা না থাকলেও নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আগামীকাল শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে , থাকছেন ১২শ দেশি-বিদেশি অতিথি

আগামীকাল শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে , থাকছেন ১২শ দেশি-বিদেশি অতিথি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথকে ঘিরে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। আগামীকাল এ অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামীকাল বিকেল ৪টায় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এদিন নির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) শপথ নেবেন। একইসঙ্গে তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও পৃথক শপথ গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি ভেঙে এবার প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবন-এর পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হচ্ছে। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ জন দেশি-বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন। আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। এছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা ও শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার-এর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনার কথা জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রারও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেছেন। নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালানন্দ শর্মা। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকায় পৌঁছান তিনি। ঢাকার নেপাল দূতাবাস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে।অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, আগামীকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে একই দিন সকাল ১০টায় শপথ নেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাদেরকে শপথ পড়াবেন।
বিদায়ী সাক্ষাতে সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

বিদায়ী সাক্ষাতে সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বিদায়ী সাক্ষাতে সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। আজ তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ সময় তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দায়িত্বকালীন বিভিন্ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়, সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা হাইকোর্টের

রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা হাইকোর্টের আসন্ন পবিত্র রমজানে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। এদিকে হাইকোর্টের নির্দেশনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোনো ধরনের নির্দেশনা নেই। এতে রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তাতে রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ১৯ দিন বন্ধ রাখার কথা রয়েছে। তবে সেটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়নি। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছুটির তালিকায় ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদসহ কয়েকটি ছুটি রয়েছে। শুক্র ও শনিবারসহ সেখানে মোট ছুটি ১৯ দিন। এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে অধিদপ্তরের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি জানিয়ে উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন বলেন, যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছে। প্রাথমিকের কথা আমরা জানতে পারিনি। সেক্ষেত্রে অধিদপ্তর ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রেখেছে। এটা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
নতুন মন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাসা প্রস্তুত: গণপূর্ত উপদেষ্টা

নতুন মন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাসা প্রস্তুত: গণপূর্ত উপদেষ্টা নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাসা প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান। আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান আগামীকাল হতে পারে। এজন্য নতুন মন্ত্রীদের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ি প্রস্তুত রাখার জন্য সরকারি যানবাহন অধিদফতরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর আবদুল গণি রোডে অবস্থিত যানবাহন অধিদফতর মিলনায়তনে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা যেসব গাড়ি ব্যবহার করছেন, সেগুলোসহ সরকারি যানবাহন অধিদফতরে থাকা মোট ৫০টি গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রস্তুত করা হচ্ছে। বর্তমান উপদেষ্টাদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন উপদেষ্টা তাদের গাড়ি সরকারি যানবাহন অধিদফতরে জমা দিয়েছেন। তাছাড়া, যতজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হবেন, তার চেয়ে বেশি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যতটি গাড়ি চাওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে। গাড়ি ও বাসা প্রস্তুত হলেও নতুন মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন, এখনো তার কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে দুই যুগ পর সরকার গঠন করছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন, বিএনপি এ ঘোষণা আগেই দিয়েছে। ইতিমধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলিমকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষায় সমৃদ্ধ রমজান মানবজাতির জন্য শান্তি, কল্যাণ ও নৈতিকতার বার্তা বয়ে আনে। এই মহিমান্বিত মাসে সিয়াম, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি সকলের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সম্প্রীতিসহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের সুযোগ হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদের ব্যক্তি ও জাতির জীবনে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচার পরিহার করে ন্যায় ও কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয়। এই মাস ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা চর্চার মাধ্যমে নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয় এবং দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষদের প্রতি সকলের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। তিনি আরও বলেন, আসুন, আমরা পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোগ-বিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে বেশি বেশি ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া, তওবা ও সৎকর্মে মনোনিবেশ করি, রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের রোজা, নামাজ, দান-সদকা ও সকল নেক আমল কবুল করেন এবং আমাদের জীবনে মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করুন। আমিন।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আসছেন না। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইসলামাবাদ এখনো জানায়নি। এছাড়া ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ঢাকায় আসবেন কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। এদিকে, ভারত সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার শ্রী ওম বিড়লা। তিনি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার আগামী মঙ্গলবার শপথগ্রহণ করতে যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী দল বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।
বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ

বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের নামে গেজেট ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিতদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়। রবিবার থেকে কর্মদিবস শুরু হওয়ায় ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। শপথ পরবর্তী ধাপগুলো ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, “সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর বিজয়ী দল তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করবেন। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করবেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তখন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং পরবর্তীতে একটি সুবিধাজনক সময়ে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। সচিব জানান, এটি সংসদ সচিবালয়ের এখতিয়ার। তবে তিনি অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানান, এখানে একাধিক বিকল্প রয়েছে। সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়ান। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতিতে তারা না থাকলে তাদের মনোনীত কেউ অথবা প্রধান বিচারপতি কিংবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বরাবরের মতোই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পাঠ করাবেন। শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শেখ আব্দুর রশীদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা পরিস্থিতির প্রয়োজনে এর পরেও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, গেজেট নোটিফিকেশন হয়ে গেছে। জাতীয় সংসদে ২৯৭টি আসনে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নাম প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয় সংসদ সদস্য হিসেবে। সেটি এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে পরশু ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৭ তারিখ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি। কারণ কর্ম দিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে। তিনি আরও বলেন, শপথ গ্রহণের পরে বিভিন্ন এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন। যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থভাজন। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপরে একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সেই সময়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়ানোর বিষয়ে সচিব জানান, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন তাহলে সরকার থেকে কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন। শপথ অনুষ্ঠানে অতিথি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ কম বেশি এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন।