সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল পাস হয়েছে। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১১তম দিনের কার্যক্রমে কণ্ঠভোটে এ বিল পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিল উত্থাপন করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এ বিলে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি কার্যকর হয়েছে বলিয়া গণ্য হবে এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে বলবৎ হয়েছে বলে গণ্য হবে। বিলের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এ আইনে— (ক) “গণঅভ্যুত্থানকারী” অর্থ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি; (খ) “কমিশন” অর্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন; (গ) “জুলাই গণঅভ্যুত্থান” অর্থ ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্রজনতার সম্মিলিত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান; (ঘ) “বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার” অর্থ রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড; (ঙ) “রাজনৈতিক প্রতিরোধ” অর্থ ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলি। এ আইনে আরও বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে। মামলা প্রত্যাহার ও নতুন মামলা দায়ের বারিত। — (১) জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসরণপূর্বক প্রত্যাহার করা হইবে এবং ধারা ৫ এর বিধান সাপেক্ষে, এতদসম্পর্কিত নূতন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের আইনত বারিত হইবে। এই বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়- বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে, যাহা পরবর্তীকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসাবে স্বীকৃতি পায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার ও নিশ্চিত করিবার নিমিত্ত আত্মরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে উক্ত প্রতিরোধকর্ম এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার ও নিশ্চিত করিবার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সুরক্ষা প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে প্রতীয়মান হয়। সুতরাং জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষার জন্য এই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল, ২০২৬’ প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষিতে বর্ণিত অধ্যাদেশটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে অনুমোদনের জন্য বিল আকারে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।
সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা

সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা দেশের মোট ১০ হাজার ৫৬৮টি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা চালু হবে বলে জানান তিনি। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান। ধানমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়নের পাশাপাশি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি ও ৮ হাজার ২৩২টি মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ চালু করা হবে। তিনি আরো বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টিচাহিদা পূরণে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।’ প্রধানমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে দেড় হাজার প্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়) ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য অনন্য ডিজিটাল পরিচয় বা ‘এডু-আইডি’ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী ইশতেহারে মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে আইসিটি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আগামী ৬ মাসের মধ্যে অ্যাগ্রিকালচার ইনটেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন ইউজিং ফ্লাটার, পাইথন প্রগ্রামিং এবং ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দেশব্যাপী হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশব্যাপী হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাম নিয়ন্ত্রণে সরকার ১৪ দিন এগিয়ে এনে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে হামের টিকার মজুদ স্থিতিশীল আছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে হামের টিকা দেওয়া শুরু হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ব্যবস্থাপনায় অবহেলার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সেই সংকট কাটিয়ে উঠছে সরকার। হামের টিকা নিয়ে কোনো সংকট নেই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশের শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরো বলেন, ‘যারা গত ৯ মাস যাবৎ বেতন পাচ্ছেন না, তাদের বেতন পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা শুরু হয়েছে। অন্য সমস্যাগুলোও সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে জানান, ‘২ কোটি ১৯ লাখ হামের টিকা পাওয়া গেছে। মজুদও আরো রয়েছে। দুর্নীতি ও বিলম্ব এড়াতে এবার টেন্ডার প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে সরাসরি ইউনিসেফ থেকে টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ৫ এপ্রিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলাগুলোতে টিকা কার্যক্রম চালানোর জন্য ৩৪ লাখ ৮৩ ডোজ টিকা বিতরণ করা হয়েছে। এক ভায়ালে ১০ ডোজ টিকা দেওয়া যায়। হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইনের জন্য সরকার সর্বমোট ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহ করেছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ টিকা আমাদের আছে এবং কোল্ড চেন রক্ষা করা হচ্ছে। ’ হাম নিয়ে অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) ২০২৬ বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরের অধিবেশনে এই বিল পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।’ এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।
দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ পরিবারকে ঢেউটিন সহায়তা প্রদান

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ পরিবারকে ঢেউটিন সহায়তা প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে| আজ সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে এসব টিন তুলে দেয়া হয়| সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের মাঝে এক বাণ্ডিল করে ঢেউটিন হস্তান্তর করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন| এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন| সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা| ঢেউটিন বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ঘর মেরামতের জন্য মজুরি বাবদ আরও ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে| শিগগিরই এই বরাদ্দের টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন|
স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান পেছাল

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান পেছাল ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে আগামী ১৬ এপ্রিল পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ তথ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৬ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনিবার্য কারণবশত ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে এই নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করে থাকে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছর সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬ হাজার ৮৮৩ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন। মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের।
৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৪ এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। পিএসসি’র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন জানান, লিখিত পরীক্ষায় ৩ হাজার ৬৩১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এ পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। গত ২৭ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় লিখিত পরীক্ষা শহরে অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ও প্রাসঙ্গিক তথ্যাবলি বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) পাওয়া যাবে। ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) পরীক্ষা গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ সেপ্টেম্বর। ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে এতে উত্তীর্ণ হন ১০ হাজার ৬৪৪ জন।
১২ লাখ শিশুকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১২ লাখ শিশুকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে ১২ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের আনা একটি জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। কর্মসূচির প্রথম দিনেই নির্ধারিত ৭৬ হাজার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭৩ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৬ শতাংশ সাফল্য নির্দেশ করে। সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পূর্ববর্তী সরকারগুলোর কঠোর সমালোচনা করে জানান, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর দেশে বিশেষ কোনো টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়নি। তিনি দাবি করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণেই বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এবং ৩ মে থেকে সারা দেশে অবশিষ্ট এলাকাগুলোতে টিকাদান শুরু হবে। একই সঙ্গে গত রোববার থেকে দেশজুড়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন। দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সুবিধার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং রাজশাহী অঞ্চলে নতুন করে ২৫০টি আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুতির পাশাপাশি আইসিডিডিআরবি’র উদ্ভাবিত সাশ্রয়ী নতুন অক্সিজেন প্রবাহ সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে রোগীদের ফুসফুসে অক্সিজেন দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ইউনিসেফ থেকে অতিরিক্ত টিকা সংগ্রহের জন্য করোনাকালীন সময়ের অব্যয়িত ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশ্বব্যাংক এই সংকট মোকাবিলায় ঋণ ও অনুদান দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের তারিখ পরিবর্তন

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের তারিখ পরিবর্তন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে আগামী ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তথ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৬ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনিবার্য কারণবশত ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে এই নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করে থাকে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছর সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।