প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ সম্পন্ন ইসির

প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ সম্পন্ন ইসির আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে বিশ্বের ১২১টি দেশে ৭ লাখ ৬৭ হাজার ২৮ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসি সূত্র জানায়, গত ২০ ডিসেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে প্রবাসী ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়। প্রায় তিন সপ্তাহের ব্যবধানে নিবন্ধনকারী প্রবাসী ভোটারদের কাছে সব ব্যালট পাঠানোর কাজ শেষ হয়েছে। ডাক বিভাগের এয়ারপোর্ট সর্টিং অফিসের সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল শামীম সোহানী বাসস’কে জানান, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ইসি থেকে পাওয়া সব পোস্টাল ব্যালট বহির্বিশ্বে পাঠানোর কাজ গতকাল শেষ করেছে। বিমান বাংলাদেশ, এমিরেটস, মালয়েশিয়ান, সিঙ্গাপুর এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে এসব ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচনি পোলিং এজেন্ট সংক্রান্ত পরিপত্র জারি

নির্বাচনি পোলিং এজেন্ট সংক্রান্ত পরিপত্র জারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগ, তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য এবং নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা থেকে উপসচিব মনির হোসেনের সই করা এ পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক আয়োজন করতে হবে। এসব বৈঠকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টদের জন্য সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী করণীয় ও দায়িত্বকর্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। এছাড়া নির্বাচনি ব্যয়ের সম্ভাব্য অর্থের উৎস, ব্যয়ের হিসাব যথাসময়ে দাখিল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যবহার রোধে সর্বাত্মক সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এদিকে, গতকালের অপর এক পরিপত্রে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণ চলাকালে কোনো ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা জোরপূর্বক অপসারণের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হবে। এমন ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে পুনঃভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওয়াশিংটনে বাণিজ্য প্রতিনিধির সঙ্গে খলিলুর রহমানের বৈঠক

ওয়াশিংটনে বাণিজ্য প্রতিনিধির সঙ্গে খলিলুর রহমানের বৈঠক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও একটি পৃথক বৈঠক করেছেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠককালে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর অগ্রগতি তুলে ধরেন।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সারা দেশে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। সেলিম খান সাংবাদিকদের বলেন, “এলপি গ্যাসের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ করলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। আর ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।” এদিকে, গ্যাস ব্যবসায়ীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে মনে করছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, দাম বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান। পরে তার আহ্বানে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলাটেরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, “যারা ইন অ্যাকটিভ কোম্পানি আছে তাদের আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ডাকা হবে। চলমান সংকট সমাধানে বিইআরসি চেষ্টা করে যাবে।” এর আগে এলপি গ্যাসের চলমান সংকট নিরসন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প ও গৃহস্থালি উভয় খাতেই ব্যবহৃত হচ্ছে। শীত মৌসুমে বিশ্ববাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে এলপি গ্যাসের সংকট নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিয়েছিল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে।
এলপিজি আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব, এনবিআরকে চিঠি

এলপিজি আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব, এনবিআরকে চিঠি এলপি গ্যাসের চলমান সংকট নিরসন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প ও গৃহস্থালি উভয় খাতেই ব্যবহৃত হচ্ছে। শীত মৌসুমে বিশ্ববাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে এলপি গ্যাসের সংকট নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। এতে উপদেষ্টা পরিষদের গত ১৮ ডিসেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণীর একটি অংশ উদ্ধৃত করে বলা হয়, আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব সময়োপযোগী। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় কতটা কমবে, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। পরবর্তীতে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে সভায় এ সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা হলে তারা আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে শূন্য শতাংশ ভ্যাটের দাবি জানায়। চিঠিতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার সঙ্গে অপারেটররা মূলত একমত পোষণ করেছেন। সর্বশেষ চিঠিতে জানানো হয়, বর্তমান সংকট বিবেচনায় নিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে তা ১০ শতাংশ বা এর নিচে নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনবিআরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো ধরনের অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৭৩ (১২ নভেম্বর, ২০১২ তারিখে সংশোধিত) অধ্যায়- ১৬এ-এর বিধি ৩ এর দফা ৪ অনুযায়ী ‘কোনো ব্যক্তি, তিনি বারের সদস্য বা আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী বা অন্য কোন ব্যক্তি আদালত প্রাঙ্গণে বা আদালত ভবনের কোন অংশে কোন মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না’। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো প্রকার অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো। এছাড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নির্ধারিত পার্কিং ব্যতীত রাস্তা, ভবনের গেটের সামনে গাড়ি ও রিকশা পার্ক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ভোটের অভিযোগ ফোনে নেবে ইসি, জানাল ৫টি নম্বর

ভোটের অভিযোগ ফোনে নেবে ইসি, জানাল ৫টি নম্বর গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিযোগ ফোনে নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য একটি সমন্বয় সেল গঠন করেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণভোট ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে। সমন্বয় সেলে যোগাযোগের টেলিফোন নম্বরগুলো হলো— ০২৫৫০০৭৪৭০, ০২৫৫০০৭৪৭১, ০২৫৫০০৭৪৭২, ০২৫৫০০৭৪৭৪ এবং ০২৫৫০০৭৫০৬। টেলিফোন নম্বরগুলো দেশের যেকোনো নাগরিক নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন, অনিয়ম এবং অপপ্রচার-সংক্রান্ত অভিযোগ/তথ্য আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে জানাতে পারবেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল চালু থাকবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক নোটিশে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। নোটিশে বলা হয়, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়াও সকল কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুমকি দেয় তারা। এরপর সন্ধ্যায় বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তারা। সকালে সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। রাত ১১টার দিকে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দাবি মানা হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি শুরু হবে। আর না হলে বিক্রি বন্ধ থাকবে।
১৪ ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৪ ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের ১৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা, যা কাট-অফ হার হিসেবেও প্রযোজ্য হয়েছে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত) মোট ৩৫৪ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রায় ৩ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারের সমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আজ মঙ্গলবার ১৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ২২৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন (২২ কোটি ৩৫ লাখ) মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে। প্রতি ডলারের বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২২ দশমিক ৩০ টাকা। এর ফলে নতুন বছরের (২০২৬) জানুয়ারি মাসে মোট ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ক্রয় হয়েছে তিন হাজার ৫৪৬ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ

আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো এখন জাতিসংঘের কাজের অংশ নয় বলেও জানিয়েছে বৈশ্বিক সংস্থাটি। আজ জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘ নিজে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না, যদি না সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে কোনো ম্যান্ডেট থাকে। এটি এখন আর আমাদের কাজের অংশ নয়। তবে বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ডুজারিক বলেন, নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কারিগরি সহায়তা জাতিসংঘ প্রায়ই দিয়ে থাকে। ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৭ বছর পর দেশে ফেরার বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে তার প্রত্যাবর্তন কীভাবে দেখা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, আমি খবরের মূল্যায়ন করি না। সাংবাদিকরাই খবরের মূল্যায়ন করেন। তবে বাংলাদেশের জনগণ যেন নিজেদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অবাধে প্রকাশ করতে পারে, সেই প্রক্রিয়াকে জাতিসংঘ সমর্থন করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে স্রিস্টিফেন ডুজারিক বলেন, তার মৃত্যুতে আমরা তার পরিবারের প্রতি এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি।