৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশি পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন

৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশি পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে দেশি পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। আজ ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বিধি-নিষেধ রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের ভোটার ও নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত পরিচয়পত্রধারীরাই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫’ রয়েছে; যা মেনে পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
শীতের মাঝেই বৃষ্টির পূর্বাভাস

শীতের মাঝেই বৃষ্টির পূর্বাভাস শীতের আমেজের মধ্যেই দেশের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ আবহওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার ২৮ জানুয়ারি রংপুর বিভাগে বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটি আরো জানায়, আগামী পাঁচ দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও দিনে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শুক্রবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। িআবহাওয়া অফিস জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে গতকাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আজ মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এ তথ্য জানান। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রয়, ব্যবহার ও প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) স্বাক্ষরিত এই আদেশে সরকারের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ‘যৌথ ঘোষণা’ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে ‘তামাকমুক্ত’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সাইনেজ প্রদর্শন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) অনুযায়ী, তামাক শিল্পের যেকোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা বা প্রচারণা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং উচ্চ চিনিযুক্ত পানীয়ের বিপণন সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। এর পরিবর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্পসহ ‘হেলদি ক্যান্টিন’ স্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ক্যান্টিন বা সরবরাহকারীর খাবারে স্বল্প লবণ, চিনি এবং ট্রান্স-ফ্যাটমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, সরকারি সভাগুলোতেও এখন থেকে ক্যাটারিংয়ে তাজা ফল, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স সরবরাহ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাঝারি থেকে উচ্চমাত্রার শারীরিক কার্যক্রম নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ নেই, সেখানে ইনডোর কার্যক্রমের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের জন্য সাঁতার শেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ এবং কর্মীদের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ডেস্ক-ভিত্তিক স্ট্রেচিং ব্যায়াম প্রবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনায় সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক বান্ধব সিঁড়ি এবং র্যাম্পসহ অবকাঠামো ডিজাইন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লিফট ব্যবহারের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার, সাইক্লিং এবং দীর্ঘক্ষণ বসে না থাকার মতো স্বাস্থ্যবান্ধব জীবনাচার উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মাউশি জানিয়েছে, এই নির্দেশনাসমূহ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের গৃহীত কার্যক্রমের নিয়মিত বাস্তবায়ন প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বিশেষ শিক্ষা শাখায় প্রেরণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে আসবে। পাশাপাশি একটি সুস্থ-সবল জাতি গঠনে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
৪ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটদান সম্পন্ন

৪ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটদান সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৫ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। আজ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর (সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের দেশে) কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ৪ লাখ ৫ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী ভোটার কর্তৃক ভোটদান সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার কর্তৃক সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ, ৪৪ হাজার ৯৯৩টি পোস্টাল ব্যালট। এছাড়া ১৯ হাজার ৩৮৮ পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে (দেশে এবং প্রবাসী মিলে) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
জানুয়ারির মধ্যে আবাসন চুক্তি না হলে হজে যাওয়া অনিশ্চিত

জানুয়ারির মধ্যে আবাসন চুক্তি না হলে হজে যাওয়া অনিশ্চিত চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ঝুঁকির কথা জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসনের বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীরা হজ পালন করতে পারবেন না, এমন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ২৪ জানুয়ারি বেসরকারি হজ ব্যবস্থাপনায় যুক্ত সব লিড ও সমন্বয়কারী এজেন্সির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এখনো অনেক লিড এজেন্সি তাদের আওতাধীন হজযাত্রীদের আবাসন চুক্তি সম্পন্ন করতে পারেনি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি এই দুই মাধ্যমে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী ৩০টি লিড এজেন্সির মাধ্যমে হজে যাবেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তাদের একটি বড় অংশের জন্য মক্কা-মদিনায় আবাসন নিশ্চিত করা হয়নি। চিঠিতে আরো বলা হয়, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বারবার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। গত ২৩ জানুয়ারি জেদ্দায় অনুষ্ঠিত জুম সভায় সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক স্পষ্টভাবে জানান, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য আবাসন চুক্তির অগ্রগতি অত্যন্ত হতাশাজনক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব হজযাত্রীর আবাসন চুক্তি সম্পন্ন হবে না, তারা হজ পালনের সুযোগ হারাতে পারেন বলেও তিনি সতর্ক করেন। তবে চিঠিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় সব হজযাত্রীর জন্য মক্কা ও মদিনায় আবাসনের চুক্তি ইতোমধ্যে শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা হজযাত্রীদের জন্য আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে আবাসন চুক্তি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমন্বয়কারী এজেন্সিগুলোকে তাদের সংশ্লিষ্ট লিড এজেন্সিকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবাসন চুক্তি শেষ না হলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির হজ কার্যক্রম পরিচালনায় তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৫৫ হাজার দেশি ও ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৫৫ হাজার দেশি ও ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ৮১টি দেশি নিবন্ধিত সংস্থার মোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন ৭ হাজার ৯৯৭ জন এবং স্থানীয়ভাবে ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন। এছাড়া, নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক থাকবেন প্রায় ৫০০ জন। আজ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক মো. আশাদুল হক এ তথ্য জানান। এর আগে রবিবার ২৫ জানুয়ারি ঢাকায় বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি মিশনের কূটনীতিকদের ব্রিফ করে নির্বাচন ও গণভোটের সার্বিক প্রস্তুতি ও অগ্রগতি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ১ হাজার ৯৯৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৫৬ জন। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৫০ জন সদস্য দায়িত্বে থাকবেন বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। পাশাপাশি প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা থাকবেন ৬৯ জন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ৫৯৮ জন, প্রিজাইডিং অফিসার ৪২ হাজার ৭৭৯ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন এবং পোলিং অফিসার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৭৬৪ জন। এছাড়া, পোস্টাল ভোট ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত থাকবেন প্রায় ১৫ হাজার কর্মকর্তা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রবিবার ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সারাদেশে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া, নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ ছুটি সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর পরদিন ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা চার দিনের ছুটি ভোগ করবেন। অন্যদিকে শিল্পাঞ্চলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টার মতবিনিময়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টার মতবিনিময় গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। মতবিনিময় সভার শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় আসন্ন নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। মতবিনিময় সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উচ্চশিক্ষার সংস্কারে মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষায় নামছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

উচ্চশিক্ষার সংস্কারে মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষায় নামছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি ও কর্মসংস্থানের চাহিদা নিরূপণে বড় ধরনের সমীক্ষায় নামছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা নিরূপণে একটি সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা’ শীর্ষক এ গবেষণাটি পরিচালনা করবে ‘কনসিগলিয়েরি প্রাইভেট লিমিটেড’। আজ রোববার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে এই কাজের কার্যাদেশ ও অনুমতি প্রদান করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ দেশের আপামর জনসাধারণের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা দেশের সব অঞ্চলের, সব শ্রেণি-পেশা এবং ধর্মের মানুষের সমস্যা ও চাহিদা জানতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য-ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা, যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ গবেষণাটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়, যাতে দেশের নীতিনির্ধারকগণও উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে একে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের ৭০ শতাংশ উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩০ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা

২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩০ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা চলতি জানুয়ারির ২৪ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ২৪৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ হাজার ২৯৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩০ টাকা হিসাবে)। রোববার (২৫ জানুয়ারি) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি জানুয়ারি মাসের ২৪ দিনে আগের বছরের একই সময়ের ৪৯ শতাংশ প্রবাসী আয় এসেছে। আগের বছরের জানুয়ারি মাসের ২৫ দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। একই সঙ্গে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। এ সময়ে প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৮৭৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ১ হাজার ৫৪৩ কোটি ৯০ হাজার ডলার। জানুয়ারি মাসে আসা এ প্রবাসী আয় সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি।