৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৌখিক পরীক্ষা ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ২৬ জানুয়ারি। সাধারণ ক্যাডারের ৩৯০ জন, কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের ৭৩৮ জন এবং সাধারণ ও কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারের ১৩৩ জন প্রার্থীসহ মোট এক হাজার ৩৬১ জন প্রার্থীর পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে [http://bpsc.teletalk. com.bd) পাওয়া যাবে। গত ২৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে চার হাজার ৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয় এবং ১০ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা ৮ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরে পরীক্ষার্থীদের দাবির মুখে তা স্থগিত করা হয়। গত ৯ মে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশিত হয়। এতে ১০ হাজার ৬৩৮ জন উত্তীর্ণ হন। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ বিসিএসে ৩ হাজার ১৪০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন, শিক্ষা ক্যাডারে শিক্ষায় ৫২০ জন। প্রশাসন ক্যাডারে ২৭৪ জন, পররাষ্ট্রে ১০, পুলিশে ৮০, আনসারে ১৪, মৎস্যে ২৬ ও গণপূর্তে ৬৫ জনকে নেওয়া হবে। মোট ৩ হাজার ১৪০ শূন্য পদের বিপরীতে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন জমা পড়ে।

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমল

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমল দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ২ টাকা করে কমিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে জানুয়ারি মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০৪.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১০২.০০ টাকা, অকটেন ১২৪.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১২২.০০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১২০.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১১৮.০০ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৬.০০ হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১১৪.০০ টাকায় পুনর্নির্ধারণ/সমন্বয় করা হয়েছে। এটি ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর হবে।

১৭ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস

১৭ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় তা প্রশমিত হতে পারে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চবলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। ঢাকায় বাতাসের গতি উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।

পোস্টাল ভোট: নিবন্ধন ছাড়াল ১১ লাখ ৮৩ হাজার

পোস্টাল ভোট: নিবন্ধন ছাড়াল ১১ লাখ ৮৩ হাজার গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য “পোস্টাল ভোট বিডি” অ্যাপে নিবন্ধন ছাড়িয়েছে ১১ লাখ ৮৩ হাজার। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকালে ইসির ওয়েবসাইট ((https://portal.ocv.gov.bd/report/by-country) থেকে বিষয়টি জানা গেছে। গত ১৯ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে, চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। যেসব দেশে নিবন্ধন চলছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, মিশর, মোজাম্বিক, লিবিয়া, মরিশাস, হংকং, ব্রাজিল, উগান্ডা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, বতসোয়ানা, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, তানজানিয়া, সোমালিয়া, ঘানা, গিনি, মরক্কো, দক্ষিণ সুদান, চিলি, সিয়েরা লিওন, ইকুয়েডর, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, গাম্বিয়া, পেরু, জিম্বাবুয়ে, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, বাংলাদেশ ইত্যাদি। মোট নিবন্ধন করেছেন (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৪ জন, যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে।  ইসি জানিয়েছে, অ্যাপে নিবন্ধনকারীদের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ভোটার ভোট দিয়ে ফিরতি খামে তা আবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট করবে ইসি।

পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার

পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই আইন কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে বিদ্যমান আইনে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্যান্য অপরাধের শাস্তিও বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’ আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদিত হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়। এতে বলা হয়, এ আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমার্জিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন: ১. ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, Electronic Nicotine Delivery System (ENDS), Heated Tobacco Product (HTP), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এরূপ যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ২. পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, শাস্তি বাড়ল কয়েকগুণ

ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, শাস্তি বাড়ল কয়েকগুণ বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই আইন কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপানসহ বিভিন্ন অপরাধে কয়েকগুণ শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’ আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদিত হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়। এতে বলা হয়, এ আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমার্জিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন: ১. ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, Electronic Nicotine Delivery System (ENDS), Heated Tobacco Product (HTP), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এ ধরনের যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ২. পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে। ৩. বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, OTT প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, বিক্রয়স্থলে (Point of Sales) প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, CSR কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম/লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান/কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৫. ই-সিগারেট ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ৬. কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ: উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পৃথক Bidi Manufacture (Prohibition) Ordinance, 1975 বাতিল করা হয়েছে। ৭. আসক্তিমূলক দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ: তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান রাখা হয়েছে। ৮. স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং: প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৯. শাস্তি ও প্রয়োগ জোরদার: জরিমানা ও কারাদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-হাসপাতালের আশপাশে সিগারেট বিক্রি করলে জরিমানা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-হাসপাতালের আশপাশে সিগারেট বিক্রি করলে জরিমানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের আশপাশে সিগারেট বা তামাক বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছে। ২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন করে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করবেন না বা করাবেন না। সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সময় সময় সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দিয়ে এ সীমানার পরিধি বাড়াতে পারবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি এ বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার মুখে পড়বেন। দ্বিতীয়বার বা বারবার এ অপরাধ করলে দ্বিগুণ হারে শাস্তি পেতে হবে।

ই-সিগারেট ও ভেপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি

ই-সিগারেট ও ভেপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি ই-সিগারেট, ভেপসহ সব ধরনের ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট এবং কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতায় মোড়ানো বিড়ি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। ২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধনের মাধ্যমে এ অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। অধ্যাদেশে তামাক, তামাকজাত দ্রব্য, নিকোটিন ও নিকোটিন দ্রব্যের সংজ্ঞা নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তামাকজাত দ্রব্যের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে ই-সিগারেট, ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস), হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট, নিকোটিন পাউচসহ সরকার ঘোষিত অন্যান্য নিকোটিন পণ্য। এতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ই-সিগারেট, ভেপ, ভেপিং, ভেপার, ই-লিকুইড, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট বা যে নামেই পরিচিত হোক না কেন—এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপন, প্রচার-প্রচারণা, বিপণন, বিতরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ পুনরায় করলে দণ্ড দ্বিগুণ হবে। কোনো কোম্পানি এ অপরাধে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট মালামাল জব্দসহ কোম্পানির মালিক, ব্যবস্থাপক বা দায়ী ব্যক্তি সর্বোচ্চ ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার মুখে পড়বেন। পাশাপাশি ওই কোম্পানির তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদন ও বিক্রির লাইসেন্স বাতিল করা যাবে। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ই-সিগারেট বা ভেপজাত পণ্য ব্যবহার করলে তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া কুম্ভি পাতা, টেন্ডু পাতা বা অন্য কোনো গাছের পাতা দিয়ে মোড়ানো বিড়ি উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিপণন, পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় করলে তিন মাসের কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এসব বিড়ি ব্যবহার করলেও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হবে।

খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় তার নামাজে জানাজা হওয়ার কথা থাকলেও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় পৌনে ৩টার দিকে। বেলা ৩টায় জানাজা শুরু হয়। সেখানে প্রথমে খালেদা জিয়ার জীবনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। জানান, ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ৪১ বছরই বলিষ্ঠ হাতে দলের নেতৃত্ব দেন।  জনগণের কল্যাণে করেছেন কাজ।  খালেদা জিয়ার জানাজা পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। তাঁর জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।   তার জানাজায় অংশ নিতে এসেছেন ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। জানাজাস্থলে ছিলেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ইরান, কাতারসহ ৩২ দেশের রাষ্ট্রদূত। হাজির ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান। মানুষের ঢল নামে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং সংসদ ভবনের সামনের মাঠে। জানাজা শেষে সংসদ ভবন এলাকাসংলগ্ন জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হবে।  জানাজায় অংশ নিতে মঙ্গলবার রাত থেকেই সংসদ ভবন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।  খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে তারা গণপরিবহন, ট্রেন, লঞ্চ ও ব্যক্তিগত যানবাহনে করে রাজধানীতে আসেন।  জানাজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানিক মিয়া এভিনিউসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের মৃত্যুতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করে সরকার। আজ সকাল থেকে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিতসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বুধবার একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দলের চেয়ারপারসেন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সাতদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার থেকে আগামী একসপ্তাহ দলটির সব কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। এই সময়ে কালো ব্যাজ ধারণ করবেন দলের নেতাকর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় ‘দেশনেত্রী’, ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বেগম খালেদা জিয়া লিভার, কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস ও ইনফেকশনজনিত সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। উল্লেখ্য চলতি বছর ৭ জানুয়ারি তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি ঘটে। তিনি দেশে ফিরে আসেন। তবে বয়স প্রতিকূল থাকায় এবং নানাবিধ রোগের জটিলতার কারণে তিনি প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। সর্বশেষ গত ২৩ নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়াকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল, তিনি পূর্বের ন্যায় এবারও কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চিরদিনের মতো না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ্আগামীকাল ও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য ভাইভা পরীক্ষাগুলো আপাতত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন। আজ বিকালে এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পিএসসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে আগামীকাল সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকায় ওই দিনের এবং পরবর্তী দিনের (১ জানুয়ারি) সকল মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। স্থগিত হওয়া এই মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ৪৬তম বিসিএসের অন্যান্য তারিখের মৌখিক পরীক্ষাগুলো পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলবে কি না, তা জানতে প্রার্থীদের পিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।