ভর্তুকি না পেলে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের শঙ্কা!

ভর্তুকি না পেলে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের শঙ্কা! আগামী গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, সময়মতো এই অর্থ না পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটবে এবং দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিং পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বিশাল ব্যবধানের কারণে সরকারকে প্রতি বছর বিদ্যুৎ খাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় উৎপাদন ব্যয় ১২ টাকা ১৫ পয়সা। অথচ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিক্রি করছে মাত্র ৭ টাকা ৪ পয়সায়। ফলে প্রতি ইউনিটে সরকারকে ৫ টাকা ২৭ পয়সা লোকসান গুণতে হচ্ছে, যা ভর্তুকি হিসেবে সমন্বয় করা হয়। ভর্তুকির এই বিশাল চাহিদার পেছনে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ভুল পরিকল্পনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকির সিংহভাগই চলে যায় বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়া প্রদানে। বিগত সরকারের আমলে চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। রেন্টাল ও কুইক রেন্টালসহ এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের অধিকাংশ সারাবছর অলস বসে থাকে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী, বিদ্যুৎ না কিনলেও সরকারকে আগামী গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০,১৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, সময়মতো এই অর্থ না পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিং পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের বিশাল ফারাকের কারণেই এই বিপুল ভর্তুকির প্রয়োজন হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে বিপুল পরিমাণ টাকা কেন্দ্র ভাড়া হিসেবে দিতে হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি (৫.০২ টাকা থেকে ১৫.৫০ টাকা) এবং চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। ভর্তুকির এই বিশাল চাহিদার পেছনে বিগত সরকারের ভুল পরিকল্পনা ও ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়ার বড় ভূমিকা রয়েছে। বিগত ১৫ বছরে অলস বসে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে শুধুমাত্র ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণেও বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে । ভর্তুকির অর্থ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি আসন্ন সেচ ও গ্রীষ্মের পিক মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে এবং গ্রিডে নতুন যুক্ত হওয়া ৩টি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখতে গত ১৬ মার্চ বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ বিভাগে ভর্তুকির এই চাহিদাপত্র পাঠিয়েছে। মার্চ থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের জন্য এই অর্থ চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে জানানো হয়, জাতীয় গ্রিডে নতুন যুক্ত হওয়া তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখতেই বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। এগুলো হলো— শ্রীপুর ১৬০ মেগাওয়াট এইচএফও ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মাতারবাড়ি আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। শুধুমাত্র এই তিনটি কেন্দ্রের জন্য মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন।এছাড়া, ভারত থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ আমদানির বিল মেটাতে ৮ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা এবং সরকারি কোম্পানি ও বিপিডিবির নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ৩ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এদিকে, বাংলাদেশকে ঋণ প্রদানকারী সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর চাপ দিয়ে আসছে। আইএমএফের ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার চলতি বছরের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গ্রিডে নতুন যুক্ত হওয়া তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র (শ্রীপুর, পটুয়াখালী ও মাতারবাড়ি) চালু রাখতেই মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮,২৪৪ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন। এছাড়া, ভারত থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ আমদানির বিল মেটাতে ৮,২৭৫ কোটি টাকা এবং সরকারি কোম্পানিগুলোর জন্য ৩,৬১৭ কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে। অর্থ বিভাগ থেকে এখনও ইতিবাচক সাড়া না মেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভর্তুকির বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব (উন্নয়ন-১) মো. সোলায়মান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘ভর্তুকি চেয়ে চিঠি পাঠানোর পর অর্থ বিভাগ থেকে এখনও কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত আলোচনা চলছে। তবে, এই অর্থ ছাড় না পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহে নিশ্চিতভাবেই প্রভাব পড়বে। এখন যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে এই ভর্তুকি সামলানো প্রায় অসম্ভব। সরকার এখনই দাম বাড়াতে চায় না, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে দাম বৃদ্ধি আবশ্যক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইজাজ হোসেইন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রাক্তন অধ্যাপক ইজাজ হোসেইন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে এই বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির দায় মূলত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল পরিকল্পনার। তারা পরিকল্পনা করেছিল তিন-চার মাস পরপর দাম বাড়িয়ে চলতি বছরের মধ্যেই ভর্তুকি সমন্বয় করবে। কিন্তু বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়ায়নি। এখন যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে এই ভর্তুকি সামলানো প্রায় অসম্ভব। সরকার এখনই দাম বাড়াতে চায় না, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে দাম বৃদ্ধি আবশ্যক।

আগামীকাল থেকে কমবে গরম জানাল আবহাওয়া অফিস

আগামীকাল থেকে কমবে গরম জানাল আবহাওয়া অফিস ঢাকাসহ সারা দেশেই বেড়েছে গরমের দাপট। গত কয়েক দিন ধরে তীব্র গরমের ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা বেশি অস্বস্তিতে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামীকাল রবিবার থেকে সারা দেশেই কমবে গরমের দাপট। সেই সঙ্গে যেসব জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু কিছু জায়গায় কমতে পারে।  শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে আগামী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল রবিবার সকাল ৯টার মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সংস্থাটি জানায়, আজ ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাঙামাটি, চাঁদপুর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, আগামীকাল রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। সেই সঙ্গে বিরাজমান তাপপ্রবাহ কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। আগামী সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৯, আহত ১৫৪৮

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৯, আহত ১৫৪৮ বিদায়ী মার্চে ৬১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত ও ১ হাজার ৫৪৮ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৪৫টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ২২৯ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ৯টি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত, ১৯ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সব মিলিয়ে সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৬৭০টি দুর্ঘটনায় ৬৮২ জন নিহত এবং ১ হাজার ৭৯৬ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো মার্চ মাসের দুর্ঘটনা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।  সংগঠনটির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সংবাদপত্রে স্থান না পাওয়ায় তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চ মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১৬০টি দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে। সেখানে ৩০টি দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৫৭ জন চালক, ৯০ জন পথচারী, ১৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৮ জন শিক্ষার্থী, ১৫ জন শিক্ষক, ৭৮ জন নারী, ৮৬ জন শিশু, ৩ জন চিকিৎসক, ৪ জন সাংবাদিক, ১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ১ জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— ৫ জন পুলিশ সদস্য, ১ জন আনসার সদস্য, ১ জন বিজিবি সদস্য, ১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ১ জন চিকিৎসক, ১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ১৫০ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৮৪ জন পথচারী, ৭৪ জন নারী, ৮২ জন শিশু, ৬৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৪ জন শিক্ষক, ১ জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী এবং ৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার অবাধ চলাচল; জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং এবং সড়কবাতির অভাব; রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা; সড়কের মিডিয়ানে ডিভাইডার না থাকা; অন্ধবাঁকে গাছপালার কারণে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা; মহাসড়কের নির্মাণত্রুটি; যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি; ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা; উল্টো পথে যান চলাচল; সড়কে চাঁদাবাজি; পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন; অদক্ষ চালক; ফিটনেসবিহীন যানবাহন; অতিরিক্ত যাত্রী বহন; বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং চালকদের অতিরিক্ত সময় ধরে গাড়ি চালানো। এ ছাড়া ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের কারণে বাসের ছাদে, খোলা ট্রাক ও পিকআপে, ট্রেনের ছাদে এবং বাসের ইঞ্জিন বোনেটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের যাতায়াতকেও দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং ভাড়া আদায়ে স্মার্ট পদ্ধতি চালু করা; মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশার আমদানি ও নিবন্ধন বন্ধ করা; জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় আলোকসজ্জা নিশ্চিত করা; দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে যানবাহনের ফিটনেস প্রদান; বিআরটিএ অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলের সরকার নির্ধারিত ৬০ ঘণ্টার ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করা। এ ছাড়া পরিবহন খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মালিক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে সার্ভিস লেন নির্মাণ, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, রোড সাইন ও মার্কিং স্থাপন, আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত, নিয়মিত রোড সেফটি অডিট পরিচালনা এবং সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট চালুর কথাও বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ঈদযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানোও জরুরি।

৫ বছরের কম বয়সী সব শিশু পাবে, আগে নেওয়া থাকুক বা না থাকুক

৫ বছরের কম বয়সী সব শিশু পাবে, আগে নেওয়া থাকুক বা না থাকুক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, তারা আগে টিকা নিয়ে থাকুক বা না থাকুক। তিনি বলেন, শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে সরকার কাজ করছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে জরুরি হাম-রুবেলা টিকা কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। অতীতে টিকাদানের হার কমে আসার বিষয়ে তদন্ত করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে সময় নষ্ট না করে বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাকে আমার মানুষকে বাঁচাতে হবে, আমার শিশুদের বাঁচাতে হবে। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, বর্তমানে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, তারা আগে টিকা নিয়ে থাকুক বা না থাকুক। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। শিশু হাসপাতালের আইসিইউ সংকট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যমান আইসিইউ সক্ষমতা চাপের মুখে পড়েছে। আইসিইউ বেড বাড়ানো সহজ নয়, তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, যেসব রোগীর আইসিইউ প্রয়োজন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. জিয়া হায়দার, স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মালয়েশিয়া থেকে এলো ৩৪ হাজার টন ডিজেল

মালয়েশিয়া থেকে এলো ৩৪ হাজার টন ডিজেল মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছেছে অয়েল ট্যাংকার জাহাজ ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’। গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে জাহাজটি বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছে। জাহাজটি রাতেই চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসবে বলে জানিয়েছে জাহাজের স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস। এর আগে শুক্রবার দুপুর ২টায় ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘ইয়ান জিং হে’ নামের আরেকটি জাহাজ পদ্মা অয়েলের ডলফিন জেটি-৬-এ বার্থিং করে। ওই জাহাজেরও স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং। প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ এরই মধ্যে কুতুবদিয়া এসেছে। এটিতে ৩৪ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেল রয়েছে। জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে এসেছে। এটি রাতেই বহির্নোঙরে আসবে। শনিবার জাহাজটি বার্থিং করার কথা রয়েছে।

৩০ উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু রবিবার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩০ উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু রবিবার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১৮ জেলার ৩০টি নির্বাচিত উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হবে। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এ তথ্য জানান। এসময় তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্র বলেছেন, বরগুনা, পাবনা, চাঁদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর এবং যশোরসহ মোট ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলাকে এই বিশেষ কার্যক্রমের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মূলত যেসব এলাকায় সম্প্রতি হামের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে, সেখানেই এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, টিকাদান কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের সকল শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে। টিকার পাশাপাশি শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী একটি বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, যেসকল শিশু অসুস্থ শুধু তারাই ভিটামিন-এ ক্যাপসুলটি পাবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, অনেক অভিভাবকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, আগে টিকা নেওয়া থাকলে আবারও দেয়া যাবে কি না। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা ইতোপূর্বে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় হামের টিকা নিয়েছেন, তারাও এই বিশেষ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। একাধিকবার এই টিকা নিলেও শরীরে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি নেই।

লাইসেন্স ছাড়া বা ভুল ক্যাটাগরির যান চালালে জেল-জরিমানা

লাইসেন্স ছাড়া বা ভুল ক্যাটাগরির যান চালালে জেল-জরিমানা লাইসেন্স ছাড়া কিংবা লাইসেন্সে নির্ধারিত শ্রেণির বাইরে ভিন্ন ধরনের যান চালানোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ। আজ বিআরটিএ সদর দপ্তর থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ধারা ৪(১) অনুযায়ী বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষানবিশ লাইসেন্স বা হালনাগাদ লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি জনসমক্ষে মোটরযান চালাতে পারবেন না কিংবা কাউকে চালাতে দিতে পারবেন না। এছাড়া ধারা ৪(২) অনুযায়ী, লাইসেন্সে উল্লেখিত ক্যাটাগরির বাইরে অন্য কোনো ধরনের যান চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন ভঙ্গ করলে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ধারা ৬৬ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল দেশে শিশুদের মধ্যে হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আপদকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে এ সিদ্ধান্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরের অধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এ আদেশে বলা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এটি জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সংকট মোকাবিলা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ সরকারের

সংকট মোকাবিলা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ সরকারের মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে উদ্ভূত সংকট মোকাবিলা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যয় সংকোচনমূলক কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিসের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংকের লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত; তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করতে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ করতে হবে। দেশের সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ থাকবে। জরুরি সেবাগুলো যেমন কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও খাবারের দোকান এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হবে। সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলেকট্রিক বাস আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দিয়েছে।

নতুন সরকারের একনেকের প্রথম বৈঠক ৬ এপ্রিল

নতুন সরকারের একনেকের প্রথম বৈঠক ৬ এপ্রিল নতুন সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক আগামী ৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমান। প্রথম বৈঠকে মোট ১৭টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে, যার মধ্যে ৯টি নতুন প্রকল্প। এ ছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদিত ৩৩টি প্রকল্প একনেকে অবহতির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে।