ঢাকায় নতুন জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ

ঢাকায় নতুন জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। আজ ঢাকার জার্মান দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। জার্মান দূতাবাস জানায়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে উভয়ই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং উভয়ই জাতির কল্যাণে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা করেছেন। ড. রুডিগার লোটজ এক বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের হৃদয়ে রয়েছে আতিথেয়তা, বিশ্বাস, উদারতা ও অন্যদের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার। বাংলাদেশি জনগণের চেতনা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। পুনর্গঠনের এই সময়ের মধ্য দিয়ে আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ তার বিশাল সম্ভাবনা অর্জন করতে পারবে। জার্মানি ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক রয়েছে; আমরা একসঙ্গে এই পথে হাঁটতে থাকব। রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ একজন অভিজ্ঞ জার্মান কূটনীতিক, যার এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকাজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বহুপাক্ষিক পদে তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি করাচিতে কনসাল জেনারেল, দক্ষিণ আফ্রিকা, কলম্বিয়া, সার্বিয়া ও আফগানিস্তানে ডেপুটি হেড অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তুরস্ক, কসোভো, মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে উচ্চপদস্থ দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রদূত লোটজ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ও ফ্রেই ইউনিভার্সিটি-বার্লিন থেকে আইনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
মালয়েশিয়া সফরে গেলেন প্রধান উপদেষ্টা

মালয়েশিয়া সফরে গেলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়া গেছেন। আজ দুপুর টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই ও তিনটি নোট বিনিময় হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফরে কর্মী নিয়োগ ও বিনিয়োগ প্রাধান্য পাবে। গতকাল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানানো হয়। এ সময় জানানো হয় ১১ থেকে ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়া সফর করবেন। প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফরে কর্মী নিয়োগ ও বিনিয়োগ প্রাধান্য পাবে। মালয়েশিয়ায় কীভাবে আরও জনশক্তি বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় যে সব কোম্পানি আছে, কীভাবে তাদের বিনিয়োগ আনা যায় সেই চেষ্টা থাকবে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেদেশে সফরে গেছেন। আগামীকাল ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় দুই দেশের সরকার প্রধান বৈঠক করবেন।
ব্রিটেনে ব্যাপক ধরপাকড়, ২৮০ ডেলিভারি রাইডার গ্রেপ্তার

ব্রিটেনে ব্যাপক ধরপাকড়, ২৮০ ডেলিভারি রাইডার গ্রেপ্তার অবৈধ ‘ডেলিভারি রাইডার’ হিসেবে কাজ করা অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে সপ্তাহব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্য। গত মাসে চালানো এই অভিযানে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আজ ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে অবৈধ রাইডারদের গ্রেপ্তারের এই তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা গত ২০ থেকে ২৭ জুলাই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১ হাজার ৭৮০ জন ডেলিভারি রাইডারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ২৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৫৩ জনের আশ্রয়-সংক্রান্ত সহায়তা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা সব কোম্পানিকে তাদের কর্মীদের অভিবাসন-বিষয়ক অবস্থা যাচাইয়ের নতুন আইনি বাধ্যবাধকতাও চালু করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানো নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। কারণ সম্প্রতি দেশটির ব্রেক্সিটপন্থী নেতা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে দলের প্রতি সমর্থন বাড়ছে। ব্রিটেনের সীমান্ত নিরাপত্তা-বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা ঈগল বলেছেন, সরকার এটি নিশ্চিত করতে চায়, কোম্পানিগুলো সরকারি নিয়ম মানছে এবং তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি গাড়ি ধোয়ার দোকান ও রেস্তোরাঁসহ ৫১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সিভিল পেনাল্টি নোটিশ জারি করা হয়েছে। অবৈধ কর্মী নিয়োগে অভিযোগে জরিমানার মুখোমুখি হতে পারে এসব প্রতিষ্ঠান। অভিযানে ব্রিটিশ পুলিশ ৫৮টি ই-বাইকসহ ৭১টি যানবাহন জব্দ করেছে। এছাড়া ৮ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ ও ৪ লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড মূল্যের অবৈধ সিগারেটও জব্দ করেছে পুলিশ। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অবৈধভাবে কাজ করা ঠেকাতে অভিবাসন আইনপ্রয়োগকারী দলকে অতিরিক্ত ৫০ লাখ পাউন্ডের তহবিল দেওয়া হবে। এর আগে, গত মাসে দেশটির সরকার ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান ডেলিভারু, উবার ইটস ও জাস্ট ইটের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি করে। এই চুক্তির আওতায় অবৈধভাবে কাজ করা অভিবাসীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তথ্য সরবরাহ করবে প্রতিষ্ঠানগুলো। গত জুলাই পর্যন্ত ১২ মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৫ হাজার ৫২ জন অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে ব্রিটেন। এসব অভিবাসীর কাছে দেশটিতে থাকার বৈধ অধিকার ছিল না। ব্রিটেনের অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর এই হার তার আগের ১২ মাসের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।
ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৫

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৫ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া একই সময়ে সারাদেশে ৩২৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬২ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয় জন এবং রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৩০৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত মোট ২২ হাজার ৩০৪ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের ৯ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৭৩৫ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজন মারা গেছেন। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৯৮ জনের মৃত্যু হয়। মৃত তিনজনের মধ্যে বরিশাল বিভাগের একজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে দুইজন রয়েছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
আগামীকাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

আগামীকাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য ভর্তুকি মূল্যে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রয়ের কার্যক্রম চালু করছে সরকার। আগামীকাল থেকে ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। আজ টিসিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। টিসিবির উপপরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (শুক্রবার ছাড়া) ঢাকা মহানগরীতে ৬০টি ট্রাকে পণ্য বিক্রি চলবে। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২৫টি, গাজীপুরে ৬টি, কুমিল্লা মহানগরীতে ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ১২টি, ঢাকা জেলায় ৮টি, ফরিদপুরে ৪টি, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট জেলায় ৫টি করে ট্রাক নামানো হবে। ১০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) মোট ১৯ দিন প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে ৫০০ জন সাধারণ ভোক্তা ভর্তুকি মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন। যেকোনো ভোক্তা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড না থাকলেও পণ্য কেনা যাবে। ভোক্তা প্রতি ভোজ্যতেল ২ লিটার ২৩০ টাকা, চিনি ১ কেজি ৮০ টাকা এবং মসুর ডাল ২ কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি করা হবে।
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং জনপ্রিয় কেন

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং জনপ্রিয় কেন বর্তমান সময়ে ওজন কমানো, স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য মানুষ এখন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর প্রতি ঝুঁকছে। দেখা গেছে নিয়ন্ত্রিত ফাস্টিং এর মাধ্যমে ওজন কমানো ও অতিরিক্ত ওজনের ফলে যেসব রোগব্যাধি হয় সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে আনে। যার ফলে ওজন কমে অন্যদিকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হরমোন লেভেলকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি শরীরের ইনস্যুলিন কমিয়ে গ্রোথ হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি চর্বি ঝরানোর হরমোন নোরাড্রেনালিন এর নিঃসরণও বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে এর ফলে পেটের চারপাশের ক্ষতিকর চর্বি, যেগুলোর কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, সেগুলোও ঝরে যায়। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সফলতা নির্ভর করে কম ক্যালোরি গ্রহণের উপর। খাবার গ্রহণের সময় যদি অতিরিক্ত খেয়ে ফেললে কাংখিত ফলাফল পাওয়া যাবেনা। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আনোয়ারা পারভীন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার আলোচনার ভিত্তিতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতিগুলো হলো… ১৬/৮ ঘণ্টা ফাস্টিং: এই পদ্ধতিতে সকালের নাস্তা খাবেন না। বেলা ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খাওয়া দাওয়া করবেন। এরপর ১৬ ঘণ্টার ফস্টিং। তবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার ভাল সময় হল ডিনারের পরে। রাতে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে বাকি সময়টা উপোস দিন। ফলে, ঘুমনোর সময়েই ৭-৮ ঘণ্টা এমনিতেই গ্যাপ হয়ে যাবে। আর সকালে সময় মতো খেলেই হল। খান-থামুন-খান: এই পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা করে কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন প্রতি সপ্তাহে ১ বা ২ বার। যেমন ধরুন একদিন রাতের খাবার খেয়ে পরদিন রাতে খাবেন। ৫/২ ডায়েট: এই পদ্ধতিতে প্রতি সপ্তাহে পরপর ২ দিন ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরির খাদ্য গ্রহণ করুন। বাদবাকি দিনগুলোতে স্বাভাবিক খাবার খান। ১৬/৮ ঘণ্টার পদ্ধতিটি সহজ বলে মনে হয় অনেকের কাছে। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়ও বটে। খাবার কেমন হবে- ফাইবারে ভরপুর ফল ও শাকসব্জি রাখুন খাদ্যতালিকায়। অঙ্কুরিত ছোলা, চিকেন, অল্প তেলে রান্না মাছ, স্যালাড, সবজির তরকারি, ডিম খেতে পারবেন। ব্রাউন রাইস খেলে বেশি ভাল হয়। ব্রকোলি, আলু, আমন্ড বাদাম, পপকর্ন, গোটাশস্য বেশি করে খান। এছাড়া খাবারের তালিকায় তাজা ফলের ক্ষেত্রে এমন ফল রাখুন যেগুলো কম মিষ্টি। যেমন- মিষ্টি কম এমন ফল হলো আপেল, কমলা, মাল্টা, আংগুর, আনার, জাম, আমলকি ইত্যাদি। একটা ডায়েট চার্ট তৈরি করা ভালো। কখন কী খাবেন, কতটা খাবেন, তা লিখে রাখুন। ফাস্টিংয়ের পরে বেশি খেয়ে ফেললে চলবে না। ফাস্টিং কখন করা যাবে না – আপনি যদি আন্ডার ওয়েট হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি ইটিং ডিজ-অর্ডার থেকে থাকে। তবে, চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করতে যাবেন না। মনে রাখা জরুরী, খাবার সময়টাতে যদি জাংক ফুড অথবা অতিরিক্ত ক্যালরি যুক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন তাহলে ফাস্টিং কোন কাজে আসবে না। যে খাবারগুলি আপনাকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার সময়ে ওজন কমতে বাধা দিবে সেগুলো হচ্ছে- সোডা,এ্যালকোহল,ভাজা খাবার,অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার,সরল শর্করা,প্রদাহ বৃদ্ধিকারী তেল যেগুলো শস্যদানা থেকে প্রস্তুত হয়।,অতিরিক্ত ক্যাফেইন।
পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের ভালো লাগে, বাংলাদেশি বিয়ে করতে চান রাশিয়ান মডেল

পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের ভালো লাগে, বাংলাদেশি বিয়ে করতে চান রাশিয়ান মডেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির। জন্ম রাশিয়াতে হলেও এ মডেল বাংলা ভাষায় কথা বলেন। শাড়ি পরেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ রুশ তরুণী বাংলাদেশের ছেলে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির বলেন, ‘রাশিয়ার মস্কোতে আমার জন্ম। আমার বাবা ভারতীয় ও মা রাশিয়ান। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি বলে, শাড়ি পরি বলে অনেকে মনে করেন আমি বাংলাদেশি। আসলে তা নয়। আমার বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।’ তিনি বলেন, ‘যখন আমার ৫ বছর বয়স তখন আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। আমার বাবার ব্যবসা ছিল এখানে। এরপর আমি মার কাছে চলে যাই। রাশিয়ায় আমার মার কাছে গেলেও আমি বাংলা ভাষা ভুলিনি। বাবার কারণে ইন্ডিয়ার ভাষাও আমি জানি।’ এদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও মানুষকে ভালোবাসায় এ মডেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিয়ের জন্য রাশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কোন দেশের ছেলেকে বেছে নেবেন তিনি। এর উত্তরে মনিকা বলেন, ‘আমার মা রাশিয়ান, আমার বাবা ভারতীয় হলেও আমার বাংলাদেশ ভালো লাগে। বিয়েটা আসলে মনের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সব বাংলাদেশির মন ভালো নয়, সব ভারতীয়দের মন ভালো নয় আবার সব রাশিয়ানদের মন ভালো নয়। তাই বলবো, যার মন বেশি ভালো হবে তাকে বিয়ে করবো।’ বিয়ে প্রসঙ্গে এ মডেল আরও বলেন, ‘তবে আমার ইচ্ছা হয়তো বাংলাদেশে। কারণ এদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের আমার অনেক ভালো লাগে। তবে বিয়ে যাকেই করি না কেন বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়া- এ তিন দেশের পোশাক পরেই বিয়ে করার ইচ্ছা আছে।’ রাশিয়ান মডেল মনিকা কবিরের রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। ডাকনাম মনিশকা। লাতিন নাচে তিনি বেশ পারদর্শী। বাবার বিভিন্ন দেশে ব্যবসা থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। তাই রাশিয়ার ভাষা ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, তুর্কি, ইংরেজি এবং আজারবাইজানের ভাষা জানেন এ লাস্যময়ী সুন্দরী।
১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, বেতন বাড়বে কর্মকর্তাদেরও

১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, বেতন বাড়বে কর্মকর্তাদেরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বেতন দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম গ্রেড করার প্রস্তাব করেছে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে বিভাগীয় উপ-পরিচালক পর্যন্ত সব কর্মকর্তার বেতন এক গ্রেড করে উন্নীত করার সুপারিশ আগামী সপ্তাহে করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্যসূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন করে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কারণ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বেতনও বর্তমানে দশম গ্রেডে থাকায় প্রধান শিক্ষক ও তদারকি কর্মকর্তার একই গ্রেডে থাকা প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করছে।অপরদিকে, সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে অবস্থান করছেন। বেতন কাঠামোয় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মধ্যে তিন ধাপ পার্থক্য রয়েছে, যা টাকা হিসেবে প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। সহকারী শিক্ষকরা এ ব্যবধানকে ‘বৈষম্য’ হিসেবে দেখছেন। এই অসন্তোষ দূর করতে সরকার বেতন গ্রেড উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান জানান, সহকারী শিক্ষকদের পদনাম পরিবর্তন করে ‘শিক্ষক’ করা হয়েছে এবং তাদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাব সরকারকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউপিইও), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের (ডিডি) বেতন এক ধাপ বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করা হবে।তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে উন্নীত করার পর অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বেতন বাড়ানোর যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং নতুন পে-কমিশনের কাছে বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের কাছে দেওয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রস্তাবে শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডের (১১ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে ১১তম গ্রেড (১২ হাজার ৫০০ টাকা স্কেল) করার কথা বলা হয়েছে। সারাদেশে ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন সাড়ে তিন লাখের বেশি। সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ইউএপিইও) বেতন ১০ম গ্রেডের (১৬ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে নবম গ্রেড (২২ হাজার টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে। সারাদেশে এই পদের সংখ্যা দুই হাজার ৬০৭টি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ইউপিইও) বেতন নবম গ্রেডের (২২ হাজার টাকা স্কেল) থেকে অষ্টম গ্রেড (২৩ হাজার টাকা স্কেল) এ উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ পদে সারাদেশে কর্মরত ৫১৬ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। দেশে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) আছেন ৬৮ জন। তাদের বেতন সপ্তম গ্রেডের (২৯ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে ষষ্ঠ গ্রেড (৩৫ হাজার ৫০০ টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে সুপারিশ করা হচ্ছে। এর বাইরে বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের বেতন পঞ্চম গ্রেডের (৪৩ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে চতুর্থ গ্রেড (৫০ হাজার টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সুপারিশ করবে।
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হলো ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হলো ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা চলতি বছর সৌদি আরবে সফলভাবে হজ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। হজ ব্যবস্থাপনায় ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ের ফলেই এই টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনুসের আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছায় এবং তা বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যবস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।চলতি বছরে হজ প্যাকেজের খরচ গত বছরের তুলনায় ৭৩ হাজার টাকা কমিয়ে আনা হয়েছে। ৮৭ হাজার ১০০ জন হজযাত্রীর হজ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহার ও সীমিত জনবলেই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে মন্ত্রণালয়। এ বছর ২০২৫ সনের হজে তিনটি নতুন সেবার উদ্ভাবন করা হয়। তা হলো, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ‘লাব্বাইক’ মোবাইল অ্যাপ চালুকরণ, মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা প্রদান ও হজ প্রি-পেইড কার্ড হজযাত্রীদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া। এছাড়া সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সীমিত জনবলের মাধ্যমে হজ কার্যক্রম সম্পাদন করে। রাজস্ব খাতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ২৯ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে রাজস্ব খাতে ৩৬টি পদ সৃজনের কার্যক্রম গ্রহণ এখন অর্থ বিভাগের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।
জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো পাকিস্তান। ত্রিনিদাদে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৯ ওভারে ২৮০ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাত বল এবং পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন এভিন লুইস, এ ছাড়াও শাই হোপ (৫৫) ও রোস্টন চেজ (৫৩) ফিফটি করার খানিক বাদেই আউট হয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। সফরকারীদের পক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাসান নওয়াজ ৬৩ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫৩ রান করেন। এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি উইন্ডিজদের। দলীয় এবং ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানেই তারা ওপেনার ব্রেন্ডন কিংকে হারায়। সেই ধাক্কা সামলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন লুইস ও কেসি কার্টি। ৩৯ বলে কার্টি ৩০ রানে ফিরলে সেই জুটি ভাঙে। এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। যা নিয়ে স্বাগতিকরা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভুগেছে। লুইস ৬২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০, শাই হোপ ৭৭ বলে ৪ চারে ৫৫ এবং রোস্টন চেজ ৫৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রান করেন। শেষদিকে ক্যারিবীয়দের পুঁজিটা বেড়েছে মূলত চেজ ও গুদাকেশ মোতির কল্যাণে। ২১৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হোপের দলটি বড় পুঁজি পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল। যদিও চেজ ফিফটি করার পরই নাসিম শাহ’র স্লোয়ার ডেলিভারিতে হালকা চালে ব্যাট চালিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। ১৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মোতি। যা উইন্ডিজদের পুঁজি ২৮০–তে নিয়ে যায়। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ৪ এবং নাসিম শাহ নেন ৩ উইকেট। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীদের পক্ষে রান পাননি কেবল ওপেনার সাইম আইয়ুব (৫)। দলীয় ১৬ রানে তার বিদায় পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক করেন ২৯ রান। এই ম্যাচ দিয়ে ৪ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন বাবর আজম ও রিজওয়ান। মাঝে একাধিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেললেও, দুই অভিজ্ঞ তারকাকে ছাড়াই স্কোয়াড গড়েছিল পাকিস্তান। দলে ফিরে বাবর ৬৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৪৭, রিজওয়ান ৬৯ বলে ৪টি চারে ৫৩ রান করেছেন। সাবেক ও বর্তমান দুই অধিনায়কের পর সালমান আগা ফেরেন মাত্র ২৩ রান করে। ফলে ১৮০ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাকি সময়টা তাদের নিশ্চিন্তে এগিয়ে নিয়ে গেছেন হাসান নওয়াজ ও হুসাইন তালাত। দুজনের অপরাজেয় জুটি ১০৪ রানে পৌঁছাতেই পাকিস্তান গন্তব্যে পা রাখে। হাসান ৫৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৩ এবং তালাত ৩৭ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৪০ রানে থাকেন অপরাজিত। উইন্ডিজদের পক্ষে ২ উইকেট নেন শামার জোসেফ।