চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পর্যায়ে, গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সভা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পর্যায়ে, গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের আয়োজনে আজ সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, গ্রাম আদালত আমাদের দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, এটি একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে চেয়ারম্যানদের সকলকে এক মনে কাজ করতে হবে। কোন দলের হয়ে কাজ করা যাবে না। অনেকেই এ আদালতের রায় মানেনা বা বিচারের দিন উপস্থিত হননা। মনে করেন চেয়ারম্যান বা ইউনিয়ন পরিষদের কোন ক্ষমতা নেই। গ্রাম আদালতে রায় না মানার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যতদিন রায় মানার সংস্কৃতি না মানতে পারবে ততদিন কোন সমস্যার নিষ্পত্তি হবেনা। তখন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে হবে। সভায় ৫ উপজেলার উপজেলা নিবার্হী অফিসার, ৪৫ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ম্যানেজার হাফিজ আল আসাদ। বার্ষিক কার্যক্রমে ভূমিকা পালন করায় ১ম স্থান করেন নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়ন, ২য় স্থান অর্জন করেন নাচোল উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও ৩য় স্থান অর্জন করেন ভোলাহাট উপজেলার দলদলি ইউনিয়ন। হচ্ছে। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো, বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জনগণ বিশেষত নারী, জাতিগত সংখ্যালঘু এবং সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠির মানুষের ন্যায়বিচারের সুযোগ বৃদ্ধি করা। তাই স্থানীয় সরকার বিভাগ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে ও সহযোগি সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অরগানাইজেশন ই এস ডিওর মাধ্যমে, জেলার ৫টি উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়নে প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।
আজ পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা

আজ পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা আজ পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা। হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারটি মুসলিম বিশ্বে স্মরণ করা হয় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রোগমুক্তির দিন হিসেবে। ‘আখেরি চাহার শোম্বা’ ফারসি শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ- শেষ বুধবার। নবুয়তের ২৩তম বছর তথা ১১ হিজরির সফর মাসে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর ঠিক এই দিনেই কিছুটা সুস্থতা লাভ করেছিলেন মহানবী (সা.)। তিনি শেষবারের মতো গোসল করে মসজিদে গিয়ে নামাজের ইমামতিও করেন। এ সময় তাঁর সুস্থতার খবরে সাহাবিরা খুশি হয়ে দান-সদকা করেন, পশু কোরবানি দেন এবং দাস মুক্ত করেন। তাদের এই আদর্শ অনুসরণে মুসলমানরা প্রতিবছর এ দিনটিতে দোয়া, ইবাদত-বন্দেগি, দান ও সদকার মাধ্যমে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকেন। যদিও ইসলামী শরিয়তে এ দিনকে ঘিরে কোনো নির্দিষ্ট ইবাদতের বিধান নেই, তবু দিনটির ইতিহাস ও তাৎপর্য স্মরণে অনেকেই নেক আমলে অংশ নেন। আখেরি চাহার শোম্বা উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দিনব্যাপী দোয়া-মাহফিল, কোরআন খতম ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশেও দিনটি বিভিন্নভাবে স্মরণ করা হয়, বিশেষত দোয়া ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে। দিনটির মূল শিক্ষা রোগমুক্তির জন্য আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা, নেক আমলের প্রতি আগ্রহ এবং নবীজির (সা.) জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩৫৬

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩৫৬ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। একই সময়ে সারাদেশে ৩৫৬ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাত জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় কোন ৩৩৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ২৬ হাজার ৬৪ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের ২০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৭ হাজার ৪৭১ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক এক শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক নয় শতাংশ নারী রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ১০৫ জনের মৃত্যু হয়। মৃত একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বাসিন্দা। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
তিস্তার বুকে চালু স্বপ্নের মওলানা ভাসানী সেতু

তিস্তার বুকে চালু স্বপ্নের মওলানা ভাসানী সেতু দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো বহুল প্রত্যাশিত ‘মওলানা ভাসানী সেতু’। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে কুড়িগ্রামের দূরত্ব কমলো অন্তত ১০০ কিলোমিটার পথ। এতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন তিস্তা নদীর দুই পারের মানুষ। আজ দুপুর পৌনে ১টায় সৌদি অতিথিদের নিয়ে সেতুটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এ সময় ফলক উন্মোচন মঞ্চসহ পুরো এলাকায় উচ্ছ্বসিত হাজারো মানুষের ভিড়ে পা ফেলার জায়গা নেই। তিস্তাপাড়ের মানুষ সেতুটি পেয়ে অত্যন্ত খুশি। কারণ এতদিন নৌপথই ছিল তাদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। প্রশস্ত সড়কসহ দীর্ঘ নান্দনিক সেতু পাওয়ায় আজ তাদের বাঁধ ভাঙা আনন্দ। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদর সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত স্বপ্নের সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার। বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১৪৯০ মিটার দৈর্ঘ এবং ৯.৬০ মিটার প্রস্থের সেতুটির লেন সংখ্যা দু’টি এবং মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। এটি একটি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতু। সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে স্বল্প সময় ও খরচে শিল্প ও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন এবং ছোট ও মাঝারি কলকারখানা প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া নদীর উভয় তীরের সংযোগসহ উন্নত রোড নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসার ঘটবে। এলাকায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নসহ জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টিসহ একটি নতুন পরিবহন করিডোর গড়ে ওঠায় রাজধানী ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সঙ্গে ভুরুঙ্গামারী স্থলবন্দরসহ কুড়িগ্রাম জেলার যোগাযোগের দূরত্ব ৪০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমবে। গাইবান্ধার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল চৌধুরী জানান, মওলানা ভাসানী সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আগে থেকেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। আজ দুপুরে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি উদ্বোধন করেন। এরপরই সবার জন্য এটি খুলে দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন হলেও নানা জটিলতা কাটিয়ে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়।সেতুর উভয় পাশে ৮৬ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ এবং সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকায় স্থায়ী নদী শাসন করা হয়েছে। এ জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে প্রায় ১৩৩ একর জমি। সেতুর উত্তর পাশে আর্চ ব্রিজের সামান্য কিছু কাজ ও সংযোগ সড়ক পাকা করার কাজ বাকি থাকলেও মূল সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রাতে ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী

রাতে ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান আজ রাতে চারদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রীর ঢাকা সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। ঢাকা সফরে পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান বাণিজ্য উপদেষ্টা বশির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী আজ রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা পৌঁছাবেন। তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) থেকেই তার ঢাকায় আনুষ্ঠানিক সফর শুরু হবে। সফরের প্রথম দিন তিনি বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। আগামী শুক্রবার ২২ আগস্ট সফরের দ্বিতীয় দিন তিনি চট্টগ্রাম যাবেন। সেখানে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া চট্টগ্রাম স্টিল মিলস পরিদর্শন করবেন। শনিবার ২৩ আগস্ট টাঙ্গাইলে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানা পরিদর্শন করবেন। রোববার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়াও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ট্যারিফ কমিশন, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, এফবিসিসিআই প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। একই দিনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে একটি সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই আগামী ২৩ আগস্ট ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বেশ কয়েকটি সমঝোতা সইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সিরিজের জন্য দল ঘোষণা নেদারল্যান্ডসের

বাংলাদেশ সিরিজের জন্য দল ঘোষণা নেদারল্যান্ডসের ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চলতি মাসেই বাংলাদেশ সফরে আসবে নেদারল্যান্ডস। এই টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য আজ দল ঘোষণা করেছে ডাচরা। স্কট এডওয়ার্ডসের নেতৃত্বে টাইগারদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। ডাচরা দল ঘোষণা করলেও বাংলাদেশ এখনো সিরিজের স্কোয়াড ঘোষণা করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, ২-১ দিনের মধ্যেই একইসঙ্গে নেদারল্যান্ডস সিরিজ ও এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ।উল্লেখ্য, আগামী ২৬ আগস্ট বাংলাদেশে পা রাখবে নেদারল্যান্ডস। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাঠে গড়াবে ৩০ আগস্ট। আর সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর। সিরিজের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে।
ভালো থাকতে বদলে ফেলুন নিজেকে

ভালো থাকতে বদলে ফেলুন নিজেকে বেশিরভাগ মানুষই নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তারা সবাই ভাবে তাদের জীবনটা আরও বেশি সুন্দর হতে পারতো কিন্তু এজন্য তারা কিছুই করে না। আপনি যদি আপনার জীবনটাকে পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনার জীবন যাপনের প্রতিটা স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে। প্রথমেই পুরোনো বদ অভ্যাসগুলোকে ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে। আর নতুন নতুন ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ ভালো অভ্যাসগুলোই আপনার জীবন বদলে দেবে। আমাদের জীবন আসলে খুবই ছোট আর এজন্যই এতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন এ ছোট জীবনে সবাই চায় সুখী হতে আর উপভোগ্য একটি জীবন কাটাতে কিন্তু সবাই তা করতে পারে না। কেন করতে পারে না সেটা নিয়ে আজ আমরা কথা বলবো না, আমরা আজ জানবো কিভাবে খুব ছোট ছোট কিছু কিছু অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব। এমন কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো আপনি আয়ত্ত করলে অতি সহজেই একটি সুন্দর ও উপভোগ্য জীবন কাটিয়ে দিতে পারবেন। আজকের প্রতিবেদনে আমরা তেমন কিছু অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করব। চলুন শুরু করা যাক- * নিজের যত্ন নিন, সুন্দর সুন্দর পোশাক পরুন। সকালে উঠে একটু বাড়তি যত্ন নিয়ে সাজ-পোশাকে তৈরি হয়ে অফিসে গেলে দেখবেন সারাদিন আপনার মন ভালো থাকবে। সঙ্গে পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করুন। * জানেন তো, হাসিমুখে সবার সঙ্গে কথা বলতে কষ্ট তো হয়ই না, বরং আমাদের দেখতে আরও সুন্দর ও আকষর্ণীয় লাগে। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলুন। সবাই আপনাকে পছন্দ করবে, আপন করে নেবে আর এ অনুভূতি আপনাকেও ভালো রাখবে। * সমালোচনা নয়, প্রশংসা করুন। কেউ একটা নতুন শাড়ি পরেছে, অথবা কোনো কাজ করে খুব আগ্রহ নিয়ে আপনার মতামত জানতে চেয়েছে। এ সময় নিশ্চয় তারা প্রশংসাই আশা করবেন। আপনার প্রশংসাই হয়তো তাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাবে। * কেউ কিছু বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন। আপনি একজন ভালো শ্রোতা যেমন হবেন আবার তার কথা থেকে হয়তো অনেক কিছু শিখতেও পারবেন। * ধন্যবাদ জানান, ঘর থেকে শুরু করুন। যখন বের হচ্ছেন, কেউ আপনাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিচ্ছেন, প্রথমে তাকেই ধন্যবাদ দিন। সকালের নাস্তাটা আজ ভালো ছিল? যিনি তৈরি করেছেন তার তো একটা ধন্যবাদ প্রাপ্যই। এরপর ড্রাইভার, বাড়ির বা অফিসের দারোয়ান, দোকানদার কিংবা অফিসের সহকর্মী ছোট কোনো কাজেও যে সাহায্য করছে তাকেই ধন্যবাদ দিন। দেখুন দিনটাই সুন্দর হয়ে যাবে। * একেবারেই ব্যায়াম করা হয় না? অন্তত রাতে কিছুটা সময় গান শুনতে শুনতে হাঁটুন। * দিন সবার জন্যই সমান সময় নিয়েই আসে, একে সুন্দর করা ও নিজে ভালো থাকা অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের ইচ্ছা এবং কাজের ওপর। এটাও মানতে হবে, সব পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তবে যেটুকু থাকে, এতটুকু ভালো থাকার আন্তরিক চেষ্টা করুন আজ থেকেই।
নিমপাতায় ত্বক-চুলের যত্ন

নিমপাতায় ত্বক-চুলের যত্ন আমরা সবাই জানি, নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। নিমের উপকারিতাগুলো ত্বক: বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এ চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। চুল: উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুশকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিমপাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে। কৃমিনাশক: পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেট বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমপাতার জুড়ি নেই। দাঁতের রোগ: দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে, সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দাঁতের রোগ থেকেও।
পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই পরিচ্ছন্ন মন

পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই পরিচ্ছন্ন মন পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং মানসিক শান্তি ও সুস্থতার জন্যও জরুরি। ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন ঘর গোছানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে ঘর সর্বদা ঝকঝকে ও সুশৃঙ্খল রাখা সম্ভব। প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ করুনঃ একসাথে পুরো ঘর পরিষ্কার করতে গেলে সময় ও শ্রম দুটোই বেশি লাগে। তাই প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট করে ছোট ছোট অংশ পরিষ্কার করুন—যেমন, আজ ড্রইংরুম, কাল রান্নাঘরের তাক, পরশু শোবার ঘর। এতে ঘর নোংরা হওয়ার সুযোগ পাবে না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন ঘরে যত বেশি অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে, ততই ধুলো ও অগোছালো অবস্থা বাড়ে। নিয়মিত আলমারি, টেবিল, তাক দেখে পুরোনো জামা, কাগজপত্র বা ব্যবহারহীন জিনিস সরিয়ে ফেলুন। মিনিমালিস্ট জীবনযাপন ঘর পরিচ্ছন্ন রাখার অন্যতম উপায়। প্রতিদিন বিছানা গুছিয়ে নিন বিছানা অগোছালো থাকলে পুরো ঘরই নোংরা মনে হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই বিছানার চাদর ভাঁজ করে গুছিয়ে নিলে শোবার ঘর অনেক পরিপাটি দেখাবে। রান্নাঘর পরিষ্কার রাখুন খাওয়ার পর থালা-বাসন ধুয়ে ফেলুন, সিঙ্কে জমতে দেবেন না। রান্নাঘরের টেবিল, চুলা ও ফ্রিজের দরজা নিয়মিত মুছে রাখুন। রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো ঘরেই পরিচ্ছন্নতার ছাপ পড়বে। মেঝে ঝাড়ু ও মপ করুন প্রতিদিন অন্তত একবার ঝাড়ু দিন এবং সপ্তাহে অন্তত দু’বার ভিজে মপ করুন। এতে ধুলো, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু কমবে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা থাকলে মেঝে পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। ডাস্টবিন নিয়মিত খালি করুন ডাস্টবিনে আবর্জনা জমলে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে। তাই প্রতিদিন ডাস্টবিন খালি করুন ও সপ্তাহে অন্তত একবার জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। জানালা-দরজা খোলা রাখুন প্রতিদিন কিছু সময় জানালা ও দরজা খোলা রাখলে বাতাস চলাচল হয়। এতে ঘরের গন্ধ দূর হয় এবং পরিবেশ থাকে সতেজ। পরিবারকে অভ্যাস করান পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু একজনের দায়িত্ব নয়। পরিবারে সবাইকে নিজ নিজ জিনিস গুছিয়ে রাখার অভ্যাস করাতে হবে। যেমন—ব্যবহারের পর কাপড় ঝুলিয়ে রাখা, বই-খাতা আলমারিতে রাখা, খেলনা বাক্সে রাখা ইত্যাদি।
আমি মায়ের মতো একটা বউ পেয়েছি: জাহিদ হাসান

আমি মায়ের মতো একটা বউ পেয়েছি: জাহিদ হাসান দেশীয় শোবিজের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জাহিদ হাসান ও সাদিয়া ইসলাম মৌ। তবে শোবিজের কোনো অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে খুব একটা দেখা যায় না। আর এ কারণে মাঝে কথাও রটে- ভালো যাচ্ছে না তাদের সংসার জীবন! বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমেও হয়েছে মুখরোচক নানা আলোচনাও। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে মুখ খুলেছেন জাহিদ হাসান। বিহাইন্ড দ্য ফ্রেম উইদ আরআরকে পডকাস্টে জাহিদ হাসান জানান, দাম্পত্যজীবনে ভালো আছেন তারা। অভিনেতার কথায়, ‘আমরা ভালো আছি। কিছু লোক তো থাকেই এমনটা ভাবার জন্য। কিছু একটা বের করা লাগবে, এজন্য এসব বলে বেড়ায়। ’ জাহিদ হাসান জানান, মৌ তার সব বিষয়ে খেয়াল রাখেন। অনুষ্ঠানে স্ত্রী’র প্রসঙ্গ আসায় খানিকটা আবেগপ্রবণ হয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘মানুষ এ কথাকে কীভাবে নেবে জানি না। আমি আসলেই মায়ের মতো একটা বউ পেয়েছি। মা যেভাবে আদর করে, টেক কেয়ার করে। আবার মাঝে মাঝে বিরক্তও হয়। আমাদের কখনো ইগোর সংঘাত হয় না। কারণ, সে আমার চেয়ে ভালো মনের মানুষ। ’ দু’জনকে একসঙ্গে দেখা না যাওয়ার প্রসঙ্গে জাহিদ হাসান বলেন, ‘এ বিষয়ে মানুষ আসলে ঠিক কথাই বলে। একসঙ্গে তো কোথাও আসলেই যাই না। আমার শুটিং থাকে রাত করে। এত বছর শুটিংয়ের কারণেই একত্রে কোথাও যেতে পারিনি। যারা মন্তব্য করে, তারা হয়তো জানে না, আমার আপন ভাইয়ের বিয়েতেও আমি যেতে পারিনি। সেদিন আমার বিচ্ছু নাটকের শো ছিল বরিশালে। আমার জীবন এভাবেই শুরু হয়েছে। শুটিংয়ের জন্য শিডিউল আগে থেকে নিয়ে রাখা হয়। এর মধ্যে হঠাৎ দাওয়াত এসে পড়ে। তখন আর সেই দাওয়াতে যাওয়া যায় না। আর এখন কোনো ক্লাবে গেলে আড্ডা ছেড়ে আসতে ইচ্ছা করে না। তাই অনুষ্ঠানগুলোয় মৌ একাই যায়। সে দেশে না থাকলে আমি যাওয়ার চেষ্টা করি। ’ জাহিদ হাসান আরও জানান, তার সাবেক প্রেমিকার কথাও জানেন মৌ। এ নিয়ে মৌ তার সঙ্গে অনেক সময় মজাও করেন। এই অভিনেতার কথায়, ‘আমার পরিবারের সবাই আমার আগের সম্পর্কের কথা জানে। তারা ব্যাপারটি নাইসলি দেখে। মৌ মাঝে মাঝে এটা নিয়ে মজা করে। আমাকে লেগপুলিং করে। একদিন হঠাৎ মৌ বলল, এগুলো এভাবে ফেলে রাখো কেন, যত্ন করে রাখো। দেখি, তার হাতে অনেকগুলো চিঠি। ’ মৌর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে এক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল জাহিদ হাসানের। তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন বেশ কিছু নাটকে। তার চিঠি এখনো বাড়িতে যত্ন করে রেখে দিয়েছেন জাহিদ। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর একত্রে আর কোনো কাজ করেননি তারা। এমনকি মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হলে পরস্পরের সঙ্গে কথাও বলেন না। তাকে নিয়ে এখন আর কোনো মন্তব্যও করতে চান না জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘তাকে নিয়ে কিছু বললে অশ্রদ্ধা করা হয়। সেটা করতে চাই না। আমি তাকে একসময় ভালোবেসেছিলাম। আমার মতো সেও খুব ভালো আছে। এটাই বড় কথা। ’ প্রসঙ্গত, নব্বই দশকে তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। অপরদিকে দেশসেরা মডেল ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। তাদের প্রথম পরিচয় করিয়ে দেন হানিফ সংকেত। ইত্যাদির একটা মিউজিক ভিডিও করতে গিয়ে প্রথম পরিচয় দু’জনের। এরপর সেটা রূপ নেয় প্রণয়ে। তবে মৌয়ের পরিবার থেকেই বেশি অসম্মতি ছিল এই বিয়েতে। কিন্তু দুইজনের একক সিদ্ধান্তে বিয়ে করেন ১৯৯৬ সালে। একসময় পরিবারও মেনে নেয়। তাদের সংসারে এসেছে ছেলে পূর্ণ ও মেয়ে পুষ্পিতা। সেদিনের সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না তা প্রমাণ করে তাদের এত বছরের সুখের সংসার।