নির্বাচনের আগে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগ, জানালেন আইজিপি

নির্বাচনের আগে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগ, জানালেন আইজিপি নির্বাচনের আগে চার হাজার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, এরমধ্যে ৫০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ। আর বাকিটা পদোন্নতির মাধ্যমে করা হবে। আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিয়োগ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাহারুল আলম বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেতে যে বিধি তৈরি হচ্ছে সেখানে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন ছিল, আজ সেটা হয়ে গেছে। এতে আমাদের নিয়োগ দেওয়ার পথ সুগম হলো। নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই নিয়োগ হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই আমরা নির্বাচনের আগে এই কাজটা করে ফেলতে চাই। আপনারা জানেন প্রধান উপদেষ্টা বেশ কিছু ফোর্সের অনুমোদনে তিনি নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন। সেগুলো নিয়েই আমরা ওয়ার্কআউট করছি। জনপ্রশাসন সচিব বলেন, আজ পুলিশের আইজিপিসহ একটি প্রতিনিধিদল এসেছিলেন। তাদের রেগুলেশন সংশোধনের মাধ্যমে নিয়োগ চলছে বড় আকারে। তা নিয়ে একসঙ্গে মিটিংটা করলাম। তিনি বলেন, আজ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সামনে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদি আজ অর্ডারটা করে দিতে পারি… অনেক ধরনের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। তারমধ্যে পুলিশের এএসআইয়ের নিয়োগ ত্বরান্বিত হবে। এটা সংস্কার কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মনে হয় সংস্কার নয়, কিছু জায়গায় নিয়োগ দিতে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা ছিল। সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিধিতে কী সংশোধন আনা হচ্ছে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, যেহেতু নির্বাচন সামনে এবং প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন সেই আলোকে অর্থ, আইন, স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মিলে আমরা এই পদগুলো সৃষ্টি করেছি। এখন নিয়োগে কিছু বিধিমালা প্রচলিত ছিল, সেখানে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হয়েছে। সেগুলো করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়োগের ৫০ শতাংশ সরাসরি ও বাকি ৫০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে হবে। তাহলে এটা কোন প্রক্রিয়ায় হবে, নাকি লটারির মাধ্যমে হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লটারির প্রশ্ন তো এখানে আসছে না। নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে সংশয় নেই। গত তিনটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে মাঠ প্রশাসনকে সাজানো হবে। নির্বাচনে যেন সব কর্মকর্তা নিরপেক্ষ থাকেন, কোনো দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেন, সেই নির্দেশনা থাকবে। তবে শিডিউল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন এসব করবে।

আরও ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

আরও ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক ষষ্ঠ দফায় আরও চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ দফায় আট বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৭০ টাকা থেকে ১২১.৭৫ টাকা দরে কেনা হয়েছে। আজ এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, বাজারে বর্তমানে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে বিক্রি না করে বরং বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার কিনেছিল। গত ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১.৯৫ টাকা দরে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১.৩৫ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১০ আগস্ট ১১টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৪৭ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ডলারের দাম হঠাৎ করে এবং অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া বা দরপতন হওয়া দুটিই ক্ষতিকর, যা সরাসরি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে। সর্বোপরি অর্থনীতিতে এর প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে দেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং বিদেশি দায় পরিশোধও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে ডলারের তীব্র চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এর জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও তাদের চাহিদার অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোর কাছে থেকে ডলার কিনে নেওয়া হয়, যাতে বাজারে ডলারের দামে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। এতে একদিকে যেমন ডলারের দাম পতন ঠেকানো সম্ভব হয়, অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়। বর্তমান দেশের মোট রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের উপরে। নতুন চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার রিজার্ভকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তারা বলছেন, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগ কিছুটা ভাটায় রয়েছে। এর ফলে বাড়তি মূলধনী যন্ত্র আমদানি করতে হচ্ছে না। আমদানি করতে হচ্ছে না বাড়তি কাঁচামালও। তবে আগামী বছর নির্বাচিত সরকার দায়িত্বে এলে নতুন বিনিয়োগ শুরু হবে। তখন মূলধনী যন্ত্র আমদানিতে বাড়তি ডলারের প্রয়োজন হবে। এই বাড়তি রিজার্ভ নতুন বিনিয়োগের জন্য সহায়ক হবে।

অক্টোবরে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩ ভেন্যুতে ম্যাচ

অক্টোবরে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩ ভেন্যুতে ম্যাচ বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। আগামী মাসে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে ও ৩  ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছাবে ক্যারিবিয়ানরা। এরপর শুরু হবে সাদা বলের এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। সূচি অনুযায়ী, ওয়ানডে দিয়ে মাঠে গড়াবে লড়াই। সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাকি একটি ওয়ানডে ও প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সবশেষ দুটি টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ১৮ অক্টোবর শুরু হয়ে ১ নভেম্বর শেষ হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর আবারও ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সাদা বলের ক্রিকেট খেলবে টাইগাররা।

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৭৩

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৭৩ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় সারাদেশে ৪৭৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৮৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাতজন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের এ যাবত ৩০ হাজার ৮১৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩২ হাজার ৫০১ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ ও ৪০ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে ১২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের।২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৩ জন ও বহির্বিভাগে ৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা ও ১ জন শিশু রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২ জনকে। তাদের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা রয়েছেন। অন্যদিকে গোমস্তাপুর ভর্তি আছেন ১ জন পুরুষ রোগী ভর্তি আছেন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৮৪ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪০ জন।

পদ্মা মহানন্দায় চলছে তীব্র ভাঙন; বাখর আলীতে উড়ে গেছে বাঁধ

পদ্মা মহানন্দায় চলছে তীব্র ভাঙন; বাখর আলীতে উড়ে গেছে বাঁধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর তীব্র ভাঙনে বলিীন হচ্ছে সবকছিু। বাখরে আলীতে বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ নদীর্গভে চলে গেছে। জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজলোর হড়মা, পোল্লাডাঙ্গা, বাখরে আলী ও নারায়ণপুর এবং শবিগঞ্জ উপজলোর রঘুনাথপুর, গাইপাড়া, আইয়ুব বশ্বিাসরে ঘাট এলাকা পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনরে কবলে পড়ছে।ে পোল্লাডাঙ্গা ও রঘুনাথপুরে ভাঙন রোধে বালুর্ভতি জওি ব্যাগ দয়িওে কাজ হচ্ছে না। একদকিে জওি ব্যাগ দয়িে ভাঙন আটকানোর চষ্টো করা হচ্ছ, অন্যদকিে পরদনিই বালুর্ভতি ব্যাগ ভাঙনরে কবলে পড়ে বলিীন হয়ে যাচ্ছ। এখানে এরই মধ্যে প্রায় ৯০ মটিারজুড়ে বাঁধ ভেঙ গেছে। এদকিে বাখরে আলীতে পদ্মা নদীর বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পরে আওতায় সসিি ব্লক দয়িে নর্মিতি বাঁধ তীব্র ভাঙনে বলিীন হয়ে যাচ্ছ। ফলে নতুন এলাকা গ্রাস করছে র্সবগ্রাসী পদ্মা। পানি উন্নয়ন র্বোড সূত্র জানয়িছে, পদ্মা নদীর বামতীর ও ডানতীর মলিে অন্তত ১০ কলিোমটিারজুড়ে ভাঙন চলছে। অন্যদকিে সদর উপজলোর হড়মা ও গোমস্তাপুর উপজলোর ব্রজনাথ এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোডরে উপবভিাগীয় প্রকৌশলী রাকবিুল ইসলাম ভাঙনরে এই তথ্য নশ্চিতি করছেনে। এদকিে সদর উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা শাহীনুর আলম জানান, এবার পদ্মা নদীর ভাঙনে সদর উপজলোর নারায়ণপুর ইউনয়িনে প্রায় ১৬০টি পরবিার ক্ষতগ্রিস্ত হয়ছে। তারা তাদরে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। শিবগঞ্জ উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা মজিানুর রহমান জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে কবলে পড়ে ২৪০টি পরবিার তাদরে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরয়িে নয়িছে। এছাড়া ৪টি পরবিাররে ঘরবাড়ি নদীতে বলিীন হয়ে  গেছে।  খােঁজ নয়িে জানা গেছে, ভাঙনকবলতি এলাকাগুলোর ঘরবাড়ি ছাড়াও ফসলি জমি,  আমগাছসহ অন্যান্য গাছপালা, মসজদি, ইউনয়িন পরষিদ কমপ্লক্সে নদীতে বলিীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন র্বোডরে উপবভিাগীয় প্রকৌশলী রাকবিুল ইসলাম বলনে— ভাঙন ঠকোনোর জন্য কছিু কছিু জায়গায় বালুর্ভতি জওি ব্যাগ ফলো হচ্ছ। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। আজ ফলেছি তো কালকইে ভঙেে যাচ্ছ। তবওে আপ্রাণ চষ্টো করা হচ্ছ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মাসব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মাসব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু চলতি বছর শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে এ পর্যন্ত ৩ সহস্রাধিক ডেঙ্গুরোগি ভর্তি ও শনাক্তের বাস্তবতায় মশক নিধন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় মাসব্যাপী বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা। আজ সকালে পৌর কর্মচারী সংসদের আয়োজনে পৌর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে এ উপলক্ষে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালী বের করা করা হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে র‌্যালীটি পূনরায় পৌর ভবনে ফিরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। যুব রেডক্রিসেন্ট, স্কাউটস, পৌর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা র‌্যালীতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম নিয়ে অংশ নেন। র‌্যালী থেকে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে পৌরবাসীকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতায় অংশ নিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়। র‌্যালী শেষে পৌর কর্মচারী সংসদ সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলামসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, সাধারণ জনগন সচেতন হয়ে সহযোগিতা না করলে মশক নিধণ বা পরিচ্ছন্নতা রক্ষা কোনটাই সম্ভব নয়। নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরে সেপ্টেম্বর মাসের প্রতি মঙ্গলবার র‌্যালী করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সচেতনতামেূলক কার্যক্রম চালানো হবে বলেও জানান তাঁরা। এদিকে জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর আজ পর্যন্ত শুধু জেলা হাসপাতালেই ১ হাজার ৭৮৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। বর্হি:বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৪০ জন। এ পরিসংখ্যানের বাইরে জেলার আরও ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে বহু রোগি ভর্তি ও শনাক্ত হয়েছেন। অনেকে ব্যাক্তিগতভাবে ও চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বারে শনাক্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিয়েছেন। অনেকে রাজশাহী ও ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা নিয়েছেন। মৃত্যুরও বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। ডেঙ্গু বিপর্যস্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিদিন রোগি বাড়তে থাকা এ রোগ নিয়ে এখন আতংকিত মানুষ।

এশিয়া কাপে কোরিয়ার কাছে হেরে প্লেসিং রাউন্ডে বাংলাদেশ

এশিয়া কাপে কোরিয়ার কাছে হেরে প্লেসিং রাউন্ডে বাংলাদেশ এশিয়া কাপ হকির গ্রুপপর্ব শেষ করল বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানের হার দিয়ে গ্রুপপর্বের লড়াই শেষ হয়েছে লাল-সবুজদের। আজ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ৫-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতেই চাপে পড়ে দল। প্রথম কোয়ার্টারে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে এগিয়ে যায় কোরিয়া। ৮ মিনিটে ফিল্ড গোল এবং ১০ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল পায় তারা। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেও আরও দুটি ফিল্ড গোল করে স্কোরলাইন ৪-০ করে ফেলে কোরিয়ানরা। ২২ মিনিটে বাংলাদেশের হয়ে জ্বলে ওঠেন পেনাল্টি কর্নারের বিশেষজ্ঞ সোহানুর রহমান সবুজ। তার গোলেই ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৪-১। তবে এরপর আর গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। তৃতীয় কোয়ার্টারে গোলশূন্য থাকার পর ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে পঞ্চম গোল যোগ করে কোরিয়া। শেষ পর্যন্ত ৫-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা। এই হারে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে বাংলাদেশ। এখন প্লেসিং রাউন্ডে ৫ম থেকে ৮ম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে দল। তবে লক্ষ্য থাকবে ৫ম বা ৬ষ্ঠ হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করা, কারণ এই অবস্থান নিশ্চিত করতে পারলেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।

আগস্টে রেমিট্যান্স এলো ২৪২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার

আগস্টে রেমিট্যান্স এলো ২৪২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার সদ্য বিদায়ী আগস্ট মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৭ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত আগস্টে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। এছাড়া গত ৩১ আগস্ট এক দিনে প্রবাসীরা দেশে ১৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশে এসেছে ৪৯০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমছে ভোট কক্ষের সংখ্যা 

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমছে ভোট কক্ষের সংখ্যা   জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের নীতিমালা সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ভোটকক্ষের সংখ্যা কমছে। আজ ইসির উপসচিব মো. মাহবুব আলম শাহের সই করা সংশোধিত নীতিমালা থেকে এই তথ্য জানা গেছে। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী ৩ হাজার ভোটারের জন্য একটি কেন্দ্র এবং ৫০০ জন পুরুষ ভোটার ও ৪০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি কক্ষ নির্ধারণের বিধান ছিল। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ নিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সাধারণভাবে তিন হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র এবং ৬০০ জন পুরুষ ভোটার ও ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ নিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বুথের সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করার মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৯ হাজার বুথ কমানো সম্ভব হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে প্রায় দেড় লক্ষ নির্বাচন কর্মকর্তার প্রয়োজনও কমছে। শুধু একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এত বড় অঙ্কের ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। ভবিষ্যতেও প্রতিটি ধাপে এই মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করতে হবে।