ভালো থাকতে বদলে ফেলুন নিজেকে

ভালো থাকতে বদলে ফেলুন নিজেকে বেশিরভাগ মানুষই নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তারা সবাই ভাবে তাদের জীবনটা আরও বেশি সুন্দর হতে পারতো কিন্তু এজন্য তারা কিছুই করে না। আপনি যদি আপনার জীবনটাকে পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনার জীবন যাপনের প্রতিটা স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে। প্রথমেই পুরোনো বদ অভ্যাসগুলোকে ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে। আর নতুন নতুন ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ ভালো অভ্যাসগুলোই আপনার জীবন বদলে দেবে। আমাদের জীবন আসলে খুবই ছোট আর এজন্যই এতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন এ ছোট জীবনে সবাই চায় সুখী হতে আর উপভোগ্য একটি জীবন কাটাতে কিন্তু সবাই তা করতে পারে না। কেন করতে পারে না সেটা নিয়ে আজ আমরা কথা বলবো না, আমরা আজ জানবো কিভাবে খুব ছোট ছোট কিছু কিছু অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব। এমন কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো আপনি আয়ত্ত করলে অতি সহজেই একটি সুন্দর ও উপভোগ্য জীবন কাটিয়ে দিতে পারবেন। আজকের প্রতিবেদনে আমরা তেমন কিছু অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করব। চলুন শুরু করা যাক- * নিজের যত্ন নিন, সুন্দর সুন্দর পোশাক পরুন। সকালে উঠে একটু বাড়তি যত্ন নিয়ে সাজ-পোশাকে তৈরি হয়ে অফিসে গেলে দেখবেন সারাদিন আপনার মন ভালো থাকবে। সঙ্গে পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করুন। * জানেন তো, হাসিমুখে সবার সঙ্গে কথা বলতে কষ্ট তো হয়ই না, বরং আমাদের দেখতে আরও সুন্দর ও আকষর্ণীয় লাগে। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলুন। সবাই আপনাকে পছন্দ করবে, আপন করে নেবে আর এ অনুভূতি আপনাকেও ভালো রাখবে। * সমালোচনা নয়, প্রশংসা করুন। কেউ একটা নতুন শাড়ি পরেছে, অথবা কোনো কাজ করে খুব আগ্রহ নিয়ে আপনার মতামত জানতে চেয়েছে। এ সময় নিশ্চয় তারা প্রশংসাই আশা করবেন। আপনার প্রশংসাই হয়তো তাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাবে। * কেউ কিছু বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন। আপনি একজন ভালো শ্রোতা যেমন হবেন আবার তার কথা থেকে হয়তো অনেক কিছু শিখতেও পারবেন। * ধন্যবাদ জানান, ঘর থেকে শুরু করুন। যখন বের হচ্ছেন, কেউ আপনাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিচ্ছেন, প্রথমে তাকেই ধন্যবাদ দিন। সকালের নাস্তাটা আজ ভালো ছিল? যিনি তৈরি করেছেন তার তো একটা ধন্যবাদ প্রাপ্যই। এরপর ড্রাইভার, বাড়ির বা অফিসের দারোয়ান, দোকানদার কিংবা অফিসের সহকর্মী ছোট কোনো কাজেও যে সাহায্য করছে তাকেই ধন্যবাদ দিন। দেখুন দিনটাই সুন্দর হয়ে যাবে। * একেবারেই ব্যায়াম করা হয় না? অন্তত রাতে কিছুটা সময় গান শুনতে শুনতে হাঁটুন। * দিন সবার জন্যই সমান সময় নিয়েই আসে, একে সুন্দর করা ও নিজে ভালো থাকা অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের ইচ্ছা এবং কাজের ওপর। এটাও মানতে হবে, সব পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তবে যেটুকু থাকে, এতটুকু ভালো থাকার আন্তরিক চেষ্টা করুন আজ থেকেই।
নিমপাতায় ত্বক-চুলের যত্ন

নিমপাতায় ত্বক-চুলের যত্ন আমরা সবাই জানি, নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। নিমের উপকারিতাগুলো ত্বক: বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এ চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। চুল: উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুশকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিমপাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে। কৃমিনাশক: পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেট বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমপাতার জুড়ি নেই। দাঁতের রোগ: দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে, সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দাঁতের রোগ থেকেও।
পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই পরিচ্ছন্ন মন

পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই পরিচ্ছন্ন মন পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং মানসিক শান্তি ও সুস্থতার জন্যও জরুরি। ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন ঘর গোছানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে ঘর সর্বদা ঝকঝকে ও সুশৃঙ্খল রাখা সম্ভব। প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ করুনঃ একসাথে পুরো ঘর পরিষ্কার করতে গেলে সময় ও শ্রম দুটোই বেশি লাগে। তাই প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট করে ছোট ছোট অংশ পরিষ্কার করুন—যেমন, আজ ড্রইংরুম, কাল রান্নাঘরের তাক, পরশু শোবার ঘর। এতে ঘর নোংরা হওয়ার সুযোগ পাবে না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন ঘরে যত বেশি অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে, ততই ধুলো ও অগোছালো অবস্থা বাড়ে। নিয়মিত আলমারি, টেবিল, তাক দেখে পুরোনো জামা, কাগজপত্র বা ব্যবহারহীন জিনিস সরিয়ে ফেলুন। মিনিমালিস্ট জীবনযাপন ঘর পরিচ্ছন্ন রাখার অন্যতম উপায়। প্রতিদিন বিছানা গুছিয়ে নিন বিছানা অগোছালো থাকলে পুরো ঘরই নোংরা মনে হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই বিছানার চাদর ভাঁজ করে গুছিয়ে নিলে শোবার ঘর অনেক পরিপাটি দেখাবে। রান্নাঘর পরিষ্কার রাখুন খাওয়ার পর থালা-বাসন ধুয়ে ফেলুন, সিঙ্কে জমতে দেবেন না। রান্নাঘরের টেবিল, চুলা ও ফ্রিজের দরজা নিয়মিত মুছে রাখুন। রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো ঘরেই পরিচ্ছন্নতার ছাপ পড়বে। মেঝে ঝাড়ু ও মপ করুন প্রতিদিন অন্তত একবার ঝাড়ু দিন এবং সপ্তাহে অন্তত দু’বার ভিজে মপ করুন। এতে ধুলো, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু কমবে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা থাকলে মেঝে পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। ডাস্টবিন নিয়মিত খালি করুন ডাস্টবিনে আবর্জনা জমলে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে। তাই প্রতিদিন ডাস্টবিন খালি করুন ও সপ্তাহে অন্তত একবার জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। জানালা-দরজা খোলা রাখুন প্রতিদিন কিছু সময় জানালা ও দরজা খোলা রাখলে বাতাস চলাচল হয়। এতে ঘরের গন্ধ দূর হয় এবং পরিবেশ থাকে সতেজ। পরিবারকে অভ্যাস করান পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু একজনের দায়িত্ব নয়। পরিবারে সবাইকে নিজ নিজ জিনিস গুছিয়ে রাখার অভ্যাস করাতে হবে। যেমন—ব্যবহারের পর কাপড় ঝুলিয়ে রাখা, বই-খাতা আলমারিতে রাখা, খেলনা বাক্সে রাখা ইত্যাদি।
আমি মায়ের মতো একটা বউ পেয়েছি: জাহিদ হাসান

আমি মায়ের মতো একটা বউ পেয়েছি: জাহিদ হাসান দেশীয় শোবিজের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জাহিদ হাসান ও সাদিয়া ইসলাম মৌ। তবে শোবিজের কোনো অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে খুব একটা দেখা যায় না। আর এ কারণে মাঝে কথাও রটে- ভালো যাচ্ছে না তাদের সংসার জীবন! বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমেও হয়েছে মুখরোচক নানা আলোচনাও। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে মুখ খুলেছেন জাহিদ হাসান। বিহাইন্ড দ্য ফ্রেম উইদ আরআরকে পডকাস্টে জাহিদ হাসান জানান, দাম্পত্যজীবনে ভালো আছেন তারা। অভিনেতার কথায়, ‘আমরা ভালো আছি। কিছু লোক তো থাকেই এমনটা ভাবার জন্য। কিছু একটা বের করা লাগবে, এজন্য এসব বলে বেড়ায়। ’ জাহিদ হাসান জানান, মৌ তার সব বিষয়ে খেয়াল রাখেন। অনুষ্ঠানে স্ত্রী’র প্রসঙ্গ আসায় খানিকটা আবেগপ্রবণ হয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘মানুষ এ কথাকে কীভাবে নেবে জানি না। আমি আসলেই মায়ের মতো একটা বউ পেয়েছি। মা যেভাবে আদর করে, টেক কেয়ার করে। আবার মাঝে মাঝে বিরক্তও হয়। আমাদের কখনো ইগোর সংঘাত হয় না। কারণ, সে আমার চেয়ে ভালো মনের মানুষ। ’ দু’জনকে একসঙ্গে দেখা না যাওয়ার প্রসঙ্গে জাহিদ হাসান বলেন, ‘এ বিষয়ে মানুষ আসলে ঠিক কথাই বলে। একসঙ্গে তো কোথাও আসলেই যাই না। আমার শুটিং থাকে রাত করে। এত বছর শুটিংয়ের কারণেই একত্রে কোথাও যেতে পারিনি। যারা মন্তব্য করে, তারা হয়তো জানে না, আমার আপন ভাইয়ের বিয়েতেও আমি যেতে পারিনি। সেদিন আমার বিচ্ছু নাটকের শো ছিল বরিশালে। আমার জীবন এভাবেই শুরু হয়েছে। শুটিংয়ের জন্য শিডিউল আগে থেকে নিয়ে রাখা হয়। এর মধ্যে হঠাৎ দাওয়াত এসে পড়ে। তখন আর সেই দাওয়াতে যাওয়া যায় না। আর এখন কোনো ক্লাবে গেলে আড্ডা ছেড়ে আসতে ইচ্ছা করে না। তাই অনুষ্ঠানগুলোয় মৌ একাই যায়। সে দেশে না থাকলে আমি যাওয়ার চেষ্টা করি। ’ জাহিদ হাসান আরও জানান, তার সাবেক প্রেমিকার কথাও জানেন মৌ। এ নিয়ে মৌ তার সঙ্গে অনেক সময় মজাও করেন। এই অভিনেতার কথায়, ‘আমার পরিবারের সবাই আমার আগের সম্পর্কের কথা জানে। তারা ব্যাপারটি নাইসলি দেখে। মৌ মাঝে মাঝে এটা নিয়ে মজা করে। আমাকে লেগপুলিং করে। একদিন হঠাৎ মৌ বলল, এগুলো এভাবে ফেলে রাখো কেন, যত্ন করে রাখো। দেখি, তার হাতে অনেকগুলো চিঠি। ’ মৌর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে এক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল জাহিদ হাসানের। তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন বেশ কিছু নাটকে। তার চিঠি এখনো বাড়িতে যত্ন করে রেখে দিয়েছেন জাহিদ। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর একত্রে আর কোনো কাজ করেননি তারা। এমনকি মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হলে পরস্পরের সঙ্গে কথাও বলেন না। তাকে নিয়ে এখন আর কোনো মন্তব্যও করতে চান না জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘তাকে নিয়ে কিছু বললে অশ্রদ্ধা করা হয়। সেটা করতে চাই না। আমি তাকে একসময় ভালোবেসেছিলাম। আমার মতো সেও খুব ভালো আছে। এটাই বড় কথা। ’ প্রসঙ্গত, নব্বই দশকে তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। অপরদিকে দেশসেরা মডেল ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। তাদের প্রথম পরিচয় করিয়ে দেন হানিফ সংকেত। ইত্যাদির একটা মিউজিক ভিডিও করতে গিয়ে প্রথম পরিচয় দু’জনের। এরপর সেটা রূপ নেয় প্রণয়ে। তবে মৌয়ের পরিবার থেকেই বেশি অসম্মতি ছিল এই বিয়েতে। কিন্তু দুইজনের একক সিদ্ধান্তে বিয়ে করেন ১৯৯৬ সালে। একসময় পরিবারও মেনে নেয়। তাদের সংসারে এসেছে ছেলে পূর্ণ ও মেয়ে পুষ্পিতা। সেদিনের সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না তা প্রমাণ করে তাদের এত বছরের সুখের সংসার।
শরীর ভারসাম্য হারাতে শুরু করেছে: অমিতাভ বচ্চন

শরীর ভারসাম্য হারাতে শুরু করেছে: অমিতাভ বচ্চন বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন। বয়স হয়েছে, ভারসাম্য হারাতে শুরু করেছে শরীর, এরপরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওপর বয়সের প্রভাব বাড়ছে, সেটি স্বীকার করেছেন ৮২ বছর বয়সী এই অভিনেতা। সম্প্রতি নিজের ব্লগে অমিতাভ লেখেন, ‘শরীর ধীরে ধীরে ভারসাম্য হারাতে শুরু করেছে। ’সম্প্রতি ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ব্লগে তিনি জানান, কাজের পাশাপাশি এখন তার জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে নিয়মিত ওষুধ সেবন। সেই সঙ্গে যোগব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামও শরীর সুস্থ রাখার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। অমিতাভ বলেন, এখন আর আগের মতো কাজ করা যায় না। কিছু করতে হলে আগে চিন্তা করতে হয়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দীর্ঘক্ষণ একটানা দাঁড়িয়ে থাকেন না তিনি, কারণ পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি বাড়িতেও এসেছে পরিবর্তন। শরীরের ভারসাম্য রাখতে এখন ঘরের ভেতর হ্যান্ডেল বার ব্যবহার করেন এই অভিনেতা। যেসব কাজ কিছুদিন আগেও সহজে করতে পারতেন, সেগুলোর জন্য এখন এই সরঞ্জামের সাহায্য নিতে হয়। বয়স নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা আরও বলেন, এই সময়টা সবার জীবনেই আসে। কিন্তু আমি চাই না, এটা আসুক। আমরা যেদিন পৃথিবীতে জন্ম নিই, সেদিন থেকেই মৃত্যুর দিকে এগোতে থাকি। এটা স্বাভাবিক হলেও খুব দুঃখজনক। জীবনের গতিতে কখন যে বয়স ব্রেক কষিয়ে দেবে, তা ভাবতেও পারবেন না।
পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন সালাহ

পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন সালাহ লিভারপুল তারকা মোহামেদ সালাহ তৃতীয়বারের মতো প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ)-এর বর্ষসেরা পুরস্কার জিতেছেন। ৩৩ বছর বয়সী মিশরীয় উইঙ্গার গত মৌসুমে লিভারপুলের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ ২৯ গোল এবং ১৮ অ্যাসিস্ট করেন।সালাহ একই সঙ্গে ২০২৪-২৫ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ বর্ষসেরা খেলোয়াড় এবং ফুটবল রাইটার্স’ অ্যাসোসিয়েশন (এফডব্লিউএ) বর্ষসেরা ফুটবলারও নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, অ্যাস্টনভিলা মিডফিল্ডার মরগান রজার্স জিতেছেন পিএফএ বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়ের খেতাব। ২৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ তারকা গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৪ ম্যাচে ১৪ গোল করেন এবং ভিলাকে প্রিমিয়ার লিগে ষষ্ঠ স্থানে তোলেন। সাবেক ইংল্যান্ড ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেট পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ পিএফএ মেরিট অ্যাওয়ার্ড। জাতীয় দলের হয়ে আট বছরে চারটি বড় টুর্নামেন্টে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। বর্ষসেরা একাদশ: খেলোয়াড়দের ভোটে গঠিত প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা একাদশে আধিপত্য করেছে লিভারপুল ও আর্সেনাল। গোলরক্ষক: ম্যাটজ সেলস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট) ডিফেন্ডার: উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল) গ্যাব্রিয়েল (আর্সেনাল) ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল) মিলোস কেরকেজ (বর্নমাউথ, বর্তমানে লিভারপুল) মিডফিল্ডার: আলেক্সিস মাক আলিস্তার (লিভারপুল) রায়ান গ্র্যাভেনবার্গ (লিভারপুল) ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল) ফরোয়ার্ড: মোহামেদ সালাহ (লিভারপুল) আলেকজান্ডার ইসাক (নিউক্যাসল) ক্রিস উড (নটিংহ্যাম ফরেস্ট)
৩ বছর পর আবার মাঠে গড়াচ্ছে জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ

৩ বছর পর আবার মাঠে গড়াচ্ছে জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ আশি-নব্বইয়ের দশকে জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল দেশের ফুটবল ক্যালেন্ডারের অন্যতম আকর্ষণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই জৌলুস ম্লান হয়ে যায়, আয়োজনে আসে অনিয়মিততা। সর্বশেষ ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। এরপর দীর্ঘ ৩ বছর অপেক্ষার পর আবার মাঠে ফিরছে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা। ২০২৫ সালের জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ আগস্ট। প্রতিযোগিতা শুরুর আগে, ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ড্র। আয়োজনটি ঘিরে গতকাল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) অর্গানাইজিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরি হ্যাপি। সভা শেষে তিনি জানান, প্রতিযোগিতাটি তিন মাসব্যাপী চলবে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে। প্রতিযোগিতায় এবার অংশ নিচ্ছে দেশের ৬৪টি জেলা দল। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এবার রাখা হয়নি। আয়োজক কমিটির প্রধান বলেন, “মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও সহযোগিতায় আমরা এবার শুধুমাত্র জেলা দলগুলো নিয়েই আয়োজন করছি। এটি আন্তঃজেলা প্রতিযোগিতা হিসেবেই আয়োজন করা হচ্ছে। “ চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম পর্বে মোট ১১২টি ম্যাচ হবে। প্রতিটি ম্যাচ হবে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে। ম্যাচ ড্র হলে খেলা সরাসরি টাইব্রেকারে গড়াবে। দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হবে ৩২টি দল, যারা একই ফরম্যাটে পরবর্তী ধাপের খেলা খেলবে। এবারের আয়োজনকে কেন্দ্র করে থাকছে বাড়তি কিছু আকর্ষণও। মূল প্রতিযোগিতার মধ্যবর্তী সময়ে আয়োজন করা হবে বয়সভিত্তিক দুটি টুর্নামেন্ট—একটি অনূর্ধ্ব-১৭ দল নিয়ে, অন্যটি নারীদের বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা। জেলা পর্যায়ের ফুটবল বিকাশে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে বাফুফে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাফুফের যৌথ পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এবারের আসর উৎসর্গ করা হয়েছে দেশের তরুণ শহীদদের স্মৃতিতে। আয়োজকরা বলছে, “তারুণ্যের উৎসব” প্রতিপাদ্যে এই আয়োজন তরুণদের আত্মত্যাগ ও স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণে তাঁদের অবদানকে স্মরণ করতেই নেওয়া হয়েছে। দেশকে ভাগ করা হয়েছে আটটি জোনে, আর প্রতিটি জোনের নামকরণ করা হয়েছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত আট শহীদের নামে। তারা হলেন- মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ (মীর মুগ্ধ), নাফিসা হোসেন মারওয়া, মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম, সাকিব আনজুম, আবু সাঈদ মিয়া, শেখ মো. সাকিব রায়হান, আব্দুল্লাহ আল বাহার ও গোলাম নাফিজ। বাংলা বর্ণমালার ভিত্তিতে জেলাগুলোকে ভাগ করে জোন বিন্যাস করা হয়েছে। আয়োজক কমিটির পাশাপাশি গঠিত হয়েছে আট সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি। এই কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁয়াকে। এ ছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে থাকছেন বাফুফে সভাপতি, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক, বিকেএসপির মহাপরিচালক এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া-১)। দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এই জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ দেশের ঘরোয়া ফুটবলের পুনর্জাগরণে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, সে দিকেই তাকিয়ে আছে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।
নেইমার-দি মারিয়াদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেবে টাইগাররা

নেইমার-দি মারিয়াদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেবে টাইগাররা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বিসিবি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশে চিকিৎসার জন্য খেলোয়াড়দের পাঠাতে গিয়ে ভিসাজনিত জটিলতা আর অনিশ্চয়তায় পড়তে হয়েছে বোর্ডকে। এবার সেই সমস্যা এড়াতে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ ক্রিকেটারদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতিটি ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের জন্য নির্দিষ্ট করা হবে চিকিৎসার গন্তব্য দেশ ও হাসপাতাল। গুরুতর চোট বা বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন পড়লে নিয়ম ভেঙে অন্য দেশেও পাঠানো হবে ক্রিকেটারদের। তবে মূল পরিকল্পনায় শীর্ষে থাকছে কাতারের বিশ্বখ্যাত এসপেটার হাসপাতাল, যেটি ফিফার স্বীকৃত মেডিকেল সেন্টার এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির গবেষণা কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। ২০০৯ সালে ফিফা একে ঘোষণা করে ‘মেডিকেল সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ আর ২০১৪ সালে আইওসি একে স্বীকৃতি দেয় চোট প্রতিরোধ ও ক্রীড়াবিদদের স্বাস্থ্য গবেষণার জন্য। বিশ্বের বড় বড় ক্রীড়াবিদদের চিকিৎসার জন্য বহুবার আলোচনায় এসেছে এই হাসপাতাল। ২০২৩ সালে অস্ত্রোপচার করান নেইমার, চিকিৎসা নেন আনহেল দি মারিয়া, মো. ফারাহ, ইয়া ইয়া তোরের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াবিদরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্যও হাসপাতালটি নতুন নয়। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, অভিষেক দাস এবং আশিকুর জামান এর আগে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। শুধু বিদেশে নয়, দেশের মাটিতেও ক্রিকেটারদের জন্য চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে চাইছে বিসিবি। এজন্য পরিকল্পনা হচ্ছে মিরপুরের একাডেমি ভবনে একটি ‘মিনি মেডিকেল ইউনিট’ স্থাপনের। বর্তমানে বিসিবির মূল ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম চলে, তবে ম্যাচ চলাকালে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের বিধিনিষেধের কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না খেলোয়াড়রা। নতুন মেডিকেল ইউনিট হলে জিম আর একাডেমি মাঠের কাছেই থাকবে পুনর্বাসনের সব ব্যবস্থা। এতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে মনে করছে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইতোমধ্যেই এসপেটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। পরিকল্পনা চলছে, সেখান থেকে চিকিৎসক এনে স্থানীয় ফিজিওদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের প্রধান মনজুর আলম দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘আমরা শুধু বিদেশে চিকিৎসা নয়, মিরপুরেই ক্রিকেটারদের প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য আল্ট্রাসনোগ্রামসহ আধুনিক সব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করব। একই সঙ্গে এসপেটারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের এনে স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। ’ সব মিলিয়ে নেইমারদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেবে টাইগাররা—এমন খবর শুধু প্রতীকী নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেট চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য এক নতুন যুগের সূচনা। ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত করা, চোট কমানো এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও বৈজ্ঞানিক করার লক্ষ্যে বিসিবির এই উদ্যোগকে অভিনব মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজায় প্রায় ১৯ হাজার শিশু নি*হ*ত, হা*ম*লা তীব্রতর

গাজায় প্রায় ১৯ হাজার শিশু নি*হ*ত, হা*ম*লা তীব্রতর গাজায় ইসরায়েলের হা*মলা*য় এ পর্যন্ত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নি*হ*ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৮৮৫ জনই শিশু। গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তাকারী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, গাজায় শিশুদের জন্য আর কোনো স্থানই নিরাপদ নয়। ইসরায়েলের অবরোধে খাদ্য ও ওষুধের সংকট তীব্র হওয়ায় ক্ষুধা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন লাখো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি। কিন্তু ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে এসব আশ্রয়কেন্দ্রও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, জাতিসংঘের পতাকার নিচে আশ্রয় নিলেও সেগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। ইউনিসেফের তথ্য উদ্ধৃত করে সংস্থাটি জানিয়েছে, গত পাঁচ মাসে—ইসরায়েল একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে হামলা শুরুর পর থেকে—প্রতি মাসে গড়ে ৫৪০ জনেরও বেশি শিশু নি*হ*ত হয়েছে। জাতিসংঘের সতর্কবার্তার মধ্যেই মঙ্গলবার ভোর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫১ জন ফিলিস্তিনি নি*হ*ত হয়েছেন। এর মধ্যে আটজন নি*হ*ত হন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সমর্থিত জিএইচএফের খাদ্য বিতরণকেন্দ্রের কাছে। গাজার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতে হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। দেইর আল-বালাহর একটি তাঁবুতে হামলায় আরও চারজনের মৃ*ত্যু হয়েছে। এদিকে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইসরায়েল গাজা সিটিতে আক্রমণ জোরদার করছে। জয়তুন এলাকায় বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অনেকে। দক্ষিণ গাজায় বাড়িঘর উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পূর্বের তুফফাহ এলাকায় ভারী গোলাবর্ষণ চালানো হয়েছে। অন্যদিকে কাতার জানিয়েছে, হামাস একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। প্রস্তাবটিতে রয়েছে ৬০ দিনের অস্ত্রবিরতি ও আংশিক জিম্মি বিনিময়। তবে ইসরায়েলি গণমাধ্যম বলছে, সরকার গাজায় আটক সব জিম্মিকে (জীবিত ও মৃত) একসঙ্গে ফেরত চাইছে। পরিকল্পনায় আরও রয়েছে গাজা থেকে আংশিক ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার (বর্তমানে যার ৭৫ শতাংশ দখলে) এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি। যদিও ইসরায়েলের সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বো*মা ও গু*লির পাশাপাশি ক্ষুধা ও অপুষ্টিতেও মানুষের মৃ*ত্যু হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজন মারা গেছেন। জুনের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ১১২ জন শিশু অপুষ্টি ও অনাহারে প্রা*ণ হারিয়েছে।
২৪ লাখ ৬৭ হাজার কলিং ভিসার কোটা খুলেছে মালয়েশিয়া

২৪ লাখ ৬৭ হাজার কলিং ভিসার কোটা খুলেছে মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে কলিং ভিসার কোটা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। এ তথ্যটি গতকাল দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসিউশন ইসমাইল নিশ্চিত করেছেন। খবরটি মালয়েশিয়ার প্রায় সবকটি প্রধানধারার গণমাধ্যম প্রকাশ করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, কৃষি, বাগান ও খনি খাতসহ মোট ১৩টি উপখাতে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে সার্ভিস সেক্টরের হোলসেল অ্যান্ড রিটেল, ল্যান্ড ওয়্যারহাউস, সিকিউরিটি গার্ডস, মেটাল অ্যান্ড স্ক্রাপ ম্যাটেরিয়ালস, রেস্তোরাঁ, লন্ড্রি, কার্গো এবং বিল্ডিং ক্লিনিং খাতে শ্রমিক নিয়োগের সুযোগ থাকছে। তিনি আরও বলেন, নির্মাণ খাত অর্থাৎ কনস্ট্রাকশন সেক্টরে নিয়োগ কেবল সরকারি প্রকল্পে সীমাবদ্ধ থাকবে, আর উৎপাদন (ম্যানুফ্যাক্টর) খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মালয়েশিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এমআইডিএ) এর আওতাধীন নতুন বিনিয়োগকে। এবারের কলিং ভিসা/বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের আবেদনের সুযোগ শুধু খাতভিত্তিক অফিসিয়াল এজেন্সিগুলো পাবে। আগের মতো কোনো এজেন্ট বা সরাসরি নিয়োগকর্তা স্বাধীনভাবে আবেদন করতে পারবে না। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে তা অনুমোদন করবে ফরেন ওয়ার্কার্স টেকনিকাল কমিটি এবং পরে জয়েন্ট (যৌথ) কমিটি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানিয়েছে, এখন ২৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৬ জন শ্রমিকের কোটা চালু আছে, যা বছর শেষ (৩১ ডিসেম্বর-২০২৫) পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপর বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ সীমিত করে কেবল দেশের মোট জন শক্তির ১০% পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এ কোটায় বাংলাদেশিরা কতজন আবেদন করতে পারবে তা জানায়নি দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মিডিয়াগুলো।