সড়ক দুর্ঘটনায় ‘মৃ*ত্যুর’ গুজবে যা বললেন কাজল

সড়ক দুর্ঘটনায় ‘মৃ*ত্যুর’ গুজবে যা বললেন কাজল ভারতের দক্ষিণী সিনেমার লেডি সুপারস্টার কাজল আগারওয়াল ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন’ এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। যা দেখে বিব্রত অভিনেত্রী। সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে কাজল জানালেন, সুস্থ আছেন তিনি। আজ নিজের সামাজিকমাধ্যমে স্পষ্ট জানান যে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। কাজল লেখেন, আমাকে ঘিরে একটা গুজব খবর রটেছে, আমার নাকি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে! সত্যি বলতে কী, ব্যাপারটা ভীষণ মজার। কারণ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে। ভক্তদের আশ্বস্ত করে এই অভিনেত্রী লেখেন, আপনাদের সবাইকে আশ্বস্ত করে বলছি আমি পুরোপুরি সুস্থ আছি, নিরাপদে আছি। সবার কাছে অনুরোধ, এ ধরনের ভুয়া খবর বিশ্বাস করবেন না। চলুন, আমরা একটু ইতিবাচক চিন্তাভাবনা রাখি। সত্যকে ঘিরে থাকি। সম্প্রতি এক ভিডিওতে দাবি করা হয় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কাজল আগরওয়ালের। তারপর থেকেই সামাজিকমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেন অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। ২০০৪ সালে ‘কিয়ুন’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে শোবিজে অভিষেক ঘটে কাজলের। এরপর তেলুগু ব্লকবাস্টার ফিল্ম ‘মাগধীরা’তে যুবরানি মিত্রবিন্দা ও ইন্দু চরিত্রে অভিনয়ের পর তিনি তারকা খ্যাতি পান। একই বছর ‘কিউঁ! হো গায়া না…’ সিনেমার বলিউডে যাত্রা শুরু করেন এই অভিনেত্রী। কাজলকে শেষবার দেখা গেছে ‘কান্নাপ্পা’-তে, যেখানে তিনি একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সামনে মুক্তির অপেক্ষায় তার অভিনীত রয়েছে ‘দ্য ইন্ডিয়ান স্টোরি’, ‘ইন্ডিয়ান ৩’, এবং ‘রামায়ণ’ নামের সিনেমাগুলো।

এই সুখে কারো নজর না লাগে: পরীমণি

এই সুখে কারো নজর না লাগে: পরীমণি ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। ব্যক্তিজীবনে এই অভিনেত্রী সহ-অভিনেতা শরীফুল রাজকে বিয়ে করেছিলেন। পরে সম্পর্কের টানাপোড়নে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এই তারকা দম্পতি। বর্তমানে ছেলে রাজ্য ও মেয়েকে নিয়েই সময় কাটছে এই নায়িকার। বিভিন্ন সময় তাদের সঙ্গে কাটানো খুনসুটির নানা মুহূর্ত সামাজিকমাধ্যমের পাতায় শেয়ার করে থাকেন। এবার ছেলে রাজ্য ও মেয়েকে নিয়ে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন, ‘এখন আমার ঘরের দরজা খুলে দেওয়ার মানুষ তারা। নানাভাই মারা যাওয়ার পর আর কেউ আমার ঘরে ফেরার জন্য অপেক্ষা করেনি এভাবে। ’ তার কথায়, ‘গতকাল রাতে যখন আমি অ্যাওয়ার্ড নিয়ে বাসায় ফিরলাম তখন দরজা খুলেই তারা দুজন এক ঝাঁপে আমার কোলে উঠে বসলো। কি লাগে জীবনে আর! শুকরিয়া খোদা। ’সবশেষ পরীমণি লেখেন, ‘আমি শুধু আল্লাহর কাছে এখন এই দোয়া করি যেন এই সুখে কারো নজর না লাগে। আহা! কি সুন্দর পরিপূর্ণ জীবন আমার। রূপকথার মতো সুন্দর। আলহামদুলিল্লাহ। ’শিগগিরই ‘গোলাপ’ নামের একটি সিনেমার শুটিং শুরু করবেন পরীমণি। এতে তিনি অভিনয় করবেন নিরবের বিপরীতে। নিরব ও পরীমণি জুটির প্রথম চলচ্চিত্র ‘গোলাপ’র পরিচালক সামছুল হুদা। রাজনৈতিক থ্রিলার গল্পে সিনেমাটি নির্মিত হবে। এর আগে পরীমণি ‘ডোডোর গল্প’ নামের একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। কয়েক দফায় এর শুটিং হয়েছে। সিনেমাটিতে পরীমণির নায়ক সাইমন সাদিক। সিনেমাটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

বলিউডে ৩৪ বছর, জন্মদিনে যা বললেন অক্ষয়

বলিউডে ৩৪ বছর, জন্মদিনে যা বললেন অক্ষয় অক্ষয় কুমার, যিনি আজ বলিউডের ‘খিলাড়ি’। একসময়ে তার স্ট্রাগলের সাক্ষী থেকেছে কলকাতা থেকে বাংলাদেশ হয়ে ব্যাংকক। কখনও তিনি মার্শাল আর্টের ‘গুরু’, আবার কখনও বা রেস্তরাঁর রাঁধুনি। তবে সিনেদুনিয়ায় ভাগ্য নির্ধারণ করতে এসেও কম প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়নি তাকে। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে পর পর চোদ্দটা ফ্লপ দেখে বলিউডকে বিদায় জানিয়ে কানাডায় নতুন ইনিংস শুরু করবেন ভেবেছিলেন, তবে অদৃষ্টের হিসেব কে জানত? আজ সেই অভিনেতাই উত্থান-পতনের হিসেব না কষে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ৩৪ বছর কাটানোর জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে কলম ধরলেন নিজের জন্মদিনে। আজ ৫৮ বছরে পা দিলেন অক্ষয় কুমার। বিশেষ এই দিনে দর্শক-অনুরাগীদের জন্য বিশেষ পোস্ট উপহার তার। খিলাড়ির মন্তব্য, নিজেকে গড়ে তোলার ৫৮ বছর, ইন্ডাস্ট্রিতে ৩৪ বছর। দেড়শোটি সিনেমায় অভিনয়, এখনও আরও বাকি। তিনি লেখেন, আমার এই জার্নিতে যারা আমার সঙ্গে থেকেছেন, আমাকে বিশ্বাস করে আমার সিনেমার টিকিট কেটেছেন কিংবা যেসব প্রযোজক-পরিচালকরা আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, আমাকে পথ দেখিয়েছেন, আমার এই সফরের অংশীদার তারাও।অক্ষয় কুমার আরও বলেন, যেভাবে আমাকে নিঃশর্ত ভালোবাসা দিয়েছেন আপনারা, যেভাবে আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, আজ মন থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের ছাড়া আমি শূন্য। যারা আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, এই জন্মদিনটা তাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।অক্ষয়ের এই পোস্টে ভক্তদের কমেন্টের জোয়ার। খিলাড়িকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বলিউডের তার কঠিন লড়াইয়ের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে। ভক্তদের এই নায়কের কাছে আবদার, ‘ফিরে আসুন অ্যাকশন অবতারে…। ’

৯ গোলের থ্রিলারে ইসরায়েলকে হারাল ইতালি

৯ গোলের থ্রিলারে ইসরায়েলকে হারাল ইতালি ইনজুরি টাইমে সান্দ্রো টোনালির দুর্দান্ত গোলে ইসরায়েলের বিপক্ষে নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে ইতালি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে গোল হয়েছে মোট নয়টি, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঝুলে ছিল ফলাফল। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে মানুয়েল লোকাতেল্লির আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ইতালি। তবে বিরতির আগে সাবেক এভারটন স্ট্রাইকার মইজে কিন সমতা ফেরান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডর পেরেটজ আবার এগিয়ে দেন ইসরায়েলকে। কিন্তু মাত্র দুই মিনিট পর কিনের দ্বিতীয় গোল ইতালিকে ফিরিয়ে আনে। এরপর মাত্তেও পলিতানো এগিয়ে দেন দলকে এবং গিয়াকোমো রাসপাদোরির গোলে ৮১তম মিনিটে স্কোর দাঁড়ায় ৪-২। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা জমে ওঠে। ৮৭তম মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনির আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় ইসরায়েল। দুই মিনিট পর পেরেটজের দ্বিতীয় গোলেই স্কোরলাইন হয়ে যায় ৪-৪। ম্যাচ যখন ড্রয়ের পথে, তখনই ৯১তম মিনিটে টোনালি দূরপাল্লার শটে জালে বল পাঠিয়ে ইতালিকে এনে দেন অমূল্য তিন পয়েন্ট। এই জয়ে গ্রুপ আই-তে চার ম্যাচে ইতালি দুটি জয় পেলেও এখনো চাপে রয়েছে। কারণ নরওয়ে শতভাগ সাফল্যে চার ম্যাচে চার জয় নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। শুধুমাত্র গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে, রানার্স-আপদের লড়তে হবে প্লে-অফে। আগামী ১১ অক্টোবর এস্তোনিয়ার মাঠে খেলতে নামবে ইতালি, ১৪ অক্টোবর নিজেদের মাঠে আতিথ্য দেবে ইসরায়েলকে। এরপর ১৩ নভেম্বর মলদোভার বিপক্ষে এবং ১৬ নভেম্বর নরওয়ের বিপক্ষে হতে পারে গ্রুপের ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচ।

১৯৮৪ এশিয়া কাপ: শারজাহতে ভারত-পাকিস্তানকে এক মঞ্চে এনেছিল ক্রিকেট

১৯৮৪ এশিয়া কাপ: শারজাহতে ভারত-পাকিস্তানকে এক মঞ্চে এনেছিল ক্রিকেট ২০২৫ সালের এশিয়া কাপকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান আবারও মুখোমুখি হচ্ছে। তবে এবার দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা অনেক বেশি, যে কারণে আয়োজক ভারত শেষ পর্যন্ত ভেন্যু দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।কিন্তু ১৯৮৪ সালের চিত্র ছিল ভিন্ন। তখন এতটা বৈরিতা ছিল না, বরং সেই সময়েই শারজাহতে আয়োজিত হয় প্রথম এশিয়া কাপ। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা অংশ নেয় ঐতিহাসিক আসরে। শারজাহর উন্মাদনা শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জেনারেল ম্যানেজার মাজার খান স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘ঘোষণার পরপরই টিকিটের জন্য ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছিল। ভারত ও পাকিস্তানের তারকা খেলোয়াড়দের পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের সেলিব্রিটিরাও উপস্থিত ছিলেন। সুনীল গাভাস্কার ছিলেন ভারতের অধিনায়ক, জাহির আব্বাস পাকিস্তানের, আর শ্রীলঙ্কার নেতৃত্বে ছিলেন দুলীপ মেন্ডিস। ’সেই মেন্ডিসই এবার এশিয়া কাপে ফিরছেন ওমান দলের কোচ হিসেবে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের জন্ম সংযুক্ত আরব আমিরাত শুধু টুর্নামেন্ট আয়োজনেই নয়, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এএসসি) গঠনের সঙ্গেও যুক্ত। ১৯৮৩ সালে আব্দুল রহমান বুকাহতীরের নেতৃত্বে গঠিত হয় সংস্থাটি, এবং পরের বছরই শুরু হয় এশিয়া কাপ। এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ভারতের শিরোপা জয় ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারত এশিয়া কাপেও দারুণ ফর্ম ধরে রাখে। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে তারা প্রথম এশিয়া কাপ জেতে। আসরে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সুরিন্দর খান্না।দিলিপ ভেঙ্গসরকার সেই অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, ‘শারজাহতে খেলা আমাদের জন্য দারুণ ছিল। দর্শক ছিল উপচে পড়া, ভারত ও পাকিস্তানি প্রবাসীরা বিপুল সংখ্যায় এসেছিলেন। আমরা শিরোপা জিতেছিলাম, আর পরিবেশ ছিল বিদ্যুতায়িত। ’ শারজাহর অবদান পরবর্তী সময়ে শারজাহ আয়োজন করেছে অসংখ্য বড় ম্যাচ ও ক্রিকেটার্স বেনিফিট ফান্ড সিরিজ (সিবিএফএস)। ভেঙ্গসরকার বলেন, ‘তখন কেবল শারজাহই ছিল, এখন দুবাই ও আবুধাবিতেও আধুনিক স্টেডিয়াম আছে। কিন্তু ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ায় শারজাহর অবদান অসাধারণ। ’

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে হংকং

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে হংকং এবারের এশিয়া কাপে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও হংকং। চার দলের মধ্যে কাগজে-কলমে তুলনামূলক দুর্বল হিসেবেই ধরা হচ্ছে হংকংকে, কিন্তু তারা নিজেদের পিছিয়ে রাখতে রাজি নয়। দলটির অধিনায়ক নিজাকাত খান জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর মতো সক্ষমতা রাখে। আজ আবু ধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে হংকং। একদিন বিরতি দিয়ে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই শেষ অনুশীলন সেরে ফেলেছে দলটি। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজাকাত বলেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। নির্দিষ্ট দিনে যে কেউ ম্যাচ জেতাতে পারে। টি-টোয়েন্টি এমন এক খেলা যেখানে ২-৩ ওভারের ভেতরেই সব পাল্টে যায়। আমাদের দল যথেষ্ট প্রস্তুত। ’২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঢাকায় বাংলাদেশকে হারানোর স্মৃতি আবারও মনে করিয়ে দেন হংকং অধিনায়ক। ওই ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। নিজাকাত বলেন, ‘সেই জয়টা ভোলার মতো নয়। বাংলাদেশকে তাদের মাঠে হারানো ছিল কঠিন কাজ, কিন্তু আমরা কামব্যাক করেছিলাম। ’টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় দল–ছোট দল বলে কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি, ‘যেদিন আপনি ভালো খেলবেন, সেদিনই জিতবেন। আমরা আগেও আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে হারিয়েছি। শুরু থেকেই যদি সর্বোচ্চটা দিতে পারি, কিছুই অসম্ভব নয়। ’

নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি পরামর্শ

নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি পরামর্শ নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বাইরে না গিয়ে নিজ নিজ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। তা ছাড়া বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে নেপালে বিমানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আজ এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দিয়েছে নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, নেপালে বর্তমানে বসবাসকারী/আটকে পড়া সব বাংলাদেশি নাগরিকদের বাইরে না যাওয়ার এবং নিজ নিজ স্থান/হোটেলে থাকার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সব বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্থাৎ নেপালে আসা যাত্রীদেরও বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে পরবর্তী পরামর্শ না দেওয়া পর্যন্ত নেপালে বিমানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তারা হলেন- মি. সাদেক +৯৭৭ ৯৮০৩৮৭২৭৫৯ এবং মিসেস সারদা: +৯৭৭ ৯৮৫১১২৮৩৮১

১৬ বছর হলেই এনআইডি দেবে ইসি; নেই জিডি করার প্রয়োজন

১৬ বছর হলেই এনআইডি দেবে ইসি; নেই জিডি করার প্রয়োজন এখন থেকে যাদের বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হবে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন কাজে এনআইডি কাজে লাগে, সেটি বিবেচনায় নিয়ে ১৬ বছর বয়সীদের এনআইডি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বছরের যেকোনো সময় ১৬ বছর পূর্ণ হলেই এনআইডির জন্য নিবন্ধনের আবেদন করা যাবে। এছাড়া, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় তুলতে আর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা লাগবে না। আজ নির্বাচনের কমিশনের (ইসি) এনআইডি শাখার সহকারী পরিচালক (বৈধ ও সঠিকতা যাচাই) মুহাম্মদ সরওয়ার হোসেনের সই করা অফিস আদেশ থেকে বিষয়টি জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, নাগরিকদের দুর্ভোগ দূরীকরণ ও এনআইডি সেবা সহজীকরণের বৃহত্তর স্বার্থে হারানো বা নষ্ট হবার কারণে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দাখিলের বিধান নির্বাচন কমিশনের অনুমোদক্রমে বিলুপ্ত করা হলো।অফিসিয়ালি আজ এ বিধান তুলে দেওয়া হলেও আরও আগে থেকেই বিষয়টি চর্চা হতো।

আস্থা ভোটে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর অপসারণ

আস্থা ভোটে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর অপসারণ ফ্রান্সের পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে পদচ্যুত হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বাইরু। ০৮ সেপ্টেম্বর তাকে অপসারণ করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন ফরাসি পার্লামেন্টের বেশির ভাগ সদস্য। প্রধানমন্ত্রী বাইরুকে পরাজিত করতে তার বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৩৬৪টি। অপরদিকে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছেন পার্লামেন্টের ১৯৪ জন সদস্য। এই পরাজয়ের অর্থ হলো, মঙ্গলবার বাইরু তার সরকারের পদত্যাগপত্র প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর কাছে জমা দেবেন। প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই হবে। এভাবে ফ্রান্স দুই বছরেরও কম সময়ে পঞ্চম প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগোচ্ছে। এটি একটি হতাশাজনক রেকর্ড, যা প্রেসিডেন্ট মাখোঁর দ্বিতীয় মেয়াদের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা অচলাবস্থা ও হতাশাকে স্পষ্ট করে। বাইরুর পতন ঘটে যখন তিনি তার সরকারকে দাঁড় করান জরুরি আস্থা ভোটে, যেখানে মূল বিষয় ছিল ফ্রান্সের ঋণ। তিনি সারা গ্রীষ্মকাল ধরে ভাষণ, সাক্ষাৎকার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার সতর্ক করেছিলেন যে, ফ্রান্স যদি তার ৩.৪ ট্রিলিয়ন ইউরোর দায় শোধে উদ্যোগ না নেয় তবে দেশটি ‘অস্তিত্ব সংকটে’ পড়বে। কিন্তু তার এই আর্থিক বিপর্যয়ের ভবিষ্যদ্বাণী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হয়। জাতীয় পরিষদে কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায়, বামপন্থী ও কট্টর-ডানপন্থীরা এক হয়ে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। আর এতেই তার ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। কেউ কেউ ধারণা করছেন, এবার মাখোঁ হয়তো একজন বামপন্থী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন, যেহেতু আগে তিনি রক্ষণশীল বার্নিয়ে ও মধ্যপন্থী বাইরুকে দিয়ে চেষ্টা করেছেন। তবে সমাজতান্ত্রিক দল (পিএস) স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা মাখোঁর ব্যবসাবান্ধব নীতির সঙ্গে কোনোভাবেই চলতে রাজি নয়। ফলে আপাতত মনে হচ্ছে, মাখোঁ তার নিজের রাজনৈতিক শিবির থেকেই নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজবেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু, শ্রমমন্ত্রী ক্যাথেরিন ভোট্রা ও অর্থমন্ত্রী এরিক লম্বারের নাম আলোচনায় রয়েছে।

নেপালে বিক্ষোভে পুলিশের গু*লি, সংঘ*র্ষে নি*হ*ত বেড়ে ১৯

নেপালে বিক্ষোভে পুলিশের গু*লি, সংঘ*র্ষে নি*হ*ত বেড়ে ১৯ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে জেন-জিদের বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালিয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহ*ত হয়েছেন। ৮ সেপ্টেম্বর এই ঘটনা ঘটে। খবর দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের। এদিন রাজধানীসহ পোখরা, বুটওয়াল, ভৈরবাওয়া, ভারতপুর, ইতাহারি ও দমকসহ বিভিন্ন শহরের তরুণরা দুর্নীতি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন। কাঠমান্ডুর নিউ বানেশ্বর এলাকা থেকে বিক্ষোভ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। একপর্যায়ে তরুণ বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাদের ঠেকাতে বলপ্রয়োগ করে। পরে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টার পর কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে কমপক্ষে ১৭ জন মা*রা গেছেন। এর মধ্যে জাতীয় ট্রমা সেন্টারে আটজন, এভারেস্ট হাসপাতালে তিনজন, সিভিল হাসপাতালে তিনজন, কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজে দুজন এবং ত্রিভুবন টিচিং হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সুনসারির ইতাহারিতে বিক্ষোভের সময় গুলিতে আহত দুজনও মারা গেলে দেশব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কমপক্ষে ৩৪৭ জন আহত বিক্ষোভকারী চিকিৎসাধীন। একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বহু রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন। এভারেস্ট হাসপাতালের অনিল অধিকারী বলেন, চারজনের অবস্থা গুরুতর, আর ট্রমা সেন্টারের ডা. দীপেন্দ্র পাণ্ডে জানান, ১০ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাদের মাথা ও বুকে গুলির ক্ষত আছে। বানেশ্বরে বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে জমায়েত হন। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান, টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে পুলিশ। একই ধরনের বিক্ষোভ দেশের বড় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এক বিবৃতি দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের উভয় পক্ষকে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। কমিশন বলেছে, সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। তারা ভাঙচুর ও অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। এই আন্দোলন প্রধানত জেনারেশন জেড পরিচিত তরুণদের নেতৃত্বে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে। তারা দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন। সকাল থেকেই কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য শহরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে শিক্ষার্থী ও যুবসংগঠনের প্রতিনিধিরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। কর্তৃপক্ষ কয়েকটি জেলায় কারফিউ জারি করেছে, এবং যেখানে বিক্ষোভ সবচেয়ে তীব্র সেখানে জনসমাগম ও চলাচল সীমিত করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে আহতদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী কাঠমান্ডু ও অন্যান্য শহরের প্রধান প্রধান এলাকায় টহল দিচ্ছে।