ট্রাম্পের অধিকাংশ শুল্কারোপ অবৈধ : মার্কিন আদালত

ট্রাম্পের অধিকাংশ শুল্কারোপ অবৈধ : মার্কিন আদালত যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা বেশিরভাগ শুল্ক অবৈধ। এই রায়ের ফলে তার বহুল আলোচিত পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যনীতি আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লো। খবর বিবিসির। ৭-৪ ভোটে দেওয়া রায়ে আদালত জানায়, ট্রাম্প আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে শুল্ক আরোপ করেছেন। কিন্তু এই আইন প্রেসিডেন্টকে এ ধরনের ক্ষমতা দেয় না। শুল্ক আরোপ কংগ্রেসের সাংবিধানিক এখতিয়ার বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। নতুন এই রায় কার্যকর হবে আগামী ১৪ অক্টোবর। এর আগে প্রশাসন চাইলে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মামলাটি এখন প্রায় নিশ্চিতভাবেই সর্বোচ্চ আদালতে গড়াচ্ছে। বর্তমানে চীন, মেক্সিকো এবং কানাডার মতো বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের ওপরই অন্যায্য শুল্ক আরোপ করে রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প এই রায়ের সমালোচনা করে বলেছেন, যদি বহাল থাকতে দেওয়া হয়, তাহলে এই সিদ্ধান্ত আক্ষরিক অর্থেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে। তিনি লিখেছেন, আজ একটি আপিল আদালত বলেছে আমাদের শুল্ক প্রত্যাহার করা উচিত, কিন্তু তারা জানে যে শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই জিতবে। এই রায় সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, যদি শুল্ক তুলে নেওয়া হয় তবে এটি দেশের জন্য একটি সম্পূর্ণ বিপর্যয় হবে। এটি আমাদের আর্থিকভাবে দুর্বল করে দেবে। কিন্তু আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। ট্রাম্প বাণিজ্যের ওপর জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে, বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু আদালত রায় দিয়েছে যে, শুল্ক আরোপ করা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না এবং শুল্ক নির্ধারণ কংগ্রেসের মূল ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত। রায়ে মার্কিন ফেডারেল সার্কিট আপিল আদালত ট্রাম্পের সেই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন, যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার আওতায় শুল্ক আরোপ বৈধ। কিন্তু আদালত স্পষ্ট বলেছে, এই শুল্কগুলো ‘অবৈধ ও আইনের পরিপন্থি’। ১২৭ পৃষ্ঠার বিস্তারিত রায়ে বলা হয়, আইইইপিএ কোথাও শুল্ক কিংবা এর কোনো প্রতিশব্দ উল্লেখ করেনি। একইসঙ্গে প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতায় স্পষ্ট সীমা টানার মতো কোনো প্রক্রিয়াগত সুরক্ষাও এতে নেই। তাই আদালতের মতে, কর ও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতেই বহাল থাকবে। রায়ে আদালত আরো বলেছে, ১৯৭৭ সালে কংগ্রেস যখন এই আইনটি পাশ করেছিল তখন অতীতের অনুশীলন থেকে সরে এসে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের সীমাহীন কর্তৃত্ব প্রদানের উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছিল বলে মনে হয় না। আদালত রায়ে লিখেছে, যখনই কংগ্রেস প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিতে চায়, তখন সেটা স্পষ্টভাবে কখনো ‘ট্যারিফ’ বা ‘ডিউটি’র মতো সুস্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য জোটের দায়ের করা দুইটি মামলার প্রেক্ষিতেই এই রায় দিয়েছে আদালত। ওই মামলাগুলো হয়েছিল গত এপ্রিলে দেওয়া নির্বাহী আদেশের পর। সেই আদেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ মূল শুল্ক এবং আরও ডজনখানেক দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন। এবং ওই দিনটিকে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন আমেরিকার অন্যায্য বাণিজ্যনীতির হাত থেকে মুক্তির দিন হিসেবে। এরপর মে মাসে নিউইয়র্কভিত্তিক কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড রায় দিয়েছিল, এসব শুল্ক অবৈধ। তবে আপিল প্রক্রিয়া চলার কারণে সেই রায় স্থগিত রাখা হয়। শুক্রবারের রায়ে শুধু বৈশ্বিক শুল্কই নয়, কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর আরোপিত শুল্কও বাতিল করা হয়েছে। আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এসব শুল্ক মাদক আমদানি ঠেকাতে খুব জরুরি ছিল। তবে এই সিদ্ধান্ত ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ সেগুলো ভিন্ন ক্ষমতাবলে আরোপ করা হয়েছিল।রায় ঘোষণার আগে হোয়াইট হাউজের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছিলেন, এসব শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করা হলে তা ১৯২৯ সালের মহামন্দার মতো আর্থিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তারা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, আইইইপিএ-এর আওতায় প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা হঠাৎ বাতিল করা হলে তা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক নীতি ও অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে।
বাংলাভাষী মানেই বাংলাদেশি, মোদি সরকারের ব্যাখ্যা চাইলো ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

বাংলাভাষী মানেই বাংলাদেশি, মোদি সরকারের ব্যাখ্যা চাইলো ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাভাষী হলেই লোকজনকে আটক করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না- ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারেকে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল বিষয়টি নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।এদিন, আদালতে বিচারপতি সুর্য কান্ত, জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পানচোলির বেঞ্চ বলেন, দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা থাকলেও প্রশ্ন হলো- কোনো বিশেষ ভাষাভাষীকে শুধু সেই ভাষার কারণেই বিদেশি হিসেবে ধরে নেওয়া হচ্ছে কি না। বিচারপতি বাগচী মন্তব্য করেন, আমরা পরিষ্কার হতে চাই, এই অভিযোগ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ কি আসলেই একটি নির্দিষ্ট ভাষা ব্যবহারকারীকে বিদেশি বলে ধরে নিচ্ছে? যদি তাই হয়, তবে এ ধরনের পক্ষপাতদুষ্ট ক্ষমতা প্রয়োগ কতটা সঠিক? জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিয়ায়ী শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন পর্ষদের চেয়ারপারসন ও তৃণমূল সংসদ সদস্য সমিরুল ইসলাম। তার অভিযোগ, বাংলাভাষী অভিবাসী শ্রমিকদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হচ্ছে ও নাগরিকত্ব যাচাই না করেই বাংলাদেশে পুশ ইন করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বলেন, কলকাতা হাইকোর্টে একটি হেবিয়াস করপাস মামলা করা হয়েছিল এক নারীর পক্ষ থেকে, যাকে বাংলাদেশি সন্দেহে সীমান্তের ওপারে ঠেলে দেওয়া হয়। হাইকোর্টে ওই মামলা মুলতবি রাখা হয় সুপ্রিম কোর্টে চলা এই মামলার কারণে। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে জানায়- দুটি মামলা আলাদা। হাইকোর্ট যেন অবিলম্বে শুনানি শুরু করেন ও নাগরিকত্ব নির্ধারণের প্রশ্নও সেখানে তোলা যেতে পারে। ভূষণ অভিযোগ করেন, শুধু বাংলায় কথা বলার কারণে একজন নারীকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, বাংলা মানেই বাংলাদেশি ভাষা, আর তাই যারা বাংলায় কথা বলে তারা বাংলাদেশি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল কিংবা ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশি ঘোষণা না করেই কীভাবে কাউকে ঠেলে দেওয়া হয়? তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সমঝোতাও নেই। অন্য কোনো দেশ কাউকে গ্রহণে সম্মতি না দিলে জোর করে ঠেলে দেওয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন। বিচারপতি কান্ত বলেন, এখানে নানা বাস্তব প্রশ্ন রয়েছে, যা হাইকোর্টকেই দেখতে হবে। বিচারপতি বাগচি মন্তব্য করেন, সীমান্তে ধরা পড়া অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে প্রতিহত করার অধিকার নিরাপত্তাবাহিনীর রয়েছে। কিন্তু সীমান্ত অতিক্রম করার পর যদি কেউ দেশের ভেতরে থাকে, তবে তার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সরকারের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, কেন ব্যক্তিগত ভুক্তভোগীরা আদালতে আসছেন না? কেন বিভিন্ন সংগঠন সামনে আসছে? ভারত বিশ্বের অবৈধ অভিবাসীদের রাজধানী নয়। আমাদের নাগরিকদের জন্য যে সম্পদ রয়েছে, অবৈধ অভিবাসীরা যেন তা নষ্ট না করে, সেটাই আমরা নিশ্চিত করছি। তবে বিচারপতি কান্ত ইঙ্গিত দেন, অভিযোগ হচ্ছে- কেবল বাংলায় কথা বলার কারণে মানুষকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হচ্ছে। মেহেতা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, না, আমরা সংবাদমাধ্যমের খবরের ওপর নির্ভর করতে পারি না। বিচারপতি বাগচি বলেন, এখানে বিষয়টি সংবেদনশীল। একদিকে জাতীয় নিরাপত্তা, সম্পদের সুরক্ষা; অন্যদিকে আমাদের যৌথ ঐতিহ্য- যেমন পাঞ্জাব ও বাংলায় ভাষা এক হলেও সীমান্ত আমাদের আলাদা করেছে। তাই এই অভিযোগ যদি আবেদনে থাকে, তবে কেন্দ্রের অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি। মেহেতা জবাব দেন, তিনি সরকারের অবস্থান জানাবেন। তবে এই আইনজীবী ব্যক্তিগত ভুক্তভোগীদের আদালতে আসার ওপর জোর দেন। বিচারপতি কান্ত বলেন, সব ক্ষেত্রে হয়তো ব্যক্তিরা সরাসরি আসতে সক্ষম নন। মেহেতা আরও বলেন, প্রশান্ত ভূষণের মতো ‘জনহিতৈষীরা’ চাইলে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অবৈধ অভিবাসন সমস্যায় সাহায্য করতে পারেন। উত্তরে বিচারপতি বাগচি রসিকতা করে প্রশ্ন করেন, আমরাও কি তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেয়াল তুলব? আলোচনার একপর্যায়ে ভূষণ বলেন, বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত না করে কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে আটক করার অধিকার আইন দেয় না। মেহেতা প্রস্তাব দেন, এ মামলাটি রোহিঙ্গা ইস্যু সংক্রান্ত চলমান মামলার সঙ্গে একত্রে শোনা হোক। আদালত আগামী ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন এবং সলিসিটর জেনারেলকে এই মামলা ও রোহিঙ্গা বিষয়ক মামলায় সরকারের জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
শিবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

শিবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লার দিয়াড় গ্রামের মরহুম সেকান্দার আলী বিশ্বাসের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। গতকাল রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। আজ সকাল সাড়ে ১০ টায় কয়লার দিয়াড় কেন্দ্রীয় গোরস্থানে নামাজে জানাজা ও গার্ড অব অনার প্রদান শেষে দাফন করা হয়। দাফনকালে বিএনপির চেয়ার পানসনের উপদেষ্টা ও শিবগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আজিজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সাংগঠনিক কমান্ডার তরিকুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৭

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৭ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ৮ জন এবং বহির্বিভাগে ৮ জন ও ভোলাহাটে ১ জন রোগী শনাক্ত হন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১২ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১০ জনকে। এই ১০ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা রয়েছেন। অন্যদিকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১ জন পুরুষ রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে ভোলাহাট থেকে ১ জন রোগীকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৭৫৯ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২২৮ জনে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটা ও ডিমের দাম বেড়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটা ও ডিমের দাম বেড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গমের আটা ও ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। খোলা আটা প্রতিকেজি ৪৭-৪৮ টাকা, প্যাকেটজাত আটা ৫৫-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শাক সবজির দামও উঠতি। চালের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে একই রকম রয়েছে। ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ৫ টাকা। আজ জেলা শহরের নিউ মার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এমনটাই জানা গেছে। আনোয়ার অটো রাইস মিলের বস্তায় চাল বিক্রির শো-রুমের ম্যানেজার কাওসার আলী রুবেল জানান, পাইজাম প্রতিকেজি ৬০ টাকা, আটাশ ৬৪ টাকা, মিনিকেট ৭৭ টাকা, বাসমতি ১০০ টাকা, কাটারিভোগ ৮৪ টাকা ও আতপ চাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা। আব্দুর রহমান বাবু জানান, সাদা স্বর্ণা প্রতিকেজি ৫৫ টাকা, লাল স্বর্ণা ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেট ৭৬-৮০ টাকা, আটাশ ৬৫-৭২ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, খোলা আটা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৭-৪৮ টাকা, প্যাকেটজাত আটা ৫৫-৬০ টাকা। হুমায়ুন কবির জানান, মসুর ডাল প্রতিকেজি ১৫০ টাকা, মোটর ডাল ১২০ টাকা, খেসাড়ির ডাল ১১০ টাকা, ছোলার ডাল ১২০-১৩০ টাকা এবং ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৫ হালি। আব্দুল খালেক জানান, বেগুন প্রতিকেজি ৮০ টাকা, পটোল ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, কাকরোল ৭০ টাকা, কাঁচা কলা ৬০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, শসা ৯০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, তরাই ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, গাজর ৮০-১০০ টাকা, আলু ২৪ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা, কচু ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি পিস লাউ ৫০ টাকা ও কুমড়োর জালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। মাছ বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামেই। ছোট রুই ও মিড়কা বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২৬০ টাকা, কাতল ওজন ভেদে ৩০০-১০০০ টাকা, বোয়াল ওজন ভেদে ১০০০ টাকা খেবে ২৪০০ টাকা, পাঙ্গাস ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ৩০০ টাকা, বাচা ৬০০ টাকা, চিংড়ি ১২০০-১৪০০ টাকা, পাবতা ৪০০ টাকা, ট্যারা ৬০০-৮০০ টাকা। জহুরুল হক জানান, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪৪০ টাকা, সোনালি ২৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৬০-১৬৫ টাকা, লাল লিয়ার ৩০০ টাকা, সাদা লিয়ার ২৫০ টাকা এবং প্যারেন্স বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। সেলিম জানান, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৭৫০ টাকা এবং ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১১০০ টাকা কেজি দরে।
৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফুটবল শুধু একটি খেলায় নয়—একটি উন্মাদনার নাম। কোনো খেলোয়াড় যখন একটি গোল করেন তখন দর্শকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। এখনও সারা বিশ্বে ফুটবলরই দর্শক বেশি। এই ফুটবলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাও অনেক এগিয়ে ছিল, সুনাম ছিল। এক সময় মাঠের দুই পাশে দর্শদের উপচে পড়া ভিড়ও হতো। কিন্তু হালে আর তেমনটা দেখা যায় না। তাই সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা যৌথভাবে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ফুটবলের জমজমাট এই আসর। তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের নাম দেয়া হয়েছে ‘ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫।’ টুর্নামেন্টের প্রতিটি খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেডিয়ামে (নতুন স্টেডিয়াম) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, শিবগঞ্জ উপজেলা, গোমস্তাপুর উপজেলা, নাচোল উপজেলা ও ভোলাহাট উপজেলা দল অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী খেলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা বনাম শিবগঞ্জ উপজেলা দল খেলবে। দ্বিতীয় দিন ৭ সেপ্টেম্বর গোমস্তাপুর উপজেলা বনাম নাচোল উপজেলা দল, ৮ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা বনাম ভোলাহাট উপজেলা, ৯ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ উপজেলা বনাম গোমস্তাপুর উপজেলা, ১১ সেপ্টেম্বর নাচোল উপজেলা বনাম ভোলাহাট উপজেলা, ১২ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা বনাম গোমস্তাপুর উপজেলা, ১৩ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ উপজেলা বনাম ভোলাহাট উপজেলা, ১৪ সেপ্টেম্বর নাচোল উপজেলা বনাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, ১৬ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ উপজেলা বনাম নাচোল উপজেলা, ১৭ সেপ্টেম্বর গোমস্তাপুর উপজেলা বনাম ভোলাহাট উপজেলা মুখোমুখী হবে। খেলা প্রতিদিন বিকেল সাড়ে ৩ টায় শুরু হবে।
নাচোলে সড়ক দু*র্ঘট*নায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী আ*হ*ত

নাচোলে সড়ক দু*র্ঘট*নায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী আ*হ*ত নাচোল উপজেলায় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ২ আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের নেজামপুর বাজার এলাকায় মরাফেলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সংবাদ পেয়ে নাচোল ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহতদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহতরা হলেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের মানুসরা গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে সজিব ও সজিবের খালা নার্গিস। আহতরা নিজবাড়ি আমনুরা থেকে নাচোল যাওয়ার পথে নেজামপুর মরাফেলা নামক স্থানে একটি স্টিয়ারিং ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় বিপরিতগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান। এতে তারা গুরুতর আহত হন। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ট্রাকটিকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন

রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন গোমস্তাপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১০টার দিকে রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শিক্ষক সমিতি, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. আতাউল্লাহ, ওই হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাবেক সদস্য ডা. সুলতান আহমেদ ও সানোয়ার হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আইনুর রহমান, শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) সম্প্রতি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার করে জনগণকে বিভান্তি করছেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নিজস্ব আইন রয়েছে। সেই আইন মেনে তারা চিকিৎসা করে যাবেন বলে উল্লেখ করেন। তারা আরো বলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক তারা স্বীকৃত, বিগত সরকার আমলে তা গেজেট হিসেবে প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু বতর্মানে কিছু মহল সেটা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. হাবীবুল্লাহ বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তাররা ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। সেই রিট পিটিশনে উল্লখ ছিল এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তার ব্যতিত অন্য কোনো ডাক্তার নামের পূর্বে ডাক্তার ব্যবহার করতে পারবেনা। ওই বছর তাদের পক্ষে রায় আসে। সেই বছর হোমিওপ্যাথিক বোর্ড ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা ডাক্তার লেখার অধিকারসহ রায় পান। সেই রায়ের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে ২০২৩ সালে সেটা স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বক্তারা স্বাস্থ্য ও প্রধান উপদেষ্টার সুদৃষ্টি কামনা করে ২০২৩ সালের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেই আইনকে বহাল রাখার আহ্বান জানান।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩০

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩০ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে সারাদেশে ৪৩০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাত জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১ জন এবং রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৪২০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ২৮ হাজার চারশ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৯ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত তিনজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুইজন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন রয়েছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন চকোলেট কোকোনাট বল

সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন চকোলেট কোকোনাট বল চকোলেটের মতো সুস্বাদু খাদ্য মোটামুটি সকলেই ভালোবাসেন। এই মিষ্টি স্বাদের খাদ্যটি বাচ্চা থাকে বুড়ো প্রতিটি মানুষই খান। তবে চকোলেট শুধু খাওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, এমনকি এর রয়েছে অনেক গুণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক চকোলেট কোকোনাট বল বানানোর পদ্ধতি: যা যা নিতে হবে- কনডেনসড মিল্ক-১ কাপ, ডেসিকেটেড কোকোনাট (নারিকেল গুঁড়া) ২ কাপ, কোকো পাউডার- ৩ টেবিল চামচ, বিস্কুট ক্রাম্বস, বাদাম কুচি চকোলেট টুকরা ১/২ কাপ, সাজানোর জন্য কোকোনাট ফ্লেক্স (কোড়ানো নারিকেল) ১/২ কাপ। যেভাবে বানাবেন : প্রথমে পাত্রে কনডেনসড মিল্ক, কোকো পাউডার ও কোকোনাট গুঁড়া নিয়ে মেশাতে হবে। পরে তাতে বিস্কুট ক্রাম্বস ও বাদাম কুচি মেশান। এরপর একটা ডো বানিয়ে নিন। ডো থেকে ছোট বলের মতো করুন। প্রতিটি বল কোকোনাট ফ্লেক্সে গড়িয়ে নিন। এরপর ফ্রিজে ৩০ মিনিট রাখুন। মেহমান এলে তাদের মাঝে পরিবেশন করুন মজাদার চকোলেট কোকোনাট বল।