ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিলো যুক্তরাজ্য

ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিলো যুক্তরাজ্য ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও যুক্তরাজ্যে অবস্থান করা এক লাখের বেশি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ও ই-মেইলের মাধ্যমে সরাসরি সতর্কবার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে, তারা যেন দ্রুত দেশ ত্যাগ করে, অন্যথায় জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হবে। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈধভাবে শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাজ্যে আসা অনেকেই ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আশ্রয় আবেদন করছেন, যা সরকারকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের কাছে সরাসরি মোবাইল টেক্সট ও ই-মেইলের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে এই বার্তা পাঠানো হয়েছে, যাদের ভিসার মেয়াদ শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে আশ্রয় আবেদনকারীদের প্রায় ১৩ শতাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী ভিসাধারী। এর মধ্যে পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ (৫,৭০০ জন)। এরপর রয়েছেন ভারত, বাংলাদেশ ও নাইজেরিয়ার শিক্ষার্থীরা। যদিও গত বছরের তুলনায় শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের আশ্রয় আবেদন কিছুটা কমেছে, তবে ২০২০ সালের তুলনায় এটি ছয় গুণ বেশি। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য এখনো স্পষ্ট করে জানায়নি— কতজন শিক্ষার্থী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময় অবস্থান করে আশ্রয় চেয়েছেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন বেআইনি ঘোষণা

ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন বেআইনি ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে ন্যাশনাল গার্ড ও নৌবাহিনীর মেরিন সদস্য মোতায়েন করে ফেডারেল আইন ভঙ্গ করেছেন বলে রায় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিচারক। সান ফ্রান্সিসকোর আদালতের এই রায়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ক্যালিফোর্নিয়ায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেনা ব্যবহার করতে পারবে না। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গ্রেপ্তার, তল্লাশি, জেরা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা তথ্যদাতার ভূমিকায় সেনারা কাজ করতে পারবে না। তবে ফেডারেল ভবন ও সম্পদ রক্ষায় সেনা ব্যবহার করা যাবে। রায়টি মূলত পোসি কোমিটাটাস অ্যাক্ট নামে শত বছরেরও পুরোনো এক আইনকে ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে। এ আইনে বলা আছে, বিদ্রোহ বা গৃহযুদ্ধ ছাড়া সেনাদের দিয়ে বেসামরিক আইন প্রয়োগ করা যাবে না। আদালত জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভ হলেও তা বিদ্রোহে রূপ নেয়নি এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম ছিল। বিচারক চার্লস ব্রেয়ার রায়ে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন সীমাহীনভাবে সেনা ব্যবহারের ব্যাখ্যা দিয়েছে, যা আইনটির উদ্দেশ্যকেই ব্যর্থ করে দিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট চাইলে ইনসারেকশন অ্যাক্ট (Insurrection Act—বিদ্রোহ দমনের জন্য বিশেষ আইন) ব্যবহার করতে পারতেন, কিন্তু ট্রাম্প তা করেননি। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম আদালতে মামলা করেছিলেন। রায়ের পর তিনি বলেন, আদালত প্রমাণ করেছে, আমাদের রাস্তায় সেনা নামানো বেআইনি। তিনি আদালতে আবেদন করেছেন যেন লস অ্যাঞ্জেলেসে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত অতিরিক্ত সেনা রাখার ট্রাম্পের আদেশও বাতিল করা হয়।
কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও আলোচনায়। জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার যেখানে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে বাধ্যতামূলক ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, সেখানে কোহলি একই পরীক্ষা দিয়েছেন লন্ডনে বসেই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন বোর্ড তার জন্য আলাদা নিয়ম বানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়েই লন্ডনে ফিজিও ও ফিটনেস ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে কোহলি ফিটনেস টেস্ট দেন। মূলত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবং বেসিক স্ট্রেংথ মূল্যায়নেই তাকে অংশ নিতে হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টেস্টে সফলও হয়েছেন। এই ছাড় কেবল কোহলিকেই কেন দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, নিয়ম তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তবে অনেকের যুক্তি, কোহলি দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন, তাই বোর্ড অনুমতি দিয়ে তাকে সুবিধা করে দিয়েছে। ভারতের বেশিরভাগ ক্রিকেটার ইতোমধ্যে এনসিএ ক্যাম্পে নিজেদের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন করেছেন। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কোহলি। ক্রিকেটারের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অফিশিয়ালি এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
আগস্টে সড়কে ঝরেছে ৫০২ প্রাণ, বাইক দু*র্ঘট*নায় ১৭৬

আগস্টে সড়কে ঝরেছে ৫০২ প্রাণ, বাইক দু*র্ঘট*নায় ১৭৬ বিগত আগস্ট মাসে দেশে ৪৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক হাজার ২৩২ জন। এছাড়া এই মাসে রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত এবং ৭ জন আহত হয়েছেন। আর নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ঝরেছে ২৭ জনের প্রাণ। আহত হয়েছেন ২২ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১৩ জন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তৈরি করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। আজ সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনটি তুলে ধরে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। প্রতিবেদনে বলা হয়, সড়ক, রেল ও নৌ-পথ মিলিয়ে মোট ৫৫২টি দুর্ঘটনায় ৫৬৩ জন নিহত এবং এক হাজার ২৬১ জন আহত হয়েছেন। এই সময়ে ১৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত, ১৪৪ জন আহত হয়েছেন; যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.১৯ শতাংশ। আগস্টে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এখানে ১৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২৮ জন নিহত ও ৩৩৩ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে। সেখানে ১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত ও ২২ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য, একজন সেনা সদস্য, একজন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন আইনজীবী, ১৪২ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৮২ জন পথচারী, ৭৩ জন নারী, ৩৮ জন শিশু, ৫১ জন শিক্ষার্থী, সাতজন পরিবহন শ্রমিক, সাতজন শিক্ষক ও ১১ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী রয়েছেন। প্রতিবেদন অনুসারে, ২৬.১০ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৪.৭১ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.০৮ শতাংশ বাস, ১৩.৬৮ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৭.৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৬.৫৯ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৬ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
নির্বাচনের আগে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগ, জানালেন আইজিপি

নির্বাচনের আগে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগ, জানালেন আইজিপি নির্বাচনের আগে চার হাজার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, এরমধ্যে ৫০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ। আর বাকিটা পদোন্নতির মাধ্যমে করা হবে। আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিয়োগ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাহারুল আলম বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেতে যে বিধি তৈরি হচ্ছে সেখানে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন ছিল, আজ সেটা হয়ে গেছে। এতে আমাদের নিয়োগ দেওয়ার পথ সুগম হলো। নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই নিয়োগ হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই আমরা নির্বাচনের আগে এই কাজটা করে ফেলতে চাই। আপনারা জানেন প্রধান উপদেষ্টা বেশ কিছু ফোর্সের অনুমোদনে তিনি নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন। সেগুলো নিয়েই আমরা ওয়ার্কআউট করছি। জনপ্রশাসন সচিব বলেন, আজ পুলিশের আইজিপিসহ একটি প্রতিনিধিদল এসেছিলেন। তাদের রেগুলেশন সংশোধনের মাধ্যমে নিয়োগ চলছে বড় আকারে। তা নিয়ে একসঙ্গে মিটিংটা করলাম। তিনি বলেন, আজ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সামনে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদি আজ অর্ডারটা করে দিতে পারি… অনেক ধরনের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। তারমধ্যে পুলিশের এএসআইয়ের নিয়োগ ত্বরান্বিত হবে। এটা সংস্কার কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মনে হয় সংস্কার নয়, কিছু জায়গায় নিয়োগ দিতে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা ছিল। সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিধিতে কী সংশোধন আনা হচ্ছে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, যেহেতু নির্বাচন সামনে এবং প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন সেই আলোকে অর্থ, আইন, স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মিলে আমরা এই পদগুলো সৃষ্টি করেছি। এখন নিয়োগে কিছু বিধিমালা প্রচলিত ছিল, সেখানে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হয়েছে। সেগুলো করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়োগের ৫০ শতাংশ সরাসরি ও বাকি ৫০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে হবে। তাহলে এটা কোন প্রক্রিয়ায় হবে, নাকি লটারির মাধ্যমে হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লটারির প্রশ্ন তো এখানে আসছে না। নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে সংশয় নেই। গত তিনটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে মাঠ প্রশাসনকে সাজানো হবে। নির্বাচনে যেন সব কর্মকর্তা নিরপেক্ষ থাকেন, কোনো দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেন, সেই নির্দেশনা থাকবে। তবে শিডিউল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন এসব করবে।
আরও ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

আরও ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক ষষ্ঠ দফায় আরও চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ দফায় আট বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৭০ টাকা থেকে ১২১.৭৫ টাকা দরে কেনা হয়েছে। আজ এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, বাজারে বর্তমানে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে বিক্রি না করে বরং বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার কিনেছিল। গত ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১.৯৫ টাকা দরে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১.৩৫ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১০ আগস্ট ১১টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৪৭ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ডলারের দাম হঠাৎ করে এবং অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া বা দরপতন হওয়া দুটিই ক্ষতিকর, যা সরাসরি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে। সর্বোপরি অর্থনীতিতে এর প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে দেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং বিদেশি দায় পরিশোধও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে ডলারের তীব্র চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এর জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও তাদের চাহিদার অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোর কাছে থেকে ডলার কিনে নেওয়া হয়, যাতে বাজারে ডলারের দামে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। এতে একদিকে যেমন ডলারের দাম পতন ঠেকানো সম্ভব হয়, অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়। বর্তমান দেশের মোট রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের উপরে। নতুন চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার রিজার্ভকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তারা বলছেন, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগ কিছুটা ভাটায় রয়েছে। এর ফলে বাড়তি মূলধনী যন্ত্র আমদানি করতে হচ্ছে না। আমদানি করতে হচ্ছে না বাড়তি কাঁচামালও। তবে আগামী বছর নির্বাচিত সরকার দায়িত্বে এলে নতুন বিনিয়োগ শুরু হবে। তখন মূলধনী যন্ত্র আমদানিতে বাড়তি ডলারের প্রয়োজন হবে। এই বাড়তি রিজার্ভ নতুন বিনিয়োগের জন্য সহায়ক হবে।
অক্টোবরে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩ ভেন্যুতে ম্যাচ

অক্টোবরে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩ ভেন্যুতে ম্যাচ বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। আগামী মাসে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে ও ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছাবে ক্যারিবিয়ানরা। এরপর শুরু হবে সাদা বলের এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। সূচি অনুযায়ী, ওয়ানডে দিয়ে মাঠে গড়াবে লড়াই। সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাকি একটি ওয়ানডে ও প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সবশেষ দুটি টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ১৮ অক্টোবর শুরু হয়ে ১ নভেম্বর শেষ হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর আবারও ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সাদা বলের ক্রিকেট খেলবে টাইগাররা।
ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৭৩

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৭৩ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় সারাদেশে ৪৭৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৮৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাতজন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের এ যাবত ৩০ হাজার ৮১৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩২ হাজার ৫০১ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ ও ৪০ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে ১২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের।২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৩ জন ও বহির্বিভাগে ৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা ও ১ জন শিশু রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২ জনকে। তাদের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা রয়েছেন। অন্যদিকে গোমস্তাপুর ভর্তি আছেন ১ জন পুরুষ রোগী ভর্তি আছেন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৮৪ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪০ জন।
পদ্মা মহানন্দায় চলছে তীব্র ভাঙন; বাখর আলীতে উড়ে গেছে বাঁধ

পদ্মা মহানন্দায় চলছে তীব্র ভাঙন; বাখর আলীতে উড়ে গেছে বাঁধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর তীব্র ভাঙনে বলিীন হচ্ছে সবকছিু। বাখরে আলীতে বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ নদীর্গভে চলে গেছে। জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজলোর হড়মা, পোল্লাডাঙ্গা, বাখরে আলী ও নারায়ণপুর এবং শবিগঞ্জ উপজলোর রঘুনাথপুর, গাইপাড়া, আইয়ুব বশ্বিাসরে ঘাট এলাকা পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনরে কবলে পড়ছে।ে পোল্লাডাঙ্গা ও রঘুনাথপুরে ভাঙন রোধে বালুর্ভতি জওি ব্যাগ দয়িওে কাজ হচ্ছে না। একদকিে জওি ব্যাগ দয়িে ভাঙন আটকানোর চষ্টো করা হচ্ছ, অন্যদকিে পরদনিই বালুর্ভতি ব্যাগ ভাঙনরে কবলে পড়ে বলিীন হয়ে যাচ্ছ। এখানে এরই মধ্যে প্রায় ৯০ মটিারজুড়ে বাঁধ ভেঙ গেছে। এদকিে বাখরে আলীতে পদ্মা নদীর বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পরে আওতায় সসিি ব্লক দয়িে নর্মিতি বাঁধ তীব্র ভাঙনে বলিীন হয়ে যাচ্ছ। ফলে নতুন এলাকা গ্রাস করছে র্সবগ্রাসী পদ্মা। পানি উন্নয়ন র্বোড সূত্র জানয়িছে, পদ্মা নদীর বামতীর ও ডানতীর মলিে অন্তত ১০ কলিোমটিারজুড়ে ভাঙন চলছে। অন্যদকিে সদর উপজলোর হড়মা ও গোমস্তাপুর উপজলোর ব্রজনাথ এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোডরে উপবভিাগীয় প্রকৌশলী রাকবিুল ইসলাম ভাঙনরে এই তথ্য নশ্চিতি করছেনে। এদকিে সদর উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা শাহীনুর আলম জানান, এবার পদ্মা নদীর ভাঙনে সদর উপজলোর নারায়ণপুর ইউনয়িনে প্রায় ১৬০টি পরবিার ক্ষতগ্রিস্ত হয়ছে। তারা তাদরে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। শিবগঞ্জ উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা মজিানুর রহমান জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে কবলে পড়ে ২৪০টি পরবিার তাদরে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরয়িে নয়িছে। এছাড়া ৪টি পরবিাররে ঘরবাড়ি নদীতে বলিীন হয়ে গেছে। খােঁজ নয়িে জানা গেছে, ভাঙনকবলতি এলাকাগুলোর ঘরবাড়ি ছাড়াও ফসলি জমি, আমগাছসহ অন্যান্য গাছপালা, মসজদি, ইউনয়িন পরষিদ কমপ্লক্সে নদীতে বলিীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন র্বোডরে উপবভিাগীয় প্রকৌশলী রাকবিুল ইসলাম বলনে— ভাঙন ঠকোনোর জন্য কছিু কছিু জায়গায় বালুর্ভতি জওি ব্যাগ ফলো হচ্ছ। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। আজ ফলেছি তো কালকইে ভঙেে যাচ্ছ। তবওে আপ্রাণ চষ্টো করা হচ্ছ।