লিসবনে ভয়াবহ ক্যাবল রেল দুর্ঘটনায় নি*হ*ত ১৫

লিসবনে ভয়াবহ ক্যাবল রেল দুর্ঘটনায় নি*হ*ত ১৫ পর্তুগালের লিসবনে এলিভাদোর গ্লোরিয়া নামের একটি ফানিকুলার (ক্যাবল রেল) দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও ১৮ জন। এদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর রয়টার্স ও বিবিসির। গতকাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে একটি ফানিকুলার দ্রুতগতিতে নিচে নামতে গিয়ে পাশের একটি ভবনে ধাক্কা লাগে। এরপর এটি কাঠের বাক্সের মতো ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই পুলিশ ও দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের লিসবনের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক গর্ভবতী নারী ও তার শিশু সন্তানও রয়েছে। গর্ভবতী নারীকে মেটারনিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তার শিশুকে বিশেষায়িত হাসপাতাল দোনা এস্টেফানিয়াতে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে দেশি-বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। বিদেশিদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এদিকে দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার পর্তুগালে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। লিসবনে তিন দিনের শোক পালনের কথাও জানিয়েছেন শহরের মেয়র কার্লোস মোয়েদা। তিনি বলেন, আমাদের শহরে এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। ভুক্তভোগীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। যেকোনো পরিস্থিতিতে তাদের পাশে থাকবে শহর কর্তৃপক্ষ। এলিভাদোর গ্লোরিয়া নামের এই ফানিকুলার রেলটি রেস্তোরাদোরেস থেকে বাইরো আলতো এলাকায় যাত্রী পরিবহন করে। এটি ১৮৮৫ সাল থেকে প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে প্রায় ১৪০ বছর ধরে চালু আছে। সাত পাহাড়ের ওপর গড়ে ওঠা লিসবন শহরে উপরে-নিচে যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই ধরনের একাধিক সেবা চালু রয়েছে। দুর্ঘটনার পর আপাতত সব ফানিকুলার সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।
সাংবাদিকবান্ধব নীতিমালার আশ্বাস ইসির

সাংবাদিকবান্ধব নীতিমালার আশ্বাস ইসির সম্প্রতি জারি করা ‘সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী-২০২৫ নীতিমালায়’ নতুন কিছু না থাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় এমন আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, আরএফইডির সদস্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আপনারা লিখিত সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছেন। লিখিত দিলে ভালো-মন্দ বোঝা যায়। আপনাদের লিখিত প্রস্তাবনা আমরা দেখবো, পর্যালোচনা করবো। দুপক্ষের জন্যই ভালো হয়, একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য, যা কিছু করা যায় আমরা করবো। আপনাদের এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে পারি। আপনাদের যাতে কাজ করা সহজ হয়, তথ্যের প্রবাহ অবাধ হয়, সেটা আমরাও চাই। তিনি বলেন, আপনাদের প্রস্তাবিত নীতিমালা পর্যালোচনা করে আপনাদের জন্য সহজ হয়, যেটা উভয় পক্ষের জন্য, মানুষের জন্য, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য, ফেয়ার নির্বাচনের জন্য যেটা ভালো হয়, সেটা ইনশাল্লাহ করবো। এ ব্যাপারে আর কোনো কথা নেই। নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আপনাদের বক্তব্য থেকে আসছে সাংবাদিক নীতিমালার মধ্যে নতুন কিছু নেই। আপনাদের যেই ‘প্রস্তাবিত নীতিমালা’ এখানে অনেক সুন্দর বিষয় এনেছেন। এটা ঠিক যে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্বেকার ট্রাডিশনে যদি এমন হতো যে, কোনো নীতিমালা করতে গেলে আপনাদের প্রতিনিধি থাকার প্রভিশন থাকতো, তাহলে হয়তোবা কমিটি ফরমেশনটাই ওভাবে হওয়া উচিত ছিল। আপনাদের যে প্রস্তাব, এটা নির্বাচন কমিশন ওয়েলকাম করে। যেহেতু আমরা আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটাই, যে একটা ভালো নির্বাচনের জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করব। সেই দিক থেকে কিন্তু আমরা ছোট কাজ, ভালো কাজ, মন্দ কাজ যেটাই করি এটা কিন্তু একবার আয়নার মতো তুলে ধরার দায়িত্বটা হলো আপনাদের। আপনারা এই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে মুশকিল হয়ে গেল কি, আমি আপনি আপনারা, সবাই মিলে কেউ কিন্তু আস্থার জায়গায় নেই। আমি আস্থার জায়গায় আছি আমি দাবি করি না। এই যে আস্থার সংকট এটা আমাদের জাতীয় সংকট। আমি বিচ্ছিন্নভাবে বলতে পারবো না যে অমুকে খারাপ, আমি ভালো। আর আপনিও বলতে পারবেন না, যে আমি খারাপ আপনি ভালো। বাস্তবতার নিরীক্ষে যার যার অবস্থান থেকে যাতে আমরা একটা ভালো নির্বাচন করতে পারি, সেজন্য পরস্পরকে সহযোগিতা করবো। আমার মনে হয় যে গণমাধ্যম নীতিমালা নিয়ে আরো আলোচনা, পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ, আপনাদের অভিজ্ঞতা, আমাদের অভিজ্ঞতা, ফিল্ডের অভিজ্ঞতা সবাই মিলে আরো মনে হয় যে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। মূল উদ্দেশ্য যেহেতু আমাদের সবার একটাই আমার মনে হয় যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এগুলো পরে সমাধান করা যায়। ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আপনাদেরই মতামতের জন্য আমি আন্তরিকভাবে কমিশনের পক্ষ থেকে এবং সচিবালয়ের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং এই তথ্য প্রবাহ আমাদের দিক থেকে থাকবে। আমাদের সম্মানিত কমিশনার এটা অলরেডি বলেছেন। কাজেই আমরা এই জিনিসটাকে দ্রুত নিষ্পত্তি ও একটা গ্রহণযোগ্য সম্মানজনক এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার জায়গাটা আবারো পুনঃস্থাপন করব। আপনারা আমাদের যেভাবে কভারেজটা দিচ্ছেন আমি মনে করি এই কভারেজটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন (জেবেল) বলেন, প্রার্থীরা যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেবেন ওইদিনই হলফনামার তথ্য স্থানীয়/কেন্দ্রেীয়ভাবে গণমাধ্যমকে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচনে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী খরচের যেই বিবরণ জমা দেন, সেগুলো গণমাধ্যমের জন্য দ্রুতই উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোটের দিন বেসরকারি ফলাফলের চূড়ান্ত বার্তা সিট এবং যতদ্রুত সম্ভব কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল স্থানীয়/ কেন্দ্রীয়ভাবে গণমাধ্যমকে দিতে হবে। প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকার জন্য একজন সহকারী রিটার্নিং অফিসার/উপজেলা নির্বাচন অফিসারের নেতৃত্বে একটি করে মিডিয়া সেল গঠন করা হবে। এ ছাড়া আমাদের প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী ইসির প্রণীত নীতিমালা সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় ইসির সব ধরনের উদ্যোগ ধ্বংস হয়ে যাবে। আরএফইডির লিখিত প্রস্তাবনা এ সময় তিনি তুলে ধরেন। গণমাধ্যম নীতিমালা সংশোধনে আরএফইডির প্রস্তাবনা * কার্ডধারী গণমাধ্যমকর্মীদের ভোটকক্ষে প্রবেশে প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিত করার বিধান বাতিল * ভোটকক্ষে ১০ মিনিটের বেশি থাকা না যাওয়ার বিধান বাতিল * গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দিলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনতে হবে * গোপন কক্ষে অনিয়ম হলে ছবি তোলার বিধান যুক্ত করা * মনোনয়ন দাখিল থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত তথ্য উন্মুক্ত রাখার বিধান
পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে পিটার হাসের বৈঠক

পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে পিটার হাসের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাস পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ সকাল পৌনে ০৯টার দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে একটি সূত্র বাংলানিউজকে জানিয়েছে। তবে বৈঠকের বিষয়ে কেউ মুখ খোলেননি। গতকাল সকালে কক্সবাজার ও মহেশখালী যান পিটার হাস। সেখানে তিনি বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেন। পিটার হাস ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এক বছর আগে কূটনীতি পেশা থেকে অবসরে যাওয়ার পর এখন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জ্বালানি কোম্পানি ‘এক্সিলারেট এনার্জি’র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করছেন। মূলত সে কারণেই তিনি প্রায়ই বাংলাদেশে আসেন।
গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বৈঠক

গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বৈঠক গঙ্গা চুক্তি নবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) কর্মকর্তারা যোগ দেবেন। সূত্র জানায়, ঢাকার পক্ষ থেকে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একটি কারিগরি দল নয়াদিল্লির বৈঠকে যোগ দেবেন। বৈঠকে মূল আলোচনা হবে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন। বাংলাদেশ-ভারত দুদেশের মধ্যে প্রতিবছর দুবার করে গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে আলোচনা হয়। সে অনুযায়ী চলতি বছরের মার্চে দুপক্ষের মধ্যে দিল্লিতে যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। গঙ্গা ছাড়া আর কোনো নদীর পানিবণ্টনের চুক্তি হয়নি। তিস্তার পানিবণ্টনের প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত। এর প্রধান কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসহযোগিতা ও তার আপত্তি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ১৯৯৬ সালে ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সই করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া ও শেখ হাসিনা। চুক্তির মেয়াদ ছিল ৩০ বছর। আগামী বছর সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ২০২৪ সালের জুন মাসে দুদেশই ঘোষণা দেয় যে, ১৯৯৬ সালের গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি নবায়নের জন্য আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ঢাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফরেন অফিস কনসালটেশন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে গঙ্গা নদীর চুক্তি নবায়ন ইস্যুতে দুদেশের পররাষ্ট্রসচিব আলাপ করেন। সে সময় তৎকালীন পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন বলেছিলেন, আলোচনায় আন্তঃনদী বিষয়সমূহ গুরুত্ব পেয়েছে। গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ২০২৬ সালে শেষ হয়ে যাবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে তা নবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ৬-৭ মার্চ কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ৬ মার্চ ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি সম্পর্কিত যৌথ কমিটির ৮৬তম সভা এবং গত ৭ মার্চ কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হয়, যা দুদেশের মধ্যকার নিয়মিত বৈঠক। গত বছর নভেম্বরে ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি সম্পর্কিত যৌথ কমিটির ৮৫তম সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর তা কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে গঙ্গার পানিবণ্টনের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মালয়েশিয়ায় ৩৯৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ায় ৩৯৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অভিযান চালিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। গতকাল দিবাগত রাতের এ অভিযানে ৩৯৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৭৭০ জন অনিবন্ধিত অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির গণমাধ্যম দ্য স্ট্রেইটস টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং এলাকায় রাতভর অভিযান চালায় ইমিগ্রেশন বিভাগ। অভিযানে অংশ নেয় শতাধিক কর্মকর্তা। মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয় ৭৭০ জন অভিবাসীকে। ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের পরিচালক বসরি ওসমান জানান, আটক হওয়াদের মধ্যে ৩৯৬ জন বাংলাদেশি রয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজন নারী। এ ছাড়া ২৩৫ জন মিয়ানমার, ৭২ জন নেপাল, ৫৮ জন ভারত এবং ১৭ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। অন্য দেশের আরও ৯ জনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এদের অধিকাংশই মালয়েশিয়ায় অনুমোদিত সময়সীমার বেশি দিন অবস্থান, বৈধ কাগজপত্র না থাকা এবং অনুমতি ছাড়া কাজ করার অভিযোগে আটক হয়েছেন। বসরি ওসমান বলেন, বুকিত বিনতাং অনেক দিন ধরেই অনিবন্ধিত অভিবাসীদের জন্য হটস্পট হয়ে উঠেছে। নাইটলাইফ ও শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থানের কারণে এখানকার পরিবেশ তাদের আকৃষ্ট করে। তিন সপ্তাহ পর্যবেক্ষণের পরই অভিযান চালানো হয়। তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার শেষ ম্যাচে লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ। এই মিশনে খেলতে নেমে টসের ভাগ্য গেল নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের দিকে। ফিল্ডিং নেওয়ায় সিরিজে প্রথমবার আগে ব্যাটিংয়ে নামছে বাংলাদেশ। পাঁচটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান, দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান। তাদের জায়গায় খেলছেন নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। এক ম্যাচ পর দলে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন। ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে লিটন দাসের দল। প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে জিতে লাল-সবুজরা দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে। এবার লক্ষ্য নেদারল্যান্ডসকে হোয়াইটওয়াশ করা, পাশাপাশি এশিয়া কাপের প্রস্তুতিকে আরও ঝালিয়ে নেওয়া। বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা ২০২৫ প্রকাশ করা হয়েছে। মাধ্যমিক বা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৮ম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রতি বিষয়ে ১০০ নম্বর করে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা প্রকাশ করে। নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৮ম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী (৭ম শ্রেণির সব প্রান্তিকের সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে) জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি সময়ে সময়ে এ সংখ্যা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের দুই ধরনের বৃত্তি দেয়া হবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি। বাংলা ১০০, ইংরেজি ১০০, গনিত ১০০, বিজ্ঞান ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় ৫০ মোট ৪০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। প্রতিটি পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রণীত ৮ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক অনুসৃত প্রশ্নকাঠামো অনুসারে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সব ধরনের বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্রদের এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে। তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে ছাত্রের বৃত্তি ছাত্রী দ্বারা এবং ছাত্রীর বৃত্তি ছাত্র দ্বারা পূরণ করা যাবে। নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের মাধ্যমে অন্য বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে থাকে তাহলে তাকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধাক্রম বিবেচনা করে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় এমন শিক্ষার্থীর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার বিষয় কোনো প্রকার অভিযোগ পাওয়া গেলে ও অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রার্থীতা বা ফল বাতিল করা হবে।
ডেঙ্গুতে আরো ২ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ৪৪৫

ডেঙ্গুতে আরো ২ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ৪৪৫ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৪৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনই পুরুষ। আর আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৯৯ জনই ঢাকার বাইরের। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১২৭ জন, যাদের মধ্যে ৭০ জন পুরুষ ও ৫৭ জন নারী।এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩২ হাজার ৯৪৬ জন, যার মধ্যে ১৯ হাজার ৬৮৮ জন পুরুষ ও ১৩ হাজার ২৫৮ জন নারী।
কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও আলোচনায়। জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার যেখানে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে বাধ্যতামূলক ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, সেখানে কোহলি একই পরীক্ষা দিয়েছেন লন্ডনে বসেই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন বোর্ড তার জন্য আলাদা নিয়ম বানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়েই লন্ডনে ফিজিও ও ফিটনেস ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে কোহলি ফিটনেস টেস্ট দেন। মূলত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবং বেসিক স্ট্রেংথ মূল্যায়নেই তাকে অংশ নিতে হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টেস্টে সফলও হয়েছেন। এই ছাড় কেবল কোহলিকেই কেন দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, নিয়ম তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তবে অনেকের যুক্তি, কোহলি দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন, তাই বোর্ড অনুমতি দিয়ে তাকে সুবিধা করে দিয়েছে। ভারতের বেশিরভাগ ক্রিকেটার ইতোমধ্যে এনসিএ ক্যাম্পে নিজেদের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন করেছেন। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কোহলি। ক্রিকেটারের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অফিশিয়ালি এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহারের কয়েকটি নিয়ম

ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহারের কয়েকটি নিয়ম তেঁতুল এমন একটি ফল যার নাম শুনলেই মুখে পানি আসে। অনেকেই ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহার করে থাকেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে তেঁতুলে। এই ফল দিয়ে ত্বকের যত্ন কীভাবে নেওয়া যায়, জেনে নিন। হলুদ-তেঁতুলের ফেসপ্যাক ত্বকের ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। এর জন্য লাগবে পরিমাণমতো তেঁতুল পানিতে সিদ্ধ করে নিন। ঠান্ডা হলে সেই ফোটানো তেঁতুলের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে নিন। তৈরি আপনার ফেসপ্যাক। ১৫ মিনিট মুখে মেখে, শুকিয়ে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। দেখবেন রাতারাতি ত্বক ঝকঝকে হয়ে উঠবে। বেসন- তেঁতুলের ফেসপ্যাক বেসন সবসময়ই ত্বকের পক্ষে ভালো। চটজলদি ঝকঝকে স্কিন পাওয়ার জন্য বেসন দারুণ কাজ করে। রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘বেসনের সঙ্গে অল্প তেঁতুল, মধু মিশিয়ে নিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা যায়।’’ এই ফেসপ্যাক ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলেই হয়ে গেলো। তেঁতুল-বেকিংসোডার ফেসপ্যাক অল্প পরিমাণ তেঁতুলের ক্বাথের সঙ্গে ২ চামচ চিনি আর ১ চা চামচ বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর এই প্যাক ত্বকে লাগিয়ে নিন। এই প্যাক স্ক্রাব হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এতে ত্বকের মৃত কোষগুলো দূর হয়। চিনি ত্বকের ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে। বেকিং সোডা ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনে। যাদের মুখে পোড়া দাগ পড়েছে তারা এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। উল্লেখ্য, পান করতে পারেন তেঁতুলের শরবত। এ ছাড়া তেঁতুল পানিতে তুলার বল ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন। দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে জেল্লা ফিরবে।