ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ

ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এ বছর ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৭০ জন প্রার্থী। ১৮টি হলের প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১ হাজার ১০৮ জন। নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোটাররা ডাকসু ও হল সংসদের মোট ৪১টি পদে ভোট দেন। প্রতিটি কেন্দ্রে আলাদা করে ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয়ভাবে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করবে। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে মধ্যরাত পর্যন্ত। প্রতি বছর ডাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এর আগে ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল দীর্ঘ ২৮ বছর পর। ছয় বছর পর এ নির্বাচন আয়োজনে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার কমতি ছিল না।

ছুটির দিনে বানাতে পারেন ৬ রকমের লোভনীয় বার্গার

ছুটির দিনে বানাতে পারেন ৬ রকমের লোভনীয় বার্গার আপনি কী বার্গার খেতে ভালোবাসেন? সুযোগ পেলেই রেস্টুরেন্টে ঢুঁ মারেন? আপনার জন্যেই বার্গারের ছয়টি রেসিপি দেওয়া হলো, যেগুলো আপনি খুব সহজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারেন। দেখে নিন কোন বার্গারটি আজকে আপনি বাড়িতেই বানাচ্ছেন। চিকেন এগ বার্গার কড়াইয়ে তেল ঢেলে মাঝারি তাপে গরম করে নিন ও মুরগির মাংসের চাপ বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। এক টেবিল চামচ ময়োনিজ বার্গার রুটির দুই টুকরোতে ভালোভাবে মেখে নিন। নিচের রুটির টুকরাটিতে লেটুসপাতা, পেঁয়াজ কুচি, মাংসের চাপ, টমেটো স্লাইস ও ভাজা ডিম সাজিয়ে রাখুন। ডিমের ওপর ময়োনিজের স্তর দিন। এবার রুটির বাকি টুকরোটি ওপরে দিয়ে দিন। ব্যস, এবার বাসায় তৈরি চিকেন এগ বার্গার পরিবেশন করুন। আলু টিক্কি বার্গার প্রথমেই আলুর পুলি বানিয়ে নিন। বার্গার রুটির দুই টুকরোতেই এক টেবিল চামচ ময়োনিজ ভালোভাবে ছড়িয়ে দিন। নিচের রুটির টুকরোটিতে আলুর পুলি, টমেটোর স্লাইস, পেঁয়াজ কুচি বসিয়ে নিন। ময়োনিজের স্তর ঢেলে রুটির ওপরের টুকরোটি জুড়ে দিলেই তৈরি হয়ে গেল আলুর টিক্কি বার্গার। ময়োনিজ-ভাজা আলুর বার্গার ননস্টিক প্যানে এক টেবিল চামচ তেল মঝারি তাপে গরম করে নিন। সরিষা বীজ, কারি পাতা, এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া, আলু ও লবণ যোগ করুন। দুই মিনিট ভালোভাবে নাড়তে থাকুন ও বেসন, লাল মরিচের গুঁড়া ও পানি যোগ করে আস্তে আস্তে মেশান। আলুর মাঝারি আকারের বল বানিয়ে নিন। বেসন মেখে একটি কড়াইয়ে গরম তেলে মচমচে করে ভাজতে থাকুন সোনালি রং না আসা পর্যন্ত। রসুনের চাটনি বানাতে আট কোয়া ভাজা রসুন, কোড়ানো নারিকেল, বাদাম, মরিচ ও জিরার গুঁড়া দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। রুটির টুকরোয় ময়োনিজ মেখে তার ওপর চাটনি ছড়িয়ে দিন। ভাজা আলু যোগ করে ময়োনিজ দিয়ে পরিবেশন করুন। ভাজা মাংসের বার্গার মাংসের টুকরা রোজমেরি, তেল ও মরিচের গুঁড়া মেখে এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। ঘণ্টাখানেক পরে মাংসের টুকরাগুলো পাতলা স্লাইস করে কাটুন। একটি প্যানে পেঁয়াজের সাথে মাংসের স্লাইস দুই দিকেই ভাজুন। রুটির টুকরো দুটোয় ময়োনিজ মাখুন। নিচের অংশে লেটুসপাতা, টমেটো, শসা ও মাংসের চাপ রেখে ওপরে রুটির টুকরো দিয়ে ঢেকে দিন। ফ্রেন্স ফ্রাই বা সস দিয়ে পরিবেশন করুন। সুশি বার্গার রাইসের জন্য, সুশি বা ছোট বীজের বাসমতি বা জাপানি চাউল এক কাপ, ভিনেগার এক টেবিল চামচ, চিনি এক চা চামচ ও লবণ। ফিলিংয়ের জন্য অ্যাভোকাডো তিন টুকরো, গাজর, শসা, ক্যাপসিকাম। প্রোটিন– সেদ্ধ চিংড়ি, টোফু, চিকেন। বার্গার সাজানোর জন্য– নরি শিট ২ টুকরো,ময়োনেজ বা স্পাইসি সস দুই টেবিল চামচ ও লেটুসপাতা প্রথমে চালের সঙ্গে দেড় কাপ পানি দিয়ে রান্না করুন। ভিনেগার, চিনি ও লবণ মিশিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। বার্গার বেস করতে, ভেজা হাতে সেদ্ধ করা চাল নিয়ে ছোট বাটি বা হাত দিয়ে প্যাটি তৈরি করুন। প্রতিটি প্যাটির মধ্যে সামান্য লেটুস বা সবজি রাখুন। এরপর রাইস প্যাটির ওপরে প্রোটিন (চিকেন, চিংড়ি, টোফু) রাখুন। অ্যাভোকাডো ও অন্যান্য সবজি স্লাইস যোগ করুন। ওপরে আরেকটি রাইস প্যাটি দিয়ে চাপ দিন। এরপর বার্গারের চারপাশ নরি শিট দিয়ে মোড়ান যাতে ধরে থাকে। পছন্দমতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন। ঝাল চিংড়ির বার্গার মাঝারি সাইজের কয়েকটি চিংড়ি রসুন বাটা, মরিচের গুঁড়া, সরিষা বাটা, লবণ, অলিভ অয়েল, ধনে পাতা ও লেবুর রস মেখে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। চিংড়িগুলোকে ময়দা মেখে ফ্যাটানো ডিমে চোবান। আবারও ময়দা মেখে নিন। মচমচে ও সোনালি রং না হওয়া পর্যন্ত তেলে ভাজতে থাকুন। বার্গার রুটির টুকরা দুটি সেঁকে নিন। রুটির ভেতর লেটুস পাতা ও চিংড়ি ঢুকিয়ে টমেটো কেচাপ দিয়ে পরিবেশন করুন।

বয়স্কদের সঙ্গেও করুন ভিডিও চ্যাট

বয়স্কদের সঙ্গেও করুন ভিডিও চ্যাট প্রযুক্তির এই যুগে আমরা অনেক কিছুই পাচ্ছি। যার মধ্যে বাড়তি পাওয়া দূরে থাকলেও প্রিয়জনকে একটু দেখে নেওয়ার সুযোগ। বেশিরভাগ সময় এই দেখাদেখি তরুণ-তরুণীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু জানেন কি, বাড়ির বয়স্কদের অবসাদ কাটিয়ে দেয় দূরে থাকা প্রিয়জনের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট। এক গবেষণায় জানা গেছে ,ফেসবুক মেসেঞ্জার হোক বা হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলিং বয়স্কদের অবসাদ কমিয়ে দিতে পারে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গান হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভর্সিটির অধ্যাপক অ্যালান টিও বলেন, এই ভিডিও চ্যাট বৃদ্ধ ও প্রাপ্তবয়স্কদের বিষণ্নতা কমিয়ে দেয়। গবেষকরা দুই বছর ধরে ১ হাজার ৪২৪ জনকে নিয়ে সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন বিষণ্নতা দূর করতে সক্ষম ভিডিও চ্যাট। বাড়ির বয়স্করা অনেকেই নিঃসঙ্গ থাকেন। জীবনের তাগিদে ছেলে-মেয়েরা তাদের পরিবার নিয়ে দূরে থাকেন। যার জন্য বয়স্করা একাকীত্বে ভোগেন। তাদের পেয়ে বসে হতাশা বা অবসাদ, এই পর্যায়ে এসে শুধু মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা ছাড়া যেন কিছুই করার নেই তার। নিজেকে অনেকেই অবহেলিত ও অপ্রয়োজনীয় ভাবতে শুরু করেন। সন্তানদের প্রতিও দেখা দিতে পারে অভিমান। কিন্তু এই সবই ঠিক করে নেওয়া যায় শুধু মাঝে মাঝে ভিডিও চ্যাট করে। এতে করে বয়স্কদের মনও ভালো থাকে, খুব কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখা গেলেও প্রিয়জনের হাসি মুখ, কথা বলা দেখেও স্বস্তি পান তারা। যাদের বয়স্ক বাবা-মা দূরে থাকে তাদের জন্য সাধ্যের মধ্যে স্মার্টফোন বা একটা ল্যাপটপের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আর এগুলোর ব্যবহারও শিখিয়ে দিন, দিনের একটা সময় তাদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলুন, দেখবেন নিজেদেরও ভালো লাগবে, বাবা-মায়েরাও ভালো থাকবেন।

কোন অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ ঐশ্বরিয়া?

কোন অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ ঐশ্বরিয়া? অনুমতি ছাড়া নাম-ছবি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার ও এআই দিয়ে নির্মিত অশ্লীল-বিকৃত ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছাড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন। শুধু তাই নয়, দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে আজ দিল্লি হাইকোর্ট বলেছেন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের ব্যক্তিত্ব অধিকার রক্ষার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। ঐশ্বরিয়ার পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী সন্দীপ শেঠি আদালতে জানান, বাণিজ্যিক লাভের জন্য ব্যাপকভাবে অভিনেত্রীর পরিচয় অপব্যবহার করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বহু ভুয়া ওয়েবসাইট নিজেদের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মেও তার ছবি ব্যবহার করছে। এছাড়া মগ, টি-শার্টসহ নানা পণ্যতে তার নাম-ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ‘ঐশ্বরিয়া নেশন ওয়েলথ’ নামে এক প্রতিষ্ঠান নথিতে মিথ্যাভাবে ঐশ্বরিয়াকে চেয়ারম্যান দেখিয়েছে অথচ অভিনেত্রীর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এটি প্রতারণার শামিল। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে আইনজীবী আদালতকে জানান, এআই দিয়ে নির্মিত অভিনেত্রীর অশ্লীল, বিকৃত ছবি তৈরি করে সামাজিকমাধ্যমে প্রতিনিয়ত ছড়ানো হচ্ছে, যা ঐশ্বরিয়ার মর্যাদাকে চরমভাবে ছোট করা হচ্ছে। বিচারপতি তেজস ক্যারিয়ার বেঞ্চ বিষয়টি শুনে এই ধরনের অপব্যবহার ঠেকাতে নিষেধাজ্ঞা জারির ইঙ্গিত দিয়েছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ জানুয়ারি। গুগলের পক্ষের আইনজীবী মমতা রাণী জানান, এসব কনটেন্ট সরাতে নির্দিষ্ট ইউআরএল সরবরাহ করতে হবে। অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করে আদালত জানায়, বাদী চাইলে নির্দিষ্ট ইউআরএল জমা দিতে পারেন বা ব্লকিং অ্যান্ড স্ক্রিনিং ইনস্ট্রাকশনস (বিএসআই) প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় ‘মৃ*ত্যুর’ গুজবে যা বললেন কাজল

সড়ক দুর্ঘটনায় ‘মৃ*ত্যুর’ গুজবে যা বললেন কাজল ভারতের দক্ষিণী সিনেমার লেডি সুপারস্টার কাজল আগারওয়াল ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন’ এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। যা দেখে বিব্রত অভিনেত্রী। সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে কাজল জানালেন, সুস্থ আছেন তিনি। আজ নিজের সামাজিকমাধ্যমে স্পষ্ট জানান যে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। কাজল লেখেন, আমাকে ঘিরে একটা গুজব খবর রটেছে, আমার নাকি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে! সত্যি বলতে কী, ব্যাপারটা ভীষণ মজার। কারণ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে। ভক্তদের আশ্বস্ত করে এই অভিনেত্রী লেখেন, আপনাদের সবাইকে আশ্বস্ত করে বলছি আমি পুরোপুরি সুস্থ আছি, নিরাপদে আছি। সবার কাছে অনুরোধ, এ ধরনের ভুয়া খবর বিশ্বাস করবেন না। চলুন, আমরা একটু ইতিবাচক চিন্তাভাবনা রাখি। সত্যকে ঘিরে থাকি। সম্প্রতি এক ভিডিওতে দাবি করা হয় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কাজল আগরওয়ালের। তারপর থেকেই সামাজিকমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেন অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। ২০০৪ সালে ‘কিয়ুন’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে শোবিজে অভিষেক ঘটে কাজলের। এরপর তেলুগু ব্লকবাস্টার ফিল্ম ‘মাগধীরা’তে যুবরানি মিত্রবিন্দা ও ইন্দু চরিত্রে অভিনয়ের পর তিনি তারকা খ্যাতি পান। একই বছর ‘কিউঁ! হো গায়া না…’ সিনেমার বলিউডে যাত্রা শুরু করেন এই অভিনেত্রী। কাজলকে শেষবার দেখা গেছে ‘কান্নাপ্পা’-তে, যেখানে তিনি একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সামনে মুক্তির অপেক্ষায় তার অভিনীত রয়েছে ‘দ্য ইন্ডিয়ান স্টোরি’, ‘ইন্ডিয়ান ৩’, এবং ‘রামায়ণ’ নামের সিনেমাগুলো।

এই সুখে কারো নজর না লাগে: পরীমণি

এই সুখে কারো নজর না লাগে: পরীমণি ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। ব্যক্তিজীবনে এই অভিনেত্রী সহ-অভিনেতা শরীফুল রাজকে বিয়ে করেছিলেন। পরে সম্পর্কের টানাপোড়নে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এই তারকা দম্পতি। বর্তমানে ছেলে রাজ্য ও মেয়েকে নিয়েই সময় কাটছে এই নায়িকার। বিভিন্ন সময় তাদের সঙ্গে কাটানো খুনসুটির নানা মুহূর্ত সামাজিকমাধ্যমের পাতায় শেয়ার করে থাকেন। এবার ছেলে রাজ্য ও মেয়েকে নিয়ে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন, ‘এখন আমার ঘরের দরজা খুলে দেওয়ার মানুষ তারা। নানাভাই মারা যাওয়ার পর আর কেউ আমার ঘরে ফেরার জন্য অপেক্ষা করেনি এভাবে। ’ তার কথায়, ‘গতকাল রাতে যখন আমি অ্যাওয়ার্ড নিয়ে বাসায় ফিরলাম তখন দরজা খুলেই তারা দুজন এক ঝাঁপে আমার কোলে উঠে বসলো। কি লাগে জীবনে আর! শুকরিয়া খোদা। ’সবশেষ পরীমণি লেখেন, ‘আমি শুধু আল্লাহর কাছে এখন এই দোয়া করি যেন এই সুখে কারো নজর না লাগে। আহা! কি সুন্দর পরিপূর্ণ জীবন আমার। রূপকথার মতো সুন্দর। আলহামদুলিল্লাহ। ’শিগগিরই ‘গোলাপ’ নামের একটি সিনেমার শুটিং শুরু করবেন পরীমণি। এতে তিনি অভিনয় করবেন নিরবের বিপরীতে। নিরব ও পরীমণি জুটির প্রথম চলচ্চিত্র ‘গোলাপ’র পরিচালক সামছুল হুদা। রাজনৈতিক থ্রিলার গল্পে সিনেমাটি নির্মিত হবে। এর আগে পরীমণি ‘ডোডোর গল্প’ নামের একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। কয়েক দফায় এর শুটিং হয়েছে। সিনেমাটিতে পরীমণির নায়ক সাইমন সাদিক। সিনেমাটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

বলিউডে ৩৪ বছর, জন্মদিনে যা বললেন অক্ষয়

বলিউডে ৩৪ বছর, জন্মদিনে যা বললেন অক্ষয় অক্ষয় কুমার, যিনি আজ বলিউডের ‘খিলাড়ি’। একসময়ে তার স্ট্রাগলের সাক্ষী থেকেছে কলকাতা থেকে বাংলাদেশ হয়ে ব্যাংকক। কখনও তিনি মার্শাল আর্টের ‘গুরু’, আবার কখনও বা রেস্তরাঁর রাঁধুনি। তবে সিনেদুনিয়ায় ভাগ্য নির্ধারণ করতে এসেও কম প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়নি তাকে। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে পর পর চোদ্দটা ফ্লপ দেখে বলিউডকে বিদায় জানিয়ে কানাডায় নতুন ইনিংস শুরু করবেন ভেবেছিলেন, তবে অদৃষ্টের হিসেব কে জানত? আজ সেই অভিনেতাই উত্থান-পতনের হিসেব না কষে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ৩৪ বছর কাটানোর জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে কলম ধরলেন নিজের জন্মদিনে। আজ ৫৮ বছরে পা দিলেন অক্ষয় কুমার। বিশেষ এই দিনে দর্শক-অনুরাগীদের জন্য বিশেষ পোস্ট উপহার তার। খিলাড়ির মন্তব্য, নিজেকে গড়ে তোলার ৫৮ বছর, ইন্ডাস্ট্রিতে ৩৪ বছর। দেড়শোটি সিনেমায় অভিনয়, এখনও আরও বাকি। তিনি লেখেন, আমার এই জার্নিতে যারা আমার সঙ্গে থেকেছেন, আমাকে বিশ্বাস করে আমার সিনেমার টিকিট কেটেছেন কিংবা যেসব প্রযোজক-পরিচালকরা আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, আমাকে পথ দেখিয়েছেন, আমার এই সফরের অংশীদার তারাও।অক্ষয় কুমার আরও বলেন, যেভাবে আমাকে নিঃশর্ত ভালোবাসা দিয়েছেন আপনারা, যেভাবে আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, আজ মন থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের ছাড়া আমি শূন্য। যারা আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, এই জন্মদিনটা তাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।অক্ষয়ের এই পোস্টে ভক্তদের কমেন্টের জোয়ার। খিলাড়িকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বলিউডের তার কঠিন লড়াইয়ের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে। ভক্তদের এই নায়কের কাছে আবদার, ‘ফিরে আসুন অ্যাকশন অবতারে…। ’

৯ গোলের থ্রিলারে ইসরায়েলকে হারাল ইতালি

৯ গোলের থ্রিলারে ইসরায়েলকে হারাল ইতালি ইনজুরি টাইমে সান্দ্রো টোনালির দুর্দান্ত গোলে ইসরায়েলের বিপক্ষে নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে ইতালি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে গোল হয়েছে মোট নয়টি, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঝুলে ছিল ফলাফল। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে মানুয়েল লোকাতেল্লির আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ইতালি। তবে বিরতির আগে সাবেক এভারটন স্ট্রাইকার মইজে কিন সমতা ফেরান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডর পেরেটজ আবার এগিয়ে দেন ইসরায়েলকে। কিন্তু মাত্র দুই মিনিট পর কিনের দ্বিতীয় গোল ইতালিকে ফিরিয়ে আনে। এরপর মাত্তেও পলিতানো এগিয়ে দেন দলকে এবং গিয়াকোমো রাসপাদোরির গোলে ৮১তম মিনিটে স্কোর দাঁড়ায় ৪-২। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা জমে ওঠে। ৮৭তম মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনির আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় ইসরায়েল। দুই মিনিট পর পেরেটজের দ্বিতীয় গোলেই স্কোরলাইন হয়ে যায় ৪-৪। ম্যাচ যখন ড্রয়ের পথে, তখনই ৯১তম মিনিটে টোনালি দূরপাল্লার শটে জালে বল পাঠিয়ে ইতালিকে এনে দেন অমূল্য তিন পয়েন্ট। এই জয়ে গ্রুপ আই-তে চার ম্যাচে ইতালি দুটি জয় পেলেও এখনো চাপে রয়েছে। কারণ নরওয়ে শতভাগ সাফল্যে চার ম্যাচে চার জয় নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। শুধুমাত্র গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে, রানার্স-আপদের লড়তে হবে প্লে-অফে। আগামী ১১ অক্টোবর এস্তোনিয়ার মাঠে খেলতে নামবে ইতালি, ১৪ অক্টোবর নিজেদের মাঠে আতিথ্য দেবে ইসরায়েলকে। এরপর ১৩ নভেম্বর মলদোভার বিপক্ষে এবং ১৬ নভেম্বর নরওয়ের বিপক্ষে হতে পারে গ্রুপের ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচ।

১৯৮৪ এশিয়া কাপ: শারজাহতে ভারত-পাকিস্তানকে এক মঞ্চে এনেছিল ক্রিকেট

১৯৮৪ এশিয়া কাপ: শারজাহতে ভারত-পাকিস্তানকে এক মঞ্চে এনেছিল ক্রিকেট ২০২৫ সালের এশিয়া কাপকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান আবারও মুখোমুখি হচ্ছে। তবে এবার দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা অনেক বেশি, যে কারণে আয়োজক ভারত শেষ পর্যন্ত ভেন্যু দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।কিন্তু ১৯৮৪ সালের চিত্র ছিল ভিন্ন। তখন এতটা বৈরিতা ছিল না, বরং সেই সময়েই শারজাহতে আয়োজিত হয় প্রথম এশিয়া কাপ। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা অংশ নেয় ঐতিহাসিক আসরে। শারজাহর উন্মাদনা শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জেনারেল ম্যানেজার মাজার খান স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘ঘোষণার পরপরই টিকিটের জন্য ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছিল। ভারত ও পাকিস্তানের তারকা খেলোয়াড়দের পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের সেলিব্রিটিরাও উপস্থিত ছিলেন। সুনীল গাভাস্কার ছিলেন ভারতের অধিনায়ক, জাহির আব্বাস পাকিস্তানের, আর শ্রীলঙ্কার নেতৃত্বে ছিলেন দুলীপ মেন্ডিস। ’সেই মেন্ডিসই এবার এশিয়া কাপে ফিরছেন ওমান দলের কোচ হিসেবে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের জন্ম সংযুক্ত আরব আমিরাত শুধু টুর্নামেন্ট আয়োজনেই নয়, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এএসসি) গঠনের সঙ্গেও যুক্ত। ১৯৮৩ সালে আব্দুল রহমান বুকাহতীরের নেতৃত্বে গঠিত হয় সংস্থাটি, এবং পরের বছরই শুরু হয় এশিয়া কাপ। এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ভারতের শিরোপা জয় ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারত এশিয়া কাপেও দারুণ ফর্ম ধরে রাখে। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে তারা প্রথম এশিয়া কাপ জেতে। আসরে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সুরিন্দর খান্না।দিলিপ ভেঙ্গসরকার সেই অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, ‘শারজাহতে খেলা আমাদের জন্য দারুণ ছিল। দর্শক ছিল উপচে পড়া, ভারত ও পাকিস্তানি প্রবাসীরা বিপুল সংখ্যায় এসেছিলেন। আমরা শিরোপা জিতেছিলাম, আর পরিবেশ ছিল বিদ্যুতায়িত। ’ শারজাহর অবদান পরবর্তী সময়ে শারজাহ আয়োজন করেছে অসংখ্য বড় ম্যাচ ও ক্রিকেটার্স বেনিফিট ফান্ড সিরিজ (সিবিএফএস)। ভেঙ্গসরকার বলেন, ‘তখন কেবল শারজাহই ছিল, এখন দুবাই ও আবুধাবিতেও আধুনিক স্টেডিয়াম আছে। কিন্তু ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ায় শারজাহর অবদান অসাধারণ। ’

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে হংকং

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে হংকং এবারের এশিয়া কাপে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও হংকং। চার দলের মধ্যে কাগজে-কলমে তুলনামূলক দুর্বল হিসেবেই ধরা হচ্ছে হংকংকে, কিন্তু তারা নিজেদের পিছিয়ে রাখতে রাজি নয়। দলটির অধিনায়ক নিজাকাত খান জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর মতো সক্ষমতা রাখে। আজ আবু ধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে হংকং। একদিন বিরতি দিয়ে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই শেষ অনুশীলন সেরে ফেলেছে দলটি। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজাকাত বলেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। নির্দিষ্ট দিনে যে কেউ ম্যাচ জেতাতে পারে। টি-টোয়েন্টি এমন এক খেলা যেখানে ২-৩ ওভারের ভেতরেই সব পাল্টে যায়। আমাদের দল যথেষ্ট প্রস্তুত। ’২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঢাকায় বাংলাদেশকে হারানোর স্মৃতি আবারও মনে করিয়ে দেন হংকং অধিনায়ক। ওই ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। নিজাকাত বলেন, ‘সেই জয়টা ভোলার মতো নয়। বাংলাদেশকে তাদের মাঠে হারানো ছিল কঠিন কাজ, কিন্তু আমরা কামব্যাক করেছিলাম। ’টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় দল–ছোট দল বলে কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি, ‘যেদিন আপনি ভালো খেলবেন, সেদিনই জিতবেন। আমরা আগেও আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে হারিয়েছি। শুরু থেকেই যদি সর্বোচ্চটা দিতে পারি, কিছুই অসম্ভব নয়। ’