জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ উদ্বোধন করেছেন। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, মৎস্যচাষী, উদ্যোক্তা ও গবেষকরা অংশ নেন। উদ্বোধনী ভাষণে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘মৎস্য খাতের অবদানের জন্য আমাদের প্রকৃতি ও পানির প্রতি সদয় হতে হবে। প্রকৃতি-প্রতিবেশ নষ্ট হলে মাছ উৎপাদন একসময় বন্ধ হয়ে যাবে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ ও তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণে এ খাতকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। ’ অধ্যাপক ইউনূস মৎস্য খাতের অপার সম্ভাবনা বিশেষ করে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের সুযোগকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক-২০২৫ তুলে দেন। মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রদর্শনী, কর্মশালা ও আলোচনা সভার মাধ্যমে চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তি, মাছের রক্ষণাবেক্ষণ এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হবে। এবারের মৎস্য সপ্তাহের মূল প্রতিপাদ্য-‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি’। মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, মৎস্য সপ্তাহের মূল লক্ষ্য প্রকৃতির সুরক্ষা, স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো, রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো এবং দেশের পুষ্টি নিরাপত্তায় অবদান রাখা।

আগামী ২৪ আগস্ট থেকে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের শুনানি

আগামী ২৪ আগস্ট থেকে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের শুনানি আগামী ২৪ আগস্ট রোববার থেকে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের শুনানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। ২৪ আগস্ট কুমিল্লা অঞ্চলের ৬৮৩টি দাবি-আপত্তির শুনানি করা হবে। ২৫ আগস্ট খুলনা অঞ্চলের ৯৮টি, বরিশাল অঞ্চলের ৩৮১টি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২০টি দাবি আপত্তির শুনানি হবে। ২৬ আগস্ট ঢাকা অঞ্চলের ৩১৬টি দাবি-আপত্তির শুনানি হবে। ২৭ আগস্ট রংপুরের সাতটি, রাজশাহীর ২৩২টি, ময়মনসিংহের তিনটি, ফরিদপুরে ১৮টি ও সিলেট অঞ্চলের দুটি দাবি-আপত্তির শুনানি হবে। গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৮৩টি আসনের সীমানা নিয়ে এক হাজার ৭৬০টি দাবি-আপত্তি জমা পড়ে ইসিতে। এগুলোই নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত সীমানা প্রকাশ করবে ইসি। গত ৩০ জুলাই ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে খসড়া প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে ভোটার সংখ্যার সমতা আনতে গিয়ে গাজীপুর জেলায় একটি আসন বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়। বাগেরহাটের আসন চারটি থেকে কমিয়ে তিনটির প্রস্তাব করা হয়। এ ছাড়া পরিবর্তন আনা হয় ৩৯টি আসনে। এগুলো হলো- পঞ্চগড় ১ ও ২; রংপুর ৩; সিরাজগঞ্জ ১ ও ২; সাতক্ষীরা ৩ ও ৪; শরিয়তপুর ২ ও ৩; ঢাকা ২, ৩, ৭, ১০, ১৪ ও ১৯; গাজীপুর ১, ২, ৩, ৫ ও ৬; নারায়ণগঞ্জ ৩, ৪ ও ৫; সিলেট ১ ও ৩; ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ ও ৩; কুমিল্লা ১, ২, ১০ ও ১১; নোয়াখালী ১, ২, ৪ ও ৫; চট্টগ্রাম ৭ ও ৮ এবং বাগেরহাট ২ ও ৩ আসন। ইসির প্রকাশিত ওই খসড়ার তালিকার ওপর গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত আপত্তি আহ্বানও করা হয়। আগে বাগেরহাট-১ মোল্লারহাট-ফকিরহাট-চিতালমারি; বাগেরহাট-২ বাগেরহাট সদর ও কচুয়া; বাগেরহাট-৩ রামপাল ও মোংলা, বাগেরহাট-৪ মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা এই চারটি আসন ছিল বাগেরহাটে। খসড়ায় বাগেরহাট-১ আসনে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বাগেরহাট সদর, কচুয়া, রামপাল নিয়ে বাগেরহাট-২ আসন এবং মোংলা, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ আসন প্রস্তাব করা হয়েছে। সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের বলেছেন, ৬৪ জেলার গড় ভোটার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০। এটা ধরে জেলায় একটি আসন বাড়ালে তা গাজীপুরে হবে। এ গড়ের কম বাগেরহাটে একটি কমালে সমতা চলে আসে। দুই জেলার আসনই অ্যাফেক্টেড হয়েছে। আর কোথাও ঝামেলা নেই। ৩৯টি আসনে অ্যাডজাস্টমেন্ট রয়েছে।

কাতারে বসুন্ধরা কিংসকে বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবর্ধনা

কাতারে বসুন্ধরা কিংসকে বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবর্ধনা এক দিনে বাংলাদেশের বড় দুই দলের খেলা। যদি দুই দলই হেরে যায় তাহলে তো দেশের ফুটবলে কালো ছায়া নেমে আসত। কেননা, ক্লাব হলেও তারা তো বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করেছে। পুরুষ ফুটবলাররা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছেন। নারীরা একের পর এক সাফল্য পেয়ে দেশকে অন্যন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। জাতীয় বা বয়স ভিত্তিক সব ক্ষেত্রে জয়গান চলছে। পুরুষরা সেখানে ব্যর্থতার বৃত্তেই বন্দি বলা যায়। হামজা দেওয়ান চৌধুরী, সামিত সোম, ফাহমিদুল ইসলামরা জাতীয় দলে খেলার পরও কেন জানি আশা জাগাতে পারছেন না। নারী ফুটবলারদের নিয়ে দেশ যখন মাতোয়ারা, তখন দেশের সেরা দুই ক্লাব আন্তর্জাতিক লড়াইয়ে মাঠে নেমেছিল। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের চ্যালেঞ্জ। ঢাকায় আবাহনী ও দোহায় বসুন্ধরা কিংসের খেলা। দুই দলেই জাতীয় দলের খেলোয়াড়ে ভরা। এ অবস্থায় যদি একদিনে দুই দল হার মানে তাহলে তো পুরুষ ফুটবলাররা আরও চাপের মধ্যে পড়ে যাবে। বিকালে কিরগিজস্তানের মুরাস ইউনাইটেডের কাছে হেরে এক ম্যাচেই ঢাকা আবাহনীর চ্যালেঞ্জ শেষ। বাংলাদেশের সময় মধ্য রাতে বসুন্ধরা কিংস মুখোমুখি হয়েছিল সিরিয়ার আল কারামাহর বিপক্ষে। যারা সিরিয়ার লিগে আটবার চ্যাম্পিয়ন এবং এএফসি কাপে রানার্সআপও হয়েছে। এএফসি ফুটবলে এক দিনে বাংলাদেশের বড় দুই দলের খেলা। যদি দুই দলই হেরে যায় তাহলে তো দেশের ফুটবলে কালো ছায়া নেমে আসত। কেননা, ক্লাব হলেও তারা তো বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করেছে। যাক হতাশা থেকে মুক্ত করেছে কিংসই। আবাহনী হেরে বিদায় নিলেও কিংস চ্যালেঞ্জ লিগের হার্ডেল পেরিয়ে গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। অ্যাওয়ে ম্যাচ খেললেও আল মাহকে হারিয়ে মান রেখেছে বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা কিংসই। যা সামনে জাতীয় দলকে অনুপ্রেরণাও জোগাতে পারে। ঢাকায় আবাহনী হারার পর ফুটবলপ্রেমীরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। সবাই আতঙ্কে ছিলেন কিংস পারবে কি না। কেননা, মাঠে নামার আগে কিংসের ফুটবলাররা মানসিকভাবে কিছুটা হলেও বিপর্যস্ত ছিলেন। এ ম্যাচেই অভিষেক হওয়ার কথা ছিল ব্রাজিলিয়ান কোচ সার্জিও ফারিয়াসের। তিনি কিংসের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তা নিশ্চিত ছিল। সেই সার্জিও যা করলেন তা পেশাদার ফুটবলে বড্ড বেমানান। বিশেষ করে ব্রাজিলিয়ানদের বেলায় তা ভাবাও যায় না। তার কথামতো কিংস প্লেনের টিকিটও পাঠিয়ে দেয়। যাতে যথাসময়ে কাতারে পৌঁছাতে পারেন। এলেন না তিনি। কিংসে চূড়ান্ত হওয়ার পরও ইরাকের ডু হক ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন। মাঠে নামার কয়েক ঘণ্টা আগে দল যখন জানতে পারে তাদের হেড কোচ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। তাহলে কী অবস্থা হতে পারে? তার পর আবার কিউবা মিচেল ছাড়াও চার বিদেশি মাত্র দেড় দিন অনুশীলন করে মাঠে নামবেন। এখানে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার ছিল। সবকিছু মিলিয়ে কিংস যে চাপে ছিল এ নিয়ে সংশয় নেই। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশি ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। গত ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত ম্যাচে সিরিয়ার ক্লাব আল কারামাহকে ১-০ গোলে হারিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করে কিংস। এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ গতকাল কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বসুন্ধরা কিংসকে সংবর্ধনা জানায়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হজরত আলি খানসহ দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হজরত আলি খান বসুন্ধরা কিংসের এমন অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, এই জয় শুধু একটি ক্লাবের নয়, পুরো বাংলাদেশের। যাক, সব ভয়কে জয় করে কিংস কাতারে কিং রূপ ধারণ করেই বাধা পেরিয়েছে। ব্যবধান ১-০ হলেও যে নৈপুণ্য দেখিেেছ তা ৩-০ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকত না। সকালে আকাশের দিকে তাকালে যেমন বলা যায় দিনটা কেমন যাবে, তেমনি কিংসের শুরুটা যেভাবে হয়েছে তাতে ঘরোয়া মৌসুমে অনন্য কিছু করার আভাস দিয়েছে কিংস। আল কারামাহকে হারিয়ে বসুন্ধরা কিংস বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। ২৮ আগস্ট চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপের ড্র। অক্টোবরে হবে মূল লড়াই। কিংস সভাপতি ইমরুল হাসান কাতারের ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘এবার বিদায় নয়, হিসাব বদলে দিতে চায় কিংস। এ প্রত্যাশা শুধু তাঁর নয়। গোটা দেশেরই। আসা যাক ম্যাচে কিংসের পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে। সত্যি বলতে কি কারও একক শো নয়, সব পজিশনেই কিংস ছিল অনবদ্য। গোল কিপিং, রক্ষণভাগ, মধ্য মাঠ ও আক্রমণ ভাগে কিংসের যে রূপ দেখা গেছে তা প্রশংসনীয়। ঘরোয়া আসরের আগেই কিংসের শুরুটা হয়েছে বিদেশি দলের বিপক্ষে। দুর্দান্ত কিংসের দেখা মিলল। এমানুয়েল সানডে ছয় মিনিটে যে গোলটি করেছেন তা চোখে ধরে রাখার মতো। কেন যে তাঁকে মোহামেডান থেকে কিংস দলে ভিড়িছে তার প্রমাণ দিল। ভরিয়েল টন, রকিবের সঙ্গে জুটি বেঁধে যে আক্রমণ হয়েছে তাকে এক ম্যাচ দেখেই বলা যায় এবার কিংসের আক্রমণ ভাগ হবে বড্ড ভয়ংকর। রক্ষণভাগে সাদউদ্দিন ছিলেন অনবদ্য। অধিনায়ক তপুও ভুল করেননি। রাফায়েল, যার কথা বলি না কেন, তারা ফুল মার্কস পাওয়ার যোগ্য। আগ্রহটা মূলত ছিল কিউবা মিচেলকে ঘিরেই। তিনি শুরুতে একাদশে ছিলেন না। ৬৫ মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন। যতক্ষণ ছিলেন বুঝিয়েছেন পায়ের কাজ। বদলি হিসেবে নেমে ফাহিম গোল করেই ফেলেছিলেন। কাতারে যে খেলা খেলেছে তা যদি ধরে রাখতে পারে তা হলে এ কথা বলা যেতে পারে- এই কিংসকে এবার ঠেকাবে কে?

সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভুটান যাচ্ছে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভুটান যাচ্ছে বাংলাদেশ সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে শুক্রবার ভুটানের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল দল। ৩০ সদস্যের এই দলটি নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), যারা ইতোমধ্যে দলের প্রস্তুতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। আসরে অংশ নিচ্ছে চারটি দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও স্বাগতিক ভুটান। লিগ ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দলই হবে চ্যাম্পিয়ন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২০ আগস্ট চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ভুটানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দলের অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলতে চাই এবং আমাদের লক্ষ্য একটাই চ্যাম্পিয়ন হওয়া। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ’নারী উইং প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘দলে অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেল রয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই। টুর্নামেন্টে ভালো ফলাফল করে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই আমাদের পরিকল্পনা। ’ হেড কোচ মাহবুবুর রহমান লিটু বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। সিনিয়র ও জুনিয়রদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি ফেডারেশনসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে। ’টুর্নামেন্টের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সাফ বা এএফসি যেকোনো আসরেই একদিন পরপর ম্যাচ হয়। এতে ক্লান্তি আসতেই পারে, তবে নিয়ম সবার জন্যই সমান। আমরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছি। ’প্রস্তুতি ক্যাম্পে প্রধান দুই কোচ পিটার বাটলার ও মাহবুবুর রহমান লিটুর অনুপস্থিতিতে দলের দায়িত্ব সামলেছেন আবুল হোসেন। তিনি জানান, ‘বয়সভিত্তিক দল নিয়ে আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। আশা করি মেয়েরা ভালো কিছু উপহার দেবে। ’এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জাতীয় নারী দলের ভিত্তি তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশবাসীর দোয়ায় অনুপ্রাণিত হয়ে সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় অর্পিতা ও তার দল।

মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দূর্ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষিকা মাহফুজা খাতুনের মৃত্যু; গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে শোকের ছায়া

মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দূর্ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষিকা মাহফুজা খাতুনের মৃত্যু; গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে শোকের ছায়া গত ২১ জুলাই উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান দূর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ২৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া সিনিয়র শিক্ষিকা মাহফুজা খাতুন মারা গেছেন – ইন্না লিল্øাহি অইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনিষ্টিটিউট অফ বার্ন এন্ড প্লাষ্টিক সার্জারিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র মেয়ে নওশিন, মা, ১ ভাই ও ৩ বোনসহ বহু গূণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর পিতা শিবগঞ্জ উপজেলার দূর্লভপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দামুদিয়াড় গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অব. ওয়ারেন্ট অফিসার মৃত মহসিন আলী। মাহফুজার মৃত্যু সংবাদ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছুলে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। গ্রামে রয়েছে মাহফুজার ২ চাচা, ৩ ফুপু সহ বহু নিকটাত্মীয়। শিবগঞ্জে বসবাসকারী মাহফুজার চাচা পুলিশের অব.উপ-পরিদর্শক(এসআই) আলাউদ্দিন আলী বলেন, মাহফুজার পিতা বিমান বাহিনী থেকে অবসরের পর ২০১৩ সালের দিকে মারা যান। তিনি যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন পরিবারটির সাথে গ্রামের স্বজনদের যোগাযোগ ভাল ছিল। তবে তিনি মারা যাবার পরও তাঁর সন্তানেরা গ্রামে যোগাযোগ রাখতেন। তিন বছর পূর্বে মাহফুজা শেষবার গ্রামে আসে। মাফুজার নানার বাড়িও দাদার বাড়ির পাশের গ্রাম বাবুপুরে। সেখানে তাঁর মামা,খালা সহ স্বজনরা রয়েছে। মাহফুজার চাচা আরও বলেন, মাহফুজার দূর্ঘটনার পর গ্রামের স্বজনরা নিয়মিত তাঁর অবস্থার খোঁজ রাখতেন। মাহফুজার পিতা ঢাকার বাউনিয়া এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। তবে মাহফুজা একমাত্র সন্তান ¯œাতক উত্তীর্ণ মেয়ে ওশিনকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। মাহফুজার বড় বোন মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, মাইলস্টোনে নিহত শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী ও মাসুকা বেগমের সাথে একই কক্ষে শিশুদের রক্ষা করতে গিয়ে ৩৫-৪০ শতাংশ দগ্ধ হন। প্রথমে তাঁকে সিএমএইচ ও পরে বার্ন ইনিষ্টিটিউটে নেয়া হয়। আশা ছিল সে হয়ত বেঁচে যাবে। কিন্তু বাঁচল না।তাঁকে ঢাকায় দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাহফুজার ছোন বোন ইতি খাতুন বলেন, শিশুদের জীবন বাঁচাতেই অন্য ২ শিক্ষকের মত দগ্ধ হয় মাহফুজা। সে ঢাকা জজকোর্টে আইনজীবী হিসাবেও তালিকাভূক্ত ছিল। সূযোগ পেলেই আদালতেও কাজ করত।

ভারতের জম্মুতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যায় প্রাণহানি ১২

ভারতের জম্মুতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যায় প্রাণহানি ১২ ভারত-শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় ‘ক্লাউডবার্স্ট’ বা মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হঠাৎ বন্যায় অন্তত ১২ জনের প্রাণ গেছে। প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারেও বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আজ দুপুরের পর পরই কিশতওয়ার জেলার চাশোতি গ্রামে এই বিপর্যয় নেমে আসে। সরকারি কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানান, এ পর্যন্ত ১২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাণহানি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।হিন্দুদের তীর্থক্ষেত্র ‘মাচাইল মাতা’র মন্দিরের উদ্দেশে প্রতি বছর পুণ্যার্থীরা যে তীর্থযাত্রা করে থাকেন, তা শুরু হয় কিশতওয়ারের এই চাশোতি গ্রাম থেকেই। চাশোতি পর্যন্তই গাড়ি চলাচলের রাস্তা আছে, এরপর বাকি পথ হেঁটে যেতে হয়। আকস্মিক বন্যার পর এই বার্ষিক তীর্থযাত্রা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ভারতের এনডিআরএফ বাহিনীর অন্তত ১৮০ জন সদস্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্ধারের কাজ চালাতে ঘটনাস্থলে দিকে রওনা হয়ে গেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুর থেকে নির্বাচিত এমপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, প্রশাসন ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আহতদের চিকিৎসায় হেলিকপ্টার রাখা আছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কিশতওয়ারে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টির পর জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কেন্দ্র সরকার ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের পাশে দৃঢ়ভাবে রয়েছে, পাশাপাশি প্রয়োজনে জনগণকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়লো ৫০ শতাংশ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়লো ৫০ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়ানো হয়েছে। প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী উভয়ের ভাতা বাড়ানো হয়েছে। প্রশিক্ষার্থীদের ভাতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। আর প্রশিক্ষকদের ভাতা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে যুগ্মসচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা এক ঘণ্টা ক্লাস নিলে ভাতা পাবেন ৩ হাজার ৬০০ টাকা। উপসচিব ও তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা ভাতা পাবেন ৩ হাজার টাকা। আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়ানো হয়। অর্থ বিভাগের উপসচিব মর্জিনা আক্তার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এবং অধীনস্থ অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ পরিচালনার জন্য বক্তা সম্মানী ও প্রশিক্ষণ ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ করা হলো। এতদিন প্রতি ঘণ্টার সেশনে তৃতীয় গ্রেড বা যুগ্মসচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীর প্রশিক্ষণ সম্মানী পেতেন ২ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী তারা পাবেন ৩ হাজার ৬০০ টাকা। আর চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেড বা উপসচিব এবং তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা পেতেন ২ হাজার টাকা। এখন থেকে তারা পাবেন ৩ হাজার টাকা। প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণে এতদিন গ্রেড-৯ থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা পেতেন ৬০০ টাকা। নতুনভাবে এটিকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-১০ থেকে তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীর প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা ছিল ৫০০ টাকা। সেটিকে এখন বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইভাবে কোর্স পরিচালকের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা, কোর্স সমন্বয়কের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা ও সাপোর্ট স্টাফদের সম্মানী ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে কয়েকটি শর্তের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তর কর্তৃক শুধু নিজ নিজ দপ্তরের কর্মচারীদের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য সদর দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তিকাল দিনব্যাপী না হলে দুপুরের খাবার বাবদ কোনো ব্যয় করা যাবে না। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। গ্রেড বলতে Substantive grade (মূল গ্রেড) বুঝাবে। আদেশ জারির তারিখ থেকে পুনর্নির্ধারিত হার কার্যকর হবে।

শিবগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউপির চন্ডিপুর এলাকার সানুর মোড়ে বাংলাদেশ চ্যারিটি ফাউন্ডেশন-বিসিএফ’এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা বিতরণ ও মেডিসিন চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আজ সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে ৩০০ রোগীকে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা বিতরণ, ঔষধ প্রদান ও ৩০ জনের ফ্রি কান পরীক্ষা করা হয় । একই সাথে ৫০ জন রোগীকে মেডিসিন চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রকোশলী রবিউল আউয়াল। এসময় কলেজ শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বাদল, সমাজসেবক জামাল উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ঘুম আসে না? রাতে বিশেষ এই পানীয় পান করুন

ঘুম আসে না? রাতে বিশেষ এই পানীয় পান করুন রাতে ঘুমের জন্য যাদের লড়াই করতে হয় না, তারা সৌভাগ্যবান। কিন্তু অনেকেরই সেই সৌভাগ্য হয় না। আলো কমিয়ে দেওয়া, ফোন দূরে রাখা, গরম কিছু পান করা- এরকম নানা অভ্যাসও সঠিক সময়ে ঘুম আনতে পারে না অনেক সময়। তবে কিছু উপকারী পানীয় আছে যা আপনাকে রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করতে পারে। সেরকম একটি হলো, জিরা দুধ। উষ্ণ দুধ দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সময় একটি প্রধান পানীয় হিসেবে পরিচিত, তবে এতে জিরা যোগ করলে উপকারিতা আরও বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে হজম, ঘুম এবং চাপ উপশমের জন্য। জিরা দুধ কী এবং কেন এটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে : জিরা গুঁড়া মিশ্রিত এক গ্লাস গরম দুধ। ঐতিহ্যগতভাবে ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশে এটি খাওয়া হয়, এটি হজম, প্রশান্তি এবং ঘুম বর্ধক বৈশিষ্ট্যের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, জিরা (কিউমিনাম সাইমিনাম) জিরাক নামে পরিচিত, যার অর্থ ‘যা হজম করে’। এটি লঘু (হালকা), রুক্ষ (শুষ্ক) এবং উষ্ণা (গরম) হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ, যা কফ এবং বাত দোষের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে। দুধের সাথে মিলিত হলে এটি শীতল এবং পুষ্টিকর হয়ে ওঠে, এই মিশ্রণটি প্রায় সবার জন্য উপযুক্ত প্রতিকার হয়ে ওঠে। জিরা দুধ কি ঘুমের মান উন্নত করতে পারে? হ্যাঁ। জিরাতে মেলাটোনিন থাকে। এই হরমোন ঘুম-জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। এতে থাইমোকুইনোনও রয়েছে, যা ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ঘুমের মান উন্নত করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশনে প্রকাশিত ২০২৪ সালের একটি ডাবল-ব্লাইন্ড গবেষণায় দেখা গেছে যে, জিরার নির্যাস (BCO-5) ঘুমের দক্ষতা উন্নত করে, ঘুমের লেটেন্সি হ্রাস করে এবং অংশগ্রহণকারীদের মোট ঘুমের সময় বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে, দুধে ট্রিপটোফ্যান থাকে, যা সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে – ঘুম নিয়ন্ত্রণের জন্য উভয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্য স্লিপ ডক্টর নামে পরিচিত ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ডঃ মাইকেল ব্রুস নিশ্চিত করেছেন যে, উষ্ণ দুধে ট্রিপটোফ্যানের পরিমাণ থাকার কারণে এটি আরও ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। জিরা এবং দুধ একসাথে শান্ত, ঘুম-বান্ধব মিশ্রণ তৈরি করে যা স্নায়ুতন্ত্র এবং পাচনতন্ত্র উভয়ের ওপর কাজ করে, যা হতে পারে আপনার রাতের রুটিনে একটি স্মার্ট সংযোজন।

বক্স অফিসে মুখোমুখি অজয়-সিদ্ধার্থ, কে এগিয়ে?

বক্স অফিসে মুখোমুখি অজয়-সিদ্ধার্থ, কে এগিয়ে? বলিউডে একইসঙ্গে মুক্তি পায় অজয় দেবগনের ‘সন অফ সর্দার টু’ ও সিদ্ধার্থ চতুর্বেদীর ‘ধড়ক টু’। মুক্তির ১৩ দিন পার হওয়ার পর আয়ের দিক থেকে কে এগিয়ে- তা এবার আলোচনায়। দুটি সিনেমারই দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে দর্শকের দীর্ঘ প্রতিক্ষা থাকলেও বক্স অফিসে এর আয় খুব বেশি আশাব্যঞ্জক হয়নি। মুক্তির সময়ে সিনেমা দুটি প্রবল প্রতিযোগিতার মুখে পড়লেও মোহিত সুরির ‘সাইয়ারা’ সে সময় বক্স অফিসে রাজত্ব শুরু করে। এরই মধ্যে মুক্তির তালিকায় যোগ হয় আরও দুটি সিনেমা- ‘ওয়ার টু’ ও ‘কুলি’। বলা বাহুল্য, বলিউডে এখন সিনেমার বাজার রমরমা; একসাথে বহু ছবির মুক্তি! কিন্তু প্রশ্ন, দুই সপ্তাহ পরে ‘সন অফ সর্দার টু’ ও ‘ধড়ক টু’ আয়ের দিক থেকে কোনটি এগিয়ে রইল? স্যাকনিল্কের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ১৫০ কোটি বাজেটের অজয় দেবগনের কমেডি ঘরানার ‘সন অফ সর্দার টু’ দুই সপ্তাহে শুধু ভারতের বাজারেই আয় করেছে ৪৫ কোটি ১২ লক্ষ রুপি। এদিকে তৃপ্তি দিমরি ও সিদ্ধার্থ চতুর্বেদীর রোম্যান্টিক ঘরানার ‘ধড়ক টু’ এর বাজেট ছিল ৪৫ কোটি রুপি। ভারতের বক্স অফিসে এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় ২২ কোটি ২৪ লক্ষ রুপি, যা আয় ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে ‘সন অফ সর্দার টু’-এর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে।