বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে নিট মুনাফা ছিল ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ আর্থিক হিসাবে দেখা যায়, ট্রেজারি বিল-বন্ড ও সরকারকে দেওয়া ঋণের সুদ বাবদ মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। খরচ ও কর বাদ দিয়ে নিট মুনাফা নির্ধারণ করা হয়। মঙ্গলবার গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪৪৩তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ হিসাব অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বেশি মুনাফা হয়েছে। নিট মুনাফার পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। গত অর্থবছরে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছিল ১০ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা। এবার সেই পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, নিট মুনাফার অংশ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মৌলিক বেতনের ছয় গুণ ইনসেনটিভ বোনাস প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে নিট মুনাফা ছিল ১০ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নিট মুনাফা আরও বেড়ে হয়েছে ২২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি

তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২১ অক্টোবর এ বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এর আগে দিনের শুরুতে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে  চারটি পৃথক আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি হয়। সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান শুনানি করেন। উল্লেখ্য-সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এ আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন, তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। পরবর্তীতে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।

মার্কিন দূতের সঙ্গে আগামীকাল বৈঠক করবেন সিইসি

মার্কিন দূতের সঙ্গে আগামীকাল বৈঠক করবেন সিইসি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আগামীকাল মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্র্যাসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আজ সিইসির দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, আগামীকাল দুপুর ২টার দিকে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ট্র্যাসি অ্যান জ্যাকবসন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত ইসির সঙ্গে প্রথমবারের মতো মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক হচ্ছে।

জটিল রোগে ৩ লাখ টাকা অনুদান পাবেন সরকারি কর্মচারীরা

জটিল রোগে ৩ লাখ টাকা অনুদান পাবেন সরকারি কর্মচারীরা সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসায় অনুদান মঞ্জুরির হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা অনুদান দুই লাখ থেকে বেড়ে তিন লাখ টাকা করা হয়েছে। সাধারণ চিকিৎসা অনুদান ৪০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে এতে সম্মতি দিয়েছে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের প্রস্তাব ও অর্থ মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তাসলিমা আলীর সই করা প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের দাফন বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুদান ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। কর্মচারীদের পরিবারের সদস্য মারা গেলেও দাফন বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুদান পান, সেটি ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া যৌথবিমার এককালীন অনুদান দুই লাখ থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করেছে সরকার। মাসিক কল্যাণ ভাতা দুই হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বরাদ্দ করা অর্থ ও নিজস্ব রিসোর্স সেলিংয়ের মধ্যে এ ব্যয় নির্বাহ করতে হবে। এ বাবদ অতিরিক্ত বরাদ্দ দাবি করা যাবে না। প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়ে অনুদান প্রদান করতে হবে। এ ব্যয়ে সব ধরনের আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জটিল রোগের জন্য বছরে একবার আবেদন করা যায়। সরকারি কর্মচারীরা অবসরে গেলেও জটিল এবং সাধারণ রোগের জন্য অনুদান সুবিধা পান। সরকারি কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদেরও ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত চিকিৎসা অনুদান সুবিধা দেয় সরকার।

নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন ইসির, প্রকাশ শিগগিরই

নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন ইসির, প্রকাশ শিগগিরই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। আজ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাউসদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কমিশন রোডম্যাপ অনুমোদন দিয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট হবে৷ আর তফসিল হবে তার দুই মাস আগে। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল হতে পারে। ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু করেছে কমিশন। তার অংশ হিসেবে ভোটার হালনাগাদ, প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ভোট কর্মকর্তার প্যানেল প্রস্তুত, ম্যানুয়্যাল প্রস্তুত, আইন সংস্কার, ভোটের উপকরণ ক্রয় প্রভৃতি বিষয় রোডম্যাপে স্থান পাবে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দিতে কিনশাসা গেলেন ১৮০ পুলিশ সদস্য

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দিতে কিনশাসা গেলেন ১৮০ পুলিশ সদস্য বাংলাদেশ পুলিশের একটি ফরমড পুলিশ ইউনিট ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের উদ্দেশে আজ পৌনে ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে। ৭০ জন নারী পুলিশ সদস্যসহ ১৮০ জন সদস্যের কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে রয়েছেন পুলিশ সুপার জান্নাত আফরোজ। বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, ডিআইজি (অপারেশন্স) মো. রেজাউল করিম এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইউএন অপারেশন্স উইংয়ের কর্মকর্তাগণ মিশনগামী শান্তিরক্ষীদের বিদায় জানান। বাংলাদেশ পুলিশের ফরমড পুলিশ ইউনিট (এফপিইউ) ২০০৫ সাল থেকে এবং নারী কন্টিনজেন্ট ২০১১ সাল থেকে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পদযাত্রা সূচিত হয় ১৯৮৯ সালে, নামিবিয়া মিশনে। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের ২১৫ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে এফপিইউ মিশনে ১৭৮ জন এবং ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার (আইপিও) ৩৭ জন। বাংলাদেশ পুলিশের ৭৫ জন নারী পুলিশ সদস্য শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন। তন্মধ্যে এফপিইউ মিশনে ৬৮ জন এবং ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার (আইপিও) পদে ৭ জন। বাংলাদেশ পুলিশের ২১ হাজার ৮১৬ জন সদস্য শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে দেশে ফিরেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের ২৪ জন অকুতোভয় সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৯

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৯ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ভেতর বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ১১ জন এবং বহির্বিভাগে ৮ জন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৫ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৯ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৮ জনকে। এই ৮ জনের মধ্যে ৩জন পুরুষ ও ৩ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছেন। এছাড়া অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১ জন মহিলা রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে শিবগঞ্জে ১ জন ও গোমস্তাপুরে ২ জন রোগী ভর্তি আছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৭৩২ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২০২ জনে। আজ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গোমস্তাপুরে নদী ভাঙনের কবলে ব্রজনাথপুর গ্রাম

গোমস্তাপুরে নদী ভাঙনের কবলে ব্রজনাথপুর গ্রাম গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের মহানন্দা নদী তীরবর্তী ব্রজনাথপুর গ্রাম এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। আতঙ্ক আর চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছে ওই এলাকার পরিবারগুলো। কয়েকশ ঘরবাড়ি, গাছপালা, ফসল ও একটি মসজিদ নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্ষা ও বন্যার কারণে মহানন্দা নদীতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক ঘরবাড়ি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসি আশঙ্কা করছেন এভাবে নদীর তীর ভাঙ্গতে থাকলে হয়তো রাতের আঁধারে তলিয়ে যেতে পারে ব্রজনাথপুর গ্রামের নদীতীরবর্তী এলাকাটি। এমনকি ভাঙ্গনের ফলে একসময় ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে এলাকাটি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে গত কয়েকদিনে দেখা গেছে ওই এলাকার জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মধ্যে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার। ব্রজনাথপুর গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্বো বাসিন্দা জয়েস আলি বলেন, নদী ভাঙনে তার প্রায় ৫ বিঘা জমির মধ্যে মাত্র ৩ কাঠা জমি রয়েছে। আর সেই অবশিষ্ট জায়গায় এখন বসবাস করছি। সারাজীবনে সঞ্চয়টুকু নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। টানা বর্ষণ, বাতাস ও পানি প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে তার ঘরসহ এই গ্রামের অনেকে ভাঙনের এই হুমকির মধ্যে রয়েছেন। এলাকার কৃষক দোলোয়ার আলী জানান, যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে তার বাড়িসহ কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এখন তিনি চরম হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলো নদী ভাঙন থেকে রক্ষার্থে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। রহিমা বেগম নামে এক বৃদ্ধা বলেন, তাকে দেখার কেউ নেই। সরকারের কাছে তিনি দাবি করেন নদীভাঙন রোধে ওই এলাকায় একটি বাঁধ নির্মাণে। তারা সাহায্য সহযোগিতা চাই, নদীটাকে বেঁধে দিক এটাই চাই। এ প্রসঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব জানান, জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহানন্দা নদীর ভাঙন কবলিত বেশ কিছু এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। অধিক গুরুত্বপুর্ণ জায়গাগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খুব শ্রীঘই ওই কাজগুলো শুরু করা হবে।

নাচোল পৌরসভার ২১ বছর পূর্তিতে আলোচনা

নাচোল পৌরসভার ২১ বছর পূর্তিতে আলোচনা নাচোল পৌরসভার ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌর হলরুমে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কামাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী সাদিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মৃনাল কান্তি, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নূর কামাল, তৎকালীন প্যানেল মেয়র তৌফিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম, দুরুল হুদা। পৌর পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী আয়োজিত পৌরসভার ২১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা ২০০৪ সালে স্থাপিত নাচোল পৌরসভার স্মৃতি এবং আগামীতে উন্নয়নের দিক নির্দেশনা তুলে ধরে আলোচনা করেন। পৌর লাইসেন্স পরিদর্শক আহসান হাবীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নাচোল বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম এনামুল হক।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশিক্ষণ নিয়ে সেলাই মেশিন পেলেন ১৮ নারী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশিক্ষণ নিয়ে সেলাই মেশিন পেলেন ১৮ নারী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ১৮ জন দুস্থ ও অসহায় নারী পেয়েছেন সেলাই মেশিন। ২০২২-২০২৩ এবং ২০২৩ ও ২০২৪ অর্থ বছরের যাকাত বোর্ডের আওতায় পরিচালিত সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের এই ১৮ জন নারীকে মঙ্গলবার একটি করে নতুন সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। আজ সকালে জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ইসলমিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নাকিব হাসান তরফদার। জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শংকরবাটী হেফজুল উলুম এফকে কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল খালেক, টাউন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান।