রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন

রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন গোমস্তাপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১০টার দিকে রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শিক্ষক সমিতি, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. আতাউল্লাহ, ওই হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাবেক সদস্য ডা. সুলতান আহমেদ ও সানোয়ার হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আইনুর রহমান, শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) সম্প্রতি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার করে জনগণকে বিভান্তি করছেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নিজস্ব আইন রয়েছে। সেই আইন মেনে তারা চিকিৎসা করে যাবেন বলে উল্লেখ করেন। তারা আরো বলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক তারা স্বীকৃত, বিগত সরকার আমলে তা গেজেট হিসেবে প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু বতর্মানে কিছু মহল সেটা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. হাবীবুল্লাহ বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তাররা ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। সেই রিট পিটিশনে উল্লখ ছিল এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তার ব্যতিত অন্য কোনো ডাক্তার নামের পূর্বে ডাক্তার ব্যবহার করতে পারবেনা। ওই বছর তাদের পক্ষে রায় আসে। সেই বছর হোমিওপ্যাথিক বোর্ড ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা ডাক্তার লেখার অধিকারসহ রায় পান। সেই রায়ের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে ২০২৩ সালে সেটা স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বক্তারা স্বাস্থ্য ও প্রধান উপদেষ্টার সুদৃষ্টি কামনা করে ২০২৩ সালের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেই আইনকে বহাল রাখার আহ্বান জানান।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩০

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩০ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে সারাদেশে ৪৩০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাত জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১ জন এবং রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৪২০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ২৮ হাজার চারশ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৯ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত তিনজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুইজন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন রয়েছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন চকোলেট কোকোনাট বল

সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন চকোলেট কোকোনাট বল চকোলেটের মতো সুস্বাদু খাদ্য মোটামুটি সকলেই ভালোবাসেন। এই মিষ্টি স্বাদের খাদ্যটি বাচ্চা থাকে বুড়ো প্রতিটি মানুষই খান। তবে চকোলেট শুধু খাওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, এমনকি এর রয়েছে অনেক গুণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক চকোলেট কোকোনাট বল বানানোর পদ্ধতি: যা যা নিতে হবে- কনডেনসড মিল্ক-১ কাপ, ডেসিকেটেড কোকোনাট (নারিকেল গুঁড়া) ২ কাপ, কোকো পাউডার- ৩ টেবিল চামচ, বিস্কুট ক্রাম্বস, বাদাম কুচি চকোলেট টুকরা ১/২ কাপ, সাজানোর জন্য কোকোনাট ফ্লেক্স (কোড়ানো নারিকেল) ১/২ কাপ। যেভাবে বানাবেন : প্রথমে পাত্রে কনডেনসড মিল্ক, কোকো পাউডার ও কোকোনাট গুঁড়া নিয়ে মেশাতে হবে। পরে তাতে বিস্কুট ক্রাম্বস ও বাদাম কুচি মেশান। এরপর একটা ডো বানিয়ে নিন। ডো থেকে ছোট বলের মতো করুন। প্রতিটি বল কোকোনাট ফ্লেক্সে গড়িয়ে নিন। এরপর ফ্রিজে ৩০ মিনিট রাখুন। মেহমান এলে তাদের মাঝে পরিবেশন করুন মজাদার চকোলেট কোকোনাট বল।

‘মান্নাত’কে টপকে যাবে রণবীর-আলিয়ার নতুন বাড়ি!

‘মান্নাত’কে টপকে যাবে রণবীর-আলিয়ার নতুন বাড়ি! মুম্বাইয়ের তারকাদের ঠিকানাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দামি হতে চলেছে রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের নতুন বাড়ি। বলিউডের কিংবদন্তি শাহরুখ খানের ‘মান্নাত’ এবং অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’-কে পিছনে ফেলে এই বাড়ির মূল্যায়ন প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বলেন জানাচ্ছেন রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞরা। বহু বছর ধরেই বান্দ্রার প্রাইম লোকেশনে গড়ে উঠছিল এই মাল্টিস্টোরেড বিলাসবহুল আবাসন। যেখানে একসময় ছিল কাপুর পরিবারের ঐতিহ্যবাহী ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলো সেই জায়গাতেই গড়ে উঠেছে রণবীর-আলিয়ার নতুন ঠিকানা। রাজ কাপুর, কৃষ্ণা কাপুর থেকে শুরু করে ঋষি কাপুর ও নীতা কাপুর এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বলিউড ইতিহাস। বর্তমানে শাহরুখ খানের বান্দ্রার ব্যান্ডস্ট্যান্ডে অবস্থিত বাড়ি ‘মান্নাত’-এর ভ্যালুয়েশন প্রায় ২০০ কোটি টাকা (পূর্ববর্তী হিসাব অনুযায়ী)। অন্যদিকে, অমিতাভ বচ্চনের জুহুতে অবস্থিত ‘জলসা’-র মূল্য প্রায় ১২০ কোটি। এক সময় জলসা ছিল সবচেয়ে দামি সেলেব ঠিকানা, পরে মান্নাত সেটিকে ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু এখন রণবীর-আলিয়ার নতুন বাড়ি এই দুই কিংবদন্তির ঠিকানাকেও টপকে গেল। খুব শিগগিরই পরিবার নিয়ে নতুন ঠিকানায় উঠে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এই তারকা দম্পতির। মুম্বা েইয়ে তারকাদের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ নতুন কিছু নয়। শাহরুখ খানও তাঁর পুরোনো বাড়ি কার্টার রোডের ‘৭০২ নম্বর’ ফ্ল্যাটকে রেনোভেট করাচ্ছেন। এখানেই গৌরী খানের সঙ্গে বৈবাহিক জীবনের শুরুর সময় কাটিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি মান্নাতেও চলছে মেরামতের কাজ, পরিবারসহ এখন সাময়িকভাবে থাকছেন পালি হিলের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে। এমন সময় অনলাইনে রণবীর-আলিয়ার নতুন বাড়ির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। কিছু ভিডিওতে বাড়ির ভিতরের অংশও স্পষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আলিয়া ভাট। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া এমন কনটেন্ট শেয়ার করা শুধুমাত্র অনুচিত নয় বরং এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সমান।

শাহরুখ-দীপিকার নামে প্রতারণার অভিযোগে মামলা

শাহরুখ-দীপিকার নামে প্রতারণার অভিযোগে মামলা বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোনের নামে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুন্দাই আলকাজার গাড়ি সংক্রান্ত এক প্রতারণা মামলায় শাহরুখ, দীপিকা এবং হুন্দাই মোটরের ছয়জন কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন মাসে কীর্তি সিং হুন্দাই আলকাজার গাড়িটি কিনেছিলেন। তিনি দাবি করেন, গাড়িটি ছিল ত্রুটিপূর্ণ এবং ইচ্ছাকৃতভাবেই ত্রুটিযুক্ত গাড়ি বিক্রি করে তাকে প্রতারিত করা হয়েছে। বহুবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও গাড়ির সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, এটি আমার পরিবারকে জীবনের ঝুঁকিতে ফেলেছে। কীর্তি সিং অভিযোগ করেন, শাহরুখ খান এবং দীপিকা পাডুকোন হুন্দাইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কোম্পানির ত্রুটিপূর্ণ গাড়ির প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ে অংশ নিয়েছেন। এই কারণেই তাদেরকেও অভিযুক্ত হিসেবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে কীর্তি সিং জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে আদালতে অভিযোগ করেছিলেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২-এর নির্দেশে, মথুরা গেট থানায় একটি আবেদনের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপর কীর্তি সিংয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। বলে রাখা যায়, ১৯৯৮ সাল থেকে হুন্দাইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর শাহরুখ। অন্যদিকে, দীপিকা ২০২৩ সালে কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হন।

আবারো ‘বাহুবলী’ রূপে হাজির প্রভাস

আবারো ‘বাহুবলী’ রূপে হাজির প্রভাস অবশেষে এক দশকের প্রতীক্ষার অবসান। গতকাল বহু প্রতীক্ষিত ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’র অফিসিয়াল ঝলক উন্মোচন করা হয়েছে। যেখানে চোখে পড়েছে মাহিষ্মতী রাজ্যের আভিজাত্য, আর ‘বাহুবলী’ ও ‘বাহুবলী টু’-এর স্মৃতি জাগানো কিছু দৃশ্য। সিনেমার ঝলক প্রকাশ্যে আসার পরই দর্শকদের উত্তেজনা তুঙ্গে। কারণ, এই সিনেমার মধ্যে দিয়ে ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাসকে আরও একবার পুরনো রূপে দেখা যাবে। তাদের অনুমান, এই সিনেমা বক্স অফিসে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দেবে। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’, আর ২০১৭ সালে মুক্তি পায় ‘বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন’। এবার ১০ বছর পরে মুক্তির পথে এস এস রাজামৌলির নতুন সৃষ্টি ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’। সিনেমাটি নতুনভাবে তৈরি হলেও আগের দুই সিনেমার সঙ্গেই রয়েছে গল্পের যোগসূত্র। তবে এই সিনেমা ছয় ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের হবে না বলেই জানা গিয়েছে। ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’র বিশেষত্ব হল এটি ৫ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ধরে হবে। এটি কোনো সাধারণ এক্সটেন্ডেড কাট নয়, বরং একটি অবিচ্ছিন্ন গল্প বলার অনন্য প্রয়াস। যেখানে অধিকাংশ সিনেমার দৈর্ঘ্য ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, সেখানে এই সিনেমাটি ভক্তদের ধৈর্য এবং মনোযোগ চায়। আর এ খবর প্রকাশ হতেই ভক্তদের মন্তব্যেও ফুটে উঠছে উচ্ছ্বাস। প্রসঙ্গত, ‘বাহুবলী ১’ বক্স অফিসে ৬৫০ কোটি টাকা আয় করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় অংশটি আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল বক্স অফিসে। ১৭৮৮ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল সেই সিনেমা। শোনা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর বড়পর্দায় মুক্তি পাবে ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’।  

বাগদান সারলেন গায়িকা টেইলর সুইফট

বাগদান সারলেন গায়িকা টেইলর সুইফট বাগদান সারলেন মার্কিন গায়িকা টেইলর সুইফট ও কানসাস সিটি চিফসের খেলোয়াড় ট্র্যাভিস কেলসে। গতকাল ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে যৌথভাবে এই ঘোষণা দেন তারা। ছবির কোনোটিতে টেইলরকে প্রস্তাব দিতে দেখা যায় ট্র্যাভিসকে। কোনোটিকে এ জুটির আনন্দঘন মুহূর্ত, কোনো ছবিতে তাদের হাতের আঙুলে শোভা পাচ্ছে বাগদানের আংটি। ক্যাপশনে লিখেছেন, আপনাদের ইংরেজি শিক্ষক আর জিম শিক্ষক বিয়ে করতে যাচ্ছেন। দুই বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন সুইফট ও কেলসে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে পারফর্ম করেন টেইলর সুইফট। তারপর এ জুটির প্রেম শুরু হয়। তবে তিনবারের সুপার বোলজয়ী কেলসে ২০১৬ সালেই সুইফটের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ট্র্যাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। পরে সেই বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রেমের কথা স্বীকার করেন সুইফট নিজেই। তবে কবে নাগাদ বিয়ে করছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি এই যুগল। এর আগে ব্রিটিশ অভিনেতা জো অ্যালউইনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন টেইলর সুইফট। হলিউড তারকা টম হিডেল স্টোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর জোয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান টেইলর। তবে এ প্রেম টিকেনি। ২০২৩ সালের এপ্রিলে এ জুটির বিচ্ছেদের খবর জানা যায়। ৩৫ বছর বয়সি গায়িকা টেইলর সুইফটের জীবনে প্রেম নতুন কোনো বিষয় না। এর আগে তিনি টম হিডেলস্টোন, কেলভিন হ্যারিস, হ্যারি স্টাইলস, কনর কেনেডি, জো জোনাস ও জ্যাক জিলেনহলের সঙ্গে প্রেম করেছেন।

আবারও স্থগিতাদেশের মুখে ভারতীয় ফুটবল, কড়া অবস্থানে ফিফা

আবারও স্থগিতাদেশের মুখে ভারতীয় ফুটবল, কড়া অবস্থানে ফিফা ভারতীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) আবারও ফিফার শাস্তির মুখে। বৈশ্বিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবার সরাসরি সতর্ক করেছে যে, সংবিধান সংশোধন ও কার্যকর না হলে এআইএফএফকে স্থগিতাদেশের মুখে পড়তে হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়েছে, এআইএফএফ’কে পাঠানো চিঠিতে ফিফা জানিয়ে দিয়েছে, ৩০ আগস্টের মধ্যে নতুন সংবিধান চূড়ান্ত করে কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় ফিফা শাস্তি দেবে। একটি কড়া ভাষার চিঠিতে ফিফা এআইএফএফ-কে মনে করিয়ে দিয়েছে, তাদের অবশ্যই স্বাধীনভাবে সংস্থার কার্যক্রম চালাতে হবে এবং কোনোভাবেই সরকারের মতো বাহ্যিক বা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। আগামীকাল ২৮ আগস্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে। ফিফা চায়, সেদিনই আদালত এআইএফএফের সংবিধান অনুমোদন করুক। পাশাপাশি সংবিধানকে ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)-এর গঠনতন্ত্র ও বিধির সঙ্গে মিল রেখে সাজাতে বলা হয়েছে। ফিফার চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দীর্ঘসূত্রিতা একটি শাসন ও পরিচালন সংকট তৈরি করেছে। দেশীয় প্রতিযোগিতার ক্যালেন্ডার নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে; ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত হয়নি; আর উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা ও বিপণনসংক্রান্ত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়েছে, যা ভারতীয় ফুটবলের পরিবেশকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (আইএসএল) খেলা ফুটবলাররা, যারা এআইএফএফের অধীনে থাকা ক্লাবগুলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। ’ এআইএফএফ ও ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (এফএসডিএল)-এর মধ্যে অচলাবস্থার কারণে ২০২৫-২৬ মৌসুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সূচি চূড়ান্ত করা যায়নি। এ কারণেই উভয় পক্ষকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফিফা তার চিঠিতে স্পষ্ট করেছে, সংবিধান চূড়ান্ত না হলে এবং তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ না সরালে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। তারা লিখেছে, ‘এই শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে ফিফা ও এএফসি-র গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত শাস্তি কার্যকর হতে পারে, যার মধ্যে স্থগিতাদেশ অন্যতম। এমনকি যদি সংস্থা সরাসরি দায়ী না-ও হয়, তৃতীয় পক্ষের প্রভাব থাকলে সদস্যসংস্থা শাস্তি পেতে পারে। এআইএফএফ স্থগিত হলে ফিফা ও এএফসি সদস্য হিসেবে তার সব অধিকার হারাবে। ’ ফিফা আরও জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রো (FIFPRO) থেকে পাওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, আর্থিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিভিন্ন ক্লাব একতরফাভাবে খেলোয়াড়দের চাকরিচুক্তি বাতিল করছে। এর ফলে খেলোয়াড়দের জীবন-জীবিকা ও ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়েছে।

ঢাকায় পৌঁছেছে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দল

ঢাকায় পৌঁছেছে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দল দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পর আবারও বাংলাদেশে পা রেখেছে নেদারল্যান্ডস জাতীয় ক্রিকেট দল। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছায় ডাচরা, সেখান থেকে দুপুরেই রওনা হয় সিলেটের উদ্দেশ্যে। এবারের সফরে তিন ম্যাচের একটি দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে তারা। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ সফরে এল নেদারল্যান্ডস। ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে তারা এসেছিল। তবে তখন সেটি ছিল বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এল ডাচরা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী শনিবার ৩১ আগস্ট শুরু হবে টি–টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। পরের দুটি ম্যাচ হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর। আসন্ন সিরিজের জন্য স্কোয়াডে তিনটি পরিবর্তন এনেছে নেদারল্যান্ডস। ইনজুরির কারণে বাদ পড়েছেন রায়ান ক্লেইন ও ফ্রেড ক্লাসেন। ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন সাকিব জুলফিকার। তাদের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন ১৭ বছর বয়সী ব্যাটার সেডরিক ডি ল্যাং, তরুণ পেসার সেবাস্টিয়ান ব্র্যাট এবং অলরাউন্ডার সিকান্দার জুলফিকার। নেদারল্যান্ডস স্কোয়াড: স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), নোয়াহ ক্রোয়েস, ম্যাক্স ও’দাউদ, বিক্রমজিত সিং, তেজা নিদামানুরু, সিকান্দার জুলফিকার, সেডরিক ডি ল্যাং, কাইল ক্লেইন, আরিয়ান দত্ত, পল ফন মেকেরেন, শারিজ আহমেদ, বেন ফ্লেচার, ড্যানিয়েল ডোরাম, সেবাস্টিয়ান ব্র্যাট, টিম প্রিঙ্গেল।

বাবরকে এশিয়া কাপে না নেওয়ায় হতাশ ওয়াসিম আকরাম

বাবরকে এশিয়া কাপে না নেওয়ায় হতাশ ওয়াসিম আকরাম এশিয়া কাপ ২০২৫ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর, আয়োজক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান তাদের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। তবে ঘোষিত দলে নেই দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম। এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। বাবর আজম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রান সংগ্রহের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, তাকে বাদ পড়তে হয়েছে ডিসেম্বর ২০২৪-এ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের পর থেকেই টি-টোয়েন্টি দল থেকে উপেক্ষিত হয়ে আসছেন তিনি। তার ধারাবাহিক অবহেলা এবারও অব্যাহত থাকল, যা নিয়ে ক্রিকেটবিশ্বে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বাবরের স্কোয়াডে অনুপস্থিতি নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে ওয়াসিম আকরাম বলেন,’ব্যক্তিগতভাবে আমি চাইতাম বাবর আজমকে দলে দেখতে। তবে যেহেতু তাকে রাখা হয়নি, এখন স্কোয়াডে থাকা তরুণ খেলোয়াড়দেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে নিজেদের প্রমাণ করার।’ আকরাম আরও যোগ করেন,’এই এশিয়া কাপ হবে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক দুর্দান্ত উৎসব। আমি আশা করি, ভারত ও পাকিস্তান আবারও টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে। অনেক দিন হয়ে গেছে এটা হলে ক্রিকেটবিশ্বের জন্য দারুণ একটি আয়োজন হবে।’” বাবরের বাদ পড়া নিয়ে পাকিস্তানি ভক্তদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম ধারাবাহিক ব্যাটারকে বাদ দিয়ে কি সত্যিই দল গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব? উল্লেখ্য, পাকিস্তান বর্তমানে দুবাইয়ে আফগানিস্তান ও স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতকে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতি শিবিরে রয়েছে। এই সিরিজ শুরু হবে ২৯ আগস্ট এবং চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপরই শুরু হবে এশিয়া কাপ। এশিয়া কাপে পাকিস্তানের স্কোয়াড : সাইম আইয়ুব, ফখর জামান, সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, হারিস রউফ, হাসান আলি, হাসান নওয়াজ, হোসেন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান মির্জা, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।