তিন রাজস্ব আইনের ইংরেজি সংস্করণের গেজেট প্রকাশ

তিন রাজস্ব আইনের ইংরেজি সংস্করণের গেজেট প্রকাশ মূল্য সংযোজন কর আইন, ২০১২; কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং আয়কর আইন, ২০২৩–এর অফিসিয়াল ও ‘অথেনটিক ইংলিশ টেক্সট বা ইংরেজি সংস্করণ’ সরকারি গেজেটে প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর। এতে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর আইন, ২০১২, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং আয়কর আইন, ২০২৩ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট (Authentic English Text) সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন আকারে প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এই আইন তিনটির অধীন প্রণীত বিধিমালার অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট না থাকায় দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারী, পেশাদার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষক ও বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের রাজস্ব সংক্রান্ত আইনের বিধিবিধান বিচার-বিশ্লেষণ এবং তা যথাযথভাবে অনুধাবন করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার জন্য এ সংক্রান্ত সকল আইনের অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট জরুরি। ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৪ এবং কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ বাতিল করে ২০২৩ সালে আয়কর আইন, এবং কাস্টমস আইন প্রণয়নের পর থেকেই দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা রাজস্ব বিষয়ক মৌলিক এ আইন তিনটির অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট প্রকাশের জোর দাবি জানান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন নিরলসভাবে কাজ করে আইনগুলোর ইংরেজি ভার্সন চূড়ান্ত করে। পরে পৃথক কমিটির মাধ্যমে কয়েক দফা রিভিউ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। লেজিসলেটিভ বিভাগ সময় নিয়ে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইন তিনটির ইংরেজি ভার্সনে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে ভেটিং চূড়ান্ত করে। এরপর বিজি প্রেস হতে গেজেট নোটিফিকেশন আকারে প্রকাশ করা হয়। গত ১৬ অক্টোবর আয়কর আইন, ২০২৩ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট SRO No-404-Law/২০২৫ এর মাধ্যমে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ‘Income Tax Act, ২০২৩’ আকারে প্রকাশিত হয়। এরপর ১৩ নভেম্বর মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট SRO No-440-Law/২০২৫/৩২৬-Mushak এর মাধ্যমে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ‘Value Added Tax and Supplementary Duty Act, ২০১২’ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। একই দিন কাস্টমস আইন, ২০২৩ Authentic English Text SRO No-441-Law/২০২৫ এর মাধ্যমে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ‘Customs Act, ২০২৩’ আকারে প্রকাশ করা হয়। এর আগে, গত ১০ নভেম্বর SRO নং-৪৩৯-আইন (অনুবাদ)/২০২৫ এর মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ‘Value Added Tax and Supplementary Duty Rules, ২০১৬’ আকারে প্রকাশিত হয়। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং আয়কর আইন, ২০২৩ এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর Authentic English Text সরকারি গেজেটে প্রকাশের ফলে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, কাস্টমস আইন এবং আয়কর আইনের বিধি-বিধান সম্পর্কে যথাযথভাবে জানতে পারবেন। এতে রাজস্ব সংক্রান্ত আইনের প্রতি করদাতাদের আস্থাও বাড়বে। অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেটে প্রকাশের ফলে আইনগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা ও দ্ব্যর্থবোধকতা দূর হবে এবং দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নতিতে সহায়তা করবে। আইন তিনটির ইংরেজি ভার্সন প্রণয়নে শতভাগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করায় আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারে কর্মরত মেধাবী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ কাজে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বিশ্ব ব্যাংকসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঋণও স্বীকার করছে এনবিআর।
১৩ লাখ রোহিঙ্গার ভার আর বহন করা সম্ভব নয়: জাতিসংঘে বাংলাদেশ

১৩ লাখ রোহিঙ্গার ভার আর বহন করা সম্ভব নয়: জাতিসংঘে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটি গতকাল সর্বসম্মতিক্রমে মুসলিম ধর্মাবলম্বী রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর বিষয়ে এ প্রস্তাব গ্রহণ করে। ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যৌথভাবে এ প্রস্তাব পেশ করেছে। আর ১০৫টি দেশ যৌথভাবে এ প্রস্তাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। আজ জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সাল থেকে গৃহীত এই বার্ষিক প্রস্তাবে রাখাইন রাজ্যে অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘন, রোহিঙ্গা মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তু করা, মানবিক প্রবেশাধিকারের ওপর বিধিনিষেধ এবং বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশে রোহিঙ্গাদের অব্যাহত অনুপ্রবেশের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য অব্যাহত আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততারও আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানালেও গত আট বছরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের কোনো বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে। ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ভার বাংলাদেশের পক্ষে আর বহন করা সম্ভব নয় বলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে র্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ ৩ যুবক গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে র্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ ৩ যুবক গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের দারিয়াপুর এলাকায় সড়কের উপর অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম হেরাইনসনহ ৩ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। পদ্মার চর হতে হেরোইন বিক্রির জন্য শহরে পরিবহনকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রেপ্তার কৃতরা হল সদর উপজেলার শাজাহানপুর এলাকার মাহবুর রহমানের ছেলে মোমিন আলী, একই এলাকার তাইনুসুর রহমানের ছেলে নাসিম উদ্দিন ও জোবেদ আলীর ছেলে লতিফুর রহমান। র্যাব জানায়, গতকাল সন্ধ্যায় দারিয়াপুর বাজারে পদ্মার চর থেকে আনা হেরোইন বিক্রি করা হচ্ছে, এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ ঐ ৩ যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। আজ সকালে র্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাতেনাতে গ্রেপ্তাররা মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিবগঞ্জে টলি উল্টে শ্রমিক নিহত

শিবগঞ্জে টলি উল্টে শ্রমিক নিহত শিবগঞ্জে কংক্রীট ঢালাই কাজে ব্যবহৃত মিক্সচার মেশিনবাহী একটি ট্রলির একটি যন্ত্রাংশ খুলে গিয়ে, ট্রলিটি উল্টে গেলে এর নীচে চাপা পড়ে ট্রলিতে থাকা এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তিনি শিবগঞ্জ পৌর ৯ নং ওয়ার্ডের মর্দানা নয়াপাড়া গ্রামের কসিমুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম মংলু। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শিবগঞ্জ পৌর কারবালা মোড় এলাকার সড়কে দূর্ঘটনাটি ঘটে। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, সড়কে চলাচলকারী ছোট যানবাহনকে ওভারটেক করার সময় ট্রলিটি দূর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ট্রলিতে থাকা শ্রমিক মংলু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তবে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।
শীতকালে ফুসফুস ভালো রাখবে এই পানীয়

শীতকালে ফুসফুস ভালো রাখবে এই পানীয় শীতকাল এলেই দূষণের পরিমাণ বেড়ে যায়। সূক্ষ্ম কণা (PM2.5) এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে, যা কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতির কারণ হয়। এই পরিবেশগত সংকটের মধ্যে অনেকেই ঐতিহ্যবাহী অনুশীলনগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন, যা একসময় ফুসফুসের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে বেছে নেওয়া হতো। এরকম একটি সহজ এবং সহজলভ্য প্রতিকার হলো গরম পানিতে গুড় মিশিয়ে খাওয়া। এই পানীয় শরীরের পরিষ্কারক প্রক্রিয়াগুলোকে প্রাকৃতিকভাবে সহায়তা করে। গুড় কেন ফুসফুসের জন্য উপকারী গুড় হলো আখের রস থেকে উৎপাদিত অপরিশোধিত চিনি। এটি আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ট্রেস অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ধরে রাখে যা বিপাক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সমর্থনে ভূমিকা পালন করে। রক্ত পরিশোধন, গলার জ্বালা কমানো এবং শ্বাস নালী থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য গুড় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এটি হালকা কফনাশক হিসেবে কাজ করে, শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মা আলগা এবং নির্গমনে সহায়তা করে, বিশেষ করে দূষণ বা ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের জন্য উপকারী। তাই নিয়মিত এই পানীয় পান করলে উপকারিতা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। আধুনিক পুষ্টি গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, গুড় শরীরের মিউকোসিলিয়ারি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। মিউকোসিলিয়ারি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্বাসযন্ত্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা ফুসফুস থেকে দূষণকারী, ধুলো এবং অ্যালার্জেন আটকে রাখতে এবং অপসারণ করতে সহায়তা করে। শ্লেষ্মা গঠন বৃদ্ধি করে এবং লিম্ফ্যাটিক চলাচলে সহায়তা করে, গুড় শ্বাস-প্রশ্বাসের জ্বালা দূর করার জন্য শরীরের ক্ষমতা বাড়ায়। যদিও গুড় ভেজানো পানি পান করা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না, তবে এর জৈবিক সক্রিয় বৈশিষ্ট্যগুলো দূষিত পরিবেশে শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করার প্রাকৃতিক উপায় হিসেবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। সমস্যা বেড়ে গেলে অবশ্যই আপনাকে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। গবেষণা কী বলছে লখনউয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল টক্সিকোলজি রিসার্চ সেন্টারের একটি গবেষণায় অনুসন্ধান করা হয়েছে যে, ধোঁয়াটে বা ধুলোযুক্ত পরিস্থিতিতে শিল্প কর্মীরা নিয়মিত গুড় খাওয়ার সময় কেন শ্বাসকষ্ট কম হয়। গবেষকরা কয়লার ধুলোর সংস্পর্শে আসা ইঁদুরের ওপর এই পর্যবেক্ষণ পরীক্ষা করে দেখেছেন যে, যাদের গুড় দেওয়া হয়েছিল, তাদের ফুসফুস এবং লিম্ফ নোড থেকে ধূলিকণার পরিষ্কারের প্রক্রিয়া অপরিশোধিত প্রাণিদের তুলনায় ভালো ছিল। গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, গুড় ফুসফুসের টিস্যুর ক্ষতি এবং ফাইব্রোসিস কমিয়েছে, যা অঙ্গের প্রাকৃতিক স্থিতিস্থাপকতা সংরক্ষণে সহায়তা করেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, গুড় শ্লেষ্মায় সিয়ালিক অ্যাসিড বৃদ্ধি করে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে দূষিত পদার্থ অপসারণের জন্য শরীরের প্রক্রিয়া, মিউকোসিলিয়ারি ক্লিয়ারেন্স বৃদ্ধি করেছে। এই যৌগটি একটি ঋণাত্মক চার্জ বহন করে যা ধনাত্মক চার্জযুক্ত ধুলো এবং ধোঁয়া কণাগুলোকে আকর্ষণ করে এবং আটকে রাখে, যা শ্বাসনালী থেকে দ্রুত অপসারণকে সক্ষম করে।
পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ আর পিঁপড়ার ওজন সমান!

পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ আর পিঁপড়ার ওজন সমান! বিশ্বে ১২,০০০-এর বেশি প্রজাতির পিঁপড়া রয়েছে, এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি বড় এবং কিছু প্রজাতি ছোট। একটি পিঁপড়া তার নিজের ওজনের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে। পিঁপড়া গবেষকদের মতে, ‘‘পৃথিবীতে যত পিঁপড়া আছে, তাদের জৈববস্তু পৃথিবীতে বসবাসকারী ৭০০ কোটি মানুষের জৈববস্তুর ওজনের সমান।’’ পিঁপড়ার কোনো ফুসফুস বা কান নেই। তারা হাঁটু ও পায়ের বিশেষ কম্পন সেন্সরের মাধ্যমে আশেপাশের পরিস্থিতি বুঝতে পারে। পিঁপড়া ফেরোমন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং সারিবদ্ধভাবে খাবার সংগ্রহ করে। পিঁপড়াদের রানি, পুরুষ ও শ্রমিক পিঁপড়ার মধ্যে কাজের বিভাজন থাকে। রানি ডিম পাড়ে, পুরুষ প্রজননে সহায়তা করে, এবং শ্রমিকরা খাদ্য সংগ্রহ ও বাসা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে থাকে। প্রায় ২০০ প্রজাতির পিঁপড়াকে সৈনিক পিঁপড়া বলা হয়। সৈনিক পিঁপড়ারা আক্রমণাত্মক আচরণ করে। ক্ষুদ্র এই প্রাণীটি ডাইনোসরের সময় থেকে এখন পর্যন্ত টিকে আছে এবং বৈজ্ঞানিকদের ধারণা পৃথিবীতে মানব জাতির আগনের কয়েক কোটি বছর আগে থেকে পৃথিবীতে পিঁপড়া ছিলো। তথ্যসূত্র: নিউজ ১৮
যে পাখি দিনের কাজ শুরু করে ৯টায়

যে পাখি দিনের কাজ শুরু করে ৯টায় বিশ্বের বেশিরভাগ পাখি খুব ভোরে জেগে যায়, এবং খাদ্যের সন্ধ্যানে বেরিয়ে পড়ে। সেই বিচারে সেবু ফ্লাওয়ারপেকার আলাদা। নিজেদেরকে অন্যান্য শিকারি পাখির হাত থেকে বাঁচাতে সকালে তারা বাসাতেই থাকে। সেবু ফ্লাওয়ারপেকার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে খাদ্য সন্ধ্যানে বের হয়। বা এই সময়ের মধ্যে সক্রিয় থাকতে পছন্দ করে। খাদ্য সংগ্রহের সময়, এই পাখি তার পছন্দের ফুলের গাছের দিকে দ্রুত উড়ে যায়। খাবার খায় এবং তারপরে তাৎক্ষণিকভাবে উড়ে যায়। যদিও সেবু ফ্লাওয়ারপেকার খুব কমই ডাকে, এর শব্দ পিগমি ফ্লাওয়ারপেকারের ডাকের মতো। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মনে করা হয়েছিলো যে, পৃথিবীর বন থেকে ফ্লাওয়ারপেকার হারিয়ে গেছে, বা বিলুপ্ত হয়েছে। কিন্তু ১৯৯২ সালে মধ্য সেবু সুরক্ষিত ভূমির ছোট এক চুনাপাথর বনে দেখা দেয়। এবং সেই ধারণা পাল্টে যায়। সেবু হলো ফিলিপাইনের একটি দ্বীপপুঞ্জ। বর্তমানে ধারণা করা হয়, ৮৫ থেকে ১০৫টি ফ্লাওয়ারপেকার জীবিত আছে। এই অল্পসংখ্যক পাখিকে টিকিয়ে রাখতে জোর চেষ্টা চলছে।
শীতকাল এলেই ‘স্নো ফেইরি’ হয়ে যায় বরফের বলের মতো

শীতকাল এলেই ‘স্নো ফেইরি’ হয়ে যায় বরফের বলের মতো ‘জাপানি স্নো ফেইরি’ হলো লম্বা লেজযুক্ত টিট পাখির একটি উপ-প্রজাতি, যা জাপানের হোক্কাইডো অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়। এটি দেখতে ছোট ও তুলতুলে সাদা। স্নো ফেইরি দৈর্ঘ্যে সাধারণত ১২ থেকে ১৬ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর লেজের অংশ কালো আর দেহের অংশ সাদা। এই পাখিটির আসল নাম শিমা এনাগা। শিমা মানে দ্বীপ। এনাগা মানে হচ্ছে লম্বা লেজওয়ালা পাখি। খুবই আদুরে এই পাখি জাপানের হোক্কাইদোতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। যদিও এর কিছু আত্মীয়-স্বজন ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকায়ও বাস করে। এই পাখির পুরো শরীর সাদা পালকে ঢাকা থাকে এবং চোখ দুটি ছোট ও কালো হওয়ায় এদের দেখতে অনেকটা তুলোর বলের মতো লাগে। এদের এই নরম তুলতুলে সাদা চেহারার কারণেই ‘বরফের পরী’ বা ‘স্নো ফেইরি’ ডাকনাম দেওয়া হয়েছে। শীতকালে এদের দেহের পালক শীত থেকে বাঁচার জন্য ফুলতে থাকে। যেন এরা নিজের দেহকে গরম রাখতে পারে। সে সময় এদের সাদা পালক এতটাই ফুলে ওঠে যে দেহটা গোলাকার হয়ে যায়। তখন পাখিগুলোকে দেখলে বরফের বল মনে হয়।
পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে শ্রীলংকা

পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে শ্রীলংকা দীর্ঘ ছয় বছর পর পাকিস্তান সফরে রয়েছে শ্রীলংকা ক্রিকেট দল। এই সফরে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলছে শ্রীলংকা। তারই ধারাবাহিকতায় রাওয়ালপিন্ডিতে আজ পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ৩য় ওডিআই ম্যাচটি শুরু হয়েছে বিকেল সাড়ে ৩টায়। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। তবে তাদের বোলাররা শুরুতেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন। পাক বোলারদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করছেন। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছে শ্রীলংকা।
বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট

বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট সারাদেশের সব আদালত প্রাঙ্গণে ও বাসস্থানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের দায়ের করা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে শিকদার মো. মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।