গর্ভাবস্থায় দূষিত বাতাস কতটা ক্ষতিকর?

গর্ভাবস্থায় দূষিত বাতাস কতটা ক্ষতিকর? শীত এলেই বাতাসে বাড়ে দূষণের পরিমাণ। প্রতিদিন সকালে মানুষ চোখ জ্বালাপোড়া, গলা চুলকানো, মাথাব্যথা এবং ক্রমাগত কাশি নিয়ে ঘুম থেকে উঠতে হয় অনেককে। যদিও এই পরিস্থিতি সবার জন্য সমস্যাজনক, তবে গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। বিষাক্ত বাতাস ভ্রুণের বিকাশ এবং হবু মায়ের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক দূষিত বাতাস কীভাবে গর্ভাবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ১. অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় দূষিত বাতাসে PM2.5 এবং PM10 এর মতো ক্ষুদ্র কণা থাকে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় রক্তে পৌঁছায়। এর ফলে প্রদাহ এবং স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ হয়, যা গর্ভবতী মায়েদের অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের NICU-তে থাকতে হয় এবং দীর্ঘমেয়াদী বিকাশ এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যাও বেশি থাকে। ২. কম ওজন বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ ভ্রূণের পুষ্টি এবং অক্সিজেন সরবরাহে বাধা দেয়। এর ফলে গর্ভের ভিতরে শিশুর বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয় হয়। কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুরা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খাওয়াতে অসুবিধা এবং বিকাশে বিলম্বের মতো সমস্যার সম্মুখীন হয়। ৩. গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বৃদ্ধি দূষিত বাতাসের গুণমান রক্তনালীর ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যার ফলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। দূষিত বাতাসের সংস্পর্শে থাকা গর্ভবতী নারীরা গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ বা প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার ঝুঁকিতে ভুগতে পারেন, যা সময়মতো পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসা না করালে জীবন-হুমকির কারণ হতে পারে। ৪. গর্ভপাতের ঝুঁকি বেশি বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শে যত বেশি থাকা হবে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রথম মাসগুলোতে, গর্ভপাতের ঝুঁকি তত বেশি হবে। সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড এবং কার্বন মনোক্সাইডের মতো পদার্থ ভ্রূণের রোপন এবং স্বাভাবিক হরমোন ভারসাম্যে সমস্যা করতে পারে। ৫. মায়েদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ফুসফুসের ক্ষমতা হ্রাস পায়। দূষিত বায়ু ব্রঙ্কাইটিস এবং হাঁপানিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে, পাশাপাশি তীব্র বুকে জমাট বাঁধার কারণ হতে পারে, যার ফলে মা এবং শিশু উভয়ের জন্য উপলব্ধ অক্সিজেনের মাত্রা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

শীতে শিশুর যত্ন

শীতে শিশুর যত্ন শীত তো এসেই গেল। এসময় আপনার বাড়ির দুরন্ত শিশুটিকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে কিছু বাড়তি কাজ করা জরুরি। কারণ শীত এলে তার সঙ্গে নানা অসুখ-বিসুখের জীবাণুও চলে আসে। বছরের শেষ বলে শিশুদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে স্কুলও থাকে বন্ধ। ফলে বেশিরভাগ সময়ে সে আপনার চোখের সামনেই থাকছে। যে কারণে এসময়ে তার খেয়াল রাখা, কী খাচ্ছে, কী নিয়ে খেলা করছে সবকিছু দেখাশোনা করা অন্যান্য সময়ের চেয়ে সহজ হয়। শীতের সময়ে শিশুর যত্ন নেওয়ার জন্য কিছু বিষয়ে জোর দিতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- শিশুর খাবার শীতে শিশুকে সুস্থ রাখতে হলে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে তার খাবারের দিকে। কারণ এমন অনেক খাবারই আছে যেগুলো বড়দের পেট সহ্য করে নিলেও শিশুদের পেটে সব সময় সহ্য হয় না। সেসব খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। বিশেষ করে বাইরের কোনো খাবার এসময় শিশুকে দেওয়া যাবে না। বাইরের খোলা খাবার বা প্যাকেটজাত খাবারের বদলে ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার তাকে খেতে দিতে হবে। শীতকালীন বিভিন্ন সবজি ও ফল নিয়মিত রাখতে হবে শিশুর খাবারের তালিকায়। এছাড়া নিয়মিত ডিম, দুধ, মুরগি ও মাছ খেতে দিতে হবে। শীতের সময়ে শিশুরা পানি একদমই খেতে চায় না। তাই বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি ঘরে তৈরি শরবত, ডাবের পানি ইত্যাদিও খেতে দিন। শিশুর পোশাক শীতের পোশাক কেনার সময় সবার আগে বাড়ির ক্ষুদে সদস্যটির কথা মাথায় রাখুন। কারণ শিশুরা দ্রুত বেড়ে ওঠে। এক বছরের শীতের পোশাক পরের বছর তাদের গায়ে না-ও লাগতে পারে। তাই এবছর তার শীতের পোশাক দরকার কি না, সেদিকে খেয়াল করুন। শীতের পোশাক কেনার সময় সবার আগে শিশুর আরামের বিষয়টি মাথায় রাখবেন। সেইসঙ্গে ঠিকভাবে শীত নিবারণ করবে কি না, সেটিও যাচাই করে নিন। শিশুর জন্য অস্বস্তিদায়ক হয়, এমন কোনো পোশাক কিনবেন না। শিশুর ত্বকের যত্ন শিশুদের ত্বক বড়দের মতো নয়। তাদের ত্বক আরও বেশি কোমল হয়ে থাকে। তাই বড়দের জন্য ব্যবহৃত কোনো পণ্য বা উপাদান শিশুর ত্বকে ব্যবহার করবেন না। শিশুদের জন্য উপযোগী আলাদা পণ্য কিনতে পাওয়া যায়। শিশুর ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য যেকোনো পণ্য কেনার আগে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। গোসলের পরে শিশুর শরীরে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন। প্রতিদিন আধা ঘণ্টা রোদে থাকতে হবে। এতে শিশুর শরীরের ভিটামিন ডি এর চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে।

এক মাস ধরে প্রতি রাতে জিরা ভেজানো পানি পান করলে কী হয়?

এক মাস ধরে প্রতি রাতে জিরা ভেজানো পানি পান করলে কী হয়? আপনি যদি হজমশক্তি বাড়াতে বা পেট ফাঁপা কমাতে সহজ ঘরোয়া প্রতিকার খুঁজে থাকেন, তাহলে জিরা ভেজানো পানি হতে পারে আপনার অন্যতম সঙ্গী। এই সাধারণ মসলা হজম, প্রদাহ-বিরোধী এবং বিপাক বৃদ্ধিকারী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এক মাস ধরে প্রতি রাতে জিরা ভেজানো পান করলে শরীরে বেশকিছু পরিবর্তন টের পাবেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই পানীয় আপনাকে কীভাবে সাহায্য করবে, চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. হজমশক্তি উন্নত করে এবং পেট ফাঁপা কমায় জিরা ভেজানো পানি হজমের অস্বস্তির জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক প্রতিকারের একটি। এটি হজম এনজাইমকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে যা খাবারের ভাঙনকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে। এক মাস ধরে এই পানীয় নিয়মিত পান করলে তা পেট ফাঁপা কমাবে এবং অ্যাসিডিটিও কমিয়ে আনবে। জার্নাল অফ ফুড সায়েন্সে প্রকাশিত একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, জিরা হজমকারী এনজাইমের কার্যকলাপ বৃদ্ধি করে, যা মসৃণ হজমে সহায়তা করে। ২. বিপাক ক্ষমতা বাড়ায় রাতে নিয়মিত জিরা ভেজানো পানি পান করলে তা বিপাক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। জিরায় জৈব সক্রিয় যৌগ রয়েছে যা খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সহায়তা করে। এর অর্থ রাতারাতি ওজন হ্রাস নয়, তবে নিয়মিত পান করলে ধীরে ধীরে নিজেকে হালকা বোধ করতে শুরু করবেন। সুষম খাদ্যের পাশাপাশি এই পানীয় নিয়মিত পান করা হলে তা শরীরে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ৩. রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে জিরা মূখ্য ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতি রাতে জিরা ভেজানো পানি পান করলে তা হঠাৎ রক্তে শর্করা বৃদ্ধি এবং হ্রাস রোধ করতে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনার গভীর রাতে ক্ষুধা লাগার মতো সমস্যা থেকে থাকে। জার্নাল অফ ডায়াবেটিস অ্যান্ড মেটাবলিক ডিসঅর্ডারে প্রকাশিত একটি নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, জিরা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণকারীদের রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক ছিল। ৪. ঘুমের মান উন্নত করে জিরা ভেজানো পানি শরীরের ওপর স্বাভাবিকভাবেই শান্ত প্রভাব ফেলে। রাতে পান করলে এটি পাচনতন্ত্রকে প্রশমিত করতে সাহায্য করে যা ফলস্বরূপ ভালো ঘুম পেতে কাজ করে। এক মাস ধরে নিয়মিত জিরা ভেজানো পানি পান করার পর শরীর হালকা এবং আরামদায়ক বোধ হতে পারে। পেট স্থির থাকলে গভীর এবং আরামদায়ক ঘুম আসে। ৫. ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি জিরার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে যা নিস্তেজতা এবং ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে। এক মাস ধরে রাতে জিরা ভেজানো পানি পান করার ফলে সূক্ষ্ম উজ্জ্বলতা বা ত্বকের জ্বালাপোড়া কম লক্ষ্য করতে পারবেন। নিয়মিত তরল গ্রহণের ফলে উন্নত হজম এবং উন্নত হাইড্রেশন ত্বককে পরিষ্কার করতে ভূমিকা পালন করে। ৬. ডিটক্সিফিকেশন সহায়তা যদিও শরীর স্বাভাবিকভাবেই ডিটক্সিফাই করে, তবে জিরা ভেজানো পানি এই প্রক্রিয়াটিকে সহায়তা করে। এটি পরিপাকতন্ত্রকে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। এই সম্মিলিত প্রভাব আপনাকে ধীরে ধীরে হালকা এবং আরও সতেজ করবে। অনেকে ডিটক্স ডায়েটের বদলে একটি মৃদু উপায় হিসাবে জিরা ভেজানো পানি ব্যবহার করেন।

চীনা জাদুঘরে মিলছে তেলাপোকা ও পিঁপড়ার কফি

চীনা জাদুঘরে মিলছে তেলাপোকা ও পিঁপড়ার কফি চীনের এক পোকামাকড় জাদুঘরে বিক্রি হচ্ছে অদ্ভুত সব কফি। তেলাপোকা কফি, পিঁপড়া কফি এবং আরও নানা ধরনের পোকাভিত্তিক পানীয়। এ খবর প্রকাশের পর থেকেই চীনা সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা। ১১ নভেম্বর চায়না ডটকম, গুয়াংমিং অনলাইনসহ বিভিন্ন চীনা গণমাধ্যম জানায়, বেইজিংয়ের ওই ইনসেক্ট মিউজিয়ামটি কফির সঙ্গে ভোজ্য পোকামাকড় মিশিয়ে বিশেষ পানীয় তৈরি করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, কফির কাপে ভাজা মিলওয়ার্ম সাজানো, আর ওপরে ছড়ানো তাজা গুঁড়ো তেলাপোকা। অনলাইনে কেউ লিখছেন, ‘৪৫ ইউয়ান (প্রায় ৭ ডলার) অনেক বেশি, কিন্তু ফ্রি দিলেও খাবো না।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘দেখতেই গা ঘিনঘিন করছে, এটা কে খায়!’ জাদুঘরের এক কর্মকর্তা জানান, মিউজিয়ামের থিমের সঙ্গে মিল রেখে এসব বিশেষ কফি তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সব ধরনের পোকা-উপাদান খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে তৈরি হয় এবং অনেকগুলোই চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ব্যবহৃত।’ তার দাবি, তেলাপোকা কফির স্বাদ নাকি বাদামি ও হালকা টক, আর পিঁপড়ার কফি আরও বেশি টক। তিনি আরও জানান, দিনে প্রায় ১০ কাপের মতো এই কফি বিক্রি হয়, এবং তা বেশিরভাগই কৌতূহলী তরুণদের কাছে। অনেকেই বিশেষ করে বাবা-মায়েরা মনস্তাত্ত্বিকভাবে এগুলো গ্রহণ করতে পারেন না। তেলাপোকা কফির দাম ৪৫ ইউয়ান, আর হ্যালোইন উপলক্ষে সীমিত সংস্করণে বিক্রি হওয়া পিঁপড়া কফি ইতোমধ্যেই বিক্রি শেষ হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতের পর শক্তিশালী ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতের পর শক্তিশালী ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ার সেরামে ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, আজ আঘাত হানা ভূমিকম্পটি ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩৬ কিলোমিটার (৮৪ দশমিক ৫১ মাইল) গভীরে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পের ঘটনায় কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সেমেরুতে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটিতে ভূমিকম্প আঘাত হানলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাবার সেমেরুতে একটি আগ্নেয়গিরি জেগে উঠেছে। অগ্ন্যুৎপাতের পর ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ ৯০০-র বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ারের পাশে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া।

পোস্টাল ব্যালট: ঘোষণাপত্রে সই না থাকলে ভোট বাতিল

পোস্টাল ব্যালট: ঘোষণাপত্রে সই না থাকলে ভোট বাতিল পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেই কেবল হবে না। ভোটার একটি ঘোষণাপত্রও সই করতে হবে। অন্যথায় তার ভোটটি অবৈধ বলে গণ্য হবে। পোস্টাল ব্যালট ভোটিং নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। সংস্থাটির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা পরিপত্রে পোস্টাল ভোটিংয়ের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। ভোটদানের নিবন্ধন পদ্ধতি: (ক) নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রবাসী ভোটার যে দেশ থেকে ভোট দিতে ইচ্ছুক কেবলমাত্র সেই দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। (খ) পোস্টাল ব্যালট প্রাপ্তি এবং ভোট প্রদানের জন্য Google Play Store/App Store হতে ‘Postal Vote BD’ মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে। (গ) ব্যবহারকারী বাংলা/ইংরেজি যেকোন একটি ভাষা নির্বাচন করে অ্যাপে নিবন্ধনের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্দেশাবলী সম্পর্কে জানতে পারবেন।(ঘ) আবেদনকারী নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধন করবেন। OTP, Liveliness ও NID যাচাইপূর্বক আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। (ঙ) বিদেশে ব্যালট প্রাপ্তি নিশ্চিতকল্পে নির্ভুল ঠিকানা প্রদান আবশ্যক। রিটার্নিং কর্মকর্তার পাঠানো প্যাকেটে যা থাকবে: Postal Vote BD মোবাইল অ্যাপে নিবন্ধিত সব ভোটারের নিকট পর্যায়ক্রমে ব্যালট পেপার পাঠাবে ইসি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত ভোটারদের প্রদত্ত ঠিকানায় নির্বাচন কমিশনের পাঠানো পোস্টাল ব্যালটসহ খাম পাবেন। খাম পেয়ে পরপরই ভোটার Postal Vote BD মোবাইল অ্যাপে লগইন করে খামের উপর প্রদত্ত QR কোডটি স্ক্যান করবেন। এতে তিনি যে ব্যালট পেপারটি হাতে পেয়েছেন তা সিস্টেমে সনাক্ত হবে। ভোটাররা নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত বহির্গামী খামে একটি পোস্টাল ব্যালট সম্বলিত খামের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পেপার, এক পাশে ভোট প্রদানের নির্দেশাবলী ও অপর পাশে একটি ঘোষণাপত্র সম্বলিত একটি পৃথক কাগজ এবং একটি ফেরত খাম পাবেন; যেখানে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানা মুদ্রিত থাকবে। ভোট দিয়ে ডাকযোগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে: (ক) পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়ায় প্রেরিত ব্যালট পেপারে সকল প্রতীক মুদ্রিত থাকবে যার প্রতিটি প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘর রয়েছে। ভোট দেওয়ার আগে ভোটাররা নির্দেশনাপত্র পড়ে ঘোষণাপত্রে যথাযথভাবে ব্যালট পেপারের ক্রমিক নং, ভোটারের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করে প্রদত্ত স্থানে স্বাক্ষর করবেন। নিরক্ষর/অক্ষম ব্যক্তি অন্য একজন বৈধ ভোটারের সাহায্যে এর সংশ্লিষ্ট অংশ পূরণ করে সত্যায়ন করে স্বাক্ষর করবেন। এই ঘোষণাপত্র/সত্যায়নপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ছাড়া ব্যালট পেপারটি বৈধ হিসাবে গণ্য হবে না। (খ) প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হলে অ্যাপ-এর মাধ্যমে অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট হতে ভোটারগণ অবগত হবেন। ভোট প্রদানের জন্য ভোটাররা Postal Vote BD মোবাইল অ্যাপে লগইন করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীদের তালিকা দেখতে পাবেন এবং নির্দেশিকাতে দেওয়া পদ্ধতিতে ব্যালট পেপারে মুদ্রিত প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘরে টিক (✓) চিহ্ন কিংবা ক্রস (×) চিহ্ন দেবেন। Postal Vote BD মোবাইল অ্যাপে ভোটদান পদ্ধতির ভিডিও টিউটোরিয়াল বা ডিজিটাল কনটেন্ট থাকবে। (গ) পোস্টাল ব্যালট পেপারে ভোটার ভোট চিহ্নিত করার পর শুধুমাত্র ব্যালট পেপারটি ছোট খামে রেখে খামটি বন্ধ করবেন, অতঃপর উক্ত ব্যালট পেপার সম্বলিত খামটি এবং স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্রটি রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানা মুদ্রিত খামে প্রবেশ করিয়ে তা বন্ধ করে বন্ধকৃত খামটি ডাকযোগে দ্রুত প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উভয় খামই সেলফ-অ্যাডহেসিভযুক্ত থাকবে ফলে সেলফ-অ্যাডহেসিভ অংশের উপরিভাগের টেপটি খুলে নিলেই খাম বন্ধ হবে। খামটি পাঠানোর জন্য কোনো ডাক মাশুল প্রেরককে প্রদান করতে হবে না। এটি সরকারের পরিশোধিত থাকবে। পোস্টাল ভোট গণনা শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত প্রাপ্ত পোস্টাল ব্যালট পেপারগুলোই কেবল গণনার আওতায় আসবে। (ঘ) নির্বাচন কমিশন হতে কেন্দ্রীয়ভাবে পোস্টাল ব্যালট ভোটারের নিকট প্রেরণের পর হতে রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট ফেরত আসা পর্যন্ত সমগ্র প্রক্রিয়াটির বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যালটের অবস্থান মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ভোটারগণও স্ব স্ব মোবাইল হইতে Postal Vote BD মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে নিজ ব্যালটের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। রিটার্নিং অফিসারের ব্যালট গ্রহণ ও সংরক্ষণ: রিটার্নিং অফিসার ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালটের খামসমূহ প্রাপ্তির পর তার উপর প্রদত্ত QR কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে প্রাপ্ত রেকর্ড রাখবেন, যা পোস্টাল ব্যালট বিতরণ ও প্রাপ্তি তালিকা হিসাবে সফটওয়্যার হতে জেনারেট হবে। সফটওয়্যার হতে জেনারেট করা এই ফরমে রিটার্নিং অফিসার স্বাক্ষর করবেন। যথাযথ স্বাক্ষরবিহীন ঘোষণাপত্র/ঘোষণাপত্রবিহীন ব্যালটের খাম বাতিল/অবৈধ বলে সংরক্ষণ করবে রিটার্নিং অফিসার। আর যথাযথ স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণাপত্র সম্বলিত ব্যালটের খামগুলো গণনার জন্য আলাদা বাক্সে সংরক্ষণ করা হবে। যা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নির্ধারিত বাক্সে সংরক্ষণ করবেন। পোস্টাল ব্যালট পেপার গণনার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি গণনা কক্ষ প্রস্তুত করা হবে। পোস্টাল ভোট গণনার সময় প্রার্থী/নির্বাচনী এজেন্ট/প্রার্থীর প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, পর্যবেক্ষকরা অন্যান্য কেন্দ্রের ন্যায় একই নীতিমালা অনুসরণে উপস্থিত থাকতে পারবেন। রিটার্নিং অফিসার পোস্টাল ভোট প্রদানের নিমিত্তে ডেভেলপকৃত সফটওয়্যারে লগইন করার পর সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রদত্ত ভোটের সামগ্রিক চিত্র দেখতে/জানতে পারবেন। যে পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাপ্ত ব্যালট পেপার গণনা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা: (ক) রিটার্নিং অফিসার ব্যালট পেপার সম্বলিত খামগুলো গণনার জন্য বাক্স খুলবেন এবং একের পর এক ব্যালট পেপার সম্বলিত খাম খুলে ব্যালট পেপার বের করবেন। বৈধ ব্যালট পেপারসমূহ প্রার্থীভিত্তিক আলাদা করবেন এবং তা গণনা করবেন; (খ) যে সমস্ত পোস্টাল ব্যালটে কোন প্রার্থীর অনুকূলে ভোট প্রদান করা হয়েছে তা সঠিক বোঝা না যায় সেগুলো অবৈধ/বাতিল ব্যালট হিসেবে আলাদা করবেন। (গ) প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণ ভোটকেন্দ্রের মতো লিপিবদ্ধ করে এর কপি প্রকাশ করবেন। (ঘ) পোস্টাল ব্যালট গ্রহণের সময়সীমা অতিক্রান্ত হবার পর যদি কোন পোস্টাল ব্যালট পেপার সম্বলিত খাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট পৌঁছায় সেক্ষেত্রে প্রাপ্ত পোস্টাল ব্যালটসমূহ রিটার্নিং অফিসার/দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গ্রহণের তারিখ ও সময় উল্লেখসহ স্বাক্ষরপূর্বক সংরক্ষণ করবেন এবং এ সংখ্যা প্রকাশ করবেন; পোস্টাল ব্যালট পেপার গণনা শেষ হলে অন্যান্য সাধারণ কেন্দ্রের মতো পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঘোষণা করে সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা সাধারণ ভোটকেন্দ্রের ফলাফলের পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটে প্রাপ্ত ভোটের হিসাব ঘোষণা ও অন্যান্য কেন্দ্রের ফলাফলের সাথে একত্রিকরণ করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করবেন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রাপ্ত ভোটের হিসাব একীভূত না করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

আজ ঢাকায় আসছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব

আজ ঢাকায় আসছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব চার দিনের সফরে আজ ঢাকায় আসছেন কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি বচওয়ে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে এই সফরে আসছেন তিনি। কমনওয়েলথ জানায়, ২০-২৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সফরে মহাসচিব শার্লি বচওয়ে বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা ও সম্পৃক্ততা বাড়াবেন। আগামী ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সফরকালে অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন কমনওয়েলথ মহাসচিব। এতে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ড. ইউনূস, রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনার ও অন্যান্য প্রতিনিধি। শান্তি ও স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র ও সুশাসন, এবং বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির জন্য কমনওয়েলথের সহযোগিতা কীভাবে আরও জোরদার করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া, তিনি কমনওয়েলথের নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা (স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান) তুলে ধরবেন, যার তিনটি মূল স্তম্ভের একটি হলো গণতন্ত্র। এছাড়া, তিনি জানবেন বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের সহায়তা সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে। সফরের আগে এক বিবৃতিতে মহাসচিব বচওয়ে বলেন, স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগ দিয়েছিল এবং এটি সংগঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি জানান, বিস্তৃত পরিসরের অংশীদারের সঙ্গে কথা বলে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সরাসরি বোঝার চেষ্টা করবেন এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্ভাব্য সহায়তার ক্ষেত্র নির্ধারণ করবেন। বচওয়ে বলেন, কমনওয়েলথ ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি শক্তিশালী অংশীদারত্ব রয়েছে, যা আগামী বছরের নির্বাচনের আগে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমাদের অঙ্গীকার হলো বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পাশে থাকা, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতা সম্মানিত হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশ যখন ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন তিনি দেশের জনগণের মঙ্গল কামনা করেন এবং গণতান্ত্রিক যাত্রায় কমনওয়েলথের পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত থাকবে। কমনওয়েলথ জানায়, মহাসচিবের এই সফর গত মাসে বাংলাদেশে আসা কমনওয়েলথের প্রাক-নির্বাচনী মূল্যায়ন দলের মিশনের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা। দলটি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশীদারের সঙ্গে বৈঠক করে আসন্ন নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করেছিল।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, আপিল বিভাগের রায়

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, আপিল বিভাগের রায় বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ উল্লেখ করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের মাধ্যমে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারে অধীনে। আর চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে। এর আগে, গত ১১ নভেম্বর টানা ১০ দিন শুনানি শেষে এ বিষয়ে শুনানি শেষে ২০ নভেম্বর ঐতিহাসিক রায়ের দিন ধার্য করেন সর্বোচ্চ আদালত। গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় রিভিউ চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

শনিবার ঢাকায় আসছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

শনিবার ঢাকায় আসছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী আগামী শনিবার ৩ দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে ঢাকায় আসছেন তিনি। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন। প্রতিনিধিপর্যায়ে বৈঠকের আগে দুই সরকারপ্রধান একান্ত আলাপে অংশ নিতে পারেন। দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শিক্ষা, পর্যটন, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয় আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরকালে দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনসহ কয়েকজন উপদেষ্টা ভুটানের সরকার প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সফর শেষে তিনি আগামী সোমবার ঢাকা ত্যাগ করবেন।

দেশজুড়ে তাপমাত্রা কমছে, বাড়ছে শীতের আমেজ

দেশজুড়ে তাপমাত্রা কমছে, বাড়ছে শীতের আমেজ দেশে তাপমাত্রা আবারও কমতে শুরু করেছে। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে, যা আগামী কয়েকদিনে আরও ২ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আজ সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে, যার বিস্তৃতি উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। এছাড়া ২২ নভেম্বরের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ নভেম্বরের (শুক্রবার) পূর্বাভাস: অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ২২ নভেম্বরের (শনিবার) পূর্বাভাস: আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। ২৩ নভেম্বরের (রবিবার) পূর্বাভাস: সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা আরও সামান্য কমতে পারে। ২৪ নভেম্বরের (সোমবার) পূর্বাভাস: আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না। বর্ধিত পাঁচ দিনের আউটলুকে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।