২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৮ জন শিশু

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৮ জন শিশু ২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১ হাজার ৮ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। আজ সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, চালক বা হেলপার হিসেবে নিহত হয়েছে ৫৩৭ শিশু। আর পথচারী হিসেবে বিভিন্ন যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৪৭১ শিশু। সড়কের ধরন অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহাসড়কে ২৮১ শিশু, আঞ্চলিক সড়কে ৩৬৪ শিশু, গ্রামীণ সড়কে ২৯১ শিশু এবং শহরের সড়কে ৭২ শিশু নিহত হয়েছে। বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী নিহত শিশুর সংখ্যা ১৭৯ জন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৩৮২ জন এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪৪৭ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলাধুলার সময় শিশু নিহতের ঘটনা বেশি ঘটছে। পথচারী হিসেবে শিশুরা গ্রামীণ সড়কে সবচেয়ে বেশি হতাহত হচ্ছে। কারণ গ্রামীণ সড়কগুলো বসতবাড়ি ঘেঁষা। অনেক ক্ষেত্রে ঘরের দরজা খুললেই সড়ক– এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এসব সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি থাকে না। ফলে যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। অন্যদিকে শিশুরাও সড়ক ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে অবগত নয়। এ অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই শিশুরা নিহত ও পঙ্গু হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে যাচ্ছে। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের শেষ সপ্তাহে। এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১ মার্চ থেকে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। স্বাভাবিক শিক্ষাসূচি অনুযায়ী প্রতিবছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও করোনা মহামারির প্রভাব ও পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর ধরে এ সূচি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। চলতি বছর জাতীয় নির্বাচন এবং পবিত্র রমজান মাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা ও ফরম পূরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার এহসানুল কবির সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টেস্ট পরীক্ষা ও ফরম পূরণসহ প্রাথমিক কাজগুলো শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে বিশেষ কোনো অনুরোধ এলে ফরম পূরণের সময় দু-এক দিন বাড়ানো হতে পারে। এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু হবে। আশা করছি, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে।
এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু

এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের গণহত্যা মামলার বিচার শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজি)। জাতিসংঘের এই আদালত ‘বৈশ্বিক আদালত’ (ওয়ার্ল্ড কোর্ট) নামেও পরিচিত। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে জাতিসংঘের আদালতের অবস্থান। আজ দেশটির স্থানীয় সময় বেলা ১০টা থেকে (বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা) মামলার শুনানি শুরু হবে। আগামী ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে এই শুনানিপর্ব। জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত যে মামলাটি নথিবদ্ধ করা হয়েছিল, সেই মামলার তদন্তকারী দল ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলা হয়েছিল। সশস্ত্র রোহিঙ্গাগোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে এই হামলার জন্য দায়ী করে মিয়ানমারের সরকার। পরে এ হামলার জের ধরে ওই মাসেই বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। অভিযানের নামে সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে বর্মী সেনাবাহিনীর লাগাতার হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের সামনে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালাতে শুরু করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন সে সময়। তারা এখনও বাংলাদেশেই আছেন। ২০১৭ সালে বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের পরপরই জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল এ ঘটনার তদন্ত করেছিল। সেই দলের তদন্ত প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ২০১৯ সালে বৈশ্বিক আদালতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিায়া। সেই মামলারই শুনানি শুরু হচ্ছে সোমবার। মিয়ানমারে যখন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছিল, সে সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অং সান সুচি। জাতিসংঘের অনুসন্ধানি দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। গাম্বিয়া যখন মামলা করে, তখনও সেই মামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সুচি বলেছিলেন, গাম্বিয়ার অভিযোগ ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন সুচি এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকার। বর্তমানে মিয়ানমারের কারাগারে আছেন তিনি এবং দুর্নীতির অভিযোগে সেনাবাহিনীর আদালতে তার বিচার চলছে। বৈশ্বিক আদালতে দায়ের কৃত রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌজিমান রয়টার্সকে বলেন, “গণহত্যার প্রকৃত সংজ্ঞা কী, কীভাবে গণহত্যা সম্পর্কিত অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করা যায়ে এবং কীভাবে এ ধরনের অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়— এসবের নিষ্পত্তিতে এই মামলা একটি নজির হয়ে থাকবে।”
শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন?

শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন? শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সবাই সূর্যের আলোর জন্য মুখিয়ে থাকি। শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে রোদে আরও বেশি সময় ব্যয় করার চেষ্টা করি। এই সূর্যের আলো আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলোর মধ্যে একটি পূরণ করতে অবদান রাখে, তা হলো ভিটামিন ডি উৎপাদন। বিশ্বজুড়ে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠান্ডা মাসগুলো এই পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। নিম্ন-তাপমাত্রার দিনগুলোতে সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সর্বোত্তম সময়টি জানা গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ের পাশাপাশি, আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি উৎপাদনের জন্য কতটা সূর্যের আলো যথেষ্ট তা সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন। আপনার কতটা সূর্যের আলো প্রয়োজন? বেশিরভাগ সময় শীতকালে মুখ, বাহু বা পায়ের মতো শরীরের বিভিন্ন অংশ সরাসরি ২০ থেকে ৪০ মিনিট সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার ফলে প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। শীতকালে সূর্য থেকে নির্গত UVB রশ্মির প্রভাব গ্রীষ্মের তুলনায় কম থাকে, তাই যদি কেউ শীতকালে একই পরিমাণ ভিটামিন ডি পেতে চান, তাহলে তাদের রোদে দীর্ঘ সময় কাটাতে হবে। শীতকালে সূর্য থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সেরা সময় সাধারণত, শীতকালে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্য থেকে সর্বাধিক ভিটামিন ডি পাওয়ার সময়। শীতের ভোরে এবং শেষ বিকেলে সূর্যের রশ্মি খুব সংকীর্ণ কোণে আসে, যার অর্থ হলো এর বেশিরভাগ অংশ বায়ুমণ্ডল দ্বারা শোষিত হয় এবং পৃথিবীতে পৌঁছানো UVB রশ্মির তীব্রতা খুব কম। শীতকালে কম ভিটামিন ডি উৎপাদন শীতের মাসগুলোতে পৃথিবীর ঝোঁক উত্তর গোলার্ধকে সূর্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, যা UVB রশ্মির তীব্রতা হ্রাস করে। অপর্যাপ্ত UV রশ্মির কারণে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি উৎপাদনের জন্য আমাদের শরীরের সূর্যের সংস্পর্শে কিছুটা বেশি সময় প্রয়োজন। মেঘ, দূষিত বায়ু এবং মোটা পোশাকও ভিটামিন ডি উৎপাদনকে প্রভাবিত করে। যারা ঘরের ভেতরে থাকতে পছন্দ করেন এবং ঠান্ডার সময় বাইরে যেতে ইচ্ছুক নন তাদের ঘাটতির ঝুঁকি বেশি থাকে। ত্বকের রঙের ওপর নির্ভর করে গবেষণা অনুসারে, ত্বকের রঙ সরাসরি রোদে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সময়ের পরিমাণকে প্রভাবিত করে। ফর্সা ত্বকের ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি স্তর তৈরি করতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো রোদে থাকা যথেষ্ট, তবে মাঝারি বা কালো ত্বকের ব্যক্তিদের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে কারণ মেলানিন প্রাকৃতিক UV ফিল্টার হিসাবে কাজ করে। ভিটামিন ডি-এর জন্য পরিপূরক এবং খাবার শীতের দিনে শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা অনেকটাই হ্রাস পায়, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে। সেজন্য দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যোগ করতে হবে। যেমন- ডিমের কুসুম, ফর্টিফাইড দুধ, মাশরুম, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি। যাদের ভিটামিনের তীব্র ঘাটতি ধরা পড়ে এবং স্বাভাবিকভাবে অবস্থার উন্নতি করতে পারে না তাদের সম্পূরক গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।
আর্চার মাছ রক্ষণাবেক্ষণে অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে?

আর্চার মাছ রক্ষণাবেক্ষণে অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে? অ্যাকুরিয়াম শুধু মাছ রাখার জায়গা নয়, কারও কাছে তার চেয়েও বেশি কিছু। পানির নিচের জগৎ, নিজের হাতে সেই অ্যাকুরিয়াম সাজানো, নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্র বুঝে মাছ রাখা— এসবে আনন্দ খুঁজে পান অনেকেই। তাদের কাছে এ-ও যেন এক সৃষ্টি, নেশা, ভাললাগা। অ্যাকুরিয়ামের জন্য সবাই একটু অন্য রকম মাছ খোঁজেন। এমন শখ থাকলে বেছে নিন আর্চার মাছ, এটি দেখতে ভীষণ সুন্দর। তবে এর বৈশিষ্ট্য হলো মুখ দিয়ে পানি ছোড়া। প্রচণ্ড গতিতে মুখ দিয়ে পানি ছুড়তে পারে আর্চার মাছ। সে কারণেই তার এমন নামকরণ। অনেকেই বলেন, বিভিন্ন গবেষণাতেও উঠে এসেছে এই মাছ নাকি লোকজনের মুখ মনে রাখতে পারে। মূলত শিকার ধরার জন্যই মাছটি পানি ছুড়ে। পানির গতিতে ঘায়েল হয় ছোট পোকামাকড়। এই মাছের জন্য অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে? – আর্চার মাছ সমুদ্রের মতো লবণাক্ত পানি বা পুকুরের মিষ্টি পানি, কোনোটিতেই থাকতে পারে না। এই মাছের জন্য প্রয়োজন তার মাঝামাঝি পানি। যা হালকা লবণাক্ত হবে। – এই মাছের জন্য বড় অ্যাকুরিয়ামের দরকার। দৈর্ঘ্যে ৫ ফুট, প্রস্থ ও উচ্চতায় দুই ফুটের অ্যাকুরিয়াম প্রয়োজন। কিংবা ৭৫ গ্যালন পানি ধরে, এমন অ্যাকুরিয়াম দরকার। – খাওয়ার বিষয়টা বেশ আলাদা। এই মাছ মুখ দিয়ে পানি ছুড়ে শিকারকে ঘায়েল করে খায়। ফলে আর্চার মাছের জন্য ছোট ছোট পোকামাকড়, লার্ভা, শুকনো প্ল্যাঙ্কটন দিতে হবে। – ছোট ছোট মাছেদেরও খেয়ে নেয় এই মাছ। এমনিতে শান্ত হলেও, বড় মাছের সঙ্গে রাখলে ঝামেলা হতে পারে। – ঠিকঠাকভাবে রাখতে পারলে আর্চার মাছ ৫-৮ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। – ২২থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এই ধরনের মাছের জন্য আদর্শ।
অর্ডার করার ১৬ বছর পরে ফোন হাতে পেলেন ক্রেতা!

অর্ডার করার ১৬ বছর পরে ফোন হাতে পেলেন ক্রেতা! লিবিয়ার ত্রিপোলি শহরের এক মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ২০১০ সালে নোকিয়া ফোন অর্ডার করেছিলেন, ফোনগুলো পেয়েছেন — প্রায় ১৬ বছর পর! কেন এতো দেরি হলো? ফোনগুলো ছিল পুরনো বার-টাইপের। যেমন ‘মিউজিক এডিশন’ এবং ‘ ফোন ও কমিউনিকেটর ’ মডেল, আর এগুলো একসময় খুব দামি ও আধুনিক ছিল। ২০১১ সালে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ায় এই ফোনগুলোর চালান লিবিয়ার কোথাও আটকে যায় এবং দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর্যন্ত গুদামে পড়ে ছিল। ফোনগুলোর প্রেরক ও প্রাপক দুইজনই ত্রিপোলিতে থাকলেও গৃহযুদ্ধের কারণে এই চালান পৌঁছতে এত সময় লেগেছিল! এই ফোনগুলো খুলে দেখার মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন ওই দোকানদার। ভিডিওটি প্রচুর শেয়ার হচ্ছে, যেখানে দোকানদার হাসতে হাসতে বলছিলেন—‘‘এগুলো কি ফোন, নাকি ঐতিহাসিক নিদর্শন?” সূত্র: এনডিটিভি
সিলেটের বোলিং তোপে ১১৪ রানে অলআউট রংপুর

সিলেটের বোলিং তোপে ১১৪ রানে অলআউট রংপুর বিপিএলের ২৩তম ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ মুখোমুখি হয়েছে সিলেট টাইটান্স ও রংপুর রাইডার্স। সিলেটের বোলিং তোপে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি রংপুরের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯.১ ওভারে তারা অলআউট হয়েছে মাত্র ১১৪ রানে। জিততে সিলেটকে করতে হবে ১১৫ রান। ব্যাট করতে নেমে রংপুর যেভাবে উইকেট হারাচ্ছিল তাতে একটা সময় মনে হচ্ছিল ১০০ এর নিচেই থামবে তাদের ইনিংস। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাটে তাদের দলীয় সংগ্রহ ১০০ পেরোয়। মাহমুদউল্লাহ ২৩ বলে ৪টি চারে করেন ২৯ রান। তার আগে খুশদীল শাহ ৩টি চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩০ রান। এছাড়া লিটন দাস ১২ বলে ৪টি চারে ২২ ও ইফতিখার আহমেদ ১ চারে করেন ১৭ রান। বাকিদের কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের কোটা। বল হাতে সিলেটের নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। শহিদুল ইসলাম ৪ ওভারে ৩৬ রানে নেন ৩টি উইকেট। আর মঈন আলী ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৮ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। ৩.১ ওভারে ২৪ রান খরচায় অপর উইকেটটি নেন সালমান ইরশাদ।
১৬ লাখ মার্কিন ডলার পাচ্ছেন প্যাট কামিন্সরা

১৬ লাখ মার্কিন ডলার পাচ্ছেন প্যাট কামিন্সরা ঐতিহ্যের অ্যাশেজে ইংল্যান্ডকে ৪–১ ব্যবধানে হারানো অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের জন্য অপেক্ষা করছে মোটা অঙ্কের বোনাস। ঘরের মাঠে এই সিরিজে আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও দ্রুতই ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য আর্থিক পুরস্কার দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। স্টিভ স্মিথের নেতৃত্বে সিরিজে ১১ দিনেই ৩–০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ২০১৭ সাল থেকে অ্যাশেজের ‘ছাইদানি’ নিজেদের কাছে রেখেছে অজিরা। ‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সাফল্যের পুরস্কার হিসেবে ‘ব্যাগি গ্রিনস’রা মোট ১৬ লাখ মার্কিন ডলার বোনাস ভাগ করে নেবেন। সিরিজজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য অজি পেসার মাইকেল নেসার ও অভিষিক্ত ব্যাটার জেক ওয়েদারাল্ডও ব্যক্তিগতভাবে বড় অঙ্কের অর্থ পেতে যাচ্ছেন। নেসার পুরো সিরিজে ১৫ উইকেট নেন ১৯.৯৩ ইকোনমিতে, আর ওয়েদারাল্ড নিজের প্রথম অ্যাশেজেই নজর কাড়েন দারুণ ব্যাটিংয়ে। এই দুই ক্রিকেটারের রাজ্য দলের চুক্তির আয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) ন্যূনতম কেন্দ্রীয় চুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। রাজ্য চুক্তিতে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫ হাজার ডলার পাওয়া যায়। ফলে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্টভিত্তিক বেতন কাঠামোর শর্ত পূরণ করায় নেসার ও ওয়েদারাল্ড আরও প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ডলার অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। ওয়েদারাল্ড সিরিজ শেষ করেন ২০১ রান নিয়ে, গড় ছিল ২২.৩৩। অবশ্য শেষ তিনটি টেস্টে ভুগতে দেখা গেছে তাকে। গ্যাবায় নিজের প্রথম টেস্টে ২১ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার। অ্যাশেজে দাপুটে জয়ের সুবাদে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ র্যাংকিংয়েও শীর্ষে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। টপকে গেছে নিউজিল্যান্ডকে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড নেমে গেছে সপ্তম স্থানে। তবে সিরিজের এই সাফল্যের মাঝেই বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। মেলবোর্ন ও পার্থ টেস্ট সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাওয়ায় সংস্থাটির আয় কমেছে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ ভবিষ্যতে উইকেট প্রস্তুতির দিকে আরও সতর্ক থাকার ইঙ্গিত দেন। গ্রিনবার্গ বলেছিলেন, ‘সংক্ষিপ্ত টেস্ট ব্যবসার জন্য ভালো নয়। এর চেয়ে স্পষ্ট করে বলার কিছু নেই। ব্যাট ও বলের মধ্যে আরও ভারসাম্য থাকা দরকার।’
বার্সাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে অস্বীকৃতি, সমালোচনার মুখে এমবাপ্পে

বার্সাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে অস্বীকৃতি, সমালোচনার মুখে এমবাপ্পে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। দলের প্রধান তারকাকে ফাইনালের জন্য বিশেষভাবে স্পেন থেকে উড়িয়ে আনা হয়। গুঞ্জন ছিল, ব্যথানাশক ইনজেকশন নিয়েই হলেও শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে ফরাসি এই সুপারস্টারকে। তবে প্রত্যাশার সেই দৃশ্য দেখা যায়নি। এল ক্লাসিকো ফাইনালে এমবাপে নামেন ম্যাচের শেষ দিকে, বদলি হিসেবে। মাঠে নেমেও দলের ভাগ্য বদলাতে পারেননি তিনি। ফাইনাল হারের পর এখন বির্তকিত এক কাণ্ড ঘটিয়ে উল্টো সমালোচনার মুখে পড়েছেন এমবাপে। স্প্যানিশ সাংবাদিক আলফ্রেদো মার্তিনেজের জানিয়েছেন, সুপার কাপ ফাইনালে হারের পর রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ না দিতে নির্দেশ দেন কিলিয়ান এমবাপে। কাতালান চ্যানেল এস্পোর্তো-থ্রি- এর ভিডিওতেও এমনটাই দেখা যায়। ফাইনালে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর রিয়াল মাদ্রিদের তারকারা সরাসরি বেঞ্চের দিকে চলে যান। তখন কোচ জাবি আলোনসোই তাদের জানান, বাধ্যতামূলক নয় এমন ‘গার্ড অব অনার’ বা স্পেনে যাকে ‘পাসিয়ো’ বলা হয়, সেটি দেওয়ার কথা। সেই সময় বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা বিজয়ী পদক নিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে মার্তিনেজের মতে, এমবাপেই সতীর্থদের ডাগআউটের দিকে নিয়ে যান। ক্যামেরায় ধরা পড়ে, ১০ নম্বর জার্সিধারী এই ফরোয়ার্ড স্পষ্টভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন এবং গার্ড অব অনারে অংশ নিতে আগ্রহ দেখানো রাউল আসেনসিওর দিকে তাকিয়ে অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে অন্য এক সতীর্থের সঙ্গে কিছু বলছেন। এই ঘটনার জেরে সামাজিক মাধ্যম এক্সে (টুইটার) একটি জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট এমবাপেকে ‘সর লুসার ’ বা ‘হার মেনে নিতে না পারা’ খেলোয়াড় বলে আখ্যা দেয় এবং সেই ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্তের প্রতিবেদনে এমবাপের এমন আচারণকে ‘অখেলোয়াড়সুলভ’ লিখেছে। অনেক বার্সা সমর্থকদের কাছেও এই ঘটনা দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে। রোমাঞ্চকর ফাইনালে ৭৬ মিনিটে গঞ্জালো গার্সিয়ার বদলি নামেন এমবাপে। ২-৩ গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে উদ্ধার করতে এসে শেষ মুহূর্তে সতীর্থকে দিয়ে একটি গোল করানোর খুব কাছে ছিলেন। তবে একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের কাছে ফাইনাল হারের একরাশ হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোসরা।
গভীর সমুদ্রে বিরল খনিজ উত্তোলনের ঐতিহাসিক উদ্যোগ জাপানের

গভীর সমুদ্রে বিরল খনিজ উত্তোলনের ঐতিহাসিক উদ্যোগ জাপানের চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে গভীর সমুদ্রে বিরল খনিজ উত্তোলনের লক্ষ্যে আজ এক ঐতিহাসিক অভিযানে যাত্রা শুরু করেছে জাপানের একটি গবেষণা জাহাজ। বৈজ্ঞানিক খনন জাহাজ ‘চিকিউ’ স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শিজুওকার শিমিজু বন্দর ত্যাগ করে প্রশান্ত মহাসাগরের দূরবর্তী দ্বীপ মিনামি তোরিশিমার উদ্দেশে রওনা দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, দ্বীপটির আশপাশের জলসীমায় বিপুল পরিমাণ মূল্যবান খনিজ রয়েছে। টোকিও থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। এই পরীক্ষামূলক অভিযানটি এমন এক সময়ে শুরু হলো, যখন জাপানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিরল খনিজ সরবরাহকারী চীন। গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাইওয়ানে হামলা হলে সামরিক প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার পর থেকেই টানাপোড়েন তীব্র হয়। চীন স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ডের অংশ দাবি করে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। বাণিজ্যিক ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে বিরল খনিজে নিজের আধিপত্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধেও এই খাতটি চীনের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার ছিল। খারাপ আবহাওয়ার কারণে একদিন দেরিতে শুরু হওয়া ‘চিকিউ’-এর এই যাত্রা ভবিষ্যতে দেশে বিরল খনিজ উৎপাদনের পথ খুলে দিতে পারে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ দপ্তরের কর্মসূচি পরিচালক শোইচি ইশি। বন্দরেই সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা সরবরাহের উৎস বৈচিত্র্যময় করার কথা ভাবছি এবং নির্দিষ্ট কোনো দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এড়াতে চাইছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিরল খনিজের দেশীয় উৎপাদন নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।’ বিরল খনিজ বলতে পৃথিবীর ভূত্বক থেকে উত্তোলনে জটিল ১৭ ধরনের ধাতুকে বোঝায়। এগুলো বৈদ্যুতিক যান, হার্ড ড্রাইভ, বায়ু টারবাইন থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। জাপান এজেন্সি ফর মেরিন-আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (জ্যামস্টেক) জানিয়েছে, ৬ হাজার মিটার গভীরতায় এ ধরনের পরীক্ষামূলক খনন বিশ্বে এই প্রথম।জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমায় অবস্থিত মিনামি তোরিশিমার আশপাশে ১ কোটি ৬০ লাখ টনের বেশি বিরল খনিজ মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিক্কেই বিজনেস ডেইলির তথ্য অনুযায়ী, এটি বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম মজুত। নিক্কেই জানিয়েছে, এই সমৃদ্ধ স্তরে রয়েছে প্রায় ৭৩০ বছরের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসপ্রোসিয়াম, যা মোবাইল ফোন ও বৈদ্যুতিক গাড়ির উচ্চক্ষমতার চুম্বকে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি রয়েছে প্রায় ৭৮০ বছরের জন্য প্রয়োজনীয় ইট্রিয়াম, যা লেজার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস)-এর গবেষণা সহযোগী তাকাহিরো কামিসুনা এএফপিকে বলেন, ‘মিনামি তোরিশিমার আশপাশে যদি জাপান নিয়মিতভাবে বিরল খনিজ উত্তোলনে সফল হয়, তাহলে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাতের জন্য একটি নিরাপদ দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল নিশ্চিত হবে।’ এই গবেষণা অভিযান চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সাম্প্রতিক গণমাধ্যম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে দুই মাস ধরে চলা উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে বেইজিং জাপানি পণ্য আমদানিতে বিলম্ব ঘটাচ্ছে ও টোকিওতে বিরল খনিজ রফতানির গতিও শ্লথ হয়েছে। চলতি মাসে চীন জাপানের কাছে ‘দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য’ কিছু পণ্যের রফতানি বন্ধ করেছে, যেগুলোর সামরিক ব্যবহার সম্ভব। এতে বেইজিং বিরল খনিজ সরবরাহও আটকে দিতে পারার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে জাপানের, কারণ এর কিছু চীনের দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।