ফাইনালে সেরা ক্রিকেট খেলতে চায় নিউজিল্যান্ড

ফাইনালে সেরা ক্রিকেট খেলতে চায় নিউজিল্যান্ড ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের পর কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার জানালেন, আগামী রোববার আহমেদাবাদে ফাইনালেও নিখুঁত ক্রিকেট উপহার দিতে চান তারা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিতে পেরেও খুশি তিনি। স্যান্টনার বলেছেন, ‘খুব ভালো হবে যদি ফাইনালেও এরকম নিখুঁত ম্যাচ খেলতে পারি। তবে এটা আলাদা মাঠ ছিল। বিশ্বকাপে আগে এখানে খেলিনি। তা ছাড়া লাল মাটির পিচ না কালো মাটির পিচ, এ রকম অনেক কিছুর ওপর দলগঠন নির্ভর করে। মাঠের আকারও বিভিন্ন ধরনের হয়। আপাতত জয়ে খুব খুশি। আরও দু’দিন আছে হাতে। দেখা যাক কী হয়। আগে বলেছিলাম, নিখুঁত ক্রিকেট খেলতে পারিনি। আজ সব দিক থেকেই দিনটা ভালো গিয়েছে আমাদের কাছে।” এক সময় ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে পৌঁছে গিয়েছিল ১৬৬-তে। তবে স্যান্টনারের কখনোই মনে হয়নি রান তাড়া করতে পারবেন না। বলছিলেন, “মিথ্যা বলব না, মাত্র ১৭০ রান উঠেছে দেখে খুশিই হয়েছিল। যদিও পাওয়ার প্লে-তে পিচ কেমন থাকবে সেটা নিয়ে চিন্তা ছিলই। তবে যেভাবে দুই ওপেনার ক্রিজে নেমে দাপট দেখিয়েছে, তা অসাধারণ লেগেছে। পাওয়ার প্লে-তে ওপেনিং জুটি এরকম খেললে ম্যাচে আপনি বাড়তি সুবিধা পাবেনই।” দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে গ্রুপ পর্বে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালে তার প্রতিশোধ নিতে পেরে খুশি স্যান্টনার। বলেছেন, “হারের মতো জিতলেও অনেক কিছু থেকে শিক্ষা নেওয়ার থাকে। আহমেদাবাদের ওই ম্যাচে আজকের মতো ভালো খেলেছিলাম কি না জানি না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা অসাধারণ খেলেছিল। আজ চেয়েছিলাম ওদের যতটা সম্ভব চাপে রাখতে। শুরুতে স্পিনারদের এগিয়ে দিয়েছিলাম, যেটা আহমেদাবাদে করিনি।” গত বার ফাইনালে উঠলেও এবার সেমিফাইনালে থেমে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার দৌড়। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম জানালেন, প্রথমে ব্যাট করার সময় পিচ কঠিন ছিল বলেই প্রত্যাশিত রান তুলতে পারেননি তারা। কৃতিত্ব দিয়েছেন শতরানকারী ফিন অ্যালেনকেও। মার্করাম বলেছেন, “প্রথম দিকে ব্যাট করা সহজ ছিল না। ওরা দারুণ বল করেছে। বল সহজে ব্যাটে আসছিল না। হঠাৎ হঠাৎ থমকে যাচ্ছিল। কিছু কিছু বল নিচু হয়ে যাচ্ছিল। তাই রান তোলা খুব কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তা ছাড়া ব্যাট হাতে বিপক্ষের কেউ (অ্যালেন) যদি ও রকম ইনিংস খেলে দেয় তাহলে জেতা খুবই কঠিন।”
অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ঘরোয়া ক্রিকেটার হলেন লাবুশান

অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ঘরোয়া ক্রিকেটার হলেন লাবুশান কুইন্সল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটানোর পর মার্নাস লাবুশান অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একদিনের ঘরোয়া খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের ব্যাটসম্যান কার্টিস প্যাটারসনের চেয়ে তিনি এক ভোট পেয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান একদিনের এক মৌসুমে চারটি সেঞ্চুরি করা মাত্র চতুর্থ ব্যাটসম্যান। বাকি তিন ব্যাটসম্যান হলেন, ফিল জ্যাকস, ব্র্যাড হজ এবং ড্যানিয়েল হিউজেস। লাবুশান মাত্র ছয় ইনিংসে ৪৬৮ রান করে ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন। তিনি ৯৬.৪৯ স্ট্রাইক রেট নিয়ে ৭৮ গড়ে ব্যাট করেছেন। ফাইনালিস্ট তাসমানিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে তিনি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়াও বোল হাতে তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে ২৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন এবং ভিক্টোরিয়া এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও দুটি সেঞ্চুরি করেছেন। ভোটে লাবুশান ২০ ভোট এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের কার্টিস প্যাটারসনের পেয়েছেন ১৯ ভোট। সাত ইনিংসে তিনি তিনটি সেঞ্চুরি এবং দুটি অর্ধশতক করেছেন। তাসমানিয়ার বিউ ওয়েবস্টার ১২টি ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন, যেখানে টিম ওয়ার্ড এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার জোয়েল কার্টিস ১০টি করে ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। মাঠের উভয় আম্পায়ারই ভোট দেন, যারা প্রত্যেকে ৩-২-১ ভোট দেন। একজন খেলোয়াড় প্রতি ম্যাচে সর্বোচ্চ ছয়টি ভোট পেতে পারেন, আগের বছরগুলোতে আম্পায়াররা একসঙ্গে ভোট দেওয়ার সময় এর বিপরীতে।
রেকর্ডগড়া সাফল্য শেষে ডিজনি প্লাসে আসছে ‘জুটোপিয়া ২’

রেকর্ডগড়া সাফল্য শেষে ডিজনি প্লাসে আসছে ‘জুটোপিয়া ২’ সারা বিশ্বের বক্স অফিসে ঝড় তোলার পর এবার ছোট পর্দায় আসছে ডিজনির জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘জুটোপিয়া ২’। আগামী ১১ মার্চ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ডিজনি প্লাসে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। ২০১৬ সালের অস্কারজয়ী মূল চলচ্চিত্রের এই সিক্যুয়েলটি গত বছর থ্যাংকসগিভিংয়ের সময় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই একের পর এক ব্যবসায়িক রেকর্ড ভেঙে আলোচনায় রয়েছে। জুডি হপস ও নিক ওয়াইল্ডের চিরচেনা জুটিকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে এই কিস্তি। এবারের গল্পে এই দুই তদন্তকারীকে রহস্যময় সাপ ‘গ্যারি ডি’স্নেক’-এর সন্ধানে জুটোপিয়া শহরের এক গোপন সরীসৃপ জগতের রহস্য উদ্ঘাটন করতে দেখা যায়। গিনিফার গুডউইন এবং জেসন বেটম্যান যথাক্রমে জুডি ও নিকের চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন। তাদের পাশাপাশি এই কিস্তিতে যুক্ত হয়েছেন কি হুই কোয়ান, অ্যান্ডি স্যামবার্গ এবং ম্যাকাওলে কালকিনের মতো জনপ্রিয় তারকারা। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই ‘জুটোপিয়া ২’ বিশ্বব্যাপী ১.৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে ইতিহাসের অন্যতম সফল অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছে। এটি ২০২৫ সালের সব রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় অষ্টম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। এ ছাড়া চীনে হলিউড অ্যানিমেশন হিসেবে এটি আয়ের নতুন নজির গড়েছে। জ্যারেড বুশ ও বায়রন হাওয়ার্ড পরিচালিত এই সিনেমাটি বক্স অফিসে অভাবনীয় সাফল্যের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছে। প্রেক্ষাগৃহের সফল দৌড় শেষে এখন ভক্তরা ঘরে বসেই ডিজনি প্লাসে জুটোপিয়ার এই রোমাঞ্চকর অভিযান উপভোগ করতে পারবেন।
বিজয়-রাশমিকার মহতী উদ্যোগ, ৪৪টি সরকারি স্কুলে মেধাবৃত্তির ঘোষণা

বিজয়-রাশমিকার মহতী উদ্যোগ, ৪৪টি সরকারি স্কুলে মেধাবৃত্তির ঘোষণা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রতি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় দুই তারকা বিজয় দেবেরকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। তবে নিজেদের জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তটিকে কেবল উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তারা বেছে নিয়েছেন জনকল্যাণের পথ। বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এই তারকা দম্পতি তাদের পৈতৃক গ্রামের ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মেধাবৃত্তি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। হায়দরাবাদের অদূরে তেলেঙ্গানার নাগারকুর্নুল জেলার আচামপেট বিভাগে এই মহতী উদ্যোগের কথা জানান বিজয়। ‘দেবেরকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে এই বৃত্তি পরিচালিত হবে। এর আগে এই দম্পতি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মন্দিরে অন্নদান এবং সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিলেন। রাজস্থানের উদয়পুরে জমকালো আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে এই দম্পতি বিজয়ের আদি বাড়ি থুমমানাপেটায় ফিরে ‘গৃহ প্রবেশ’ ও ‘সত্যনারায়ণ পূজা’ সম্পন্ন করেন। সেখানেই গ্রামবাসীর উচ্ছ্বাসের মাঝে শিক্ষার প্রসারে এই বড় পদক্ষেপের কথা জানান তারা। মঞ্চে যখন বিজয় এই ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন তার পাশে ছিলেন স্ত্রী রাশমিকা মান্দানা এবং মা মাধবী দেবেরকোন্ডা। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে এমন উপহার পেয়ে খুদে শিক্ষার্থীদের উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই জুটি আজ ৪ মার্চ সন্ধ্যায় হায়দরাবাদে একটি রাজকীয় বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। যেখানে বিনোদন জগতের একঝাঁক তারকা উপস্থিত থাকবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
‘চিকনি চামেলি’র মতো গান আর গাইতে চান না শ্রেয়া

‘চিকনি চামেলি’র মতো গান আর গাইতে চান না শ্রেয়া ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল সম্প্রতি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম হিট গান ‘চিকনি চামেলি’ এবং এই ধরনের আবেদনময়ী গান গাওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক পডকাস্টে তিনি জানান, এই গানটি গেয়ে তিনি মোটেও লজ্জিত নন, তবে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে তিনি আর এমন কোনো গানে কণ্ঠ দিতে চান না। শ্রেয়া স্পষ্ট করেন যে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গানের কথা ও বিষয়বস্তু নিয়ে তিনি অনেক বেশি সচেতন হয়েছেন। অতীতে যখন তিনি এই গানটি গেয়েছিলেন, তখন অনেক শব্দের গভীর অর্থ বোঝার মতো পরিপক্বতা তার ছিল না। কিন্তু এখন তিনি মনে করেন, একজন শিল্পীকে তার কাজের দায়ভার আজীবন বহন করতে হয়। পডকাস্টে শ্রেয়া আরও জানান, ‘চিকনি চামেলি’ জনপ্রিয় হওয়ার পর তার কাছে এমন অনেক গানের প্রস্তাব এসেছিল যার শব্দচয়ন ছিল অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ এবং নারীদের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করার মতো। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, তার এক সুরকার বন্ধু একবার তাকে এমন এক গানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন যার কথা ছিল অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ, যা শুনে তিনি লজ্জায় লাল হয়ে গিয়েছিলেন এবং তৎক্ষণাৎ তা প্রত্যাখ্যান করেন। শ্রেয়ার মতে, আবেদনময়ী হওয়া আর কাউকে স্থূলভাবে উপস্থাপন করার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা রয়েছে, যা বজায় রাখা জরুরি। গত বছর লিলি সিং-এর সঙ্গে এক আড্ডাতেও শ্রেয়া একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন, যার ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়। নেটিজেনদের একাংশ তাকে ‘ভণ্ড’ বলে কটাক্ষ করেন এই কারণে যে, তিনি একদিকে এই ধরনের গান গাইতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছেন, আবার কনসার্টে সেই গানটিই পরিবেশন করছেন। এর জবাবে শ্রেয়া বলেন, আমি গানটিকে ভালোবাসি এবং এটি আমারই গান, তাই আমি এটি অস্বীকার করতে পারি না। কিন্তু যখন ছোট ছোট শিশুরা এই গানের অর্থ না বুঝে আমার সামনে পারফর্ম করে, তখন আমি কিছুটা অস্বস্তি বোধ করি। বর্তমানে শ্রেয়া তার ‘দ্য আনস্টপেবল ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ নিয়ে ব্যস্ত আছেন এবং সম্প্রতি আমাল মালিকের সঙ্গে তার ‘ইয়াহিন গুজার দুন’ গানটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।
বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’

বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’ বিশ্বজুড়ে ঝড় তোলা জনপ্রিয় ব্রিটিশ ক্রাইম ড্রামা সিরিজ ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এর ভক্তদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। বড়পর্দায় ফিরছে বার্মিংহামের গ্যাংস্টাররা! প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষাপটে ইংল্যান্ডের এই শহরে কল্পিত এক গ্যাংস্টারের জীবনকাহিনি ঘিরে নির্মিত টিভি সিরিজ ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’। এবার আসছে বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো এই সিরিজের স্পিন-অফ সিনেমা ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমমোরটাল ম্যান’। অস্কারজয়ী অভিনেতা কিলিয়ান মারফি পুনরায় তার আইকনিক চরিত্র ‘টমাস শেলবি’ রূপে পর্দায় ফিরছেন, যা দর্শকদের মধ্যে নতুন করে উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সিনেমাটির একটি টিজার প্রকাশ করেছে। যেখানে আঁচ পাওয়া যায়, মুক্তি প্রতীক্ষিত এই সিনেমা হতে যাচ্ছে মূল সিরিজের ধারাবাহিকতা, যদিও কাহিনী এখনও গোপন রাখা হয়েছে! বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটি জানিয়েছে, আগামীকাল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। অন্যদিকে, আগামী ২০ মার্চ এটি আসছে নেটফ্লিক্সের পর্দায়। টমির বোন অ্যাডা থর্নের ভূমিকায় আবারও অভিনয় করেছেন সোফি রান্ডেল। শেলবি পরিবারের সহযোগী হেইডেন স্ট্যাগ ও চার্লি স্ট্রংয়ের ভূমিকায় দেখা যাবে স্টিফেন গ্রাহাম ও নেড ডেনেহিকে। বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন নবাগত রেবেকা ফার্গুসন, ব্যারি কেওগান, টিম রথ ও জে লাইকারগো। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা টম হার্পার, তিনি এর আগে সিরিজটির বেশ কয়েকটি এপিসোড পরিচালনা করেছেন। ২০১৩ সালে বিবিসি-তে সর্বপ্রথম পিকি ব্লাইন্ডার্স’র প্রিমিয়ার হয়েছিল, পরে এর মার্কিন স্বত্ব কিনে নেয় নেটফ্লিক্স। সিরিজটির ক্রিয়েটর ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে ছিলেন স্টিভেন নাইট।
কাতারের রাজধানী দোহায় একাধিক বিস্ফোরণ

কাতারের রাজধানী দোহায় একাধিক বিস্ফোরণ কাতারের রাজধানী দোহায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দোহায় অবস্থানরত বার্তা সংস্থা এএফপির একজন প্রতিবেদক এই তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে দোহায় মার্কিন দূতাবাসের আশপাশের বাসিন্দাদের ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থার’ অংশ হিসেবে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানিয়েছিল কাতার। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্থাপনা নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। চলতি সপ্তাহে সৌদি আরব ও কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস হামলার শিকার হয়। এ ছাড়া দুবাইয়ের মার্কিন কনস্যুলেটেও হামলা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে কাতারের দোহায় মার্কিন দূতাবাসের আশপাশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এখন দোহায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেল।
ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে গত শনিবার থেকে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। পাশাপাশি ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে ইসরায়েল। ৪ মার্চ ইসরায়েলি অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সাথে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের ফলে ইসরায়েলের সাপ্তাহিক অর্থনেতিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নয় বিলিয়ন সেকেলে। বর্তমানে ইসরায়েলে ‘রেড লেভেল’ বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে এবং স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে ইসরায়েল কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে। যদি বিধিনিষেধ ‘রেড লেভেল’ থেকে কমিয়ে ‘অরেঞ্জ লেভেল’ এ আনা হয় তাহলে সাপ্তাহিক অর্থনৈতিক ক্ষতি চার দশমিক তিন বিলিয়ন শেকেলে নেমে আসবে। কারণ ‘অরেঞ্জ লেভেল’ এ ‘রেড লেভেল’ এর তুলনায় কর্মক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ কম। ইরানে হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলার ঢেউ শুরু হয়েছে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। আমেরিকান এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এই অভিযান কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলের স্কুলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং জরুরি সেবা ব্যতীত সব ধরনের কর্মক্ষেত্র বন্ধ রাখা হয়েছে; বেশিরভাগ কর্মচারী বর্তমানে বাড়ি থেকে কাজ করছেন। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নিমূলের নামে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে ইসরায়েল। গাজায় বিশাল অর্থ ব্যয় করে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও ২০২৫ সালে ইসরায়েলের অর্থনীতি ৩.১% বৃদ্ধি পেয়েছিল। গেল অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির পর ধারণা করা হচ্ছিল ২০২৬ সালে এই প্রবৃদ্ধির হার ৫% ছাড়িয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, এক মার্কিন ডলার সমান তিন শেকেলের কিছু বেশি।
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প ইসরায়েলের সাথে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে পেন্টাগন। ওয়াশিংটনের প্রাথমিক ধারণা ছিল এই সংঘাত কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হবে কিন্তু সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা বলছে এই লড়াই আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ফ্লোরিডার সদর দপ্তরে অতিরিক্ত গোয়েন্দা কর্মকর্তা মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। অন্তত ১০০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যেই এই বাড়তি জনবল চাওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটিই গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রথম বড় কোনো পদক্ষেপ। ফলে অনেকেই ধারণা করছেন, ওয়াশিংটন এক দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরুতে এই অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা জানালেও এখন স্বীকার করছেন যে এটি অনেক দীর্ঘ হতে পারে। পেন্টাগনের ভেতরে এই আকস্মিক তোড়জোড় দেখে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ওপর হামলার পরবর্তী ভয়াবহতা সম্পর্কে ওয়াশিংটনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আগে সঠিক ধারণা ছিল না। এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০০ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় ১৬৫ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অন্যদিকে কুয়েতে ইরানের পাল্টা হামলায় ছয় মার্কিন সেনার মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্বীকার করেছেন, ইসরায়েলের পদক্ষেপের কারণেই ওয়াশিংটন এই সংঘাতে সরাসরি জড়াতে বাধ্য হয়েছে। তিনি জানান, ইসরায়েলের হামলার পর মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি আক্রমণ ঠেকাতে তারা আগেই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সামরিক অভিযানকে তার দীর্ঘ ৪০ বছরের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন

কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর তেহরানের ঘনিষ্ঠ দুই কূটনৈতিক মিত্র রাশিয়া এবং চীন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তবে তারা এখন পর্যন্ত ইরানকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিকে হত্যাকে “মানবিক ও নৈতিক সব নিয়মের নির্মম লঙ্ঘন” বলে আখ্যা দেন। একই সময়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সারের সঙ্গে ফোনালাপে বলেন, শক্তি প্রয়োগে কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না এবং তিনি সব পক্ষকে উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান জানান। রাশিয়া ও চীন যৌথভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানেরও দাবি জানিয়েছে। এসব পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায় যে ইরান, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তিন দেশ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে আসছে এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের সম্পর্ক জোরদার করেছে। কৌশলগত অংশীদার, কিন্তু সামরিক জোট নয় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়া ও ইরান একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে। এতে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও শিক্ষা খাতে সমন্বয় জোরদারের কথা বলা হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ গোয়েন্দা ও সামরিক সমন্বয়ও বাড়ায় এবং ইরানের মাধ্যমে রাশিয়াকে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করার পরিবহন করিডর প্রকল্পে কাজ শুরু করে। সম্প্রতি ভারত মহাসাগর এলাকায় দুই দেশ যৌথ নৌ-মহড়াও চালিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই চুক্তিতে পারস্পরিক সামরিক প্রতিরক্ষার বাধ্যবাধকতা নেই। অর্থাৎ কোনো এক দেশ যুদ্ধের মুখে পড়লে অন্য দেশকে সরাসরি সামরিকভাবে অংশ নিতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা এতে নেই। রুশ বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া সরাসরি ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না, কারণ এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মস্কো নতুন কোনো বড় সংঘাতে জড়াতে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। চীন-ইরান সম্পর্কের সীমা ২০২১ সালে চীন ও ইরান ২৫ বছরের একটি সহযোগিতা চুক্তি করে, যার মাধ্যমে জ্বালানি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বাড়ানো হয় এবং ইরানকে চীনের “বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগে” যুক্ত করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেও সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে পরিষ্কার সীমা রেখেছে। চীনের নীতিগত অবস্থান হলো অন্য দেশের সংঘাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করা। এ কারণে চীন সম্ভবত কূটনৈতিক উদ্যোগ ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করবে। একই সঙ্গে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কেপলারের হিসাব অনুযায়ী, ইরানের মোট অপরিশোধিত তেলের রপ্তানির প্রায় ৮৭ শতাংশই চীনে যায়। ফলে অর্থনৈতিকভাবে চীন ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার। তবে চীনের বিশাল বৈশ্বিক বাণিজ্যের তুলনায় ইরান অপেক্ষাকৃত ছোট অংশীদার। বিশ্লেষকদের মতে, এই বাস্তবতা বিবেচনায় বেইজিং মূলত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিলে চীনের জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, রাশিয়া ও চীন ইরানের প্রতি কূটনৈতিক সমর্থন দিলেও সরাসরি সামরিক সহায়তার পথে হাঁটতে চাইছে না। তারা মূলত আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপ সৃষ্টি, মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে।