উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ৪ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ৪ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ৪ টি অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খসড়াগুলোর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত চারটি অধ্যাদেশ হলো দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ-২০২৫, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫। বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, নতুন অধ্যাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে জড়িতদের নিয়মিত সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। রাজউক আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারাদেশে ভবন নির্মাণে শৃঙ্খলা আনতে রাজউকের মতো কোনো প্রতিষ্ঠান করা যায় কি না, সে ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট নিরসন প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ২০১৭ সাল থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নিলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর থাকত। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে পরের সরকারগুলো সেসবের ফল পাবে।
টেস্ট সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

টেস্ট সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে রঙিন পারফরম্যান্সের পর এবার টাইগারদের সামনে সাদা বলের চ্যালেঞ্জ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। ম্যাচটি শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে রঙিন পারফরম্যান্সের পর এবার টাইগারদের সামনে সাদা বলের চ্যালেঞ্জ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়। বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে যথারীতি তানজিদ হাসান তামিম এবং সাইফ হাসানকে দেখা যাবে। তিন নম্বরে লিটন দাস, চার নম্বরে দেখা যেতে পারে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে। পাঁচে জাকের আলি অনিককে খেলানো হতে পারে। স্পিন নির্ভর একাদশ গড়তে পারে বাংলাদেশ। একাদশে দেখা যেতে পারে নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেনকে। দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ : বাংলাদেশ : তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান। আয়ারল্যান্ড : পল স্টার্লিং (অধিনায়ক), হ্যারি টেক্টর, গ্যারেথ ডিলানি, লরকান টাকার (উইকেটরক্ষক), কার্টিস ক্যাম্ফার, জর্জ ডকরেল, ম্যাথু হামফ্রেস, মার্ক অ্যাডায়ার, জশ লিটল, ব্যারি ম্যাককার্থি, ক্রেইগ ইয়ং।
চিকিৎসকের নিষেধ সত্ত্বেও চোট নিয়ে অনুশীলনে নেইমার

চিকিৎসকের নিষেধ সত্ত্বেও চোট নিয়ে অনুশীলনে নেইমার সামনেই বিশ্বকাপের মতো বড় আসর। এর মধ্যেই নতুন করে বাঁ পায়ের মেনিস্কাস (হাঁটুর সংযোগস্থলে) ইনজুরিতে পড়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। যে কারণে তাকে অনুশীলনের সময় ধারাবাহিক ব্যথা ও অস্বস্তিতে থাকতে হচ্ছে। এই সমস্যা কাটাতে নেইমারকে সার্জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছে সান্তোসের মেডিকেল বিভাগ। এছাড়া, এই মুহূর্তে তাকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন ক্লাবটির চিকিৎসকরা। কিন্তু তা অমান্য করেই অনুশীলনে হাজির নেইমার। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, চিকিৎসক, সান্তোস ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং ব্যক্তিগত স্টাফদের কাছ থেকে খেলা বন্ধ রাখার পরামর্শ পেয়েছেন নেইমার। একইসঙ্গে তারা মেনিস্কাস অঞ্চলের চোট দ্রুততম সময়ে সারাতে অ্যান্থ্রোস্কপি (হাঁটুর সংযোগস্থলে সার্জারি) করারও নির্দেশনা দেন। সার্জারি করলে ২০২৫ সালে আর খেলা হবে না সাবেক এই বার্সেলোনা ও পিএসজি ফরোয়ার্ডের। বর্তমানে ব্রাজিলিয়ান লিগ সেরি এ’তে রেলিগেশনের ঝুঁকিতে থাকা সান্তোসের আরও তিন ম্যাচ বাকি। নেইমারের সেসব ম্যাচে খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রবল। শুক্রবার স্পোর্ট রেসিফে’র বিপক্ষে ম্যাচ আছে ক্লাবটির। ম্যাচটিতে খেলতে চান নেইমার। সেই লক্ষ্যে আজ ক্লাবের সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনেও যোগ দিয়েছেন নেইমার। সান্তোসের জন্য শেষ ৩টি ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ, এই বাধা টপকাতে না পারলে তারা অবনমন হয়ে দ্বিতীয় স্তরের লিগ সেরি বি’তে নেমে যাবে। আর তাই চোট আরও বড় আকার ধারণ করার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও খেলতে চান নেইমার। এর আগে বুধবার নেইমারের পায়ে কিছু পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছিলেন সান্তোসের সভাপতি মারসেলো টেক্সেইরা। তারকা ফুটবলারের হাঁটুর অবস্থা জানতে এই পরীক্ষা নিয়মিতভাবে চালিয়ে যেতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে এরই মাঝে বাঁ পায়ের হাঁটুতে সুরক্ষা বন্ধনী পরে অনুশীলন করেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। যদিও গণমাধ্যমের প্রশ্ন এড়াতে নেইমার সতীর্থদের আগেই মাঠ ছেড়ে যান। বর্তমান পরিস্থিতিতে নেইমারের অ্যান্থ্রোস্কপি না করালে চোটের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আর এই সার্জারি করালে চোট পুনর্বাসনে সময় লাগতে পারে এক মাসের মতো। এদিকে, ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি সাফ জানিয়েছেন, নেইমারের ২০২৬ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকতে হলে পুরো ফিট থাকতে হবে। নতুন চোট তার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা হতে পারে। সবমিলিয়ে ২০২৫ সালে মোট চারবার ইনজুরিতে পড়েছেন নেইমার। এর আগে জানুয়ারিতে তিনি সান্তোসে যোগ দেন। মার্চে বাঁ পায়ের ঊরুতে চোটের কারণে তিনি ঘরোয়া লিগ পোলিস্তায় সেমিফাইনাল ম্যাচ মিস করেন। এপ্রিলে আবারও একই পায়ের মাংসপেশির চোটে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন তিনি। সেপ্টেম্বরে গ্রেড-২ চোট, এবার ডান পায়ের ঊরুতে এবং সর্বশেষ নভেম্বরে বাঁ পাঁয়ের হাঁটুতে। ইনজুরিতে এভাবে যাওয়া-আসার কারণে পুরো বছরে ২৫টি ম্যাচ খেলতে পেরেছেন নেইমার, করেছেন ৭টি গোল। যা তার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে!
রেট্রো লুকে আলিয়া, নতুন অবতারে রণবীর

রেট্রো লুকে আলিয়া, নতুন অবতারে রণবীর বলিউডের অন্যতম নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বনশালি মানেই পর্দায় রাজকীয় কারবার। তার আসন্ন সিনেমা ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের পারদ তাই আগে থেকেই উঁচুতে। আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশল এই ত্রয়ীকে এক ফ্রেমে দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছেন সিনেমাপ্রেমীরা। সেই অপেক্ষার মাঝে শুটিংয়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আলিয়ার রেট্রো লুক আর রণবীরের নতুন অবতার নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে চলছে আলোচনা। সম্প্রতি আইফার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে শেয়ার করা বেশ কিছু ছবিতে দেখা যায়, শুটিংয়ের ফাঁকে দৃশ্যের মহড়া দিচ্ছেন রণবীর ও আলিয়া। পাশেই দাঁড়িয়ে কড়া নির্দেশনায় ব্যস্ত পরিচালক বনশালি। ছবিতে আলিয়ার সাজপোশাকে ফুটে উঠেছে আশির দশকের ধ্রুপদী নায়িকাদের ছায়া। তার এই লুক দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। অনেকেই আলিয়ার মাঝে খুঁজে পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের প্রতিচ্ছবি। এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘দুজনকে দেখে যেন রাজ কাপুর আর শর্মিলা ঠাকুর মনে হচ্ছে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘বনশালির ম্যাজিক দেখার জন্য আর তর সইছে না।’ রণবীর কাপুর এই ছবিকে নিজের ‘ড্রিম প্রজেক্ট’ হিসেবেই দেখছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বনশালির সেটে কাজ করা শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর হলেও, শিল্পী হিসেবে তা পরম তৃপ্তির।
বিয়ে বাড়িতে গেয়ে কত নিলেন জেনিফার লোপেজ?

বিয়ে বাড়িতে গেয়ে কত নিলেন জেনিফার লোপেজ? জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা জেনিফার লোপেজ ভারতের উদয়পুরে অনুষ্ঠিত একটি জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে বেশ আলোচনায় এসেছেন। ইউএস-ভিত্তিক ব্যবসায়ী রামা রাজু মানতেনার মেয়ে নেত্রা মানতেনা এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ভামসি গাদিবাজুর বিয়েতে তার পরিবেশনার ভিডিওগুলো সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এবার তার পারিশ্রমিকের অঙ্ক সামনে এসেছে। ‘পেজ সিক্স’ এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫৬ বছর বয়সী এই শিল্পীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে লোপেজ কোনো কনসার্টে নয়, বরং ব্যক্তিগত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন। সেখানে গান পরিবেশন করে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৭ কোটি ৮৬ লাখ (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি) টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। পারফরম্যান্সে জেনিফার লোপেজ তার জনপ্রিয় গান, যেমন- ‘ওয়েটিং ফর টুনাইট’, ‘গেট রাইট’ ইত্যাদি পরিবেশন করেন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে তার প্রাণবন্ত পরিবেশনা ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পারফরম্যান্স শেষে তিনি নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গ্লাস তুলে বলেন, “এই সুন্দর দিনে এই পরিবারগুলো একত্রিত হোক, এবং ঈশ্বর আমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন।” এদিকে জেনিফারের বিয়ে বাড়িতে অনুষ্ঠান ঘিরে এক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে হয়েছে তার পোশাক নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে ভারতের বিয়ের অনুষ্ঠানে ছোট পোশাক পরিধানকে ভালোভাবে নেয়নি অনেক নেটিজেনরাই। এদিন শিল্পীর পরনে ছিল একটি স্ফটিক-খচিত হাই-কাট বডিস্যুট, ম্যাচিং জ্যাকেট এবং হাঁটু সমান বুট। এই বিয়েতে জেনিফার লোপেজ ছাড়াও বিশ্বের আরও কয়েকজন বিখ্যাত ডিজে এবং সংগীতশিল্পী পারফর্ম করেছেন, যার মধ্যে রয়েছেন ডিজে টিয়েস্টো ও ব্ল্যাক কফি। এছাড়াও বলিউড থেকে রণবীর সিং, শাহিদ কাপুর, কৃতি স্যানন এবং জাহ্নবী কাপুরের মতো তারকারাও পারফর্ম করেন। বিয়েতে কনে নেত্রা মানতেনা হলেন অরল্যান্ডোভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইনজেনাস ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান ও সিইও রাম রাজু মানতেনার কন্যা। যদিও কিছু প্রতিবেদনে তাকে বিলিয়নিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় তার নাম নেই। অন্যদিকে, বর ভামসি গাডিরাজু একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং তার কোম্পানির আনুমানিক মূল্য ১৮ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২০৮ কোটি টাকা)। তিনি ২০২৪ সালে ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন।
শীতে খেজুর খাওয়ার ৬ উপকারিতা

শীতে খেজুর খাওয়ার ৬ উপকারিতা শীতকাল শুরু হলেই আমাদের শরীরে উষ্ণতা, শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির আরও বেশি প্রয়োজন হয়। স্যুপ এবং চা সবার মনোযোগের কেন্দ্রে থাকলেও শীতকালীন খাবারের তালিকায় একটি সাধারণ ফল রয়েছে। সেটি হলো খেজুর। প্রকৃতির মিষ্টি হিসেবে পরিচিত খেজুর কেবল মিষ্টি ফলই নয়; এটি ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর পুষ্টির শক্তি। খেজুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে হজমে সহায়তা করা পর্যন্ত, এই শীতে আপনার শরীরকে নানাভাবে উপকারিতা দিতে পারে খেজুর। চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. প্রাকৃতিক শক্তি বৃদ্ধিকারী ছোট দিন এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায় আমারা অনেকেই অলস বোধ করি। খেজুর গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করায় সমৃদ্ধ, যা দ্রুত শক্তির একটি চমৎকার উৎস। পরিশোধিত চিনির বদলে এই প্রাকৃতিক শর্করায় ফাইবার থাকে, যা শোষণকে ধীর করে দেয় এবং হঠাৎ রক্তে শর্করার বৃদ্ধি রোধ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (USDA) অনুসারে, ১০০ গ্রাম খেজুর প্রায় ২৭৭ ক্যালোরি এবং ৭৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে। ২. শীতকালীন অসুস্থতার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠান্ডা আবহাওয়া সর্দি এবং ফ্লু নিয়ে আসে। খেজুর ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারোটিনয়েড এবং ফেনোলিক অ্যাসিডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এই যৌগগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। খেজুরে ভিটামিন বি৬ থাকে, যা মস্তিষ্ক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কার্যকারিতা বজায় রাখে। নিয়মিত খেজুর খেলে তা শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে মৌসুমী অসুস্থতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩. হজম স্বাস্থ্য এবং অন্ত্রের সহায়তা শীতের খাবারে অনেক সময় হাইড্রেশন এবং ফাইবারের অভাব থাকে, যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। খেজুর খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস (প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৭ গ্রাম), যা অন্ত্রের গতি বাড়ায় এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে। রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ২১ দিন ধরে প্রতিদিন সাতটি খেজুর খেলে মলের ফ্রিকোয়েন্সি উন্নত হয় এবং কোলনে ক্ষতিকারক বিপাক কমে। ৪. হাড়ের শক্তি এবং জয়েন্টের স্বাস্থ্য ঠান্ডা আবহাওয়া জয়েন্টের ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যাওয়াকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। খেজুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য জয়েন্টের অস্বস্তি কমাতেও সাহায্য করে, যা আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ৫. হৃদরোগ এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ খেজুরে পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদরোগের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল এবং প্রদাহও কমায়। যার ফলে শীতের মাসগুলোতে হৃদরোগের সমস্যার ঝুঁকি কমে। ৬. ত্বক এবং চুলের উপকারিতা শুষ্ক ত্বক এবং নিস্তেজ চুল শীতের সাধারণ সমস্যা। খেজুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিনে ভরপুর যা স্বাস্থ্যকর ত্বক এবং চুল বজায় রাখে। এর পুষ্টিগুণ কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে, যা ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয়।
‘ক্যাশুনাট সালাদ’ এভাবে বানিয়েছেন কখনও?

‘ক্যাশুনাট সালাদ’ এভাবে বানিয়েছেন কখনও? ভিটামিন, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল, জিঙ্কসমৃদ্ধ সালাদ ক্যাশুনেট সালাদ বা কাজুবাদামের সালাদ। পুষ্টিগুণে ভরা এই সালাদ বানানোর রেসিপিটি জেনে নিন। উপকরণ মুরগির মাংস (হাড়ছাড়া): দেড় কাপ কর্নফ্লাওয়ার: ২ টেবিল চামচ লবণ: স্বাদমতো রসুনবাটা: আধা চা–চামচ আদাবাটা: আধা চা–চামচ প্যাপরিকা বা লাল মরিচগুঁড়া: আধা চা–চামচ ডিম: ১টি তেল: পরিমাণমতো কাজুবাদাম: এক কাপ সয়াসস: ১ টেবিল চামচ ওয়েস্টার সস: ১ টেবিল চামচ ভিনেগার: আধা চা–চামচ সিসিমি অয়েল: আধা চা–চামচ চিলি সস: আধা কাপ টমেটোর সস: আধা কাপ গোলমরিচের গুঁড়া: স্বাদমতো চিনি: সামান্য লাল ও সবুজ ক্যাপসিকাম: ৩ কাপ পেঁয়াজকুচি: দেড় কাপ কাঁচা মরিচ: স্বাদমতো ধনিয়াপাতা: আধা কাপ লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ প্রথম ধাপ প্রথমে মুরগির মাংস এক থেকে দেড় ইঞ্চি আকারে টুকরো করে নিন। এবার এর সঙ্গে কর্নফ্লাওয়ার, লবণ, রসুনবাটা, আদাবাটা, প্যাপরিকার গুঁড়া ও ডিম মেখে নিতে হবে।তারপর ২০ মিনিট রেস্টে রেখে দিন। দ্বিতীয় ধাপ এ পর্যায়ে একটি প্যানে পরিমাণমতো তেল গরম করে নিন। এতে মুরগির মাংসের টুকরোগুলো হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। তৃতীয় ধাপ কাজুবাদাম দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন। ভাজা শেষে তুলে রাখুন। চতুর্থ ধাপ এ পর্যায়ে একটি পাত্রে চিলি সস, টমেটোর সস, সয়া সস, ওয়েস্টার সস, গোলমরিচের গুঁড়া, ভিনেগার, সেসিমি অয়েল আর চিনি ভালো করে মিশিয়ে নিন। চাইলে সসের মিশ্রণে সিকি কাপ পানিও মিশিয়ে নিতে পারেন। পুরো মিশ্রণটি কম আঁচে কয়েক মিনিট গরম করে নিতে পারেন। শেষ ধাপ সবজিগুলো দেড় ইঞ্চি করে কিউব করে কেটে নিন। এক টেবিল চামচ তেলে সবজিগুলো উচ্চ তাপে কয়েক মিনিটের জন্য ভেজে নিন। বেশিক্ষণ কিন্তু চুলায় রাখা যাবে না। কাঁচা গন্ধ দূর হয়ে গেলেই তুলে ফেলুন। এবার একটি পাত্রে সবজি, ভেজে রাখা মাংস, কাজুবাদাম, সসের মিশ্রণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। উল্লেখ্য, ইচ্ছা থাকলে চিংড়ি ও মাশরুম যোগ করতে পারেন। এতে স্বাদ বাড়বে। ড্রেসিং মেশানোর পর সঙ্গে সঙ্গে সালাদ পরিবেশন করুন। নয়তো চিকেন আর ক্যাশুনাটের মুচমুচে ভাব চলে যাবে।
যে চুক্তির মাধ্যমে স্বর্ণ জমানো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল

যে চুক্তির মাধ্যমে স্বর্ণ জমানো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল স্বর্ণ জমানোর ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার সম্পদ জমানোর প্রথম দিকের উদাহরণ। এটি ক্ষমতা, পবিত্রতা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সাথে জড়িত। ঊনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীতে বিশ্বের অনেক দেশ তাদের মুদ্রার মান সরাসরি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণের মূল্যের সাথে বেঁধে দেয়। এর ফলে স্বর্ণকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে একটি দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তির প্রতীক হিসেবে জমানো হতো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক স্থানে ১৯৪৪ সালের ‘ব্রেটন উডস চুক্তি’-এর মাধ্যমে মার্কিন ডলারকে স্বর্ণের বিপরীতে নির্দিষ্ট মূল্যে স্থির করা হয়। ৪৪টি দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে যোগ দেয়। এর লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পুনর্গঠনের জন্য একটি কাঠামো তৈরি করা। এবং অন্যান্য দেশের মুদ্রা ডলারের সাথেও মূল্য স্থির করা হয়। এর ফলে ডলার বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হয়ে ওঠে এবং বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রচুর পরিমাণে ডলারের পাশাপাশি স্বর্ণও জমা রাখতে শুরু করে। ১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘ব্রেটন উডস চুক্তি’ অনুযায়ী নির্ধারিত স্বর্ণমাণ ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করে। এরপর থেকে স্বর্ণের দাম বাজারের চাহিদা ও যোগানের ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করে। বর্তমানে ব্যক্তি, বিনিয়োগকারী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলার জন্য স্বর্ণ জমায়। যেমন—যুদ্ধ, মহামারী বা অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ জমিয়ে রাখে। এই ব্যবস্থা মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাও দেয়।
বেবি’স ডে আউট: বাস্তবে একটি শিশুর চরিত্রে দুই শিশু ছিল

বেবি’স ডে আউট: বাস্তবে একটি শিশুর চরিত্রে দুই শিশু ছিল আমেরিকান কমেডি চলচ্চিত্র ‘বেবি’স ডে আউট’। এটি পরিচালনা করেছিলেন প্যাট্রিক রিড জনসন, লিখেছিলেন জন হিউজেস। চলচ্চিত্রটি দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে একটি ক্লাসিক কমেডি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে বেনিংটন অস্টিন ‘বিঙ্ক’ কটওয়েল চতুর্থ নামের এক নয় মাস বয়সী শিশুকে ঘিরে। সিনেমাটি হয়তো আপনিও দেখেছেন। কিন্তু জানেন কী, যেই শিশুটিকে আমরা পর্দায় দেখেছি—সেই একই চরিত্রে অভিনয় করেছে জমজ দুই ভাই। তারা হলেন জ্যাকব জোসেফ ও অ্যাডাম রবার্ট ওর্টন। তখন তাদের বয়স ছিলো নয় মাস। সে সময় দুইজনের চেহারা দেখতে হু বহু একই রকম ছিলো। যেকারণে পর্দায়ও তাদেরকে একজনই মনে হয়েছে। সিনেমার কাহিনীতে দেখা যায়, শিকাগোর শহরতলির এক ধনী পরিবারে বসবাসকারী এক শিশুকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করে তিন ব্যক্তি। তারা শিশুটির ছবি তোলার ভান করে তারা বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাকে অপহরণ করে। কিন্তু শিশু বিঙ্ক অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এরপর সে তার প্রিয় রূপকথার বই ‘Baby’s Day Out’ এ বর্ণিত জায়গাগুল ঘুরে দেখতে শুরু করে। এবং অপরহনকারীদের বার বার বোকা বানায়। শেষ পর্যন্ত, পুলিশ তাকে খুঁজে পায় এবং সে তার পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরে আসে।