আপিলের প্রথম দিনে ইসিতে ৪২ আবেদন জমা

আপিলের প্রথম দিনে ইসিতে ৪২ আবেদন জমা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ শুরু হয়েছে। আপিল গ্রহণের প্রথম দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মোট ৪২টি আবেদন জমা পড়েছে। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এসব আবেদন জমা দেওয়া হয়। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ৪১টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে একটি আপিল আবেদন রয়েছে। যেসব আসনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সেগুলো হলো-১৬ লালমনিরহাট-১ (১টি), ১৯ রংপুর-১ (১টি), ২২ রংপুর-৪ (১টি), ৩৮ বগুড়া-৩ (১টি), ৪৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (১টি), ৫৬ রাজশাহী-৫ (১টি), ৫৮ নাটোর-১ (১টি), ৮৯ যশোর-৫ (১টি), ৯৩ নড়াইল-১ (১টি), ৯৫ বাগেরহাট-১ (১টি), ১০৪ খুলনা-৬ (১টি), ১১৩ পটুয়াখালী-৩ (১টি), ১৩০ টাঙ্গাইল-১ (১টি), ১৬২ কিশোরগঞ্জ-১ (১টি), ১৬৫ কিশোরগঞ্জ-৪ (১টি), ১৭৩ মুন্সীগঞ্জ-৩ (১টি), ১৭৬ ঢাকা-৩ (২টি), ১৮২ ঢাকা-৯ (১টি), ১৯১ ঢাকা-১৮ (১টি), ১৯৪ গাজীপুর-১ (১টি), ১৯৫ গাজীপুর-২ (১টি), ১৯৬ গাজীপুর-৩ (১টি), ১৯৮ গাজীপুর-৫ (২টি), ১৯৯ নরসিংদী-১ (১টি), ২০২ নরসিংদী-৪ (১টি), ২০৭ নারায়ণগঞ্জ-৪ (১টি), ২১৪ ফরিদপুর-৪ (১টি), ২১৬ গোপালগঞ্জ-২ (১টি), ২১৯ মাদারীপুর-২ (১টি), ২২১ শরীয়তপুর-১ (৩টি), ২২৩ শরীয়তপুর-৩ (১টি), ২৪৯ কুমিল্লা-১ (১টি), ২৫৭ কুমিল্লা-৯ (১টি), ২৬১ চাঁদপুর-২ (১টি), ২৬৫ ফেনী-১ (১টি), ২৮৮ চট্টগ্রাম-১১ (১টি) এবং ২৯৫ কক্সবাজার-২ (১টি)। ২৪৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ১টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৪০৬টি, মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল ২ হাজার ৫৬৮টি। বাছাইয়ে বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৮৪২টি। আর বাতিল হয়েছে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র। সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ঢাকা অঞ্চলে, ১৩৩টি। সবচেয়ে কম বাতিল হয়েছে বরিশাল অঞ্চলে, ৩১টি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে জানানো হয়, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময়সীমা ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে। সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময় সূচি অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি।নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

ছুটির তালিকা সংশোধনের আহ্বান প্রাথমিক শিক্ষকদের

ছুটির তালিকা সংশোধনের আহ্বান প্রাথমিক শিক্ষকদের আসন্ন রমজানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও অংশগ্রহণের বাস্তবতা বিবেচনায় ছুটির তালিকা সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এ আহ্বান জানায়। আজ সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বায়ক মো. আবুল কাসেম, মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ, খায়রুন নাহার লিপি ও মু. মাহবুবর রহমানের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। ওই যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওশন আরা পলির স্বাক্ষর করা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তবে দাপ্তরিকভাবে এই ছুটির তালিকার সত্যতা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। যদি প্রকাশিত ছুটির তালিকাটি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে কিছু অসংগতি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা কর্তৃপক্ষের অনিচ্ছাকৃত ভুল বা প্রিন্টিং জটিলতার কারণে হতে পারে। এতে আরো বলা হয়, অতীত বছরগুলোতে শুক্র ও শনিবার ছুটির তালিকায় ‘শূন্য দিন’ হিসেবে গণনা করা হতো। চলতি ছুটির তালিকাতেও ২, ৬, ১৩, ২০, ২২ ও ২৩ নম্বর ক্রমিকে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় শূন্য দিন ধরা হয়েছে। তবে একই ছুটির তালিকার ৮ নম্বর ক্রমিকে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটির মধ্যে দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবারকে ছুটির দিন হিসেবে গণনা করা হয়েছে। আবার ২৮ নম্বর ক্রমিকে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘোষিত ১০ দিনের ছুটির মধ্যেও শুক্র ও শনিবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ৮ নম্বর ক্রমিকে ৪ দিন এবং ২৮ নম্বর ক্রমিকে ২ দিন করে মোট ৬ দিন শুক্র ও শনিবার ছুটির দিন হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এই অসামঞ্জস্যের কারণে শিক্ষক সমাজ ও সচেতন অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা মনে করে, এ ধরনের বিভ্রান্তি অনভিপ্রেত এবং দ্রুত সংশোধন করা প্রয়োজন। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, রমজান মাস মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র মাস। এ সময় সিয়াম পালন করে শ্রেণি পাঠদান করা শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। একই সঙ্গে অনেক প্রাথমিক শিক্ষার্থীও রোজা রেখে বিদ্যালয়ে আসে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিকভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধিকাংশ শিক্ষক নারী হওয়ায় বিদ্যালয়ের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে ইফতার প্রস্তুতির বিষয়টিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ ছুটির তালিকাটি বাস্তবতা ও ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন করে পুনরায় প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

এনইআইআর নিয়ে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি, মোবাইল ব্যবহারকারীদের সতর্ক করলো বিটিআরসি

এনইআইআর নিয়ে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি, মোবাইল ব্যবহারকারীদের সতর্ক করলো বিটিআরসি মোবাইল ফোনের এনইআইআর সেবা নিয়ে সবাইকে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ সেবা গ্রহণ করার জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইট ব্যবহার করার জন্য বলা হয়েছে। আজ সকালে বিটিআরসিস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এনইআইআর সংক্রান্ত সকল সেবা গ্রহণের জন্য শুধুমাত্র বিটিআরসির নির্ধারিত ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হলো। বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অননুমোদিত কোনো ওয়েবসাইট বা লিংকের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না। বিভ্রান্তিকর কোনো লিংকের মাধ্যমে এনইআইআর সেবা গ্রহণে কোনো রকম ফি প্রদান করবেন না। বিনামূল্যে এনইআইআর সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপন শুরু করেছিলেন যে সম্রাট

‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপন শুরু করেছিলেন যে সম্রাট থার্টি ফার্স্ট নাইট হলো গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ৩১শে ডিসেম্বরের শেষ রাত। এই রাতে নতুন বছরের প্রথম প্রহরকে স্বাগত জানানো হয়। শুরুটা হয়েছিলো পাশ্চাত্য খ্রিস্টীয় সংস্কৃতিতে, পরবর্তীতে দেশে দেশে শুরু হয় থার্টি ফার্স্ট উদযাপন। এই দিবস পালন প্রথম প্রবর্তন করেন জুলিয়াস সিজার। তিনি ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের পরে নববর্ষ পালনের ক্ষণটি নির্দিষ্ট করেন। যদিও বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে একটি বৈশ্বিক উৎসবের রূপ নিয়েছে, অনেকেই পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেন নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে। এক নজরে জুলিয়াস সিজারের জীবনী জুলিয়াস সিজার ছিলেন রোমান ইতিহাসের এমন এক চরিত্র- যার ব্যক্তিত্বে প্রতিফলিত হতো ভক্তি ও বিদ্বেষ, শ্রদ্ধা, আতঙ্ক—ও ভালোবাসা। তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যাকে উপেক্ষা করা সম্ভব ছিলো না। পরাজিত শত্রুদের তিনি ক্ষমা করতেন, সুযোগ দিতেন, এমনকি বহু শত্রুকেই পরে নিজের প্রশাসনে জায়গা করে দিতেন। কিন্তু এই উদারতা তাকে নিরাপদ করেনি। বরং অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, ‘‘সিজারের ক্ষমাশীলতাই শেষ পর্যন্ত তার হত্যার পথ প্রশস্ত করেছিল—কারণ যাদের তিনি ক্ষমা করেছিলেন, তাদের মধ্য থেকেই অনেকেই ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল।’’ সিজারের সৈন্যরা তাকে গভীরভাবে ভালোবাসত ও শ্রদ্ধা করত। তিনি শুধু একজন সেনানায়কই ছিলেন না; তিনি ছিলেন সংগঠক, মনস্তত্ত্ববিদ এবং অনুপ্রেরণার উৎস। রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে সিজারের প্রতিভা ছিল অসাধারণ। প্রশাসন পরিচালনা, যুদ্ধ পরিকল্পনা, জনসমর্থন আদায় এবং নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য। আধুনিক অর্থে যাকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলা হয়, সিজার তা দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতেন—নিজের লেখা ও ভাষণের মাধ্যমে তিনি নিজেকেই ইতিহাসের নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা বলেন, ‘‘সিজারের মানবিকতাই তার রাজনৈতিক বাস্তবতাবোধকে কখনো কখনো দুর্বল করে তুলেছিল।’’ সাহিত্যিক হিসেবেও সিজার ব্যতিক্রমী। তার লেখা Commentaries on the Gallic War এবং Civil War শুধু ঐতিহাসিক দলিলই নয়, বরং ল্যাটিন সাহিত্যের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ভাষা ছিল সংযত, স্পষ্ট ও শক্তিশালী—অতিরঞ্জনহীন, অথচ গভীরভাবে প্রভাবশালী। যদিও এসব রচনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল, তবুও সাহিত্যগুণে সেগুলো অনন্য। সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল সিজারের অশেষ কর্মশক্তি। শারীরিক ও মানসিক—উভয় দিক থেকেই তিনি ছিলেন অদম্য। যুদ্ধের ময়দান, প্রশাসনিক সভা, দীর্ঘ সফর ও লেখালেখি—সবকিছু তিনি একসঙ্গে সামলাতে পারতেন। যুদ্ধ চলাকালীনও তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তার প্রাণশক্তির প্রকাশ ছিল স্পষ্ট। প্রেমের কারণে তিনি সমালোচিত হয়েছেন, বিশেষ করে মিসরের রানি ক্লিওপেট্রার সঙ্গে তার সম্পর্ক রোমের অভিজাতদের মধ্যে সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি করেছিল। এই সম্পর্ক রাজনৈতিকভাবেও তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। সূত্র: ব্রিটানিকা

দুই সন্তান থাকলে নারীদের মানসিক রোগের ঝুঁকি কমে: গবেষণা

দুই সন্তান থাকলে নারীদের মানসিক রোগের ঝুঁকি কমে: গবেষণা নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে দুটি সন্তান থাকা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। চীনের সুচাউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল যুক্তরাজ্যের ৫৫ হাজারেরও বেশি নারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, যেসব নারীর সন্তান রয়েছে—বিশেষ করে দুটি সন্তান, তাদের মধ্যে বাইপোলার ডিসঅর্ডার ও বিষণ্নতার মতো গুরুতর মানসিক রোগের ঝুঁকি সন্তানহীন নারীদের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘জার্নাল অব অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার্স’-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, সন্তানের সংখ্যা শূন্য থেকে দুই পর্যন্ত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক রোগের ঝুঁকি ধাপে ধাপে হ্রাস পায়। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, সন্তানের সংখ্যা দুইয়ের বেশি হলে এই সুরক্ষামূলক প্রভাব আর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে না; বরং তা স্থিতিশীল হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘‘এই মানসিক সুরক্ষার পেছনে রয়েছে জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক—উভয় ধরনের কারণ।গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এসব হরমোন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং আবেগ ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘমেয়াদে এই হরমোনগত পরিবর্তনগুলো মুড ডিসঅর্ডারের বিরুদ্ধে একটি প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করতে পারে।’’ মা–শিশুর বন্ধন ও মানসিক তৃপ্তি সন্তান জন্মের পর মা ও নবজাতকের মধ্যকার নিবিড় আবেগী বন্ধন এবং শিশুর যত্ন নেওয়ার প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ‘ডোপামিন রিওয়ার্ড সিস্টেম’কে সক্রিয় করে। এর ফলে মায়ের মধ্যে গভীর মানসিক তৃপ্তি তৈরি হয়, যা বিষণ্নতা ও নেতিবাচক অনুভূতি দূরে রাখতে সহায়ক। দ্বিতীয় সন্তান হলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ‘‘দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে মায়েরা সাধারণত বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকেন। প্রথম সন্তানের সময় যে মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা থাকে, তা অনেকটাই কমে যায়। দৈনন্দিন রুটিনের পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায় উদ্বেগ ও মানসিক চাপও তুলনামূলকভাবে কম অনুভূত হয়।’’ বিশ্বজুড়ে যেখানে প্রজনন হার কমছে এবং একই সঙ্গে মানসিক রোগের প্রকোপ বাড়ছে—সেই বাস্তবতায় এই গবেষণার ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ। এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ‘‘১৬ থেকে ২৯ বছর বয়সী নারীদের একটি বড় অংশ মাঝারি থেকে মারাত্মক বিষণ্নতায় ভোগেন। এই প্রেক্ষাপটে দুটি সন্তানের মা হওয়া অনেক নারীর মানসিক সুস্থতার জন্য একটি শক্তিশালী রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে।’’

নতুন বছরে আর্থিক সফলতার জন্য যা করবেন

নতুন বছরে আর্থিক সফলতার জন্য যা করবেন আজ বছরের শেষ দিন। ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজলে আশা এবং সম্ভাবনায় ভরা একটি নতুন বছর শুরু হবে। ২০২৬ সাল আপনার জন্য হোক সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি প্রকাশের বছর। সফলতা কোনো জাদু নয়, এটি আপনার মানসিকতা, শক্তি এবং কর্মকে একত্রিত করে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়। নতুন বছরে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ হতে চাইলে আপনাকে কিছু কাজ নিয়মিত করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী করবেন- লক্ষ্য লিখে রাখুন : একটি ছোট জার নিন। কাগজের টুকরোতে ১০টি নির্দিষ্ট অর্থ লক্ষ্য লিখুন। সেগুলো ভাঁজ করে একটি জারে রাখুন, মুদ্রা বা স্ফটিক যোগ করুন। এই জারটি এমন জায়গায় রাখুন যেখানে আপনি প্রতিদিন এটি দেখতে পাবেন, যেমন আপনার কাজের ডেস্ক। এই সহজ প্রকাশ কৌশলটি আপনার মস্তিষ্ককে পুনর্জীবিত করতে সাহায্য করবে। ধীরে ধীরে আপনার অবচেতন মন অভাব থেকে প্রাচুর্যে পরিবর্তিত হবে, যা প্রত্যাশিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে কাজ করে। আয়নায় আত্মবিশ্বাস : প্রতিদিন সকালে, আপনি প্রস্তুত হওয়ার পর এবং কাজে বের হওয়ার আগে, আয়নায় নিজেকে দেখুন এবং তিনবার বলুন: আমি সাফল্যের যোগ্য। ২০২৬ সালে অর্থ উপার্জন করা আমার পক্ষে সহজ। শুধু এই কথা বলবেন না, বরং এতে বিশ্বাস করুন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলবে এবং কর্মক্ষেত্রে আপনার সর্বোত্তম প্রচেষ্টায় আপনাকে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতের নিজের প্রতি কৃতজ্ঞতা পত্র লিখুন : ১ জানুয়ারি, ২০২৬ সকালে, নতুন বছরে ধনী এবং সফল হওয়ার জন্য সঠিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে আপনার দিন শুরু করুন। এর একটি অংশের মধ্যে রয়েছে আপনার ভবিষ্যতের নিজের প্রতি কৃতজ্ঞতা পত্র লেখা, কঠিন সময়ে অটল থাকার জন্য নিজেকে ধন্যবাদ জানানো। এটি আপনাকে ২০২৬ সালে স্থির থাকতে এবং সফল হতে সাহায্য করবে। সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ুন : সঞ্চয়ের অভ্যাস আপনাকে মুহূর্তেই ধনী করে দেবে না ঠিকই, তবে এটি আপনাকে একজন সুসংগঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, সবকিছুই অভ্যাসের বিষয়। আপনি যখন প্রতিদিন অল্প করে হলেও সঞ্চয়ের অভ্যাস করবেন, তখন এটি আপনাকে আরও অনেক বিষয়ে গোছালো করে তুলবে। এছাড়া অল্প হলেও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন

নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন সুস্থতাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। এটি আপনি ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন যখন অসুস্থতা এসে আপনাকে গ্রাস করবে। অসুখে ভুগে ভুগে উপলব্ধি হওয়ার থেকে আগে থেকেই যদি নিজের প্রতি যত্নশীল হন, তাহলে সুস্থ থাকার পথ অনেকটাই সহজ হবে। নতুন বছরে সফল হতে চান, ধনী হতে চান, সবকিছুই ঠিক আছে। তবে সবার আগে সুস্থ থাকা জরুরি। কারণ শরীর সুস্থ থাকলে বাকিসব অর্জন সহজ হয়ে যায়। নতুন বছরে সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে এই কাজগুলো করতে হবে- স্বাস্থ্যকর খাবার খান : সুস্থতার জন্য সবার আগে জরুরি স্বাস্থ্যকর খাবার। খাবার যদি স্বাস্থ্যকর না হয় তাহলে অসুখ-বিসুখ আসার দরজা খুলে যাবে। কারণ আমরা প্রতিদিন যা খাই, সেসব খাবার থেকেই আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে। তাই খাবারে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না থাকলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও জোরদার হয় না। টাটকা ও স্বাস্থ্যকর নিয়মিত খেতে হবে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে। প্রয়োজনীয় ঘুম : ঘুম এমন একটি বিষয়, যা আমাদের বেশিরভাগই অবহেলা করি। সুস্থ থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের মতোই স্বাস্থ্যকর ঘুম জরুরি। রাতে আগে ঘুমিয়ে পড়া এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য প্রতি রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম জরুরি। রাতে বিছানায় যাওয়ার অন্তত ঘণ্টাখানেক আগে সব ধরনের ডিভাইস দূরে সরিয়ে রাখুন। এতে ঘুম ভালো হবে। অযথা রাত জাগবেন না। এতে স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শরীরচর্চা : আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই শরীরচর্চার প্রতি মনোযোগী নন। অনেকে আবার শরীরচর্চা বলতে বোঝেন কেবল জিমে গিয়ে ভারী ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে ব্যায়াম করা। আসলে এটি সঠিক নয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাইরে আধা ঘণ্টার মতো হাঁটলেও আপনার শরীরচর্চার কাজ অনেকটাই হয়ে যাবে। এছাড়া সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটাও ভালো ব্যায়াম হিসেবে কাজ করে। এছাড়া সময় ও সুযোগে মিললে জিমে গিয়েও শরীরচর্চা করতে পারেন। এতে শরীর সুস্থ থাকবে। ইতিবাচক থাকা : এটি মূলত দৃশ্যমান কোনো কাজ নয়। ইতিবাচকতা থাকতে হবে আপনার স্বভাবে। জীবনে চলার পথে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, নানাকিছু জমা হবে অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। আপনি যদি স্বভাব থেকে ইতিবাচকতা হারিয়ে ফেলেন তবে আপনারই ক্ষতি। কারণ নেতিবাচক স্বভাব আমাদের শরীর ও মনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আপনি যদি সবকিছুর মধ্য থেকে ইতিবাচকতা খুঁজে পান তাহলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে। মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকবে।

১ জানুয়ারি এতো মানুষের জন্মদিন কেন?

১ জানুয়ারি এতো মানুষের জন্মদিন কেন? পহেলা জানুয়ারি অনেককেই জন্মদিন পালন করতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমেও অনেকেই তাদের বন্ধুদের জন্মদিনের ‍শুভেচ্ছা জানান জানুয়ারির ১ তারিখে। বলা যায়, বাংলাদেশের নাগরিকদের বিশাল একটা অংশ জন্মদিন পালন করেন বছরের প্রথম দিনে। তবে সত্যি সত্যিই কি এই নাগরিকদের সবার জন্ম বছরের প্রথম দিনেই। কিন্তু একই দিকে এই বিশাল সংখ্যক নাগরিকের জন্মগ্রহণের বিষয়টি কি সত্যি নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রহস্য! আসুন জেনে নেওয়া যাক। জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন জরিপে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের জন্ম তারিখের ক্ষেত্রে জানুয়ারির এক তারিখের প্রাধান্য দেখা গেছে। শিশুদের নিয়ে কাজ করেন, এমন বিশেষজ্ঞরাও এই প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন। শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান বলেছেন, ‘বিষয়টি এমন না যে, জানুয়ারির এক তারিখে বেশির ভাগ শিশুর জন্ম হচ্ছে। আসলে এখনও আমাদের দেশের বেশির ভাগ শিশুর জন্ম হয় বাড়িতে, বিশেষ করে যারা গ্রামীণ এলাকায় থাকে। সেখানে এখনও শিক্ষার হার ততটা ভালো না। ফলে অভিভাবকরাও জন্ম নিবন্ধনের ব্যাপারে ততটা সতর্ক নন। তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্ম নিবন্ধনও সঠিকভাবে সঠিক তারিখে হয় না। বাড়িতে বা হাসপাতালে জন্ম নেয়া শিশুদেরও ঠিকভাবে নিবন্ধন হচ্ছে না। পরবর্তীতে যখন তারা স্কুলে ভর্তি হয় বা কোনো সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময় তার জন্ম তারিখটা দরকার হয়। তখন অনেক সময় স্কুলের শিক্ষকরা ইচ্ছামতো একটি তারিখ বসিয়ে দেন। নতুন করে জন্মদিন বসাতে গিয়ে তারা একটি কমন তারিখে জন্মদিন বসিয়ে দেন, যা সহজে মনে রাখা যায়। দেখা যায়, বেশির ভাগ সময়েই সেটা জানুয়ারির এক তারিখ হয়ে থাকে। এ কারণে দেখা যায় এখানে এটা খুবই কমন যে, মানুষের দুইটা করে জন্মদিন থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, ভারত-পাকিস্তান, নেপাল, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানেও এই প্রবণতা রয়েছে। তবে শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান বলছেন, অনেকের জন্ম তারিখ বানিয়ে দেয়া হলেও এই তারিখেও কিন্তু সত্যিকারে বাংলাদেশে অনেক শিশুর জন্ম হচ্ছে, যাদের জন্মদিন আসলেই ১ জানুয়ারি।

পছন্দমতো পরিবর্তন করা যাবে চ্যাটজিপিটির ব্যক্তিত্ব

পছন্দমতো পরিবর্তন করা যাবে চ্যাটজিপিটির ব্যক্তিত্ব এখন থেকে ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুসারে চ্যাটজিপিটির কথা বলার ধরন নমনীয় করা যাবে। ব্যবহারকারী চাইলে মডেলটিকে আরও বন্ধুসুলভ বা প্রাণবন্ত করে তুলতে পারবেন। চ্যাটবটটিকে পেশাদার রূপ দিতে নতুন ‘জিপিটি-৫.২’ সংস্করণ উন্মোচন করেছে ওপেনএআই। তবে এরইমধ্যে নতুন সংস্করণের কথা বলার ধরন নিয়ে অভিযোগ করেছেন কিছু ব্যবহারকারী। যাদের কাছে চ্যাটজিপিটির বর্তমান আচরণ রুক্ষ বা মেজাজি মনে হচ্ছে তারা চাইলে এখন থেকে নিজের পছন্দমতো চ্যাটবটের ব্যক্তিত্ব নিয়ন্ত্রণ বা বদলে নিতে পারবেন বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ওপেনএআই বলেছে, এখন থেকে চ্যাটবটের ব্যক্তিত্ব আরও সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। পার্সোনালাইজেশন সেটিংসে ‘ওয়ার্ম’, ‘এনথুজিয়াস্টিক’, ‘হেডার অ্যান্ড লিস্টস’ ও ‘ইমোজি’ নামের নতুন চারটি অপশন যোগ করেছে তারা। এ চারটি অপশনের প্রতিটিতে ‘মোর’, ‘লেস’ বা ‘ডিফল্ট’ নামের তিনটি মোডের যে কোনোটি বেছে নিতে পারবেন ব্যবহারকারী। ফলে চ্যাটজিপিটি ঠিক কতটা আন্তরিক হবে বা কতটা ইমোজি ব্যবহার করবে তা আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন। এক মাস আগেই ‘জিপিটি-৫.১’ সংস্করণে ‘বেইস স্টাইল অ্যান্ড টোন’ সেটিংসে ‘প্রফেশনাল’, ‘ক্যান্ডিড’ ও ‘কোয়ার্কি’ অপশন যোগ করেছিল ওপেনএআই। এখন নতুন ফিচারগুলো সেই সুবিধাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। এ নতুন কাস্টমাইজেশনের সুযোগ দেওয়ার মূল কারণ সম্ভবত এ বছরের শুরুর দিকে ওপেনএআইকে অপ্রীতিকর এক পরিস্থিতি মুখে পড়ার ঘটনা। তখন ‘জিপিটি-৪ও’-এর বদলে নতুন ‘জিপিটি-৫’ নিয়ে আসার পর ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। ওই সময়ে ব্যবহারকারীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, নতুন এ আপডেটটি আগের মতো বন্ধুসুলভ বা আলাপচারিতার উপযোগী নয়। এ প্রতিবাদের মুখে ওপেনএআই ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন মডেল বেছে নেওয়ার সুযোগ ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয় ও ভবিষ্যতে জিপিটি-৫’কে আরও আন্তরিক করে তোলারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

গুগলের নতুন ফিচার, বদলানো যাবে জিমেইল ঠিকানা

গুগলের নতুন ফিচার, বদলানো যাবে জিমেইল ঠিকানা ব্যবহারকারীদের বহুল প্রত্যাশিত একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে গুগল—এমনটাই দাবি করেছে একাধিক প্রতিবেদন। দীর্ঘদিন ধরেই জিমেইল ব্যবহারকারীরা একই ইমেইল আইডি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ, গুগল এখন পর্যন্ত জিমেইল ঠিকানা বা ইউজারনেম পরিবর্তনের কোনও সুযোগ দেয়নি। তবে সেই চিত্র বদলাতে পারে শিগগিরই। যদিও গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, তবে গুগলের সাপোর্ট পেজে সাম্প্রতিক কিছু পরিবর্তনের কথা উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। সেখানে ‘Change Gmail address’ বা জিমেইল ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি অপশন দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এটি চালু হলে গুগলের পক্ষ থেকে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত হিসেবেই ধরা হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিমেইল আইডি বা ইউজারনেম পরিবর্তনের অর্থ হলো— ১০ বছর আগে খোলা কোনও অ্যাকাউন্টের ইউজারনেম নতুন করে সম্পাদনা বা আপডেট করা যাবে। গুগলের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, জিমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করলেও পুরোনো ইউজারনেম বাতিল হবে না এবং ব্যবহারকারীদের কোনও তথ্য বা ডেটা হারানোর ঝুঁকিও থাকবে না। বরং ব্যবহারকারীরা একই অ্যাকাউন্টে পুরোনো ও নতুন—দুটি জিমেইল ঠিকানাই ব্যবহার করতে পারবেন। উভয় ঠিকানায় পাঠানো ইমেইলই পৌঁছাবে একই ইনবক্সে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পুরোনো জিমেইল আইডি দিয়েও অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে। অর্থাৎ, ঠিকানা বদলালেও ব্যবহারকারীদের পুরোনো পরিচয় পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না।