শুটিং করতে গিয়ে আহত জুনিয়র এনটিআর

শুটিং করতে গিয়ে আহত জুনিয়র এনটিআর শুটিং করতে গিয়ে চোট পেয়ে আহত দক্ষিণী তারকা জুনিয়র এনটিআর। শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে পাঠান পরিচালক। চিকিৎসক জানিয়েছেন, আঘাত গুরুতর নয়। তবে আগামী কয়েক দিন বিশ্রামে থাকতে হবে নায়ককে। দুর্ঘটনার খবর ছড়াতেই উদ্বিগ্ন নায়কের অনুরাগীরা। তাদের প্রত্যেকের দাবি, জুনিয়র এনটিআর-এর শারীরিক পরিস্থিতির কথা তাদের জানাতে হবে। সত্য গোপন করলে চলবে না। এরপরেই অভিনেতার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে দেওয়া হয়। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সামান্যই চোট পেয়েছেন তিনি। আঘাত গুরুতর নয়। ভাল আছেন। শুধু চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে আগামী কয়েক দিন বিশ্রামে থাকবেন। পাশাপাশি এও অনুরোধ জানানো হয়, তারকার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে যেন কোনও ভুয়ো খবর ছড়ানো না হয়। বড় ছবির পাশাপাশি খ্যাতনামীরা নানা বিজ্ঞাপনী ছবিতরও কাজ করেন। শুক্রবার তেমনই একটি ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন জুনিয়র এনটিআর। আচমকাই সেট অঘটন। চোট পান তিনি। তবে কোথায়, কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল সে সম্পর্কে অভিনেতার তরফ থেকে এখনও কিছুই জানানো হয়নি। দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়ার তারকা এবং অনুরাগীরা নায়কের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
ছুটির দিনে সবার পছন্দের পাটিসাপটা পিঠা

ছুটির দিনে সবার পছন্দের পাটিসাপটা পিঠা ক্যালেন্ডারে বসন্ত এলেও প্রকৃতিতে এখনও শীতের আমেজ। পিঠা খাওয়ার সময়ও এখনই। খুব সহজে ছুটির দিনে তৈরি করুন সবার পছন্দের পাটিসাপটা পিঠা: উপকরণ পোলাও-এর চালের গুঁড়া – ৫০০ গ্রাম, আটা- ১ কাপ, দুধ- দেড় কেজি, খেজুরের গুড় দেড় কাপ ও তেল অল্প, এলাচ গুঁড়া ও লবণ সামান্য (ইচ্ছা)। প্রণালী ক্ষীর-দুধ জ্বাল দিয়ে কিছুটা কমে এলে এক কাপ গুড় দিয়ে আবার জ্বাল দিতে হবে। মাঝে মাঝে নাড়তে হবে। দুধ কমে এলে ১ চা-চামচ চালের গুঁড়াতে অল্প দুধ মিশিয়ে বাকি দুধে ঢেলে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ পর এলাচ গুঁড়া দিয়ে ক্ষীর নামিয়ে নিতে হবে। চালের গুঁড়া, আটা, গুড়, লবণ এবং পানি মিলিয়ে মসৃণ গোলা তৈরি করতে হবে। পানি এমন আন্দাজে দিতে হবে যেন বেশি পাতলা বা ঘন না হয়। এবার তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়ে বড় গোল ডালের চামচে এক চামচ গোলা তাওয়ায় দিয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। ওপরটা শুকিয়ে এলে একপাশে এক টেবিল চামচ ক্ষীর রেখে পিঠা মুড়ে চেপে করে দিতে হবে। সবগুলো পিঠা তৈরি করে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন দারুণ মজার ক্ষীর পাটিসাপটা।
৩-৪টা নাগা মরিচ দিয়ে ফুচকা খেয়েছেন হানিয়া আমির!

৩-৪টা নাগা মরিচ দিয়ে ফুচকা খেয়েছেন হানিয়া আমির! ঢাকাই সিনেমার নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক নাঈম। তার আরেকটি পরিচয়, তিনি নবাব স্যার সলিমুল্লাহর প্রপৌত্র। বর্তমানে পরিবার নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটে নাঈমের। দুই সন্তানের একজন নামিরা নাঈম দেশে পড়াশোনা শেষ করে পোশাকের প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন, আরেকজন মাহাদিয়া নাঈম এখন দেশের বাইরে আছেন। নবাব পরিবারের বংশধর নামিরার সঙ্গে দেখা হয়েছে পাকিস্তানের জনপ্রিয় তারকা হানিয়া আমিরের। একসঙ্গে ঢাকার আহসান মঞ্জিলে কাটানো তাদের সময়টা বেশ উপভোগ্য ছিল বলে জানালেন নামিরা। হানিয়ার সঙ্গে অনেক গল্প হয়েছে নামিরার। তিনি জানান, নবাব পরিবারের সন্তান হিসেবে অনেক কিছুই শুনেছে। পাকিস্তানেও আমাদের আত্মীয়স্বজনেরা আছেন, সেই গল্পও শুনল। পাকিস্তানি ডিজাইনার আমির আদনান এবং অভিনয়শিল্পী ও গায়ক আলী জাফরের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা পারিবারিক, তাদের নিয়েও আলাপ হলো। নামিরা গণমাধ্যমকে হানিয়া আমিরের ব্যাপারে বলেন, ইনস্টাগ্রাম থেকে তার একরকম ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে উপলব্ধি করেছি, কিন্তু সামনাসামনি অন্য রকমভাবে তাকে আবিষ্কার করলাম। খুই চমৎকার, প্রাণখোলা একজন মানুষ। অনেক মজা করেছি আমরা। হানিয়া আমির ঢাকার পথের ধারের খাবার বেশ আনন্দ নিয়ে উপভোগ করেছে বলে জানান নামিরা। তার কথায়, খালি পেটে নাগা মরিচের ঝালমুড়ি বেশ মজা করে খেয়েছে। ফুচকা খেয়েছে ৩-৪টা নাগা মরিচ দিয়ে। আমরা তো মরিচের ঝালে উহু আহ করছি। অথচ এই ঝালে যেন হানিয়ার জন্য খুবই স্বাভাবিক ছিল।
ভুঁইফোঁড় অ্যাওয়ার্ড নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

ভুঁইফোঁড় অ্যাওয়ার্ড নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা অনেক দিন ধরেই পর্দায় নেই এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। তবে ভক্তরা এখনো অপেক্ষায়- কবে আবার তিনি নিয়মিত অভিনয়ে ফিরবেন। এ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন পূর্ণিমা। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ভুঁইফোঁড় অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান নিয়েও নিজের অবস্থান জানিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এই চিত্রনায়িকা। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় আমাকেও বলে- অ্যাওয়ার্ড নিতে আসেন। আমি জিজ্ঞেস করি, কোন কাজের জন্য দেবে? তারা বলে-এমনি! এমনি আবার অ্যাওয়ার্ড হয় নাকি? যাদের পুরস্কার দিচ্ছে, তাদের নামই আগে শুনিনি। এসব জায়গায় যেতে ইচ্ছে করে না। ’অভিনয় ছাড়েননি পূর্ণিমা, ভালো গল্প আর মানসম্মত চরিত্র পেলে এখনো কাজ করতে রাজি তিনি। বিশেষ করে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান এই অভিনেত্রী। পূর্ণিমা বলেন, ‘ওটিটিতে কাজ করতে চাই। তবে সেখানে একটা বড় সিন্ডিকেট কাজ করে। বাইরের কাউকে সহজে জায়গা দেয় না। যারা ওই দলে আছে, তারাই সব সময় সুযোগ পায়। অথচ অনেক মেধাবী শিল্পী আছেন, যারা ভালো কাজ করতে পারেন- তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হয় না। ’ তবে সবকিছুর পরও পূর্ণিমা আশাবাদী। তার মতে, ভালো কাজ, ভালো গল্প আর যোগ্য সম্মান পেলে তিনি অবশ্যই ফিরতে চান। তার কথায়, ‘আমি যদি প্রাপ্য সম্মান আর ভালো গল্প পাই, অবশ্যই কাজ করতে চাই। ’ওটিটির কিছু কাজ যেমন ‘মহানগর’, ‘কারাগার’ ও ‘গোলাম মামুন’ তার ভালো লেগেছে। তিনি মনে করেন, এ রকম গল্পে কাজ করার সুযোগ থাকলে অভিনয়ে নতুন করে প্রাণ পেতেন। পূর্ণিমা চান, অভিনয়ের প্ল্যাটফর্ম যেটাই হোক, সেখানে যেন যোগ্যতার মূল্যায়ন হয়। আর কেবল জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে শিল্পের মান বজায় রাখা হয়।
তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার প্রচেষ্টা ব্যর্থতার ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ প্রধান

তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার প্রচেষ্টা ব্যর্থতার ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ প্রধান জলবায়ু উষ্ণায়নকে প্রাক-শিল্প স্তরের ওপরে ১.৫ সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে যাচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শুক্রবার এএফপিকে এ কথা জানিয়েছেন। জাতিসংঘ তার বার্ষিক কূটনৈতিক সমাবেশের পাশাপাশি একটি জলবায়ু সপ্তাহ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। জাতীয় নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) নামেও পরিচিত প্যারিস চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর ২০৩৫ সালের জলবায়ু লক্ষ্য, প্রাথমিকভাবে কয়েক মাস আগে প্রত্যাশিত ছিল। তবে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বাণিজ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা প্রক্রিয়াটির গতি ধীরে পর্যবসিত করে তুলেছে। গুতেরেস এএফপিকে বলেন, আমরা এই লক্ষ্য ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে। আমাদের দেশগুলোকে এমন জলবায়ু কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে, যা সম্পূর্ণরূপে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং তাদের সমগ্র গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও সমগ্র অর্থনীতি কভার করবে। তিনি আরো বলেন, ‘১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সীমা বজায় রাখতে হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কার্বন নির্গমনের ব্যাপক হ্রাস অপরিহার্য।’ ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য হলো প্রাক-শিল্প যুগের সঙ্গে তুলনীয় বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা। ব্রাজিলে কপ-৩০ সম্মেলনের দুই মাসেরও কম সময় আগে, বেশ কয়েকটি দেশ তাদের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে ধীরগতি দেখিয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু কূটনীতির ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত শক্তি চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এদের অন্তর্ভুক্ত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অসংখ্য সংকটের কারণে মানবসৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব মোকাবিলার প্রচেষ্টা পিছনে ফেলেছে। যার মধ্যে রয়েছে করোনাভাইরাস মহামারী ও বেশ কয়েকটি যুদ্ধ। গুতেরেস এই বিষয়ের ওপর পুনরায় মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন। জাতিসংঘ আশা করছে যে কপ-৩০-এর আগে বুধবার অনুষ্ঠেয় জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনটি প্রচেষ্টায় প্রাণ সঞ্চার করার একটি সুযোগ হবে। নিউইয়র্কে গুতেরেস ও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভার যৌথ সভাপতিত্বে এটি অনুষ্ঠিত হবে। গুতেরেস বলেন, তিনি উদ্বিগ্ন যে জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান, বা জাতীয় জলবায়ু কর্ম পরিকল্পনা, বৈশ্বিক উষ্ণতাকে প্রাক-শিল্প স্তরের উপরে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যকে চূড়ান্তভাবে সমর্থন নাও করতে পারে। তবে তিনি বলেন, এটা আতঙ্কিত হওয়ার বিষয় নয় বরং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হওয়ার বিষয়। ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য হলো শিল্প-পূর্ব যুগের সঙ্গে তুলনীয় বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা। বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের কাজকে একত্রিত করে আন্তঃসরকারি জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল (আইপিসিসি) ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে ২০৩০-২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু গড়ে ১.৫ সেলসিয়াস উষ্ণ হওয়ার আনুপাতিক সম্ভাবনা ৫০:৫০। বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছেন, কারণ প্রতিটি ডিগ্রি বৃদ্ধি তাপপ্রবাহ বা সামুদ্রিক প্রাণীর ধ্বংসের মতো ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে। আইপিসিসির মতে, উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পরিবর্তে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা হলে, এর সবচেয়ে বিপর্যয়কর পরিণতি উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত হবে। জাতিসংঘের মতে, ২০২৪ সাল ছিল রেকর্ডকৃত উষ্ণতম বছর।
হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন এরদোয়ান

হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন এরদোয়ান বাণিজ্য ও সামরিক চুক্তিসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অনেক বাণিজ্য ও সামরিক চুক্তি নিয়ে কাজ করছি, যার মধ্যে রয়েছে বৃহৎ পরিসরে বোয়িং বিমান বিক্রয়, একটি এফ-১৬ চুক্তি এবং এফ-৩৫ নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা। এ বিষয়গুলো আমরা ইতিবাচকভাবে শেষ হওয়ার আশা করছি।” তুরস্ক ও এরদোয়ানের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্কের বার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “এরদোয়ান ও আমার মধ্যে সবসময়ই খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। আমি ২৫ তারিখে তাকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি!” তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সর্বশেষ ২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন। ২০১৭-২১ মেয়াদে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও সিরিয়ায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক এবং মস্কোর সঙ্গে আঙ্কারার সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের কারণে তাদের সম্পর্কে বেশ টানাপোড়েনও দেখা দেয়। তুরস্ক ২০১৯ সালে রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনে ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করে। প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের পরিকল্পিত বিক্রয় বাতিল করে এবং বিমানের যৌথ উৎপাদন কর্মসূচি থেকে আঙ্কারাকে বহিষ্কার করে। পরবর্তীতে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে সম্মত হয় তুরস্ক।
ইরানের পরমাণু ইস্যুতে যৌথ উদ্যোগ নিচ্ছে চীন-রাশিয়া

ইরানের পরমাণু ইস্যুতে যৌথ উদ্যোগ নিচ্ছে চীন-রাশিয়া ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সমাধানে একটি যৌথ উদ্যোগ নিচ্ছে রাশিয়া ও চীন। খুব শিগগিরই এই উদ্যোগ উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানভ। এ সময় তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তাদের পদক্ষেপ এই ইস্যুটিকে রাজনৈতিক রূপ দিয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে দুর্বল করেছে এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতার মাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। মিখাইলের এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি, যা ‘জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ)’ নামে পরিচিত- অনুযায়ী ইরানের ওপর থেকে উঠিয়ে নেওয়া নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের বিষয়ে ভোটাভুটির প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি তথাকথিত ‘স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম’ সক্রিয় করার পক্ষে চাপ দিচ্ছে। তাদের অভিযোগ, ইরান তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। জেসিপিওএ-এর বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, কোনও পক্ষ যদি দাবি করে ইরান চুক্তি ভঙ্গ করেছে, তাহলে তারা ২০০৬ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে গৃহীত নিরাপত্তা পরিষদের ছয়টি পূর্ববর্তী প্রস্তাব পুনর্বহালের দাবি করতে পারে। তবে ইরান বলছে, ইউরোপীয়রা এই প্রক্রিয়া সক্রিয় করতে পারে না, কারণ তারাই প্রথম চুক্তি ভঙ্গ করেছে— ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর ক্ষতিপূরণ দিতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আফগান নারী ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ দিল না ফিফা

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আফগান নারী ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ দিল না ফিফা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া আফগান নারী ফুটবলাররা নতুন করে গঠিত আফগান নারী শরণার্থী দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না। ফিফা আয়োজিত নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। চলতি বছরের মে মাসে ফিফা অনুমোদিত আফগান নারী শরণার্থী দলকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় পাওয়া আফগান খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত এই দল ফিফার আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শর্তে ফিফা ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজন করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খেলোয়াড়দের জন্য একই ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অন্তত ২২ জন আফগান ফুটবলারের মধ্যে ১০ জন হিউস্টনে বসবাস করেন। তাদেরই একজন সাবেক অনূর্ধ্ব-১৭ আন্তর্জাতিক ও হিউস্টন শাইন এফসির ফরোয়ার্ড জাহরা সুলতানি বলেন, ‘ফুটবল সবসময় আমার পরিচয়, আমার স্বাধীনতা, আর বিশ্বমঞ্চে আফগান নারীদের প্রতিনিধিত্বের উপায়। ক্যাম্প বাতিল হওয়ার খবর আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। ’ প্রথম আফগান নারী জাতীয় দলের সদস্য সোদাবা খানজানি (২৮) মন্তব্য করেন, ‘এটি অগ্রহণযোগ্য এবং কোনো অর্থ বহন করে না। অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপের খেলোয়াড়দের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়দের কোনো পার্থক্য নেই। আমরা উপেক্ষিত ও অসম্মানিত বোধ করছি। ’আরেক খেলোয়াড় নিলোফার মুমতাজ (২৪) বলেন, ‘আমরা চার বছর ধরে পরিবার ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে আছি। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে ক্যাম্প হচ্ছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে নয়। আমরা কাঁদছি, তবুও হাল ছাড়ব না। ’ ফিফা জানিয়েছে, ‘খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও সুস্থতা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আইনি ও লজিস্টিক জটিলতা বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খেলোয়াড়দেরও ভবিষ্যতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ’ ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর আফগানিস্তানে নারীদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ হয়। ফিফা, ফিফপ্রো ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় শতাধিক নারী খেলোয়াড় ও তাদের পরিবার বিদেশে আশ্রয় পান। বর্তমানে আফগান নারী জাতীয় দল ফিফার বিশ্ব র্যাংকিংয়ের বাইরে। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে তালেবানের নারীবিরোধী নীতিকে ‘লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান, বাদ টি-টোয়েন্টি সিরিজ

বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান, বাদ টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২০২৬ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। সফরে দুটি টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে তারা। তবে আইসিসির এফটিপি অনুযায়ী নির্ধারিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবার আর থাকছে না। মূল সূচিতে সব ফরম্যাট মিলিয়ে সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি বাদ দিয়ে টেস্ট ও ওয়ানডেকেই গুরুত্ব দিচ্ছে দুই বোর্ড। বিশ্বকাপ-পরবর্তী এই সফর ঘিরে বিসিবি ও পিসিবির মধ্যে আলোচনা চলছে। ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত সূচি পাঠিয়েছে বিসিবি, তবে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ও ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। পাকিস্তান সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে এসেছিল ২০২৪ সালের জুলাইয়ে, যখন দুটি দল মুখোমুখি হয়েছিল একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এবার দীর্ঘ ফরম্যাটে সিরিজ আয়োজনকে বড় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষকে পেয়ে নিজেদের শক্তি যাচাই করার সুযোগ পাবে লাল-সবুজের দল। আগামী ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজ মাঠে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। সেই সিরিজ শেষে সরাসরি বাংলাদেশ সফরে আসবে সালমান-শাহিনরা। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে বিসিবি ও পিসিবি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশে শেখ মেহেদীকে চান জাফর

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশে শেখ মেহেদীকে চান জাফর এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় পেলেও বাংলাদেশ ব্যাটিং-নির্ভর একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল মাত্র চারজন বোলার নিয়ে। পার্ট-টাইম বোলারদের খরুচে স্পেল দেখে সতর্ক করেছেন ভারতের সাবেক ওপেনার ওয়াসিম জাফর। তার মতে, সুপার ফোরে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শামীম হোসেন ও সাইফ হাসান মিলিয়ে চার ওভারে খরচ করেন ৫৫ রান। যদিও বাংলাদেশ ম্যাচ জেতে, তবে অধিনায়ক লিটন দাসের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জাফরের মতে, ‘পঞ্চম বোলার’ এর ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। ভাগ্য সহায় হওয়ায় বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলেও পরবর্তী ধাপে একই কৌশল কার্যকর হবে না। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে জাফর একাদশে দেখতে চান শেখ মেহেদী হাসানকে। তার মতে, নুরুল হাসান সোহানের পরিবর্তে মেহেদীকে সুযোগ দেওয়া উচিত। জাফর বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা দলে অনেক বাঁ-হাতি ব্যাটার আছে। তাই মেহেদীকে নেওয়া দরকার। সে শুধু ভালো বোলারই নয়, ব্যাটও করতে পারে। আগের ম্যাচগুলোতে তাকে পাঁচ নম্বরে খেলানো হয়েছিল। নুরুল আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সুযোগই পায়নি, তাই তার জায়গায় মেহেদীকে আনা যেতে পারে। ’আফগানিস্তানের বিপক্ষে অসাধারণ বোলিং করে ম্যাচসেরা হন বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। চার ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। জাফরের মতে, দুবাইয়ের বড় মাঠে বাঁ-হাতি স্পিনাররা কার্যকর। তাই নাসুমকে বাদ দেওয়ার কোনো কারণ নেই।